পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি কম্পিউটার অংশ: ১. অপারেটিং সিস্টেমস (Operating Systems); ২. এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer); ৩. কম্পিউটারের ইতিহাস (History of Computer); ৪. কম্পিউটারের প্রকারভেদ (Types of Computers); ৫. কম্পিউটার প্রোগ্রাম (Computer Program): ভাইরাস (VIRUS), ফায়ারওয়াল (Firewall) ইত্যাদি; ৬. ডেটাবেইস সিস্টেম (Database System)। তথ্যপ্রযুক্তি: ১. নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি Daily-Use Computing Technology): ই-মেইল (E- mail), ফ্যাক্স (Fax) ইত্যাদি; ২. ক্লায়ন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট (Client-Server Management); ৩. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ (Mobile Features); ৪. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ (Tech-Giants Services & News): গুগল (Google), মাইক্রোসফট (Microsoft), আইবিএম (IBM) ইত্যাদি; ৫. ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing); ৬. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (Social Networking): ফেসবুক (Facebook), টুইটার (Instagram), ইন্সটাগ্রাম (Twitter) ইত্যাদি; ৭. রোবটিক্স (Robotics); ৮. সাইবার অপরাধ (Cyber Crime)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
EDSAC বলতে কী বোঝায় (পূর্ণরূপ)?
  1. Electronic Delay Stored Automatic Computer
  2. Electronic Delay Storage Analog Computer
  3. Electronic Delay Storage Analog Calculator
  4. Electronic Delay Storage Automatic Calculator
সঠিক উত্তর:
Electronic Delay Storage Automatic Calculator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Delay Storage Automatic Calculator
ব্যাখ্যা

• EDSAC বলতে বোঝায় Electronic Delay Storage Automatic Computer। এটি ইতিহাসে অন্যতম প্রাথমিক ডিজিটাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত হয়। EDSAC মূলত বৈজ্ঞানিক এবং শিক্ষামূলক হিসাব করার জন্য ব্যবহার করা হতো। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল delay line memory, যা তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে সাহায্য করত। এটি প্রোগ্রাম সংরক্ষণযোগ্য কম্পিউটারের আদর্শ উদাহরণ, যেখানে ইনস্ট্রাকশন এবং ডেটা একই মেমরিতে রাখা হতো। EDSAC এর মাধ্যমে কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং প্রোগ্রামিং ক্ষেত্রে নতুন গবেষণার পথ তৈরি হয়, এবং এটি ভবিষ্যতের আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

- উত্তর: ক) Electronic Delay Stored Automatic Computer.

• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator
- ABC: Atanasoff Berry Computer
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer
- UNIVAC: Universal Automatic Computer 
- IC: Integrated Circuit

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল )।

.
এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটার থেকে কী কারণে ভিন্ন?
  1. নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
  2. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না
  3. আকারে বড় ও ব্যয়বহুল 
  4. অপারেটিং সিস্টেম নেই
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটার থেকে প্রধানত নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা। এটি কোনো সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটারের মতো বহুমুখী কাজ করতে পারে না, বরং বিশেষ কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ এবং কাজ পরিচালনার জন্য তৈরি। উদাহরণস্বরূপ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, washing machine বা কারের এয়ারব্যাগ নিয়ন্ত্রণে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার হয়। এগুলো ছোট, কম শক্তি ব্যবহার করে এবং প্রায়ই কোনো পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কাজ করে। এমবেডেড কম্পিউটার আকারে ছোট এবং ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম। তাই এটি সাধারণ কম্পিউটারের মতো সব কাজ করতে না পারলেও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে অত্যন্ত দক্ষ।

- উত্তর: ক) নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা।
 
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 

.
"কার্নেল"- অপারেটিং সিস্টেমে কী ধরনের কাজ সম্পাদন করে?
  1. একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম এক্সিকিউট করা
  2. মেমোরি ফ্র্যাগমেন্টেশন কমানো
  3. প্রোগ্রামগুলিকে বড় মেমোরি স্পেস প্রদান করা
  4. হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা
ব্যাখ্যা

• “কার্নেল” হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। এটি সরাসরি মেমোরি, প্রসেসর, ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে প্রোগ্রামগুলো সঠিকভাবে কার্যকর হতে পারে। কার্নেল প্রসেস শিডিউলিং, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ড্রাইভার পরিচালনা এবং সিস্টেম কল পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ও অ্যাপ্লিকেশনদের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করে। সংক্ষেপে, কার্নেল সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যাতে ব্যবহারকারী সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ না করেও সিস্টেমের সম্পূর্ণ সুবিধা নিতে পারে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা।
 
কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট। 

.
কে সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করেছিলেন?
  1. Ted Hoff
  2. Charles Babbage
  3. Alan Turing
  4. Wilhelm Leibniz
সঠিক উত্তর:
Ted Hoff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ted Hoff
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ক) Ted Hoff।

মাইক্রোপ্রসেসর, যা একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) এক চিপে ধারণ করে, প্রথম উদ্ভাবন করেন টেড হফ (Ted Hoff)। ১৯৭১ সালে ইন্টেলের ৪০০৪ মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা হয়, যা বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে পরিচিত। এটি ছোট আকারের চিপে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করেছিল, যা কম্পিউটারকে আরও সাশ্রয়ী এবং বহনযোগ্য করতে সাহায্য করে। অন্যরা যেমন চার্লস বাবেজ বা আলান টুরিং প্রাথমিক কম্পিউটার ধারণা বা তত্ত্ব তৈরি করেছিলেন, কিন্তু বাস্তব মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন টেড হফের নামের সঙ্গে সংযুক্ত। তাই মাইক্রোপ্রসেসরের ইতিহাসে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
​মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

​এছাড়াও, 
​Charles Babbage: তাঁকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক (Father of Computer), কারণ তিনি ১৯শ শতকে Analytical Engine-এর নকশা করেন।
Alan Turing: তিনি ছিলেন আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রণেতা, এবং টিউরিং মেশিন ধারণা দেন।
Wilhelm Leibniz: তিনি একজন গণিতবিদ ও দার্শনিক, যিনি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (binary system)-এর ভিত্তি তৈরি করেন।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.

.
ভিবিএস/হেল্পার বলতে কী বোঝায়?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. ফায়ারওয়াল প্রোটেকশন
  3. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা

• ভিবিএস (VBS) বা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্টিং হল একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি অনেক সময় হেল্পার বা স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট হিসেবে কাজ করে যা বিভিন্ন কাজ করতে পারে, যেমন ফাইল ম্যানিপুলেশন, সিস্টেম সেটিং পরিবর্তন বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মাধ্যমে কার্যক্রম চালানো। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ভিবিএস ভাইরাস হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। কৃত্রিমভাবে তৈরি স্ক্রিপ্টগুলো ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতি করতে পারে, ফাইল মুছে দিতে পারে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। তাই ভিবিএস/হেল্পারকে নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে প্রায়শই কম্পিউটার ভাইরাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) কম্পিউটার ভাইরাস।
 
• ভিবিএস/হেল্পার: 
- এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।

• Computer Virus: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।

• কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
ফ্যাক্স মেশিন কীভাবে তার কাজ সম্পন্ন করে?
  1. স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে
  2. সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে
  3. ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে
  4. টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ফ্যাক্স মেশিন সাধারণত টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে (ঘ) কাজ সম্পন্ন করে। এটি একটি কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল সিগন্যাল বা ইলেকট্রনিক সংকেতে রূপান্তরিত করে। ব্যবহারকারী যখন ফ্যাক্স পাঠান, মেশিনটি কাগজের পৃষ্ঠার তথ্যকে স্ক্যান করে ছোট ছোট লাইন বা পয়েন্টে ভাগ করে। এরপর এই ডিজিটাল তথ্যকে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে প্রাপক ফ্যাক্স মেশিনে পাঠানো হয়। প্রাপকের মেশিন এটি গ্রহণ করে পুনরায় কাগজে মুদ্রণ করে মূল নথির অনুরূপ একটি কপি তৈরি করে। সুতরাং ফ্যাক্স মেশিনের কাজ মূলত টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ এবং গ্রহণের প্রক্রিয়ার উপর নির্ভরশীল। এটি সরাসরি স্যাটেলাইট, সেলুলার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল নয়।
 
ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
ই-মেইল বা এসএমএসের মাধ্যমে ভুয়া লিঙ্ক পাঠিয়ে সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ার নাম কী?
  1. Plagiarism
  2. Debugging
  3. Phishing
  4. Sneaking 
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল বা এসএমএসের মাধ্যমে ভুয়া লিঙ্ক পাঠিয়ে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য বা ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে ফিশিং (Phishing) বলা হয়। এটি একটি ধরণের সাইবার অপরাধ, যেখানে অপরাধীরা বিশ্বাসযোগ্য সংস্থা বা ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের প্রতারণা করে। তারা সাধারণত দেখতে সুন্দর ও প্রকৃত লগিন পেজের মতো ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে এবং ব্যবহারকারীকে সেখানে তার তথ্য দেওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করে। ফিশিংয়ের লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীর আর্থিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা লঙ্ঘন করা। সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করলেই ফিশিং থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

- সঠিক উত্তর: গ) Phishing.

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন সাইবার আক্রমণ সার্ভারে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে সেটিকে বন্ধ করে দেয়?
  1. Ransomware
  2. DDoS Attack
  3. Phishing
  4. Evil Twin Attack
সঠিক উত্তর:
DDoS Attack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DDoS Attack
ব্যাখ্যা

• যে সাইবার আক্রমণে হ্যাকাররা সার্ভারের প্রতি অতিরিক্ত ট্রাফিক বা অনুরোধ পাঠায়, সেটি সার্ভারের ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং সার্ভার ধীরে ধীরে প্রতিক্রিয়াহীন বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এই ধরনের আক্রমণকে DDoS Attack (Distributed Denial of Service Attack) বলা হয়। এখানে একাধিক কম্পিউটার বা যন্ত্রকে ব্যবহার করে একই সময়ে লক্ষ্যবস্তু সার্ভারে প্রচুর অনুরোধ পাঠানো হয়, যাতে সার্ভার সেই চাপ সামলাতে না পারে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা সার্ভারে প্রবেশ করতে বা পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবে না। 

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
- Evil Twin Attack: একটি ভুয়া ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে তথ্য চুরির কৌশল।
- Phishing: এটি ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি।
- Ransomware: এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা।

.
কোন ভাইরাসকে Spacefiller বলা হয়?
  1. Avira
  2. Worm
  3. CIH
  4. Trojan Horse
সঠিক উত্তর:
CIH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CIH
ব্যাখ্যা

• Spacefiller ভাইরাস হলো একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস যা নিজের আকার ছোট রাখতে চেষ্টা করে, সাধারণ ফাইলের মধ্যে ফাঁকা বা অব্যবহৃত জায়গা ব্যবহার করে সংক্রমণ ছড়ায়। এটি মূলত সিস্টেম ফাইলকে ক্ষতি না করে, ফাঁকা জায়গায় কোড লুকিয়ে রাখে, ফলে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং শনাক্ত করা কঠিন হয়। CIH ভাইরাসকে এই শ্রেণীতে আনা হয়, কারণ এটি সিস্টেমের মেমরির ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে সংক্রমণ ছড়াত এবং পরে বিপুল ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছিল। অন্য ভাইরাস যেমন Worm বা Trojan Horse সাধারণত ফাইলের ভিতরে সরাসরি সংক্রমণ ছড়ায় বা ব্যবহারকারীর প্রতারণার মাধ্যমে ঢুকে, কিন্তু Spacefiller ভাইরাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ফাঁকা জায়গা ব্যবহার। তাই CIH কে Spacefiller ভাইরাস বলা হয়।
 
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- CIH ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
ENIAC কোন কাজে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল?
  1. সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
  2. তথ্য এনক্রিপশন
  3. কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা
  4. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
সঠিক উত্তর:
সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
ব্যাখ্যা

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল বিশ্বের প্রথম পূর্ণ বৈদ্যুতিন সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটার। এটি মূলত সামরিক হিসাব-নিকাশ সমাধানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সেনারা “অ্যাটমিক বোমার গোলকীয় গতিবিদ্যা” সম্পর্কিত জটিল গণনা দ্রুত সম্পন্ন করতে চাইছিলেন। ENIAC ছিল তৎকালীন সময়ের অন্যান্য যন্ত্রের তুলনায় দ্রুত এবং স্বয়ংক্রিয়, যা গণনার কাজকে ঘণ্টার পরিবর্তে মিনিটে করতে সক্ষম। এটি সংখ্যা সংক্রান্ত বড় বড় সমীকরণ এবং বিস্ফোরক শক্তি ও ধ্বংসাবশেষ সম্পর্কিত মডেলিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হতো। তাই ENIAC-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা, অন্য কোনো অপশন যেমন তথ্য এনক্রিপশন, কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা বা আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি করা ততটা ছিল না।

- উত্তর: ক) সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা।
 
• ENIAC:
 - ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
- এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
- প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
- দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
- প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
"GCP" সাধারণত কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. অফিস স্যুট
  2. ওয়েব ব্রাউজার
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম
  4. অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা

• "GCP" বা Google Cloud Platform মূলত একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম। এটি ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে ভিত্তিক বিভিন্ন সার্ভিস এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার সরবরাহ করে, যেমন সার্ভার হোস্টিং, ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট, ডেটা অ্যানালিটিক্স, মেশিন লার্নিং এবং নেটওয়ার্কিং। GCP ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান এবং ডেভেলপাররা তাদের অ্যাপ্লিকেশন, ওয়েবসাইট এবং ডেটা সহজে এবং নিরাপদভাবে পরিচালনা করতে পারে। এটি ক্লাউড-ভিত্তিক সমাধান হওয়ায় ব্যবহারকারীদের স্থানীয় সার্ভার বা হার্ডওয়্যারের ওপর নির্ভর করতে হয় না। সংক্ষেপে, GCP অফিস স্যুট বা ব্রাউজার নয়, এটি উচ্চমানের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম।

- সঠিক উত্তর: গ) ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম।
 
• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২.
ওয়ার্ম (Worm) কী ধরনের আচরণ বা বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে?
  1. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
  2. হার্ডওয়্যার ড্রাইভার বদলায়
  3. ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য নেয়
  4. ফাইল সংযুক্ত হয়ে ছড়ায়
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ম (Worm) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা প্রধানত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়। এটি কোনো ফাইল বা ব্যবহারকারীর সক্রিয়তা ছাড়াই নিজে থেকেই সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ওয়ার্ম সাধারণত কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে নিজেকে অনেকে কম্পিউটারে অনুলিপি করে ছড়ায় এবং প্রায়ই সিস্টেমের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এটি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি বা হার্ডওয়্যার ড্রাইভার পরিবর্তন করার চেষ্টায় থাকে না। অন্য ম্যালওয়্যার যেমন ভাইরাস বা ট্রোজান কিছু ক্ষেত্রে ফাইলের সঙ্গে যুক্ত হয় বা ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য চুরি করে, কিন্তু ওয়ার্ম নিজেই সক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ছড়িয়ে পড়ে। তাই ওয়ার্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় সংক্রমণ।

- সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়। 

- ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
- ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
- ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
- স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
- অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১৩.
মোবাইল ফোনে কোন ধরণের ডাটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. হাফ ডুপ্লেক্স
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স
  3. সিমপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ফোনে সাধারণত ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ফুল-ডুপ্লেক্সে দুই পক্ষই একই সময়ে তথ্য প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে, অর্থাৎ ব্যবহারকারী একদিকে কথা বলার সময় অন্য পক্ষও তার কথা শোনতে পারে। এটি হাফ-ডুপ্লেক্সের মতো নয়, যেখানে একসময় শুধুমাত্র একটি দিকের তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব, যেমন ওয়াকিটকি। সিমপ্লেক্স প্রযুক্তি কেবল একটি দিকেই ডাটা প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন টেলিভিশন সম্প্রচার। মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমে ভয়েস কল ও ডাটা সার্ভিসের জন্য একই সময়ে উভয় দিকের যোগাযোগ প্রয়োজন, তাই ফুল-ডুপ্লেক্স প্রযুক্তি কার্যকর এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ।

- সঠিক উত্তর: খ) ফুল-ডুপ্লেক্স।
 
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. সিমপ্লেক্স মোড:

- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
কোন OS ব্যবহারকারীর জন্য ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস প্রদান করে?
  1. Mac OS
  2. Linux
  3. Unix
  4. PC DOS
সঠিক উত্তর:
Mac OS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mac OS
ব্যাখ্যা

• ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস বা গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ব্যবহারকারীর সঙ্গে কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি চিত্র এবং আইকনের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়। এই প্রসঙ্গে, Mac OS হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম যা ব্যবহারকারীর জন্য সম্পূর্ণ ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস প্রদান করে। Mac OS এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী মাউস এবং উইন্ডো ভিত্তিক ইন্টারফেস ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশন চালাতে, ফাইল ম্যানেজ করতে এবং বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে পারে। অন্যদিকে Linux এবং Unix মূলত কমান্ড-লাইন ইন্টারফেসের জন্য পরিচিত, যদিও Linux-এ পরবর্তীতে GUI যোগ করা যায়। PC DOS মূলত টেক্সট-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। তাই GUI মূলত Mac OS ব্যবহারকারীদের জন্য স্বাভাবিকভাবে উপলব্ধ।
 
চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
→ গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
→ বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ ̄ করতে হয় না। যেমন:

- Windows Xp,
- Windows 2007, 
- Mac OS, ইত্যাদি।

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
→ এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। 
→ ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
→ তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ̧লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়। যেমন:

- Linux, 
- Unix, 
- MS-DOS, 
- PC DOS, 
- CP/M, ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
ARPANET নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল কোন সংস্থা?
  1. ISO
  2. IEEE
  3. DARPA
  4. NASA
সঠিক উত্তর:
DARPA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DARPA
ব্যাখ্যা

• ARPANET নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল DARPA। DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency) হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি গবেষণা সংস্থা, যা নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করে। ১৯৬০-এর দশকে DARPA-এর লক্ষ্য ছিল একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করা, যা দূরবর্তী কম্পিউটারগুলিকে সংযুক্ত করতে পারে এবং যেকোনো আক্রমণ বা যোগাযোগ বিঘ্নিত হলে তথ্যের আদান-প্রদান চালু রাখতে সক্ষম হবে। এই প্রচেষ্টা থেকেই জন্ম নেয় ARPANET, যা আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি। ARPANET প্রথমবার কম্পিউটারগুলির মধ্যে প্যাকেট-সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ স্থাপন করে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে তথ্য দ্রুত এবং নিরাপদে আদান-প্রদান সম্ভব হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) DARPA.

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
কোন "এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম"- তৈরির জন্য আইবিএম খ্যাত?
  1. EOS
  2. Hyperledger Fabric
  3. Stellar
  4. Corda
সঠিক উত্তর:
Hyperledger Fabric
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hyperledger Fabric
ব্যাখ্যা

• আইবিএম খ্যাত Hyperledger Fabric তৈরি করার জন্য। এটি একটি এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। Hyperledger Fabric মডুলার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং স্কেলেবিলিটি নিশ্চিত করে। এটি প্রাইভেট ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতে সক্ষম, যেখানে বিভিন্ন অংশগ্রহণকারী এবং সংস্থা তথ্য শেয়ার করতে পারে কিন্তু সংবেদনশীল তথ্য নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্ল্যাটফর্মটি স্মার্ট কনট্র্যাক্ট বা চেইনকোড সমর্থন করে এবং বিভিন্ন শিল্পে যেমন ব্যাংকিং, সাপ্লাই চেইন, স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি খাতে ব্যবহারযোগ্য। তাই, আইবিএমের এন্টারপ্রাইজ-ফোকাসড ব্লকচেইন সমাধান হিসেবে Hyperledger Fabric সবচেয়ে পরিচিত।

- সঠিক উত্তর: খ) Hyperledger Fabric.

• আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। 
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc.

উৎস: IBM Website.

১৭.
কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করা হয় না?
  1. Oracle
  2. SQLite
  3. Google Docs
  4. Postgre SQL
সঠিক উত্তর:
Google Docs
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Docs
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং পুনঃপ্রাপ্তি সহজ করে। Oracle, SQLite এবং PostgreSQL এই তিনটি হল স্বতন্ত্র DBMS, যা তথ্যের সংগঠন, অনুসন্ধান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। Oracle সাধারণত বড় এন্টারপ্রাইজ পরিবেশে ব্যবহৃত হয়, SQLite হালকা এবং এম্বেডেড ডেটাবেসের জন্য উপযোগী, আর PostgreSQL একটি ওপেন সোর্স এবং ফিচার-সমৃদ্ধ ডেটাবেস। তবে Google Docs মূলত একটি ক্লাউড-ভিত্তিক ডকুমেন্ট এডিটিং এবং সংরক্ষণ প্ল্যাটফর্ম, যা সরাসরি DBMS হিসেবে কাজ করে না। এটি ব্যবহারকারীর ডেটা অনলাইনে সংরক্ষণ করে, কিন্তু সম্পর্কিত টেবিল বা জটিল ডেটা ম্যানেজমেন্ট ফিচার নেই। তাই, DBMS হিসেবে Google Docs ব্যবহার হয় না।

- উত্তর: গ) Google Docs.
 
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

১৮.
কোন ধরণের কাজে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
  1. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  2. এসি
  3. এটিএম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড সিস্টেম এমন একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। সিকিউরিটি ক্যামেরায় এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় ভিডিও ক্যাপচার, স্টোরেজ এবং মোশন ডিটেকশন নিয়ন্ত্রণ করতে। এসি-তে এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ফ্যান স্পিড এবং এনার্জি ব্যবস্থাপনা সহজ করে। এটিএম-তে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় লেনদেন প্রক্রিয়া, পিন ভেরিফিকেশন এবং ডেটা নিরাপত্তা পরিচালনার জন্য। এই উদাহরণগুলো দেখায় যে এমবেডেড সিস্টেম কেবল একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রেই নয়, বরং বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের স্বয়ংক্রিয় ও দক্ষ কার্যক্রম নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সবগুলোই।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার: 
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে অনৈতিক উদ্দেশ্যে হস্তক্ষেপ  করাকে কী বলা হয়?
  1. ফ্রেকিং
  2. ভিশিং
  3. ফিশিং
  4. ক্র্যাকিং
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
ব্যাখ্যা

• টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে অনৈতিক উদ্দেশ্যে হস্তক্ষেপ করার কাজকে ফ্রেকিং (Phreaking) বলা হয়। এটি মূলত ফোন বা টেলিফোন নেটওয়ার্কের সিগন্যালিং সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বা সেবা ব্যবহার করার প্রক্রিয়া। ফ্রেকাররা সাধারণত ফ্রিকোয়েন্সি বা টেলিফোন সিস্টেমের ডিজিটাল কোড ব্যবহার করে নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ করে, যা নেটওয়ার্কে ভুক্তভোগী বা অপারেটরের ক্ষতি করতে পারে। এটি হ্যাকিংয়ের একটি বিশেষ ধরনের উপায় হিসেবে ধরা হয়, যেখানে মূল লক্ষ্য টেলিফোন বা কমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তা ভঙ্গ করা। অন্যদিকে ভিশিং বা ফিশিং মূলত তথ্য চুরির জন্য ব্যবহৃত হয়, আর ক্র্যাকিং সফটওয়্যার বা সিস্টেম ভাঙার সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ফ্রেকিং।
 
 • বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২০.
প্রোগ্রামিং-এর প্রবর্তক হিসেবে ইতিহাসে কার নাম উল্লেখযোগ্য?
  1. স্যামুয়েল টমলিনসন
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. অ্যাডা লাভলেস
  4. স্টিভ জবস
সঠিক উত্তর:
অ্যাডা লাভলেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডা লাভলেস
ব্যাখ্যা

প্রোগ্রামিং-এর প্রবর্তক হিসেবে ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাম হলো অ্যাডা লাভলেস। তিনি বিখ্যাত গণিতজ্ঞ চার্লস ব্যাবেজের ডিজাইনকৃত অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রামটি তৈরি করেছিলেন। ১৮৪০-এর দশকে, অ্যাডা লাভলেস গণিত ও লজিকের জটিল ধারণাকে কোডের মাধ্যমে মেশানোর কাজ করেছিলেন, যা আজকের আধুনিক প্রোগ্রামিং-এর ভিত্তি স্থাপন করে। তিনি শুধু যান্ত্রিক হিসাবের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন না, বরং লুপ এবং কন্ডিশনাল লজিকের ধারণা প্রবর্তন করেছিলেন। এজন্য তাঁকে প্রোগ্রামিং-এর প্রথম ব্যক্তি বা “প্রোগ্রামিং-এর প্রবর্তক” হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদের মধ্যে স্যামুয়েল টমলিনসন ও স্টিভ জবস প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রোগ্রামিং-এর জন্মসূত্রের সাথে সরাসরি যুক্ত নন।

- সঠিক উত্তর: গ) অ্যাডা লাভলেস।
 
অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace): 
- এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে গণনার কাজটি আরও কার্যকর করতে ভেবেছেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)। 
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। 
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন। 
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২১.
অপারেটিং সিস্টেম ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের পথ হিসেবে কাজ করা ইন্টারফেসকে কী বলা হয়?
  1. Shell
  2. Scheduler
  3. API
  4. Command Prompt
সঠিক উত্তর:
Shell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shell
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে ইন্টারফেস কাজ করে তাকে Shell বলা হয়। Shell ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড গ্রহণ করে সেগুলোকে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বোঝার যোগ্য আকারে রূপান্তর করে। এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কমান্ড লাইন বা গ্রাফিকাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী Shell-এর মাধ্যমে ফাইল পরিচালনা, প্রোগ্রাম চালানো এবং অন্যান্য সিস্টেম কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। সংক্ষেপে, Shell হলো সেই মধ্যস্থ মাধ্যম যা ব্যবহারকারীর নির্দেশকে OS পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং OS-এর ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) Shell.
 
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।

- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।

- Scheduler:
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।

- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

২২.
CAPTCHA ব্যবহার করা হয় কোন উদ্দেশ্যে?
  1. ব্যাকআপ ডেটা তৈরি করা
  2. হ্যাকিং প্রতিরোধে ভাইরাস স্ক্যান করা
  3. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো
  4. মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

• CAPTCHA ব্যবহার করা হয় মূলত মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করার জন্য। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ওয়েবসাইটে স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা বট থেকে সুরক্ষা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, কোন ফর্মে অটোমেটেড স্প্যাম বা অননুমোদিত একাউন্ট তৈরি রোধ করতে CAPTCHA ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত একটি ছবি, টেক্সট বা চ্যালেঞ্জ আকারে থাকে, যা মানুষ সহজে পূরণ করতে পারে, কিন্তু বট বা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ঠিকমতো করতে পারে না। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং অননুমোদিত কার্যক্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। তাই CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

- সঠিক উত্তর: ঘ) মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

• CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart।
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা ব্যবহারকারীদের এমন কাজগুলি উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে প্রায়ই বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন করা, ধাঁধা সমাধান করা বা সাধারণ গণিত সমস্যাগুলি সম্পূর্ণ করা জড়িত।
- ক্যাপচা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে, একজন ব্যবহারকারী প্রদর্শন করে যে তারা সম্ভবত মানুষ এবং একটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাতে বটগুলিকে অপব্যবহার বা শোষণ করা থেকে বিরত রাখা যায়।
- CAPTCHA প্রযুক্তির বিকাশ দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখায় গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্স-এ।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৩.
কোন ফিল্ডটি ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. টেবিল ফিল্ড
  2. রিলেশন ফিল্ড
  3. কী ফিল্ড 
  4. ডাটা ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
কী ফিল্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কী ফিল্ড 
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও বিভিন্ন টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কী ফিল্ড (Key Field) ব্যবহার করা হয়। কী ফিল্ড হলো একটি বিশেষ ধরনের ফিল্ড যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে, যাতে একই টেবিলে কোনো রেকর্ড পুনরাবৃত্তি না হয়। এছাড়া, কী ফিল্ড ব্যবহার করে এক টেবিলকে অন্য টেবিলের সাথে যুক্ত করা যায়, যা রিলেশনাল ডাটাবেজের মূল ভিত্তি। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ছাত্রদের টেবিল এবং তাদের রেজিস্ট্রেশন তথ্যের টেবিল থাকে, তাহলে ছাত্রদের ইউনিক আইডি ফিল্ডকে কী হিসেবে ব্যবহার করে দুইটি টেবিলের রেকর্ড সংযোগ করা যায়। তাই রেকর্ড সনাক্তকরণ এবং টেবিলের মধ্যে সম্পর্কের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) কী ফিল্ড।
 
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key)।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
কোন শ্রেণীর কম্পিউটারকে "নেটওয়ার্ক সার্ভার" হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. সুপারকম্পিউটার
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্ক সার্ভার সাধারণত এমন একটি কম্পিউটার যা একাধিক ব্যবহারকারীকে তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাপ্লিকেশন রান এবং নেটওয়ার্ক সংযোগের সুবিধা প্রদান করে। এই ধরনের কাজের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটার সবচেয়ে উপযুক্ত। মেইনফ্রেম কম্পিউটার শক্তিশালী প্রসেসিং ক্ষমতা, বড় ডাটা স্টোরেজ এবং উচ্চস্তরের নির্ভরযোগ্যতা সরবরাহ করতে পারে, যা বহু ব্যবহারকারীর একসঙ্গে অ্যাক্সেসের জন্য জরুরি। মাইক্রোকম্পিউটার বা সুপারকম্পিউটার সাধারণত ব্যক্তিগত কাজ বা উচ্চতর বৈজ্ঞানিক হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নেটওয়ার্ক সার্ভারের মতো বহুব্যবহারকারী পরিবেশে এটি দক্ষ নয়। তাই নেটওয়ার্ক সার্ভার হিসেবে প্রধানত মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
 
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অপশন আলোচনা:
- সুপারকম্পিউটার: বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য, নেটওয়ার্ক সার্ভিংয়ের জন্য নয়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার: পার্সোনাল কম্পিউটিং বা ছোট সার্ভারের জন্য। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারণা করে বেআইনিভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য কোন প্রোগ্রাম ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে?
  1. Phishing
  2. Sneaking
  3. Spoofing
  4. Pamming
সঠিক উত্তর:
Spoofing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spoofing
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারণা করে বেআইনিভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য এমন একটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় যা ভুয়া তথ্য প্রদর্শন করে এবং বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে। এটি মূলত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে তারা সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা প্রদান করে। এই ধরনের আক্রমণকে Spoofing বলা হয়। Spoofing-এ হ্যাকার প্রায়ই একটি ভুয়া আইপি ঠিকানা, ইমেইল, বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে বিশ্বাস করায় যে তারা নির্ভরযোগ্য উৎসের সাথে যোগাযোগ করছে। এর ফলে সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারিত করা সম্ভব হয় এবং অগোচরে তথ্য চুরি বা সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ ঘটানো যায়।

- সঠিক উত্তর: গ) Spoofing.

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৬.
LinkedIn-এর কর্পোরেট মালিকানা কোন সংস্থার?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft Corporation
  4. Meta
সঠিক উত্তর:
Microsoft Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Corporation
ব্যাখ্যা

• LinkedIn হলো একটি পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম, যা মূলত কর্মজীবী মানুষদের সংযোগ এবং পেশাগত সুযোগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এটি শুরু হয়েছিল স্বাধীনভাবে, তবে বর্তমানে এটি Microsoft Corporation-এর মালিকানাধীন। Microsoft 2016 সালে LinkedIn ক্রয় করে, এবং তখন থেকে এটি Microsoft-এর অংশ হিসেবে কাজ করছে। LinkedIn ব্যবহারকারীরা চাকরির সন্ধান, পেশাগত যোগাযোগ, দক্ষতা প্রদর্শন এবং ব্যবসায়িক সুযোগ অনুসন্ধানের জন্য এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। Microsoft-এর মালিকানায় LinkedIn-এর প্রযুক্তি ও সার্ভিস উন্নত হয়েছে এবং এটি Microsoft-এর বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও ক্লাউড সেবা যেমন Office 365 ও Azure-এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে আরও কার্যকরী হয়েছে।

- সঠিক উত্তর: গ) Microsoft Corporation.
 
Linkedin:
- LinkedIn ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা social networking site যা চাকুরীজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষায়িত ভাবে তৈরিকৃত।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটটি পেশাজীবীরা বেশি ব্যবহার করে থাকে। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০২ সালে এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - রেইড হফম্যান (Reid Hoffman)।
- সদর দপ্তর - ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্ট ভিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।
- মূল সংস্থা: Microsoft Corporation.

উৎস: Britanica.

২৭.
নিচের কোনটি META-র অন্তর্গত নয়?
  1. Snapchat
  2. Facebook
  3. Messenger
  4. Oculus VR
সঠিক উত্তর:
Snapchat
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Snapchat
ব্যাখ্যা

• META হল সেই কোম্পানি যা পূর্বে ফেসবুক কর্পোরেশন নামে পরিচিত ছিল। এটি সামাজিক যোগাযোগ, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, এবং মেসেজিং সেবা পরিচালনা করে। Facebook, Messenger, এবং Oculus VR- এই তিনটি পরিষেবা META-এর মালিকানাধীন। Facebook হলো প্রধান সামাজিক প্ল্যাটফর্ম, Messenger হলো তার মেসেজিং অ্যাপ, আর Oculus VR হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট এবং সফটওয়্যার ব্র্যান্ড। অন্যদিকে, Snapchat হলো একটি স্বতন্ত্র সামাজিক মিডিয়া অ্যাপ, যা Snap Inc. কোম্পানির অন্তর্গত এবং META-এর অংশ নয়। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ক) Snapchat, কারণ এটি META-এর অন্তর্গত নয়।
 
• Meta/Facebook:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪। 
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- মেটার অধীনস্ত সেবাসমূহ হলো - Instagram, Threads, and WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
গণনার ক্ষেত্রে এনালগ ও ডিজিটাল পদ্ধতি দু’টি একসাথে ব্যবহৃত হয় এমন কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. সুপারকম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• গণনার ক্ষেত্রে যদি একটি কম্পিউটার একই সাথে এনালগ এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার মূলত দুটি বিশ্বের সুবিধা একত্রিত করে: এনালগ অংশ জটিল অ্যানালগ সিগন্যাল এবং বাস্তব সময়ের ডেটা দ্রুত গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, আর ডিজিটাল অংশ নির্ভুল সংখ্যাগত হিসাব এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত চিকিৎসা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশনে ব্যবহৃত হয়, যেখানে বড় এবং জটিল ডেটা বাস্তব সময়ে বিশ্লেষণ করা দরকার। তাই, এনালগ এবং ডিজিটাল দুটো পদ্ধতির সংমিশ্রণে কাজ করতে সক্ষম কম্পিউটার হলো হাইব্রিড কম্পিউটার।

- সঠিক উত্তর: গ) হাইব্রিড কম্পিউটার।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:

- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করার প্রধান ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ওয়েব ব্রাউজিং
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণত এমন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশে ব্যবহৃত হয় যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা। এগুলো সাধারণ কম্পিউটারের মতো সার্বিক প্রোগ্রাম চালাতে পারে না, বরং নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। উদাহরণ হিসেবে, মাইক্রোওয়েভে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় ভেতরের তাপমাত্রা, সময় এবং শক্তি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, যাতে খাবার সঠিকভাবে গরম হয়। অন্যদিকে, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ব্রাউজিং এর মতো জটিল সফটওয়্যার চালানোর জন্য সাধারণ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রয়োজন। সুতরাং এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের প্রধান ক্ষেত্র হলো মাইক্রোওয়েভ।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- গাড়ি,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
চেকে ব্যবহৃত বিশেষ কালি থেকে অক্ষর সনাক্ত করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়?
  1. Magnetic Image Capture Reader
  2. Magnetic Ink Character Recognition
  3. Machine Input Character Reader
  4. Magnetic Identification Code Reader
সঠিক উত্তর:
Magnetic Ink Character Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা

• চেকে ব্যবহৃত বিশেষ কালি থেকে অক্ষর সনাক্ত করতে Magnetic Ink Character Recognition (MICR) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এই কালি বিশেষ চুম্বকীয় (magnetic) উপাদান দিয়ে তৈরি, যা মেশিন দ্বারা পড়া সম্ভব। চেকে লেখা সংখ্যা ও অক্ষরগুলি MICR রিডার দিয়ে স্ক্যান করা হয়, যা চুম্বকীয় সংকেত হিসেবে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা ডিজিটাল আকারে রূপান্তরিত করে। এই প্রক্রিয়ায় চেকের অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাংক কোড এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা যায়। MICR প্রযুক্তি ব্যাঙ্কিং লেনদেনে সময় সাশ্রয় এবং ভুল কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- সঠিক উত্তর: খ) Magnetic Ink Character Recognition.

• MICR:
- MICR-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৩১.
স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে যে আরডুইনো ব্যবহৃত হয় তা- কোন ধরনের উদাহরণ?
  1. Data mining
  2. Artificial Intelligence
  3. Cloud computing
  4. Internet of Things (IoT)
সঠিক উত্তর:
Internet of Things (IoT)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet of Things (IoT)
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে আরডুইনো ব্যবহার করা হয় মূলত Internet of Things (IoT) এর উদাহরণ হিসেবে। IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে দৈনন্দিন যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আরডুইনো মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে লাইট, ফ্যান, দরজা, বা সেন্সর যুক্ত যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা যায়। ব্যবহারকারী মোবাইল বা কম্পিউটারের অ্যাপের মাধ্যমে এসব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং ডেটা সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তাই স্মার্ট হোমে আরডুইনো ব্যবহারের উদাহরণ স্পষ্টভাবে IoT-র আওতায় পড়ে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Internet of Things (IoT).

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- geeksforgeeks.

৩২.
ই-মেইল প্রেরণের জন্য কোন ধরনের প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. IMAP
  3. TCP/IP
  4. POP3
সঠিক উত্তর:
SMTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMTP
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল প্রেরণের জন্য প্রধান প্রোটোকল হলো SMTP (Simple Mail Transfer Protocol)। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ব্যবহারকারীর ইনবক্সে মেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন একজন ব্যবহারকারী ই-মেইল লিখে “Send” বোতামে ক্লিক করে, তখন ই-মেইলটি SMTP প্রোটোকলের মাধ্যমে প্রেরিত হয়। অন্যদিকে, IMAP এবং POP3 প্রোটোকলগুলো মূলত ই-মেইল গ্রহণ বা রিড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং TCP/IP হলো ইন্টারনেট যোগাযোগের মূল ভিত্তি, যা সরাসরি ই-মেইল প্রেরণ নিয়ন্ত্রণ করে না। সুতরাং, ই-মেইল প্রেরণের জন্য সঠিক উত্তর হলো ক) SMTP.
 
• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ই-মেইল ক্লায়েন্ট থেকে আউটগোয়িং সার্ভারে এবং পরবর্তীতে সেই সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- IMAP:
- এটি এমন একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারে থাকা অবস্থাতেই ই-মেইল দেখতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এটি একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।

- TCP/IP:
- কোনো একক প্রোটোকল নয়, বরং প্রোটোকলের একটি সেট যা ইন্টারনেটের মূল কাঠামো তৈরি করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানকে সহজ করে, তবে এটি সরাসরি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না।

- POP3:
- একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি সাধারণত সার্ভার থেকে বার্তাটি মুছে ফেলে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৩৩.
প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার কী নামে পরিচিত?
  1. Mark-I
  2. IBM 701
  3. EDVAC
  4. Manchester Baby
সঠিক উত্তর:
Mark-I
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mark-I
ব্যাখ্যা

• প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারকে Mark-I নামে পরিচিত। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি হয়েছিল ১৯৪৪ সালে। Mark-I মূলত একটি যান্ত্রিক এবং বৈদ্যুতিক সংমিশ্রণ দ্বারা কাজ করত, তাই এটিকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়। এটি বড় আকারের ছিল এবং ঘন্টায় কয়েকশো অঙ্কের হিসাব করতে সক্ষম ছিল। Mark-I প্রোগ্রামিংর জন্য পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করত এবং বিজ্ঞান ও সামরিক হিসাবের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হত। এই কম্পিউটার আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করে।

- সঠিক উত্তর: ক) Mark-I

• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

অপশন আলোচনা:
- Manchester Baby:
- এটি ১৯৪৮ সালে তৈরি হওয়া প্রথম stored-program কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ছিল না; এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

- EDVAC:
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) তৈরি হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল নয়।

- Mark-I:
- Harvard Mark-I (অথবা IBM Automatic Sequence Controlled Calculator - ASCC) ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছিল।
- এটি গণনার জন্য ইলেকট্রনিক সার্কিটের পাশাপাশি মেকানিক্যাল অংশও ব্যবহার করত।
- সুতরাং, এই অপশনটি সঠিক উত্তর।

- IBM 701:
- এটি ১৯৫২ সালে IBM কোম্পানি দ্বারা তৈরি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।