পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি i) ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস-আন্দোলন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সাহিত্যকর্ম ও চলচ্চিত্র। ii) ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান iii) স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে সমসাময়িক ইতিহাস iv) ১৯৯০ ও ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ। উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে কোনটি প্রণীত হয়?
  1. ১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে 'এগারো দফা' প্রণীত হয়।
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫' কে জারি করেছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. জেনারেল এরশাদ
  4. জেনারেল জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫':
- খন্দকার মোশতাক আহমদ ১৯৭৫ সালের ২০শে আগস্ট 'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫' জারি করেন।
- এই আদেশ অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না।
- 'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, ১৯৭৫' নামে ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর 'বাংলাদেশ গেজেট'- এ প্রকাশিত হয়।
- ইনডেমনিটি অধ্যাদেশে বলা হয়, '১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সরকার পরিবর্তনের জন্য যেসব পরিকল্পনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং যারা এর সাথে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তি বিধানের জন্য কোনোরূপ আইনের আশ্রয় নেওয়া যাবে না।'

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
গণ-অভ্যুত্থানে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন -
  1. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯০
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
  3. ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯০
  4. ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
ব্যাখ্যা
এরশাদ সরকারের সামরিক শাসনের পতন:
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর শিক্ষার্থী জেহাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
- ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী মিছিলে হামলা চালায় নতুন বাংলা ছাত্র সমাজের ক্যাডাররা।
- সে হামলায় নিহত হন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন।
- এর পর সারাদেশের শহর-বন্দর, এমনকি গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিবিসি বাংলা।
.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন' এর সভাপতি কে?
  1. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
  2. মীর স্নিগ্ধ
  3. আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে।
- আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হবে।
- একইসঙ্গে আন্দোলনে আহত চিকিৎসধীন ছাত্র জনতার চিকিৎসা সেবা সুনিশ্চিতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আলাদা স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট তৈরি করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও শহিদ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য গঠন করা হয়েছে 'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন'।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ফাউন্ডেশনের সভাপতি।
- ফাউন্ডেশনের সাত সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কাজী ওয়াকার আহমদ (কোষাধ্যক্ষ), তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম (দপ্তর সম্পাদক) এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা - আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, নুরজাহান বেগম ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুর্শিদ (কার্যনির্বাহী সদস্য)।
- এ ফাউন্ডেশনে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র - তথ্য অধিদফতর।
.
৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে নিহত হন কত তারিখে?
  1. ১১ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  2. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  3. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  4. ২৩ জানুয়ারি, ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়।
- ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন।
- ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
- আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'অনিল বাগচীর একদিন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. নজরুল ইসলাম খান
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মোরশেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
অনিল বাগচীর একদিন:
- 'অনিল বাগচীর একদিন' একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের 'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন মোরশেদুল ইসলাম।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেন আরেফ সৈয়দ, জ্যোতিকা জ্যোতি, গাজী রাকায়েত, মিশা সওদাগর।
- ২০১৫ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটি ৪০তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক, শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী, এবং শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।
.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
  2. বিচারপতি এটিএম মাসুদ
  3. বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম
  4. বিচারপতি এম ইদ্রিস
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম ইদ্রিস
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ই মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- মোট আসন: ৩১৫টি।
- সাধারন আসন: ৩০০টি।
- সংরক্ষিত নারী আসন: ১৫টি।
- অংশগ্রহণকারী দল: ১৪টি।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. সামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. আকরাম খান শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরাত‑এ‑খুদা শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরাত‑এ‑খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরাত‑এ‑খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন-১৯৭২:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী কুদরত-ই-খুদা-কে প্রধান করে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালে গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় কোনটি?
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. আর্তনাদ
  3. অন্ধ কথামালা
  4. কবর
সঠিক উত্তর:
অন্ধ কথামালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্ধ কথামালা
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি (মাহবুব উল আলম চৌধুরী)।
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক হলো মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর'।
- প্রথম উপন্যাস- আরেক ফাল্গুন (জহির রায়হান)।
- ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলন নিয়েই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচিত হয়েছে।

উল্লেখ্য:
- রশীদ হায়দার রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - অন্ধ কথামালা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১০.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয় কবে?
  1. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৭ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৯ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়: ৮ আগস্ট, ২০২৪ সালে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান: রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও পত্রিকা রিপোর্ট।