পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬৩ বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. শব্দপ্রকরণ [সমাস; উপসর্গ ও অনুসর্গ] ২. পদ-প্রকরণ [পদ ও এর শ্রেণিবিভাগ] ৩. বাক্য প্রকরণ [বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ; বাক্য ও উক্তির পরিবর্তন; কারক ও বিভক্তি; বাচ্য ও বাচ্যের পরিবর্তন।] এবং বিষয় - মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. বানান ও ভাষা (Spelling and Language) ২. যান্ত্রিক দক্ষতা (Mechanical Reasoning) ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৮ প্রশ্ন

.
"অজ; অনা" - কোন প্রকারের উপসর্গ?
  1. তৎসম উপসর্গ
  2. খাঁটি বাংলা উপসর্গ
  3. ফারসি উপসর্গ
  4. আরবি উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ
ব্যাখ্যা

খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়।
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
যথা:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

অন্যদিকে, 
- তৎসম উপসর্গ ২০ টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
- ফারসি উপসর্গ- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- আরবি উপসর্গ- আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
"চোখেমুখে" - কোন ধরনের দ্বন্দ্ব সমাস? 
  1. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
  2. সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
  3. অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
  4. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা

• অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদগুলোর বিভক্তি সমস্ত পদেও যুক্ত থাকে বা বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
অর্থাৎ কিছু দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হলেও বিদ্যমান থাকে। এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।
যেমন:
- কোলে ও পিঠে = কোলেপিঠে;
- দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে;
- চোখে ও মুখে = চোখেমুখে;
- ধীরে ও সুস্থে = ধীরেসুস্থে;
- হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- দিন ও রাত = দিনরাত; বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের দৃষ্টান্ত।
- হাট ও বাজার = হাটবাজার; সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস।
- অহি ও নকুল = অহিনকুল; বিরোধার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।

.
অনুসর্গ হচ্ছে এক ধরনের-
  1. শব্দাংশ
  2. অক্ষর
  3. শব্দ
  4. অলঙ্কার
সঠিক উত্তর:
শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ
ব্যাখ্যা

অনুসর্গ- 
- অনুসর্গ হচ্ছে এক ধরনের — শব্দ। যার নিজস্ব অর্থ আছে। 
- যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সাথে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন-
সে কাজ ছাড়া কিছুই বোঝে না।- এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

.
উপসর্গ সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. রামছাগল
  2. সাজিরা
  3. প্রচলন
  4. সার্বভৌম
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌম
ব্যাখ্যা

• সার্বভৌম - উপসর্গ সাধিত শব্দ নয়।
- এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
- 'সার্বভৌম' শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় : সর্বভূমি  + ষ্ণ।

অন্যদিকে,
- রামছাগল - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'রাম' রয়েছে।
- সাজিরা - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'সা' রয়েছে।
- প্রচলন - তৎসম উপসর্গ 'প্র' রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. কয়জন
  2. করণীয় 
  3. লাজ
  4. অবজ্ঞেয়
সঠিক উত্তর:
লাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাজ
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য পদ:
- কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে। বাক্যমধ্যে ব্যবহৃত যে সমস্ত পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় তাদের বিশেষ্য পদ বলে।

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য ,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য,
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

• বিশেষ্য পদ - লাজ।

শব্দের অর্থ:
- লজ্জা সরম।

অন্যদিকে,
• বিশেষণ পদ - কয়জন, করণীয়, অবজ্ঞেয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
তৎপুরুষ সমাস সাধিত পদ কোনটি?
  1. সাহিত্যসভা
  2. গরুরগাড়ি
  3. মাতাপিতা
  4. মুখচন্দ্র
সঠিক উত্তর:
গরুরগাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরুরগাড়ি
ব্যাখ্যা

তৎপুরুষ সমাস:
- সমাস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস।
- এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

অলুক তৎপুরুষ:
 কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লােপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুষ।
যেমন:
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা।
- গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি।

অন্যদিকে:
- 'সাহিত্যসভা' - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
- 'মাতাপিতা' - মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস।
- 'মুখচন্দ্র' - উপমিত কর্মধারয় সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৮ সংস্করণ)।

.
"ফুলে ফুলে ভরে গেছে স্মৃতিসৌধের বেদি।" - এখানে 'ফুলে ফুলে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে ৭মী
  2. অধিকরণে ৭মী
  3. করণে ৭মী
  4. অপাদানে ৭মী
সঠিক উত্তর:
করণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণে ৭মী
ব্যাখ্যা

• ‘ফুলে ফুলে ভরে গেছে স্মৃতিসৌধের বেদি।’ - এখানে " ফুলে ফুলে" করণ কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। 

করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- ‘করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে ‘কার দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।

• "ফুলে ফুলে ভরে গেছে স্মৃতিসৌধের বেদি।" - এ বাক্যে ক্রিয়াকে 'কী উপায়ে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়- ফুলে ফুলে। তাই 'ফুলে ফুলে' করণ কারক। এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি - 'এ' যুক্ত হয়েছে।

করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ: 
সপ্তমী বা এ বিভক্তি : ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে।
তে বিভক্তি : লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।
য় বিভক্তি : চেষ্টায় সব হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

.
"হররোজ" - শব্দের উপসর্গ 'হর' কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অধীন
  2. প্রত্যেক
  3. মধ্যস্থ
  4. আধা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক
ব্যাখ্যা

• উর্দু-হিন্দি উপসর্গ - 'হর'। 
- 'প্রত্যেক' অর্থে ব্যবহৃত হয়। 
উদাহরণ:
- হররোজ, হরমাহিনা, হরকিসিম, হরহামেশা। 
---------------
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উর্দু-হিন্দি উপসর্গ - 'হর'। 

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা দ্বিতীয় পত্র (এসএসসি প্রোগ্রাম) : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
"সে একজন দক্ষ কারিগর" - এখানে 'দক্ষ' কোন ধরনের বিশেষণ?
  1. অবস্থাবাচক
  2. রূপবাচক
  3. গুণবাচক
  4. নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক
সঠিক উত্তর:
গুণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুণবাচক
ব্যাখ্যা

• "সে একজন দক্ষ কারিগর" - এখানে 'দক্ষ' গুণবাচক বিশেষণ।
--------------------
নাম বিশেষণ:
যে বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষিত করে, তাকে নাম বিশেষণ বলে।

নাম বিশেষণের প্রকারভেদ :
ক. রূপবাচক : নীল আকাশ, কালো মেঘ;
খ. গুণবাচক : দক্ষ কারিগর, ঠাণ্ডা হাওয়া।
গ. অবস্থাবাচক : তাজা মাছ, রোগা ছেলে;
ঘ. সংখ্যাবাচক : হাজার লোক, দশ টাকা।
ঙ. ক্রমবাচক : দশম শ্রেণি, প্রথমা কন্যা;
চ. পরিমাণবাচক : পাঁচ শতাংশ ভূমি, দু কিলোমিটার রাস্তা।
ছ. অংশবাচক : অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ;
জ. উপাদানবাচক : বেলে মাটি, মেটে কলসি।
ঝ. প্রশ্নবাচক : কতদূর পথ, কেমন অবস্থা;
ঞ. নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক : এই লোক, ছাব্বিশে মার্চ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১০.
প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের যে সমাস হয় তাকে কোন সমাস বলে?
  1. ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস 
  2. প্রাদি সমাস
  3. অব্যয়ীভাব সমাস
  4. নিত্য সমাস
সঠিক উত্তর:
প্রাদি সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদি সমাস
ব্যাখ্যা

প্রাদি সমাস:
- প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যেও সমাস হয় তাকে বলে প্রাদি সমাস।

যেমন:
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি= প্রগতি'
- প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন,
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত = প্রভাত।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
কোন শব্দটি পরোক্ষ উক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ইহা
  2. এখানে
  3. আগেরদিন
  4. এখন
সঠিক উত্তর:
আগেরদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগেরদিন
ব্যাখ্যা

প্রত্যক্ষরূপ - পরোক্ষরূপ:
• আগামীকাল - পরদিন,
• এই - সেই,
ইহা - তাহা,
• গতকাল - আগেরদিন,
• আজ - সেদিন,
• গতকল্য - পূর্বদিন,
এখানে - সেখানে,
• ওখানে - ঐখানে,
এখন - তখন,
• এ - সে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।

১২.
কোনটি অনুসর্গ নয়?
  1. ব্যতীত
  2. অভিমুখে
  3. কর্তৃক
  4. স্বয়ং
সঠিক উত্তর:
স্বয়ং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বয়ং
ব্যাখ্যা

• কর্তৃক, ব্যতীত, অভিমুখে → এগুলো অনুসর্গ।
• স্বয়ং → এটি অব্যয় শব্দ, কিন্তু অনুসর্গ নয়। (যেমন: "স্বয়ং সে পরিশ্রম করেছে।")।

------------------
অনুসর্গ: 
- যেসব শব্দ কোনাে শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন - 
• সে কাজ ছাড়া কিছুই বােঝে না।
এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ।

• কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
- অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, চেয়ে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতাে, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি। 

অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
- সাধারণ অনুসর্গ ও 
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।

১৩.
নিম্নলিখিত কোন বাক্যে ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ রয়েছে?
  1. আশেপাশের পরিবেশটা সুন্দর।
  2. ইশরাক ভালো মানুষ।
  3. জায়গাটা সংকীর্ণ।
  4. জেট বিমান খুব দ্রুত চলে।
সঠিক উত্তর:
জেট বিমান খুব দ্রুত চলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেট বিমান খুব দ্রুত চলে।
ব্যাখ্যা

• বিশেষণীয় বিশেষণ:
- যে পদ নাম-বিশেষণ অথবা ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করে ,তাকে বিশেষণের বিশেষণ বা বিশেষণীয় বিশেষণ বলে।
যেমন:

• নাম-বিশেষনের বিশেষণ হলো:
- সামান্য একটু দুধ দাও।
- এ ব্যাপারে সে অতিশয় দুঃখিত।

• ক্রিয়া-বিশেষণের বিশেষণ:
- রকেট অতি দ্রুত চলে।

-------------
• প্রশ্নের বাক্যটি - জেট বিমান খুব দ্রুত চলে।
এখানে "খুব" হলো ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ, কারণ এটি "দ্রুত" ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করছে।

অন্যদিকে,
ক) "আশেপাশের পরিবেশটা সুন্দর।"
এখানে "সুন্দর" একটি বিশেষণ (adjective) যা পরিবেশ শব্দটিকে বর্ণনা করছে। এটি কোনো ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ নয়, কারণ এটি সরাসরি একটি বিশেষণ।

গ) "ইশরাক ভালো মানুষ।"
এখানে "ভালো" একটি বিশেষণ। এখানে কোনো ক্রিয়া বিশেষণ বা ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ নেই।

ঘ) "জায়গাটা সংকীর্ণ।"
এখানে "সংকীর্ণ" একটি বিশেষণ (adjective) যা জায়গা শব্দটিকে বর্ণনা করছে। এটি ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ নয়, কারণ এখানে কোনো ক্রিয়া বিশেষণ নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৪.
কোন শব্দটিতে "বিশেষ রূপ" বোঝাতে 'পরি' উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পরিশেষ
  2. পরিপূর্ণ
  3. পরিমাণ
  4. পরিমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
পরিপূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিপূর্ণ
ব্যাখ্যা

”পরি” উপসর্গটি যেসব অর্থে ব্যবহৃত হয়:
• ”বিশেষ” অর্থে: পরিপক্ব, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন।
• ”শেষ” অর্থে: পরিশেষ
• ”সম্যক” অর্থে: পরিশ্রান্ত, পরীক্ষা, পরিমাণ
• ”চতুর্দিক” অর্থে: পরিভ্রমণ, পরিমণ্ডল

উল্লেখ্য,
- ”পরি” একটি তৎসম উপসর্গ।
- তৎসম উপসর্গ বিশটি, যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ,নবম ও দশম শ্রেণি ২০১৯ সালের সংস্করণ।

১৫.
কোন বাক্যটিতে ক্রিয়াজাত অনুসর্গের ব্যবহার হয়েছে? 
  1. পাহাড়ের উপরে মেঘ ভাসছে।
  2. আমার কাছে কোনো টাকা নেই।
  3. দেশের জন্যে অনেকে জীবন দিয়েছেন।
  4. বুদ্ধি দিয়ে সমস্যার সমাধান করো।
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি দিয়ে সমস্যার সমাধান করো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি দিয়ে সমস্যার সমাধান করো।
ব্যাখ্যা

অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
- সাধারণ অনুসর্গ ও
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।

সাধারণ অনুসর্গ- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধারণ অনুসর্গ বলা হয়।
যেমন,
উপরে- পাহাড়ের উপরে মেঘ ভাসছে।
কাছে- আমার কাছে কোনো টাকা নেই।
জন্যে- দেশের জন্যে অনেকে জীবন দিয়েছেন।
দ্বারা- এই কাজটি আমার দ্বারা সম্ভব নয়।

ক্রিয়াজাত অনুসর্গ- অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন,
করে- পরিশ্রম করে সফলতা অর্জন করতে হয়।
দিয়ে- বুদ্ধি দিয়ে সমস্যার সমাধান করো।
ধরে- বছরের পর বছর ধরে এই প্রথা চলে আসছে।
থেকে- সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নমব-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৬.
"আসমুদ্রহিমাচল" - এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. সমুদ্র ও হিমাচল
  2. আসমুদ্র থেকে হিমাচল
  3. আসমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত
  4. সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

"আসমুদ্রহিমাচল" - এর সঠিক ব্যাসবাক্য - সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত।
--------------------
• অব্যয়ীভাব সমাস:

- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে ।
অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন, 
জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় ‘আ’) = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ।

• সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্‌সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।

নিম্নে কিছু অব্যয়ীভাব সমাসের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:
• কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ,
• কূলের সমীপে = উপকূল।
• দিন দিন = প্রতি দিন,
• ক্ষণে ক্ষণে = প্রতিক্ষণে,
• আমিষের অভাব = নিরামিষ,
• সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল,
• পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক,
• শহরের সদৃশ = উপশহর,
• গ্রহের তুল্য = উপগ্রহ,
• বনের সদৃশ উপবন,
• রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি,
• বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৭.
"ওগো, আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে।" - নিম্নরেখ অব্যয়টি কোন অর্থ প্রকাশ করে?
  1. উচ্ছ্বাস
  2. সম্মতি
  3. সম্বোধন
  4. নিরাশা
সঠিক উত্তর:
সম্বোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্বোধন
ব্যাখ্যা

• অনন্বয়ী অব্যয়:
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোন সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীন ভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
যেমন:
- উচ্ছ্বাস প্রকাশে: মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!
- সম্মতি অর্থে: আজ আমি আলবত যাবো।
- সম্বোধন অর্থে: 'ওগো, আজ তোরা যাসনে ঘরের বাহিরে'। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।

১৮.
"ছিনতাইকারীরা পথিকের মাথায় লাঠি মেরেছে।" - এখানে, 'মাথায়' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদানে ৭মী 
  2. করণে ৭মী
  3. অধিকরণে ৭মী
  4. কর্মে ৭মী
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
ব্যাখ্যা

• অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত এ, য়, য়ে, তে ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- ছিনতাইকারীরা পথিকের মাথায় লাঠি মেরেছে (অধিকরণে সপ্তমী)।
- কোথায় মেরেছে? উত্তর: মাথায়। এবং এর সাথে 'য়' অর্থ্যাৎ সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।

সুতরাং,
"ছিনতাইকারীরা পথিকের মাথায় লাঠি মেরেছে।" - এখানে 'মাথায়' অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৯.
কোনটি বিভক্তিযুক্ত অনুসর্গ?
  1. অপেক্ষা
  2. অবধি
  3. বনাম
  4. বাইরে
সঠিক উত্তর:
বাইরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইরে
ব্যাখ্যা

বিভক্তির ভিত্তিতে বাংলা ব্যাকরণের অনুসর্গ গুলোকে বিভক্তিহীন ও বিভক্তিযুক্ত এ দুই অবস্থায় দেখা যায়।
যথা:

• বিভক্তিহীন অনুসর্গ:
কিছু অনুসর্গ গঠনের দিক থেকে বিভক্তিহীন। যেমন: অপেক্ষা, অবধি, কর্তৃক, ছাড়া, দ্বারা, নাগাদ, পর্যন্ত, প্রতি, বিনা, ব্যতীত, মতো। ফারসি অনুসর্গ বিভক্তিহীন : দরুন, বনাম, বরাবর, বাবদ।]

• বিভক্তিযুক্ত অনুসর্গ:
এ জাতীয় অনুসর্গের অধিকাংশই নাম অনুসর্গ '-এ' বিভক্তিযুক্ত।
যেমন: আগে, পরে, কাছে, কারণে, দিকে, নিচে, পাশে, পেছনে, বাইরে, ভেতরে, মধ্যে, মাঝে, সঙ্গে, সাথে, সামনে, সম্মুখে।

- ক্রিয়া অনুসর্গগুলো '-ইয়া জাত-এ' বিভক্তিযুক্ত। যেমন-করে, চেয়ে, থেকে, দিয়ে, লেগে, হতে। কোনে কোনো ফারসি অনুসর্গ 'এ' বিভক্তি যোগে গঠিত। যেমন-বদলে, বাদে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
কোনটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য?
  1. আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম।
  2. তারা তোমাদের ভোলেনি।
  3. আমাকে একটি কলম দাও।
  4. সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?
সঠিক উত্তর:
আমাকে একটি কলম দাও।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাকে একটি কলম দাও।
ব্যাখ্যা

অনুজ্ঞাসূচক বাক্য:
- আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হয় ।

যেমন:
- আমাকে একটি কলম দাও।
- তার মঙ্গল হোক ।

উল্লেখ্য,
বিবৃতিমূলক বাক্য - আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম। তারা তোমাদের ভোলেনি।
প্রশ্নবোধক বাক্য - তোমার নাম কী? সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?
আবেগসূচক বাক্য - কী বীভৎস, এই নারকীয় হত্যাকান্ড।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২১.
কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. মন দেওয়া
  2. উদয় হওয়া
  3. কমে আসা
  4. পকেট মারা
সঠিক উত্তর:
কমে আসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে আসা
ব্যাখ্যা

• যৌগিক ক্রিয়া:
- অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন -
- মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দাঁড়ানো, বেঁধে দেওয়া, বুঝে নেওয়া, বলে ফেলা, করে তোলা, চেপে রাখা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• সংযোগ ক্রিয়া: 
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন - 
মন দেওয়া, উদয় হওয়া, বড়ো হওয়া, রাজি হওয়া, পকেট মারা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ ও ২০১৯)।

২২.
'বিষাদসিন্ধু' - কোন সমাস সাধিত?
  1. রূপক কর্মধারয়
  2. উপমান কর্মধারয়
  3. উপমিত কর্মধারয়
  4. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
সঠিক উত্তর:
রূপক কর্মধারয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপক কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

• রূপক কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় বা উপমিত পদে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- কাল রূপ চক্র = কালচক্র, 
- প্রাণ রূপ প্রিয় = প্রাণপ্রিয়, 
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, 
- জ্ঞান রূপ আলোক = জ্ঞানালোক ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৩.
‘কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিয়া’ - এ বাক্যে ‘হেতু’ অনুসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করছে?
  1. মতো
  2. নিমিত্ত
  3. ন্যায় 
  4. মাঝারে
সঠিক উত্তর:
নিমিত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিমিত্ত
ব্যাখ্যা

• ‘কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিয়া’ বাক্যে ‘হেতু’ অনুসর্গটি 'নিমিত্ত' অর্থ প্রকাশ করছে।

উল্লেখ্য,
নিমিত্ত শব্দের অর্থ- উপলক্ষ; উদ্দেশ্য; প্রয়োজন।

কিছু অনুসর্গের ব্যবহার: 
• 'বোকার মতো কাজ করো না।'- 'মতো' অনুসর্গটি 'ন্যায়' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• আমার কাছে আর কে আসবে?- 'কাছে' অনুসর্গটি 'নিকট' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• নিমেষ মাঝেই সব শেষ।- 'মাঝে' অনুসর্গটি 'ক্ষণকাল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 
• ‘সীমার মাঝে অসীম তুমি।' - 'মধ্যে' অর্থে অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। 
• 'এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল।' - এখানে 'মাঝে' অনুসর্গটি 'একদেশিক' অর্থে' ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'আছ তুমি প্রভু, জগৎ মাঝারে।' - 'মাঝারে' অনুসর্গটি 'ব্যাপ্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'সীমার মাঝে অসীম তুমি।' - এখানে 'মাঝে' অনুসর্গটি 'মধ্যে' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'নিমেষ মাঝেই সব শেষ।' - 'মাঝে' অনুসর্গটি 'ক্ষণকাল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৪.
কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে ভাববাচ্যে রূপান্তরিত করলে কোন পুরুষের ক্রিয়া হয়?
  1. উত্তম পুরুষ
  2. মধ্যম পুরুষ
  3. নাম পুরুষ
  4. দ্বিতীয় পুরুষ
সঠিক উত্তর:
নাম পুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাম পুরুষ
ব্যাখ্যা

• কর্তৃবাচ্য থেকে ভাববাচ্য রূপাতনের নিয়ম:
কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে ভাববাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে-  কর্তায় ষষ্ঠী বা দ্বিতীয়া বিভক্তি হয় এবং ক্রিয়া নাম পুরুষের হয়।
যেমন-
• কর্তৃবাচ্য: আমি যাব না।
• ভাববাচ্য: আমার যাওয়া হবে না।

• কর্তৃবাচ্য: তুমিই ঢাকা যাবে।
• ভাববাচ্য: তোমাকেই ঢাকা যেতে হবে।

• কর্তৃবাচ্য: তোমরা কখন এলে?
• ভাববাচ্য: তোমাদের কখন আসা হলো?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৫.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. শ্রদ্ধাঞ্জলী
  2. স্বতঃস্ফূর্ত
  3. আদ্যক্ষর
  4. উজ্জ্বীবিত
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - 'স্বতঃস্ফূর্ত'।

অন্যদিকে,
• 'শ্রদ্ধাঞ্জলী' এর শুদ্ধ বানান - 'শ্রদ্ধাঞ্জলি'।
• 'আদ্যক্ষর' এর শুদ্ধ বানান - 'আদ্যাক্ষর'।
• 'উজ্জ্বীবিত' এর শুদ্ধ বানান - 'উজ্জীবিত'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৬.
একটি লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা ৮। এটি দিয়ে ৪৫ নিউটন বল প্রয়োগ করে কতটুকু ভার তোলা যায়?
  1. ৩৬০ নিউটন
  2. ৪০০ নিউটন
  3. ৫২০ নিউটন
  4. ৬০০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
৩৬০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ নিউটন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা ৮। এটি দিয়ে ৪৫ নিউটন বল প্রয়োগ করে কতটুকু ভার তোলা যায়?

সমাধান:
লিভার হলো এমন একটি দণ্ড বা অবলম্বন, যা কোনো বস্তুর ওপর ভর করে মুক্তভাবে ওঠানামা করে।
লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
যান্ত্রিক সুবিধা = ভার/প্রযুক্ত বল

এখানে,
যান্ত্রিক সুবিধা ৮
প্রযুক্ত বল ৪৫ নিউটন
সূত্রানুসারে,
⇒ ৮ = ভার/৪৫
⇒ ভার = ৮ × ৪৫
⇒ ভার = ৩৬০

∴ ৪৫ নিউটন বল প্রয়োগ করে ৩৬০ নিউটন ভার তোলা যাবে।

২৭.
অরণ্যে রোদন : নিষ্ফল আবেদন :: গোবর গণেশ : ?
  1. মূর্খ
  2. অত্যন্ত চতুর
  3. অলস
  4. মাটির মানুষ
সঠিক উত্তর:
মূর্খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূর্খ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: অরণ্যে রোদন : নিষ্ফল আবেদন :: গোবর গণেশ : ?

সমাধান:
অরণ্যে রোদন বাগধারাটির অর্থ নিষ্ফল আবেদন।
গোবর গণেশ বাগধারাটির অর্থ মূর্খ।

২৮.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ঢেঁকি
  2. যাঁতি
  3. কাঁচি
  4. নিক্তি
সঠিক উত্তর:
যাঁতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাঁতি
ব্যাখ্যা

• এখানে ঢেঁকি, কাঁচি এবং নিক্তি—তিনটিই প্রথম শ্রেণির লিভার। কিন্তু যাঁতি হলো দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার।

• লিভার যন্ত্র:
লিভার হলো এমন একটি দণ্ড বা অবলম্বন, যা কোনো বস্তুর ওপর ভর করে মুক্তভাবে ওঠানামা করে।
• লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: যান্ত্রিক সুবিধা = ভার/প্রযুক্ত বল
- লিভারের দন্ডটি যে বিন্দুতে ওঠানামা করে তাকে ফালক্রাম বলে।
- বল যে বিন্দুতে প্রযুক্ত হয় তা থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো বলবাহুর দৈর্ঘ্য।
- ভার থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো ভারবাহুর দৈর্ঘ্য।

• প্রযুক্ত বল, ভার ও ফালক্রামের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে লিভারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:-
• প্রথম শ্রেণির লিভার:
- এই ক্ষেত্রে ফালক্রামের অবস্থান প্রযুক্ত বল ও ভারের মাঝখানে থাকে।
- যেমন: কাঁচি, সাঁড়াশি, নিক্তি, নলকূপের হাতল, পানি সেচের দোন, ঢেঁকি ইত্যাদি।

• দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার;
- এই ক্ষেত্রে ভার থাকে মাঝখানে এবং প্রযুক্ত বল ও ফালক্রাম দুই প্রান্তে অবস্থান করে।
- যেমন: যাঁতি, এক চাকার ঠেলা গাড়ি, বোতল খোলার যন্ত্র ইত্যাদি।

• তৃতীয় শ্রেণির লিভার:
- এই ক্ষেত্রে প্রযুক্ত বলটি মাঝখানে কার্যকর হয়।ভার ও ফালক্রাম থাকে দুই প্রান্তে।
- যেমন: চিমটা।

২৯.
'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ নিচের কোনটি?
  1. সৌদামিনী
  2. প্রভা
  3. বালার্ক
  4. সবিতা
সঠিক উত্তর:
সৌদামিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদামিনী
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

সমাধান:
• ‘বিদ্যুৎ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।

অন্যদিকে,
• ‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
ময়ূখ, কর, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, অংশু, রশ্মি, আলো, আলোক, বিভা প্রভৃতি।

• 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অর্ক, তপন, আদিত্য, আফতাব, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, বালার্ক, রবি, সবিতা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩০.
কোনো যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৩১% বলতে কী বোঝায়?
  1. ঐ যন্ত্রে ৩১% শক্তি কার্যকর হয়
  2. ঐ যন্ত্রের ৬২% শক্তির কার্যকর হয়
  3. ঐ যন্ত্রের ৩১% শক্তির অপচয় হয়
  4. ঐ যন্ত্রের ১৩১% শক্তি কার্যকর হয়
সঠিক উত্তর:
ঐ যন্ত্রে ৩১% শক্তি কার্যকর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐ যন্ত্রে ৩১% শক্তি কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৩১% বলতে কী বোঝায়?

সমাধান:
কর্মদক্ষতা:
- যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত।
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৩১% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে ১০০ একক শক্তি সরবরাহ করলে তার ৩১ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী ৬৯ একক শক্তি অপচয় হয়।

∴ কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/মোট প্রদত্ত শক্তি
= কার্যকর ক্ষমতা/মোট প্রদত্ত ক্ষমতা
= {(E1 - E2)/E1} × 100%

৩১.
'ডুমুরের ফুল' বাগধারার অর্থ কী?
  1. সুসময়ের বন্ধু
  2. অপদার্থ
  3. অদৃশ্য বস্তু
  4. মন্দভাগ্য
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য বস্তু
ব্যাখ্যা

• 'ডুমুরের ফুল' বাগধারার অর্থ - অদৃশ্য বস্তু বা বিরল বস্তু (যা সহজে দেখা যায় না)।

অন্যদিকে,
• 'দুধের মাছি'  বাগধারাটির অর্থ - সুসময়ের বন্ধু। 
• 'আমড়া কাঠের ঢেঁকি'  বাগধারাটির অর্থ - অপদার্থ। 
• 'ইঁদুর কপালে'  বাগধারাটির অর্থ - মন্দভাগ্য। 

৩২.
5 নং চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  3. উভয়দিকে ঘুরবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5 নং চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?


সমাধান:
• দুটি চাকা ক্রস বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকলে পরস্পরের বিপরীত দিকে ঘুরে এবং দুটি চাকা সোজাসুজি বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকলে উভয় চাকা একই দিকে ঘুরে।ন চাকা দুইটির আকৃতি একই থাকলে তারা একই গতিতে ঘুরবে।

- 1নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরছে।
- 1নং এর সাথে 2নং চাকাটি ক্রস বেল্ট দ্বারা যুক্ত। তাই 2নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
- 2নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে 3নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।
- 3নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে 4নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
- 4নং এর সাথে 5নং চাকাটি সোজাসুজি বেল্ট দ্বারা যুক্ত। তাই, 5নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

৩৩.
ভারসাম্য রক্ষা করতে "?" নির্দেশিত স্থানে কত কেজি ওজন রাখতে হবে?
  1. 42 Kg
  2. 44 Kg
  3. 46.5 Kg
  4. 48 Kg
সঠিক উত্তর:
44 Kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
44 Kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভারসাম্য রক্ষা করতে "?" নির্দেশিত স্থানে কত কেজি ওজন রাখতে হবে?


সমাধান:
শর্তমতে,
66 × 4 = 6 × ?
⇒ ? = (66 × 4)/6
⇒ ? = 264/6
∴ ? = 44

∴ নির্দেশিত স্থানে 44 kg ওজন রাখতে হবে।

৩৪.
'Memorandum' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ঘোষণাপত্র
  2. স্মারকলিপি
  3. পাণ্ডুলিপি
  4. ইশতেহার
সঠিক উত্তর:
স্মারকলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মারকলিপি
ব্যাখ্যা

• 'Memorandum'-এর বাংলা পরিভাষা স্মারকলিপি।

• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
- Agenda - আলোচ্যসূচি।
- Constitution - সংবিধান।
- Manifesto - ইশতেহার।
- Manuscript - পাণ্ডুলিপি।
- Edition - সংস্করণ।
- Manual - সারগ্রন্থ।
- Gazette ঘোষণাপত্র।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৩৫.
নিচের চিত্রে প্রদর্শিত ওজনটি তুলতে ন্যূনতম কত বল প্রয়োগ করতে হবে?
  1. 55 Kg 
  2. 57 Kg 
  3. 60 Kg 
  4. 61.5 Kg 
সঠিক উত্তর:
57 Kg 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
57 Kg 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে প্রদর্শিত ওজনটি তুলতে ন্যূনতম কত বল প্রয়োগ করতে হবে?


সমাধান:
প্রয়োজনীয় ওজন = প্রদত্ত ওজন/ ওজনটির ঝুলন্ত রশির সংখ্যা
= 342/6
= 57 Kg 

৩৬.
ইংরেজি অভিধানে কোন শব্দটি সবার শেষে আসবে?
Precious, Predict, Premium, Precise
  1. Precious
  2. Predict
  3. Premium
  4. Precise
সঠিক উত্তর:
Premium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Premium
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ইংরেজি অভিধানে কোন শব্দটি সবার শেষে আসবে?
Precious, Predict, Premium, Precise

সমাধান:
অভিধান অনুসারে বর্ণানুক্রমিকভাবে (Alphabetical order) শব্দগুলোকে সাজালে তাদের অবস্থান হবে-

1. Precious (P-r-e-c-i-o...)
2. Precise (P-r-e-c-i-s...)
3. Predict (P-r-e-d...)
4. Premium (P-r-e-m...)

বর্ণানুক্রম অনুযায়ী সবার শেষে আসবে Premium

∴ সঠিক উত্তর: Premium

৩৭.
'D' যদি ঘড়ির কাঁটার দিকে 42 rpm গতিতে ঘুরে, তবে 'C' কেমন গতিতে কোনদিকে ঘুরবে?
  1. 126 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  2. 120 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার দিকে
  3. 100 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  4. 84 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার দিকে
সঠিক উত্তর:
126 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
126 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'D' যদি ঘড়ির কাঁটার দিকে 42 rpm গতিতে ঘুরে, তবে 'C' কেমন গতিতে কোনদিকে ঘুরবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
- পাশাপাশি সংযুক্ত গিয়ারগুলো পরস্পর পরস্পরের বিপরীতে ঘুরে।
- সমান সংখ্যক দাঁত সংশ্লিষ্ট গিয়ার একই গতিতে ঘুরে।
- যে গিয়ারের দাঁত কম থাকে তার গতি বেশি এবং দাঁত বেশি হলে গতি কম থাকে।

এখানে,
- 'D' ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে।
- 'C' গিয়ারটি 'D' গিয়ারের সাথে যুক্ত হওয়ায় 'C' ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরে।
- 'D' এর দাঁত সংখ্যা 'C' এর দাঁতের তিনগুণ হওয়ায়। 'C' এর গতি 'D' এর তিনগুণ হবে।
অর্থাৎ, 'C' এর গতি হবে= 3 × 42 = 126 rpm.

∴ C গিয়ারটি 126 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।

৩৮.
Choose the synonym of 'Indignant.'
  1. Unskilled
  2. Resentful
  3. Indigenous
  4. Improper
সঠিক উত্তর:
Resentful
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Resentful
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Choose the synonym of 'Indignant.'

সমাধান:
Indignant এবং Resentful শব্দ দুইটি সমার্থক।

Indignant অর্থ হলো রুষ্ট বা ক্ষুদ্ধ ।
Resentful এর অর্থ হলো রাগান্বিত, ক্রুদ্ধ, রুষ্ট।

অর্থাৎ শব্দ দুইটি একই অর্থ প্রকাশ করে।

অন্যদিকে,
Unskilled অর্থ অদক্ষ।
Improper অর্থ অনুচিত বা অনুপযুক্ত।
Indigenous অর্থ দেশীয় বা স্বদেশজাত।

উৎস: 
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৯.
A পিস্টনের ক্ষেত্রফল 5 বর্গমিটার এবং B পিস্টনের ক্ষেত্রফল 15 বর্গমিটার। যদি A পিস্টনে 6N বল প্রয়োগ করা হয় তাহলে B পিস্টনে কত বল পাওয়া যাবে?
  1. 12.5 N
  2. 15 N
  3. 18 N
  4. 25 N
সঠিক উত্তর:
18 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18 N
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A পিস্টনের ক্ষেত্রফল 5 বর্গমিটার এবং B পিস্টনের ক্ষেত্রফল 15 বর্গমিটার। যদি A পিস্টনে 6N বল প্রয়োগ করা হয় তাহলে B পিস্টনে কত বল পাওয়া যাবে?
 

সমাধান:
A পিস্টনের ক্ষেত্রফল (A1) = 5 বর্গমিটার
B পিস্টনের ক্ষেত্রফল (A2) = 15 বর্গমিটার
A পিস্টনে প্রযুক্ত বল (F1) = 6 নিউটন
B পিস্টনে অনুভূত বল (F2) = ?

প্যাসকেলের সূত্র অনুযায়ী,
F1/A1 = F2/A2
⇒ F2 = (F1 × A2)/A1
= (6 × 15)/5
= 18 N

৪০.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
  2. দীনোতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। 
  3. দৈন্যতা সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
  4. দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়।
সঠিক উত্তর:
দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

সমাধান:
বিশেষ্য পদের সঙ্গে পুনরায় বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত করলে শব্দটি অশুদ্ধ হয়ে যায়। যেমন— সৌজন্য, দৈন্য, দারিদ্র্য, আলস্য ইত্যাদি বিশেষ্য পদ। এগুলোর সাথে পুনরায় বিশেষ্যবাচক ‘তা’ যুক্ত করে সৌজন্যতা, দৈন্যতা, দারিদ্রতা, আলস্যতা তৈরি করলে তা অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধ হবে।

এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো:
ঘ) দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।

৪১.
75 ওয়াট লেখা একটি বাল্ব 8 ঘণ্টা জ্বললে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে?
  1. 0.6 kWh
  2. 0.82 kWh
  3. 60 kWh
  4. 6.5 kWh 
সঠিক উত্তর:
0.6 kWh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.6 kWh
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 75 ওয়াট লেখা একটি বাল্ব 8 ঘণ্টা জ্বললে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে?

সমাধান:
এখানে, ক্ষমতা, P = 75 W
সময়, t = 8 ঘণ্টা

আমরা জানি, W = Pt
= 75 × 8
= 600 Wh
= 600/1000 kWh
= 0.6 kWh

৪২.
'হাইফেন'-এর বিরতি কাল কত?
  1. ১ সেকেন্ড
  2. ১ বলতে যে সময় প্রয়োজন
  3. ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  4. থামার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
থামার প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থামার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'কোলন ড্যাস'-এর বিরতি কাল কত?

সমাধান:
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
১. কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
২. সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
৩. দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৫. বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৬. কোলন - এক সেকেন্ড।
৭. ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৮. কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৯. হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
১০. ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
১১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১৩. ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই।
১৪. ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।

৪৩.
একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 102.2° F । সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?
  1. 37.5° C
  2. 39° C
  3. 41° C
  4. 40° C
সঠিক উত্তর:
39° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
39° C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 102.2° F । সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা, F = 102.2° F
সেলসিয়াস তাপমাত্রা, C = ?

আমরা জানি,
C/5 = (F - 32)/9
⇒ C/5 = (102.2 - 32)/9
⇒ C/5 = 70.2/9
⇒ C/5 = 7.8
∴ C = 7.8 × 5 = 39°

৪৪.
নিচের কোন বাক্যে তারিখ লেখার শুদ্ধ নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. ৫ই বৈশাখ ১৪৩১ সালে, রাকিব কক্সবাজার ঘুরতে যায়।
  2. ২রা, চৈত্র ১৪৩২ সালে মনির স্কুলে ভর্তি হয়।
  3. ১২ই ফাল্গুন বৃহস্পতিবার, ১৪৩০ সালে রিয়াদ জন্মগ্রহণ করে।
  4. ১৫ই কার্তিক, সোমবার, ১৪২৮ সালে হাসান ঢাকা যায়।
সঠিক উত্তর:
১৫ই কার্তিক, সোমবার, ১৪২৮ সালে হাসান ঢাকা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ই কার্তিক, সোমবার, ১৪২৮ সালে হাসান ঢাকা যায়।
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বাক্যে তারিখ লেখার শুদ্ধ নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে?

 সমাধান: 
শুদ্ধ বাক্য; ১৫ই কার্তিক, সোমবার, ১৪২৮ সালে রাধিকা ঢাকা যায়।
• তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে ‘কমা’ বসে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

৪৫.
50Ω রোধ বিশিষ্ট রেজিস্টার সার্কিটে 2.4A তড়িৎ প্রবাহ চালিত হলে রেজিস্টারের ভোল্টেজ কত?
  1. 105 V
  2. 120 V
  3. 180 V
  4. 240 V
সঠিক উত্তর:
120 V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120 V
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 50Ω রোধ বিশিষ্ট রেজিস্টার সার্কিটে 2.4A তড়িৎ প্রবাহ চালিত হলে রেজিস্টারের ভোল্টেজ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
রোধ, R = 50Ω
তড়িৎ প্রবাহ, I = 2.4A
ভোল্টেজ, V = ?

আমরা জানি, ওহমের সূত্র অনুসারে,
V = IR
= (2.4 × 50) V
= 120 V

৪৬.
'BARBIT' অক্ষরগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. দেশ
  2. প্রাণী
  3. সাগর
  4. রাজধানী
সঠিক উত্তর:
প্রাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাণী
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'BARBIT' অক্ষরগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?

সমাধান:
'BARBIT' শব্দটির অক্ষরগুলোকে (B, A, R, B, I, T) পুনরায় সাজালে পাই 'RABBIT'।
ইংরেজি 'RABBIT' শব্দের বাংলা অর্থ হলো 'খরগোশ', যা একটি প্রাণী।

৪৭.
নিম্নে উল্লিখিত বর্তনীর তুল্যরোধ কত?
  1. 6 Ω
  2. 10 Ω
  3. 12 Ω
  4. 15 Ω
সঠিক উত্তর:
10 Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 Ω
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিম্নে উল্লিখিত বর্তনীর তুল্যরোধ কত?


সমাধান:
এখানে,
রোধগুলো পরস্পর সমান্তরাল সংযোগে সংযুক্ত।

আমরা জানি, 
1/Rp = (1/R1) + (1/R2) + (1/R3)
∴ 1/Rp = (1/60) + (1/30) + (1/20)
= (1 + 2 + 3)/60
= 6/60 
= 1/10

∴ বর্তনীটির তুল্যরোধ হলো Rp = 10 Ω

৪৮.
বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ’ ব্যঞ্জন বর্ণের কোন জায়গায় অবস্থান করে?
  1. প বর্গে তৃতীয়
  2. ট বর্গে তৃতীয়
  3. ত বর্গে চতুর্থ
  4. চ বর্গে পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
ত বর্গে চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত বর্গে চতুর্থ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ’ ব্যঞ্জন বর্ণের কোন জায়গায় অবস্থান করে?

সমাধান:
- বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গ ৫ টি।
- এগুলো হলো - ক, চ, ট, ত, প।

প্রতিটি বর্গে ৫ টি করে বর্ণ আছে। যথা-
- ক, খ, গ, ঘ, ঙ
- চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
- ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
- ত, থ, দ, ধ, ন
- প, ফ, ব, ভ, ম

- বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ঢ’ ব্যঞ্জন বর্ণের ট বর্গের চতুর্থ স্থানে অবস্থান।