পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৬: Full Model Test - 6
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮২ প্রশ্ন

.
'সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-
এই নদী নক্ষত্রের তলে
সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন -
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!' চরণগুলোর রচয়িতা কে?
  1. জসীম উদ্‌দীন 
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. বিষ্ণু দে
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

সেই দিন এই মাঠ
জীবনানন্দ দাশ

সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-
এই নদী নক্ষত্রের তলে
সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন -
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!
আমি চলে যাব বলে
চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে
নরম গন্ধের ঢেউয়ে?
লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!
চারিদিকে শান্ত বাতি ভিজে গন্ধ মৃদু কলরব;
খেয়ানৌকোগুলো এসে লেগেছে চরের খুব কাছে;
পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;
এশিরিয়া ধলো আজ বেবিলন ছাই হয়ে আছে।

• 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা কাব্য থেকে সংকলিত হয়েছে।
সভ্যতা একদিকে যেমন ক্ষয়িষ্ণু অন্যদিকে চলে তার বিনির্মাণ।
মরণশীল ব্যক্তিমানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, কিন্তু প্রকৃতিতে থাকে চিরকালের ব্যস্ততা।

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম ও দশম শ্রেণি, (২০২৫ সংস্করণ)

.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. হস্তীটি অপরিসীম স্থূল।
  2. প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে।
  3. সে এমন রূপসী যে অপ্সরী।
  4. কালীদাস বিখ্যাত কবি।
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে।
ব্যাখ্যা

• প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে। বাক্যটি শুদ্ধ।

অন্যদিকে,
- অশুদ্ধ: হস্তীটি অপরিসীম স্থূল।
- শুদ্ধ: হস্তীটি অত্যন্ত স্থূল।

- অশুদ্ধ: সে এমন রূপসী যেন অপ্সরী।
- শুদ্ধ: সে এমন রূপবতী যেন অপ্সরা।

- অশুদ্ধ: কালীদাস বিখ্যাত কবি।
- শুদ্ধ: কালিদাস বিখ্যাত কবি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'কলাভবন' কোন সমাস?
  1. কর্মধারয় সমাস
  2. অব্যয়ীভাব সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. বহুব্রীহি সমাস
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা

'কলাভবন'= কলার (Art) ভবন। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লােপ পায় তাকে বলা হয় ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
যেমন-
- চায়ের বাগান = চাবাগান,
- রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
- খেয়ার ঘাট= খেয়াঘাট,
- ছাত্রের সমাজ = ছাত্রসমাজ,
- দেশের সেবা = দেশসেবা,
- দিল্লীর ঈশ্বর = দিল্লীশ্বর,
- পাটের ক্ষেত = পাটক্ষেত,
- ছবির ঘর = ছবিঘর,
- বিড়ালের ছানা = বিড়ালছানা,
- মৃগীর শিশু = মৃগশিশু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'বর্ধমান' এর সঠিক প্রকৃতি - প্রত্যয় কোনটি?
  1. বৃধ্‌ + শানচ্
  2. বৃৎ+ শানচ্‌
  3. বৃধ + মান
  4. বৃহৎ + শানচ্
সঠিক উত্তর:
বৃধ্‌ + শানচ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃধ্‌ + শানচ্
ব্যাখ্যা

• 'বর্ধমান' এর শুদ্ধ প্রকৃতি-প্রত্যয় - বৃধ্‌ + শানচ্।

• শানচ্-প্রত্যয় ('শ' ও 'চ' ইৎ, 'আন' বিকল্পে 'মান' থাকে):
√দীপ্+ শানচ্ = দীপ্যমান।
√চল্ + শানচ্ = চলমান,
√বৃধ্‌ + শানচ্ = বর্ধমান।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'লাইব্রেরি' প্রবন্ধে 'সহস্র পথের চৌমাথা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. বহু জ্ঞানের সম্মিলন
  2. বহু হৃদয়ের সম্মিলন
  3. বহু রাস্তার সম্মিলন
  4. বহু জীবনের সম্মিলন
সঠিক উত্তর:
বহু জ্ঞানের সম্মিলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহু জ্ঞানের সম্মিলন
ব্যাখ্যা

• লাইব্রেরি' প্রবন্ধে 'সহস্র পথের চৌমাথা' বলতে বহু জ্ঞানের সম্মিলনকে বুঝেয়েছেন।

"লাইব্রেরির মধ্যে আমরা সহস্র পথের চৌমাথার উপরে দাঁড়াইয়া আছি।
কোনো পথ অনন্ত সমুদ্রে গিয়াছে, কোনো পথ অনন্ত শিখরে উঠিয়াছে, কোনো পথ মানবহৃদয়ের অতলস্পর্শে নামিয়াছে।
যে যে- দিকে ধাবমান হও, কোথাও বাধা পাইবে না।
মানুষ আপনার পরিত্রাণকে এতটুকু জাগয়ার মধ্যে বাঁধিয়া রাখিয়াছে।"(লাইব্রেরি)

'লাইব্রেরি':
- 'লাইব্রেরি' প্রবন্ধটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিচিত্র প্রবন্ধ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি তাঁর বিচিত্র প্রবন্ধ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত।
- এ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। 
- তিনি লাইব্রেরিকে মহাসমুদ্রের কল্লোলধ্বনির সাথে তুলনা করেছেন।
- কেননা, লাইব্রেরিতে মানবাত্মার ধ্বনিরাশি বইয়ের পাতায় বন্দি হয়ে থাকে।
 - বইয়ের ভেতর দিয়েই আমরা আকাশের দৈববাণী থেকে মহাত্মাদের কথা পেয়ে থাকি।

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম ও দশম শ্রেণি, (২০২৫ সংস্করণ)

.
'শুঁড় বার করা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ কী?
  1. নাক গলানো
  2. লোভ করা
  3. গোপনীয়তা বিনষ্ট করা
  4. রেগে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
লোভ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোভ করা
ব্যাখ্যা

'শুঁড় বার করা' বাগধারাটির অর্থ - লোভ করা।
উদাহরণ: আমার কলমটার প্রতি অমনি শুঁড় বার করোচ্য কেন?

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা হলো:
• ‘চুলোয় যাওয়া’ বাগধারাটির অর্থ - নষ্ট হওয়া।
• ‘উড়োকথা’ বাগধারাটির অর্থ - গুজব।
• ‘উড়োচিঠি’ বাগধারাটির অর্থ - বেনামি চিঠি।
• ‘গা ঢাকা দেওয়া’ বাগধারাটির অর্থ - পলায়ন করা।

উৎস: : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'রজত' শব্দের অর্থ কী?
  1. রাত্রি
  2. অন্ধকার
  3. নবীন
  4. রূপা
সঠিক উত্তর:
রূপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপা
ব্যাখ্যা

• শব্দ এবং উচ্চারণ: রজত /রজোত্।
- ব্যুৎপত্তি: [সংস্কৃত মূল: রন্‌জ+অত] 
- অর্থ (বিশেষ্য): রৌপ্য, রূপা, চাঁদি (রূপা)
- অর্থ (বিশেষণ): সাদা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
' ঝুমকো জবা' ছড়াটি কে রচনা করেছেন?
  1. আল মাহমুদ
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. ফররুখ আহমেদ
  4. আহসান হাবীব
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমেদ
ব্যাখ্যা

'ঝুমকো জবা' ফররুখ আহমদ রচিত একটি বিখ্যাত ছড়া।

ঝুমকো জবা
ফররুখ আহমদ

ঝুমকো জবা বনের দুল
উঠল ফুটে বনের ফুল।
সবুজ পাতা ঘোমটা খোলে,
ঝুমকো জবা হাওয়ায় দোলে।
সেই দুলুনির তালে তালে,
মন উড়ে যায় ডালে ডালে।

• ফররুখ আহমদ:
- তিনি ১৯১৮ সালে যশোর জেলার মাঝআইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাকে ইসলামি স্বাতন্ত্রবাদী কবি বলা হয়ে থাকে।
- তাঁর কবিতায় পাকিস্তানবাদ, ইসলামি আদর্শ বিশেষত মুসলিম জাগরণ এবং আরব ইরানের ঐতিহ্য উজ্জ্বলভাবে প্রস্ফুটিত হয়েছে।

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- নৌফেল ও হাতেম।

• তাঁর রচিত সনেট সংকলন:
- মুহূর্তের কবিতা।
• তাঁর রচিত কাহিনিকাব্য:
- হাতেমতায়ী।
• তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থের নাম:
- পাখির বাসা,
- হরেফের ছড়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বিডিনিউজ২৪ ।

.
সম্প্রতি হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ‘জিম্মি মুক্তি বিনিময়ে যুদ্ধবিরতি’ চুক্তি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কাতার
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা

•  ‘জিম্মি মুক্তি বিনিময়ে যুদ্ধবিরতি’ চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল ৮ অক্টোবর, ২০২৫ (বুধবার) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, মিসরে সম্পন্ন হওয়া গাজার ‘জিম্মি মুক্তি বিনিময়ে যুদ্ধবিরতি’ চুক্তির দিনটি ‘বিশ্বের জন্য এক মহান দিন’।
- গত মাসে ট্রাম্প গাজা নিয়ে ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
- ইসরায়েল ও হামাস দুই পক্ষই তাতে ইতিবাচক সাড়া দেয়।
- এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর, ২০২৫ (সোমবার) মিশরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
- চলমান আলোচনায় কাতার, তুরস্ক, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।
- পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ে গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান এবং উপত্যকাটিতে হামাসের হাতে থাকা ৪৮ জন জিম্মিকে (জীবিত ও মৃত) মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।
- তাঁদের মধ্যে ২০ জন জীবিত আছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
- বিপরীতে ইসরায়েলের কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দীদের অনেককেই মুক্তি দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link)

১০.
'বাগরাম বিমানঘাঁটি' আফগানিস্তানের কোন প্রদেশে অবস্থিত?
  1. হেরাত
  2. কান্দাহার
  3. পারওয়ান
  4. কাবুল
সঠিক উত্তর:
পারওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারওয়ান
ব্যাখ্যা

• বাগরাম বিমানঘাঁটি:
- আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত বাগরাম বিমানঘাঁটি বছরের পর বছর ধরে তালেবান ও আল কায়েদার বিরুদ্ধে যুদ্ধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। 
- আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে বাগরাম বিমানঘাঁটি অবস্থিত।
- বাগরাম সাধারণ কোনো বিমানঘাঁটি নয়। 
- কৌশলগত, সামরিক ও ভূরাজনৈতিক কারণে বাগরাম বিমানঘাঁটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে
- ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র।
- এ সময় তালেবান যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কাবুল সরকারকে উৎখাত করে এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলো দখলে নেয়। 
- সম্প্রতি, বাগরাম বিমানঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বগুড়া
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. রংপুর 
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুযায়ী ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

১। আলু → রংপুর 
২। পেঁয়াজ → পাবনা 
৩। আলু → রংপুর 
৪। গম → ঠাকুরগাঁও 
৫। ধান → ময়মনসিংহ
৬। পাট → ফরিদপুর

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১২.
২০২৫ সালের পুরুষদের ব্যালন ডি’অর কে জিতেছেন?
  1.  ওসমান ডেম্বেলে
  2. ভিটিনহা
  3. লামিনে ইয়ামাল
  4. কিলিয়ান এমবাপে
সঠিক উত্তর:
 ওসমান ডেম্বেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ওসমান ডেম্বেলে
ব্যাখ্যা

• ব্যালন ডি’অর-২০২৫:
- প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (PSG) ও ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড ওসমান ডেম্বেলে জিতেছেন ২০২৫ সালের পুরুষদের ব্যালন ডি’অর।
- ২৮ বছর বয়সী এই তারকা লামিনে ইয়ামাল ও ক্লাব সতীর্থ ভিটিনহাকে পিছনে ফেলে এ সম্মান অর্জন করেন।
- ডেম্বেলে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সিজনের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন, যেখানে প্যারিস প্রথমবারের মতো শিরোপা জেতে।
- পাশাপাশি তিনি ঘরোয়া দ্বৈত শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ২০২৪/২৫ মৌসুম শেষ করেন ৩৭ গোল ও ১৫ অ্যাসিস্টের অসাধারণ পারফরম্যান্স নিয়ে।
- রেমন্ড কোপা, মিশেল প্লাতিনি, জ্যাঁ পিয়েরে পাঁপিন, জিনেদিন জিদান ও করিম বেনজেমার পর ষষ্ঠ ফরাসি হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতলেন দেম্বেলে। 
-  শুধু দেম্বেলে নন, পিএসজি কোচ এনরিকেও তো জিতেছেন ইয়োহান ক্রুইফ ট্রফি (বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার)।

• এক নজরে ব্যালন ডি’অর ২০২৫:

- ব্যালন ডি’অর (পুরুষ): উসমান দেম্বেলে (পিএসজি, ফ্রান্স)
- ব্যালন ডি’অর (নারী): আইতানা বোনমাতি (বার্সেলোনা, স্পেন)
- ইয়াসিন ট্রফি (পুরুষ): জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (ম্যানচেস্টার সিটি, ইতালি)
- ইয়াসিন ট্রফি (নারী): হান্না হাম্পটন (চেলসি, ইংল্যান্ড)

তথ্যসূত্র:  UEFA ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জীববৈচিত্র্য রক্ষার অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৮ (ক): 
-  ″রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।″

- এই অনুচ্ছেদটি দ্বারা পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ, বর্তমান প্রজন্মের মানুষরা যেমন পরিবেশ ব্যবহার করছে, সেইসাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সুস্থ পরিবেশে বাঁচার সুযোগ রাষ্ট্রকে  নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৩: মালিকানার নীতি
- অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
- অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪.
২০২৫-২৬ জাতীয় বাজেট অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় কত?
  1.  ২,৭৯০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮৮৫ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৩৫ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।

- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১৫.
NATO-এর কোন আর্টিকেলে 'সামগ্রিক প্রতিরোধ' (collective defense) বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে?
  1. আর্টিকেল ৩
  2. আর্টিকেল ৫
  3. আর্টিকেল ৭
  4. আর্টিকেল ৯
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল ৫
ব্যাখ্যা

• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

• অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা:
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে, জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। 


তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

১৬.
If he _______ (work) harder, he _______ (pass) the exam.
  1. worked, will pass
  2. works, would pass
  3. had worked, would have passed
  4. was working, will have passed
সঠিক উত্তর:
had worked, would have passed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
had worked, would have passed
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: If he had worked harder, he would have passed the exam.
- Sentence টি Third Conditional এর নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। 

Third Condition এর নিয়ম অনুসারে:
- If বা Had যুক্ত দুটি clause থাকে। 
- দুটি clause এর যেকোন একটিতে If/ had দিয়ে clause টি শুরু হবে।
- If বা Had যুক্ত clause টি Past Perfect Tense হয়। 
- ২য় clause টি Past perfect Conditional (would have, might have, should have, could have) বসে।
- Verb এর Past Participle form বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৭.
Choose the correct meaning of the word "Grotesque" -
  1. Beautiful and graceful
  2. Ugly and distorted
  3. Simple and ordinary
  4. Pleasant and charming
সঠিক উত্তর:
Ugly and distorted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ugly and distorted
ব্যাখ্যা

• Grotesque (Noun & Adjective)
- English Meaning: Absurdly incongruous; a very ugly or comically distorted figure or image.
- Bangla Meaning: সামঞ্জস্য বা পারম্পর্যহীন; অদ্ভুত; কিম্ভুতকিমাকার মানুষ, প্রাণী আকৃতি বা নকশা।

Synonym: Loud, Harsh, Ugly, Jarring. 
Antonym: Aesthetic, Artistic, Beautiful, Artful.

উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Beautiful and graceful - সুন্দর এবং মাধুর্যময়;
- Ugly and distorted - কুৎসিত এবং বিকৃত বিবরণ দেওয়া;
- Simple and ordinary - অবিভক্ত এবং স্বাভাবিক;
- Pleasant and charming - সুখাবহ এবং মনোমুগ্ধকর।

Example sentence:
- His painting was so grotesque that nobody could understand it.
- The clown wore a grotesque mask that frightened the children.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

১৮.
He worked so hard that he passed the exam.
Here, the underlined clause is -
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Prepositional Clause
  4. Adverbial Clause
সঠিক উত্তর:
Adverbial Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverbial Clause
ব্যাখ্যা

Adverbial clause of result:
- Principal clause এর result বা ফল প্রকাশ করা।
- Adverbial Clause of reason টি That Conjunction দিয়ে শুরু হয়। 
- এ Clause সাধারণত Main clause এ ব্যবহার করা so/ much adverb কে modify করে।

Correct Answer: He worked so hard that he passed the exam. Here, the underlined clause is - Adverbial Clause.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৯.
We are annoyed at people talking loudly in the library.
Here, the underlined word is a/ an -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Conjunction
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

Gerund:
- Gerund হল এমন একটি শব্দ যা verb + ing যুক্ত হয়ে Noun এর মতো কাজ করে।

Gerund এর ব্যবহার:
- Subject হিসেবে বসে।
- Object হিসেবে বসে।
- Preposition এর Object হিসেবে বসে।
- Verb এর Complement হিসেবে বসে।

Preposition + possessive/objective of noun or pronoun এর পরে Gerund বসে
- যেমন: We are annoyed at people talking loudly in the library. (লাইব্রেরিতে জোরে কথা বলায় আমরা মানুষদের নিয়ে বিরক্ত।)

- সহজ ভাষায়, Gerund = Verb + ing = Noun = Verb + Noun.

Correct Answer: We are annoyed at people talking loudly in the library. Here, the underlined word is a/ an - Gerund.

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participle may function as Adjectives, describing or modifying Nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

- Example sentence: 
- We saw a burning house. ("burning" describes "house").

Infinitive:
- Verb এর present form এর আগে to বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।
- অর্থাৎ, Infinitive = to + verb.

- Example sentence:
- The mayor promised to rebuild the damaged areas.

Conjunction:
- যে Part of speech দুই বা ততোধিক Word, Phrase বা Clause এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, তাকে Conjunction বলে।
- A conjunction is a part of speech that connects two or more words, phrases, clauses, or sentences.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain. 

২০.
This modern method is highly conducive to significantly ________ (improve) overall productivity.
  1. improve
  2. improving
  3. improved
  4. improves
সঠিক উত্তর:
improving
উত্তর
সঠিক উত্তর:
improving
ব্যাখ্যা

সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর verb+ing হয়

শব্দগুচ্ছ সমূহ হলো:
- With a view to,
- With an eye to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Look forward to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to

Correct Sentence: This modern method is highly conducive to significantly improving overall productivity.

 Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২১.
Who wrote the line "Spontaneous wisdom breathed by health, Truth breathed by cheerfulness"?
  1. Samuel Taylor Coleridge
  2. John Keats
  3.  Percy Bysshe Shelley
  4. William Wordsworth
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা

The line "Spontaneous wisdom breathed by health, Truth breathed by cheerfulness" was written by - William Wordsworth.
- এই বিখ্যাত লাইনটি তার lyrical poem 'The Tables Turned' থেকে নেওয়া হয়েছে।

The Tables Turned:
- "The Tables Turned" কবিতাটি William Wordsworth-এর রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা, যেখানে তিনি প্রকৃতির মাহাত্ম্য ও শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
- It is a lyrical poem included in his 1798 collection Lyrical Ballads.
- "The Tables Turned" কবিতায় কবি একজন বন্ধুকে আহ্বান করছেন বই পড়ে জ্ঞান অর্জনের বদলে প্রকৃতির কোলে গিয়ে শেখার জন্য।
- তিনি বলেন, প্রকৃতি নিজেই এক জ্ঞানের উত্স, যেখানে মানুষ হৃদয় দিয়ে শিখতে পারে। বইপত্র কেবল মুখস্তবিদ্যার মাধ্যম, কিন্তু প্রকৃতি আমাদের সত্যিকার জ্ঞান, আনন্দ ও শান্তি দেয়।

Famous Lines:
- "Come forth into the light of things,
Let Nature be your teacher."
- "এসো প্রকৃতির আলোতে,
প্রকৃতিই হোক তোমার শিক্ষক।"

William Wordsworth (1770 -1850)
- He is one of the major poets of the Romantic Period.
- তিনি ১৮৪৩ থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত England এর "Poet Laureate" ছিলেন। 
- William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয় ।
- Lyrical Ballads, William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা কিন্তু এই প্রকাশনায় William Wordsworth এর অবদান ছিল সর্বোচ্চ ছিল বলে তাকে The father od Romantic Age বলা হয়।
 
Famous poems of Wordsworth:
- The Solitary Reaper,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- The World is too Much with Us,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- To The Cuckoo,
- Laodamia,
- Lucy Poems,
- The Daffodils,
- Ode on Immortality,
- The Excursion,
- Michael, etc
 
• The only play by William Wordsworth is The Borderers.
- The Borderers, a tragedy in five acts, was Wordsworth's first major work.
 
Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman, Britannica, and Live MCQ Lecture.

২২.
Who said, "Words can be like X-rays if you use them properly – they'll go through anything"?
  1. Aldous Huxley
  2. T. S. Eliot
  3. George Orwell
  4. Oscar Wilde
সঠিক উত্তর:
Aldous Huxley
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aldous Huxley
ব্যাখ্যা

"Words can be like X-rays if you use them properly – they'll go through anything" was said by - Aldous Huxley.
- এই লাইনটি তার 'Brave New World' থেকে নেওয়া হয়েছে।

Brave New World:
- It is written by Aldous Huxley and is a science fiction.
- এটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়।
- The book presents a nightmarish vision of a future society.
- 'It is also known as a - dystopian novel.
- এটিকে dystopian novel বলা হয় কারণ এই বইটি ভবিষ্যতের একটি দুঃস্বপ্নময় সমাজের চিত্র উপস্থাপন করে।
- Brave New World উপন্যাসটি ২৫৪০ খ্রিস্টাব্দে অবস্থিত, যা উপন্যাসে AF 632 বছর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Main characters:
- Bernard Marx,
- Mustapha Mond,
- Lenina Crowne,
- John the Savage,
- Linda,
- Fanny Crowne,
- Henry Foster, etc.

Aldous Huxley:
- In full, Aldous Leonard Huxley.
- তিনি একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও সমালোচক, যিনি প্রখর ও বিস্তৃত বুদ্ধিমত্তার অধিকারী ছিলেন।
- যার রচনাগুলো তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও নিরাশাবাদী ব্যঙ্গের জন্য পরিচিত।
- তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত তার উপন্যাস Brave New World (1932)-এর জন্য, যা পরবর্তী বহু ডিস্টোপিয়ান বিজ্ঞান কল্পকাহিনির আদর্শ হয়ে উঠেছে।

Other notable works,
- After Many a Summer Dies the Swan,
- Antic Hay,
- Crome Yellow,
- Eyeless in Gaza,
- Point Counter Point,
- The Devils of Loudun,
- The Doors of Perception,
- Those Barren Leaves, etc.

Source: Britannica.

২৩.
"Brabantio" and "Cassio" are characters in which famous play?
  1. King Lear
  2. Macbeth
  3. Othello
  4. Hamlet
সঠিক উত্তর:
Othello
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Othello
ব্যাখ্যা

"Brabantio" and "Cassio" are characters in - Othello.

Othello:
- এটি William Shakespeare এর রচিত একটি Tragedy.
- এটি লিখা হয় ১৬০৩-০৪ সালে এবং প্রকাশিত হয় ১৬২২ সালে।
- It is a 5-acts acted tragedy.

Important characters:
- Othello (main character),
- Desdemona (Othello’s wife),
- Brabantio,
- Iago (villain),
- Cassio,
- Emilia.

সার-সংক্ষেপ:
- Othello, Venice এর একজন Moorish সেনাপতি, গোপনে Desdemona কে বিয়ে করে, যা তার বাবা Brabantio মেনে নিতে পারেন নি।
- সেনাবাহিনীতে Lieutenant হিসেবে Cassio কে নিয়োগ দেওয়ায় প্রতারক Iago ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য Othello এর মনে সন্দেহের বীজ বপন করে।
- Iago, Desdemona এর রুমাল Cassio এর কাছে রেখে প্রমাণ তৈরি করে যে Desdemona বিশ্বাসঘাতকতা করছে।
- ঈর্ষায় অন্ধ হয়ে Othello নিজেই Desdemona কে হত্যা করে।
- পরে সত্য জানার পর অনুশোচনায় আত্মহত্যা করে। Iago ধরা পড়ে এবং তার শাস্তি নির্ধারিত হয়।

William Shakespeare:
- Born: April 26, 1564, Stratford-upon-Avon, England.
- Death: April 23, 1616, Stratford-upon-Avon.
- Shakespeare was also spelled Shakspere.
- Byname: Bard of Avon or Swan of Avon.
- He was an English poet, dramatist, and actor.
- He was often called the English national poet and considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- Shakespeare wrote 37 Plays.

Notable works:
Tragedy
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens
- Antony and Cleopatra
- Coriolanus
- Romeo and Juliet, etc.

Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,

Comedy
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,

Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III.

Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.

২৪.
"National injustice is the surest road to national downfall." was stated by - 
  1. William Shakespeare
  2. Ralph Waldo Emerson
  3. William Ewart Gladstone
  4. Winston Churchill
সঠিক উত্তর:
William Ewart Gladstone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Ewart Gladstone
ব্যাখ্যা

• "National injustice is the surest road to national downfall." was stated by - William Ewart Gladstone.

- উক্তিটি দ্বারা বোঝায় যে, যদি কোনো জাতির মধ্যে ন্যায়বিচারের অভাব বা অন্যায়ের প্রভাব বিস্তার পায়, তবে সেটি সেই জাতির সামগ্রিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
- জাতীয় অন্যায় বা সামাজিক অবিচার দীর্ঘমেয়াদে সেই জাতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে, কারণ মানুষ মনে ক্ষোভ, অসন্তোষ ও অসন্তুষ্টি জমা হয়।
- উক্তিটি একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রনৈতিক সতর্কবার্তা, এছাড়াও, এটি ন্যায়বিচারের গুরুত্ব এবং দেশের স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধির জন্য সঠিক আইন প্রয়োগের অপরিহার্যতা তুলে ধরে।

William E. Gladstone
 - William E. Gladstone এর পুরো নাম হলো William Henry Gladstone.
 - তিনি ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
 - তিনি চারবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

 • His other famous quotes are -
- Justice delayed is justice denied.
 - National injustice is the surest road to national downfall.
 - You cannot fight against the future.
 - Time is on its side.

 Source: Britannica.

২৫.
০.৬ + ০.০০৬ + ০.০০০০৬ +.................. ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল:
  1. ২০/৩৩
  2. ২/৩৭ 
  3. ৫/৮৮ 
  4. ২/১০৯
সঠিক উত্তর:
২০/৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০/৩৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ০.৬ + ০.০০৬ + ০.০০০০৬ +.................. ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল-

সমাধান:
০.৬ + ০.০০৬+০.০০০০৬ +.................
= ০.৬ + ০.৬ × ০.০১ + ০.৬ × (০.০১)....................

এখানে,
a = ০.৬, r = ০.০১ < ১

অসীম পদের সমষ্টি S = a/(১ - r)
= ০.৬/(১ - ০.০১)
= ০.৬/০.৯৯
= ৬০/৯৯
= ২০/৩৩

২৬.
মৌলিক বল কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

মৌলিক বল হল সেই চারটি বল যা প্রাকৃতিক ঘটনার সব ধরনের বলকে বর্ণনা করতে সক্ষম। এগুলোই মহাবিশ্বে থাকা সকল কণার মধ্যে সংঘটিত বিভিন্ন শক্তি ও ক্রিয়ার মূল কারণ। 

উত্তর: ঘ) ৪টি।
 
মৌলিক বল: 

- মৌলিক বল মাত্র চারটি। 
- সেগুলো হচ্ছে: মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল ও সবল নিউক্লীয় বল।

মহাকর্ষ বল (Gravitational Force): 
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।

তড়িৎ চৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetic Force): 
- যদিও তড়িৎ বা বিদ্যুৎ এবং চুম্বকের বলকে আলাদা ধরনের বল মনে হয়, আসলে দুটি একই বল শুধু দুভাবে দেখা যায়। 
- মাধ্যাকর্ষণ বলের তুলনায় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল অনেক বেশি শক্তিশালী (১০৩৬ গুণ বা ট্রিলিওন ট্রিলিওন ট্রিলিওন গুণ শক্তিশালী)। 

দুর্বল নিউক্লীয় বল (Weak Nuclear Force): 
- এটাকে দুর্বল নিউক্লিয় বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মহাকর্ষ বলের মতো এত দুর্বল নয়।

সবল নিউক্লীয় বল (Strong Nuclear Force): 
- এটি হচ্ছে সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশগুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) কাজ করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

২৭.
B = {x ∈ N : 2 < x ≤ 6} এবং C = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8} হলে, (B ∩ C) এর মান কত?
  1. {2, 6 }
  2. {2, 4}
  3. {4, 6}
  4. {Ø}
সঠিক উত্তর:
{4, 6}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{4, 6}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: B = {x ∈ N : 2 < x ≤ 6} এবং C = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8} হলে, (B ∩ C) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
B = {x ∈ N :  2 < x ≤ 6}
= {3, 4, 5, 6}

এবং C = { x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8}
= {2, 4, 6, 8}

∴ (B ∩ C) = {3, 4, 5, 6} ∩ {2, 4, 6, 8} = {4, 6}

∴ নির্ণেয় সেট = (4, 6}

২৮.
কোনো আসল 2 বছরের মুনাফা- আসলে 7000 টাকা হয়। মুনাফা আসলের 2/5 অংশ হলে মুনাফা হার কত?
  1. 22%
  2. 27%
  3. 20%
  4. 15%
সঠিক উত্তর:
20%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো আসল 2 বছরের মুনাফা- আসলে 7000 টাকা হয়। মুনাফা আসলের 2/5 অংশ হলে মুনাফা হার কত?

সমাধান:
ধরি,
আসল = 5x
∴ মুনাফা = (2/5) × 5x  টাকা
= 2x টাকা

প্রশ্নমতে,
5x + 2x = 7000
⇒ 7x = 7000
⇒ x = 1000

∴ আসল = (5 × 1000) = 5000 টাকা

এবং মুনাফা = (2 × 1000) = 2000 টাকা

∴ 5000 টাকায় 2 বছরের মুনাফা = 2000 টাকা
∴ 1 টাকায় 1 বছরের মুনাফা = 2000/(5000 × 2) টাকা
∴ 100 টাকায় 1 বছরের মুনাফা  = (2000 × 100)/(5000 × 2) = 20 টাকা

∴ সুদের হার = 20%

২৯.
৩টি ঘণ্টা একত্রে বেজে যথাক্রমে ৮, ১২ ও ২০ সেকেন্ড অন্তর অন্তর আবার বাজতে লাগলো। কতক্ষণ পর তারা আবার একসাথে বাজবে?
  1. ২ মিনিট
  2. ১ মিনিট
  3. ১ মিনিট ২৮ সেকেন্ড
  4. ২ মিনিট ১২ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
২ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৩টি ঘণ্টা একত্রে বেজে যথাক্রমে ৮, ১২ ও ২০ সেকেন্ড অন্তর অন্তর আবার বাজতে লাগলো। কতক্ষণ পর তারা আবার একসাথে বাজবে?

সমাধান: 
৮, ১২ ও ২০ এর লসাগু হবে ঘণ্টা তিনটি পরবর্তীতে একত্রে বাজার সময়।

৮ = ২ × ২ × ২
১২ = ২ × ২ × ৩
২০ = ২ × ২ × ৫

লসাগু = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ = ১২০

অর্থাৎ, ১২০ সেকেন্ড
= ১২০/৬০ মিনিট
= ২ মিনিট পর আবার একত্রে বাজবে।

৩০.
OpenAI মূলত কী জন্য পরিচিত?
  1. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন
  2. অনলাইন শিক্ষা
  3. ক্লাউড স্টোরেজ সেবা
  4. সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

• OpenAI মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য পরিচিত। এটি একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা যান্ত্রিক শিক্ষণ, ভাষা মডেল, এবং স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের উন্নয়নে কাজ করে। OpenAI-এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো ChatGPT, যা মানুষের মতো ভাষায় কথা বলার এবং জটিল তথ্য বোঝার সক্ষমতা রাখে। প্রতিষ্ঠানটি কেবল মডেল তৈরি করে না, বরং এদের ব্যবহার নিরাপদ ও নৈতিকভাবে করার দিকে গুরুত্ব দেয়। অনলাইন শিক্ষা, ক্লাউড স্টোরেজ বা সামাজিক মিডিয়া সেবা সরাসরি OpenAI-এর প্রধান কাজ নয়। তাই প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কিছু স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ। 
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ। 
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা। 
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। 
- নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন। 
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা। 
-  অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা। 
- মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো। 
- পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা। 
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা। 
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা। 
- নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে 'K' তার বন্ধুকে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে 'K' সর্বনিম্ন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ২ বছর।

• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 (১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

অর্থাৎ, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৩২.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৪ অনুযায়ী, মধ্যস্থতা কার্যক্রমে উপযুক্ত কারণ ব্যতিরেকে প্রতিপক্ষ অনুপস্থিত বা অসম্মতি প্রদর্শন করলে কী হবে?
  1. এক পক্ষীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে
  2. আদালত উক্ত পক্ষকে দোষী ঘোষণা করবে
  3. স্পেশাল মেডিয়েটরের নিকট মধ্যস্থতা কার্যক্রম প্রেরিত হবে
  4. উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৪: মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার উদ্যোগ গ্রহণ:
(১) মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার উদ্যোগ গ্রহণের নিমিত্তে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার নির্ধারিত ফরমে আবেদনকারীর সম্মতি গ্রহণ করিবেন ও মধ্যস্থতা সংক্রান্ত একটি নথি সৃজন করিবেন; অতঃপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের নিমিত্ত প্রতিপক্ষ বরাবর নির্ধারিত ফরমে ধার্য তারিখ উল্লেখ করিয়া নোটিশ ইস্যু করিবেন।

(২) নির্ধারিত তারিখে প্রতিপক্ষ উপস্থিত হইলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার নির্ধারিত ফরমে প্রতিপক্ষের সম্মতি গ্রহণ করিবেন।

(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীনে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করিতে প্রতিপক্ষ সম্মতি প্রদান না করিলে বা উপস্থিত না হইলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে মধ্যস্থতা কার্যক্রম ব্যর্থ হইবার কারণ উল্লেখপূর্বক নির্ধারিত ফরমে প্রতিবেদন প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ ব্যতিরেকে উক্তরূপ অসম্মতি বা অনুপস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট বিরোধে পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে উক্ত প্রতিপক্ষ অযোগ্য বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৪) উপ-বিধি (২) এর অধীনে প্রতিপক্ষ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করিতে সম্মতি প্রদান করিলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার স্বয়ং মধ্যস্থতা কার্যক্রম গ্রহণ ও সম্পন্ন করিবেন অথবা আবেদন সম্বলিত নথি লিগ্যাল এইড অফিসার বা স্পেশাল মেডিয়েটরের নিকট মধ্যস্থতা কার্যক্রম গ্রহণ ও সম্পন্ন করিবার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন।

৩৩.
কোনো শিশু যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য নয় এমন অপরাধে দোষী হয়, তবে শিশু-আদালত সর্বাধিক কত বছর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৪- শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আটকাদেশ, ইত্যাদি:
(১) কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দোষী প্রমাণিত হইলে শিশু-আদালত তাহাকে অনুর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করিয়া শিশুউন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এমন কোন অপরাধে দোষী প্রমাণিত হইলে শিশু-আদালত তাহাকে অনধিক ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করিয়া শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(২) শিশু-আদালতের আদেশে অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আটকাদেশপ্রাপ্ত শিশুর আচরণ, চারিত্রিক ও ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটিলে এবং হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত না হইলে, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বা প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট শিশুকে মুক্তি প্রদানের লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য, ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার অন্যূন ৩ (তিন) মাস পূর্বে, সরকারের নিকট সুপারিশ প্রেরণ করিতে পারিবে।
 
(৩) হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, দস্যুতা বা মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইলে এবং মামলাটি আদালতে বিচারাধীন থাকিলে অথবা উল্লিখিত অপরাধের মামলায় আদালতের আদেশ অনুযায়ী আটকাদেশপ্রাপ্ত শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইলে, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বা প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ, শিশু-আদালতের অনুমতি গ্রহণ সাপেক্ষে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় বা জেলা কারাগারে প্রেরণ করিবে।
 
(৪) কারাগার কর্তৃপক্ষ উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রেরিত ব্যক্তিকে, কারাগারে অবস্থানরত অন্য কোন আইনের অধীনে দণ্ডপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন আসামীদের হইতে পৃথক করিয়া ভিন্ন ওয়ার্ডে রাখিবার ব্যবস্থা করিবে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাহার আটকাদেশের মেয়াদ বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আটকাদেশের অবশিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত অবস্থান করিবেন।
 
(৫) কোন শিশুর বিচার প্রক্রিয়া ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার পর সমাপ্ত হইলে এবং বিচার সমাপ্তির পর তাহাকে আটকাদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত শিশুকে শিশু-আদালত সরাসরি কেন্দ্রীয় বা জেলা কারাগারে প্রেরণ করিবে।
 
(৬) এই ধারায় ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন শিশুকে উপ-ধারা (১) এর অধীন শিশুউন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার পরিবর্তে যথাযথ সতর্কীকরণের পর খালাস প্রদানের অথবা সদাচারণের জন্য প্রবেশনে মুক্তি দানের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(৭) কোন শিশুকে, উপ-ধারা (৬) এর অধীন, প্রবেশনে মুক্তির ক্ষেত্রে শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট শিশুকে প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে অথবা তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য অথবা অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে সোপর্দ করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যের অনুকূলে সোপর্দ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উক্ত শিশুর, অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কাল, সদাচরণের জন্য দায়ী থাকিবেন মর্মে জামিনসহ বা বিনা জামিনে অথবা আদালত যেইরূপ নির্দেশ প্রদান করিবে সেইরূপ মুচলেকা প্রদান করিতে হইবে।
 
(৮) প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট হইতে রিপোর্ট প্রাপ্তি অথবা অন্য কোনভাবে যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, প্রবেশনে মুক্ত শিশু তাহার প্রবেশনকালে সদাচরণ করে নাই, তাহা হইলে আদালত, যেইরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবে সেইরূপ তদন্ত করিবার পর, সংশ্লিষ্ট শিশুকে প্রবেশনের অসমাপ্ত সময়ের জন্য প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৩৪.
একজন ব্যক্তি সান্ধ্য আইন (কারফিউ) লঙ্ঘন করে বাড়ির বাইরে বের হয়। তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কী সাজা হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন- 
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনেএখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৪৫ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ৩০ কার্যদিবস।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা
৫৩- আপিল:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে, রায় প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে, আপিল করা যাইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, রায়ের জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য যে সময় অতিবাহিত হইবে উহা উক্ত সময় হইতে কর্তন করিতে হইবে।

৩৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন কোন অপরাধ কার কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হবে?
  1. সরকার
  2. কমিশন
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০: অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা:
১.  ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র কমিশন কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হইবে৷

২. উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য কমিশন, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উহার অধঃস্তন কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে৷

৩. উপ-ধারা (২) এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার, অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে, থানার ভারপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার ক্ষমতা থাকিবে৷

৪. উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধান সত্ত্বেও, কমিশনারগণেরও এই আইনের অধীন অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা থাকিবে৷

৩৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩৫(১) ধারায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে কত ঘন্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ২৪ ঘন্টার মধ্যে।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৫: বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার:

(১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস, ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর মাধ্যমে মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন, নষ্ট হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নিকট অনতিবিলম্বে দাখিল করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিবার পর পুলিশ অফিসার সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে বা যাতায়াতের সময় ব্যতীত অনধিক ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবেন।

৩৮.
মালিক আজিজ তার একজন শ্রমিককে ঋণ শোধের অজুহাতে বছরের পর বছর বিনা মজুরিতে কাজ করাচ্ছে। শ্রমিক যেতে চাইলে তাকে ভয় দেখায়। উক্ত অপরাধের জন্য মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন সর্বোচ্চ কী দণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: জবরদস্তি বা দাসত্বমূলক শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিবার দণ্ড:

কোন ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করাইলে অথবা শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিলে বা ঋণ-দাস করিয়া রাখিলে বা বলপ্রয়োগ বা যে কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ করিলে অথবা করিবার হুমকি প্রদর্শন করিয়া শ্রম বা সেবা আদায় করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১২ (বার) বৎসর এবং অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমা শুনানির দিনে বাদী অনুপস্থিত কিন্তু বিবাদী হাজির হয়ে দাবীর কিছু অংশ স্বীকার করছে। আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. সম্পূর্ণ মামলার ডিক্রি দেবে
  2. সম্পূর্ণ মামলা খারিজ করবে
  3. নতুন তারিখে শুনানি করবে
  4. স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where the defendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.

৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে নিচের কোনটি “ডিক্রি” হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  3. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  4. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

৪১.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.' -This provision is mentioned in:
  1. Section 36 of The Civil Courts Act, 1887
  2. Section 38 of The Code of Civil Procedure, 1908
  3. Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
  4. Section 39 The Code of Civil Procedure, 1908
সঠিক উত্তর:
Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887- Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.

(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.

(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.

(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

৪২.
সাধারন দেওয়ানি মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা সম্পন্ন হওয়ার জন্য আদালত অতিরিক্ত সময় কত দিন বাড়াতে পারবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী, আদালত কখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করবে না?
  1. আপিল বিচারাধীন থাকলে
  2. বাদী উপস্থিত না থাকলে
  3. বাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
  4. বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী -
“মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে, এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করবে না।”

অর্থাৎ, যদি বিবাদী তার লিখিত জবাব দাখিল না করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন না করে, তবে আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করবে না, কারণ তখন বাদীর বক্তব্য একতরফা (ex parte) অবস্থায় থেকে যায় — বিরোধের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।

৪৪.
A, যিনি নাবালক অবস্থায় একটি মিরাস আদায়ের অধিকার (right to sue for a legacy) অর্জন করেছেন, সেই অধিকার অর্জনের ১১ বছর পরে সাবালক হন। তামাদি আইনের ধারা ৬ এবং ৮ অনুযায়ী সে অতিরিক্ত কত সময় পাবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর 
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১২৩:
- কোন উইলদাতা (Testator) দ্বারা মিরাস বা অঙ্গীকারকৃত অংশের  জন্য মামলা বা উত্তরাধিকারীর (Intestate) সম্পত্তির বিতরণযোগ্য অংশের জন্য মামলা (legacy or for a share of a residue bequeathed)

মেয়াদকাল (Period of limitation): ১২ বছর।
মেয়াদকালের গণনার সময় (Time from which period begins to run): যখন মিরাস বা অংশ প্রদানের জন্য যোগ্য বা পাওয়ার যোগ্য হয়।

তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:
(ক) (A), যিনি নাবালক অবস্থায় একটি মিরাস আদায়ের অধিকার অর্জন করেছেন, সেই অধিকার অর্জনের ১১ বছর পরে সাবালক হন। সাধারণ আইন অনুযায়ী, এই সময়ে তার মাত্র ১ বছরের অবশিষ্ট সময় থাকে মামলা করার জন্য। কিন্তু তামাদি আইনের ধারা ৬ এবং ৮ অনুযায়ী তাকে ২ বছর অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। এর ফলে মোট ৩ বছর সময় পাবেন সাবালক হওয়ার দিন থেকে মামলা দায়ের করার জন্য।

৪৫.
According to Order 38 Rule 13 of the Code of Civil Procedure, what is the limitation imposed on a Court of Small Causes?
  1. It cannot execute any decree.
  2. It cannot pass any interim order.
  3. It cannot attach movable property.
  4. It cannot attach immovable property.
সঠিক উত্তর:
It cannot attach immovable property.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It cannot attach immovable property.
ব্যাখ্যা

Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property:
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

৪৬.
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে। এই অবস্থায় -
  1. B শুধু চুক্তি সংশোধনের অধিকারী
  2. B চুক্তি বাতিলের অধিকারী
  3. B শুধু ক্ষতিপূরণের অধিকারী
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B চুক্তি বাতিলের অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B চুক্তি বাতিলের অধিকারী
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৫: কখন চুক্তি বাতিল (Rescission) করা যেতে পারে:
যে কোনো ব্যক্তি যিনি কোনো লিখিত চুক্তিতে স্বার্থবান (interested), তিনি আদালতে মামলা করতে পারেন সেই চুক্তি বাতিল (rescinded) করার জন্য।
আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন—

(ক) যখন চুক্তিটি বাদী (plaintiff)-এর দ্বারা বাতিলযোগ্য (voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (terminable) হয়;

(খ) যখন চুক্তিটি অবৈধ (unlawful), যদিও দলিলের উপরে তা স্পষ্ট নয়, এবং যেখানে বিবাদী (defendant) বাদীর তুলনায় বেশি দোষী;

(গ) যখন কোনো বিক্রয়চুক্তি (contract of sale) বা ইজারার চুক্তি (contract to take a lease)-এর নির্দিষ্ট কর্মসম্পাদনের (specific performance) জন্য আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্রয়মূল্য বা অন্যান্য নির্ধারিত অর্থ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদি ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা (purchaser or lessee) সম্পত্তির দখলে থাকে এবং আদালত মনে করে যে তার সেই দখল অবৈধ (wrongful), তাহলে আদালত বিক্রেতা বা ইজাদাতার (vendor or lessor) পক্ষে রায় দিতে পারে যে,
ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা (rents and profits) পরিশোধ করবে।

একই মামলায়, যদি আদালতের পূর্ববর্তী ডিক্রি পালিত না হয়, তবে আদালত সেই চুক্তিটি  দোষী পক্ষের ক্ষেত্রে আংশিকভাবে বা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে বাতিল (rescind) করতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):

(ক) ধারা (a)-এর উদাহরণ:
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে।
→ এই অবস্থায় B চুক্তি বাতিলের অধিকারী।

(খ) ধারা (b)-এর উদাহরণ:
A, একজন অ্যাডভোকেট, তার মক্কেল B (একজন হিন্দু বিধবা)-কে প্ররোচিত করে যাতে B তার সম্পত্তি A-এর কাছে হস্তান্তর করে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে।
→ এখানে উভয় পক্ষ সমানভাবে দোষী নয়; A বেশি দোষী, তাই B সেই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী।

৪৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮(২) অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যার পক্ষে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) দায়ের করা হয়েছে, এরূপ মোকদ্দমায় পক্ষ হওয়ার জন্য-
  1. অন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. মোকদ্দমা দায়েরকারীর কাছে আবেদন করতে পারে
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারীর অনুমতি নিতে পারে
  4. আদালতে আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।

(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।

৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৫ অনুসারে, আদেশ প্রদান করতে পারেন-
  1. কেবল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল পুলিশ কমিশনার
  3. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure), ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে করণীয়:

ধারা ১৪৫(১):
যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনো তথ্যের মাধ্যমে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তার এখতিয়ারের আওতাধীন এলাকায় কোনো ভূমি, পানি বা তার সীমানা নিয়ে এমন একটি বিরোধ রয়েছে যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে, তখন তিনি লিখিত আদেশ প্রদান করবেন, যেখানে তিনি তার সন্তুষ্টির কারণসমূহ উল্লেখ করবেন এবং বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে বা আইনজীবীর মাধ্যমে তার আদালতে উপস্থিত হতে এবং বিরোধের বিষয়বস্তুতে আসল দখল সম্পর্কিত তাদের নিজ নিজ দাবি লিখিতভাবে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দেবেন।

ধারা ১৪৫(২):
এই ধারার উদ্দেশ্যে, “ভূমি বা পানি” শব্দের অন্তর্ভুক্ত হবে-ভবন, বাজার, মাছের ঘের বা মৎস্যচাষ, জমির ফসল বা উৎপাদিত দ্রব্যাদি, এবং উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা।

ধারা ১৪৫(৩):
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের একটি অনুলিপি- যাদের প্রতি ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দেন, তাদের নিকট সমন জারির বিধান অনুযায়ী প্রদান করতে হবে; এবং অন্তত একটি অনুলিপি বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির উপর বা নিকটবর্তী কোনো প্রকাশ্য স্থানে টানিয়ে রাখতে হবে,
যাতে তা সাধারণভাবে প্রকাশ পায়।

৪৯.
ফৌজদারি মামলার সমনে কার স্বাক্ষর থাকা আবশ্যক?
  1. অভিযোগকারীর
  2. সমন প্রাপ্ত ব্যক্তির
  3. পুলিশ অফিসারের
  4. আদালতের বিচারকের
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারকের
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম: 
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে
 
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 68- Form of summons:
(1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
(2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

৫০.
Which of the following defines a “not proved” fact?
  1. A fact that is definitely proved
  2. A fact that is definitely disproved
  3. A fact that is legally irrelevant
  4. A fact that is neither proved nor disproved
সঠিক উত্তর:
A fact that is neither proved nor disproved
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A fact that is neither proved nor disproved
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act,1872 এর ৩ ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
 
অপ্রমাণিত (not to be proved):
কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না।
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.

অন্যদিকে,
প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
 
মিথ্যা প্রমানিত (disproved):
কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.

৫১.
একজন ম্যাজিস্ট্রেট একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেওয়ার সময়, তার সাধারণ এখতিয়ারের সীমার সর্বোচ্চ-
  1. তিনগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  2. দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  3. চারগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  4. সমান দণ্ড দিতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

৫২.
A এবং B একটি ঘোড়ার যৌথ মালিক। A, ঘোড়াটি B-এর দখল থেকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় এবং বিক্রি করে বিক্রির পুরো অর্থ নিজের কাজে ব্যবহার করে। তার এই কাজ-
  1. Mischief
  2. Fraud
  3. Criminal Breach of Trust
  4. Dishonest Misappropriation
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappropriation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappropriation
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধাড়া ৪০৩: সম্পত্তির অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ (Dishonest Misappropriation):
যে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যের কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A, Z-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি Z-এর দখল থেকে সরিয়ে নেয়, সৎ বিশ্বাসে বিশ্বাস করে যে সেই সম্পত্তি তার নিজের। তখন এটি চুরির অপরাধ নয়। তবে, যদি A পরে তার ভুল বুঝতে পেরে অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(খ) A, Z-এর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কারণে, Z-এর অনুপস্থিতিতে Z-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, যা Z-এর স্পষ্ট অনুমতি ছাড়াই। যদি A মনে করে যে Z তাকে পড়ার জন্য বইটি নিতে পরোক্ষ অনুমতি দিয়েছেন, তবে এটি চুরি নয়। কিন্তু, যদি A পরে সেই বইটি বিক্রি করে এবং তার নিজের স্বার্থে অর্থ ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(গ) A এবং B একটি ঘোড়ার যৌথ মালিক। A, ঘোড়াটি B-এর দখল থেকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। যেহেতু A-এর ঘোড়া ব্যবহারের অধিকার আছে, এটি অসৎ আত্মসাৎ নয়। তবে, যদি A ঘোড়াটি বিক্রি করে এবং পুরো অর্থ নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

৫৩.
Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা 46C অনুযায়ী, কোন তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম এবং ঠিকানা
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অপরাধের প্রকৃতি
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
  4. উভয় ক ও খ
সঠিক উত্তর:
উভয় ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় ক ও খ
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা 46C: গ্রেফতারকৃতদের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত পুলিশ কর্মকর্তা:
প্রতি জেলায় জেলা পুলিশ সুপার বা প্রতি মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (যা প্রযোজ্য) একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্ধারণ করবেন।
- সেই কর্মকর্তা সহকারী উপ-পরিদর্শক (Assistant Sub-Inspector) বা তার উচ্চতর র‍্যাঙ্কের হতে হবে।

তিনি প্রতিটি জেলা বা মহানগর সদর দফতর এবং প্রতিটি থানায় নিম্নলিখিত কাজ করবেন:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা সংরক্ষণ।
- সেই ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে তার তথ্য সংরক্ষণ।
- এই তথ্য প্রত্যেক থানা এবং জেলা বা মহানগর সদর দফতরে স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে, সর্বোত্তম হলে ডিজিটাল আকারে।

৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৯ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতকে প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দেওয়া
  2. সাক্ষীর চরিত্র যাচাই করা
  3. সব ধরনের প্রশ্ন অনুমোদন করা
  4. যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
সঠিক উত্তর:
যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন করা প্রতিরোধ করা।

ধারা ১৪৯ – যুক্তিসঙ্গত কারণে প্রশ্ন না করা হলে করা যাবে না:
ধারা ১৪৮-এ যে ধরণের প্রশ্ন উল্লেখ করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন শুধুমাত্র তখনই করা উচিত, যখন প্রশ্নকারী ব্যক্তির কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে মনে করার জন্য যে, প্রশ্নে যে অভিযোগ বা ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা সঠিক বা ভিত্তিসম্পন্ন।

Section 149- Question not to be asked without reasonable grounds:
No such question as is referred to in section 148 ought to be asked, unless the person asking it has reasonable grounds for thinking that the imputation which it conveys is well-founded.

৫৫.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় প্রদানকৃত মিথ্যা তথ্য যদি কোনো অপরাধের সংঘটন বা অপরাধী গ্রেফতারের সাথে সম্পর্কিত হয়, সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড 
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৫৬.
ডাকাতি করার প্রস্তুতি হিসেবে অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই ঘটনা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৭ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act, 1872-এর Section 8 অনুযায়ী, কোনো ঘটনার প্রস্তুতি (Preparation), অভিপ্রায় (Motive) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে অপরাধী ডাকাতি করার জন্য পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল, যা প্রস্তুতির প্রমাণ, সুতরাং এটি Section 8-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

৫৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক(২) অনুযায়ী, কখন ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে রাখতে পারবেন না?
  1. গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী না হলে
  2. গ্রেফতার বিশেষ অপরাধমূলক আইন অনুযায়ী হলে
  3. গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হলে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার প্রতিরোধমূলক আটক আইন অনুযায়ী হলে
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক: গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কিত ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য:

উপ-ধারা (১):
যদি কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চায় যে, যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় হেফাজতে আছেন তাকে নতুন মামলায় দেখিয়ে গ্রেফতার করা হোক, তবে: ম্যাজিস্ট্রেট এমন অনুরোধ অনুমোদন করবেন না, যদি না গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তার সামনে উপস্থাপন করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার ডায়রি এন্ট্রির কপি দেখানো হয়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে শুনানির সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনটি যথাযথ ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

উপ-ধারা (২):
ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে রাখতে অনুমোদন দেবেন না, যদি পুলিশ ফরওয়ার্ডিং রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেফতারটি প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইন অনুযায়ী আটক করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

উপ-ধারা (৩):
যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যথাযথ কারণ থাকে বোঝার যে, কোনো কর্মকর্তা যার কাছে কারাগারে কোনো ব্যক্তিকে আটক করার বৈধ ক্ষমতা আছে, আইনের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির 220 ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেবেন।

৫৮.
'ক' তার সম্পত্তি এমনভাবে হস্তান্তর করে যা, তার স্ত্রীর জীবনকাল এবং নাবালক ছেলে যিনি ২১ বছর বয়স পূর্ণ করবে তার পর কার্যকর হবে। উক্ত হস্তান্তর সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. শর্তসাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খ) বাতিল।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ১৪ অনুযায়ী,
কোনো সম্পত্তি এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের সময় জীবিত ব্যক্তির জীবনকাল + নাবালকের বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে।

উদাহরণে, ‘ক’ সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন তার স্ত্রীর জীবনকাল + নাবালক ছেলে ২১ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পরে কার্যকর হবে। এটি ধারা ১৪-এর চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম লঙ্ঘন করছে, তাই বাতিল।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ১৪: চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম-
কোন সম্পত্তি এরূপ ভাবে হস্তান্তর করা যাবে না, যা হস্তান্তরের তারিখে জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং এরূপ জীবন কালের অব্যবহিত পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। জীবিত ব্যাক্তির বা ব্যক্তিগণের জীবনকাল সমাপ্ত হওয়ার সময় ঐ নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে এবং নাবালক সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট স্বার্থ তার উপর বর্তাবে।

৫৯.
“Ut Lite Pendente Nihil Innovetur”- এই নীতি The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৪৮
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

“Ut Lite Pendente Nihil Innovetur” একটি লাতিন আইনসংক্রান্ত উক্তি, যার বাংলা অর্থ: “মোকদ্দমা চলমান অবস্থায় কিছু নতুন প্রবর্তন বা সৃষ্টি করা উচিত নয়।”

- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনগত কার্যাবলীর সময় বর্তমান অবস্থা (status quo) বজায় রাখা, যাতে কোন পক্ষ অন্যায় সুবিধা নিতে না পারে।

অর্থাৎ, যখন কোনো মামলা চলমান থাকে, তখন মোকদ্দমার প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো পরিস্থিতি বা পরিবর্তন প্রবর্তন করা যাবে না, যাতে বিচারের ন্যায্যতা এবং পক্ষগুলোর সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ: কোনো সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা চলাকালীন সময়ে সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না, কারণ এটি মামলার ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

⇒ এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

ধারা ৫২ অনুযায়ী,
কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

৬০.
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো নোটিশ জারি বা প্রদান না করা হয়, তবে অকৃষি জমির সহ-অংশীদার অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে পারবে-
  1. হস্তান্তরের পর যেকোনো সময়
  2. হস্তান্তরের ৪ মাসের মধ্যে
  3. হস্তান্তরের খবর জানার ৪ মাসের মধ্যে
  4. হস্তান্তরের খবর জানার ৩ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরের খবর জানার ৪ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরের খবর জানার ৪ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

Non-Agricultural Tenancy Act, 1949: ধারা ২৪ – সহ-অংশীদার বা হস্তান্তরকারীর সোজাসুজি জমির মালিকের ক্রয় অধিকার:
(১) যদি কোনো অকৃষি জমির অংশ বা শেয়ার, যা একজন অকৃষি ভাড়াটিয়ার অধীনে থাকে, হস্তান্তর করা হয়, তবে সেই জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার:
- ধারা ২৩ অনুযায়ী নোটিশ জারি ও প্রদান হওয়ার চার মাসের মধ্যে, অথবা
- যদি কোনো নোটিশ জারি বা প্রদান না করা হয়, তবে হস্তান্তরের খবর জানার চার মাসের মধ্যে,

আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন যাতে উক্ত অংশ বা শেয়ার তাদের বা তাদের মধ্যে যে কোন একজনের নামে হস্তান্তর করা হয়।

Section 24- Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
(1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be. 

৬১.
'ক', 'খ' এর নিকট ঋণী এবং 'খ' উক্ত ঋণ 'গ' কে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে 'খ', 'ক' এর নিকট টাকা চাইলে 'ক' হস্তান্তরের নোটিশ না পাওয়ায় 'খ' কে টাকা পরিশোধ করিল। এক্ষেত্রে এই ঋন পরিশোধ-
  1. বৈধ হবে
  2. অবৈধ হবে
  3. 'গ' এর অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
  4. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ধারা ১৩০ অনুযায়ী, যদি হস্তান্তরের দলিল সম্পাদিত হলেও দেনাদার বা তৃতীয় ব্যক্তি (যিনি হস্তান্তরের ব্যাপারে অবগত নয়) নোটিশ না পেয়ে ঋণ পরিশোধ করে, তবে সেই পরিশোধ হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ গণ্য হবে।

উদাহরণে, ‘ক’ হস্তান্তরের নোটিশ না পাওয়ায় ‘খ’ কে টাকা পরিশোধ করেছে। তাই এই পরিশোধ বৈধ, এবং ‘গ’ ‘ক’-এর বিরুদ্ধে টাকা আদায় করতে পারবে না।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ধারা ১৩০- নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তর:

(১) নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তর, পণসহ বা ব্যতিরেকে, তাহা শুধু হস্তান্তরকারী বা তাহার যথাযথ এজেন্ট দ্বারা স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা করা যাইবে এবং এইরূপ হস্তান্তর উক্ত দলিল সম্পাদনের মাধ্যমেই কার্যকর হইবে এবং ইহার দ্বারা হস্তান্তরকারীর ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে হউক না কেন, তাহার সকল অধিকার ও প্রতিকার হস্তান্তরগ্রহীতার উপর বর্তাইবে এবং কোনো নোটিশ দেওয়া হউক বা না হউক উক্ত হস্তান্তর কার্যকর থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উপরোক্ত দলিল সম্পাদিত না হইলে যে ঋণ বা দাবি হস্তান্তরকারী, দেনাদার বা অন্য কাহারও নিকট হইতে আদায় করা হইত, সেই ঋণ বা দাবি সম্পর্কিত দেনাদার বা অন্য কেহ (যে হস্তান্তরের পক্ষ নহে এবং তৎসম্পর্কে জানে না) কোনো আদান-প্রদান করিলে তাহা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ হইবে।

(২) কোনো নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তরগ্রহীতা, হস্তান্তরের ব্যাপারে উপরে বর্ণিত দলিল করিয়া উক্ত দাবি আদায়ের নিমিত্ত তাহার নিজ নামে মামলা শুরু বা কার্য করিতে পারিবেন এবং হস্তান্তরকারীর নিকট হইতে এই মামলা বা কাজের সম্মতি না নিয়া বা তাহাকে পক্ষ না করিয়াই তাহা করিতে পারিবেন।

ব্যতিক্রম- এই ধারার কোনো কিছুই জাহাজি বিমা বা অগ্নিবিমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না এবং বিমা আইন, ১৯৩৮ এর ধারা ৩৮ এর বিধানকে ক্ষুণ্ণ করিবে না।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' এর নিকট ঋণী এবং 'খ' উক্ত ঋণ 'গ' কে দিল। পরবর্তীতে 'খ' 'ক' এর নিকট টাকা চাহিলে 'ক' ১৩১ ধারায় 'গ' এর নিকট জারিকৃত হস্তান্তরের নোটিশ না পাইয়া 'খ' কে টাকা পরিশোধ করিল। এইক্ষেত্রে এই দেওয়া বৈধ হইবে এবং 'গ' টাকার জন্য মামলা করিতে পারিবে না।

(খ) 'ক' একটি জীবনবিমা করিল ও তাহার বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোনো ঋণ সংগ্রহের জন্য উক্ত বিমা এক ব্যাংকের নামে ট্রান্সফার করিল। 'ক' মৃত্যুবরণ করিলে উক্ত ব্যাংক, ধারা ১৩০ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশ ও ধারা ১৩২ এর বিধান সাপেক্ষে, বিমার সব টাকা পাইবে এবং 'ক' এর কোনো নির্বাহক থাকিলে তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে মামলা করিতে পারিবে।

৬২.
Nudum Pactum বলতে কী বোঝায়?
  1. বিনিময়যুক্ত চুক্তি
  2. প্রতিদানবিহীন চুক্তি
  3. আদালতে নথিভুক্ত চুক্তি
  4. রেজিস্ট্রেশনবিহীন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রতিদানবিহীন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদানবিহীন চুক্তি
ব্যাখ্যা

'Nudum Pactum' হলো সেই চুক্তি, যা কোনো consideration (বিবেচ্য বা বিনিময়) ছাড়া করা হয়। এজন্য এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। 

আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো:
"No consideration, no contract" – কোনো চুক্তি বৈধ হতে হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু মূল্য বা বিনিময় থাকা আবশ্যক।

 চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।

৬৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১১৬ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে প্রজার জোত সংযুক্ত করা যাবে?
  1. একই গ্রামের মধ্যে একাধিক প্রজার ভূখণ্ড থাকলে
  2. একাধিক গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
  3. একাধিক গ্রামের মধ্যে সরকারি খাস ভূমি থাকলে
  4. একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
সঠিক উত্তর:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
ব্যাখ্যা

• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.

৬৪.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৭২ বা ৭৬ এর অধীন রেজিস্ট্রার দলিল নিবন্ধনে অস্বীকৃতি জানালে, কত দিনের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1.  ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ৩০ দিন।

• The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:
(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

৬৫.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭ অনুযায়ী অবৈধ দখলের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩- ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড:
(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।

৬৬.
কোন চুক্তিকে Contingent Contract বলা হয়?
  1. চুক্তি যা তৎক্ষণাত কার্যকর হয়
  2. চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
  3. চুক্তি যা কোনো শর্তের আওতাধীন নয়
  4. চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে না
সঠিক উত্তর:
চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি (Contingent Contact):
কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

[A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. ]

উদাহরণ:
ক-এর বাড়ি পুড়ে গেলে খ, ক-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

৬৭.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীন গঠিত সালিশী কাউন্সিলের জারিকৃত সার্টিফিকেট অনুযায়ী প্রদেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করলে, বকেয়া কী হিসেবে আদায়যোগ্য হবে?
  1. জরিমানা
  2. অর্থদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণ
  4. ভূমি রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
ভূমি রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী প্রদেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

৬৮.
হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, নারীদের মধ্যে সপিণ্ড কারা?
  1. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, বোন, পিতার মাতা
  2. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, বোন, পিতার মাতার মাতা
  3. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, পিতার মাতা, পিতার পিতার মাতা
  4. স্ত্রী, কন্যা, মাতা, বোন, মাতার মাতা
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী, কন্যা, মাতা, পিতার মাতা, পিতার পিতার মাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী, কন্যা, মাতা, পিতার মাতা, পিতার পিতার মাতা
ব্যাখ্যা

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে।
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।
মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড।

আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।

৬৯.
স্বামী সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে, স্ত্রী মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর অধীন বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্বামী যদি ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে, এই ডিক্রি পাস করার আগে আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে রায় চূড়ান্ত হয়েছে। অর্থাৎ, রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা পুনর্বিচারের আবেদন থাকলে, যতক্ষণ না তা নিষ্পত্তি হয়, ততক্ষণ ডিক্রি পাস করা যাবে না।

৭০.
মুসলিম আইনে যদি বৈধ বিবাহ হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় কিন্তু দাম্পত্য সম্পর্ক পালন না হয়, স্ত্রী কী পরিমাণ দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী?
  1. নির্ধারিত পুরো দেনমোহর
  2. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
  3. উপযুক্ত দেনমোহর
  4. কোন দেনমোহর পাবে না
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক
ব্যাখ্যা

দেনমোহর হলো একটি বৈধ বিবাহে স্বামী তার স্ত্রীকে মর্যাদার প্রতীক হিসাবে যা প্রদান করে তাকেই দেনমোহর বলে। উপমহাদেশের বিখ্যাত আইনবিদ D.F MOLLAH বলেন, “Mahr or dower is a sum of money of the other property which the wife is entitled to receive from the husband in consideration of the marriage.” অর্থাৎ মোহর হলো এমন কোন সম্পদ বা অর্থ যা স্ত্রী তার স্বামীর নিকট হতে বিবাহের প্রতিদান হিসাবে পাওয়ার অধিকার রাখে।

এটি স্ত্রীর অধিকার এবং সম্মানের স্বীকৃতি। সাধারণত বৈধ বিয়ের পর দেনমোহর দিতেই হবে। স্বামী যদি দেনমোহর প্রদান না করে মারাও যান তবুও স্ত্রী স্বামীর সম্পদ থেকে দেনমোহর আদায় করতে পারেন বা আদায় না হওয়া পর্যন্ত তার অধিকারে রাখতে পারেন। তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে যখন কিনা স্ত্রী কোন দেনমোহর পান না বা অর্ধেক দেনমোহর প্রাপ্য হোন।

­যখন স্ত্রী অর্ধেক দেনমোহর পাবেঃ
যদি বৈধ বিবাহ হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় কিন্তু যদি স্ত্রীয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক কিংবা দাম্পত্য নির্জনতা না পালন হয় সেক্ষেত্রে অর্ধেক দেনমোহর দিতে হবে। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন-

“আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।” (আল কুরআন ২:২৩৭)

এছাড়া Taibi vs Nathai Sharif (1940)2MLJ345=191IC728 এই মামলায়ও আদালত এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন- If the marriage was not consummated and the amount of dower was specified in the contract she is entitled to half of the amount the amount.

স্ত্রী কখন কোন দেনমোহর নাও পেতে পারেনঃ
যদি বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সহবাস অথবা দাম্পত্য নির্জনতা পালিত হওয়ার পূর্বে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং যদি দেনমোহর নির্ধারিত না থাকে তাহলে কোন দেনমোহর পাওয়া থেকে স্ত্রী বঞ্চিত হতে পারেন।

৭১.
'Beneficiary' কাকে বলা হয়?
  1. যে ব্যক্তি উইল তৈরি করেন
  2. যে ব্যক্তি উইল কার্যকর করেন
  3. যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করে
  4. যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করে
ব্যাখ্যা

উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত।

Testator-
যে ব্যক্তি উইল তৈরি করে, অর্থাৎ যিনি মৃত্যুর পর নিজের সম্পত্তি কাকে কী দেবেন, তা নির্ধারণ করেন।

Beneficiary-
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বা উপকার লাভ করে। উইলের মাধ্যমে যার নামে সম্পত্তি বা অন্য কোনো সুবিধা (উপহার, টাকা, জমি ইত্যাদি) নির্দিষ্ট করা হয়, তিনি উইলের সুবিধাভোগী বা Beneficiary। Beneficiary উইলদাতার (Testator) মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হলে সম্পত্তি গ্রহণের অধিকার লাভ করেন। একজন উইলে একাধিক Beneficiary থাকতে পারেন।

Heir-
উইল না থাকলে যে ব্যক্তি শরিয়ত বা উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি লাভ করে।

Executor-
যিনি Testator-এর মৃত্যুর পর উইলের শর্ত অনুযায়ী সম্পত্তি বিতরণ করেন।

৭২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় কোন আদালতের বিশেষ এখতিয়ার থাকবে?
  1. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সালিশী কাউন্সিল গঠিত হয়েছে
  2. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্বামী বসবাস করেন
  3. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী বসবাস করেন
  4. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী বসবাস করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী বসবাস করেন
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৬- মোকদ্দমা দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমা সেই পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করিতে হইবে যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে-
(ক) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে; অথবা
(খ) পক্ষগণ একত্রে বসবাস করেন বা সর্বশেষ বসবাস করিয়াছিলেন:

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় সেই আদালতেরও এখতিয়ার থাকিবে, যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী সাধারণত বসবাস করেন।

৭৩.
একজন হানাফি মুসলিম নারী তার স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মাতাকে রেখে মারা গেল। তার মাতার অংশ কত হবে?
  1. ১/৩ অংশ
  2. ১/৬ অংশ
  3. ১/৬ + অবশিষ্টাংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা

• ইসলামে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে মায়ের অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে-
- ১/৬,
- ১/৩ এবং
- অবশিষ্টাংশের ১/৩ (1/3 of residue)।

যখন ১/৬ অংশ পায়:
- যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান-সন্ততি থাকে, কন্যা, পুত্রের পুত্র-এভাবে নিচের দিকে কেউ না থাকলে;
- যদি মৃত ব্যক্তির দুইয়ের অধিক ভাই বা বোন থাকে। ভাই বা বোন আপন, বৈপিত্রেয় বা বৈমাত্রেয় হতে পারে।

যখন ১/৩ অংশ পায়:
-  যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান না থাকে;
- যদি মৃত ব্যক্তির একের অধিক ভাই বা বোন না থাকে

যখন অবশিষ্টাংশের ১/৩ অংশ পাবে: এই ব্যতিক্রম অংশ শুধু দুটি ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যেগুলো হলো–
- যদি উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বামী, বাবা ও মা কে রেখে কোন মহিলা মারা যান এবং
- যদি উত্তরাধিকারী হিসেবে স্ত্রী, বাবা ও মা কে রেখে কোনো পুরুষ মারা যান।
- এই নীতি Umriyatin Rule হিসেবে পরিচিত।

⇒ হানাফি আইন অনুযায়ী, স্ত্রী মারা গেলে সন্তান থাকলে স্বামী ১/৪ ভাগ পাবেন।
- দুটি কন্যা  মিলিয়ে ২/৩ ভাগ পাবে।
- মায়ের অংশ ১/৬ ভাগ।
- শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, পিতা জীবিত থাকলে তার অংশ নির্ধারণের জন্য অনেক বিষয় থাকতে পারে, তবে সাধারণভাবে, দুটি কন্যা এবং স্বামী থাকলে পিতা ১/৬ অংশ পাবে এবং আসাবা হিসেবে অবশিষ্টাংশও পাবেন। সুতরাং, পিতা পাবে ১/৬ + অবশিষ্টাংশ।

৭৪.
অনাগত (ভবিষ্যতের) ব্যক্তিকে দেওয়া দান ইসলামি আইনে-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. প্রতিদান সাপেক্ষে অনুমোদিত
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে হেবা একটি বিশেষ চুক্তি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায়, কোনো প্রকার বিনিময় বা প্রতিদান ছাড়া, নিজের সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে। এটি মূলত একটি দান বা উপহার, যা স্থাবর (যেমন জমি, বাড়ি) এবং অস্থাবর (যেমন টাকা, গহনা) – উভয় প্রকার সম্পত্তির ক্ষেত্রেই করা যায়।

একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

দান বৈধ হওয়ার শর্তাবলি:
- দাতাকে সম্পূর্ণ অধিকার ও সক্ষমতার মালিক হতে হবে।
- গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত এবং বিদ্যমান (in existence) হতে হবে।
- সম্পত্তি অবশ্যই বিদ্যমান, চিহ্নিত এবং হস্তান্তরযোগ্য হতে হবে।
- দাতা থেকে গ্রহীতার কাছে একটি স্পষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে এবং গ্রহীতা তা গ্রহণ করতে হবে।
- সম্পত্তির দখল প্রকৃতভাবে গ্রহীতার কাছে স্থানান্তর করতে হবে।

ইসলামী আইনের শর্ত অনুযায়ী,
গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত থাকতে হবে। অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তাকে কিছু প্রদান করা সম্ভব নয়। যেহেতু অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তার পক্ষে দখল গ্রহণ বা তা ব্যবহার করা সম্ভব নয়। অনাগত ব্যক্তিকে আইনগতভাবে কোনো অধিকার দেওয়া সম্ভব নয়। একারণে ইসলামী আইনে অনাগত ব্যক্তিকে দেওয়া উপহার বাতিল (void) হিসেবে গণ্য হয়। এটি সম্পূর্ণ অকার্যকর এবং এর কোনো আইনি বৈধতা নেই।

৭৫.
নিচের কোনটি অননুমোদিত হিন্দু বিবাহের প্রকার?
  1. আর্য
  2. দৈব
  3. অসুর
  4. প্রজাপত্য
সঠিক উত্তর:
অসুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসুর
ব্যাখ্যা

• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।

৭৬.
যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দৈব-দূর্বিপাকের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন সম্ভব না হয়, তবে পরবর্তী কত দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৯০ দিনের মধ্যে
  4. ১২০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে।

সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময় -

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

(৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

৭৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৭ অনুযায়ী, রাষ্ট্র আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে ____________ শিক্ষাদানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
  1. অবৈতনিক ও স্বেচ্ছামূলক
  2. অবৈতনিক ও প্রাথমিক
  3. প্রাথমিক ও স্বেচ্ছামূলক
  4. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education-
The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.

৭৮.
“The Power Under the Constitution Will Always Be in the People”- কে বলেছেন?
  1. Benjamin Franklin
  2. George Washington
  3. Abraham Lincoln
  4. Ronald Reagan
সঠিক উত্তর:
George Washington
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Washington
ব্যাখ্যা

“The power under the Constitution will always be in the people” — এই বিখ্যাত উক্তিটি বলেছেন George Washington (জর্জ ওয়াশিংটন), যিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং মার্কিন সংবিধানের অন্যতম প্রধান রক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। এটি George Washington-এর ১৭৮৭ সালের ১০ নভেম্বর Bushrod Washington-কে লেখা এক ঐতিহাসিক চিঠি থেকে নেওয়া।

⇒ এই উক্তির মাধ্যমে জর্জ ওয়াশিংটন বোঝাতে চেয়েছিলেন যে-

• জনগণই রাষ্ট্রের মূল উৎস-
সংবিধান জনগণের সম্মতিতে গঠিত, তাই সরকার জনগণের ইচ্ছার বাইরে কিছু করতে পারে না।

• সরকার জনগণের প্রতিনিধি মাত্র-
তারা জনগণের হয়ে প্রশাসন চালায়, কিন্তু জনগণই ক্ষমতার উৎস ও নিয়ন্ত্রক।

• সংবিধান জনগণের অধিকার রক্ষা করে-
সরকার সংবিধানের অধীনে চলে, আর সংবিধান জনগণের ইচ্ছা ও স্বাধীনতার প্রতিফলন।

⇒ এই ধারণাটি এসেছে American Constitution (1787) প্রণয়নের সময়কার ভাবনা থেকে। তখন আমেরিকার জনগণ ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করতে চেয়েছিল যেখানে রাজা নয়, জনগণই হবে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানেও একই মূলনীতি প্রকাশিত হয়েছে-
“The Republic shall be a democracy in which all powers belong to the people.” (বাংলাদেশ সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৭)

অর্থাৎ, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা জনগণের এবং সংবিধান জনগণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা প্রদান করে।

৭৯.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারা নিশ্চিত করে যে, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকেও ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩০: অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ:
এই আইনের মধ্যে ‘সংসদে গৃহীত আইন’ শব্দগুচ্ছ, যেখানে-যেখানে এটি ব্যবহার করা হয়েছে (ধারা ৫ ব্যতীত), এবং ‘আইন’ শব্দটি ধারা ৩-এর উপধারা (৯), (১২), (৩৮), (৪৮) ও (৫০) এবং ধারা ২৫-এ ব্যবহৃত হয়েছে, তা এমনভাবে গণ্য হবে যে এটি অর্ডিন্যান্সকেও অন্তর্ভুক্ত করে, যা প্রণীত ও প্রচলিত হয়েছে যে কেউ সংবিধানের কোনো বিধানের অধীনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দ্বারা সংবিধানের অধীনে।

⇒ এই ধারা নিশ্চিত করে যে, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকেও ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

৮০.
According to the Constitution of Bangladesh, The people of Bangladesh as a nation are known as -
  1. Bangladeshis
  2. Bengalis
  3. Bangalees
  4. Bangabanshis
সঠিক উত্তর:
Bangalees
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangalees
ব্যাখ্যা

Article 6 of the Constitution of Bangladesh: Citizenship-
(1) The citizenship of Bangladesh shall be determined and regulated by law. 
(2) The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshies.

অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব-
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলিয়া পরিচিত হইবেন।

৮১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগের বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৮
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৯৮- সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ:
সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির নিকট সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবেন, কিংবা তিনি উপযুক্ত বিবেচনা করিলে হাইকোর্ট বিভাগের কোন বিচারককে যে কোন অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপীল বিভাগের আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের অধীন বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে কিংবা বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন আরও এক মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে বর্তমান অনুচ্ছেদের কোন কিছুই নিবৃত্ত করিবে না।

৮২.
“Res Ipsa Loquitur” শব্দগুচ্ছের অর্থ কী?
  1. গুপ্ত ঘটনা
  2.  স্বব্যক্ত ঘটনা
  3. অপ্রয়োজনীয় সাক্ষ্য
  4. পক্ষপাতিত্বমূলক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
 স্বব্যক্ত ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 স্বব্যক্ত ঘটনা
ব্যাখ্যা

Res ipsa loquitur:
- এর অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা,- The thing speaks for itself.
- এটি আইনের একটি ধারণা, যা সাধারণত "Rule of evidence" বা প্রমাণের নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Res Ipsa Loquitur একটি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ঘটনার প্রকৃতি নিজেই বলে দেয় যে কোন অবহেলা (negligence) হয়েছে। এখানে সরাসরি প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, কারণ ঘটনা বা দুর্ঘটনার অবস্থা এমন হয় যে এটি বিবেচনা করা হয় "এই ধরণের ঘটনা স্বাভাবিকভাবে কারো অবহেলা ছাড়া ঘটে না।"

উদাহরণ:
ধরা যাক, একজন রোগীর পেটে অপারেশনের পর ডাক্তার একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র রেখে দিয়েছেন। এমন ঘটনা কখনোই চিকিৎসকের অবহেলা ছাড়া ঘটতে পারে না। সুতরাং Res Ipsa Loquitur এখানে প্রযোজ্য হবে।