পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
কোন পরিব্রাজকের ভ্রমণ বৃত্তান্ত ‘ফো-​কুয়ো-কিং’?
  1. ক) মা হুয়ান
  2. খ) ফা-হিয়েন
  3. গ) হিউয়েন সাং
  4. ঘ) মেগাস্থিনিস
সঠিক উত্তর:
খ) ফা-হিয়েন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফা-হিয়েন
ব্যাখ্যা

ফা-হিয়েনঃ
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে আসেন।
-তিনি ১০ বছর ভারতে অবস্থানকালে তাঁর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ৭টি গ্রন্থ রচনা করেন।
-ফা-হিয়েনের ভ্রমন বৃত্তান্ত ‘ফো-কুয়ো-কিং’ নামে পরিচিত। এটি ভারতের ইতিহাসের একটি বিশিষ্ট ও প্রামাণ্য দলিল। বিশেষ করে গুপ্ত সাম্রাজ্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে বিশেষ মূল্যবান উপাদান।
উৎসঃ ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

.
কার শাসনামলে বিখ্যাত সুফি ব্যক্তিত্ব হযরত শাহ জালাল বাংলায় আসেন?
  1. ক) রুকনুদ্দিন কায়কাউস
  2. খ) আলাউদ্দিন আলী শাহ
  3. গ) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. ঘ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
শাহ জালাল (রঃ) বাংলার একজন প্রখ্যাত সুফি দরবেশ।
-সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের শাসনামলে হযরত শাহ জালাল ৩৬০ জন সাথী ও মুরিদ নিয়ে বাংলায় আসেন।
-শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের সিলেট অভিযানে হযরত শাহ জালাল মুসলমান সৈন্যবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন। মুসলমান সৈন্যরা জয়লাভ করে। গৌর গোবিন্দ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং সিলেট মুসলমানদের শাসনাধীন হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
.
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন কোন শতাব্দীতে?
  1. ক) একাদশ
  2. খ) দ্বাদশ
  3. গ) ত্রয়োদশ
  4. ঘ) চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
গ) ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আসেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
-  বাংলা জয় করেন ১৩ শতকে।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলার ইতিহাস; সুলতানি আমল: আব্দুল করিম।
.
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ আমলের কীর্তি-
  1. ক) পান্ডুয়ার ‘আদিনা’ মসজিদ
  2. খ) গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ
  3. গ) গৌড়ের ‘বারোদুয়ারি’ মসজিদ
  4. ঘ) গৌড়ের ‘দাখিল দরওয়াজা’
সঠিক উত্তর:
গ) গৌড়ের ‘বারোদুয়ারি’ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গৌড়ের ‘বারোদুয়ারি’ মসজিদ
ব্যাখ্যা
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ (শাসনকাল ১৫১৯-১৫৩২খ্রি.) ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র। তাঁর সময়ে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
তাঁর আমলের কীর্তিঃ
-গৌড়ের বারদুয়ারি বা বড় সোনা মসজিদ তাঁর আমলের কীর্তি।
-তিনি বাগেরহাটের মিঠাপুকুর এর নির্মাতা।
-তাঁর আদেশে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের কিয়দংশ বাংলায় অনুবাদ করেন।
-শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধপর্বের বঙ্গানুবাদ করেন।
অন্যদিকে,
-আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে রাজত্বকালে নির্মিত হয় গুমতিদ্বার ও গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ।
-পান্ডুয়ার ‘আদিনা’ মসজিদ সিকান্দার শাহের অমরকীর্তি।
-গৌড়ের ‘দাখিল দরওয়াজা’ নামে পরিচিত বিরাট ও সুন্দর তোরণটি রুকনউদ্দিন বরবক শাহ নির্মাণ করেছিলেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
কোন মুঘল সুবাদার সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন-
  1. ক) কাসিম খান জুয়িনী
  2. খ) মীর জুমলা
  3. গ) শাহ সুজা
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন। তাঁর সুবাদারী শাসনকাল দুপর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম দফায় ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ খ্রি: পর্যন্ত এবং শেষে ১৬৭৯ থেকে ১৬৮৮ খ্রি: পর্যন্ত তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন।
শায়েস্তা খানের কীর্তিঃ
-সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন।
-চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
-তিনি বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন।
-তাঁর আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে ছােট কাটারা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধিসৌধ, হােসেনী দালান, সফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
.
কোন মুঘল সম্রাটের রাজত্বকালে বাংলায় কররানি (আফগান) শাসনের অবসান ঘটে?
  1. ক) হুমায়ুন
  2. খ) আকবর
  3. গ) জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) বাবর
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর
ব্যাখ্যা
রাজমহলের যুদ্ধঃ
-১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে রাজমহলের নিকট মুঘল ও আফগানদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয়।
-রাজমহলের যুদ্ধে দাউদ কররানির চূড়ান্ত পরাজয় ঘটে। ফলে মুঘল সম্রাট আকবর আফগানদের হাত থেকে বাংলার ক্ষমতা কেড়ে নেন।
-বাংলায় কররানি(আফগান) শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোন গভর্নর জেনারেল রাজস্ব আদায়ের জন্য দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন?
  1. ক) লর্ড ক্যানিং
  2. খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. ঘ) লর্ড ডালহৌসী
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
ওয়ারেন হেস্টিংস রাজস্ব আদায়ের জন্য পাঁচসালা বন্দোবস্ত ও একসালা বন্দোবস্ত চালু করেন। কিন্তু, এই ব্যবস্থাগুলো প্রয়োজনীয় রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হয়।
১৭৮৬ সালে লর্ড কর্নওয়ালিসকে ভারতের গভর্নর জেনারেল ও সেনাপ্রধানের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানাে হয়।
-তিনি ১৭৮৯ সালে দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
-১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্তকে চিরস্থায়ী বলে ঘােষণা করেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
১৯৪৭ সালে ‘বৃহত্তর বাংলা বা স্বাধীন-সার্বভৌম অখণ্ড বাংলা’ রাষ্ট্রের পক্ষে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) বাংলা চুক্তি
  2. খ) লাহোর চুক্তি
  3. গ) বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি
  4. ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালে হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী যুক্ত বাংলার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেন শরৎচন্দ্র বসু। প্রস্তাবটি উপমহাদেশের ইতিহাস ‘বসু-সােহরাওয়ার্দী’ প্রস্তাব নামে খ্যাত।
১৯৪৭ সালের ২০শে মে কোলকাতায় স্বাধীন-সার্বভৌম অখণ্ড বাংলা রাষ্ট্রের পক্ষে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যা বসু-সােহরাওয়ার্দী চুক্তি নামে পরিচিত।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
সপ্তম শতাব্দীতে মহান ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন-
  1. ক) ফা-হিয়েন
  2. খ) মা-তোয়ান-লিন
  3. গ) হিউয়েন সাং
  4. ঘ) মেগাস্থিনিস
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাং
ব্যাখ্যা
হিউয়েন-সাং সপ্তম শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
-৬২৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন-সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য-এশিয়ার কুচ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান।
-কনৌজ নগরে পৌঁছে তিনি মহান ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন।
-তিনি ভারত ও বাংলা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ লিখে গেছেন।
উৎসঃ ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরোধী জোট কোনটি?
  1. ক) কনভেনশন মুসলিম লীগ
  2. খ) ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি
  3. গ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
  4. ঘ) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট
সঠিক উত্তর:
গ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
ব্যাখ্যা
কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টিঃ
১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরােধী একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে একটি জোট বা COP (Combined Opposition Party) গঠন করে।
-মােহাম্মদ আলী জিন্নাহর বােন ফাতেমা জিন্নাহকে কপ-এর পক্ষে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করা হয় ।
-নির্বাচনে আইয়ুব খান জয়ী হন।
-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়। সেখানেও আইয়ুব খানের কনভেনশন মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ সংস্করণ)।
১১.
কোন শিক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে ‘বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন’ শুরু হয়-
  1. ক) মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. খ) শরিফ শিক্ষা কমিশন
  3. গ) কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  4. ঘ) হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) শরিফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শরিফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের মূলে ছিল শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।
-১৯৫৯ সালের প্রথম দিকে শরিফ কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তবে সামরিক আইন জারি থাকায় তখন আন্দোলন তেমন জোরদার হতে পারেনি।
-১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহার হওয়ায় শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
-আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ সংস্করণ) এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
১২.
‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’ মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন-
  1. ক) ৩৪ জন
  2. খ) ৩৫ জন
  3. গ) ৩৬ জন
  4. ঘ) ৩৮ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৫ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাঃ
১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে আইয়ুব খানের সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে। সরকারি নথিতে এই মামলার নাম ছিলো ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’।
-এ মামলায় বঙ্গবন্ধুসহ অভিযুক্ত ছিলেন ৩৫ জন।
-ঢাকা সেনানিবাসে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার কার্য শুরু হয় ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন।
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন-
  1. ক) আবুল মনসুর আহমদ
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফাকে পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ বা বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
-১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখ্যান করেন। বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করেন এবং ছয়দফা সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করে ঢাকায় ফিরে আসেন।
-১৯৬৬ সালের ১৮-২০ মার্চ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়।
-শেখ মুজিবুর রহমান এই ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন।
উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৪.
আইয়ুববিরোধী গণঅভ্যুত্থানের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন-
  1. ক) ফিরোজ খান
  2. খ) ইয়াহিয়া খান
  3. গ) মোনায়েম খান
  4. ঘ) টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
গ) মোনায়েম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোনায়েম খান
ব্যাখ্যা

১৯৬২ সালের ২৮ অক্টোবর হতে ১৯৬৯ সালের ২২ মার্চ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খান ।
- তিনি ১৯৬২ হতে ১৯৬৯ সালের মধ্যে ছাত্রদের শিক্ষা আন্দোলন, আওয়ামী লীগের ছয়দফা কর্মসূচি, ১১ দফা আন্দোলন, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলনের বিরোধী ছিলেন।
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রবল গণআন্দোলনের চাপে আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালের ২২শে মার্চ মোনায়েম খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
ইউনেস্কো ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে ‘Memory of the World International Heritage Register’-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে-
  1. ক) ২০১৫ সালে
  2. খ) ২০১৬ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO) ।
-ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য “Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
-এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ- এর পদবী কি ছিল?
  1. ক) সিপাহী
  2. খ) লেফটেন্যান্ট
  3. গ) ক্যাপ্টেন
  4. ঘ) ল্যান্স নায়েক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যান্স নায়েক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যান্স নায়েক
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বিজিবি (তৎকালীন ইপিআর) বাহিনীর দু’জনকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। তাঁরা হলেন-
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১৭.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের শরণার্থীদের সহায়তার জন্য ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়-
  1. ক) লন্ডনে
  2. খ) নিউইয়র্কে
  3. গ) ওয়াশিংটনে
  4. ঘ) জেনেভায়
সঠিক উত্তর:
খ) নিউইয়র্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের শরণার্থীদের সহায়তার জন্য পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
স্থানঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে।
অনুষ্ঠানে ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে-
  1. ক) নভেম্বর ২১, ১৯৭১
  2. খ) নভেম্বর ২৭, ১৯৭১
  3. গ) ডিসেম্বর ৩, ১৯৭১
  4. ঘ) ডিসেম্বর ৬, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) নভেম্বর ২১, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নভেম্বর ২১, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)।

১৯.
দীর্ঘমেয়াদি ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহায়তাকারী দেশ-
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) নেদারল্যান্ডস
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
খ) নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’।
-বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এটি।
-এই পরিকল্পনা ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।
-এই পরিকল্পনার মেয়াদ ১০০ বছর।
-এটি প্রণয়নে সহায়তা করছে নেদারল্যান্ডস।
উৎসঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট এবং দৈনিক প্রথম আলো।
২০.
‘জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (NAPD)’ কোন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

National Academy for Planning and Development (NAPD):
- জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- এটি সরকারি, আধাসরকারী ও স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- নভেম্বর ১৯৮০ সালে "Development of the Planning Machinery in Bangladesh (Creation of Institutional facilities for training in Planning and Development)" শিরনামে প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৪ সালে একাডেমি ৩/এ, নীলক্ষেত, ঢাকায় অবস্থিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- সেই সঙ্গে একাডেমি সরকারের রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৬ জানুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একাডেমির বোর্ড অব গভর্নরসকে বডি কার্পোরেটে রূপান্তর করা হয়।
- তখন থেকে একাডেমি সরকারি ও বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাদের ২১ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করার জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখে 'সরকারি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ-১৯৬১' এর আওতায় একাডেমিকে একটি ইন্সটিটিউট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- একই সঙ্গে উক্ত অধ্যাদেশ কার্যকরের আদেশ জারি করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২১.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কত হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৩১ হাজার মেগাওয়াট
  2. খ) ৪২ হাজার মেগাওয়াট
  3. গ) ৫৬ হাজার মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৬২ হাজার মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬২ হাজার মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬২ হাজার মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন প্রণীত দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০ বছর মেয়াদী। এটির মেয়াদকাল ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।
-২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। এই সময়ে গড় প্রবৃদ্ধি হার হবে ৯.৯ শতাংশ।
-২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য হার ০.৬৮ শতাংশে এবং উচ্চ দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
-২০২১ হতে ২০৪১ অর্থবছরের মধ্যে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি বছর গড়ে ৩১০০ মেগাওয়াট বৃদ্ধির মাধ্যমে ৬২ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
উৎসঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০ অনুসারে কোন খাতে সর্বাধিক পরিমাণ শ্রমশক্তি নিয়োজিত?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিল্প
  3. গ) সেবা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি
ব্যাখ্যা
সার্বিকভাবে, বাংলাদেশের জিডিপি ১৫টি খাত নিয়ে গঠিত।
-জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত ও ছােট খাত - কৃষিখাত।
-কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎ খাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছােট খাত -শিল্পখাত(২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
-অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত, শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার- ৬.৪৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার- ৩.১১%।
-সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান - ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রম বর্ধমান।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০।
২৩.
‘The UNCTAD B2C E-commerce Index 2020’ শিরােনামের সূচক বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ১০২তম
  2. খ) ১১২তম
  3. গ) ১১৫তম
  4. ঘ) ১২০তম
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৫তম
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স সূচকঃ
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা (UNCTAD) প্রকাশ করে “The UNCTAD B2C E-commerc Index 2020 শিরােনামের সূচক।
সূচক অনুযায়ী-
শীর্ষ দেশ- সুইজারল্যান্ড।
সর্বনিম্ন দেশ- নাইজার।
বাংলাদেশের অবস্থান- ১১৫তম।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।
২৪.
নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে-
  1. ক) BIDA
  2. খ) BDF
  3. গ) BIDF
  4. ঘ) BAMCO
সঠিক উত্তর:
গ) BIDF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) BIDF
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অবকাঠামাে উন্নয়ন তহবিলঃ
নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল’ (Bangladesh Infrastructure Development Fund-BIDF) গঠন করা হয়েছে।
-বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুতের অর্থ দিয়ে এই বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়।
-তহবিলটির বার্ষিক বিনিয়ােগ লক্ষ্যমাত্রা ২০০ কোটি মার্কিন ডলার যা স্থানীয় মুদ্রায় ১৭,০০০ কোটি টাকা।
-দক্ষিণ এশিয়া, এমনকি বিশ্বে এ ধরনের তহবিল এটাই প্রথম।
-আপাতত এই তহবিলের অর্থ বিদ্যুৎখাত ও বন্দর উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে।
-১৫ মার্চ ২০২১, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ তহবিল উদ্বোধন করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১ এবং দৈনিক পত্রিকা।
২৫.
বাংলাদেশের কৃষিতে শুকতারা ও মুক্তকেশী কোন ফসলের জাত?
  1. ক) পেঁয়াজ
  2. খ) বেগুন
  3. গ) সরিষা
  4. ঘ) টমেটো
সঠিক উত্তর:
খ) বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেগুন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রচলিত বেগুনের জাতসমূহ:
- নয়নতারা
- কাজলা
- তারাপুরী
- ইসলামপুরী
- শুকতারা
- বিজয়
- মুক্তকেশী
- শিংনাথ
- নয়ন কাজল
- উত্তরা
- ঈশ্বরদী-১
- খটখটিয়া ইত্যাদি।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
২৬.
বাংলাদেশের ‘ডাল গবেষণা কেন্দ্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শিবগঞ্জ, বগুড়া
  2. খ) দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
  3. গ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. ঘ) ঈশ্বরদী, পাবনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঈশ্বরদী, পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঈশ্বরদী, পাবনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
--------
এছাড়া,
বন গবেষণা কেন্দ্র (Bangladesh Forest Research Institute) - চট্টগ্রামে অবস্থিত।
এটি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত।

উৎস: BFRI ওয়েবসাইট।
২৭.
স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বশেষ কততম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷
পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
উৎসঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা।
২৮.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) মালনীছড়া
  3. গ) শ্রীমঙ্গল
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
প্রথম চা বাগানঃ ১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত। এই বাগানটি প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগানঃ ১৮৫৪ সালে মতান্তরে ১৮৪৭ সালে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রঃ ১৬ জুলাই ১৯৪৯ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দেশের স্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রঃ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দৈনিক পত্রিকা।