পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫৫ বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
অভিবাসন দ্বারা জনগণের কি ধরণের পরিবর্তন সম্ভব?
  1. গুণগত
  2. প্রাকৃতিক 
  3. রাজনৈতিক 
  4. পরিমাণগত
ব্যাখ্যা

∗ অভিবাসন:
• অভিবাসন হলো এক দেশ থেকে অন্য দেশে বা এক স্থানের থেকে অন্য স্থানে স্থায়ীভাবে বসবাস বা কাজ করার জন্য মানুষের স্থানান্তর।
• এটি শুধুমাত্র স্থান পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একটি প্রক্রিয়া।
সামাজিক ও গুণগত ক্ষেত্রে, অভিবাসন উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করে;
- নতুন দক্ষতা ও জ্ঞান সমাজে বিস্তৃত করতে সাহায্য করে এবং
- সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করে।

উল্লেখ্য, 
- অভিবাসন বিভিন্ন কারণে ঘটতে পারে:
• আকর্ষণমূলক কারণ (Pull factors) যেমন: ভালো কর্মসংস্থান, উন্নত জীবনযাত্রার সুযোগ, উন্নত শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা, বা আত্মীয়স্বজনের কাছে চলে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মানুষকে নতুন স্থানে যেতে প্রলুব্ধ করে। 
• বিকর্ষণমূলক কারণ (Push factors) যেমন: প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বৈষম্য বা অপর্যাপ্ত সুযোগ মানুষকে তাদের বর্তমান স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করে।
- অভিবাসন দুই ধরনের হয় :
• আন্তর্জাতিক অভিবাসন : সেই প্রক্রিয়া যেখানে মানুষ দেশের সীমানা পার করে অন্য দেশে স্থায়ীভাবে যায়। এটি সাধারণত অর্থনৈতিক সুযোগ, নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য ঘটে।
• অভ্যন্তরীণ অভিবাসন হলো দেশের ভেতরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মানুষের স্থানান্তর। 
- এটি প্রায়শই শহরায়ণ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা বা জীবনযাত্রার মান উন্নতির জন্য ঘটে।
- অভিবাসনের প্রভাব বিভিন্ন মাত্রায় প্রকাশ পায়। জনসংখ্যাগতভাবে, কোনো অঞ্চলের জনসংখ্যা বাড়তে বা কমতে পারে এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব, বয়স, লিঙ্গ ও দক্ষতার গঠনেও পরিবর্তন ঘটে। 
- এছাড়াও, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিবাসনের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে। 

উৎস:
১. Britannica;
২. বাংলাপিডিয়া।

.
খুলনা কাগজ কলের মূল কাঁচামাল হিসেবে কোন উপাদানটি ব্যবহৃত হতো?
  1. বাঁশ
  2. লতা–গুল্ম তন্তু
  3. গেওয়া কাঠ
  4. পুনর্ব্যবহৃত কাগজ
ব্যাখ্যা

∗ খুলনা নিউজপ্রিন্ট:
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ছিল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাগজ শিল্প।
- ১৯৬০–এর দশকের শেষ দিকে খুলনার রূপসা নদীর তীরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নদীর নিকটবর্তী হওয়ায় কাঠসহ প্রয়োজনীয় কাঁচামাল পরিবহনে সুবিধা থাকায় এটি দ্রুত শিল্পায়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- খুলনা কাগজ কলের মূল কাঁচামাল হিসেবে গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হতো।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল:
• দেশের নিউজপ্রিন্ট আমদানিনির্ভরতা কমানো,
• খুলনা অঞ্চলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং
• কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
- তবে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, আর্থিক লোকসান এবং কাঁচামালের ঘাটতির ফলে মিলটি ক্রমে অচল হয়ে পড়ে;
- এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৯৩ সালে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 
- যদিও সরাসরি মিলের কার্যক্রম জলবায়ু দ্বারা প্রভাবিত ছিল না;
- কিন্তু, খুলনা অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদী ভাঙন, অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টি এবং পানির ঘাটির মতো সমস্যা কাঁচামাল সরবরাহ ও শ্রমিকদের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করেছিল।
 
উৎস:
1. The Daily Star;
2. দৈনিক ইনকিলাব।

.
ধান চাষের জন্য রোপণের পর মাটির তাপমাত্রা কত থাকা জরুরি?
  1. ১৫° সেলসিয়াস
  2. ১৬° সেলসিয়াস
  3. ৩২° সেলসিয়াস
  4. ৪০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

ধান চাষ:
- ধান একটি আধা-জলীয় ফসল, যার বৃদ্ধি ও উৎপাদনের জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়।
- বৈচিত্র্যময় আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতা বেশি হওয়ায় ধান প্রাক-খরিফ, খরিফ এবং রবি—সব মৌসুমেই চাষ করা সম্ভব। - ধানের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা দিনে ২০–৩৬° সেলসিয়াস এবং রাতে ২০–২৩° সেলসিয়াস।
- এর সহনশীল তাপমাত্রার পরিসর ১৯–৪০° সেলসিয়াস।
- বীজ অঙ্কুরোদগমের জন্য ন্যূনতম ১০° সেলসিয়াস, ফুল ফোটার জন্য ২২–২৩° সেলসিয়াস এবং দানা গঠনের জন্য ২০–২১° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- ধানের সামগ্রিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাতাসের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২২° সেলসিয়াস উপযুক্ত।
- অত্যধিক তাপমাত্রা বা প্রবল বাতাসে ধানের পাতা পোড়া বা ঝলসানো রোগ দেখা দিতে পারে।
- আবার খুব কম তাপমাত্রা স্পাইকলেট তৈরি, বীজ অঙ্কুরোদগম, কুশি বৃদ্ধি, চারা গজানো ও গাছের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। 
- রোপণের পর মাটির তাপমাত্রা ১৬° সেলসিয়াসের ওপরে থাকা অত্যন্ত জরুরি।

উৎস:
১. বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা;
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেনি।

.
বাংলাদেশের কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান সামগ্রিক প্রভাব কোনটি?
  1. খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি
  2. ফসল উৎপাদন ব্যাহত
  3. কৃষিজমি সম্প্রসারণ
  4. সেচ নির্ভরতা হ্রাস
ব্যাখ্যা

∗ সেক্টরভিত্তিক আঞ্চলিক প্রভাব:
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামক হচ্ছে: 
- তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা ও চরম আবহাওয়া।
- এসব নিয়ামক বাংলাদেশের কৃষিতে অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব ফেলছে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও চরম আবহাওয়ার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
- এবং কৃষি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

- জলবায়ু পরিবর্তনের সামগ্রিক প্রভাব (সকল অঞ্চল): 
• তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা কমছে; 
• বৃষ্টিপাতের অনিয়মে কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও খরা দেখা দিচ্ছে; 
• আর ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও তাপপ্রবাহ কৃষিজীবন ও উৎপাদনকে অনিশ্চিত করে তুলছে।
- একই সঙ্গে অনিয়মিত বৃষ্টি ও বন্যা ফসল উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটিয়ে সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

অন্যদিকে,
- জলবায়ু পরিবর্তনে খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ে না, বরং ঝুঁকি বাড়ে।
- লবণাক্ততা ও খরার কারণে কৃষিজমি সম্প্রসারিত হচ্ছে না।
- খরা ও অনিয়মিত বৃষ্টির ফলে সেচের ওপর নির্ভরতা কমছে না, বরং বাড়ছে।
----------------------------------
উল্লেখ্য, 
- উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র খরার কারণে আমন, আউশ ও বোরো ধানসহ পাট, ডাল, তেলবীজ, আলু, আখ এবং শীতকালীন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
- উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশে-
• মাটির উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে;
• মিঠা পানির সংকট তৈরি হচ্ছে;
• এবং কৃষিজমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে।
- পরিবর্তিত জলবায়ুর সাথে খাপ খাওয়াতে কৃষকদের দুর্যোগ-সহনশীল ফসলের জাত, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ (যেমন ফেরোমন ফাঁদ) এবং জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

.
নিচের কোনটি বায়ুমণ্ডলীয় সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ?  
  1. ভূমিকম্প
  2. আগ্নেয়গিরি উদগীরণ
  3. বজ্রপাত 
  4. সুনামি
ব্যাখ্যা

∗ দুর্যোগের শ্রেণিবিভাগ :
- UNITR (United Nations Institute for Training and Research) দুর্যোগকে মোট ৪ ভাগে ভাগ করেছে—
• প্রাকৃতিক দুর্যোগ,
• মানুষসৃষ্ট দুর্যোগ,
• দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ,
• দুর্ঘটনাজাতীয় দুর্যোগ।
--------------------------------------
◊ প্রাকৃতিক দুর্যোগের উপবিভাগ- বায়ুমণ্ডলীয় সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা, ঘনীভবন ও বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের ফলে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে বায়ুমণ্ডলীয় সৃষ্ট   প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হয়।
- বায়ুমণ্ডলীয় সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগের উদাহরণ:
• বজ্রপাত: বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের ঘনীভবন ও বৈদ্যুতিক চার্জের পার্থক্য থেকে ঘটে
• ঘূর্ণিঝড়/টাইফুন/হারিকেন: নিম্নচাপ, উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠ ও বায়ুপ্রবাহের অস্থিরতার ফলে সৃষ্টি হয়।
• বন্যা: অতিবৃষ্টি, মেঘ ফাটল বা নদীর অতিপ্রবাহের কারণে বন্যা হয়।
• কালবৈশাখী: বসন্তে বায়ুচাপের হঠাৎ পরিবর্তনে গঠিত তীব্র স্থানীয় ঝড়।
• তাপপ্রবাহ: এলাকায় দীর্ঘ সময় অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রা বজায় থাকলে তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। 
• শিলাবৃষ্টি: মেঘে তৈরি বরফকণা প্রবল উর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহে বড় হয়ে নিচে পড়লে শিলাবৃষ্টির সৃষ্টি হয়।

উৎস : ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
উপকূলীয় অঞ্চলে লোনা পানির অনুপ্রবেশের কারণে কী ধরনের ফসল সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. বাদাম
  2. পাট
  3. মুগডাল
  4. ধান ও শাকসবজি
ব্যাখ্যা

• লোনা পানির অনুপ্রবেশ:
- কৃষিতে লোনা পানির অনুপ্রবেশ ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি বাংলাদেশের উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের একটি বড় সমস্যা।
- লবণাক্ততা মাটির উর্বরতা নষ্ট করে।
- pH পরিবর্তন করে এবং উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণ বাধাগ্রস্ত করে।
- এর ফলে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যায় বা ফসল নষ্ট হয়ে যায়। 
- তবে কিছু লবণ-সহনশীল ফসল যেমন- স্থানীয় ধান, বাদাম, সূর্যমুখী বা মুগ ডাল টিকে থাকতে পারে।
- উপকূলীয় অঞ্চলে লোনা পানির অনুপ্রবেশের কারণে মিঠা পানির উপর নির্ভরশীল ফসলগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে রয়েছে:
ধান (বিশেষত উচ্চ ফলনশীল জাত),
• শীতকালীন সবজি, 
• ভুট্টা,
• গম,
• সয়াবিন,
• আলু,
• টমেটো,
• পেঁয়াজ।

উল্লেখ্য, 
- লোনা পানির অনুপ্রবেশে ক্ষতির মূল কারণ হলো:
• পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি,
• মাটির রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন,
• এবং লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে পানি শোষণ বাধাপ্রাপ্ত হওয়া।
- অভিযোজন হিসেবে- লোনা পানির ক্ষতি কমাতে কৃষকরা এমন ফসল চাষ করতে পারেন যা লবণযুক্ত মাটিতেও ভালো জন্মায়।
- যেমন, তারা লবণ-সহনশীল ধান, বাদাম, সূর্যমুখী বা মুগ ডাল চাষ করতে পারেন।
- এছাড়া, লবণ-সহনশীল ঘাস (coastal panic grass) চাষ করে তারা বায়োমাস বা জ্বালানির কাজে ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস:
১. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর;
২. Britannica.

.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে  জলবায়ু পরিবর্তনে বছরে অতিরিক্ত মৃত্যুহার কত হতে পারে?
  1. ২.৫ লক্ষ
  2. ১ লক্ষ
  3. ৫ লক্ষ
  4. ১০ লক্ষ
ব্যাখ্যা

• স্বাস্থ্যখাতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন স্বাস্থ্যখাতে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
- স্বাস্থ্যসেবা খাতে অবকাঠামোর ক্ষতি এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল দেশগুলোতে চাপের মুখে পড়ছে।
- তাপপ্রবাহ, বন্যা ও দাবানলের কারণে হিটস্ট্রোক, কিডনি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- খরা ও বন্যায় ফসলহানি, অপুষ্টি, এবং নিরাপদ পানির অভাবে ডায়রিয়া ও অন্যান্য রোগের বিস্তার বাড়ছে।
- তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পরিবর্তনে মশা (ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া), মাছি ও অন্যান্য রোগবাহকের বিস্তার বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমান করছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অপুষ্টি, ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়া ও তাপজনিত কারণে প্রতি বছর প্রায় ২.৫ লক্ষ অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য, 
- উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বায়ুদূষণকারী কণারমাত্রা বৃদ্ধি শ্বাসতন্ত্র ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
- বন্যা ও ঝড়ের কারনে ডুবে যাওয়া, জলবাহিত রোগের বিস্তার (কলেরা) ঘটছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উদ্বেগ, হতাশা, PTSD এবং অন্যান্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- খাতভিত্তিক প্রভাবে কৃষি ও খাদ্য খাতে ফসলের ফলন হ্রাস ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়।
- জল ও স্যানিটেশন খাতে নিরাপদ পানির অভাব এবং জলবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: 
1. World Health Organization Website;
2. The Daily Ittefaq;
3. কালের কন্ঠ।

.
বাংলাদেশের 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন' কবে প্রণীত হয়?
  1. ২০০৯
  2. ২০০১
  3. ২০১২
  4. ২০১৩
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন:
- বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ সালে প্রণীত হয়।
- এই আইন প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল- দুর্যোগ মোকাবেলার কার্যক্রমকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক এবং কার্যকর করা এবং 
- সকল ধরনের দুর্যোগে সক্ষম একটি ব্যবস্থা তৈরি করা।
- ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এই আইন প্রণীত হয়।
- একই বছরে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরও প্রতিষ্ঠা করে, যা আইন পাসের মাধ্যমে     কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
- দুর্যোগ হলো এমন একটি আকস্মিক এবং গুরুতর ঘটনা, যা প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে ঘটে এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের   ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- দুর্যোগের প্রকারভেদ:
• প্রাকৃতিক দুর্যোগ: যেমন বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, সুনামি ইত্যাদি।
• মানবসৃষ্ট দুর্যোগ: যেমন যুদ্ধ, বনভূমি ধ্বংস, দূষণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।

উৎস:
১. Britannica;
২. ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রধান কারণ কোনটি? 
  1. তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা 
  2. বন্যা ও উপকূলীয় জলোচ্ছ্বাস
  3. লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় জলোচ্ছ্বাস
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তন ও মৎস্যখাত:
- জলবায়ু পরিবর্তন মৎস্যখাতে স্থানীয়ভাবে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
- বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রধান কারণ:
• তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
• বন্যা,
• লবনাক্ততা।
∗ তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে:
• মাছের প্রজনন ও বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
• ডিম ফোটা ও লার্ভা বিকাশে সমস্যা হয়।
• পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়।
• এবং হ্যাচারিতে pH এর ওঠানামা রোগ সৃষ্টি করে। 

∗ অনিয়মিত বৃষ্টি ও খরার কারণে নদীর পানির গভীরতা কমে যায়।
- মাছের আবাসস্থল সংকুচিত হয় এবং বন্যা ও খরা পোনা ধুয়ে নিয়ে যায়।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কিছু প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে, নতুন প্রজাতি আসছে এবং মাছের প্রাকৃতিক মাইগ্রেশন পথ পরিবর্তিত হচ্ছে।
- হঠাৎ বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় পোনা ও খামার ধ্বংস করে, যা অর্থনৈতিক ক্ষতি বৃদ্ধি করে।

∗ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীতে মা মাছের ডিম কমে যায়, লবণাক্ততা বেড়ে যায়।
- ফলে পানির স্তর ও গুণমান হ্রাস পায় যা প্রজনন ক্ষেত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ুর কারণে পানির গুণগত মান পরিবর্তিত হয়।
- প্ল্যাঙ্কটন উৎপাদন কমে যায়।
- অ্যাসিডিটি বৃদ্ধি পায়।
- এবং পলি জমাট বাঁধার কারণে মাছের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ফলে মাছের উৎপাদন হ্রাস পায়, মৎস্যজীবীর আয় কমে যায় এবং স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।
- এই প্রভাব মোকাবেলায় জলবায়ু-সহনশীল মৎস্যচাষ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য, যার জন্য গবেষণা ও বিনিয়োগ প্রয়োজন।

উৎস:
১.বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. প্রথম আলো।

১০.
অস্ট্রেলিয়ায় ঘূর্ণিঝড়কে স্থানীয়ভাবে কী বলা হয়? 
  1. হারিকেন
  2. টাইফুন
  3. উইলি-উইলি
  4. সাইক্লোন
ব্যাখ্যা

• অস্ট্রেলিয়ায় ঘূর্ণিঝড়:
- অস্ট্রেলিয়ায় ঘূর্ণিঝড়কে স্থানীয়ভাবে “উইলি-উইলি” বলা হয়। 
- এটি মূলত ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের একটি স্থানীয় নাম।
- উইলি-উইলি সাধারণত নিম্নচাপ, তীব্র বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাত দ্বারা চিহ্নিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ঘূর্ণিঝড় হলো নিম্নচাপের কারণে সৃষ্ট একটি প্রবল ঘূর্ণায়মান সামুদ্রিক ঝড়, যেখানে তীব্রবেগে বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত ঘুরতে থাকে।
- সমুদ্রের কোনো স্থানে বাতাসের চাপ কমে গেলে সেখানে নিম্নচাপ তৈরি হয় এবং চাপের পার্থক্যের কারণে বাতাস প্রবলভাবে ঘূর্ণায়মান হয়, যা ঘূর্ণিঝড় হিসেবে পরিচিত।
- উত্তর গোলার্ধে এটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে।

- বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে একই ধরনের ঝড়কে বিভিন্ন নামে ডাকা হয় যেমন:
• আমেরিকায় হারিকেন;
• জাপানে টাইফুন;
• কেরিবিয়ান অঞ্চলে জোয়ান;
•  ফিলিপাইনে বাগুইড;
• ভারতে সাইক্লোন। 

উৎস:
১. Britannica;
২. বাংলাপিডিয়া।

১১.
নিচের কোনটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ? 
  1. ভূমিকম্প
  2. বন্যা
  3. সুনামি 
  4. খরা
ব্যাখ্যা

খরা (Drought):
- খরা একটি প্রধান কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Agricultural Hazard).
- খরা হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাতের অভাব যা জলস্বল্পতার কারণে ঘটে।
- এটি কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর তীব্রতা, পুনরাবৃত্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কৃষির জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
- খরার কারণে মাটিতে এবং ভূ-পৃষ্ঠে জলের ঘাটতি দেখা দেয়, ফলে ফসল ও পশুপালন ব্যাহত হয়।
- মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় শস্য উৎপাদন কমে যায়, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং কৃষকের আয় হ্রাস পায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় খরার প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
- দীর্ঘ অনাবৃষ্টি বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে:
•  মাটি ফেটে যায়,
• ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যায়,
• এবং ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলেও খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়।
- এছাড়া, তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় মানুষের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস:
১. ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. প্রথম আলো। 

১২.
ভূমিকম্পের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ভূমিধস
  2. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. টেকটোনিক প্লেটের সরণ
  4. ভূগর্ভস্থ চাপ 
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের প্রধান কারণ:
- ভূমিকম্পের প্রধান কারণ- টেকটোনিক প্লেটের সরণ।
- পৃথিবীর ভূত্বক বিভিন্ন প্লেট বা ফলকে গঠিত।
- এই প্লেটের সঞ্চালন ভূমিকম্পের প্রধান কারণ। 
- টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ, বিচ্যুতি বা ঘর্ষণের ফলে জমে থাকা শক্তি হঠাৎ মুক্ত হয়ে বড় আকারের ভূমিকম্প সৃষ্টি করে।
- এছাড়াও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, শিলাচ্যুতি ও ভাঁজ, ভূমিধস এবং ভূগর্ভস্থ বাষ্প বা গ্যাসের চাপও ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে, তবে টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়াই মূল কারণ।
- ভূমিকম্প সাধারণত সেই স্থানে হয় যেখানে পৃথিবীর দুটি ব্লক হঠাৎ একে অপরের পাশে পিছলে যায়।
- যে তল বরাবর এই পিছলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে, তা চ্যুতিতল বা ফল্ট প্লেন নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থলকে হাইপোসেন্টার বা কেন্দ্র বলা হয়;
- এবং এর ঠিক ওপরে যে স্থান থাকে তাকে এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র বলা হয়।
- ভূমিকম্পের ধরণে রয়েছে ফোরশক বা পূর্বাভাস কম্পন, যা ছোট আকারের।
- এই কম্পন মূল ভূমিকম্পের আগে ঘটে।

উৎস:
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি;
২. প্রথম আলো।

১৩.
কৃষিতে জলবায়ুর কোন উপাদানগুলি ফসলের বৃদ্ধি ও ফলনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে?
  1. তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত 
  2. সৌর বিকিরণ ও  আদ্রতা 
  3. সৌর বিকিরণ ও বৃষ্টিপাত
  4. দ্রাঘিমাংশ ও তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু এবং আবহাওয়ার প্রভাব:
-কৃষি কাজ মূলত মৌসুম, জলবায়ু এবং আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল।
- কারণ, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতা ফসলের বৃদ্ধি, ফলন এবং কোন ধরনের ফসল ফলানো যাবে তা নির্ধারণ করে।
- জলবায়ুর যেকোনো পরিবর্তন, যেমন: খরা বা বন্যা, কৃষি উৎপাদনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
- কানাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু কৃষি কাজের জন্য উপযোগী।
- জলবায়ুর মূল প্রভাব:
• তাপমাত্রা: প্রতিটি ফসল নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ভালো জন্মায়।
- তাপমাত্রা খুব বেশি বা কম হলে ফসলের বৃদ্ধি কমে যায় এবং ফলন হ্রাস পায়।
- অতিরিক্ত তাপ গাছের সালোকসংশ্লেষণ ব্যাহত করে, ফলে ফলন হ্রাস পায়।
- অতিরিক্ত তাপে আমের মুকুলের মতো সংবেদনশীল ফসল সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

• বৃষ্টিপাত: অধিকাংশ বীজ অঙ্কুরোদগমের জন্য পরিমিত বৃষ্টিপাত দরকার।
- অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, ফলে বীজ পচে যেতে পারে এবং
- জমি প্রস্তুত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

• লবণাক্ততা ও পানিবদ্ধতা: উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি জমিতে লবণাক্ততা বাড়ায়, যা জমির উর্বরতা কমিয়ে দেয়।

অন্যদিকে,
• সৌর বিকিরণ: সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সেচ, শস্যকে অতিরিক্ত তাপ থেকে বাঁচানো (ছায়া দিয়ে), এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শস্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে।
- এতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় ও কৃষকের আয় বাড়ে।
• আর্দ্রতা: অতিরিক্ত আর্দ্রতা রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ায়, যা ফসলের ক্ষতি করে।
• দ্রাঘিমাংশ: দ্রাঘিমাংশ সরাসরি না হলেও জলবায়ু ও আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে।
- এটি বায়ুপ্রবাহ, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও ঋতুর সময় নির্ধারণ করে।
- এর ফলে ফসল, সেচ ও মাটির উর্বরতা প্রভাবিত হয়।

উৎস :
১. প্রাকৃতিক ভূগোল,এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. কৃষি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
বাংলাদেশের কোন ধরনের অঞ্চলে পেঁয়াজ ও গম বেশি উৎপন্ন হয়?
  1. পাহাড়ি অঞ্চল
  2. উপকূলীয় অঞ্চল
  3. খরাপ্রবণ অঞ্চল
  4. বর্ষা বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- বাংলাদেশে পেঁয়াজ ও গম প্রধানত দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ অঞ্চলে বেশি উৎপন্ন হয়। 
- এই অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকে এবং আর্দ্রতা তুলনামূলকভাবে কম, যা উভয় ফসলের জন্য উপযোগী।

• গম: এটি মূলত নাতিশীতোষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়ার ফসল।
- উত্তরে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার অনুকূল পরিবেশ গমের চারা বৃদ্ধি এবং দানা গঠনের জন্য সুবিধা দেয়।
• পেঁয়াজ: পেঁয়াজও শীত ও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভালো জন্মায়। 
- খরিফ-১ গ্রীষ্মকালীন ও রবি মৌসুমে চাষ করা যায়, তবে উত্তরের উঁচু ও মধ্যম উর্বর জমিতে এবং পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকায় সবচেয়ে ভালো ফলন হয়।

উৎস: The Daily Ittefaq.

১৫.
দুর্যোগ চলাকালীন জরুরি সাহায্য ও উদ্ধার কার্যক্রম কোন ধাপের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. সাড়াদান 
  2. প্রস্তুতি 
  3. পুনরুদ্ধার
  4. উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ হলো এমন একটি আকস্মিক এবং গুরুতর ঘটনা, যা প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে ঘটে এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের   ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র হলো একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
- এর ছয়টি ধাপ রয়েছে: প্রতিরোধ, প্রশমন, প্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, এবং উন্নয়ন।
- এই চক্রে ঝুঁকি হ্রাস থেকে শুরু করে দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠন পর্যন্ত সব কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।
- সাড়াদান ধাপে দুর্যোগ চলাকালীন খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, 
• প্রতিরোধ (Prevention): দুর্যোগ ঘটতেই না পারে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ, যেমন: বন্যাপ্রতিরোধী বাঁধ নির্মাণ।
• প্রশমন (Mitigation): দুর্যোগের প্রভাব কমানোর দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ, যেমন: ভূমিকম্প-সহনশীল ভবন তৈরি।
• প্রস্তুতি (Preparedness): দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি নেওয়া, যেমন: মহড়া, ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রাখা, পরিকল্পনা তৈরি।
• সাড়াদান (Response): দুর্যোগ চলাকালীন বা সঙ্গে সঙ্গে জরুরি সাহায্য প্রদান, যেমন: উদ্ধার, খাদ্য, আশ্রয় ও স্বাস্থ্যসেবা।
• পুনরুদ্ধার (Recovery): দুর্যোগের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা, যেমন: অবকাঠামো ও অর্থনীতি পুনর্গঠন।
• উন্নয়ন (Development): ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকি হ্রাস ও শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরি, যা পরবর্তী চক্রের প্রস্তুতি ও প্রশমনে সাহায্য করে।
- এই ধাপগুলো চক্রাকারে চলতে থাকে, যার মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন, সম্পদ রক্ষা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
জলবায়ু পরিবর্তন শিল্পখাতে কীভাবে প্রভাব ফেলে?
  1. উৎপাদন ও কর্মপরিবেশকে প্রভাবিত করে
  2. শুধুমাত্র আর্থিক ঝুঁকি সৃষ্টি করে 
  3. শুধুমাত্র উৎপাদন বৃদ্ধি করে  
  4. কোনো প্রভাব নেই 
ব্যাখ্যা

 ∗ জলবায়ু পরিবর্তন ও শিল্প:
- জলবায়ু পরিবর্তন শিল্পে সরাসরি ও পরোক্ষ প্রভাব ফেলে।
- জলবায়ু পরিবর্তন শিল্পে উৎপাদন হ্রাস, খরচ বৃদ্ধি, আর্থিক ঝুঁকি এবং কর্মপরিবেশের সমস্যা সৃষ্টি করে।
- সরাসরি প্রভাব হলো:
• বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় বা দাবানলের কারণে কারখানা ও অবকাঠামোর ক্ষতি হওয়া;
- এবং উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া।

- পরোক্ষ প্রভাব হলো:
• কাঁচামাল সরবরাহে বাধা,
• উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি,
• পানির অভাব,
• কর্মীদের স্বাস্থ্য ও উৎপাদনশীলতা হ্রাস
• এবং নতুন নীতি ও প্রযুক্তি গ্রহণের কারণে আর্থিক ঝুঁকি।

উল্লেখ্য,
- বিভিন্ন শিল্পে জলবায়ুর প্রভাব ভিন্নভাবে দেখা যায়।
- বস্ত্র শিল্পে আর্দ্রতা অপরিহার্য, শুষ্ক আবহাওয়ায় সুতা ছিঁড়ে যায়।
- কৃষি-ভিত্তিক শিল্পে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সেচের পানির অভাব ও জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় উৎপাদন হ্রাস পায়।
- পর্যটন শিল্পে প্রাকৃতিক আকর্ষণ যেমন প্রবাল প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হলে পর্যটনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

উৎস: 
১. শিল্পোদ্যোগীয় পরিবেশ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. Britannica.

১৭.
কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত খরার ধরন কোনটি?
  1. ভূমিকম্পজনিত
  2. আবহাওয়াজনিত
  3. জ্যোতিষ্ক
  4. বন্যাপ্রবণ
ব্যাখ্যা

→ খরা ও  কৃষি:
- কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত খরা প্রধানত চার ধরনের হয়:
• আবহাওয়াজনিত;
• কৃষিজ;
• জলতাত্ত্বিক;
• সামাজিক-অর্থনৈতিক।
- এই ধরণের খরা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এক ধাপ থেকে অন্য ধাপে রূপান্তরিত হতে পারে।
- সাধারণভাবে, আবহাওয়াজনিত খরা প্রথমে শুরু হয়, পরে কৃষিজ ও জলতাত্ত্বিক খরা সৃষ্টি হয় এবং সবশেষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেখা দেয়।
- উদাহরণস্বরূপ, বৃষ্টি কমলে আবহাওয়াজনিত খরা শুরু হয়, যা পরে কৃষি এবং জলসম্পদকে প্রভাবিত করে। 

উল্লেখ্য,
• আবহাওয়াজনিত খরার কারণ হলো:
- নির্দিষ্ট অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে কম বৃষ্টি হওয়া, যা শুষ্ক ও গরম আবহাওয়া তৈরি করে;
- এবং অন্যান্য খরার সূচনাকারী কারণ হিসেবে কাজ করে।

• কৃষিজ খরা হয়:
- মাটির আর্দ্রতার অভাবে, যা ফসলের বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত জল সরবরাহে বাধা দেয়;
- ফলে ফসলের উৎপাদন হ্রাস পায় এবং খাদ্য নিরাপত্তা প্রভাবিত হয়।

• জলতাত্ত্বিক খরা হয়:
- দীর্ঘমেয়াদী বৃষ্টিপাতের অভাবে;
- নদী, হ্রদ, জলাধার ও ভূগর্ভস্থ জলস্তরের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণেও হয়;
- এর ফলে সেচ, পানীয় জল এবং শিল্পে সংকট সৃষ্টি হয়।

• সামাজিক-অর্থনৈতিক খরা জল সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্যহীনতার কারণে হয়;
- এর ফলে খাদ্য ও জলের দাম বৃদ্ধি পায়, কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতি হয় এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।

উৎস:
1.Britannica;
2. বাংলাপিডিয়া।

১৮.
কোনটি জলবায়ু অভিবাসনের “ধাক্কা” (Push Factor) হিসেবে বিবেচিত?
  1. উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
  2. উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা
  3. শহরের বাণিজ্যিক সুযোগ
  4. ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু অভিবাসন:
- জলবায়ু অভিবাসন হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- জলবায়ু পরিবর্তন মানুষকে বাধ্যতামূলকভাবে অভিবাসনের দিকে ধাবিত করছে, 
- জলবায়ু অভিবাসন যেভাবে প্রভাবিত করে:
• বাস্তুচ্যুতি ও স্থানচ্যুতি:
- হঠাৎ বা ধীরে ধীরে ঘটে যাওয়া জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ যেমন: ঘূর্ণিঝড়, দীর্ঘস্থায়ী খরা, মরুকরণ মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত হতে হয়।
- বিশেষ করে উপকূলীয় এবং কৃষিনির্ভর এলাকায় এটি বেশি দেখা যায়।।

• অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ‘ধাক্কা’ এবং ‘টান’ দু’টি উপাদান কাজ করে।
- প্রতিকূল জলবায়ু যেমন: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মানুষকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে (ধাক্কা);
- আর উন্নত সুযোগ-সুবিধা মানুষকে অন্য স্থানে টানে (টান)।
- ফলে শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং শহুরে পরিষেবার ওপর চাপ বাড়ে।
• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের অভিবাসনের একটি বড় কারণ।

উল্লেখ্য, 
• অর্থনৈতিক প্রভাব ও জীবিকা হ্রাস:
- কৃষি-নির্ভর অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তন ফসলের উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যার ফলে মানুষের আয় কমে যায়।
• সম্পদের অভাব এবং জলবায়ু-সম্পর্কিত বিপর্যয়:
- এই বিপর্যয় অর্থনৈতিক সুযোগ সীমিত করে, যা মানুষকে কাজের সন্ধানে স্থানান্তরিত হতে প্ররোচিত করে।
• খাদ্য ও জল নিরাপত্তা: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য ও জলের অভাব দেখা দেয়, যা মানুষের ফসলের ক্ষতি ও সম্পদের অভাব মানুষের আয় কমিয়ে দেয়।
- এবং খাদ্য ও পানীয় জলের নিরাপত্তা হ্রাস করে।
- এই পরিস্থিতি মানুষকে নতুন কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবন খোঁজার জন্য বাধ্য করে।

উৎস: 
১. ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. Britannica.
৩. কালের কন্ঠ। 

১৯.
আঞ্চলিক জলবায়ু গঠনে সেক্টর-ভিত্তিক নিয়ামক নয় কোনটি?
  1. অক্ষাংশ
  2. উচ্চতা
  3. বায়ুপ্রবাহ
  4. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

- আঞ্চলিক জলবায়ু গঠনে সেক্টর-ভিত্তিক নিয়ামক নয়- জনসংখ্যা বৃদ্ধি।

∗ সেক্টর-ভিত্তিক নিয়ামক:
- আঞ্চলিক জলবায়ু গঠনে সেক্টর-ভিত্তিক নিয়ামক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
- ভূমির ব্যবহার যেমন: কৃষি ও বনভূমি স্থানীয় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতাকে প্রভাবিত করে।
- বন উজাড় হলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, আর বন ও জলাভূমি কার্বন শোষণ করে পরিবেশকে তুলনামূলক শীতল রাখে।
- শহুরে এলাকায় ভবন, রাস্তা ও কংক্রিট কাঠামো তাপ ধরে রাখে।
- এর ফলে শহরে তাপমাত্রা বেশি থাকে—যাকে নগর তাপ দ্বীপ প্রভাব বলা হয়।
- পরিবহন ব্যবস্থা ও শিল্পকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া ও গ্রিনহাউস গ্যাস স্থানীয় বায়ুর গুণমান ও তাপমাত্রা বাড়ায়।
- নদী, জলাভূমি ও জলাধারের মতো প্রাকৃতিক জলসম্পদ বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, যা আঞ্চলিক জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।
- এছাড়া সাধারণ ভৌগোলিক নিয়ামকও গুরুত্বপূর্ণ-
• অক্ষাংশ সূর্যের তাপ প্রাপ্তির তারতম্য ঘটায়।
• উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা কমে যায়।
• আর সমুদ্রের কাছাকাছি এলাকায় জলবায়ু সাধারণত মৃদু হয়।
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: 
১. ভূগোল ১ম পত্র,  এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ভারত
  2. নেপাল 
  3. ঢাকা 
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

• SAARC:
-  SAARC এর পুরনরুপ- South Asian Association for Regional Cooperation
-  SAARC হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- এটি ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর ৮টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- SAARC-এর আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও গবেষণায় কাজ করে।
- SAARC দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গান্ধীনগর, গুজরাত, ভারতে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
• SAARC-এর আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহ :
- SAARC সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রয়েছে কলম্বো, শ্রীলংকায়;
- কৃষি ও আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
- যক্ষ্মা ও এইচআইভি/এইডস কেন্দ্র কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- শক্তি কেন্দ্র পাকিস্তানে অবস্থিত।
- বন গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত থিম্পু, ভুটানে;
- মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থিত।
- এবং উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র মালদ্বীপে অবস্থিত। 

উৎস: SAARC Official Website.