পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) বায়ুপ্রবাহ
  2. খ) সমুদ্রের অগভীর মগ্নচড়া
  3. গ) সমুদ্রের তাপের পরিচলন
  4. ঘ) হিমশৈল
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা

সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে।

নিয়ত বায়ু প্রবাহই সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। এসব বায়ু প্রবাহ সমুদ্রস্রোতের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির আরো কিছু কারণের মধ্যে - পৃথিবীর আহ্নিক গতি, সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য, সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য উল্লেখযোগ্য।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
সুনামির পানির ঢেউগুলাে কি নামে পরিচিত?
  1. ক) সারকুলার ওয়েব
  2. খ) ওয়েব ট্রেন
  3. গ) ওয়েব রকেট
  4. ঘ) সুপার ওয়েব
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েব ট্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েব ট্রেন
ব্যাখ্যা

সুনামির পানির ঢেউগুলাে একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা ‘ওয়েভ ট্রেন’ বলে। সুনামি হলাে পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে।
পানির নিচে কোনাে পারমাণবিক বা অন্য কোনাে বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলােতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।

.
কোনটির জন্য নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না?
  1. ক) পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  2. খ) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ
  3. গ) সমুদ্র জলের লবণাক্ততার পার্থক্য
  4. ঘ) জোয়ার ভাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোয়ার ভাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোয়ার ভাটা
ব্যাখ্যা
দৈনিক দুবার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।
.
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর আঘাত হানা সুনামির ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল -
  1. ক) ১০.১
  2. খ) ৯.১
  3. গ) ৮.১
  4. ঘ) ৭.৯
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.১
ব্যাখ্যা

২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে।
আঘাত হানা এই প্রলয়ঙ্কারী সুনামির ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৯.১। আনুমানিক ২,৩০,০০০ লোকের প্রাণহানি ঘটায়।
সোর্সঃ borgenproject.org

.
মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে কী বলে?
  1. ক) উপকূলীয় ঢাল
  2. খ) মহীঢাল
  3. গ) উত্থিত মহীসোপান
  4. ঘ) নিমজ্জিত শৈলশিরা
সঠিক উত্তর:
ক) উপকূলীয় ঢাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উপকূলীয় ঢাল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
মহীসোপানের সমুদ্রের পানির গড় উচ্চতা ১৫০ মিটার। মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে উপকূলীয় ঢাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।
.
পৃথিবীর একপাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে কখন?
  1. ক) অমাবস্যা তিথি
  2. খ) পূর্নিমা তিথি
  3. গ) সপ্তমী তিথি
  4. ঘ) অষ্টমী তিথি
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্নিমা তিথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্নিমা তিথি
ব্যাখ্যা
অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।
.
একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য দৈনিক কত লিটার তরল প্রয়োজন?
  1. ক) ১.৬ লিটার
  2. খ) ০.৬ লিটার
  3. গ) ০.৫ লিটার
  4. ঘ) ০.২৫ লিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৬ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৬ লিটার
ব্যাখ্যা

একজন গর্ভবর্তী মা দৈনিক ১.৬ লিটার তরল পান করা উচিত।
সোর্সঃ tommys.org

.
এক মাসে মোট কতবার ভরা কটাল ও মরা কটাল হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
ব্যাখ্যা

অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে। এক মাসে দু’বার ভরা কটাল এবং দু’বার মরা কটাল হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।

.
কতটি আঞ্চলিক টুকরা নিয়ে টেকটনিক প্লেট গঠিত?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
গ) ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর ব্যবচ্ছেদে দেখা যায় যে ভূ-ত্বক ৮টি বড় বড় টুকরা এবং ৬টি আঞ্চলিক টুকরা দ্বারা বিভক্ত।
এগুলো টেকটনিক প্লেট নামে পরিচিত। ভূ-পৃষ্ঠে যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হলো এই প্লেটগুলোর বিভিন্ন রকমের স্থানান্তর বা বিচ্যুতি।



উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।

১০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়গুলো সাধারণত কোন মাসে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) মার্চ
  2. খ) অগাস্ট
  3. গ) সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর
ব্যাখ্যা



উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।

১১.
গলবিল থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত বিস্তৃত নালিটির নাম
  1. ক) বৃহদন্ত্র
  2. খ) ক্ষুদ্রান্ত্র
  3. গ) অন্ননালি
  4. ঘ) কৈশিক নালি
সঠিক উত্তর:
গ) অন্ননালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অন্ননালি
ব্যাখ্যা
গলবিল থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত বিস্তৃত নালিটির নাম অন্ননালি। খাদ্যবস্তু এই নালির মধ্যে দিয়ে পাকস্থলীতে পৌছে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
১২.
কোনটির সংক্রমণে আমাশয় হয়?
  1. ক) প্রোটোজোয়া
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
আমাশয় (Dysentery): Entamoeba histolytica নামক এক ধরনের প্রােটোজোয়া, সিগেলা (Shigella) নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি জীবাণুর সংক্রমণে আমাশয় হয়। ঘন ঘন মলত্যাগ, মলের সাথে শ্লেষ্মা বের হওয়া, পেটে ব্যথা, অনেক সময় শ্লেষ্মাযুক্ত মলের সাথে রক্ত যাওয়া এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য হজম না হওয়া আমাশয় রােগের লক্ষণ। আমাশয় হলে প্রয়ােজনে পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হয়, কারণ সময়মতাে চিকিৎসা না করা হলে মারাত্মক কিছু ঘটতে পারে।
এ রােগ প্রতিরােধে যা করতে হবে তা হলাে: বিশুদ্ধ পানি পান করা, শাকসবজি ও ফলমূল উত্তমরূপে পানি দিয়ে ধৌত করা, মল ত্যাগের পর হাত সাবান দিয়ে ভালােভাবে ধােয়া, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করা, খাওয়ার আগে হাত ও থালাবাসন ভালােভাবে ধুয়ে নেওয়া।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
১৩.
কোন ধরনের প্লেট সীমানার ফলে নতুন সমুদ্র তলদেশের এবং সামুদ্রিক আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়?
  1. ক) সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা
  2. খ) পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
  3. গ) অপসারী সীমা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) অপসারী সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপসারী সীমা
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics) ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।
তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়।
যথা:
- সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা,
- অপসারী সীমা ও
- পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।

- সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা
যখন একে অপরের দিকে অগ্রসরমান দুটি প্লেট কেন্দ্রাভিমুখী হয়ে অবশেষে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন একটি প্লেট অপরটির নিচে চাপা পড়ে। এই ধরনের প্লেট সংঘর্ষের ফলে পর্বতমালার সৃষ্টি হয় এবং প্লেট প্রান্তিকের আশেপাশে আগ্নেয়গিরির কর্মকান্ড সংঘটিত হয়।

- অপসারী সীমা
এই ক্ষেত্রে দুটি প্লেট একে অপরের থেকে সরে যেতে থাকে। এই ধরনের প্লেট সীমানার ফলে নতুন সমুদ্র তলদেশের এবং সামুদ্রিক আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।
- পরিবর্তক চ্যুতি সীমা যখন দুটি প্লেট একে অপরকে অতিক্রম করে যায়, তখন তাকে পরিবর্তক চ্যুতি সীমা বলে। তিন ধরনের প্লেট বিচলনেই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৪.
কোন অবদানের জন্য রজার পেনরোজ নোবেল প্রাইজ পান?
  1. ক) বিগব্যাং থিউরি
  2. খ) স্ট্রিং থিউরি
  3. গ) ব্ল্যাক হোল
  4. ঘ) কোয়ান্টাম থিউরি
সঠিক উত্তর:
গ) ব্ল্যাক হোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্ল্যাক হোল
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী রজার পেনরোজ আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ করেছিলেন যে, মুমুর্ষ তারা থেকে ব্ল্যাক হোল গঠন সম্ভব। তার স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ২০২০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।
সোর্সঃ nobelprize.org
১৫.
শস্য স্যালাইনের উপকরণ -
  1. ক) ১ লিটার পানি
  2. খ) ৫০ গ্রাম চালের গূঁড়া
  3. গ) ১ চিমটি লবণ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

সম্প্রতি শস্য স্যালাইন নামে আর একটি স্যালাইন উদ্ভাবিত হয়েছে। এক লিটার পানি, 50 গ্রাম চালের গুঁড়া, এক চিমটি লবণ মিশিয়ে বাড়িতে এ স্যালাইন তৈরি করা যায়।
স্যালাইন ব্যবহারের সময় যে বিষয়গুলাে মনে রাখা দরকার তা হলাে: পাতলা পায়খানা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত রােগীকে স্যালাইন খাওয়াতে হবে, রােগীর বমি হলেও স্যালাইন খাওয়া বন্ধ করা যাবে না, শিশু রােগীকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। রােগীকে নিয়মিত অন্যান্য খাবারও খেতে হবে। ডায়রিয়া সেরে যাওয়ার পরও অন্তত এক সপ্তাহ রােগীকে বাড়তি খাবার দিতে হবে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।

১৬.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. ক) জন্ডিস
  2. খ) অ্যাজমা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা

ভাইরাসজনিত রোগগুলো হলো - এইডস,ডেঙ্গু জ্বর, পোলিও, হাম, জন্ডিস, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, মাম্পস, সারস, ইবোলা, সোয়াইন ফ্লু, বার্ড ফ্লু ইত্যাদি।
অ্যাজমা বা হাঁপানি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রোগও নয়।

১৭.
SARS রোগটি প্রথম দেখা দেয়
  1. ক) ২০০৩ সালে
  2. খ) ২০০৪ সালে
  3. গ) ২০০৫ সালে
  4. ঘ) ২০০৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
SARS(Severe acute respiratory syndrome) একটি ভাইরাল শ্বাসযন্ত্রের রোগ। ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে এটি প্রথম চীনে দেখা দেয় এবং ৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
Source: www.who.int/
১৮.
মানুষের মস্তিষ্কে নিউরন রয়েছে প্রায় -
  1. ক) ১০০ মিলিয়ন
  2. খ) ১০০ বিলিয়ন
  3. গ) ১০০ ট্রিলিয়ন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

মানুষের মস্তিষ্কে নিউরন রয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন এবং প্রতিটি নিউরন অন্য সাত থেকে দশ হাজার নিউরনের সাথে সিন্যাপস সংযোগ করে থাকে। নিউরনের প্রধান কাজ উদ্দীপনা বহন করা।
উৎস: নবম দশম শ্রেণি,জীববিজ্ঞান।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রাণিবিজ্ঞান বই (HSC programm), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
কোনটি ছোঁয়াচে রোগ নয়?
  1. ক) মাম্পস
  2. খ) যক্ষা
  3. গ) স্ক্যাবিস
  4. ঘ) এইডস
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইডস
ব্যাখ্যা
ছোয়াচে রোগগুলো হলঃ মাম্পস, স্ক্যাবিস, হার্পিস, যক্ষা।
এইডস রোগটি রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়।
২০.
Origin of Species by Means of Natural Selection গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৫৩
  2. খ) ১৮৫৯
  3. গ) ১৮৫৮
  4. ঘ) ১৮৫২
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯
ব্যাখ্যা
চার্লস ডারউইন বিবর্তনবাদ ধারণার জন্য প্রসিদ্ধ। তার বিখ্যাত গ্রন্থ Origin of Species by Means of Natural Selection প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালের ২৪ নভেম্বর।
সোর্সঃ history.com
২১.
সিলিকনের সাথে বোরন যুক্ত হলে কোন অর্ধপরিবাহী গঠিত হয়?
  1. ক) n-টাইপ
  2. খ) p-টাইপ
  3. গ) pn-টাইপ
  4. ঘ) np-টাইপ
সঠিক উত্তর:
খ) p-টাইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) p-টাইপ
ব্যাখ্যা
সিলিকনের সাথে ফসফরাস যুক্ত হলে n-টাইপ অর্ধপরিবাহী গঠিত হয়।
সিলিকনের সাথে বোরন যুক্ত হলে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী গঠিত হয়।
২২.
ডায়োড হচ্ছে -
  1. ক) এক ধরনের ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. খ) p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশন
  3. গ) npn ও pnp ট্রানজিস্টর দিয়ে তৈরি ডিভাইস
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশন
ব্যাখ্যা
p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশনকে বলে ডায়োড।
২৩.
একটি রেফারেন্স ফ্রেমের চারটি স্থানাংক x, y, z, t কে বলা হয়-
  1. ক) ইনারশিয়াল রেফারেন্স ফ্রেম
  2. খ) নন ইনারশিয়াল রেফারেন্স ফ্রেম
  3. গ) স্পেস-টাইম রেফারেন্স
  4. ঘ) ৪র্থ মাত্রার তল
সঠিক উত্তর:
গ) স্পেস-টাইম রেফারেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পেস-টাইম রেফারেন্স
ব্যাখ্যা

x, y, z ও t এর চারটি স্থানাঙ্কযুক্ত এই ফ্রেমকে স্পেস-টাইম ফ্রেম বলে। এটি আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

২৪.
ফোটন কণার প্রথম ধারণা পাওয়া যায় আইনস্টাইনের কোন তত্ত্বে?
  1. ক) স্পেসাল থিউরি অফ রিলেটিভিটি
  2. খ) জেনেরাল থিউরি অফ রিলেটিভিটি
  3. গ) ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট
  4. ঘ) কোয়ান্টাম থিউরি
সঠিক উত্তর:
গ) ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট
ব্যাখ্যা

ফোটন কণার ধারনাটি প্রথম পাওয়া যায় ১৯০৫ সালে যখন আইন্সটাইন ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্টের ব্যাখ্যা দেন।
সোর্সঃ ব্রিটানিকা।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (HSC Programm), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
উচ্চ রক্তচাপ হয় -
  1. ক) সিস্টোলিক চাপ ১২০ মিলিমিটার পারদের নিচে
  2. খ) ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মিলিমিটার পারদের নিচে
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure or hypertension): উচ্চ রক্তচাপকে নীরব ঘাতক হিসেবে গণ্য করা হয়। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপাের্টে বলা হয়েছে 2020 সালের মধ্যে স্ট্রোক ও করােনরি ধমনির রােগ হবে বিশ্বের এক নম্বর মরণব্যাধি এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলােতে এর প্রকোপ ছড়িয়ে পড়বে মহামারী আকারে। হৃদ্‌রােগ এবং স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ হলাে উচ্চ রক্তচাপ।
উচ্চ রক্তচাপ কী? রক্ত চলাচলের সময় রক্তনালিগাত্রে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে। আর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণত সিস্টোলিক চাপ ১২০ মিলিমিটার পারদের নিচে এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মিলিমিটার পারদের নিচের মাত্রাকে কাক্ষিত মাত্রা হিসেবে ধরা হয়। আর এই রক্তচাপ যখন মাত্রাতিরিক্ত হয় তখনই আমরা তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে থাকি।
উৎস: নবম দশম শ্রেণি,জীববিজ্ঞান

২৬.
দেহ সঞ্চালন তথা প্রত্যেক কাজ ও অনুভূতির কেন্দ্র হলাে
  1. ক) সেরিব্রাম
  2. খ) সেরিবেলাম
  3. গ) মেডুলা
  4. ঘ) হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
ক) সেরিব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেরিব্রাম
ব্যাখ্যা

সেরিব্রাম হলাে প্রত্যেক অঙ্গ থেকে স্নায়ুতাড়না গ্রহণের এবং প্রত্যেক অঙ্গে স্নায়ুতাড়না প্রেরণের উচ্চতর কেন্দ্র। দেহ সঞ্চালন তথা প্রত্যেক কাজ ও অনুভূতির কেন্দ্র হলাে সেরিব্রাম। এটি আমাদের চিন্তা, চেতনা, জ্ঞান, স্মৃতি, ইচ্ছা, বাকশক্তি ও ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
কোন উদ্দীপকের প্রতি কী ধরনের সাড়া দিবে, সে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। সকল প্রাণীর মধ্যে মানুষের অগ্রমস্তিষ্কের বিবর্তন সর্বাধিক অগ্রগামী এবং সবচেয়ে বিকশিত।
উৎস: নবম দশম শ্রেণি,জীববিজ্ঞান

২৭.
কোনটির অস্থির বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) স্থিতিস্থাপক
  2. খ) তন্তুময়
  3. গ) দৃঢ়
  4. ঘ) নরম
সঠিক উত্তর:
গ) দৃঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দৃঢ়
ব্যাখ্যা

অস্থি (Bone): অস্থি যােজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা। অস্থির মাতৃকা বা আন্তঃকোষীয় পদার্থ এক ধরনের জৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত। মাতৃকার মধ্যে অস্থিকোষগুলাে ছড়ানাে থাকে। একদিকে অস্থির পুরাতন অংশ ক্ষয় হতে থাকে এবং অন্যদিকে অস্থির মধ্যে নতুন অংশ গঠন হতে থাকে। এই ভারসাম্য নষ্ট হলে অস্থির বিভিন্ন ধরনের রােগ হয়।
বয়স বাড়লে অবশ্য এমনিতেই ভারসাম্যটি হাড় ক্ষয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। অস্থি মূলত ফসফরাস, সােডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি। এছাড়া অস্থিতে প্রায় 40-50 ভাগ পানি থাকে। জীবিত অস্থিকোষে 40% জৈব এবং 60% অজৈব যৌগ পদার্থ নিয়ে গঠিত। অস্থি বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ‘ডি’ এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়ােজন। এসব খাবারের অভাবে অস্থির স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
উৎস: নবম দশম শ্রেণি,জীববিজ্ঞান