পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫০
সিলেবাস
স্পেশাল পরীক্ষাঃ ৪১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট-১৩ (Real Time) - সকাল ১০টা থেকে ১০ঃ১৫ এর মধ্যে পরীক্ষা শুরু করতে হবে। - পরের শুক্রবারে প্রিলি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তাই, আগেই একবার সকালে জেগে উঠা এবং সময়মতো পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ট্রায়াল দেয়া জরুরি। [প্রতি শুক্রবারে Live MCQ তে ফ্রি এবং সবার জন্য উন্মুক্ত একটি মডেল টেস্ট থাকবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫০ প্রশ্ন

.
চৈতন্যদেবের জীবনী হিসেবে সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ (শ্রেষ্ঠগ্রন্থ) কোনটি?
  1. ক) চৈতন্যভাগবত
  2. খ) চৈতন্যমঙ্গল
  3. গ) চৈতন্যচরিতামৃত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

বাঙালীর জীবনে যেমন, বাঙলা সাহিত্যও তেমনই চৈতন্যদেবের প্রভাব অপরিসীম। তার জীবনী নিয়েই প্রথম বাংলা সাহিত্যে জীবনী সাহিত্য রচিত হয়।
- চেতন্যদেবের মৃত্যুর পর তার দুটি জীবনীগ্রন্থ লেখা হয় সংস্কৃত ভাষায়।

• বাংলা ভাষায় প্রথম চৈতন্যদেবের যে জীবনী-লেখা হয়, তার নাম চৈতন্যভাগবত।
- যিনি লেখেন, তার নাম - বৃন্দাবন দাস।
- এটি লেখা হয়েছিল চৈতন্যদেবের মৃত্যুর পনেরো বছরের মধ্যে।
- বৃন্দাবন দাসকে এ লেখায় উৎসাহ দিয়েছিলেন নিত্যানন্দ প্রভু।

• চৈতন্য দেবকে নিয়ে পরে যে গ্রন্থটি রচিত হয় সেটির নাম - চৈতন্যমঙ্গল।
- লেখক - লোচনদাস।
- এটি চৈতন্যভাগবতের চেয়ে ছোট।

• চৈতন্যদেবের জীবনী হিসেবে সবচেয়ে বিখ্যাত যে গ্রন্থটি, তার নাম - চৈতন্যচরিতামৃত
- এ গ্রন্থের লেখক কৃষ্ণদাস কবিরাজ
- এ বইটিতে চৈতন্যদেবের জীবনী বর্ণনার সাথে সাথে ব্যাখ্যা করা হয়েছে তার দর্শন।

উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ডঃ হুমায়ুন আজাদ। এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ডঃ সৌমিত্র শেখর।

.
'বাইশা' কোন মঙ্গলকাব্যের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) অন্নদামঙ্গল
  2. খ) মনসামঙ্গল
  3. গ) কালিকামঙ্গল
  4. ঘ) ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা

'বাইশা' বলতে বোঝায় বাইশ জন কবি রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের বিভিন্ন অংশের সংকলন।
- গায়েনরা কাহিনীর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন কবির মনসামঙ্গল কাব্য থেকে অংশ নিয়ে পালা বাঁধতেন।
-  তবে সব সময় যে বাইশজন কবি থাকতেন এমন নয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
চর্যাপদের কোন কবির কোনো পদ পাওয়া যায় নি?
  1. ক) কুক্কুরীপা
  2. খ) লুইপা
  3. গ) সরহপা
  4. ঘ) তন্ত্রীপা
ব্যাখ্যা

তন্ত্রীপা নিয়ে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায় নি।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ তার বাংলা সাহিত্যের কথা'য় (১৯৬৩) তন্ত্রীপা সম্পর্কে এক বাক্যে লিখেছেনঃ তন্ত্রীপাদের পদটি বৌদ্ধগানের খণ্ডিত অংশে থাকায় আমরা পাই নাই।
- তিনি Buddist Mystic Songs' গ্রন্থে লিখেছেন
Tantripa is the author of the song no. 25.
He was a disciple of Jalandharipa and afterwards of kanhapa.
In the ms, he is missing.
- চর্যাপদে যে কয়টি পদ খুজে পাওয়া যায় নি সেগুলো হলো
২৪ (কাহ্নপা), ২৫ (তন্ত্রীপা), ৪৮ (কুক্কুরীপা) এবং ২৩ নং পদের চার টি পঙক্তি যার রচয়িতা ভেসুকুপা।
- লুইপা (১,২৯)
- কুক্কুরীপা (২,২০,৪৮)
- সরহপা (২২, ৩২, ৩৮, ৩৯)
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
বাংলা সনেটের আদিগ্রন্থ ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’তে মোট কতটি সনেট রয়েছে?
  1. ক) ১০২
  2. খ) ১০৫
  3. গ) ১০৮
  4. ঘ) ১১২
ব্যাখ্যা

চতুর্দশপদী কবিতাবলী মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ১০২ টি সনেটের সংকলন।
- মধুসূদনের আগে বাংলা সনেট বা সনেট গ্রন্থ রচিত হয় নি।
- সে বিচারে বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ এটি।
- গ্রন্থটি ১৮৬৬ সালের ১লা আগস্ট গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- সনেটের কয়েকটি পেত্রার্কের আদর্শে এবং বেশিরভাগ শেক্সপিয়রীয় আদর্শে রচিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
‘অশনিসংকেত’ উপন্যাসটির উপজীব্য বিষয় কোনটি?
  1. ক) দেশভাগ
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধ
  3. গ) ভাষা আন্দোলন
  4. ঘ) দুর্ভিক্ষ
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বিষময় ফল ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ।
আর এই দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস গ্রাম বাংলায় কীভাবে বিস্তার লাভ করেছে তার নিখুঁত বর্ণনা দিয়ে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন অশনি সংকেত উপন্যাসটি।
- এটি প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৫৯ সালে।
- ১৯৪৪-৪৬ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মাসিক 'মাতৃভূমি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- অনঙ্গবৌ চরিত্রটি বাঙালির প্রতিদিনের সুখ-দুঃখময় সংসারে খঁজে পাওয়া যায়।
- প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় একই নামে উপন্যাসটিকে চলচ্চিত্রে রূপ দিয়েছেন।
- অনঙ্গবৌ চরিত্রে বাংলাদেশের চিত্রাভিনেত্রী ববিতা, গঙ্গারাম চরিত্রে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
বাংলাদেশের প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ - এর মুখপত্র কোনটি?
  1. ক) কালিকলম
  2. খ) পরিচয়
  3. গ) ক্রান্তি
  4. ঘ) নয়া সড়ক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রগতিশীল আন্দোলনের প্রথম পর্যায়ের পত্রিকা ‘ক্রান্তি’।
- ঢাকায় ১৯৩৯ সালে গঠিত হয় প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ।
- সংঘের উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন - সোমেন চন্দ্র, রণেশ দাশগুপ্ত, সত্যেন সেন, কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত প্রমুখ।
- পরে আজী আবদুল ওদুদ, মুনীর চৌধুরী, হাসান হাফিজুর রহমান প্রমুখ সংঘের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন।
- এই সংঘের মুখপত্র হিসেবে "ক্রান্তি" পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১৯৪০ সালের শেষের দিকে।
- 'ক্রান্তি'র প্রথম সংখ্যার সম্পাদক হলেন রণেশ দাশগুপ্ত আর প্রকাশক সোমেন চন্দ্র।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার সম্পাদক যৌথক্রমে কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত ও অমৃতকুমার দত্ত।
- ১৯৪৭ এর আগে প্রকাশিত হলেও এই পত্রিকার মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব বাংলা ও পরে পূর্ব পাকিস্তানে প্রগতিশীলতার বীজ অঙ্কুরিত হয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
নিচের কে কবিগান রচয়িতা ছিলেন না?
  1. ক) রামনিধি গুপ্ত
  2. খ) গোঁজলা গুই
  3. গ) রাধারমন গোপ
  4. ঘ) অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি
ব্যাখ্যা

আঠারো শতকের শেষ ও উনিশ শতকের শুরুর দিকে বাংলা সাহিত্যে কবিগান রচয়িতাদের আবির্ভাব ঘটে।
- উল্লেখযোগ্য কবিগানের ধরন - তর্জা, পাঁচালি, খেউড়, আখড়াই, দাঁড়া কবিগান, বসা কবিগান, ঢপ, টপ্পা, কীর্তন ইত্যাদি।
• উল্লেখযোগ্য কবিগান রচয়িতাঃ
- গোঁজলা গুই (প্রাচীন কবি)
- রাম বসু,
- নৃসিংহ
- অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি
- হরু ঠাকুর
- রামনিধি গুপ্ত
- কেষ্টা মুচী
- ভবানী
- রামানন্দ নন্দী

- রাধারমণ গোপ - মর্সিয়া সাহিত্যের হিন্দু কবি।

উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ।

.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'খোয়াবনামা' উপন্যাসটিতে কোন বিদ্রোহের কাহিনী স্থান পেয়েছে?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ
  2. খ) ব্রিটিশ বিদ্রোহ
  3. গ) কৃষক বিদ্রোহ
  4. ঘ) ফকির বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) কথাসাহিত্যিক।
পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
- গ্রাম বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবনালেখ্যসহ ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, আসামের ভূমিকম্প, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩ - এর মন্বন্তর, পাকিস্থান আন্দোলন ও সাম্প্রতায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এ উপন্যাসে নিপুণভাবে উপস্থিত করা হয়েছে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
বিদেশী ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক কোনটি?
  1. ক) জমিদার দর্পণ
  2. খ) Captive ladie
  3. গ) পদ্মাবতী
  4. ঘ) নীল দর্পণ
ব্যাখ্যা

দীনবন্ধু মিত্র (১৮৩০-১৮৭৩) নাট্যকার।
পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।
- নীলদর্পণ (১৮৬০) তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্ত্ত।
- নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।

- মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদন্ডে দন্ডিত হন।
- বঙ্কিমচন্দ্র নীলদর্পণকে আঙ্কল টমস কেবিন-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশী ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
‘সনেট-পঞ্চাশৎ’ গ্রন্থটি’র রচয়িতা কে?
  1. ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. খ) আবদুল কাদির
  3. গ) প্রমথ চৌধুরী
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

বিশশতকের অতুলনীয় গদ্যশিল্পী প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরী বিখ্যাত হয়ে আছেন চলিত রীতির প্রধান প্রবক্তা হিসেবে।
- তিনি গল্প লিখেছেন, কবিতাও লিখেছেন; কিন্তু বাঙলা সাহিত্যে তার অমূল্য অবদান তার প্রবন্ধাবলী।
- সনেট পঞ্চাশৎ ও পদ-চারণ তার কাব্যগ্রন্থ।
- 'চার ইয়ারী কথা' গল্পগ্রন্থ।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।

১১.
'হায়াৎ মামুদ' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
  1. ক) মধুসূদন মজুমদার
  2. খ) এম. ওবায়দুল্লাহ
  3. গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. ঘ) মনিরুজ্জামান
ব্যাখ্যা

মনিরুজ্জামান 'হায়াৎ মামুদ' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের ছদ্মনামঃ
মধুসূদন মজুমদার - দৃষ্টিহীন
এম. ওবায়দুল্লাহ - আসকার ইবনে শাইখ
সৈয়দ মুজতবা আলী - প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; সত্য পীর
নীহাররঞ্জন গুপ্ত - দাদাভাই; বানভাট্ট।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১২.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
  1. ক) কুন্দনন্দিনী
  2. খ) কুমুদিনী
  3. গ) বিমলা
  4. ঘ) রোহিনী
ব্যাখ্যা

পাশ্চাত্যের প্রভাবে বঙ্কিমচন্দ্রই প্রথম বাংলা উপন্যাসের কায়া নির্মাণ ও তাতে কান্তি যোজনা করেন।
- বিষবৃক্ষ ও কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাস দুটি বাংলা সাহিত্যে এক অনবদ্য সৃষ্টি। এ খানে নারীর আকাঙ্ক্ষা ও প্রবৃত্তির সঙ্গে সংস্কারের দ্বন্দ্ব, পুরুষের নৈতিক অধঃপতন প্রভৃতি বিষয় মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
- বিষবৃক্ষ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বাল্যবিধবা কুন্দনন্দিনীর প্রেম ও কামনার বিকাশকে তৎকালীন সমাজ যে প্রশ্রয় দেয়নি এ উপন্যাস তারই প্রমাণ।
- বিমলা ও কুমুদিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঘরে বাইরে' ও 'যোগাযোগ' উপন্যাসের চরিত্র।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।

১৩.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলী’ কাব্যগ্রন্থটিতে আইরিশ কবি ইয়েটস্‌ কিভাবে সম্পর্কিত?
  1. ক) ইংরেজীতে অনুবাদকারী হিসাবে
  2. খ) ইংরেজীতে প্রকাশক হিসাবে
  3. গ) ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লেখক হিসাবে
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭ টি গানের সংকলন।
- গানগুলি ১৯০৮ ও ১৯০৯ সালে রচিত এবং ১৯১০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
- ১৯১২ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশ করে লন্ডনের ইন্ডিয়া সোসাইটি।
- Song Offerings - গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছিলেন আইরিশ কবি ও নাট্যকার ইয়েটস্‌।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই এই গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- ১৯১৩ সালে Song Offerings গ্রন্থের জন্য তিনি প্রথম এশীয় হিসাবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

১৪.
মীর মশাররফ হোসেনের কোন আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে তৎকালীন নীলকর অত্যাচারের চিত্র রূপায়িত হয়েছে?
  1. ক) গোজীবন
  2. খ) গাজী মিঞার বস্তানী
  3. গ) উদাসীন পথিকের মনের কথা
  4. ঘ) বিবি কুলসুম
ব্যাখ্যা

প্রথম মুসলিম গদ্য সাহিত্য রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থগুলো হচ্ছে -
- উদাসীন পথিকের মনের কথা
- গাজী মিঞার বস্তানী
- আমার জীবনী
- বিবি কুলসুম জীবনী

এ গ্রন্থগুলোর মধ্যে,
- উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০) গ্রন্থে নীলকর অত্যাচারের কাহিনী রূপায়নের সঙ্গে উপন্যাসের বৈশিষ্ঠ্য বিদ্যমান।
- আত্মজীবনীমূলক এই গ্রন্থে সে আমলের নীলকরদের অত্যাচারের চিত্র এবং পরিনতি প্রতিফলিত হয়েছে।
- এ গ্রন্থে মীর মশাররফ 'উদাসীন পথিক' ছদ্মনাম অবলম্বন করেছিলেন।
- গাজী মিঞার বস্তানী - একটি রসরচনা জাতীয় গ্রন্থ।

উৎসঃ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৫.
‘ডাকহরকরা’ গল্পটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৮-১৯৭১) কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে এক জমিদারবংশে তাঁর জন্ম।
তার সাহিত্যকর্ম নিম্নরূপঃ

• উপন্যাস:
- চৈতালী ঘূর্ণি (১৯৩২),
- ধাত্রীদেবতা (১৯৩৯),
- কালিন্দী (১৯৪০),
- গণদেবতা (১৯৪৩),
- পঞ্চগ্রাম (১৯৪৪),
- কবি (১৯৪৪),
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা (১৯৪৭),
- আরোগ্য নিকেতন (১৯৫৩) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য

ছোটগল্পঃ
- ‘রসকলি’,
- ‘বেদেনী’,
- ‘ডাকহরকরা’ প্রভৃতি তাঁর প্রসিদ্ধ।

- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছোট গল্পগুচ্ছ - অতসী মামী, প্রাগৈতিহাসিক, সরীসৃপ, আজ কাল পরশুর গল্প, ছোটবকুল্পুরের যাত্রী ইত্যাদি।

উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
‘কালের ধূলায় লেখা’ আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সৈয়দ শামসুল হক
  2. খ) শামসুর রহমান
  3. গ) নির্মলেন্দু গুণ
  4. ঘ) হুমায়ুন আহমেদ
ব্যাখ্যা

শামসুর রহমান কবি, সাংবাদিক।
তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- একাত্তরের ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষ বিবরণ তিনি লিখে গিয়েছেন আত্মজীবনী কালের ধুলোয় লেখা গ্রন্থে ও সব পরোক্ষ বিবরণ ধৃত আছে এ সময়ের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত তাঁর উপন্যাস অদ্ভুত অাঁধার এক-এ।
কালের ধুলোয় লেখা শামসুর রাহমানের আত্মজীবনী প্রথমে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায়।গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে।
কিছুটা আয়েশী রং-এর লেখা এ স্মৃতিকথায় তিনি বারবার তাঁর স্মৃতি দুর্বলতার কথা বললেও এবং বারবার কাহিনীর পারমার্থ লঙ্ঘিত হলেও, তাঁর জীবনের ও তাঁর কালের অনেক কথাই তিনি বলেছেন সবিস্তারে এবং অকপটে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১৭.
‘বার্ধ্যক্যকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।’ - এই উক্তিটি কোন সাহিত্যিকের?
  1. ক) প্রমথ চৌধরী
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) মোতাহার হোসেন চৌধুরী
  4. ঘ) সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা

- ‘বার্ধ্যক্যকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না' উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত যৌবনের গান প্রবন্ধের অন্তর্ভূক্ত।
এছাড়া আরী কিছু উক্তি রয়েছে এই প্রবন্ধেঃ
- বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৈবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি।
- পদ্মা ভাগীরথীর মত খরস্রোতা যাহাদের বাণী, আমি তাহাদের বহু পশ্চাতে।
- বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৮.
‘আমার যত গ্লানি’ কী ধরণের রচনা?
  1. ক) গল্পগ্রন্থ
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) নাটক
  4. ঘ) সমালোচনামূলক প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

রশীদ করিমের জন্ম কলকাতায়।
তার রচিত সাহিত্যকর্মঃ
উপন্যাস -
- উত্তমপুরুষ
- প্রষন্ন পাষাণ
- আমার যত গ্লানি
- সোনার পাথর বাটি ইত্যাদি।

প্রবন্ধ -
- আর এক দৃষ্টিকোণ,
- মনের গহীনে তোমার মুরতিখানি

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিক অস্থিরতাকে আশ্রয় করে রশীদ করিম রচনা করেন 'আমার যত গ্লানি' উপন্যাসটি।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- নায়ক এরফান অন্তর্গতভাবে দহন হবার ফলে সামাজিক কঠিন বাস্তবতার কাছে বারংবার পরাজিত হয়।
- কিন্তু অন্তরাত্মাকে সজাগ রাখে বলে শেষ অবধি সে অপরাজিত থাকে।
- এই অপরাজেয় মানসিকতাই উপন্যাসের মূলসুর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৯.
একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে কি বলে?
  1. ক) মিশ্র ক্রিয়া
  2. খ) যৌগিক ক্রিয়া
  3. গ) নামধাতুর ক্রিয়া
  4. ঘ) প্রযোজক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমনঃ
তাগিদ দেওয়া অর্থে - ঘটনাটি শুনে রাখ
কার্যসমাপ্তি অর্থে - ছেলেমেয়েরা শুয়ে পড়ল
আকস্মিকতা অর্থে - সাইরেন বেজে উঠল
- যে ক্রিয়া অন্যের দ্বারা চালিত হয়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন : মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
- মিশ্র ক্রিয়া- বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্বক অব্যয়ের সাথে কর্ , হ, যা, পা, ধর্ ইত্যাদি ধাতু যোগে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে মিশ্র ক্রিয়া বলে।
এখন গোল্লায় যাও।
-
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্বক অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয়যোগে যেসব ধাতু গঠিত হয়, সেগুলোকে নামধাতু বলা হয়।
বেত (বিশেষ্য) + আ (প্রত্যয়) = বেতা (নামধাতু)
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
নিচের কোনটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ?
  1. ক) পরি + ছদ = পরিচ্ছদ
  2. খ) নর + অধম = নরাধম
  3. গ) মনঃ + রম = মনোরম
  4. ঘ) অন্য + অন্য = অন্যান্য
ব্যাখ্যা
স্বরে আর ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে আর ব্যঞ্জনে এবং ব্যঞ্জনে আর স্বরে মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।

স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনিঃ
স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়।
যথাঃ
অ + ছ = চ্ছ [এক + ছত্র = একচ্ছত্র]
আ + ছ = চ্ছ [ কথা + ছলে = কথাচ্ছলে]
ই + ছ = চ্ছ [ পরি + ছদ]
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২১.
‘অভ্র’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) বারিধি
  2. খ) লহরী
  3. গ) অম্বু
  4. ঘ) গগন
ব্যাখ্যা

অভ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে আকাশ।
আকাশ - অম্বর, ব্যোম, খ, গগন, দ্যুলোক, নীলিমা, অভ্র, শূন্য ইত্যাদি।
তীর - তট, পুলিন, সৈকত, কূল, কিনারা, আশ্রয়, অবধি, ধার, পাড়, শর।
সাগর - অর্ণব, সাগর, স্যর, দরিয়া, বারিধি, অম্বুধি, পাথার, পয়োধি ইত্যাদি।
পানি - জল, বারি, সলিল, অম্বু, নীর, উদক, পয়, অম্ভ, তোয় ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২২.
‘সাক্ষী গোপাল’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কি?
  1. ক) কাণ্ডজ্ঞানহীন
  2. খ) নিষ্ক্রিয় দর্শক
  3. গ) নির্বোধ
  4. ঘ) নিরেট মূর্খ
ব্যাখ্যা

'সাক্ষী গোপাল' বাগধারাটির অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক।
বাক্যঃ সাক্ষী গোপাল হয়ে থাকলে এ সংসারে শুধু ঠকতেই হয়।
গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাঃ
হস্তিমূর্খ - নিরেট বোকা।
লেফাফা দূরস্ত - পরিপাটি।
রাবণের চিতা - চির অশান্তি।
বুদ্ধির ঢেকি - নির্বোধ।
ব্যাঙের সর্দি - অসমভব বস্তু।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৩.
'যা বহু কষ্টে লাভ করা যায়' তাকে এক কথায় কি বলে?
  1. ক) দুর্জয়
  2. খ) দুষ্প্রাপ্য
  3. গ) দুর্লভ
  4. ঘ) দুর্লঙ্ঘ্য
ব্যাখ্যা

যা বহু কষ্টে লাভ করা যায় তাকে এক কথায় বলে দুর্লভ।
গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
যা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না = দুর্লঙ্ঘ্য।
যাকে সহজে জয় করা যায় না = দূর্জয়।
যা সহজে পাওয়া যায় না = দুষ্প্রাপ্য।
যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে = অযত্নলব্ধ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৪.
নিচের কোনটি নৈপুণ্যবোঝাতে ঈয়া > এ তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ডাক্তার - ডাক্তারি
  2. খ) জাল - জালিয়া > জেলে
  3. গ) খুন - খুনিয়া > খুনে
  4. ঘ) বাহাদুর + ই = বাহাদুরি
ব্যাখ্যা

তৎকালীন বোঝাতেঃ সেকাল + এ = সেকেলে
উপকরণ বোঝাতেঃ পাথর -পাথরিয়া > পাথুরে
উপজীবিকা অর্থেঃ জাল-জালিয়া > জেলে
নৈপুণ্য বোঝাতেঃ খুন -খুনিয়া > খুনে, দেমাক-দেমাকে, না - নাইয়া > নেয়ে।
অব্যয়জাত বিষেষণ গঠনেঃ টনটন - টনটনে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।

২৫.
‘সত্য কথা বলেনি, তাই বিপদে পড়েছে’ - এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) মিশ্র বাক্য
ব্যাখ্যা

সত্য কথা বলেনি, তাই বিপদে পড়েছে’ - এটি একটি যৌগিক বাক্যের উদাহরণ।
যৌগিক বাক্যঃ সত্য কথা বলেনি, তাই বিপদে পড়েছে।
সরল বাক্যঃ সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছে।
জটিল বাক্যঃ যেহেতু সত্য কথা বলেনি, তাই বিপদে পড়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।

২৬.
ভাষার কোন রীতিতে নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী?
  1. ক) সাধুরীতি
  2. খ) চলিত রীতি
  3. গ) আঞ্চলিক কথ্য রীতি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী।
- এ ভাষা গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
- সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ-আলোচনা ও বক্তৃতায় অনুপযোগী।
- এ ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।

২৭.
দ্বিতীয় লোকটিকে ডাক’ - এখানে দ্বিতীয় কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) অঙ্কবাচক
  2. খ) গণনাবাচক
  3. গ) পূরণবাচক
  4. ঘ) তারিখবাচক
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক শব্দ চার প্রকার।
- অঙ্কবাচক শব্দ
- পরিমাণ বা গণনাবাচক শব্দ
- ক্রম বা পূরণবাচক শব্দ
- তারিখবাচক শব্দ।
ক্রম বা পূরণবাচক শব্দঃ একই সারি, দল বা শ্রেণীতে অবস্থিত কোন ব্যক্তি বা বস্ত্তর ক্রম বা পর্যায় বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাকে ক্রম বা পূরণবাচক শব্দ বলে।
যেমন- ‘দ্বিতীয় লোকটিকে ডাক।
অর্থাৎ, ক্রম বা পূরণবাচক শব্দ হলো- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।

২৮.
‘গৃহস্থ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) ষষ্ঠী তৎপুরুষ
  2. খ) কর্মধারয়
  3. গ) উপপদ তৎপুরুষ
  4. ঘ) বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

গৃহস্থ = গৃহে থাকে যে।
এটি একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণঃ
ইন্দ্রজিৎ = ইন্দ্রকে জয় করেছে যে।
ক্ষীণজীবী = ক্ষীণকাল বাঁচে যে।
জাদুকর = জাদু করে যে।
পঙ্কজ = পঙ্কে জন্মে যা।
ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৯.
‘এ ব্যাপারে সে অতিশয় দুঃখিত।’ এ বাক্যে “অতিশয়” হল -
  1. ক) ক্রিয়া বিশেষণ
  2. খ) বিশেষণীয় বিশেষণ
  3. গ) অব্যয়ের বিশেষণ
  4. ঘ) বাক্যের বিশেষণ
ব্যাখ্যা

‘এ ব্যাপারে সে অতিশয় দুঃখিত।’
- এখানে অতিশয় বিশেষণীয় বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।
যে পদ নাম বিশেষণ অথবা ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করে, তাকে বিশেষণীয় বিশেষণ বলে।
যথা-
- সামান্য একটু দুধ দাও।
- রকেট অতি দ্রুত চলে।
- ঘিয়ের চেয়ে দুধ বেশি উপকারী।
(বাংলা শব্দে দুটি বস্তুর মধ্যে অতিশায়নে জোর দিতে হলে মূল বিশেষণের আগে অনেক, অধিক, অতিশয়, বেশি, অল্প, কম, অধিকতর প্রভৃতি বিশেষণীয় বিশেষণ যোগ করতে হয়।)

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩০.
“কুৎসিত” কোন ধরনের শব্দ?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) তদ্ধব
  3. গ) অর্ধ-তৎসম
  4. ঘ) দেশী
ব্যাখ্যা

যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপ্রিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ।
তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান) = তার সমান অর্থ্যাৎ সংস্কৃত।
উদাহরণঃ চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
কুৎসিত একটি তৎসম শব্দের উদাহরণ।
আরো কয়েকটি সংস্কৃত শব্দ জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেনী।

৩১.
Which novel depicts a child’s awakening to racism?
  1. ক) Moby Dick
  2. খ) To Kill a Mockingbird
  3. গ) Anna karanina
  4. ঘ) War and peace
ব্যাখ্যা

To Kill a Mockingbird, a novel by Harper Lee, published in 1960.
- Enormously popular, the novel was translated into some 40 languages and sold more than 30 million copies worldwide.
- In 1961 it won a Pulitzer Prize.
The novel was praised for its sensitive treatment of a child’s awakening to racism and prejudice in the American South.

Source: Britannica.com

৩২.
A short amusing or interesting story about a real incident or person -
  1. ক) Humor
  2. খ) Tale
  3. গ) Stanza
  4. ঘ) Anecdote
ব্যাখ্যা
Anecdote (noun)
A short amusing or interesting story about a real incident or person.
-কোনো ব্যক্তি বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছোটোখাটো আকর্ষণীয় বা মজার গল্প.
Source: Oxford
৩৩.
Pastoral Elegy “Astrephel” is written upon the death of -
  1. ক) Arthur Henry Hallem
  2. খ) William Shakespeare
  3. গ) Sir Philip Sidney
  4. ঘ) John Keats
ব্যাখ্যা

Astrophel is A Pastoral Elegy upon the Death of the Noblest and Valorous Knight, Sir Philip Sidney.
- It is a poem by the English poet Edmund Spenser.

Source: Britannica.com

৩৪.
"The Luncheon, Rain" short stories written by -
  1. ক) George Eliot
  2. খ) Ernest Hemingway
  3. গ) George Orwell
  4. ঘ) William Somerset Maugham
ব্যাখ্যা

William Somerset Maugham (1874 – 1935):
- a Novelist, Playwright and story writer.

Major Works:
Novels:
- Of Human Bondage,
- The Razor’s Edge,
- Cakes and Ale,
- The Magician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick.
Play:
- The Sacred Flames,
- The Land of Promise.
Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon,
- Rain.

Source: Britannica.com

৩৫.
‘The Merry Wives of Windsor’ by William Shakespeare is a/an -
  1. ক) Comedy
  2. খ) Tragedy
  3. গ) Tragicomedy
  4. ঘ) Melodrama
ব্যাখ্যা

The Merry Wives of Windsor, a comedy in five acts by William Shakespeare, written sometime between 1597 and 1601 (probably near the earlier of these dates), that centres on the comic romantic misadventures of Falstaff.
- The play differs from Shakespeare’s other comedies of this period in that it is set not in an imaginary country but in Windsor and the small-town rural life of Shakespeare’s own day.
- Shakespeare’s ploy in this engaging comedy is to introduce the character of Falstaff, already a household name in London in the late 1590s, into a nonhistorical plot where he occupies a very different role from that of the Henry IV plays.

Source: Britannica.com

৩৬.
A speech at the end of a play -
  1. ক) Monologue
  2. খ) Soliloquy
  3. গ) Limerick
  4. ঘ) Epilogue
ব্যাখ্যা

Epilogue (noun)
A section or speech at the end of a book or play that serves as a comment on or a conclusion to what has happened.
- নাটকের শেষ বক্তৃতা
Source: Oxford

৩৭.
'The Apple Cart' is written by -
  1. ক) Sir Walter Scott
  2. খ) George Bernard Shaw
  3. গ) W. B Yeats
  4. ঘ) Charles Dickens
ব্যাখ্যা

George Bernard Shaw (1856-1950) is a writer of The Modern Period.

Works:
- Pygmalion (1913)
- Heartbreak House (1921)
- Saint Joan (1924)
- The Apple Cart (1929)
- Too True to Be Good (1932)

Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman

৩৮.
'Eleanor' from William Shakespeare’s play King John is -
  1. ক) The queen of France
  2. খ) John's mother
  3. গ) Henry's mother
  4. ঘ) a + c
ব্যাখ্যা

King John is a play by William Shakespeare.

It’s main characters are -
- King John - The King of England. John is the third son of Henry II.
- Eleanor - John's mother
- Constance - Arthur's mother
- Philip - The King of France
- Louis - Philip's son

Source: Sparknotes

৩৯.
Which character is found in “The Lord of the Rings”?
  1. ক) Tess
  2. খ) Iago
  3. গ) Frodo Baggins
  4. ঘ) Guildenstern
ব্যাখ্যা
Frodo Baggins, fictional character, a hobbit (one of a race of mythical beings who are characterized as small in stature, good-natured, and inordinately fond of creature comforts) and the hero of the three-part novel The Lord of the Rings (1954–55) by J.R.R. Tolkien.
Source: Britannica
৪০.
‘Epipsychidion’ is a poetical work by -
  1. ক) William Somerset Maugham
  2. খ) William Wordsworth
  3. গ) Percy Bysshe Shelley
  4. ঘ) Robert Louis Stvenson
ব্যাখ্যা

Percy Bysshe Shelley, English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.

NOTABLE WORKS
“Prometheus Unbound”
“The Cenci”
“Queen Mab”
“Hymn to Intellectual Beauty”
“Adonais”
“To a Sky-Lark”
“Ode to the West Wind”
“Epipsychidion”
“Mont Blanc”
“Ozymandias”

Source: Britannica

৪১.
“The Time Machine” was written by -
  1. ক) Andrei Tarkovsky
  2. খ) H.G. Wells
  3. গ) Charles Dickens
  4. ঘ) Jules Vernes
ব্যাখ্যা

H.G. Wells' parents were shopkeepers in Kent, England. His first novel, “The Time Machine” was an instant success and Wells produced a series of science fiction novels which pioneered our ideas of the future.

His other famous works are:
'The Time Machine'
'War of the Worlds'
'The Island of Doctor Moreau'
'The Invisible Man'

Source: Biography.com

৪২.
A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life -
  1. ক) Idiolect
  2. খ) Psalm
  3. গ) Personification
  4. ঘ) Machiavelli
ব্যাখ্যা

Personification:
A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.

Examples:
And Joy, whose hand is ever at his lips
Bidding adieu.
(Keats: ''Ode on Melancholy'')
Here “Joy'' has been imagined as a living person.
''There lies the port: the vessel puffs her sail:
(Tennyson: ''Ulysses'')
The vessel has been used as a living being.

৪৩.
“One person with a belief is a social power equal to ninety-nine who have only interests.” is a quote by -
  1. ক) Samuel Beckett
  2. খ) John Stuart Mill
  3. গ) Betrand Russell
  4. ঘ) William Faulkner
ব্যাখ্যা

To think that because those who wield power in society wield in the end that of government, therefore it is of no use to attempt to influence the constitution of the government by acting on opinion, is to forget that opinion is itself one of the greatest active social forces. One person with a belief is a social power equal to ninety-nine who have only interests.

John Stuart Mill, Considerations on Representative Government

Source: Goodreads.com

৪৪.
You should not play the game ____ the school area. (Fill in the gap)
  1. ক) within
  2. খ) of
  3. গ) after
  4. ঘ) for
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: স্কুল এরিয়ার মধ্যে খেলা করা তোমার উচিত নয়। এখানে শুধুমাত্র within বসালে অর্থটা পূর্নরূপে প্রকাশ পায়। অন্য preposition গুলো অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
৪৫.
If I ____ a computer I would type myself.
  1. ক) had
  2. খ) have
  3. গ) were
  4. ঘ) would
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ: যদি আমার একটা কম্পিউটার থাকত, আমি নিজেই টাইপ করতাম।
এই বাক্যটি নিচের structure-টি মেনে হয়েছে: If Past Indefinite Past Conditional (Subject would/could/might+মূল Verb এর Present Form)।
৪৬.
In English grammar, ____ deals with understanding the meaning of words and word combinations.
  1. ক) Morphology
  2. খ) Etymology
  3. গ) Syntax
  4. ঘ) Semantics
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
i) Morphology- the study of the forms of words, in particular inflected forms.
ii) Etymology- the study of the origin of words and the way in which their meanings have changed throughout history.
iii) Syntax- the arrangement of words and phrases to create well-formed sentences in a language.
iv) Semantics – the branch of linguistics and logic concerned with meaning.
Source: Oxford Languages

৪৭.
The address is known as the _____.
  1. ক) Superscription
  2. খ) Subscription
  3. গ) Salutation
  4. ঘ) The Heading
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা: Superscription (noun)
Meaning: something written or engraved on the surface of, outside, or above something else; specifically, an address on a letter, envelope.
চিঠি যে envelope-এ পাঠাতে হবে তার উপরে ডানপাশে প্রাপক বা addressee-র নাম লিখতে হয়। একে বলে superscription
Source: Merriam-webster Dictionary and A Passage to the English Langauge by S. M. Zakir Hussain

৪৮.
The phrase 'From the frying pan into the fire' means-
  1. ক) To save lives
  2. খ) To be critical to
  3. গ) To be of no influence
  4. ঘ) From bad to worse
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: from the frying pan into the fire.
Meaning: From bad to worse.
Bengali Meaning: ছিলাম তপ্ত কড়াইয়ে , পড়লাম জ্বলন্ত উনুনে।
৪৯.
The antonym for ‘Sentient’ is-
  1. ক) Indolent
  2. খ) Anaesthetized
  3. গ) Active
  4. ঘ) Animated
ব্যাখ্যা

Sentient (adjective)
Meaning: able to to perceive or feel things
Synonym: aware, responsive, conscious, sensitive, cognizant
Antonym: desensitized, numb, insentient, anaesthetized, insensate
Source: Oxford Languages

৫০.
I cannot right it anymore. The underline word is a ____.
  1. ক) adjective
  2. খ) noun
  3. গ) adverb
  4. ঘ) verb
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ: আমি আর এটা ঠিক করতে পারব না।
অর্থাৎ, right শব্দটি এখানে verb অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫১.
Select the synonym of the word 'Transient.
  1. ক) Ephemeral
  2. খ) Permanent
  3. গ) Transparent
  4. ঘ) Perpetual
ব্যাখ্যা

Transient (adjective)
Bengali Meaning: ক্ষণস্থায়ী
Synonym: Ephemeral, temporary, transitory, short-lived, impermanent, volatile
Antonym: Permanent, perpetual, constant
Source: Oxford Languages

৫২.
Which one is a complex sentence?
  1. ক) I saw his pen.
  2. খ) I saw him and his pen.
  3. গ) I saw the pen which was his.
  4. ঘ) I had seen his pen.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: যে Sentence-এ একটি Principal Clause এবং এক বা একাধিক Subordinate Clause থাকে তাকে Complex Sentence বলে। এই বাক্যে I saw the pen অংশটি Principal clause এবং পরবর্তী অংশটি Subordinate Clause।
৫৩.
The farmer drove the tractor in the evening. The underlined phrase is-
  1. ক) Infinitive phrase
  2. খ) Noun phrase
  3. গ) Adverb phrase
  4. ঘ) Adjective phrase
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: আন্ডারলাইনকৃত অংশটি when-এর উত্তর দিচ্ছে। তাই, এটি adverb phrase।
৫৪.
Please deposit your loan installment of Tk. 6000 ___ 20th march.
  1. ক) in
  2. খ) with
  3. গ) by
  4. ঘ) for
ব্যাখ্যা
বাক্যের অর্থ: ২০ মার্চের মধ্যে আপনার ঋণের কিস্তির ৬০০০ টাকা জমা দিন। এখানে সময়সীমা বুঝাতে by ব্যবহার করা হচ্ছে।
৫৫.
Which one is the right spelling?
  1. ক) Exaggeraetion
  2. খ) Exaggeration
  3. গ) Exagarretion
  4. ঘ) Exaggaretion
ব্যাখ্যা
Exaggeration (noun)
Meaning: a statement that represents something as better or worse than it really is.
Bengali Meaning: অতিরঞ্জিত করা
৫৬.
'Rule out' means-
  1. ক) to repeat something
  2. খ) to start all over again
  3. গ) to dismiss from consideration
  4. ঘ) to drive off
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা: Rule out (phrasal verb)
Meaning: to state that something is not possible or that someone or something is not suitable
Synonym: Exclude, Eliminate, Reject, dismiss, disregard
Antonym: allow, consider
Source: Oxfordlearnersdictinaries.com

৫৭.
Much of his speech was complimentary. Which one is a quantifier here?
  1. ক) Of
  2. খ) His
  3. গ) Was
  4. ঘ) Much
ব্যাখ্যা
ব্যখ্যা: Much শব্দটি এখানে পরিমাণ বুঝিয়েছে, তাই এটি quantifier।
৫৮.
Actors can become whomever they want to be on the stage.
  1. ক) Adjective Clause
  2. খ) Principal Clause
  3. গ) Noun Clause
  4. ঘ) Adverb Clause
ব্যাখ্যা
বাক্যের অর্থ: অভিনেতারা মঞ্চে যা ইচছা তাই হয়ে যেতে পারেন।
ব্যাখ্যা: এখানে become Verbটির object হিসেবে আণ্ডারলাইনকৃত অংশটি ব্যবহৃত হয়েছে। তাই, এটি Noun Clause।
৫৯.
√2, 3√3, 4√4 এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
  1. ক) √2
  2. খ) 3√3
  3. গ) 4√4
  4. ঘ) সবগুলো সমান
ব্যাখ্যা
সবগুলো সংখ্যার ৪র্থ ঘাত নিয়ে পাই,
(২১/২), (৩১/৩), (৪১/৪)
= ২, ৩৪/৩, ৪
= ৪, ৩৪/৩, ৪
= ৪, (৩৪/৩), ৪ (৩য় ঘাত নিয়ে)
= ৬৪, ৮১, ৬৪
সুতরাং √৩ বৃহত্তম
৬০.
একজন ব্যক্তি একটি ঘড়ি ৭২০ টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% ক্ষতি হয়। ২৫% লাভ করতে হলে ঘড়িটি কত টাকায় বিক্রয় করতে হবে?
  1. ক) ১২০০
  2. খ) ৯৬০
  3. গ) ১০০০
  4. ঘ) ২১২০
ব্যাখ্যা
২৫% ক্ষতিতে, বিক্রয়মূল্য (১০০-২৫) বা ৭৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৭২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০×৭২০)/৭৫ টাকা
= ৯৬০ টাকা
আবার, ২৫% লাভে, ক্রয়মূল্য ১০০ হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০+২৫) বা ১২৫ টাকা
ক্রয়মূল্য ৯৬০ হলে বিক্রয়মূল্য = (১২৫×৯৬০)/১০০ = ১২০০ টাকা
৬১.
একটি ক্লাসে মোট ১৯২ টি আসন আছে। প্রতি সারিতে আসন সংখ্যা মোট সারির চেয়ে ৪ টি বেশি হলে প্রতি সারিতে আসন সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ১২
  3. গ) -১৬
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধরি, মোট সারি আছে = ক টি
সুতরাং, প্রতি সারিতে আসনসংখ্যা = ক + ৪টি
ক(ক+৪) = ১৯২
+ ৪ক - ১৯২ = ০
+ ১৬ক - ১২ক - ১৯২ = ০
(ক+১৬)(ক-১২) = ০
ক = ১২, -১৬
কিন্তু সারির সংখ্যা ঋণাত্নক হতে পারে না।
সুতরাং, মোট সারি = ১২ টি
প্রতি সারিতে আসন সংখ্যা = ১২ + ৪ = ১৬
৬২.
3x+3 < 18 এর সমাধান কোনটি?
  1. ক) x < 7
  2. খ) x > 7
  3. গ) x < 5
  4. ঘ) x < 24
ব্যাখ্যা
3x+3 < 18
বা, 3(x+1) < 18
বা, 3(x+1)/3 < 18/3
বা, (x+1) < 6
বা, x < 5
৬৩.
একটি সমান্তর ধারার ৪র্থ পদ ১৫ এবং ৭ম পদ ২৭ হলে প্রথম ৭টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ক) ২৭
  2. খ) ১০৫
  3. গ) ৮৭
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধরি,
১ম পদ = a এবং সাধারণ অন্তর = d
a + 3d = 15...........(1)
a + 6d = 27...........(2)
(2) - (1) → 3d = 12
∴ d = 4;
a + 3.4 = 15
a = 3
১ম ৭ পদের সমষ্টি = 7/2{2.3 +(7-1).4}
= 7/2 × 30
= 105
৬৪.
চিত্রে y এর মান কত?
  1. ক) ১২°
  2. খ) ২৪°
  3. গ) ৩৬°
  4. ঘ) ৪২°
ব্যাখ্যা
বিপ্রতীপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়
∴ ২x = y+30°
2x + 3x = 180° ( সরলকোণ বলে)
বা, 5x =180°
বা, x = 36°
আবার, ২x = y+30°
বা, y = 72° - 30° = 42°
৬৫.
নিচের কোন বাহুত্রয় দ্বারা সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করা সম্ভব?
  1. ক) ৫, ১২, ১৩
  2. খ) ৮, ১৫, ১৭
  3. গ) ১২, ১৬, ২০
  4. ঘ) সবগুলো দ্বারাই সম্ভব
ব্যাখ্যা

সমকোণী ত্রিভুজে,
ভূমি২ + লম্ব = অতিভুজ
২ + ১২২ = ১৬৯ = ১৩
২ + ১৫২ = ২৮৯ = ১৭
১২২ + ১৬২ = ৪০০ = ২০

৬৬.
একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা এর কর্ণের কত গুণ?
  1. ক) ২√২
  2. খ) √২/২
  3. গ) √২
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে,
পরিসীমা = 4a এবং কর্ণ = √2a
∴ পরিসীমা কর্ণের 4a/√2a
বা, ২√2 গুণ
৬৭.
যদি A এবং B যেকোন দুটি সেট হয়, তবে (A-B)∩B = কত?
  1. ক) A
  2. খ) B
  3. গ) A∩B
  4. ঘ) Ø
ব্যাখ্যা
ধরি, A = {1, 3, 4, 6, 7} ; B = {1, 3, 7}
A-B = {1,3,4,6,7} - {1,3,7} = {4,6}
(A-B)∩B = {4,6}∩{1,3,7}
= Ø
৬৮.
3, 3, 4, 4, 4, 5 এই অংকগুলোকে ব্যবহার করে কতগুলো ছয় অংকবিশিষ্ট ভিন্ন সংখ্যা বানানো যাবে?
  1. ক) 25
  2. খ) 60
  3. গ) 50
  4. ঘ) 720
ব্যাখ্যা
এখানে মোট ৬টি অংক আছে যার মধ্যে ৩টি 4, ২টি 3 এবং বাকিগুলো ভিন্ন ভিন্ন
ভিন্ন সংখ্যা পাওয়া যাবে = ৬!/(৩!২!) টি = ৬০ টি
৬৯.
একটি ছক্কার গুটি নিক্ষেপ করা হলে ৭ উঠার সম্ভবনা কত?
  1. ক) ১/৭
  2. খ) ১/৬
  3. গ) ৭/৬
  4. ঘ) ০
ব্যাখ্যা
ছক্কার গুটিতে ১-৬ পর্যন্ত অংক থাকে। তাই সাত উঠা অসম্ভব। অসম্ভব ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা শূন্য।
৭০.
সরীসৃপ নয়-
  1. ক) কুমির
  2. খ) সাপ
  3. গ) ব্যাঙ
  4. ঘ) টিকটিকি
ব্যাখ্যা
ব্যাঙ উভচর বা Amphibian.
অন্যদিকে, কুমির, সাপ ও টিকটিকি হচ্ছে সরীসৃপ বা Reptile.
সুত্রঃ অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
৭১.
একটি পরমাণুর তৃতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেক্ট্রন থাকতে পারে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৬
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা

পরমাণুর কক্ষপথে 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে।
এখানে, n = কক্ষপথের সংখ্যা।

তাহলে, তৃতীয় কক্ষপথে থাকবে = ২ . ৩ = ১৮টি ইলেকট্রন।

সুত্রঃ অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।

৭২.
একজন ডুবুরি নিচের কোন যৌগটির বিযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে অক্সিজেন পায়?
  1. ক) KClO3
  2. খ) CaCO3
  3. গ) CaO
  4. ঘ) Ca(OH)2
ব্যাখ্যা

2KClO(পটাশিয়াম ক্লোরেট) → 2KCl (পটাশিয়াম ক্লোরাইড) + 3O2 (অক্সিজেন)

- অষ্টম শ্রেণির বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন ও ব্যাখ্যা।

৭৩.
যে দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য মাপতে হবে সেই দুই বিন্দুর সঙ্গে ভোল্টমিটারের সংযোগ কি রকম হবে?
  1. ক) শ্রেণিসংযোগ
  2. খ) সমান্তরাল সংযোগ
  3. গ) নির্দিষ্ট নয়
  4. ঘ) মিশ্র সংযোগ
ব্যাখ্যা

ভোল্ট মিটার (Voltmeter):
যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা হয় তাকে ভোল্টমিটার বলে। এটি প্রকৃত পক্ষে একটি বিশেষ ধরনের গ্যালভানোমিটার।
একে বর্তনীতে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করতে হয়।

বর্তনী সংযোগঃ
সাধারণত বর্তনীতে তড়িৎ যন্ত্র ও উপকরণসমূহ দুইভাবে সংযুক্ত হয়। যথাঃ
ক) শ্রেণি সংযোগ
খ) সমান্তরাল সংযোগ

সূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান (এসএসসি) ও পদার্থবিজ্ঞান (এইচএসসি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
প্রাপ্ত বয়স্ক একজন ব্যক্তির চোখের স্পষ্ট দৃষ্টির নুন্যতম দুরত্ব কত?
  1. ক) ৫ সেন্টিমিটার
  2. খ) ২৫ সেন্টিমিটার
  3. গ) অসীম
  4. ঘ) ২৫ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা

মানুষের চোখের সাপেক্ষে সবচেয়ে নিকটে যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে স্পষ্ট দর্শনের নিকট বিন্দু এবং চোখ থেকে ওই বিন্দুর দূরত্বকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব বলে।
এই দূরত্ব মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়।

একজন শিশুর ক্ষেত্রে এই দূরত্ব ৫ সেন্টিমিটার এবং স্বাভাবিক বয়স্ক লোকের ক্ষেত্রে ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান, ২০২১

৭৫.
ডায়া চৌম্বক পদার্থ নয়-
  1. ক) প্লাটিনাম
  2. খ) তামা
  3. গ) পানি
  4. ঘ) এলকোহল
ব্যাখ্যা

ম্যাঙ্গানিজ, প্লাটিনাম, অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, বায়ু, অক্সিজেন প্রভৃতি পদার্থগুলো প্যারাচৌম্বক বা পরাচৌম্বকভুক্ত।

ডায়া-চৌম্বক বা তিরশ্চৌম্বক পদার্থ (Diamagnetic substances):
যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা পদার্থটিতে দুর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চৌম্বকত্বের অভিমূখ, আবেশী চুম্বকত্বের অভিমূখের বিপরীত দিকে হয়, তাদেরকে ডায়া চৌম্বক বা তিরশ্চৌম্বক বলে। এদের চৌম্বক ভেদ্যতা μ < এবং চৌম্বক প্রবণতার মান ঋণাত্মক।

এদের কোন ভুরি বিন্দু নেই। এদের কোন চৌম্বক ধারকত্ব ধর্ম নেই। অসম চৌম্বক ক্ষেত্রে এদের ঝুলিয়ে রাখলে চৌম্বকক্ষেত্রের অধিকতর শক্তিশালী অংশের দিক থেকে কম শক্তিশালী অংশের দিকে যায়।

অ্যান্টিমনি, বিসমাথ, তামা, পারদ, সোনা, পানি, অ্যালকোহল ইত্যাদি ডায়া-চৌম্বক পদার্থ।

সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। (এছাড়াও স্কুল লেভেলের বইতেও তথ্য পাবেন।)

৭৬.
মানুষের রক্তের লোহিত কণিকার গড় আয়ু প্রায়-
  1. ক) ১ মাস
  2. খ) ২ মাস
  3. গ) ৩ মাস
  4. ঘ) ৪ মাস
ব্যাখ্যা

লোহিত রক্তকণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন।
লোহিত রক্তকণিকা প্লীহা তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

বিভিন্ন বয়সের মানব দেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা হচ্ছে:
- ভ্রূণ দেহে: ৮০-৯০ লাখ,
- শিশুর দেহে: ৬০-৭০ লাখ,
- পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ দেহে: ৪.৫ - ৫.৫ লাখ এবং
- পূর্ণ বয়স্ক নারীর দেহে: ৪ - ৫ লাখ।

মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন-
১. অ্যানিমিয়া: লোহিত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায় অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যায়।
২. পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
৩. লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ১ ঘন মি.লি. রক্তে ২০,০০০- ৩০,০০০ হয়।
৪. লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা, প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক হারে বেড়ে ১ ঘন মি.লি. রক্তে ৫০,০০০ - ১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।

উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৭৭.
COVID-19 এর জন্য অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাক্সিনের নাম-
  1. ক) Sputnik V
  2. খ) Covishield
  3. গ) CoronaVac
  4. ঘ) Covaxin
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি
১৩ ডিসেম্বর ২০২০ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা ‘কোভিশিল্ড (Covishield)' পেতে ভারতের সেরাম ইনষ্টিটিউটের সাথে ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ভ্যাকসিন প্রাপ্যতার নিশ্চয়তা, গুণগতমান, কার্যকারিতা ও উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ বিবেচনায় রেখে প্রথম ধাপে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কেনা হবে। এতে সরকারের খরচ হবে ১,৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের খরচ হবে ৬.২৫ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৬০ টাকা।
১৩ কোটির বেশি মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার কথা ভাবছে সরকার। সারা দেশে করোনা টিকা দেয়ার খসড়া জাতীয় পরিকল্পনায় বলা হয়, সুষ্ঠুভাবে টিকা কেনা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের জন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত কমিটি করা হবে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭,২৮,০৯,৩৮৫। টিকা পাবে ১৩,৮২,৪৭,৫০৮ (মোট জনসংখ্যার ৮০%)।

- মডার্নার টিকার নাম : mRNA-1273
- ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার নাম : tozinameran
- জনসন অ্যান্ড জনসন : Janssen
- অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিাকর নাম : Covishield
- গামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট : Sputnik-V.

সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার

৭৮.
কম্পিউটার মাউস আবিষ্কার হয়-
  1. ক) ১৯৬৩ সালে
  2. খ) ১৯৮৪ সালে
  3. গ) ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (SRI International) বিজ্ঞানী ডগলাস এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস এর নকশা (ডিজাইন) করেন।
- তার নকশা অবলম্বন করে ১৯৬৪ সালে SRI International এর প্রধান প্রকৌশলী বিল ইংলিশ প্রথম প্রটোটাইপ মাউস নির্মাণ করেন।
- ১৯৬৭ সালে মাউসের প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করা হয় এবং ১৯৭০ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্টের নামে প্যাটেন্ট ইস্যু করা হয়।
- ১৯৮৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয়।

উৎসঃ SRI International ওয়েবসাইট।
[লিঙ্ক]

৭৯.
কম্পিউটারের মস্তিস্ক হিসেবে পরিচিত মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটার সিস্টেমের কোথায় থাকে?
  1. ক) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে
  2. খ) ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভে
  3. গ) মাদারবোর্ডে
  4. ঘ) উপরের সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে ব্যবহৃত সমস্ত যন্ত্রাংশ কোনো না কোনোভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সম্পৃক্ত। মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে। সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড। এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত। কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে। মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিনড়ব ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে। অর্থাৎ কম্পিউটারে সমস্ত যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত থাকে।
৮০.
Apple এর প্রতিষ্ঠা করেন-
  1. ক) স্টিভ জবস
  2. খ) ল্যারি এলিসন
  3. গ) স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

১ এপ্রিল, ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠা করেন।

এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কুপারটিনোতে অবস্থিত।

বর্তমান সিইও টিম কুক।

৮১.
কম্পিউটারের মেমরির ক্ষেত্রে কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. ক) KB > GB > MB > TB
  2. খ) KB > TB > GB > MB
  3. গ) KB > MB > GB > TB
  4. ঘ) TB > KB > MB > GB
ব্যাখ্যা
ইয়টাবাইট (YB) > জেটাবাইট (ZB) > এক্সাবাইট (EB) > পেটাবাইট (PB) > টেরাবাইট (TB) > গিগাবাইট (GB) > মেগাবাইট (MB) > কিলোবাইট (KB) > বাইট (B)
৮২.
MS Word এ গ্রামার ও বানান ভুল চেক করতে কোন শর্টকাটটি ব্যবহার হয়?
  1. ক) F6
  2. খ) F7
  3. গ) F8
  4. ঘ) F9
ব্যাখ্যা

F1 - Brings up a Help window in many applications, including browsers, Microsoft Office and others
F2 - Renames a selected object
F3 - Opens search box in browsers
F4 - Displays the Address bar list in My Computer or Windows Explorer (Windows XP)
F5 - Updates the active Window. Useful to refresh a displayed page in a browser
F6 - Cycles through the screen elements in a window
F7 - Turn on/off Caret Mode (Firefox). Performs Spell and Grammar check (MS Word)
F8 - Extend selection (MS Office)
F9 - Updates fields (MS Office)
F10 - Activates menu bar options
F11 - Toggles between full screen and normal display in browsers
F12 - Opens 'Save as' dialog (MS Office)

৮৩.
বাইনারি ০ এবং ১ পদ্ধতি ব্যবহার করে যে ভাষা লেখা হয় তাকে বলে-
  1. ক) এসেম্বলি ভাষা
  2. খ) মেশিন ভাষা
  3. গ) উচ্চস্তরের ভাষা
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্মের ভাষা
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা(Machine Language)। এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।

সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৮৪.
ডাটাকে এনক্রিপ্টশন এবং ডিক্রিপ্টশন করার বিষয়কে কি বলা হয়?
  1. ক) হ্যাকিং
  2. খ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
  3. গ) কোডিং
  4. ঘ) সাইটোগ্রাফি
ব্যাখ্যা

ডেটাকে সিকিউর করার জন্য একে এনক্রিপ্ট করে পাঠানো হয় এবং পরে গন্তব্যে ডেটাকে উদ্ধার করা হয় ডিক্রিপশনের মাধ্যমে। ডেটা এনিক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার প্রক্রিয়াকে বলে ক্রিপ্টোগ্রাফি
উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৮৫.
Bluetooth এর আবিষ্কারক কোম্পানি বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) সনি
  2. খ) অ্যাপল
  3. গ) এরিকসন
  4. ঘ) মটরোলা
ব্যাখ্যা

১RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ কোম্পানির টেলিকম জায়ান্ট এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।

ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।

৮৬.
কোনটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ?
  1. ক) Uberide
  2. খ) Pathao
  3. গ) Foodpanda
  4. ঘ) Nagad
ব্যাখ্যা
Pathao একটি বাংলাদেশী রাইড শেয়ারিং অ্যাপ।
৮৭.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) বলতে বোঝায়-
  1. ক) মানুষের মতো চিন্তা করার ক্ষমতা
  2. খ) মানুষের মতো সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা
  3. গ) মানুষের মতো সিদ্ধান্তে নেওয়ার সামর্থ্য
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়। মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারকে সেভাবে চিন্তা ভাবনা করার উপযোগি করার প্রক্রিয়াই হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI)। AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটার সিস্টেমকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা লাভ করে। কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা চালানো হচ্ছে।
৮৮.
1, 9, 25, 49, ?, 121
  1. ক) 100
  2. খ) 91
  3. গ) 64
  4. ঘ) 81
ব্যাখ্যা

12 = 1
32 = 9
52 = 25
72 = 49
92 = 81
112 = 121

৮৯.
কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) a
  2. খ) b
  3. গ) c
  4. ঘ) d
ব্যাখ্যা
এখানে একমাত্র খ অপশনটিতে ত্রিভুজটি বৃত্তের বাইরে আছে। বাকিগুলোতে বৃত্তের ভিতরে ত্রিভুজ বা ত্রিভুজের ভিতরে বৃত্ত আছে।
৯০.
নিচের সংখ্যা সিরিজে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর যোগফলকে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
৮ ৫ ৪ ৯ ৩ ৭ ৬ ১ ২ ৩
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা

৩ দ্বারা বিভাজ্য অঙ্কগুলো হচ্ছে ৯ ৩ ৬ ৩ এদের যোগফল ২১।
যাকে ৭ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ০ হবে।

৯১.
০.০৯ ÷ ০.৩ = ?
  1. ক) ০.৩
  2. খ) ০.০৩
  3. গ) ০.০০৩
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
০.৩ x ০.৩ = ০.০৯ তাই ০.০৯ কে ০.৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল হবে = ০.৩।
৯২.
৮ জন ছেলে এবং ১৬ জন মেয়ে বনভোজনের জন্য মোট ৫৪০০ টাকা জমা দেয়। একজন ছেলের খরচ একজন মেয়ের খরচের দ্বিগুণ হলে প্রতি মেয়ের খরচ কত টাকা?
  1. ক) ১৬৮.৭৫
  2. খ) ৩৩৭.৫০
  3. গ) ২৭০
  4. ঘ) ৫৪০
ব্যাখ্যা

ধরি,
প্রতি মেয়ের খরচ = x
তাহলে প্রতি ছেলের খরচ = 2x

শর্তমতে, 
16x + 16x = 5400
⇒ x = 5400/32 = 168.75

৯৩.
অত্যন্ত উৎসাহ নিয়ে বাইরে একা বেড়াতে যাবেন বলে তৈরি হয়েছেন, এ সময় বাড়িতে অনেক মেহমান এলো। আপনি কি করবেন?
  1. ক) তাদেরকে বলবেন এখন সময় দেয়া যাচ্ছে না
  2. খ) তাদের নিয়ে বেড়াতে যাবেন
  3. গ) তাদেরকে সময় দিয়ে পরে বাইরে যাবেন
  4. ঘ) বেঁধে মারধর করবেন
ব্যাখ্যা
আপনি যেহেতু একা বেড়াতে যেতে চাইছেন তাই মেহমানদের সময় দিয়ে পরে বাইরে যাওয়াই অধিক যুক্তিযুক্ত।
৯৪.
Which word is most nearly the opposite in meaning to Hinder?
  1. ক) Former
  2. খ) Intercept
  3. গ) Encourage
  4. ঘ) Anticipate
ব্যাখ্যা

Hinder - বাধা দেওয়া,পথরোধ করা
Former - পূর্ববর্তী; প্রাক্তন
Intercept - পথে গতিরোধ করে আটক বা গ্রেপ্তার করা; বিচ্ছিন্ন করা
Encourage - উৎসাহ দেওয়া; অনুপ্রাণিত করা
Anticipate - প্রত্যাশা করা, অনুমান করা

খেয়াল করুন, বিপরীত চাওয়া হয়েছে।
৯৫.
আমার মায়ের বোনের একমাত্র ছেলের খালার মেয়ে আমার কি হবে?
  1. ক) খালা
  2. খ) নানি
  3. গ) বোন
  4. ঘ) ভাগ্নি
ব্যাখ্যা

আমার মায়ের বোনের একমাত্র ছেলে হলো আমার খালাতো ভাই। সেই ভাইয়ের খালা আমার মা অথবা খালা হতে পারেন এবং তার মেয়ে আমার বোন বা খালাতো বোন হবে।

৯৬.
  1. ক) ২৩
  2. খ) ২৭
  3. গ) ৩০
  4. ঘ) ২১
ব্যাখ্যা
প্রতিটা সারি এবং কলামের তৃতীয় ঘরের সংখ্যাটি হবে প্রথম এবং দ্বিতীয় ঘরের সংখ্যার যোগফল এবং চতুর্থ ঘরের সংখ্যা হবে তৃতীয় এবং দ্বিতীয় ঘরের সংখ্যার যোগফল।
৯৭.
ARGUEMENT : DEBATE
  1. ক) Violence : Peace
  2. খ) Fight : Contest
  3. গ) Challenge : Opponent
  4. ঘ) Abuse : Scold
ব্যাখ্যা

সহজভাবে দেখলে, একটা স্বাস্থ্যকর/ইতিবাচক আরেকটা নেতিবাচক।

বিতর্ক যুক্তি নির্ভর হয়। মানসিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয়।
অন্যদিকে, তর্ক বা বিবাদে আবেগ এবং রাগ/ক্রোধ ভর করতে পারে।

একইভাবে,
প্রতিযোগিতাও (খেলাধুলা বা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে) মানুষের মানসিক এবং শারীরিক বিকাশের জন্য দরকার।
কিন্তু, যুদ্ধ বা ঝগড়াতেও মানুষ জয়ের জন্যই প্রতিযোগিতা করে। এটা নেতিবাচক।

ARGUMENT - যুক্তি
DEBATE - বিতর্ক, বিষাদ

Violence - ব্রতা, প্রচন্ডতা; বলপ্রয়োগ
Peace - শান্তি

Fight - যুদ্ধ
Contest - প্রতিযোগিতা করা

Challenge - প্রতিদ্বতায় আহবান করা
Opponent - প্রতিক্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বী

Abuse - অপব্যবহার করা ; গালাগালি করা ;
Scold - কুনি দেওয়া, তিরস্কার করা

৯৮.
ওয়াসিম সকালে সূর্যকে পেছনে রেখে হাঁটা শুরু করল। কিছুক্ষণ পরে সে বামে ঘুরল, তারপর ডানে, তারপর আবার বামে। যাত্রাপথে সে কোনদিকে মুখ করে হাঁটেনি?
  1. ক) উত্তর
  2. খ) দক্ষিণ
  3. গ) পশ্চিম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সে উত্তর এবং পূর্ব দিকে একবারও মুখ করে হাঁটেনি।

৯৯.
একটি ঘড়িতে ৩ঃ১৬ বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে উৎপন্ন প্রবৃদ্ধ কোণটি কত?
  1. ক) ১২°
  2. খ) ২°
  3. গ) ১৭৮°
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ঘন্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যেকার কোণ ∠ = ।(11M - 60H)/2।
= |{(১১×১৬) - (৬০×৩)}/২|
= |(১৭৬-১৮০) / ২|
= ২°

তাহলে, উৎপন্ন প্রবৃদ্ধ কোণ = ৩৬০° - ২° = ৩৫৮°

দুই সমকোণ থেকে বড় এবং চার সমকোণ থেকে ছোট কোনকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।

১০০.
নিচের ছবিতে বাম থেকে প্রথম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে ডান থেকে চতুর্থ চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?
  1. ক) ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. খ) ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  3. গ) স্থির থাকবে
  4. ঘ) নির্ণয় করা সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা
ডান দিক থেকে চতুর্থ গিয়ার মানে হলো বামদিক থেকে দ্বিতীয় গিয়ার।
বাম দিকের গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরছে এবং এটি দ্বিতীয় গেয়ারের সাথে যুক্ত থাকায় দ্বিতীয় গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরবে।
১০১.
নিচের সিরিজের অষ্টম অক্ষর কোনটি হবে?
AABCEH...
  1. ক) M
  2. খ) U
  3. গ) V
  4. ঘ) T
ব্যাখ্যা

ধারাটি ফিবোনাচ্চি সিরিজের আদলে ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। ফিবোনাচ্চি সিরিজ এবং ধারাটি নিচে দেয়া হলো-
১ ১ ২ ৩ ৫ ৮ ১৩ ২১
A A B C E H M U

১০২.
সর্বপ্রথম দেশ বা অঞ্চল অর্থে 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায় কোন গ্রন্থে?
  1. ক) প্রাচীন বেদ
  2. খ) অর্থশাস্ত্র
  3. গ) আকবরনামা
  4. ঘ) ঐতরেয় আরণ্যক
ব্যাখ্যা

বঙ্গ - একটি প্রাচীন জনপদ।

জাতি বা উপজাতি অর্থে 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায় প্রথম ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে।
- নীহাররঞ্জন রায় ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস আদি পর্ব’তে এই সংক্রান্ত প্রমাণ পাওয়া যায়।

আবুল ফজল রচিত 'আকবরনামা' গ্রন্থের শেষ খন্ড "আইন-ই-আকবরী"তে দেশবাচক শব্দ হিসাবে প্রথম 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকা আর্কাইভ।

১০৩.
‘পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি’ গঠিত হয় কার সভাপতিত্বে?
  1. ক) ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাসেম
  3. গ) মাওলানা আকরাম খাঁ
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যা

- আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে আকরাম খানকে সভাপতি করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ‘পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি’ গঠন করে।
- এই কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
- ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ আবদুল মতিনকে আহব্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মাধ্যমিক বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই।

১০৪.
ছয় দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় -
  1. ক) জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে
  2. খ) সংবাদ সম্মেলনে
  3. গ) বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে
  4. ঘ) আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায়
ব্যাখ্যা

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।

১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া

১০৫.
মুজিবনগর সরকারের শিল্পমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এ. এইচ. এম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন - এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী ছিলেন - এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন - এম.এ.জি ওসমানী।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১০৬.
১৯৭১ সালের কোন তারিখে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী জনসাধারণকে বঙ্গবন্ধু ১৪টি নির্দেশনা প্রদান করেছিলেন?
  1. ক) ৭মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ১১ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ১৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বাতিলের ঘোষণার পর ১৯৭১ সালের ২-২৫ মার্চ পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলন চলে।
- এই সময় পূর্ব পাকিস্তান মূলত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাতেই চলতো।
- কোন রকম বিশৃঙ্খলা এড়াতে আন্দোলনরত জনতাকে বঙ্গবন্ধু ১৪টি নির্দেশনা দেন।

তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদ ১১ মার্চ এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে ১৪টি নির্দেশ জারি করেন।
- মূলত সরকারি অফিস, ব্যাংক–বিমা ও অন্যান্য সংস্থা কীভাবে চলবে এবং কী কী বিধিনিষেধ মেনে চলবে—বিবৃতিতে সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশের ভেতরে যেকোনো অঙ্কের অর্থ জমা হিসেবে গ্রহণ ও আন্তব্যাংক ক্লিয়ারেন্সসহ সব ধরনের ব্যাংকিং কাজ করতে পারবে।
- ধান, পাটবীজ, সার ও কীটনাশক সংগ্রহ, পরিবহন ও বিতরণ অব্যাহত থাকবে।
- কৃষি খামার এবং চাল গবেষণা কেন্দ্রের কাজ চালু থাকবে।
- বন্দর কর্তৃপক্ষের কাজ চলবে।
- সেনাবাহিনীর চলাচল অথবা জনসাধারণের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন সামগ্রী খালাসের ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করা যাবে না।
- ইস্ট পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের (ইপিআইডিসি) সমস্ত কলকারখানায় কাজ চলবে এবং উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চালাতে হবে।
- ঘূর্ণিঝড়দুর্গত এলাকায় বাঁধ নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজসহ সব সাহায্য, পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কাজ চলবে।
- পল্লি অঞ্চলে উন্নয়নকাজ অব্যাহত থাকবে।
- সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীর মজুরি ও বেতন পাওনা হলে তা পরিশোধ করতে হবে। এ জন্য হিসাব নিরীক্ষণ অফিসে আংশিক কাজ চলবে।
- জেলখানার ওয়ার্ডে ও অফিসে কাজ চলবে।
- বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিযুক্ত শাখাগুলো চালু থাকবে।

উৎসঃ একাত্তরের দিনগুলি, প্রথম আলো রিপোর্ট ও বাংলাপিডিয়া।

১০৭.
চা চাষের জন্য আদর্শ বৃষ্টিপাত প্রয়োজন -
  1. ক) ২০০ সেন্টিমিটার
  2. খ) ১৮০ সেন্টিমিটার
  3. গ) ২২০ সেন্টিমিটার
  4. ঘ) ২৫০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

অর্থকরী ফসলের মধ্যে চা অন্যতম। বাংলাদেশে উৎপাদিত চা-এর কিছু অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়। পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়।
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চা চাষ করা হয়।
নিয়ামক:
তাপমাত্রা: চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা চা চাষের উপযোগী।
বৃষ্টিপাত: চা চাষের জন্য ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
মৃত্তিকা: উর্বর লৌহ ও জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোঁআশ মাটিতে চা চাষ ভালো হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১০৮.
নিচের কোনটি কলার জাত নয়?
  1. ক) অমৃত সাগর
  2. খ) অনুপম
  3. গ) সুখ সাগর
  4. ঘ) মালভোগ
ব্যাখ্যা

''সুখ সাগর'' - বাংলাদেশের কৃষিতে উন্নত জাতের পেঁয়াজের জাত।

বাংলাদেশে চাষকৃত কলার জাতঃ
১. খাটো জাত -- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)
২. মাঝারি আকার -- অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী
৩. লম্বাকৃতির জাত -- কাঁঠালি, আনাজি

উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

১০৯.
বাংলাদেশের অধিকাংশ আবাদি জমির মাটি কোন প্রকৃতির?
  1. ক) বেলে মাটি
  2. খ) এটেল মাটি
  3. গ) দোআঁশ মাটি
  4. ঘ) অম্লীয় মাটি
ব্যাখ্যা

- দো-আঁশ মাটি এই মাটি বালু, পলি আর কাদা মাটির সমন্বয়েই তৈরি হয়। দো-আঁশ মাটিতে থাকা বালু, পলি আর কাদা মাটির অনুপাতের উপর নির্ভর করে দো-আঁশ মাটির ধরন কেমন হবে।
- দো-আঁশ মাটির একদিকে যেমন পানি ধারণক্ষমতা ভালাে আবার প্রয়ােজনের সময় পানি দ্রুত নিষ্কাশনও হতে পারে।
- তাই ফসল চাষাবাদের জন্য দো-আঁশ মাটি খুবই উপযােগী।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।

১১০.
প্রাথমিক পণ্য হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে -
  1. ক) তুলা
  2. খ) গম
  3. গ) সুতা
  4. ঘ) পেট্রোলিয়াম
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক পণ্য আমদানির চিত্রঃ
১. তুলা - ২,৯৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
২. গম - ১,৬৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৩. তৈলবীজ - ১,১৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম - ৭৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

অন্যদিকে,
শিল্পজাত পণ্য হিসাবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী - ৪,৬২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২০।

১১১.
আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম কোন বিভাগে?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি ও গৃহগণনা শুমারি ২০১১ অনুযায়ী,
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি ঢাকা বিভাগে।

১১২.
নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় থাকা জনসংখ্যার হার কত?
  1. ক) ৯৩.০%
  2. খ) ৭৮.৯০%
  3. গ) ৮৬.৯৫%
  4. ঘ) ৯৬.০%
ব্যাখ্যা

- নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় থাকা জনসংখ্যার হার - ৯৬%।
- গ্রিডভিত্তিক মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা - ১৯,৬৩০ মেগাওয়াট।
- নবায়নযোগ্য ও ক্যাপটিভসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা - ২২,৭৮৭ মেগাওয়াট।
- বিদ্যুৎ এর প্রকৃত উৎপাদন - ১২,৮৯৩ মেগাওয়াট।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২০।

১১৩.
রেমিট্যান্স অর্জনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) নবম
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক রেমিটেন্স প্রবাহঃ
গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে ‘COVID-19 Crisis Through a Migration Lens’ নামক প্রতিবেদন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে-
- শীর্ষ দেশ - ভারত (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ৮৩.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- দ্বিতীয় - চীন
- অষ্টম - বাংলাদেশ (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ১৮.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সৌদি আরব থেকে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।


২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে বিশ্বে রেমিট্যান্স আহরণে,
- প্রথম : ভারত
- দ্বিতীয় : চীন
- অষ্টম : বাংলাদেশ।
রেমিট্যান্স আহরণের পরিমাণ ১৮.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশ অনুসারে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের উৎস:
- প্রথম : সৌদি আরব
- দ্বিতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট

১১৪.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কয় বার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন?
  1. ক) ২ বার
  2. খ) ৩ বার
  3. গ) ৫ বার
  4. ঘ) নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে একজন ব্যাক্তি সর্বোচ্চ ২ বার রাষ্ট্রপতি হতে পারেন।
- কিন্তু, আইনঅনুসারে, সর্বোচ্চ কতবার প্রধানমন্ত্রী হওয়া যাবে তার উল্লেখ নেই।
১১৫.
আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণন্ত্রের মূল ভিত্তি হল -
  1. ক) বিরোধী দল
  2. খ) সুশীল সমাজ
  3. গ) রাজনৈতিক দল
  4. ঘ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হল রাজনৈতিক দল
- গণতন্ত্রের অপর নাম সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন। জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করে পরােক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে।
- অধ্যাপক ফাইনার বলেন, “আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন।”
- তাই গণতন্ত্রে-রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব অপরিসীম।
উৎসঃ পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৬.
নিচের কোনটি স্থানীয় সরকারের অংশ নয়?
  1. ক) উপজেলা প্রশাসন
  2. খ) ইউনিয়ন পরিষদ
  3. গ) পৌরসভা
  4. ঘ) জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা

স্থানীয় সরকার হলো এমন সরকার ব্যবস্থা যা ছোট ছোট এলাকার স্থানীয় প্রয়োজন মেটাবার জন্যে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত ও আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
যথা -
- ইউনিয়ন পরিষদ
- উপজেলা পরিষদ
- জেলা পরিষদ।

শহরাঞ্চলের স্থানীয় সরকারের স্তর হচ্ছে -
- পৌরসভা
- সিটি কর্পোরেশন।

- উপজেলা প্রশাসন - মাঠ পর্যাযের স্থানীয় প্রশাসনের অংশ। এটি স্থানীয় সরকারের অংশ নয়।

উৎসঃ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই।

১১৭.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কোরাম সংকট হয় -
  1. ক) ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে
  2. খ) ৬০ জনের বেশি সদস্য উপস্তিত থাকলে
  3. গ) ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে
  4. ঘ) ৯০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কোরাম হয় ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৫ (২)নং অনুচ্ছেদে কোরামের কথা উল্লেখ আছে।
- ৬০ জন সদস্যের কম সদস্য সংসদে উপস্থিত হলে কোরাম সঙ্কট হয় এবং সংসদ অধিবেশন স্থগিত থাকে।
- ৬০ সংসদ সদস্য হওয়ার আগ পর্যন্ত অধিবেশন বন্ধ থাকবে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

১১৮.
আইসিসি অনূর্ধ্ব -১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট এর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?
  1. ক) ভারত
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) শ্রীলংকা
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৩তম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে ৯ ফেব্রুয়ারি পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারতকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোন বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হন ভারতের যশসী জয়সওয়াল এবং ম্যান অব দ্য ফাইনাল হন বাংলাদেশের আকবর আলী।
সূত্রঃ আইসিসি ওয়েবসাইট।

১১৯.
বাঙালির সর্বজনীন লোকউৎসব নামে পরিচিত কোন উৎসবটি?
  1. ক) চৈত্র সংক্রান্তি
  2. খ) বাংলা নববর্ষ
  3. গ) নাট্য উৎসব
  4. ঘ) ভাষা উৎসব
ব্যাখ্যা

পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন লোকউৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১২০.
নিচের কোন পণ্যটিকে ২০২০ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) গার্মেন্টস পণ্য
  2. খ) পাটজাত পণ্য
  3. গ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
  4. ঘ) ঔষধ শিল্পের কাঁচামাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকার গত ১ জানুয়ারি ২০২০ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য কে ২০২০ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করে।
- রপ্তানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় বর্ষপণ্য ঘোষণার উদ্যোগ গ্রহণ করে।
সূত্র: ডেইলি স্টার রিপোর্ট।

১২১.
সম্প্রতি কোন দেশের পার্লামেন্ট উইঘুর জনগোষ্ঠীর প্রতি দেশটির সরকারের আচরণকে গণহত্যা বলে রায় দিয়েছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা

চীনে সংখ্যালঘু উইঘুর জনগোষ্ঠীর প্রতি দেশটির সরকারের আচরণকে গণহত্যা বলে মনে করে কানাডার পার্লামেন্ট
- হাউস অব কমন্সে ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে এ বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
- বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, হাউস অব কমন্সে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ২৬৬। বিপরীতে ভোট শূন্য।
- এর আগে যুক্তরাষ্ট্র উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- চীন উইঘুরদের প্রতি গণহত্যা চালিয়ে গেলে ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শীতকালীন অলিম্পিকের আয়োজন বেইজিংয়ে না করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটিকে আহ্বান জানানোর পক্ষে হাউস অব কমন্স।

উৎসঃ বিবিসি রিপোর্ট।

১২২.
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইজরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ট্রাম্প অ্যাকর্ড
  2. খ) আব্রাহাম অ্যাকর্ড
  3. গ) উই রিভার চুক্তি
  4. ঘ) ডেভিড অ্যাকর্ড
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুটি আরব দেশ (সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন) ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম - আব্রাহাম অ্যাকর্ড।
- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউজে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে আরব আমিরাত তৃতীয় ও বাহরাইন চতুর্থ আরব দেশ হিসাবে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার।

১২৩.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্গত দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা

স্ক্যান্ডেনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত দেশসমূহকে একত্রে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র বলা হয়।
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি
যথা-
নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
আবার,
নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি
যথা - 
আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
সূত্রঃ worldatlas.com ও ব্রিটানিকা.কম

১২৪.
বলিভিয়ার রাজধানীর নাম কি?
  1. ক) বোগোতা
  2. খ) লাপাজ
  3. গ) কারাকাস
  4. ঘ) মন্টিভিডিও
ব্যাখ্যা

দেশ ---- রাজধানী
বলিভিয়া = লাপাজ (পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী)
কলম্বিয়া = বোগোতা
ভেনেজুয়েলা = কারাকাস
উরুগুয়ে = মন্টিভিডিও
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম

১২৫.
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান স্ট্রেটেজিক ডিফেন্স ইনিসিয়েটিভ (এস.ডি.আই) কত সালে ঘোষণা করেন?
  1. ক) ১৯৮১
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা

Strategic Defense Initiative (SDI), byname Star Wars, proposed U.S. strategic defensive system against potential nuclear attacks—as originally conceived, from the Soviet Union.
- The SDI was first proposed by President Ronald Reagan in a nationwide television address on March 23, 1983.
- Because parts of the defensive system that Reagan advocated would be based in space, the proposed system was dubbed “Star Wars,” after the space weaponry of a popular motion picture of the same name.

Source: Britannica.com

১২৬.
কোন সভ্যতার আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতিকে "আইডিওগ্রাফ" বলা হয়?
  1. ক) ফিনিশীয় সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) চৈনিক সভ্যতা
  4. ঘ) সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

চৈনিক সভ্যতায় মূলত শাং রাজাদের আমলে ভিন্ন প্রকৃতির একটি লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার করে।
- চিত্রভিত্তিক এই লিখন পদ্ধতির নাম - “আইডিওগ্রাফ”
- সামান্য অদল বদল করে চীনের সেই লিপি এখনও বিদ্যমান এবং বর্তমানে এই লিপির চিহ্নের সংখ্যা প্রায় চল্লিশ হাজার।

- মিশরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতি - হায়ারোগ্লিফিক্স
- সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম - “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও হিস্টরি.কম।

১২৭.
ইউরোপে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় কোন শতাব্দীতে?
  1. ক) চতুর্দশ শতাব্দীতে
  2. খ) পঞ্চদশ শতাব্দীতে
  3. গ) অষ্টাদশ শতাব্দীতে
  4. ঘ) ঊনবিংশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা

শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution)
আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

➮ প্রথম শিল্প বিপ্লব
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল - ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত।
⤇ ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়। ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব’ (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন। এর পর থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে।
⤇ ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
⤇ শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে। এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে। ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।


➮ দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব
⤇ দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল - ১৮৭০ সাল থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত।
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লবে শিল্পায়ন শুরু হয়। কিন্তু দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়। এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়। এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন - এর মান বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

উৎসঃ হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম

১২৮.
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি কোন দেশটিকে সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) উত্তর কোরিয়া
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ সুদান কে সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।
- তাঞ্জানিয়া ও কেনিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে হামলায় হতাহত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিনিময়ে সুদান কে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
- সুদানের হয়ে সৌদি আরব এই অর্থ পরিশোধ করে।
- তবে মূলত ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিনিময়েই সুদানকে কালো তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
- ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র সুদান কে সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশ হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করে।
- বর্তমানে ইরান, সিরিয়া ও উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কালোতালিকা ভুক্ত রয়েছে।

সূত্রঃ আল জাজিরা এবং দৈনিক সমকাল রিপোর্ট।

১২৯.
চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সেনকাকু দ্বীপ কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ চীন সাগর
  2. খ) পূর্ব চীন সাগর
  3. গ) পীত সাগর
  4. ঘ) কোরিয়ান উপসাগর
ব্যাখ্যা

পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- আটটি জনবসতিহীন দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই দ্বীপের মোট আয়তন ৬.৩ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি জাপানের নিকট সেনকাকু এবং চীনের নিকট দিয়াওয়ু নামে পরিচিত।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা ও বিবিসি ওয়ার্ল্ড।

১৩০.
‘ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস’ - কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা

এফ.এস.বি/FSB
FSB এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় - Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti।
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK)।
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট - Boris Yeltsin।

রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

⤇ FSB - প্রতিষ্ঠিত হয় - এপ্রিল, ১৯৯৫ সাল এবং এর সদরদপ্তর - রাশিয়ার মস্কোতে অবস্থিত।
⤇ KGB - গঠিত হয়েছিলো ১৯৫৪ সালে এবং তা ১৯৯৪ - ৯৫ সালে Federal Counterintelligence Service (FSK) নামে পরিচিত ছিলো।

উৎসঃ রাশিয়ার সরকারী ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

১৩১.
‘The Ultimate Fate of The Universe’ - গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) স্টিফেন হকিংস
  2. খ) রজার পেনরোজ
  3. গ) জামাল নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) প্রফেসর আব্দুস সালাম
ব্যাখ্যা

প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম।
- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞানে তাঁর মতো অবদান আর কারও নেই।
- তার রচিত একটি বই - The Ultimate Fate of The Universe।

১৩২.
অক্টোবর বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার সময়কাল -
  1. ক) ৬ - ৭ নভেম্বর, ১৯১৭ সাল
  2. খ) ৭ - ৮ অক্টোবর, ১৯১৭ সাল
  3. গ) ৮ মার্চ - ১৬ মার্চ, ১৯১৭ সাল
  4. ঘ) ৯ - ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৭ সাল
ব্যাখ্যা

১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লবঃ
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- সময়কাল - ৮ মার্চ - ১৬ মার্চ, ১৯১৭ সাল (জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে - ফেব্রুয়ারির ২৩ তারিখ শুরু হয়)
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লবঃ
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- সময়কাল - ৬ - ৭ নভেম্বর, ১৯১৭ সাল (জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে - ২৪ ও ২৫ অক্টোবর)।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎসঃ হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।

১৩৩.
ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকর পদার্থ উৎপাদন সীমিতকরণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) ভিয়েনা কনভেনশন
  2. খ) কিয়েটো প্রটোকল
  3. গ) মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. ঘ) বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়। জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তিটি অনুমোদিত হয় - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয় - ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সাল।
- চুক্তিটি - ১৯৭টি দেশ ও অঞ্চল কর্তৃক অনুমোদিত।
- এই প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল বায়মণ্ডলের ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকর পদার্থ উৎপাদন সীমিত করে ওজোনস্তরের রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল
- এর পুরো নাম- Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer। আর বাংলাদেশ এটি অনুমােদন করে- ১৯৯০ সালে।

ভিয়েনা কনভেনশন - ওজোন স্তরের সুরক্ষা বিষয়ক।
কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ বিষয়ক।
বাসেল কনভেনশন -- ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
কার্টাগেনা প্রটোকল -- জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক

উৎসঃ UNenvironment - ওয়েবসাইট।

১৩৪.
জি-৭ এর সর্বশেষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা

৪৫-তম সম্মেলন জি-৭ সম্মেলন ২৪-২৬ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪৬-তম সম্মেলন ২০২০ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারনে তা বাতিল হয়।
- ৪৭তম সম্মেলন হবে ২০২১ সালে - UK তে,
- ৪৮তম সম্মেলন হবে ২০২২ সালে - জার্মানিতে,
- ৪৯তম সম্মেলন হবে ২০২৩ সালে - জাপানে,
- ৫০তম হবে ২০২৪ সালে - ইতালিতে।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা ও ব্রিটানিকা.কম।

১৩৫.
নিচের কোনটি 'ওপেক' এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) আলজেরিয়া
  3. গ) ইকুয়েডর
  4. ঘ) কুয়েত
ব্যাখ্যা

ওপেক (OPEC):
- ওপেক হলো বিশ্বের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠাকাল ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সাল; ইরাকের রাজধানী বাগদাদে।
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ভেনেজুয়েলা।
- এর সদরদপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত; তবে প্রতিষ্ঠাকালীন সদরদপ্তর ছিলো - জেনেভায়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ছিল ৫টি। যথা- ভেনেজুয়েলা, সৌদি আরব, ইরান, ইরাক ও কুয়েত।
- বর্তমানে ওপেকের সদস্য দেশ ১২টি।
উৎসঃ ওপেক ওয়েবসাইট।

১৩৬.
মোট কয়টি দেশ নিয়ে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ গঠিত?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ৪০টি
  3. গ) ৫৪টি
  4. ঘ) ৬৪টি
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ/Economic and Social Council
- অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ইস্যু নিয়ে পলিসি নির্ধারণ, সমন্বয় ও সদস্যদের আলোচনার প্রধান অঙ্গ হচ্ছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC)।
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য উদ্ভাবনমূলক ধারণা (Innovative idea) নিয়ে আলোচনার জন্য জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় প্লাটফর্ম হলো এই পরিষদ।
- জাতিসংঘভুক্ত দেশগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই পরিষদ দেশসমূহকে দরিদ্র, নিম্ন-মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত ও উন্নত এই ৪টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে থাকে।

⤇ ১৮ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, বর্তমানে ৫৪ সদস্য নিয়ে এই কাউন্সিল গঠিত।
- কাউন্সিলের সদস্যগণ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৩ বছর মেয়াদে নির্বাচিত করে থাকে। ১৯৬৫ সালে জাতিসংঘ সনদের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে সদস্য সংখ্যা ৫৪ হয়।
⤇ জাতিসংঘ সনদের দশম অধ্যায় (৬১ - ৭২নং অনুচ্ছেদ) - এ ECOSOC সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও Live MCQ content (upcoming)।

১৩৭.
'আসিয়ান' প্রতিষ্টিত হয় কোন ঘোষণার মাধ্যমে?
  1. ক) জাকার্তা ঘোষণা
  2. খ) বানদুং ঘোষণা
  3. গ) ব্যাংকক ঘোষণা
  4. ঘ) বালি ঘোষণা
ব্যাখ্যা

আসিয়ান (Associaion of South East Asian Nations-ASEAN) হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক জোট।
এটি ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট স্নায়ুযুদ্ধের সময় ‘ব্যাংকক ডিক্লারেশনের’ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি।
এগুলো হলো:
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ব্রনাই
- সিঙ্গাপুর
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- কম্বোডিয়া
- ভিয়েতনাম
- লাওস
- মায়ানমার।

আসিয়ানের সদরদপ্তর জাকার্তায় অবস্থিত।

সূত্র: আসিয়ান ওয়েবসাইট।

১৩৮.
NPT - চুক্তি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত চুক্তি
  2. খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
  3. গ) জীবাণু অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ঘ) পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty)। এই চুক্তিকে সংক্ষেপে বলা হয় NPT।
- ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।

উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৩৯.
জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গগুলোর মধ্যে কোনটির সদরদপ্তর নিউইয়র্কে নয়?
  1. ক) অছি পরিষদ
  2. খ) আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
  3. গ) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী
  4. ঘ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত/International Court of Justice:
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। এর দপ্তর নেদারল্যান্ডস এর রাজধানী হেগের “পিস প্যালেস” - এ অবস্থিত।
- এটি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অবস্থিত নয় এমন জাতিসংঘের প্রধান ছয় অঙ্গের মধ্যে একমাত্র।
⤇ আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, সদস্য রাষ্ট্রসমূহের আইনী বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং জাতিসংঘের অনুমোদিত সংস্থা এবং বিশেষায়িত সংস্থাগুলো দ্বারা উল্লিখিত আইনী প্রশ্নসমূহের বিষয়ে পরামর্শমূলক মতামত দেওয়া - এর প্রধান কাজ। ১৯৪৬ সাল থেকে এই আদালত কার্যক্রম শুরু করে। এর কার্যক্রম পরিচালিত হয় - ইংলিশ ও ফ্রেঞ্চ ভাষায়।
⤇ ১৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক আদালত গঠিত। বিচারক নিয়োগ দিয়ে থাকেন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। বিচারকদের মেয়াদ ৯ বছর। ৩ বছর পর পর এর এক-তৃতীয়াংশ বিচারক নির্বাচন করা হয়।
⤇ আদালতের বিচারকদের মধ্য থেকে একজনকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করা হয়। আন্তর্জাতিক আদালতের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৩ বছর।
⤇ জাতিসংঘ সনদের ১৪তম অধ্যায়ে (৯২ - ৯৬নং অনুচ্ছেদ) আন্তর্জাতিক আদালত সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
⤇ প্রথম মামলা হয় ১৯৪৭ সালে। বিবাদমান পক্ষ ছিলো - যুক্তরাজ্য ও আলবেনিয়া।

উল্লেখ্য, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী জাতিসংঘের তহবিল ও কর্মসূচী; এটি জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ নয়।

উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৪০.
আগ্নেয় পদার্থ সঞ্চিত হয়ে গঠিত পর্বত কোনটি?
  1. ক) ব্ল্যাক ফরেস্ট
  2. খ) হেনরি
  3. গ) কিলিমানজারো
  4. ঘ) রকি
ব্যাখ্যা

পর্বতের প্রকারভেদঃ
পর্বত নানা প্রকারে গঠিত হয়। উৎপত্তির কারণ ও গঠন অনুসারে পর্বতকে পাঁচ শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ভঙ্গিল বা ভাঁজ পর্বত (Fold Mountain):
বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে শিলায় ঢেউ এর মতো ভাঁজ পড়ে যে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্কিল পর্বত বলে।
- 'পাত ভূগঠন তত্ত্ব' ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির কারণ।
যেমন - হিমালয়, আন্দিজ, আল্পস, রকি ইত্যাদি।

২. স্তূপ পর্বত (Block Mountain):
প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরের সংকোচন ও প্রসারণ চাপের সৃষ্টি হয়। এতে কখনো কখনো ভূত্বক খাড়াভাবে ফেটে যায়, যে রেখা বরাবর ফাটল হয় তাকে চ্যুতিরেখা বলে।
- কখনো কখনো দেখা যায়, দুটি সমান্তরাল ফাটলের মধ্যবর্তী অংশটি চাপের ফলে পাশ্ববর্তী স্থান অপেক্ষা ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়।
- এই উত্থিত অংশ ভূমির উপর স্তূপ আকারে দাঁড়িয়ে থাকে বলে এধরনের পর্বতকে স্তূপ পর্বত বলে।
যেমন - জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, ফ্রান্সের ভোজ পর্বত ইত্যাদি।

৩. ল্যাকোলিথ পর্বত (Lacolith Mountain):
পৃথিবীর অভ্যন্তরে ম্যাগমা বা গলিত শিলার উপাদানসমূহের সাথে বিবিধ গ্যাস মিশ্রিত অবস্থায় থাকে।
- এ গ্যাস অনেক সময় ঊর্ধ্বপ্রবাহী হয়ে ভূপৃষ্টের দিকে আসার চেষ্টা করে। এ গ্যাসের সাথে প্রচুর ম্যাগমাও থাকে।
- কিন্তু প্রায়ই তা ভূত্বকে আসার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ভূত্বকের নিচেই সঞ্চিত থাকে। আস্তে আস্তে এই ম্যাগমা কঠিন আকার ধারন করে।
- এই ধরণের পর্বতকে ল্যাকোলিথ বা গম্বুজ পর্বত বলে। ভূআলোড়ন এ জাতীয় পর্বত গঠনে প্রভাব বিস্তার করে।
যেমন - যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক হিলস্‌ ও হেনরী পর্বত

৪. আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত (Volcanic Mountain):
কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের দুর্বল অংশ ফেটে যায়। ঐ ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই ইত্যাদি প্রবল বেগে নির্গত হয়ে ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- এরূপে বার বার ঐসব পদর্থ ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি হয়।
- আগ্নেয় পদার্থ সঞ্চিত হয়ে এ প্রকার পর্বত গঠিত হয় বলে একে আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত বলে।
যেমন - ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, হাওয়ায় দ্বীপের মোনালোয়া ইত্যাদি।

৫. ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট পর্বত (Erosional or Residual Mountain):
সৌরতাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, হিমবাহ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিসমূহের ফলে ভূত্বকের নরম অংশ ক্ষয় হতে হতে অপসারিত হয়।
- কঠিন শিলাগুলো অল্প ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পর্বতরূপে থেকে যায়। এরূপ সৃষ্ট পর্বতকে ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট পর্বত বলে।
যেমন - ভারতের আরাবল্লী, ইউরোপের সিয়েরা নেভেদা, উত্তর আমেরিকার অ্যাপালেশিয়ান ইত্যাদি।

উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল (১ম পত্র) বোর্ড বই।

১৪১.
চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) গ্রীষ্মকালে মৃদু গরম, শীতকালে তীব্র শীত
  2. খ) গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম, শীতকালে মৃদু শীত
  3. গ) গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম, শীতকালে তীব্র শীত
  4. ঘ) গ্রীষ্মকাল ও শীতকাল উভয় ঋতুতে তীব্র শীত
ব্যাখ্যা
চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম, শীতকালে তীব্র শীত। গরমের সময় যেখানে ৪০ ডিগ্রির উপরে তাপমাত্রা থাকে সেখানে শীতে অনেকক্ষেত্রে হিমাংকের নিচেও চলে যায়।
চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর কয়েকটি এলাকাঃ চীন, কোরিয়া, রাশিয়ার উত্তরাংশ।
১৪২.
বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা কোনটি?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস - এপ্রিল
- শীতলতম মাস - জানুয়ারি,
- উষ্ণতম জেলা - রাজশাহী
- শীতলতম জেলা - সিলেট,
- উষ্ণতম স্থান - লালপুর, নাটোর এবং
- শীতলতম স্থান - শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

ব্যাখ্যা সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

১৪৩.
বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তে ভারতের কোন রাজ্যের অবস্থান?
  1. ক) মেঘালয়, আসাম ও ত্রিপুরা
  2. খ) মেঘালয়, আসাম ও পশ্চিম বঙ্গ
  3. গ) ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম
  4. ঘ) পশ্চিম বঙ্গ ও মেঘালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম;

পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, ও মিজোরাম এবং মায়ানমার;

দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং

পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

উৎসঃ নবম দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই।

১৪৪.
সাভানা তৃণভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইউরোপ
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) উত্তর আমেরিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

সাভানা হলো আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে অবস্থিত একটি বিস্তৃত তৃণভূমি। এটির আয়তন প্রায় ৫০ লক্ষ বর্গমাইল।

এটি সাহারা মরুভূমি ও কালাহারি মরুভূমির মধ্যবর্তী স্থানে সুদান, দক্ষিণ সুদান, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশজুড়ে বিস্তৃত।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ওয়েবসাইট।

১৪৫.
নৈতিক অধিকারের উৎস হচ্ছে-
  1. ক) সামাজিক প্রথা
  2. খ) রাষ্ট্রীয় আইন
  3. গ) প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা
  4. ঘ) বিবেক বুদ্ধি
ব্যাখ্যা

- নৈতিক অধিকার মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে।
- এটি রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণয়ন করা হয় না।
- তাই নৈতিক অধিকারের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৪৬.
'আধুনিক উপযোগবাদ' এর জনক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. ক) জেরেমি বেন্থাম
  2. খ) হ্যারল্ড লাস্কি
  3. গ) টমি শুমাখার
  4. ঘ) কার্ল মার্কস
ব্যাখ্যা

জেরেমি বেন্থাম একজন দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং তাত্ত্বিক বিচারপতি, যিনি বুর্জোয়া ন্যায়তত্ত্ব উপযোগবাদ বা Utilitarianism এর আদি এবং প্রধান ব্যাখ্যাকারী।

তার লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ- 'An Introduction to the Principles of Morals and Legislation'. এই গ্রন্থে তিনি উপযোগবাদ তত্ত্বটি প্রথম ব্যাখ্যা করেন। এই মতবাদ অনুযায়ী, 'যা কিছু আনন্দদায়ক তাই ভালো।'। তিনি Greatest Happiness Principle নীতির (১৭৮৯) প্রবক্তা। এই নীতির অর্থ হলো কোন কিছু বা কোন কাজকে উদ্দেশ্য নয়, বরং ফলাফল দ্বারা মূল্যায়ন করতে হবে। অর্থাৎ কোন কিছু ভালো কি মন্দ তা ফলাফলের উপর নির্ভরশীল।

সূত্রঃ ব্রিটানিকা।

১৪৭.
কোনটির অভাবে সরকার কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে উঠে-
  1. ক) সমাজতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  2. খ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  3. গ) নৈতিক মূল্যবোধ
  4. ঘ) অর্থনৈতিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেসব চিন্তা ভাবনা, লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের গণতান্ত্রিক আচার আচরণ ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডকে পরিচালিত করে তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এসব মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি মানদণ্ড। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি পেলে মানুষ অধিকার ও কর্তব্য সচেতন হবে। অন্যের মতামতকে প্রাধান্য দিবে। জবাবদিহিমূলক আচরণ বা মানসিকতা বৃদ্ধি পাবে।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অভাব থাকলে জবাবদিহিতারও অভাব থাকবে এবং প্রতিষ্ঠানের আচরণ কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে উঠবে।

১৪৮.
ব্যক্তিজীবনে মূল্যবোধ অর্জনের সর্বোত্তম সময় কোনটি?
  1. ক) শিশুকাল
  2. খ) কর্মজীবন
  3. গ) শিক্ষাজীবন
  4. ঘ) বয়সন্ধিকাল
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার। পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয় (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)।

উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই।

১৪৯.
অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা

অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস ৬টি।
যথা -
১) প্রথা,
২) ধর্ম,
৩) বিচারকের রায়,
৪) ন্যায়বিচার,
৫) বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
৬) আইনসভা৷

ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি।
যথা -
১. প্রথা,
২. ধর্ম
৩. বিচারকের রায়
৪. ন্যায়বিচার
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা
৬. আইনসভা
৭. জনমত

- ব্যক্তিগত মূল্যবোধ আইনের উৎস নয়।

উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই।

১৫০.
নিচের কোনটি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তরায় নয়?
  1. ক) বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ
  2. খ) রাজনৈতিক সহিংসতা
  3. গ) প্রচার মাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা
  4. ঘ) আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা
ব্যাখ্যা

সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমস্যা নয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমস্যাগুলো হলো-
১. বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ,
২. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব এবং সহিংসতা,
৩. সরকারের জবাবদিহিতার অভাব,
৪. আমলাদের জবাবদিহিতার অভাব,
৫. আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা,
৬. আইনের শাসনের অভাব,
৭. সরকারের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনা,
৮. দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা,
৯. রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ,
১০. স্বজনপ্রীতি,
১১. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা না থাকা,
১২. জনঅংশগ্রহণের অভাব,
১৩. জনসচেতনতার অভাব
১৪. ক্ষমতার ভারসাম্যের অভাব,
১৫. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অভাব,
১৬. সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অভাব ইত্যাদি।

অপরদিকে, সুশাসনের অন্যতম উপাদানগুলো হলো-
১. আইনের শাসন,
২. জবাবদিহিতা,
৩. ন্যায়পরায়ণতা,
৪. স্বচ্ছতা,
৫. সমতা ও ন্যায্যতা,
৬. সংবেদনশীলতা,
৭. জবাবদিহিতা ইত্যাদি সুশাসনের অন্যতম উপাদান।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।