পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬৮
সিলেবাস
Exam - 35 Final Model Test-9 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৮ প্রশ্ন

.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় আইন গৃহীত ও কার্যকর হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে, উক্ত আইন প্রয়োগ সম্পর্কে আদেশ জারির ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ২৪ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:

যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
 
Where, by any Act of Parliament or Regulation which is not to come into force immediately on the passing thereof. a power is conferred to make rules or bye-laws, or to issue orders with respect to the application of the Act or Regulation, or with respect to the establishment of any Court or Office or the appointment of any Judge or officer thereunder, or with respect to the person by whom, or the time when, or the place where, or the manner in which, or the fees for which, anything is to be done under the Act or Regulation, then that power may be exercised at any time after the passing of the Act or Regulation: But rules, bye-laws or orders so made or issued shall not take effect till the commencement of the Act or Regulation.
.
আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া ____ মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি।
  1. জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের
  2. বাংলাদেশের মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
  3. জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
  4. প্রজাতন্ত্রের মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা:

- আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;
 
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;
 
- আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;
 
- আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;
 
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:

(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷

Article 21. Duties of citizens and of public servants:

(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে কোন আদালত কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিধান রয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. অধস্তন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার থাকবে?'
  1. ৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান চলাফেরার স্বাধীনতা:
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

Article 36. Freedom of movement:
Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the public interest, every citizen shall have the right to move freely throughout Bangladesh, to reside and settle in any place therein and to leave and re-enter Bangladesh.
.
প্রত্যেক অর্থবিলে কার স্বাক্ষর সম্বলিত একটি সার্টিফিকেট থাকবে?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. স্পীকারের
  3. অর্থমন্ত্রীর
  4. চিফ হুইপের
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদ- অর্থবিল: 

(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
.
'Actus dei neminem gravabit' এর অর্থ কী?
  1. দৈব দুর্বিপাক মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন করে
  2. দৈব দুর্বিপাক মানুষের প্রতিকার রহিত করে
  3. দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
Actus dei neminem gravabit - দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না।
 
ব্যাখ্যা:
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দৈব ঘটনা ইত্যাদি মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তাই যদি কখনও অনুরূপ কারণে কোন ব্যক্তি আইন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে হাজির হতে না পারে বা তদবীর গ্রহণ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ দুর্যোগ শেষ হওয়ার অব্যবহিত পরে আদালতে আসলেই ঐ ব্যক্তি প্রতিকার পেয়ে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প, সুনামি, সিডর ইত্যাদি 'পর্যাপ্ত কারণ' বা 'sufficient cause' হিসেবে বিবেচিত হয়।

মামলার তদবীরের দিনে যদি বাদী আদালতে আসতে ব্যর্থ হয় এবং সে কারণে যদি মামলা খারিজ হয় তাহলে বাদী বর্ণিত কারণে ছানি মামলা করতে পারে। আদালত অনুরূপ পরিস্থিতিকে পর্যাপ্ত কারণ বিবেচনায় ছানি মামলা মঞ্জুর করে মূল মামলার বিচারের সুযোগ দিয়ে থাকেন।
.
বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য কে তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
 
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
 
Section 100- Search for persons wrongfully confined
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
.
If a complaint is withdrawn with the permission of Magistrate at any time before a final order is passed, the Magistrate shall ___________.
  1. acquit the accused
  2. release the accused
  3. discharge the accused
  4. punish the complainant
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
 
[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]
 
• অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিতে পারে।
১০.
পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করেন?
  1. ধারা ১৭৬(৩)
  2. ধারা ১৭৪(৩)
  3. ধারা ১৭৫(৩)
  4. ধারা ১৭৬(১)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারায় ময়নাতদন্ত (Post-mortem) এর কথা বলা হয়েছে। কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
> আত্মহত্যা করেছে,অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে;
 
অর্থ্যাৎ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম সাপেক্ষে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) অনুসারে ময়নাতদন্তের (Post mortem) জন্য লাশটি নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করবেন। তবে আবহাওয়ার অবস্থা ও দূরত্বের জন্য লাশটি রাস্তায় পঁচে যাবার আশঙ্কা থাকলে ময়নাতদন্ত করা অর্থহীন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে লাশ প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
১১.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২০ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. দণ্ডিত ব্যক্তির অবশিষ্ট জীবন ব্যাপী কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যাবজ্জীবন সাজা অর্থ ৩০ বছরের কারাদণ্ড, তবে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড উল্লেখ করলে তখন ওই আসামির আমৃত্যু কারাবাস হবে।
 
২০১৭ সালে সাভারের একজন ব্যবসায়ী জামান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে আপিল বিভাগ বলেছিলো যাবজ্জীবন মানে ত্রিশ বছর নয়, আমৃত্যু কারাবাস।
 
কিন্তু পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হলে এ বিষয়ক একটি রিভিউ আবেদন হয় এবং ওই আবেদনের চূড়ান্ত রায়ে আপিল বিভাগ বলেছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছরের কারাদণ্ড।
 
আপিল বিভাগ শর্ট অর্ডারে বলেছেন- বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন সাজার অর্থ হবে ত্রিশ বছর কারাদণ্ড। তবে কোনো নির্দিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যদি কোনো ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাগারের আদেশ দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির জন্য কোনো রেয়াত বা বেনিফিট প্রযোজ্য হবেনা। তাকে আমৃত্যুই কারাগারে থাকতে হবে। তবে সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ হবে ত্রিশ বছর।
১২.
'জ', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে জ-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে 'জ' -
  1. অপরাধী বলে গণ্য হবে না
  2. কোনো রকম শাস্তি পাবে না
  3. অপরাধী বলে গণ্য হবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
 
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
 
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
 
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
 
Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
১৩.
'ক', 'খ' এর বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে 'খ' এর কাছে ধরা পড়ে।সে 'খ' কে লাঠি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ-
  1. Theft
  2. Robbery
  3. Dacoity
  4. Extortion
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী-
চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

এক্ষেত্রে 'ক' চুরি করতে গিয়ে 'খ' কে লাঠি দিয়ে আঘাত করে বিধায় তা ৩৯০ ধারা অনুযায়ী 'দস্যুতা বা Robbery' বলে গণ্য হবে।
 
উল্লেখ্য, দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i) এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
 
এছাড়া,
⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১৪.
নিম্নের কোনটি অসংহত অপরাধ নয়?
  1. ষড়যন্ত্র
  2. প্ররোচনা
  3. প্রচেষ্টা
  4. গণ-উৎপাত
ব্যাখ্যা
• অসংহত অপরাধ বা অসম্পূর্ণ অপরাধ (inchoate crime) হলো এমন একটি কার্য  যা সম্পূর্ণ অপরাধকর্ম সৃষ্টি না করলেও এটি ফৌজদারী আইনে তা নিষিদ্ধ। কারণ ওইগুলি পূর্ণ অপরাধের লক্ষ্যে পদক্ষেপস্বরূপ। এই অসম্পূর্ণ অপরাধগুলির অন্তর্ভুক্ত প্ররোচনা [Abetment], প্রচেষ্টা [Attempt], ষড়যন্ত্র [Conspiracy] ইত্যাদি। অর্থাৎ কোন অপরাধের সৃষ্টির কারণ হিসেবে এগুলা কাজ করে।

উল্লেখ্য, গণ-উৎপাত হচ্ছে একটি সম্পূর্ণ এবং স্বতন্ত্র অপরাধ।
 
⇒ Inchoate crimes, also known as incomplete crimes, are acts taken toward committing a crime or acts that constitute indirect participation in a crime. Although these acts are not themselves crimes, they are illegal because they are conducted in furtherance of a crime, and society wishes to deter individuals from taking such steps. Three primary inchoate crimes are attempt, conspiracy, and aiding and abetting.
১৫.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর কয়টি খন্ড?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
 
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
 
খন্ড : ৩টি
১ম খন্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খন্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খন্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল। 
১৬.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে-
  1. ঘোষণা প্রদানকারী সত্য বলেছে
  2. ঘোষণা প্রদানকারী মৃত
  3. ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে দেয়া হয়েছে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।
 
মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
১৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী নাশকতার সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):

১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।
 
২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।
 
৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.

(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 

(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
১৮.
'আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু' বলতে বোঝায়-
  1. বিদ্যমান কোন আইনের অধীন অপরাধে অভিযুক্ত
  2. বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার
  3. শিশু আইনের অধীনে কোন অপরাধে অভিযুক্ত
  4. উল্লিখিত সকল শিশু
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩

ধারা ২(৪)-
‘আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু (Children in Contact with the Law)’ অর্থ এমন কোন শিশু, যে বিদ্যমান কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধের শিকার বা সাক্ষী;
১৯.
কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে, মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে কয় জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর ৫ ধারা মতে,

কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে ৩ জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে এবং বিচার প্রার্থীর সম্মতি সাপেক্ষে তাদের মধ্য থেকে একজনকে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হবে।
২০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারায় 'Trial in Absentia' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৩ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে 'Trial in absentia' বলে।

ধারা ১১: আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-

যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই-

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
২১.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ ______________ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮
  3. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২০
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(ঝ) অনুসারে-

“ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ৬৮- সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন:

(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে৷

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷
 
(৩) এই ধারার অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷

(৪) সরকার কর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনের অধীন নিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে৷

(৫) কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্য থাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷

(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে৷
২২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২১ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন-
  1. কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. কমিশনের চেয়ারম্যানের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কোনো রকম অনুমতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১- গ্রেফতারের ক্ষমতা:

এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তি তাঁহার নিজ নামে বা অন্য কোন ব্যক্তির নামে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিক বা দখলকার যাহা তাহার ঘোষিত আয়ের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ, তাহা হইলে উক্ত কর্মকর্তা, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।
২৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীনে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হলে, ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে?
  1. ধারা ২৭৪
  2. ধারা ৩৭৪
  3. ধারা ১৭৪
  4. ধারা ৪৭৪
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন-
 
এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
 
Section 29: Confirmation of death penalty-
 
When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
২৪.
কোন আইনের অধীন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে পুলিশ 'proactive inquiry' পরিচালনা করতে পারেন?
  1. মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
  3. হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১
  4. বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৯ ধারার বিধান- তদন্ত:

(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।

(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।

(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।

(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
২৫.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে কারাদণ্ডের সাথে অতিরিক্ত ____________ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ
  2. ১০ (দশ) লক্ষ টাকা
  3. ক এবং খ এর মধ্যে যা কম সেই পরিমাণ
  4. ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
ব্যাখ্যা
• মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 

(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে, আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 

(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
২৬.
কত সালে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।
 
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে-
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।
 
মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
 
মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
 
Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি-
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,
 
চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
২৮.
মোকদ্দমার মূল্যমান অনধিক কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে?
  1. ৫০ লক্ষ
  2. ৩ কোটি
  3. ৫ কোটি
  4. ১ কোটি
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 
 
২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না, সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
 
২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
২৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান কোন ধরণের দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সম্পূর্নভাবে বাতিলযোগ্য
  2. সম্পূর্নভাবে বাতিল
  3. আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য
  4. উল্লিখিত সকল ধরণের
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান- যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য।

উক্ত ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।
৩০.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা দায়ের করে। 'খ' তার লিখিত জবাবে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে। এক্ষেত্রে 'ক' উক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য, মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে কত দিন 'খ' কে পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে পারে?
  1. ১০ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য, মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
 
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।
 
• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
 
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
৩১.
অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রথম রিভিশনে ভুল আদেশ দেয়া হলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।
 
এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-
 
জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
 
গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭৩] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
৩২.
গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত ডিক্রি জারির নিলাম বিক্রয় রদের জন্য, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি _______ এর অধীন আদালতে আবেদন করতে পারে।
  1. ৯২
  2. ৯০
  3. ৯৭
  4. ৯৪
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:
 
যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Order XXI Rule 90-
 
Where any immovable property has been sold in Execution of a decree, the decree - holder, or any person entitled to share in a rateable distribution of assets, or whose interests are affected by the sale, may apply to the court to set aside the sale on the ground of a material irregularity or fraud in publishing or conducting it.
৩৩.
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বিদেশি নাগরিক মাদার মারিও ভেরেনজি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ইতালি
  3. আমেরিকা
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
⇒ মারিও ভেরেনজি: 
- ইতালীয় ধর্মযাজক মারিও ভেরেনজি।
- ভেরেনজি যশোর ফাতিমা ক্যাথলিক হাসপাতালের চারজন ইতালীয় যাজকের একজন ছিলেন।
- সকলেই জাভেরিয়ান আদেশের সদস্য ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।
 
সূত্র: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৪.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত বছর বয়সে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হন?
  1. ৩৪ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩৬ বছর
  4. ৩৮ বছর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
⇒ ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ সালে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্ট কর্তৃক নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হয় ২১ দফার ভিত্তিতে।
- ২১ দফার অন্যতম রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- ২১ দফার প্রথম দফাটি ছিল বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে চানদলীয় জোট যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ৪ এপ্রিল শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়।
- ১৪ মে এই মন্ত্রিসভায় আওয়ামীলীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন।
- তখন তার বয়স ছিলো ৩৪ বছর। 
- তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।
 
উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩৫.
কোন প্রতিষ্ঠান 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩' লাভ করেন?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ
  2. মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প
  3. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
  4. জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩:
- প্রশাসনের ২৮ জন কর্মকর্তা ও দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষে ৩১ জুলাই, ২০২৩ তারিখে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসকে উৎসাহিত করতে ২০১৬ সাল থেকে জনপ্রশাসন পদক দেওয়া শুরু করে সরকার। 
- ‘নীতি ও প্রশাসনিক পদ্ধতির সংস্কার’ শ্রেণিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং ‘গবেষণা ও মানবকল্যাণে এর ব্যবহার’ শ্রেণিতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পদক পেয়েছেন 'জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল'।
 
অন্যদিকে -
- 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২২' পায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। 
- 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২১' পায় মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প।
 
উৎস: ৩১ জুলাই ২০২৩, সময় নিউজ।
৩৬.
ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. ফরিদপুর
  3. চাঁদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট:

- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্যচাষিদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
 
অন্যদিকে,
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে অবস্থিত।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাঁচটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।

সূত্র: ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৩৭.
'A Doctor in the house' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. অং সান সূচি
  2. মার্গারেট থ্যাচার
  3. ইয়াসির আরাফাত
  4. মাহাথির মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা
- ৯৯ বছর বয়সী মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।
- বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক রাজনীতিবিদ। 
- ১৯২৫ সালের ১০ জুলাই ব্রিটিশ কলোনিভুক্ত মালয়ের কেদাহ অঞ্চলের সেতার নামক গ্রামে সাধারণ এক স্কুলশিক্ষকের ঘরে জন্ম নেন মাহাথির। 
- এমবিবিএস পাসের পর মালয়েশিয়ার একটি সরকারি হাসপাতালে যোগ দেন মাহাথির।
- চিকিৎসক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মাহাথির। বাড়তে থাকে তার সম্পৃক্ততা।
- ' A Doctor in the house' আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। 
 - ১৯৬৪ সালে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাহাথির। পুনরায় নির্বাচিত হন ১৯৬৯ সালেও।
- নিজ দলের প্রধান এবং মালয়েশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টেংকু আবদুর রহমানের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ৩ বছর রাজনীতি থেকে অবসরে ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের ৩০ মে সংঘটিত চীনা ও মালয়ীদের মধ্যকার দাঙ্গার জন্য টেংকু আবদুর রহমানকে দায়ী করেছিলেন মাহাথির।
- অবশেষে ১৯৭২ সালে আবার রাজনীতিতে ফিরে আসেন মাহাথির।
- সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
- প্রধানমন্ত্রী তুন হোসেন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৮১ সালের নির্বাচনে দেশটির চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন মাহাথির বিন মোহাম্মদ।
- দীর্ঘ ২২ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকার পর ২০০৩ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা থেকে সরে আসেন মাহাথির বিন মোহাম্মদ।
- তাকে বলা হয়, আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক।
 
উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩৮.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention)
• ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
• এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)
 
স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
 
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৩৯.
অবৈধ দখল প্রতিরোধ করতে 'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩' এর ৭ ধারায় শাস্তির কী বিধান করা হয়েছে?
  1. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩

ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড

(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।
 
(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
৪০.
চুক্তি আইনের কত ধারায় অনুচিত প্রভাব-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১৬ ধারায় অনুচিত প্রভাব-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৬ ধারায় বলা হয়েছে-
 
যখন চুক্তির পক্ষবৃন্দের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কে এ রকম হয় যে, এক পক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছার ওপর কর্তৃত্ব বা অমন চুক্তি করতে সক্ষম থাকে এবং অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায় সুযোগ গ্রহণ করতে সে উক্ত কর্তৃত্বময় অবস্থা ব্যবহার করে, তখন এমন চুক্তি "অসঙ্গত প্রভাব' দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
শুধুমাত্র কর্তৃত্বময় অবস্থান থাকলেই হবে না বরং এটাও প্রমাণ করতে হবে যে, অন্যায্য সুবিধা আদায় করার জন্য এমন কর্তৃত্বময় অবস্থান ব্যবহার করা হয়েছে।
৪১.
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
  1. প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে
  2. প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে
  3. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে
  4. উল্লিখিত যেকোনো কারণে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency): প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-

- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
 
Section 201- Termination of agency:
An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৪২.
বিক্রয় দলিল নিবন্ধন করার জন্য বিগত কয় বছরের সম্পত্তির মালিকানার হিসাব জমা দিতে হয়?
  1. ১৫ বছরের
  2. ২০ বছরের
  3. ২৫ বছরের
  4. ৩০ বছরের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২ক- বিক্রয় দলিলে কতিপয় তথ্য সন্নিবেশিত না হলে নিবন্ধন কর্মকর্তা তা নিবন্ধন করবেন না:

নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ দলিলে অন্তর্ভুক্ত এবং দলিলের সাথে সংযুক্ত না করে দাখিল করলে নিবন্ধন কর্মকর্তা তা নিবন্ধন করবেন না:-
 
- উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তার নিজ নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
- উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তার নিজ নামে অথবা পূর্বসূরির নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
- সম্পত্তির প্রকৃতি;
- সম্পত্তির মূল্য;
- পরিসীমা ও দিক উল্লেখপূর্বক সম্পত্তির হাত নকশা;
- সম্পত্তিতে মালিকানা সম্পর্কিত বিগত ২৫ বছরের ধারাবাহিক সংক্ষিপ্ত বর্ণনা; এবং
- তফসিলে বর্ণিত সম্পত্তি ইতঃপূর্বে হস্তান্তর করা হয় নি এবং তাতে তার বৈধ স্বত্ব বহাল আছে মর্মে দাতা কর্তৃক হলফনামা।
৪৩.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীন অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর কত হারে ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ২৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে:

- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৪৪.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের নিকট
  3. ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারা- আপিল:

১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।

Section 14- Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.
৪৫.
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the _________.
  1. Oral consent of the mortgagor
  2. written consent of the mortgagee
  3. Oral or written consent of the mortgagee
  4. written consent of the mortgagor
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না-
 
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।
 
Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred-
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.
৪৬.
A, B-কে ৫ বছরের জন্য একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C- এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো। এক্ষেত্রে কোন নীতি কার্যকর হয়েছে?
  1. Doctrine of Holding out
  2. Doctrine of Holding over
  3. Doctrine of Holding in
  4. Doctrine of Holding off
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৬: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া-
 
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
 
উদাহরণ
• পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
• A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো। 
 
এই ধারানুযায়ী কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই 'Doctrine of Holding over' বলে। এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
৪৭.
'Contract for sale' এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে-
  1. দায় সৃষ্টি হয়
  2. স্বত্ব সৃষ্টি হয়
  3. ক ও খ উভয় সৃষ্টি হয়
  4. ক ও খ কোনোটিই সৃষ্টি হয় না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪- বিক্রয়ের চুক্তি:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলতে এই মর্মে চুক্তি বুঝায় যে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নির্ধারিত শর্তে সম্পত্তিটি বিক্রয় হবে। বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব বা দায় সৃষ্টি হয় না।
 
Contract for sale
A contract for the sale of immoveable property is a contract that a sale of such property shall take place on terms settled between the parities. It does not, of itself, create any interest in or charge on such property.
৪৮.
Land Survey Tribunal ______ নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
  1. অভিযোগ দায়েরের
  2. চূড়ান্ত শুনানির জন্য
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের
  4. প্রাথমিক শুনানির জন্য
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারার ১৪৫ক উপধারা (৭ক) এর বিধান-

চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
 
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.
৪৯.
শিশু সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত কোন আদালত হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. সহকারি জজ
  4. সিনিয়র সহকারি জজ
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩

ধারা- ২৭: Guardians and Wards Act, 1890 এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পারিবারিক আদালতকে জেলা আদালতরূপে গণ্যকরণ:

(১) পারিবারিক আদালত, Guardians and Wards Act, 1890 (Act No. VIII of 1890) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, District Court হিসাবে গণ্য হইবে এবং এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত আইনে বর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে উহাতে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে।
 
(২) উক্ত Guardians and Wards Act- এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত আইনের অধীন District Court হিসাবে পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে।
 
(৩) উপধারা (২) এর অধীন দায়েরকৃত আপিলের ক্ষেত্রে ধারা ১৯ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
৫০.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন এর অধীন স্বামীর নিখোঁজ জনিত কারণে আদালত বিচ্ছেদের ডিক্রি প্রদান করলে, তা কতদিন পর্যন্ত কার্যকর হবে না?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
 
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;
 
⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
 
⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
 
⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
 
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

উল্লেখ্য যে, নিরুদ্দেশ জনিত কারণে ডিক্রি প্রদান করা হলে, প্রদত্ত ডিক্রি দানের তারিখ হইতে ৬ মাস কাল কার্যকর হইবে না এবং যদি স্বামী উল্লেখিত সময়ে ব্যক্তিগতভাবে কিংবা কোন ক্ষমতা প্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হইয়া আদালতকে সন্তুষজনক জবাব দেন যে, তিনি দাম্পত্য কর্তব্য পালনে প্রস্তুত আছেন, তবে উক্ত ডিক্রি নাকচ করিয়া দিবেন।
৫১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৪ ধারায় প্রদত্ত 'প্রতিনিধিত্বের নীতি' নিম্নের কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. মৃত কন্যার সন্তান
  2. মৃত বোনের সন্তান
  3. মৃত ভাইয়ের সন্তান
  4. উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৪ ধারায় উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর অর্থাৎ ১৫-০৭-১৯৬১ইং তারিখ হতে দাদা/নানার মৃত্যুর পর দাদা বা নানার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি অনুযায়ী মাতা বা পিতাহারা সন্তান বা সন্তানরা ওইটুকু সম্পত্তি পাবে যতটুকু তার/তাদের পিতা/মাতা বেঁচে থাকলে পেত।
 
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়-

‘ক’ নামক ব্যক্তি জীবিত থাকাস্থায় তার ‘খ’ নামক ছেলে ও ‘গ’ নামক মেয়ে মারা যায়। ‘খ’ মৃত্যুকালে এক ছেলে ‘ঘ’ ও এক মেয়ে ‘ঙ’ কে এবং ‘গ’ মৃত্যুকালে এক ছেলে ‘চ’ ও এক মেয়ে ‘ছ’ কে জীবিত রেখে যায়। অতঃপর ‘ক’-এর মৃত্যুর পর পিতার ওয়ারিশ সূত্রে ‘খ’ ‘ক’-এর নিকট যে সম্পত্তি পেত ‘ঘ’ ও ‘ঙ’ ওই সম্পত্তি তাদের পিতা ‘খ’-এর ওয়ারিশ হিসেবে ‘ক’-এর নিকট হতে প্রাপ্ত হবে। অনুরূপভাবে ‘গ’ পিতার ওয়ারিশসূত্রে যে সম্পত্তি ‘ক’-এর নিকট থেকে পেত, ‘চ’ ও ‘ছ’ ওই সম্পত্তি তাদের মাতা ‘গ’-এর ওয়ারিশ হিসেবে ‘ক’-এর নিকট থেকে প্রাপ্ত হবে। এক্ষেত্রেও সম্পত্তির অংশ ছেলে ও মেয়ের ক্ষেত্রে ২ঃ১ অনুপাতে হবে। অর্থাৎ পুত্র কন্যার দ্বিগুণ পাবে।
 
১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৪ ধারা অনুযায়ী শুধু পূর্বে মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান/সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ পুত্রের পুত্র বা কন্যা এবং কন্যার পুত্র বা কন্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্য কোনো ওয়ারিশের ক্ষেত্রে এ আইন প্রযোজ্য নয়।

Section 4- Succession: In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.
৫২.
ফাতেমা তার স্বামী ও ২ বোনকে রেখে মারা যায়। ফাতেমার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে স্বামীর মোট অংশ কত হবে?
  1. ৫/৬ অংশ
  2. ৪/৬ অংশ
  3. ৩/৭ অংশ
  4. ৪/৭ অংশ
ব্যাখ্যা
• স্বামী = ১/২ (সন্তান বা সন্তানের সন্তান নেই);
দুই বোন = ২/৩ [সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), পিতা, পিতার পিতা (যত উর্ধ্বে হোক) নেই];
 
স্বামীর অংশ = ১/২ = ৩/৬  অংশ,
দুই বোনের অংশ = ২/৩ = ৪/৬  অংশ,
 
মোট সম্পত্তি = ৩/৬ + ৪/৬ = ৭/৬, যা সম্পূর্ণ সম্পত্তি বা ১- এর চেয়ে বেশি।

এক্ষেত্রে আউলের নীতি প্রয়োগ করতে হবে-
 
ভগ্নাংশদ্বয়ের লবের যোগফল (৩+৪)=৭ কে হরের স্থানে প্রতিস্থাপন করে পাই:
 
স্বামী = ৩/৭  অংশ,
দুই বোন = ৪/৭  অংশ,

∴ মোট সম্পত্তি = ৩/৭ + ৪/৭ = ৭/৭ = ১ বা সম্পূর্ণ অংশ।
৫৩.
মুসলিম আইনে নিম্নের কোন উত্তরাধিকারী অবস্থা ভেদে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়?
  1. পিতা
  2. মাতা
  3. সহোদর বোন
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
 
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।
 
⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা- এই ৬ শ্রেনীর উত্তরাধিকারী কখনো বঞ্চিত হয় না।

উল্লেখ্য, সহোদর ভাই-বোন এর ক্ষেত্রে ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক কেউ থাকলে অথবা বাবা, দাদা বা এভাবে ঊর্ধ্ব পুরুষ কেউ থাকলে তখন ভাই-বোন কেউ অংশ পাবেন না। তবে, যদি স্বামী/স্ত্রী, কন্যা বা মা থাকে তবে তাদের অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ ভাই-বোন নিজেদের অংশ (১:২) হিসেবে পাবে। ঊর্ধ্ব পুরুষ বা উত্তর পুরুষে কেউ না থাকলে, সহোদর ভাই-বোন ছেলে-মেয়ের মতো হারে অংশ পাবে।
৫৪.
'Factum valet' নীতি অনুসারে উচিৎ নয় এমন কোন কাজ করা হলে-
  1. বৈধ গণ্য করা হবে না
  2. অবৈধ গণ্য করা হবে না
  3. অবৈধ গণ্য করা হবে
  4. বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন। Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।

যেমন- অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
৫৫.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর অধীন বিবাহ নিবন্ধিত না হলে, উক্ত বিবাহ-
  1. অবৈধ হবে
  2. বৈধ হবে
  3. বাতিল হবে
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন-

(১) অন্য কোন আইন, প্রথা ও রীতি-নীতিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধন করা যাইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন হিন্দু বিবাহ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত না হইলেও উহার কারণে কোন হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী সম্পন্ন বিবাহের বৈধতা ক্ষুণ্ন হইবে না।
৫৬.
একজন হিন্দু ব্যক্তির স্ত্রী 'খ', কন্যা 'গ', পিতা 'ঘ' এবং ভাই 'চ' এর মধ্যে সপিণ্ড হিসেবে কে অগ্রগণ্য হবে?
  1. 'গ'
  2. 'খ'
  3. 'চ'
  4. 'ঘ'
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকারী ৩ প্রকার:
ক- সপিণ্ড,
খ- সকুল্য, ও
গ- সমানোদক।
 
সপিণ্ড:
যে সকল ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির আত্নার কল্যাণের জন্য পিণ্ডদান করেন এবং মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকলে যাদের মৃত্যুতে তিনি পিণ্ডদানের যোগ্য ছিলেন তারা সবাই পরস্পরের সপিণ্ড। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।
 
সকুল্য:
প্রপিতামহের উর্ধ্বতন ৩ পুরুষ সকুল্য নামে পরিচিত। সপিণ্ড-র ৫৩ জনের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সকুল্যগন সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে। সকুল্যেও মোট সংখ্যা ৩৩ জন সকলেই পুরুষ।
 
সমানোদক:
সকুল্যের উর্ধ্বতন ৭ পুরুষকে সমানোদক বলে। সপিণ্ড ও সকুল্যের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সমানোদকগন উত্তরাধিকার লাভ করে। সমানোদকদের সংখ্যা ১৪৭ জন। এরা সকলেই পুরুষ।
 
• নিম্নে প্রথম ১০ জন সপিণ্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।

উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য হবে স্ত্রী। 
৫৭.
কখন থেকে উইল কার্যকর হয়?
  1. উইল নিবন্ধন করার পর
  2. উইলকারী মৃত্যুর পর
  3. উইলগ্রহণকারী গ্রহণ করার পর
  4. উইল সম্পাদনের পর
ব্যাখ্যা
• উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত।

উইলের উপাদান:
 
(১) একই সম্পত্তি নিয়ে একাধিক উইল করা হলে সর্বশেষ উইলটি সর্বপ্রথম কার্যকরী হবে এবং সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকা সাপেক্ষে পরবর্তী উইলগুলো কার্যকরী হবে।
 
(২) অজাত ব্যক্তি উইলের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে জন্মগ্রহণ করলে তার বরাবরে করা উইল বৈধ হবে।
 
(৩) উইল মৌখিক ও লিখিত দু’ভাবেই করা যায়। এমনকি অসামর্থ্যের কারণে ইঙ্গিতেও করা যায়। তবে মৌখিক উইলের ক্ষেত্রে ২ জন পুরুষ বা ১ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা সাক্ষীর উপস্থিতিতে হতে হবে।
 
(৪) নাবালক উত্তরাধিকারী সাবলকত্ব লাভের পর উইলে সম্মতি দিতে পারবেন।
 
(৫) উইল দাতা মৃত্যুর পূর্বে যে কোন সময় উইল বাতিল করতে পারেন। সম্পত্তি একবার উইল করার পর পুনরায় তা অন্য কারো অনুকূলে উইল করলে পূর্বের উইলটি স্বয়ংক্রীয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। উইল বাতিলের জন্য মামলার প্রয়োজন হয় না।
 
(৬) ১৮৭০ সনের হিন্দু আইন অনুসারে একজন হিন্দু তার সকল সম্পত্তি উইল করতে পারেন, তবে যাদের ভরণপোষনের জন্য তিনি আইনত বাধ্য তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রেখে বাকী সম্পত্তি উইল করতে হবে।
 
(৭) উইলকারীর কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে তিনি তার সমস্ত সম্পত্তি যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে উইল করে দিতে পারেন।

(৮) উইল গ্রহণকারীকে দাতার মৃত্যুর সময় জীবিত থাকতে হবে।
 
(৯) উইলকারী মৃত্যুর মুহূর্ত হতে উইল কার্যকর হবে।
৫৮.
'সস্ত্রীক' - কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস
  4. নিত্য সমাস
ব্যাখ্যা
বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- বহুব্রীহি সমাসে পরপদের মাতৃ, পত্নী, পুত্র, স্ত্রী ইত্যাদি শব্দ থাকলে এ শব্দগুলোর সঙ্গে ‘ক’ যুক্ত হয়।
 
যেমন:
- বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক,
- নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক, 
- নাই পুত্র যার = অপুত্রক, 
- স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান = সস্ত্রীক,
- জনের মুখ হতে শ্রুত যা = জনশ্রুতি ইত্যাদি।
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৯.
যদি x = - 3 হয়, তবে (-3x2) এর মান কত?
  1. 18
  2. - 18
  3. 27
  4. - 27
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x = - 3 হয়, তবে (-3x2) এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
x = - 3 

এখন, 
- 3x2 
= - 3 × (- 3)2 
= - 3 × 9 
= - 27 
৬০.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি 8 মিটার এবং উহার দুটি বাহুর প্রতিটি 5 মিটার হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 24 বর্গমিটার
  2. 12 বর্গমিটার
  3. 10 বর্গমিটার
  4. 16 বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি 8 মিটার এবং উহার দুটি বাহুর প্রতিটি 5 মিটার হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = b/4 {√4(a)2 - (b)2

দেওয়া আছে, 
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি, b = 8 মিটার 
এবং দুটি বাহুর প্রতিটি, a = 5 মিটার 

∴ ক্ষেত্রফল = b/4 {√4(a)2 - (b)2
= 8/4 {√4(5)2 - (8)2
= 2 {√(100 - 64)} 
= 2 × √36 
= 2 × 6 
= 12 

∴ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = 12 বর্গমিটার।
৬১.
একটি সংখ্যার 4/5 অংশ তার 2/3 অংশের চেয়ে 12 বেশি হলে সংখ্যাটি কত? 
  1. 90
  2. 75
  3. 65
  4. 55
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার 4/5 অংশ তার 2/3 অংশের চেয়ে 12 বেশি হলে সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
সংখ্যাটি = x 

শর্তমতে, 
(4x/5) - (2x/3) = 12 
বা, (12x - 10x)/15 = 12 
বা, 12x - 10x = 180 
বা, 2x = 180 
বা, x= 180/2 
∴ x = 90 

∴ সংখ্যাটি = 90 .
৬২.
৬০ লিটার ফলের রসে আম ও কমলার অনুপাত ২ : ১। কমলার রসের পরিমাণ কত লিটার বৃদ্ধি করলে অনুপাতটি ১ : ২ হবে? 
  1. ৪০ লিটার
  2. ৫০ লিটার
  3. ৬০ লিটার
  4. ৮০ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ লিটার ফলের রসে আম ও কমলার অনুপাত ২ : ১। কমলার রসের পরিমাণ কত লিটার বৃদ্ধি করলে অনুপাতটি ১ : ২ হবে? 

সমাধান: 
৬০ লিটার ফলের রসে, 
আমের রসের পরিমাণ = ৬০ × (২/৩) অংশ 
= ৪০ লিটার 
∴ কমলার রসের পরিমাণ = ৬০ × (১/৩) অংশ 
= ২০ লিটার 

ধরি, 
'ক' লিটার কমলার রস বৃদ্ধি করতে হবে। 

শর্তমতে, 
৪০/(২০ + ক) = ১/২ 
বা, ২০ + ক = ৮০ 
বা, ক = ৮০ - ২০ 
∴ ক = ৬০ 

∴ ৬০ লিটার কমলার রস বৃদ্ধি করতে হবে।
৬৩.
What is the synonym of 'Synonym'?
  1. Varied
  2. Divergent
  3. Corresponding
  4. Dissimilar
ব্যাখ্যা
⇒ The synonym of 'Synonym' is - Corresponding.
 
- Synonym (noun) 
English Meaning: one of two or more words or expressions of the same language that have the same or nearly the same meaning in some or all senses.
Bangla Meaning: সমার্থক শব্দ; প্রতিশব্দ; সমনাম।
 
অন্যদিকে,
→ Varied - বিভিন্ন; বিবিধ।
→ Dissimilar - অসদৃশ; বিসদৃশ; ভিন্ন।
→ Divergent - বিপথগামী ; বিচ্যুত; অপসরণশীল।
→ Corresponding - প্রাতিষঙ্গিক; অনুরূপ।
 
Example Sentence:
1. In the thesaurus, you can find a synonym for the word "happy," such as "joyful" or "content."
2. The teacher asked the students to provide a synonym for each word in their vocabulary list.
 
Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৪.
Which of the following Shakespearean plays is about a Roman leader?
  1. Othello
  2. Coriolanus
  3. Julius Caesar
  4. Antony and Cleopatra
ব্যাখ্যা
• Julius Caesar:
- তিনি Rome এর ruler ছিলেন।
- Caesar এর betrayer এর নাম হলো Brutus.
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লিখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- 'Julius Caesar' William Shakespeare এর একটি Historical Play এবং Tragedy.
- নাটকটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকে ঘিরে আবর্তিত হয় যা Julius Caesar, একজন রোমান রাষ্ট্রনায়ক এবং সামরিক জেনারেলকে হত্যার দিকে নিয়ে যায়।
- ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা সিজারের বন্ধু Brutus কে Caesar এর বিরুদ্ধে তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Caesar কে অত্যধিক ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে, Brutus এবং ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে March এর Ides এ হত্যা করে।
- Mark Antony ষড়যন্ত্রকারীদের রোম থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং একটি যুদ্ধে তাদের সাথে লড়াই করে।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com
৬৫.
The author of 'The White Devil' is -
  1. John Webster
  2. Francis Bacon
  3. Benjamin Jonson
  4. Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা
• The author of 'The White Devil' is - John Webster.
- Five act এর এই নাটকটি ১৬১২ সালে 'The White Divel' নামে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- The White Devil centres on the love affair between the duke of Brachiano and Vittoria Corombona
- নাটকটি The duke of Brachiano এবং Vittoria Corombona এর প্রেমের সম্পর্কে কেন্দ্র করে রচিত।

• John Webster একজন ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি The White Devil এবং The Duchess of Malfi নাটকগুলোর জন্য বিখ্যাত ছিলেন।

Notable works:
Plays:
- The Devils Law-Case,
- Westward Ho (1604),
- Northward Ho (1605).

Source: Britannica.com
৬৬.
Our Assistant manager makes us (work) very hard.
  1. working
  2. to work
  3. work
  4. worked
ব্যাখ্যা
⇒ শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - work.
- Complete sentence: Our Assistant manager makes us work very hard.
- প্রদত্ত প্রশ্নে 'Make' হচ্ছে Causative verb.

• Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.

• Causative verb হিসাবে 'Make' এর ব্যবহার - 
- Make এরপর কোনো ব্যক্তি বা বস্তু থাকলে verb এর base form বসে।
- প্রদত্ত বাক্যে make এরপর us ব্যক্তি বাচক তাই এরপর verb work বসবে।
৬৭.
An honorary degree was conferred _______ him by Stanford University in 2009.
  1. by
  2. on
  3. to
  4. onto
ব্যাখ্যা
• Confer (on/upon somebody)
English meaning: confer something (on/upon somebody) to give someone an award, a degree, or a particular honor or right.
Bangla meaning: প্রদান করা। 
- Confer এর পর 'on' preposition টি appropriately বসে। 

এছাড়াও, 
Confer with, about (পরামর্শ করা)- I conferred with my friends about baking cakes. 

Complete sentence: An honorary degree was conferred on him by Stanford University in 2009.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain & Oxford Dictionary.
৬৮.
What is the adjective of 'child'?
  1. Children
  2. Childly
  3. Chidious
  4. Childhood
ব্যাখ্যা
• Child (noun) - অজাত বা নবজাত মানবশিশু; বালক বা বালিকা; (যেকোনো বয়সের) পুত্র বা কন্যা।
-  এর Adjective form হিসেবে childlike; childish; childly তিনটি শব্দ পাওয়া যায়।

• Childhood (noun) - বাল্য; শৈশব।
• Childly - (adjective) - Having the character of a child; belonging, or appropriate, to a child.
• Childish (adjective) - বালসুলভ; চপল।
• Children (noun) - Child এর plural form.

• যেহেতু প্রশ্নে childly শব্দটি রয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy & Collins Dictionary