পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ : শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই, কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক) স্থিতিশীল
  2. খ) ক্রমহ্রাসমান
  3. গ) ক্রমবর্ধমান
  4. ঘ) দ্রুতবর্ধনশীল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে : ১৪.৭৪ শতাংশ
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে : ১৪.২৩ শতাংশ
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে : ১৩.৬৫ শতাংশ
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে : ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
.
অভ্যন্তরীণ মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) যশোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ময়মনসিংহ
- দ্বিতীয় : কুমিল্লা
- তৃতীয় : যশোর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
.
মানিক ও রতন কোন ফসলের জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) সরিষা
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত টমেটোর জাতসমূহ:
- মানিক
- রতন
- মিন্টু
- বাহার
- চৈতী
- টিপু সুলতান
- বারি টমেটো ইত্যাদি।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
.
নিচের কোন দুটি বেগুনের জাত?
  1. ক) কাজলা ও নয়নতারা
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
  4. ঘ) গ্রানোলা ও বিনেলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রচলিত বেগুনের জাতসমূহ:
- নয়নতারা
- কাজলা
- তারাপুরী
- ইসলামপুরী
- শুকতারা
- বিজয়
- মুক্তকেশী
- ঝুমকো
- শিংনাথ
- নয়ন কাজল
- কেজি বেগুন
- তাল বা তল্লা বেগুন
- উত্তরা
- লাফফা
- ঈশ্বরদী-১
- খটখটিয়া ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সোনালিকা ও আকবর : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
.
বর্ণালি ও উত্তরণ কোন ফসলের ভুট্টার জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
- বর্ণালি ও উত্তরণ হলো ভুট্টার দুটো জাত।
- ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- শুভ্রা
- মোহর
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
.
দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্প
  2. খ) মুহুরী সেচ প্রকল্প
  3. গ) গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
  4. ঘ) সাঙ্গু সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প হলো গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প। এটি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় অবস্থিত।
- ১৯৫৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৯ সালে শেষ হয়।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমি সেচের আওতাধীন হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ প্রায় ৫৬ লক্ষ হেক্টর।
(সূত্রঃ কুষ্টিয়া জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
.
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) পত্রপতনশীল
  2. খ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  3. গ) স্রোতজ বনভূমি
  4. ঘ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় বিস্তৃত বনভূমি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি। এছাড়া এই বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি রয়েছে।
- এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল।
- এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান। তবে এ
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
.
নিচের কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) নেত্রকোনা
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, শেরপুর, দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
- এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর।
- প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী।
- এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
.
দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) দত্তনগর
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা
- দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দত্তনগরে অবস্থিত। এটি ১৯৪০ সালে হেমেন্দ্র নাথ দত্ত নামে এক ব্যক্তি স্থাপন করেন।
- ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার এটি অধিগ্রহণ করে কৃষি বিভাগের উপর পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে।
- বর্তমানে এটি BADC’র অধীনে বীজ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
(সূত্র: ঝিনাইদহ জেলা ওয়েবসাইট)
১০.
সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে কোথায়?
  1. ক) হাওরাঞ্চলে
  2. খ) সুন্দরবন উপকূলে
  3. গ) পার্বত্য চট্টগ্রামে
  4. ঘ) বরেন্দ্রভূমিতে
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত জুম চাষ পদ্ধতি ‘সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি’ নামে পরিচিত। এটি হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে এরূপ চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১.
বায়োফ্লক পদ্ধতি কোনটির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মুরগী পালন
  2. খ) মাছ চাষ
  3. গ) ধান মাড়াই
  4. ঘ) বনায়ন
ব্যাখ্যা
- বায়োফ্লক হলো বর্তমান সময়ের মাছ চাষের একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি।
- বায়োফ্লক এমন একটি পদ্ধতি যেখানে জৈব বর্জ্যের পুষ্টি থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য খাবার তৈরি করা হয়। যে ব্যাকটেরিয়া ও শৈবাল তৈরি হয় তা পানিতে উৎপন্ন হওয়া নাইট্রোজেন গঠিত জৈব বর্জ্যকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অ্যামোনিয়া গ্যাস তৈরি হতে না দিয়ে নিজেদের বংশ বাড়ায় এবং এটিকেই ফ্লক বলে।
- এসব ফ্লকে প্রচুর উপাদান থাকে, যা মাছের পুষ্টির যোগান দেয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অল্প জায়গায় বিপুল পরিমান মাছ চাষ করা হয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)