পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
Bangla - 04: কারক-বিভক্তি, ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়াপদ, বাচ্য, যতিচিহ্ন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
একই ধাতু থেকে ক্রিয়া ও কর্ম গঠিত হলে তাকে কি কর্ম বলে?
  1. ক) গৌণ
  2. খ) মুখ্য
  3. গ) সমধাতুজ
  4. ঘ) প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়াপদ ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে।

• বাক্যে দুইটি কর্ম থাকলে বস্তুবাচক কর্মটিকে প্রধান বা মুখ্য কর্ম ও ব্যক্তিবাচক কর্মটিকে গৌণ কর্ম বলে।
- যেমন -বাবা আমাকে একটি ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন।
- কাকে দিয়েছেন? আমাকে।
- কী দিয়েছেন? ল্যাপটপ 
- আমাকে-  (গৌণ কর্ম) ও ল্যাপটপ- (মুখ্য কর্ম)। 

• তবে দুইটি একই ধরনের কর্ম থাকলে প্রথম কর্মটিকে উদ্দেশ্য কর্ম ও দ্বিতীয়টিকে বিধেয় কর্ম বলে।
- যেমন- ‘দুধকে মোরা দুগ্ধ বলি, হলুদকে বলি হরিদ্রা’।
- এখানে ‘দুধ’ ও ‘হলুদ’ উদ্দেশ্য কর্ম, ‘দুগ্ধ’ ও ‘হরিদ্রা’ বিধেয় কর্ম।

• কর্তা নিজে কাজ না করে কর্মকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিলে তাকে প্রযোজক ক্রিয়ার কর্ম বলে।
- যেমন : মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
- সাপুড়ে সাপ খেলায়।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
’ছোট মুখে বড় কথা মানায় না’- এখানে ছোট মুখে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) করণে সপ্তমী
  2. খ) অপাদানে সপ্তমী
  3. গ) কর্মে প্রথমা
  4. ঘ) কর্তায় সপ্তমী
ব্যাখ্যা
• ’ছোট মুখে বড় কথা মানায় না’--এখানে ’ছোট মুখে’ অপাদানে সপ্তমী বিভক্তি।

• অপাদান কারক: 
• যা থেকে কিছু বিচ্যুত,গৃহীত, জাত,বিরত,আরম্ভ,দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমনঃ
- লোক মুখে শুনেছি।
- ছোট মুখে বড় কথা মানায় না।
- এখানে উভয় বাক্যেই মুখ শব্দটি অপাদান কারক।
- আর সাথে ‘এ’ বিভক্তি।
- ’এ ’হলো সপ্তমী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
কোন বাক্যে কর্ম -কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে?
  1. ক) সে গ্রামে যাবে
  2. খ) ঘণ্টা বাজে
  3. গ) তাকে গ্রামে যেতে হবে
  4. ঘ) আমার যাওয়া হবে না
ব্যাখ্যা
• ‘ঘণ্টা বাজে‘ বাক্যটি কর্ম-কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ।
• যে বাক্যে কর্তার উল্লেখ থাকে না, কর্ম পদটিই কর্তার মতো কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
- যেমন—
- ঢাক বাজে।
- ঘুড়ি ওড়ে।
- পাতা নড়ে ইত্যাদি।

 উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
'তোমরা যা খুশি করো, আমি বিদায় হলাম'- এটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. ক) সাধারণ অতীত
  2. খ) বর্তমান অনুজ্ঞা
  3. গ) ঘটমান বর্তমান
  4. ঘ) ঘটমান ভবিষ্যৎ
ব্যাখ্যা
• 'তোমরা যা খুশি করো, আমি বিদায় হলাম'- এটি সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ।
• যে ক্রিয়া অতীত কালে সাধারণভাবে সংঘটিত হয়েছে অর্থাৎ বর্তমান কালের পূর্বে সংঘটিত হয়েছে , তাকে সাধারণ অতীত কাল বলা হয়।
যেমন :
- আমি কাজটি করলাম।
- আমি খেলা দেখে এলাম।
- এক্ষণে জানিলাম, কুসুমে কীট আছে ইত্যাদি।

সাধারণ অতীতের বিশিষ্ট ব্যবহার:
পুরাঘটিত বর্তমান স্থলে : 'এক্ষণে জানিলাম, কুসুমে কীট আছে।' 
বিশেষ ইচ্ছা অর্থে বর্তমান কালের পরিবর্তে : তোমরা যা খুশি কর, আমি বিদায় হলাম।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সমন্বয় প্রধানভাবে প্রকাশিত হয় তাকে কোন বাচ্য বলে?
  1. ক) কর্তৃবাচ্য
  2. খ) কর্মবাচ্য
  3. গ) ভাববাচ্য
  4. ঘ) কোনটিই না
ব্যাখ্যা
• যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সমন্বয় প্রধানভাবে প্রকাশিত হয় তাকে কর্মবাচ্য বলে।

• কর্মবাচ্য :
- কর্মপদ প্রধান রূপে প্রকাশিত হলে তাকে কর্মবাচ্য বলে।
- এ ধরনের বাক্যে ক্রিয়াপদ কর্তা অনুযায়ী না হয়ে কর্মপদ অনুযায়ী হয় এবং কর্মপদের অনুসারী হয়।
- এ ধরনের বাক্যে কর্তায়- তৃতীয়া বিভক্তি হয়।
- কর্মে- শূণ্য বিভক্তি হয়। 
• যেমন-
- শিকারি কর্তৃক বাঘটি নিহত হয়েছে।
- আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য বিজিত হয়।
- চোরটা ধরা পড়েছে।
- আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
প্রত্যক্ষ উক্তির জন্য ব্যবহৃত হয় - 
  1. ক) কোলন 
  2. খ) রেখা চিহ্ন 
  3. গ) সেমিকোলন
  4. ঘ) উদ্ধৃতি চিহ্ন 
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে জোড় উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যেমনঃ শিক্ষক বললেন, "গতকাল তুরষ্কে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছে।
তাছাড়া--
• একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্য শুরু করতে হলে সাধারণত কোলন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- সভায় সিদ্ধান্ত হলাে : একমাস পরে নতুন সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 
• সময় নির্দেশ করতে ঘন্টা, মিনিট, ও সেকেন্ডের মধ্যে কোলন চিহ্ন বসে।
- যেমন ৯:১০:২০.
• কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়ােজন হলে, সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
‘মাথা ঝিমঝিম্ করছে‘ -বাক্য়টি কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. ক) নাম ধাতুর ক্রিয়া
  2. খ) যৌগিক ক্রিয়া
  3. গ) মিশ্র ক্রিয়া
  4. ঘ) নিজন্ত ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• ‘ মাথা ঝিমঝিম্ করছে‘ - বাক্যটি মিশ্র ক্রিয়ার উদাহরণ।
- কারণ এখানে ধ্বন্যাত্মক অব্যয় ( ঝিমঝিম্ )  + ধাতু ( কর্ ‘) যুক্ত হয়ে মিশ্র ক্রিয়া গঠিত হয়েছে।
•মিশ্র ক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর্, হ্, দে, পা, যা, কাট্, গা, ছাড়্, ধর্, প্রভৃতি ধাতুযোগে গঠিত ক্রিয়াপদ বিশেষ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে, তাকে মিশ্র ক্রিয়া বলে।
- যেমন–
- বিশেষ্যের (পরে) : আমরা তাজমহল দর্শন করলাম। 
- বিশেষণের (পরে) : তোমাকে দেখে বিশেষ প্রীত হলাম।
- ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের (পরে) : মাথা ঝিমঝিম্ করছে।
• যৌগিক ক্রিয়া-একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। 
• নিজন্ত ক্রিয়া-- কর্তার যে ক্রিয়া অন্যকে দিয়ে করানো হয়, তাকে প্রযোজক বা নিজন্ত ক্রিয়া বলে।
- যেমন—মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
‘কলে ছাঁটা চাল ভালো নয়।’- বাক্যে 'কলে' কোন কারক?
  1. ক) কর্মকারক
  2. খ) করণ কারক
  3. গ) অপাদান কারক
  4. ঘ) কর্তৃকারক
ব্যাখ্যা
• কলে ছাঁটা চাল ভালো নয়। বাক্যে 'কলে' হলো করণ কারক।
- ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে/ কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক।
- এখানে ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে‘ ছাঁটা চাল ভালো হয় প্রশ্ন করলে উত্তরে ‘কলে‘ পাওয়া যায়।
- তাই ‘কলে‘ হলো করণ কারক।
• করণ কারক:
- করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।
- যে উপাদান বা উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদন করা হয়, তাকে করণ কারক বলে।
- ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে/ কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক।
• উদাহরণ-
- পিয়াল কলম দিয়ে লিখছে। (কী দিয়ে লেখে? কলম দিয়ে) :করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি।
- কীর্তিমান হয় সাধনায়। (কী উপায়ে হয়? সাধনায়) : করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
- ডাকাতেরা গৃহকর্তার মাথায় লাঠি মেরেছে। (কী দিয়ে মেরেছে? লাঠি ): করণ কারকে শূণ্য বিভক্তি।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ১ম খণ্ড।
.
কর্মপদের ভূমিকা অনুসারে ক্রিয়াপদ কত প্রকার?
  1. ক) ৩ প্রকার  
  2. খ) ৪ প্রকার
  3. গ) ৫ প্রকার
  4. ঘ) ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
• কর্মপদের ভূমিকা অনুসারে ক্রিয়াপদ ৪ প্রকার প্রকার।
 • কর্মপদের ভূমিকা অনুসারে ক্রিয়াপদ চার প্রকার। যথা-
- সকর্মক ক্রিয়া,
- অকর্মক ক্রিয়া,
- দ্বিকর্মক ক্রিয়া, 
- প্রযোজক ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১০.
‘মাঠে জল থই থই করছে।’- বাক্যে "মাঠে" পদটি কোন অধিকরণ?
  1. ক) ঐকদেশিক আধারাধিকরণ
  2. খ) অভিব্যাপক আধারাধিকরণ
  3. গ) বৈষয়িক আধারাধিকরণ
  4. ঘ) ভাবাধিকরণ
ব্যাখ্যা
• মাঠে জল থই থই করছে। "মাঠে" পদটি অভিব্যাপক আধারাধিকরণ।

• অধিকরণ কারক বলতে ক্রিয়া সম্পাদনের সময় এবং আধারকে নির্দেশ করে।
• ক্রিয়াকে "কখন" ও "কোথায়" দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
• অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ '-এ' '-য়' '-তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।

-অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা-
১. কালাধিকরণ,
২. আধারাধিকরণ এবং
৩. ভাবাধিকরণ।
- আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:-

 ১. ঐকদেশিক,
২. অভিব্যাপক এবং
৩. বৈষয়িক।

 - উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে।
উদাহরণ:
- তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)
- নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১১.
বেশ ঘুম ঘুমিয়েছি - কোন কর্মের উদাহরণ?
  1. ক) সমধাতুজ
  2. খ) মুখ্য
  3. গ) গৌণ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বেশ ঘুম ঘুমিয়েছি -সমধাতুজ কর্মের উদাহরণ।
- কারণে এখানে ক্রিয়া ও কর্মপদ  একই ধাতু থেকে এসেছে।
• বাক্যের ক্রিয়া ও কর্মপদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বা ধাত্বর্থক কর্মপদ বলে।
- যেমন- আর কত খেলা খেলবে।
- মূল 'খেল' ধাতু থেকে ক্রিয়াপদ 'খেলবে' এবং কর্মপদ 'খেলা' উভয়ই গঠিত হয়েছে।
- তাই 'খেলা' পদটি সমধাতুজ বা ধাত্বৰ্থক কর্ম।
- সমধাতুজ কর্মপদ অকর্মক ক্রিয়াকে সকর্মক করে।
যেমন-
- এমন সুখের মরণ কে মরতে পারে?
- বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
- আর মায়াকান্না কেঁদো না গো বাপু।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১২.
মিশ্র ক্রিয়ার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) বিশেষ্যের সাথে বসে
  2. খ) বিশেষণের সাথে বসে
  3. গ) ধ্বন্যাত্নক অব্যয়ের সাথে বসে
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্নক অব্যয়ের ফলে কর, হ, দে, পট, খা, গা, ছাড়, ধর, মার প্রভৃতি ধাতু যোগে গঠিত ক্রিয়াপদ বিশেষ বিশেষ যে অর্থ প্রকাশ করে তাকে মিশ্রক্রিয়া বলে।
সুতরাং মিশ্র ক্রিয়ার ক্ষেত্রে  বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্নক অব্যয় সবগুলো সঠিক।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১৩.
যে বাচ্যের কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কোন বাচ্য বলে?
  1. ক) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
  2. খ) কর্মবাচ্য
  3. গ) ভাববাচ্য
  4. ঘ) কর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
• যে বাচ্যের কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
•  ভাববাচ্য :
- বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে প্রকাশিত হলে তাকে ভাববাচ্য বলে।
- এ ধরনের বাক্যে কর্ম থাকে না এবং কর্তাও প্রধান হয় না।
- কাউকে কোন কিছু সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে বলতে গেলে ভাববাচ্যে বলা যায়।
- যেমন
- আমার খাওয়া হল না। 
- তোমার যাওয়া হবে না।
- এ পথে চলা যায় না। 
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১৪.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কোন কারকের অধিভুক্ত বলে মনে করেন?
  1. ক) কর্ম কারক
  2. খ) কর্তা কারক
  3. গ) অপাদান কারক
  4. ঘ) অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কর্ম কারকের অধিভুক্ত বলে মনে করেন।
• বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বিতর্ক :
- ভাষাচার্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সম্প্রদান কারককে গৌণ কর্ম ছাড়া অন্য কিছু বলার কোনো যুক্তি নেই।
- দান ক্রিয়ার মাহাত্ম্য বোঝানোর জন্যই এ কারকটিকে আলাদা করা হয়েছিল।
- দান করা যতই মহৎ কাজ হোক, এতে ক্রিয়ার সঙ্গে কারক পদের সম্পর্কটি বদলে যায় না।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করলেই দানগ্রহীতা সম্প্রদানরূপে গণ্য হয়, স্বত্ব ত্যাগ না করলে কর্ম হয়।
- এখানেই সম্প্রদান কারকের অন্তঃসারশূন্যতা ধরা পড়ে।
• তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কর্ম কারকের অধিভুক্ত বলে মনে করেন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১৫.
’সাইরেন বেজে উঠল’ - বাক্যের যৌগিক ক্রিয়াটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
  1. ক) কার্যসমাপ্তি অর্থে
  2. খ) আকস্মিকতা অর্থে
  3. গ)  নিরন্তরতা অর্থে
  4. ঘ) অনুমোদন অর্থে
ব্যাখ্যা
 • ’সাইরেন বেজে উঠল’ আকস্মিকতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• তাছাড়া--
- নিরন্তরতা অর্থে : তিনি বলতে লাগলেন।
- কার্যসমাপ্তি অর্থে : ছেলেমেয়েরা শুয়ে পড়ল।
- অভ্যস্ততা অর্থে : শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
- অনুমোদন অর্থে : এখন যেতে পার।
• এগুলো সব হলো যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।

 উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১৬.
পরবর্তী শব্দ থেকে উৎপত্তি বুঝাতে কোন চিহ্ন বসে?
  1. ক) >
  2. খ) <
  3. গ) √
  4. ঘ) <-
ব্যাখ্যা
• ধাতু বোঝাতে (√) চিহ্ন বসে।
• পরবর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে (<)  চিহ্ন বসে - জাঁদরেল < জেনারেল। 
• পূর্ববর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে (>)  চিহ্ন বসে -  গঙগা > গাঙ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।