পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়23 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২ পার্ট – ১: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: [প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ] পার্ট – ২: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
কোন সভ্যতায় পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয়?
  1. মায়া সভ্যতা
  2. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  3. সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ক্যালেডীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা।
- সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে।
- সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট কে?
  1. অগাস্টাস সিজার
  2. রাজা রোমিউলাস
  3. অগাস্টাস জুপিটার
  4. রমিউলাস অগাস্টাস
সঠিক উত্তর:
অগাস্টাস সিজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- রোমান সাম্রাজ্য এর সময়কাল: ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দ
- প্রাচীন রোম নগরকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম রোমান সম্রাট ছিলেন - অগাস্টাস সিজার।
- অগাস্টাস সিজারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম।

উৎস: ব্রিটানিকা & বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘মন্ট্রিল প্রটোকল’ কী?
  1. টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা চুক্তি
  2. টেকসই বন ব্যবস্থাপনা চুক্তি
  3. গ্রীনহাউজ নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ওজোন স্তরের সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তরের সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তরের সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
'মিশরকে নীল নদের দান' বলে অভিহিত করেছেন কে?
  1. ইতিহাসবিদ ব্যাপসন
  2. ফারাও খুফু
  3. হেরোডোটাস
  4. লিওপোল্ড ফানরংকে
সঠিক উত্তর:
হেরোডোটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
নীল নদ
- নীল নদের উৎপত্তিস্থল নীলনদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা নীল নদের তীরে গড়ে উঠেছিল।
- নীলনদের পলির কারনে কৃষকদের ফসল চাষ, জেলেদের মাছ ধরা এবং জীবিকা নির্ভর করত নীলনদের উপর।
- আফ্রিকা এবং মিশরের কয়েক কোটি মানুষ নীলনদ কে কেন্দ্র করে তাদের জীবন পরিচালিত করত৷ নীলনদের অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারনে এটি পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য একটি নদী৷
- হাজার বছরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইতিহাসের স্বাক্ষি এই নীলনদ।
- পৃথিবীতে মোট সাতটি মহাদেশ আছে যার মধ্যে আফ্রিকা একটি।
- আফ্রিকা মহাদেশ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ নীলনদ অবস্থিত। নীল নদের উৎপত্তিস্থল হলো – ভিক্টোরিয়া হ্রদ।
- হেরোডোটাস মিসরকে নীলনদের দান বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- মিশরের অর্থনীতিতেও নীলনদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর তাই নীলনদ কে মিশরের দান বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
.
'ইয়োম কিপুর যুদ্ধ' কী নামে পরিচিত?  
  1. ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  2. ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  3. ৩য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  4. ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের উপর তেল অবরোধ করে ইয়োম কিপুর যুদ্ধে।
- ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- এই যুদ্ধ মিশর ও সিরিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সংঘটিত হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- এসময় মুসলিম পবিত্র মাস রমজান ছিল।
- এই যুদ্ধ অক্টোবর যুদ্ধ ও রমজান যুদ্ধ নামেও পরিচিত।

উৎস: World Atlas ও ব্রিটানিকা।
.
ইরানে ইসলামের আগমনের পূর্বে কোন সাম্রাজ্য বিদ্যমান ছিলো?
  1. কুইং সাম্রাজ্য
  2. সসনিয়ন সাম্রাজ্য
  3. হ্যান সাম্রাজ্য
  4. ইউয়ান সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
সসনিয়ন সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সসনিয়ন সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
সসনিয়ন সাম্রাজ্য: 
- ইরানে ইসলামের আগমনের পূর্বে সেখানকার সর্বশেষ সাম্রাজ্য এটি।
- প্রায় ৪০০ বছর ধরে এটি পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপের দুইটি প্রধান শক্তির একটি ছিল।
- প্রথম আর্দাশির পার্থীয় রাজা আর্দাভনকে পরাজিত করে সসনিয়ন রাজবংশের পত্তন করেন।
- ইসলামের আরব খলিফাদের কাছে শেষ সসনিয়ান রাজা শাহানশাহ ৩য় ইয়াজদেগের্দের পরাজয়ের মাধ্যমে সসনিয়ন সাম্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে।
- সসনিয়ন সাম্রাজ্যের অধীনস্থ এলাকার মধ্যে ছিল বর্তমান ইরান, ইরাক, আর্মেনিয়া, দক্ষিণ ককেসাস, দক্ষিণ-পশ্চিম মধ্য এশিয়া, পশ্চিম আফগানিস্তান, তুরস্কের ও সিরিয়ার অংশবিশেষ, পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ এবং আরব উপদ্বীপের কিছু উপকূলীয় এলাকা।
- এক পর্যায়ে প্রায় ২.৫৫ মিলিয়ন বর্গমাইল এলাকা এ সাম্রাজ্যের আওতায় ছিল।

সূত্র: কালের কণ্ঠ ও ব্রিটানিকা।
.
'বেলফোর ঘোষণা' মূলত -
  1. একটি চুক্তি
  2. একটি চিঠি
  3. একটি আদেশ
  4. একটি আইন
সঠিক উত্তর:
একটি চিঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি চিঠি
ব্যাখ্যা
• বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটাই বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
অরেঞ্জ রেভ্যুলেশন (Orange Revolution) সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. তিউনিশিয়া
  3. জর্জিয়া
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ রেভ্যুলেশন:
- ইউক্রেনে ২০০৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে যে বিপ্লব সম্পন্ন হয়েছিল, তা ইতিহাসে স্থান পেয়েছে অরেঞ্জ রেভ্যুলেশন হিসেবে।
- ২১ নভেম্বর (২০০৪) সেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই নির্বাচন নিয়ে একটা সংকট তৈরি হয়েছিল।
- অরেঞ্জ রেভ্যুলেশন সেখানে ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ক্ষমতায় বসিয়েছিল ভিক্টর ইয়েশ্চেনকোকে।
- নির্বাচন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে ইয়েশ্চেনকো তার সমর্থকদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফা ভোটাভুটিতে ইয়েশ্চেনকো বিজয়ী হন।
- ওই সময় তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইয়েনোকোভিচ, যিনি ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- ২০১০ সালের নির্বাচনে ইয়েশ্চেনকো পেয়েছিলেন শতকরা মাত্র ৫ ভাগ ভোট।
- অথচ তিনি ইউক্রেনে অরেঞ্জ রেভ্যুলেশন-এর জন্ম দিয়েছিলেন।
- এর অর্থ হচ্ছে বিপ্লব সেখানে যে আবেদন সৃষ্টি করতে পেরেছিল, তা ইয়েশ্চেনকো ধরে রাখতে পারেননি।
- ২০১৪ সালে তিনি গণঅভ্যুত্থানে উৎখাত হন।
- ২০১৪ সালে সেখানে যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাতে বিজয়ী হয়েছিলেন ব্যবসায়ী পেট্রো প্রোসেনকো।
- ২০১৯ সালে সেখানে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।

উল্লেখ্য,
- ভিক্টর ইয়েশ্চেনকোর সমর্থকরা গলায় কমলা রঙের মাফলার পেঁচিয়ে আন্দোলনে অংশ নিতেন। আর এ কারণেই ওই আন্দোলন পরিচিতি পেয়েছিল অরেঞ্জ রেভ্যুলেশন হিসেবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতি কোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
.
গৌতম বুদ্ধ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বুদ্ধগয়া
  2. তক্ষশীলা
  3. লুম্বিনী
  4. সারনাথ
সঠিক উত্তর:
লুম্বিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুম্বিনী
ব্যাখ্যা
গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধ (ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ) এর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
- বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।

উৎস: Encyclopedia Britannica ও প্রথম আলো।
১০.
'হুদাইবিয়ার সন্ধি' স্বাক্ষরিত হয় কোন হিজরীতে?
  1. নবম হিজরীতে
  2. ষষ্ঠ হিজরীতে
  3. পঞ্চম হিজরীতে
  4. দশম হিজরীতে
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ হিজরীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ হিজরীতে
ব্যাখ্যা
সন্ধি:
- ষষ্ঠ হিজরীয় ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে রাসূলুল্লাহ (সা.) পনের শত সাহাবীসহ উমরা পালনের জন্য মক্কার উদ্দেশে রওয়ানা হন।
- পথিমধ্যে হুদায়বিয়ায় কুরাইশেরা তাঁদের বাধা দেয়।
- ষষ্ঠ হিজরীয় রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে কুরাইশদের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা "হুদায়বিয়ার সন্ধি" নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, সে বছর রাসূলুল্লাহ (সা.) উমরা পালন না করে সাহাবীগণসহ মদীনায় ফিরে যান।
- পরের বছর কাযা উমরা পালন করেন। 
- হুদায়বিয়ার সন্ধিচুক্তিকে কুরআনে প্রকাশ্য ও যথার্থ বিজয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।  

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪১ সালের কত তারিখে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে?
  1. ৮ সেপ্টেম্বর
  2. ৭ নভেম্বর
  3. ৯ সেপ্টেম্বর
  4. ৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৮ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

সূত্র: Britannica & History.com
১২.
নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে কোন বিপ্লবের শিশু বলা হয়?
  1. বলশেভিক বিপ্লব
  2. অরেঞ্জ বিপ্লব
  3. রুশ বিপ্লব
  4. ফরাসি বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: Britannica.
১৩.
গ্রিক পুরাণে 'ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের দেবী' কে ছিলেন?
  1. এরিস
  2. নেফের তিতি
  3. আফ্রোডাইট
  4. এথেনা
সঠিক উত্তর:
আফ্রোডাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রোডাইট
ব্যাখ্যা
• গ্রিক সভ্যতা:
- গ্রিকদের ১২টি দেবদেবী ছিলো।
- জিউস ছিলো দেবতাদের রাজা।
- ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের দেবী - আফ্রোডাইট।
- গ্রিকদের বিশ্বাস ছিলো দেবদেবীরা বাস করতেন অলিম্পাস পর্বতের চূড়ায়।
- হেরা ছিলো জিউসের স্ত্রী।
- এরিস ছিলো যুদ্ধদেবতা।
- এথেনা ছিলো জিউসের কন্যা। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৪.
'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' কী নামে পরিচিত?
  1. প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ
  3. তৃতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ
  4. চর্তুথ ইন্দোচীন যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।

ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ১ নভেম্বর ১৯৫৫ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের শুরু হয়।
- যা প্রায় ২০ বছর ধরে চলে।
- ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল সমাজতান্ত্রিক উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক মার্কিন সমর্থনপুষ্ট দক্ষিণ ভিয়েতনামকে দখলের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান হয়।
- এর আগে ১৯৭৩ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারে উত্তর ভিয়েতনাম ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ যুদ্ধে ৫৮,০০০ মার্কিন সৈন্যসহ ২০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম।
১৫.
নিচের কোনটি শিখদের ধর্মগ্রন্থ?
  1. ত্রিপিটক
  2. বেদ
  3. বাইবেল
  4. গ্রন্থ সাহেব
সঠিক উত্তর:
গ্রন্থ সাহেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রন্থ সাহেব
ব্যাখ্যা
শিখ:
- উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ - ১৫ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম, ধর্ম এবং দর্শন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত।
- প্রবর্তক - গুরু নানক।
- ধর্মগ্রন্থ - গ্রন্থ সাহেব (আদি গ্রন্থ)।
- উপাসনালয় - গুরু দুয়ারা।
- পবিত্র স্থান - শিখদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান - পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবস্থিত ‘স্বর্ণমন্দির’।

অন্যদিকে,
- ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ - হিব্রু বাইবেল (তাওরাত)।
- হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ - বেদ।
- বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
কত সালে সিন্ধুর মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯২২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন।
- আনুমানিক ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ২৫০০ খ্রিস্টপূর্বে সিন্ধু নদীর তীরে এই সভ্যতার সূচনা হয়।
- ১৯২১ সালে পাঞ্জাবের হরপ্পা ও ১৯২২ সালে সিন্ধুর মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা ছিলো একটি উন্নত নগর সভ্যতা।

• সিন্ধু সভ্যতার পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. গ্রীস
  2. তুরস্ক
  3. মিশর
  4. আর্মেনিয়া
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
ইতিহাস এবং অবস্থান:
- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাসে, ট্রয় নগরী হলো বিখ্যাত একটি নগরী যা বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত ছিল।
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে, ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়।
- গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- ট্রয় এর ধ্বংসের কারণ হেলেনকেন্দ্রিক ঐতিহাসিক ট্রোজান যুদ্ধ।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট।
১৮.
অক্টাল সংখ্যা 143 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 84
  2. 87
  3. 93
  4. 99
সঠিক উত্তর:
99
উত্তর
সঠিক উত্তর:
99
ব্যাখ্যা
• (143)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 99.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(143)8
= (1 × 8²) + (4 × 8¹) + (3 × 8⁰) 
= 1 × 64 + 4 × 8 + 3 × 1
= 64 + 32 + 3
= 99

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
প্রিন্টারের গতি পরিমাপের একক হলো-
  1. Hertz
  2. DPI
  3. PPM
  4. Flops
সঠিক উত্তর:
PPM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PPM
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
ইমেজকে ট্রান্সলেট করতে OCR কোন কোড ব্যবহার করে?
  1. বিসিডি কোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বাইনারি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
সঠিক উত্তর:
অ্যাসকি কোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসকি কোড
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২১.
কম্পিউটারের GPU প্রধানত কোন কাজটি করে?
  1. বিদ্যুৎ সরবরাহ
  2. তথ্য ইনপুট
  3. ডেটা স্টোরেজ
  4. গ্রাফিক্স প্রক্রিয়া করা
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিক্স প্রক্রিয়া করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিক্স প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের GPU প্রধানত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের কাজটি করে থাকে।
- GPU এর পূর্ণরূপ Graphics Processing Unit.
- GPU গ্রাফিক্স সম্পর্কিত কাজ যেমন: গ্রাফিক্স, ইফেক্ট এবং ভিডিও পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- বর্তমানে বেশিরভাগ কম্পিউটারে ভিডিও কার্ড ব্যবহার করা হয়না, এর পরিবর্তে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে একটি GPU তৈরি করা হয়েছে।
- GPU একটি বিশেষ প্রসেসর যা মূলত গ্রাফিক্স এর কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি একই সাথে অনেকগুলি ডেটা প্রক্রিয়া করতে পারে, এবং ডেটাগুলিকে মেশিন লার্নিং, ভিডিও এডিটিং এবং গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য উপযোগী করে তোলে৷
- GPU গুলি কম্পিউটারের CPU এর সাথে একত্রিত থাকতে পারে অথবা আলাদা হার্ডওয়্যার ইউনিট হিসাবেও থাকতে পারে।
- গেমিংয়ে GPU অনেক অপারেশন বা কাজ করে থাকে যে কারণে CPU এর চেয়ে বেশি তাপ উৎপন্ন করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমিংয়ের উত্থানের সাথে সাথে 4K স্ক্রিন এবং উচ্চ রিফ্রেশ রেটগুলির মতো উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তির সাথে গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। GPU গুলি 2D এবং 3D উভয় ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স রেন্ডার করতে সক্ষম। 

উৎস:
১. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. School of Science and Technology, Open University.
২২.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতীক বা চিহ্ন কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৮ টি
  4. ১৬ টি
সঠিক উত্তর:
১৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ টি
ব্যাখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (1209A)16
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট 16 টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 16.
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 16 টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
payoneer.com হলো একটি-
  1. কম্পিউটার ভাইরাস তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান
  2. আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান
  3. ই-লার্নিং ওয়েবসাইট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
payoneer.com হচ্ছে Financial service company. এটা আউটসোর্সিং মার্কেট প্লেস নয়।

• আউটসোর্সিং:

- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়।
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।
- আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজে অর্থ উপার্জন করছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
- বিশ্বব্যাপি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে কোন নিয়মটি সঠিক?
  1. 0 + 1 = 10
  2. 1 + 0 = 0
  3. 1 + 1 = 0
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 1

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা গুণের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 . 0 = 0
0 . 1 = 0
1 . 0 = 0
1 . 1 = 1

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
Universal Code বলা হয় কোন কোডকে?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
২৬.
IPS কম্পিউটারের জন্য কী প্রদান করে?
  1. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  2. আউটপুট প্রদর্শন
  3. ইনপুট নিয়ন্ত্রণ
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ সরবরাহ
ব্যাখ্যা
- IPS এর পূর্ণরূপ Instant Power Supply.
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের পাওয়ার চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক যা চার্জ হয়ে পাওয়ার ধরে রাখে তাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে।
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২৭.
MICR প্রযুক্তিতে কোন ধরনের কালি ব্যবহার করা হয়?
  1. লেজার রিডেবল কালি
  2. জেল কালি
  3. ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালি
  4. ফ্লুরোসেন্ট কালি
সঠিক উত্তর:
ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালি
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮.
AI-এ প্রধানত কোন ল্যাঙ্গুয়েজটি ব্যবহৃত হয়?
  1. COBOL
  2. Fortran
  3. Python
  4. C#
সঠিক উত্তর:
Python
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Python
ব্যাখ্যা
- AI-এ প্রধানত পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি ব্যবহৃত হয়।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর করে যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো হলো- LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৯.
(11010110.0101111)2 = (?)8
  1. 231.524
  2. 472.325
  3. 249.322
  4. 326.274
সঠিক উত্তর:
326.274
উত্তর
সঠিক উত্তর:
326.274
৩০.
Shift কোন ধরণের 'কী'?
  1. নিউম্যারিক কী
  2. মডিফায়ার কী
  3. নেভিগেশন কী
  4. ফাংশন কী
সঠিক উত্তর:
মডিফায়ার কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডিফায়ার কী
ব্যাখ্যা
• Shift হলো একটি মডিফায়ার কী।

• নিউম্যারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
৩১.
ই-সার্ভিসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ইএমটিএস
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-পর্চা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস ও বাংলাদেশ:
• ই-পুর্জি:
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- এটি আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা।
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এসএমএসের মাধ্যমে ই-পুর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।

• ইএমটিএস:
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায় ।
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়।
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে এই সেবা পাওয়া যায় ।

• ই-পর্চা সেবা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা।

• রেলওয়ের ই-টিকেটিং ও মোবাইল টিকেটিং:
- বাংলাদেশ রেলওয়ের কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট এখন মোবাইল ফোনেও ক্রয় করা যায়।
- আবার অনলাইনেও টিকেট সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে, নিজের সুবিধামতো সময়ে রেলস্টেশনে না গিয়েও নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকেট সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
৩২.
BIOS এর কোন বৈশিষ্ট্যটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার মধ্যে যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
  1. বুটস্ট্রাপ লোডার
  2. সাউন্ড কার্ড
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. গ্রাফিক্স কার্ড
সঠিক উত্তর:
বুটস্ট্রাপ লোডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুটস্ট্রাপ লোডার
ব্যাখ্যা
- BIOS এর বুটস্ট্রাপ লোডার বৈশিষ্ট্যটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার মধ্যে যোগাযোগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Lenevo website. [Link]
৩৩.
বাইনারি সংখ্যা 110011001 এর সমতুল্য ডেসিমেল মান কত?
  1. 401
  2. 409
  3. 376
  4. 371
সঠিক উত্তর:
409
উত্তর
সঠিক উত্তর:
409
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা 110011001 এর দশমিক মান 409.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
(110011001)2 = (1 × 2⁸) + (1 × 2⁷) + (0 × 2⁶) + (0 × 2⁵) + (1 × 2⁴) + (1 × 2³) + (0 × 2²) + (0 × 2¹) + (1 × 2⁰)
= 256 + 128 + 0 + 0 + 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= (409)₁₀

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৪.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কী ধরনের ইমেজ তৈরি হয়?
  1. একমাত্রিক
  2. দ্বি-মাত্রিক
  3. ত্রিমাত্রিক
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ত্রিমাত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিমাত্রিক
ব্যাখ্যা
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্তিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথাইয় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HDM), হাতে একটি ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কয় ধরনের অ্যাডার আছে?
  1. এক ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে দুই ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ-অ্যাডার ও
২. ফুল-অ্যাডার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।