পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়42 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৯ পার্ট – ১: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: বাংলাদেশের সংবিধান: সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ এবং তফসিলসমূহ। পার্ট – ২: গাণিতিক যুক্তি: টপিকসমূহ: জ্যামিতি: [i) রেখা, কোণ ও বৃত্ত সম্পর্কিত সমস্যা ও সমাধান; ii) ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির-
  1. ভাষা ও সংস্কৃতি
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. মতৈক্য ও সমঝোতা
  4. ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠান
ব্যাখ্যা

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
- ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

অর্থাৎ বাঙালী জাতি তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন, এবং সেই ঐক্য ও সংগ্রামের চেতনা বাঙালী জাতীয়তাবাদ গঠনের মূল স্তম্ভ।


⇒ Article 9: Nationalism
- The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
নিচের কোন ব্যক্তির কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
- কার্যভার গ্রহণের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়।

সাংবিধানিক পদ গ্রহণের পূর্বে শপথ:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে সাংবিধানিক পদের মূলভিত্তি ১৪৮ অনুচ্ছেদ'র আলোকে ৩য় তফসিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ৩য় তফসিল অনুযায়ী ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথ গ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- যেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের নাম উল্লেখ নাই।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী:
- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: - বাংলাদেশের সংবিধান।
.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. স্পীকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।
- ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন। 
- ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি -
(ক) ৩৫ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।
- ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় -
  1. এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  2. দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  3. মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
  4. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
ব্যাখ্যা

সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া:
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

- (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

- (২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগকে রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১০৩
  2. ১০৪
  3. ১০৫
  4. ১০৭
ব্যাখ্যা

⇒ আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদের বিধান আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।
-----------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 105. Review of judgments or orders by Appellate Division:
- The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলি উল্লেখ আছে?
  1. ৮০ অনুচ্ছেদে
  2. ৮১ অনুচ্ছেদে
  3. ৮২ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অর্থ বিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে অর্থবিল সম্পর্কে বলা হয়েছে:
- অর্থবিল বলতে এমন বিল বোঝানো হয়, যা কর আরোপ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ, সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ প্রদান, বা এ সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে প্রণয়ন করা হয়।
- যদি কোনো বিল জরিমানা, লাইসেন্স ফি, বা স্থানীয় কর আরোপ নিয়ে হয়, তবে সেটিকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করা হবে না।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর সময় স্পিকার একটি সার্টিফিকেট দিয়ে নিশ্চিত করবেন যে এটি একটি অর্থবিল।
- এই সার্টিফিকেট চূড়ান্ত হবে এবং তা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ হবেন?
  1. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যে কোন একজন
  2. রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে যাকে দায়িত্ব দিবেন তিনি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
  4. আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
ব্যাখ্যা

অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হলে, বা তিনি অনুপস্থিত, অসুস্থ, বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে রাষ্ট্রপতি সন্তুষ্ট হলে—
- আপীল বিভাগের বিচারকদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে কর্মে প্রবীণ, তিনি অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বা বর্তমান প্রধান বিচারপতি তাঁর দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ প্রভৃতিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৭ক
  2. অনুচ্ছেদ-৭খ
  3. অনুচ্ছেদ-৭
  4. অনুচ্ছেদ-১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে। 

- বাংলাদেশের সংবিধানের-৭ক অনুচ্ছেদের বিধান: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ:
(১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় -
(ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে ; কিংবা
(খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
(ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে; কিংবা
(খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-তাহার এইরূপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।
(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

উল্লেখ্য,
-২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭ক অনুচ্ছেদটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-৭ এর বিধান → সংবিধানের প্রাধান্য।
অনুচ্ছেদ-৭খ এর বিধান → সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য। 
অনুচ্ছেদ-১৫ এর বিধান→ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সাধারণ নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ আহ্বান করতে হয়?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ সংসদের অধিবেশন:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশন নিয়ে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বলা হয়েছে:
⇒ ১. রাষ্ট্রপতি সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত এবং ভঙ্গ করবেন। তিনি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন।
→ তবে, সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বেশি বিরতি দেওয়া যাবে না।
→ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালন করবেন।
⇒ ২. সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের বৈঠক আহ্বান করতে হবে।
⇒ ৩. প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৫ বছর পর সংসদ ভেঙে যাবে, যদি রাষ্ট্রপতি আগে না ভাঙেন।
→ তবে, যুদ্ধে লিপ্ত থাকলে সংসদের মেয়াদ একবারে সর্বোচ্চ ১ বছর বাড়ানো যাবে এবং যুদ্ধ শেষে এই মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হবে না।
→ সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর যদি রাষ্ট্রপতি মনে করেন যুদ্ধাবস্থার কারণে সংসদ পুনরায় আহ্বান করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি ভেঙে দেওয়া সংসদ পুনরায় আহ্বান করতে পারেন।
→ সংসদের বৈঠকগুলো কার্যপ্রণালী-বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কয় ধরনের মালিকানার নীতির বিধান আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই মালিকানাগুলো হলো:
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা
২. সমবায় মালিকানা
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
মালিকানার নীতি- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১.
জাতীয় সংসদে কে কাস্টিং ভোট প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে থাকেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বিরোধীদলীয় নেতা
ব্যাখ্যা

⇒ সংসদের কার্যপ্রণালী, কোরাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদে সংসদের কার্যপ্রণালী, কোরাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিষয়ে বলা হয়েছে:
১. কার্যপ্রণালী-বিধি:
- সংসদ তার কার্যপ্রণালী-বিধি প্রণয়ন করবে। তবে, বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি প্রণীত বিধি অনুযায়ী সংসদের কার্যক্রম চলবে।
২. সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
- সংসদে উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
- সভাপতি সাধারণত ভোট দেবেন না, তবে সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
৩. কার্যধারা বৈধতা:
- কোনো সদস্যপদ শূন্য থাকা, বা কোনো ব্যক্তির সংসদে উপস্থিতি বা কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও, তা সংসদের কার্যধারাকে অবৈধ করবে না।
৪. কোরাম:
- যদি সংসদে উপস্থিত সদস্যের সংখ্যা ৬০-এর কম হয় এবং সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহলে তিনি বৈঠক স্থগিত বা মুলতবী করবেন, যতক্ষণ না ৬০ জন সদস্য উপস্থিত হন।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
- (খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য,
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব।
- স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও।
- তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন।
- স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. আইনসভা
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা
সংবিধানে মোট ভাগ:
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে:
১. প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র সম্পর্কে বলা হয়েছে।
২. দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি রয়েছে।
৩. তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত।
৪. চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ বর্ণিত।
৫. পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
৬. ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৭. সপ্তম ভাগে নির্বাচন ব্যবস্থা বর্ণিত।
৮. অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বিষয়ক বিধান রয়েছে।
৯. নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ এবং নবম-ক ভাগে জরুরী বিধানাবলী রয়েছে।
১০. দশম ভাগে সংবিধান সংশোধনের নিয়ম উল্লেখিত।
১১. একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৬৫ অনুচ্ছেদে
  2. ৬৬ অনুচ্ছেদে
  3. ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হতে পারে নিম্নলিখিত কারণে:

- নির্বাচনের পর ৯০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ করতে না পারলে। তবে স্পীকার বিশেষ কারণে সময় বাড়াতে পারেন।
- সংসদের অনুমতি ছাড়া টানা ৯০টি বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে। 
- সংসদ ভেঙে গেলে।
- সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অযোগ্য হলে।
- সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতি তৈরি হলে।
⇒ কোনো সংসদ সদস্য স্পীকারকে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। স্পীকার পত্র গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে তার আসন শূন্য হয়ে যাবে।
⇒ যদি স্পীকার পদ শূন্য থাকে বা দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম হন, সেক্ষেত্রে ডেপুটি স্পীকার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করবেন, এবং তা গ্রহণের পর ওই সদস্যের আসন শূন্য বলে গণ্য হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ণ কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. মযহারুল ইসলাম
  2. বেগম রাজিয়া বানু
  3. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  4. ড. আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়।
- গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন-প্রণেতা আই গাথরি।
- সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণের দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক কে ছিলেন?
  1. ড. আনিসুজ্জামান
  2. এ.কে.এম আব্দুর রউফ
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. শিল্পী মনোয়ার হোসেন
ব্যাখ্যা
⇒  সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - এ.কে.এম আব্দুর রউফ। 
- এ কে এম আবদুর রউফ ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধা।
- হস্তলিখিত সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ৯৩, তবে স্বাক্ষরসহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'। 
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান লেখার পর, এর বাংলা সংস্করণের পর্যালোচনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ড. আনিসুজ্জামান, এবং ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে সৈয়দ আলী আহসান ও মযহারুল ইসলাম ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬.
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে কত প্রকার রিটের (Writ) উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের রিট (Writ):
⇒ মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিট দাখিল করা যায়।
⇒ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ কারও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা পুনর্বহাল করতে পারে। এই ক্ষমতাকে রিট এখতিয়ার বলা হয়, যা হাইকোর্টের একটি বিশেষ সাংবিধানিক ক্ষমতা।
⇒ রিট হলো আদালত বা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের দেওয়া একটি আদেশ বা নির্দেশ।

⇒ সংবিধানে রিটগুলোর নাম উল্লেখ নেই, তবে ১০২(২) অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ করে পাঁচ ধরনের রিটের কথা জানা যায়:

১. Writ of Prohibition: এটি অনুচ্ছেদ ১০২(২)(ক)(অ)-এ উল্লেখ আছে।
২. Writ of Mandamus: এটি অনুচ্ছেদ ১০২(২)(ক)(অ)-তে উল্লেখিত।
৩. Writ of Certiorari: এটি অনুচ্ছেদ ১০২(২)(ক)(আ)-তে উল্লেখিত।
৪. Writ of Habeas Corpus: এটি অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(অ)-তে উল্লেখিত।
৫. Writ of Quo Warranto: এটি অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(আ)-তে উল্লেখিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ কে করে থাকেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ:
⇒ সংবিধানের ৫৬নং অনুচ্ছেদের ২নং দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন।
- ৫৬ (৩)নং দফা অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

- মন্ত্রীসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে।
- মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
ABC এর BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে, CE, ∠ACD এর সমদ্বিখণ্ডক। AB ।। CE এবং ∠ECD = 60° হলে ∠BAC এর মান কত?
  1. 30°
  2. 60°
  3. 45°
  4. 15°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ABC এর BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে, CE, ∠ACD এর সমদ্বিখণ্ডক। AB ।। CE এবং ∠ECD = 60° হলে ∠BAC এর মান কত?

সমাধান:

যেহেতু CE, ∠ACD কে সমদ্বিখণ্ডিত করে তাই ∠ECD = ∠ECA = 60°
∴ একান্তর ∠ECA = একান্তর ∠BAC = 60°
১৯.
একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। মাঠের প্রস্থ ২৫ মিটার হলে, মাঠের পরিসীমা কত?
  1. ১৫০ মিটার
  2. ২০০ মিটার
  3. ২৫০ মিটার
  4. ১০০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার মাঠের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। মাঠের প্রস্থ ২৫ মিটার হলে, মাঠের পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মাঠের প্রস্থ = ২৫ মিটার
তাহলে, মাঠের দৈর্ঘ্য = ২৫ × ৩
= ৭৫ মিটার

∴ মাঠের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২ (৭৫ + ২৫) মিটার
= ২০০ মিটার
২০.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা হলো 24√3 মিটার। ত্রিভুজের উচ্চতা কত?
  1. 10 মিটার
  2. 12 মিটার
  3. 8 মিটার
  4. 14 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা হলো 24√3 মিটার। ত্রিভুজের উচ্চতা কত?

সমাধান:
সমবাহু ত্রিভুজ এর এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a
প্রশ্নমতে,
3a = 24√3
⇒ a = 8√3
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) × (8√3)2
= (√3/4) × 64 × 3
= 48√3

সমবাহু ত্রিভুজ এর উচ্চতা =h
এখন,
(1/2)ah = 48√3
⇒ (1/2) × 8√3 × h = 48√3
⇒ ৪√3h = 48√3
⇒ h = 48√3/৪√3
⇒ h = 12
সমবাহু ত্রিভুজটির উচ্চতা 12 মিটার।
২১.
একটি পাখা প্রতি মিনিটে ১২০ বার ঘুরলে ৩ সেকেন্ডে পাখাটি কত ডিগ্রি ঘুরে?
  1. ৯৬০°
  2. ১০৮০°
  3. ১৪৪০°
  4. ২১৬০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পাখা প্রতি মিনিটে ১২০ বার ঘুরলে ৩ সেকেন্ডে পাখাটি কত ডিগ্রি ঘুরে?

সমাধান:
পাখাটি ১ মিনিট বা ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে = ১২০ বার
∴ পাখাটি ১ সেকেন্ডে ঘুরে = ১২০/৬০ বার
∴ চাকাটি ৩ সেকেন্ডে ঘুরে = (১২০ × ৩)/৬০ বার
= ৬ বার

পাখাটি ১ বার ঘুরলে ঘুরে = ৩৬০°
∴ ৬ বার ঘুরলে ঘুরে = ৩৬০° × ৬
= ২১৬০°
২২.
কোনো সমতল সীমাবদ্ধ করতে কমপক্ষে কতটি সরলরেখা প্রয়োজন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সমতল সীমাবদ্ধ করতে কমপক্ষে কতটি সরলরেখা প্রয়োজন?

সমাধান:
কোনো সমতল সীমাবদ্ধ করতে কমপক্ষে তিনটি সরলরেখা (ত্রিভুজ) প্রয়োজন এবং একটি বক্ররেখা (বৃত্ত) প্রয়োজন।
৩টি সরলরেখা যদি পরস্পর ছেদ করে এবং একটি ত্রিভুজ তৈরি করে, তখন তারা একটি সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র তৈরি করে।
২৩.
9 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 156 বর্গ সে.মি
  2. 176 বর্গ সে.মি
  3. 184 বর্গ সে.মি
  4. 162 বর্গ সে.মি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ব্যাসার্ধ = 9 সে. মি.
তাহলে, ব্যাস = 9 × 2 = 18 সে.মি. ;যা বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য

∴ ক্ষেত্রফল = (1/2) × (কর্ণ)2
= (1/2) × (18)2
= 324/2
= 162 বর্গ সে.মি
২৪.
AOB একটি সরলরেখা, যার ∠AOC = (3x + 20)° এবং ∠BOC = (4x - 36)°। x এর মান কত?
  1. 17°
  2. 28°
  3. 23°
  4. 32°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: AOB একটি সরলরেখা, যার ∠AOC = (3x + 20)° এবং ∠BOC = (4x - 36)°। x এর মান কত?

সমাধান:

প্রশ্নমতে,
3x° + 20° + 4x° - 36° = 180°
⇒ 7x° = 180° + 16°
⇒ x° = (196/7)°
= 28°
২৫.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় 38 সে.মি. ও 15 সে.মি.। রম্বসের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 305 বর্গ সে.মি.
  2. 260 বর্গ সে.মি.
  3. 285 বর্গ সে.মি.
  4. 300 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় 38 সে.মি. ও 15 সে.মি.। রম্বসের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
রম্বসের কর্ণদ্বয় 38 সে.মি. ও 15 সে.মি.

আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = 1/2 × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
= (1/2) × 38 × 15 বর্গ সে.মি.
= 285 বর্গ সে.মি.
২৬.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 9√3 বর্গ মিটার হলে এর পরিসীমা কত মিটার?
  1. 15 মিটার
  2. 18 মিটার
  3. 21 মিটার
  4. 12 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 9√3 বর্গ মিটার হলে এর পরিসীমা কত মিটার?

সমাধান:
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a মিটার
∴ ক্ষেত্রফল = (√3/4) a2 বর্গমিটার

প্রশ্নমতে,
(√3/4) a2 = 9√3
বা, a2/4 = 9
বা, a2 = 36
∴ a = 6

∴ সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা = 3a
= 3 × 6
= 18 মিটার
২৭.
একটি কোণ তার সম্পূরক কোণের তিন-পঞ্চমাংশ। কোণটির সম্পূরক কোণ কত?
  1. 45°
  2. 67°
  3. 22.5°
  4. 112.5°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কোণ তার সম্পূরক কোণের তিন-পঞ্চমাংশ। কোণটির সম্পূরক কোণ কত?

সমাধান:
ধরি,
কোণটি = x
∴ কোণটির সম্পূরক কোণ = 180 - x

প্রশ্নমতে,
x = (3/5) × (180 - x)
⇒ 5x = 540 - 3x
⇒ 8x = 540
⇒ x = 67.5°

∴ কোণটির সম্পূরক কোণ = 180 - 67.5 = 112.5°
২৮.
একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৫ সে.মি. ও ৩০ সে.মি. এবং এর ক্ষেত্রফল ২৭০ বর্গসে.মি. হলে, বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?
  1. ১২ সে.মি.
  2. ১৪ সে.মি.
  3. ১৫ সে.মি.
  4. ১১ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৫ সে.মি. ও ৩০ সে.মি. এবং এর ক্ষেত্রফল ২৭০ বর্গসে.মি. হলে, বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ১/২ × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × উচ্চতা
২৭০ = (১/২) × (১৫ + ৩০) × উচ্চতা
⇒ ২৭০ = (১/২) × ৪৫ × উচ্চতা
⇒ ৪৫ × উচ্চতা = ৫৪০
∴ উচ্চতা = ১২ সে.মি.
২৯.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে ভর কেন্দ্রের দূরত্ব 18 সে.মি. হলে ত্রিভুজটির মধ্যমা কত?
  1. 21 সে.মি.
  2. 23 সে.মি.
  3. 27 সে.মি.
  4. 32 সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে ভর কেন্দ্রের দূরত্ব 18 সে.মি. হলে ত্রিভুজটির মধ্যমা কত?

সমাধান:

ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় যে বিন্দুতে মিলিত হয় থাকে ঐ ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র বলে।
∴ XE : EF = 2 : 1
⇒ 18 : EF = 2 : 1
⇒ 18/EF = 2/1
⇒ 2EF = 18
⇒ EF = 9

∴ ত্রিভুজটির মধ্যমা XF = XE + EF = 18 + 9 = 27 সে.মি.
৩০.
O কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তে BC চাপের উপর ∠BAC হলো পরিধিস্থ কোণ। ∠BAC = 53° হলে ∠BOC = কত?
  1. 96°
  2. 74°
  3. 106°
  4. 112°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: O কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তে BC চাপের উপর ∠BAC হলো পরিধিস্থ কোণ। ∠BAC = 53° হলে ∠BOC = কত?

সমাধান:

আমরা জানি, বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
এখানে, ∠BOC হলো কেন্দ্রস্থ কোণ।

∴ ∠BAC = (1/2) ∠BOC
⇒ 53° = (1/2) ∠BOC
∴ ∠BOC = 106°
৩১.
দুটি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীতপাশে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে বলা হয়-
  1. সন্নিহিত কোণ
  2. পূরক কোণ
  3. একান্তর কোণ
  4. সম্পূরক কোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীতপাশে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে বলা হয়-

সমাধান:
• দুটি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীতপাশে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে বলা হয় একান্তর কোণ।

এখানে AB, CD সমান্তরাল রেখাদ্বয়কে EF তির্যক রেখাটি ছেদ করেছে ফলে EF রেখার বিপরীত পাশে অবস্থিত ∠APQ, ∠PQD কোণদ্বয় একান্তর কোণ।
আবার, ∠BPQ, ∠CQP কোণদ্বয় একান্তর কোণ।

- দুটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০° হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
- দুটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা ৯০° হলে একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে।
- দুটি কোণের একই শীর্ষবিন্দু এবং একটি সাধারণ বাহু থাকলে কোণ দুইটির একটিকে অপরটির সন্নিহিত কোণ করে।
৩২.
PQRS সামন্তরিকের SR ভূমিকে Z পর্যন্ত বাড়ানো হলো। ∠QPS = 105° হলে ∠QRZ = কত?
  1. 55°
  2. 75°
  3. 85°
  4. 65°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: PQRS সামন্তরিকের SR ভূমিকে Z পর্যন্ত বাড়ানো হলো। ∠QPS = 105° হলে ∠QRZ = কত?

সমাধান:

আমরা জানি,
সামন্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান।
∴ ∠QPS = ∠QRS = 105°

এখন,
∠QRS + ∠QRZ = 180° [যেহেতু, এক সরলকোণ = 180°]
⇒ 105° + ∠QRZ = 180°
⇒ ∠QRZ = 180° - 105°
∴ ∠QRZ = 75°
৩৩.
XYZ ত্রিভুজে X কোণের মান 50° এবং Y কোণের মান 60° হলে, ত্রিভুজটি কী ধরনের ত্রিভুজ?
  1. সমদ্বিবাহু
  2. বিষমবাহু
  3. সমবাহু
  4. সমকোণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: XYZ ত্রিভুজে X কোণের মান 50° এবং Y কোণের মান 60° হলে, ত্রিভুজটি কি ধরনের ত্রিভুজ?

সমাধান:
Z কোণের মান = 180° - 50° - 60°
= 180° - 110°
= 70°

এখানে, X ও Y কোণ সমান নয়, Z কোণও ভিন্ন।
তিনটি কোণই আলাদা আকারের।
অতএব, ত্রিভুজটি বিষমবাহু ত্রিভুজ হবে।
৩৪.
72 মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র বৃত্তে অন্তর্লিখিত হয়েছে। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 158π বর্গমিটার
  2. 148π বর্গমিটার
  3. 162π বর্গমিটার
  4. 156π বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 72 মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র বৃত্তে অন্তর্লিখিত হয়েছে। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:


ABCD বর্গের পরিসীমা = 72 মিটার
∴ ABCD বর্গের বাহু = 72/4 = 18 মিটার
এখন,
কর্ণ = ব্যাস = বাহু × √2 = 18√2
ব্যাসার্ধ = 18√2/2 = 9√2

∴ ক্ষেত্রফল = π(9√2)2
= π × 81 × 2
= 162π বর্গমিটার
৩৫.
দুইটি সমান্তরাল রেখা কয়টি বিন্দুতে ছেদ করে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সমান্তরাল রেখা কয়টি বিন্দুতে ছেদ করে?

সমাধান:
দুটি সরল রেখার মধ্যবর্তী দূরত্ব যখন সর্বদা একই থাকে তখন একটিকে অপরটির সমান্তরাল রেখা বলা হয়।
দুটি সমান্তরাল রেখা কখনও পরস্পর ছেদ করে না।
৩৬.
একটি বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য 10 একক হলে ঐ বর্গের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 40 বর্গ একক
  2. 50 বর্গ একক
  3. 80 বর্গ একক
  4. 100 বর্গ একক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য 10 একক হলে ঐ বর্গের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
বর্গের বাহু a হলে,
কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√2

প্রশ্নমতে,
a√2 = 10
বা, a = 10/√2
∴ a = 5√2

∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (5√2)2 = 50 বর্গ একক
৩৭.
একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১৮ সে.মি. হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৭৫ বর্গ সে.মি.
  2. ১৫০ বর্গ সে.মি.
  3. ৮১ বর্গ সে.মি.
  4. ১৬২ বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১৮ সে.মি. হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
ধরি,
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভূজের ২টি সমান বাহু = ক সে.মি.
আমরা জানি,
অতিভুজ = লম্ব + ভূমি
⇒ ১৮ = ক + ক
⇒ ২ক = ৩২৪
⇒ ক = ১৬২
⇒ ক = √১৬২

∴ক্ষেত্রফল =(১/২) × (√১৬২) × (√১৬২)
= (১/২) × ১৬২
= ৮১ বর্গ সে.মি.
৩৮.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 81π বর্গমিটার, পরিধি 18π মিটার, বৃত্তটির ব্যাস কত?
  1. 15 মিটার
  2. 18 মিটার
  3. 9 মিটার
  4. 36 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 81π বর্গমিটার, পরিধি 18π মিটার, বৃত্তটির ব্যাস কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বৃত্তের পরিধি = 2πr
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

শর্তমতে,
2πr = 18π মিটার
এবং, πr2 = 81π বর্গমিটার‌।
এখন
πr2/2πr = 81π/18π
বা, r/2 = 4.5
∴ r = 9

∴ বৃত্তের ব্যাস = 2 × 9 = 18 মিটার
৩৯.
দুটি পূরক কোণের একটি আরেকটির 4/5 অংশ হলে ক্ষুদ্রতম কোণটির মান কত?
  1. 30°
  2. 40°
  3. 50°
  4. 60°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি পূরক কোণের একটি আরেকটির 4/5 অংশ হলে ক্ষুদ্রতম কোণটির মান কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
পূরক কোণদ্বয়ের সমষ্টি = 90°

দেওয়া আছে,
কোণদ্বয়ের অনুপাত = 4 : 5

∴ ক্ষুদ্রতম কোণ = (90/9) × 4 = 40°
৪০.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২৫ মিটার ও প্রস্থ ২০ মিটার। আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?
  1. ১১৫ মিটার
  2. ১০৫ মিটার
  3. ৯০ মিটার
  4. ১২০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২৫ মিটার ও প্রস্থ ২০ মিটার। আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
চতুর্ভুজের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২(২৫ + ২০) মিটার
= ৯০ মিটার
৪১.
কোন তিনটি বাহু দিয়ে ত্রিভুজ গঠন করা যাবে না?
  1. ২, ৪ ও ৫
  2. ৭, ৩ ও ৯
  3. ৪, ৫ ও ৬
  4. ৩, ৫ ও ৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন তিনটি বাহু দিয়ে ত্রিভুজ গঠন করা যাবে না?

সমাধান:
তিনটি বাহু দেয়া থাকলে তাদের দ্বারা ত্রিভুজ গঠন করার শর্ত হলো -
"যেকোনো দুই বাহুর সমষ্টি তার তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর হতে হবে"।

ক) ২ + ৪ = ৬ > ৫; যা দ্বারা ত্রিভুজ গঠন সম্ভব।
খ) ৭ + ৩ = ১০ > ৯; যা দ্বারা ত্রিভুজ গঠন সম্ভব নয়।
গ) ৪ + ৫ = ৯ > ৬; যা দ্বারা ত্রিভুজ গঠন সম্ভব।
ঘ) ৩ + ৫ = ৮ = ৮ ; যা দ্বারা ত্রিভুজ গঠন সম্ভব।
৪২.
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ২০% কমে, তবে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত কমে?
  1. ৩৬%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২৮%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ২০% কমে, তবে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত কমে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr
২০% কমলে নতুন ব্যাসার্ধ হবে = r - r এর ২০%
= r - ০.২r
= ০.৮r

ক্ষেত্রফল হবে = π(০.৮r)
= ০.৬৪πr

∴ ক্ষেত্রফল কমে = πr - ০.৬৪πr
= ০.৩৬πr
∴ ক্ষেত্রফল ৩৬% কমে।
৪৩.
6c° এর মান কত?
  1. 94°
  2. 72°
  3. 68°
  4. 84°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 6c° এর মান কত?

সমাধান:
এখানে,
b° = 3c° [একান্তর কোণ বলে]
এবং, a° = 2b° [একান্তর কোণ বলে]
⇒ a° = 2 × 3c° = 6c°

∴ 3c° = a°/2
∴ a° + 6c° + 3c° = 180° [সরলকোণ বলে]
⇒ a° + a° (a°/2) = 180°
⇒ (2a° + 2a° + a°)/2 = 180°
⇒ 5a°/2 = 180°
⇒ 5a° = 360°
∴ a° = 72°

∴ 6c° = 72° [ যেহেতু a° = 6c°]