পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৮: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াটে পৌঁছাবে?
  1. ২৫,০০০ মেগাওয়াট
  2. ২৮,০০০ মেগাওয়াট
  3. ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ৩২,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু কত হবে?
  1. ৭২ বছর
  2. ৭৪ বছর
  3. ৭৫ বছর
  4. ৭৭ বছর
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
- বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা –
- খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৫ সালে
  3. ২০২৬ সালে
  4. ২০২৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
.
জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. সেবাখাতে
  2. শিল্পখাতে
  3. কৃষিখাতে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে:
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার। 
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP) ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা। 
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%। 
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা। 
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI) ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি/মূল্যস্ফীতি ৯.৭৪%। 
- অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি। 
- জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কৃষিখাতে। 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১১.০২% নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৪৫.০০%। 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৭.৯৫% নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ১৭.০০%। 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান ৫১.০৪% নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৩৮.০০%। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪। 
.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের চরম দারিদ্র সীমা কত হবে?
  1. ১% এর কম
  2. ২% এর কম
  3. ৩% এর কম
  4. ৪% এর কম
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১% এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের দারিদ্রের নিম্ন হার কত হবে? 
  1. ৭.৯%
  2. ৭.৭%
  3. ৭.৮%
  4. ৭.৪%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার কত হবে?
  1. ১.১১%
  2. ১.১৮%
  3. ১.১০%
  4. ১.০৮%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১০.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.৭%
  2. ৯.৯%
  3. ৯.৫%
  4. ৯.১%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে জিডিপির আকার কত হবে? 
  1. ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
  2. ১৬,০৮৬ বিলিয়ন টাকা
  3. ১৮,০৮৮ বিলিয়ন টাকা
  4. ১৯,০৮৯ বিলিয়ন টাকা
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

• মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১২.
কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই?
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
যেমন-(১০১০)।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি হচ্ছে ২ (দুই) । 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ মোট ২টি মৌলিক অঙ্ক আছে। 
- বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সমস্ত যোগ বিয়োগ ও অন্যান্য কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৩.
ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে কোথায় টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে?
  1. র‍্যামে
  2. রমে
  3. হার্ডডিস্কে
  4. ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে। 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের 'ক্যাশ মেমোরি'তে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। 
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়। 
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
প্রধান মেমোরির মধ্যে থাকে- 
  1. সম্পূর্ণ সমাধান
  2. অন্তর্বর্তী ফল
  3. প্রয়োজনীয় তথ্য
  4. গাণিতিক তথ্য
ব্যাখ্যা
মেমোরির শ্রেণিবিভাগ: 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory), 
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) ও 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

প্রধান মেমোরি (Main Memory): 
- কম্পিউটারের কর্ম এরিয়া হিসেবে প্রধান মেমোরি পরিচিত। 
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। 
- এ ধরনের মেমোরিতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়। 
- এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। 
- মূলত প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমোরি সংগ্রহ করে রাখে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
কত বাইটে ১ কিলোবাইট হয়? 
  1. ১৬ বিটের
  2. ১২৮ বিটের
  3. ৬৪ বিটের
  4. ২৫৬ বিটের
ব্যাখ্যা
বিট ও বাইট: 
- ১ বাইট=৮ বিট। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে। 
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক। 
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট। 
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট। 
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট। 
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট। 
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়। 
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট। 
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট। 
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট। 
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট। 
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
১৬.
কী-বোর্ডে F1-F12 বোতামগুলোকে কী বলা হয়? 
  1. Sound Key
  2. Special Key
  3. Function Key
  4. Multimedia Key
ব্যাখ্যা
- কী-বোর্ডে F1 - F12 বোতামগুলোকে 'ফাংশন কী' (Function Key) বলা হয়। 

ফাংশন কী: 
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত ১২টি কী কে ফাংশন কী বলা হয়। 
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়। 
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়। 
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন কে? 
  1. গটফ্রেইড লিবনিজ
  2. জর্জ বুল
  3. রে টমলিনসন
  4. ওয়াল্টার ব্রাটেইন
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি। 
- এ পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। 
- গটফ্রেইড লিবনিজ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন। 
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়। 
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২। 
যেমন- (১১০), (১১০১), (১০১.০১১) ইত্যাদি। 
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। 
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
নিম্নের কোনটি হার্ডওয়ার নয়? 
  1. সিপিইউ
  2. মনিটর
  3. মাউস
  4. পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা কত? 
  1. ৫১২ বাইট
  2. ৫১২ মেগাবাইট
  3. ১০২৪ বাইট
  4. ১ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক: 
- হার্ডডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে। 
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ডডিস্ক। 
- হার্ডডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়। 
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ডডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়। 
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট। 
- হার্ডডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয় IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়। 
- তবে তখনকার সময়ে হার্ডডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ডডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়। 
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০.
1F এর সমতুল্য বাইনারি কত? 
  1. 00011110
  2. 00011111
  3. 00101101
  4. 00101111
ব্যাখ্যা
- 1F হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারিতে প্রকাশ করার জন্য প্রতি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে সমতুল্য ৪ বিট বাইনারিতে প্রকাশ করতে হবে। 
- 1 এর সমতুল্য বাইনারি = 0001 
- F এর সমতুল্য বাইনারি = 1111 
1F এর সমতুল্য বাইনারি = 00011111.
২১.
ইন্টারনেট ব্যবহার করে কর্মসংস্থানের সুযোগকে কী বলা হয়? 
  1. ই-বিজনেস
  2. ই-গভর্নেন্স
  3. ই-কমার্স
  4. আউটসোর্সিং
ব্যাখ্যা
আউটসোর্সিং: 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়। 
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া। 
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং। 
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়। 
- আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজে অর্থ উপার্জন করছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। 
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার। 
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে। 
- বিশ্বব্যাপি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
যে লজিক গেইটে যা ইনপুট দেওয়া হয় তাই আউটপুট পাওয়া যায় তাকে কী গেইট বলে? 
  1. বাফার গেইট
  2. নট গেইট
  3. এক্স-নর গেইট
  4. এক্স-অর গেইট
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট: 
- যে গেইটের মধ্যে দিয়ে যা ইনপুট করা হয় তাই আউটপুট পাওয়া যায় তাকে বাফার গেট বলে। 
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়। 
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে। 
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত। 
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩.
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে, তাকে কী বলে? 
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. সিস্টেম ডিস্ক
  3. কম্প্যাক্ট ডিস্ক
  4. স্টার্টআপ ডিস্ক
ব্যাখ্যা
- হার্ডডিস্ক কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে। 
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে। 
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে। 
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
দশমিক সংখ্যা (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. 101111
  2. 101100
  3. 101101
  4. 101001
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা (বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Bit- MSB) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Bit- LSB) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান নির্ণয় করা যায়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা। 


সুতরাং, (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা = 101101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।