পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
নিউক্লিয়াস গঠনের ভিত্তিতে কোষ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয়াস গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ।

যেসব কোষে আদর্শ এবং সংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না, কোষে পর্দাঘেরা কোষ অঙ্গাণু থাকে না, ক্রোমোজোম গঠিত হয় না, তাদের আদি কোষ বা প্রোক্যারিওটিক কোষ বলে। ব্যাকটেরিয়া নীলাভ সবুজ শৈবাল ইত্যাদি প্রোক্যারিওটিক কোষের উদাহরণ।
যেসব কোষে নিউক্লিয়াসকে সংগঠিত (নিউক্লিয় পর্দা, নিউক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিওলাস এবং নিউক্লিয় জালক উপস্থিত) এবং নিউক্লিয় পর্দা বেষ্টিত, ক্রোমোজোম ক্ষারীয় প্রোটিনযুক্ত , কোষে পর্দাঘেরা একাধিক কোষ অঙ্গাণু থাকে, তাদের আদর্শ ইউক্যারিওটিক কোষ বলে। উন্নত উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের প্রকৃত উদাহরণ।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান 

.
কোন কোষে লিউকোপ্লাস্ট দেখতে পাওয়া যায়? 
  1. ক) রঙ্গিন পাতা
  2. খ) জননকোষ
  3. গ) গাজরের মূলে
  4. ঘ) উদ্ভিদের কচি কাণ্ডে
ব্যাখ্যা

জননকোষে লিউকোপ্লাস্ট দেখতে পাওয়া যায়।

কারণ, এ ধরনের কোষে সূর্যের আলো পৌছায় না।
বর্ণহীন প্লাস্টিডকে লিউকোপ্লাস্ট বলে। এতে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না। লিউকোপ্লাস্টের কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা।
আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট , ক্লোরোপ্লাস্ট এ রুপান্তরিত হতে পারে।
যেমন- মূল, ভ্রূণ, জননকোষ ইত্যাদি।
রঙ্গিন পাতা, ফুল এবং গাজরের মূলে ক্রোমোপ্লাসট রয়েছে।
উদ্ভিদের কচি কাণ্ডে, পাতায় ও অন্যান্য সবুজ অংশে ক্লোরোপ্লাস্ট দেখতে পাওয়া যায়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুলে কোন ধরনের টিস্যু বিদ্যমান?
  1. ক) Cuboidal Epithelial Tissue
  2. খ) Squamous Epithelial Tissue
  3. গ) Columnar Epithelial Tissue
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা

বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুলে স্কোয়ামাস আবরণী টিস্যু বিদ্যমান।

এ ধরনের টিস্যুগুলো মাছের আঁশের মতো চ্যাপ্টা এবং এদের নিউক্লিয়াস বড় আকারের হয়। এ টিস্যু প্রধানত আবরণ ছাড়াও ছাঁকনির কাজ করে থাকে।
কিউবয়ডাল আবরণী টিস্যুগুলো ঘনাকার অর্থাৎ, কোষগুলোর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা প্রায় সমান। যেমন- বৃক্কের সংগ্রাহক নালিকা। এই টিস্যু প্রধানত পরিশোষণ এবং আবরণী কাজে লিপ্ত থাকে।
কলামনার আবরণী টিস্যুগুলো দেখতে স্তম্ভের মতো সরু এবং লম্বা। যেমন- প্রাণীর অন্ত্রের অন্ত্রপ্রাচীরের কোষগুলো প্রধানত ক্ষরণ, রক্ষণ এবং শোষণ এর কাজ করে থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
মানবদেহের ক্রোমোসোমের গড় দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ কত মাইক্রোমিটার হয়ে থাকে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৪
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা

মানবদেহের ক্রোমোসোমের গড় দৈর্ঘ্য ৪-৬ মাইক্রোমিটার হয়ে থাকে।

প্রশ্নে সর্বোচ্চ মাইক্রোমিটার চাওয়া হয়েছে বিধায়, ৬ কে সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে।
প্রজাতি অনুসারে, ক্রোমোসোমের দৈর্ঘ্য সাধারণত ০.২৫-৫০ মাইক্রোমিটার এবং ব্যাস ০.২-২.০ মাইক্রোমিটার হয়।
কোষের নিউক্লিয়াসের ভেতর অবস্থিত নিউক্লিয় জালক থেকে উৎপন্ন নিউক্লিক অ্যাসিড ও প্রোটিন দিয়ে গঠিত যে-সুতোর মতো অংশ জীবদেহের বংশগত বৈশিষ্ট বহন করে এবং জীবের এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে পরিবাহিত করে, তাকে ক্রোমোজোম বলে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
tRNA- এর 'ক্লোভার-লিফ' মডেল কে প্রণয়ন করেন?
  1. ক) James Watson
  2. খ) R.Holley
  3. গ) Gregor Mendel
  4. ঘ) Walther Flemming
ব্যাখ্যা

tRNA- এর 'ক্লোভার-লিফ' মডেল R.Holley ও তার সহকর্মীরা ১৯৬৫ এ মডেল প্রণয়ন করেন।

এ মডেল অনুযায়ী tRNA এর বাহ্যিক গঠন ক্লোভার পাতার ন্যায় এবং এতে পাঁচটি বাহু থাকে। বাহুগুলো হল- এমাইনো এসিড বাহু, T বাহু, D বাহু, অতিরিক্ত বাহু এবং অ্যান্টিকোডন বাহু।
অপরদিকে, Walther Flemming ১৮৮২ সালে ক্রোমোসোম আবিষ্কার করেন 
Gregor Mendel হলেন বংশগতিবিদ্যার জনক।
James Watson and Francis Crick ১৯৫৩ সালে DNA এর ডাবল হেলিক্স আবিষ্কার করেন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
অপুষ্পক উদিভদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সাইকাস
  2. খ) পাইনাস
  3. গ) স্পাইরোগাইরা
  4. ঘ) সুপারি
ব্যাখ্যা

স্পাইরোগাইরা একটি অপুষ্পক উদ্ভিদ। কারণ, এ ধরনের উদ্ভিদে ফুল এবং ফল হয় না। এরা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে। এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড, ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। এরা সমাঙ্গদেহি উদ্ভিদ।
অপরদিকে, সাইকাস এবং পাইনাস নগ্নবীজী সুপুষ্পক উদ্ভিদ।
সুপারি হল আবৃতবীজী সুপুষ্পক উদ্ভিদ।

সূত্র: ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই। 

.
ফাইলেরিয়া কৃমি কোন পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণী?
  1. ক) Platyhelminthes
  2. খ) Cnidaria
  3. গ) Annelida
  4. ঘ) Nematoda
ব্যাখ্যা

ফাইলেরিয়া কৃমি নেমাটোডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণী।

এ পর্বের অনেক প্রানিরা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য প্রাণীর রক্তে এবং অন্ত্রে বসবাস করে। এই ধরনের পরজীবী বিভিন্ন প্রাণীর ও মানবদেহে বাস করে নানারকম ক্ষতি সাধন করে। তবে, এদের অনেকে মুক্তজীবী, যারা পানি ও মাটিতে বসবাস করেন।
নেমাটোডা প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. নেমাটোডা ( Nematoda ) পর্বের প্রাণীদের দেহ লম্বা, নলাকার, সুতার ন্যায়, অখণ্ডায়িত ও দু'দিক ক্রমশ সরু।
২. দেহ নমনীয় ও ইলাস্টিন নির্মিত অকোষীয় কিউটিকল দ্বারা আবৃত।
৩. নেমাটোডা ( Nematoda ) পর্বের প্রাণীদের পৌষ্টিকনালি সোজা ও শাখাহীন এবং মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত । পৌষ্টিক গ্রন্থি অনুপস্থিত। এ কারণে এসব প্রাণীর দেহকে 'নলের ভেতর নল’ (‘tube within a tube) ধরনের গঠনের মতো দেখায়।
৪.এদের অপ্রকৃত সিলোম বা সিউডোসিলোম (pseudocoelom) উপস্থিত এবং অখণ্ডায়িত
৫. মুখছিদ্র সাধারণত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ওষ্ঠ দ্বারা পরিবেষ্টিত।
৬. নেমাটোডা বা গোলকৃমি ত্রিস্তরী প্রাণী; দেহে অঙ্গ-তন্ত্র গঠিত হয়।
৭.শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত। রেচনতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্র উপস্থিত।

নেমাটোডা বা গোলকৃমির পর্বের প্রাণীদের বৈজ্ঞানিক নাম
গোলকৃমি- Ascaris lumbricoides
চোখ কৃমি - Loa loa
হুকওয়ার্ম - Ancylostoma duodenale
মাইক্রোফাইলেরিয়া - Microflaria sp.
গুড়াকৃমি - Enterobius vermicularis
ফাইলেরিয়া কৃমি বা গোদকৃমি - Wuchereria bancrofti
চাবুক কৃমি - Trichinella spiralis
বিড়ালের গোলকৃমি - toxocara cati

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান, Animal Diversity Website (animaldiversity.org)

.
ম্যালেরিয়া জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
  1. ক) Vibrio cholerae
  2. খ) Plasmodium vivax
  3. গ) Clostridium tetani
  4. ঘ) Measles morbillivirus
ব্যাখ্যা

ম্যালেরিয়া জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম- Plasmodium vivax

কলেরা জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম- Vibrio cholerae
ধনুষ্টঙ্কার রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম- Clostridium tetani
হাম রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম - Measles morbillivirus

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

.
কোন পর্বের প্রাণীর দেহ শক্ত খোলস দ্বারা আবৃত থাকে?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) তারামাছ
  3. গ) শামুক
  4. ঘ) সমুদ্র শশা
ব্যাখ্যা

শামুক মলাস্কা পর্বের প্রাণী এবং এর দেহ শক্ত খোলস দ্বারা আবৃত থাকে।
মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১.মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের দেহ, নরম, অখণ্ডায়িত, ত্রিস্তরী, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম বা অপ্রতিসম এবং চুনময় খোলক দিয়ে আবৃত।
২. দেহ তিনটি অংশে বিভক্ত, যথা- মাংসল পদ, মস্তক এবং ভিসেরাল মাস (visceral mass)।
৩. মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের দেহের অঙ্কীয় দিকের পেশিযুক্ত বা মাংসল পদ গর্ত খনন,সাঁতার বা চলনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. ঝিনুক (Bivalvia) ব্যতীত সকলের পরিপাকতন্ত্রে কাইটিন নির্মিত র‍্যাডুলা) (radula) নামক অঙ্গ রয়েছে।
৫. মলাস্কা (mollusca) পর্বের প্রাণীদের পৃষ্ঠীয় দেহপ্রাচীর ম্যান্টল বা পেলিয়াম) (mantle or pallium) নামক একজোড়া ভাঁজের সৃষ্টি করে, যা ম্যান্টল গহ্বরকে ঘিরে রাখে, ম্যান্টল থেকে নিঃসৃত রস দিয়েই খোলক (shell) তৈরি হয়।
৬. ফুলকা (টিনিডিয়াম) ও ম্যান্টল পর্দা দ্বারা শ্বসন সম্পন্ন হয়; স্থলচরদের ক্ষেত্রে পালমোনারি থলির)বিকাশ ঘটে।
৭. মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের প্রকৃত সিলোম আছে কিন্তু তা সংকুচিত, অর্থাৎ শুধু হৃৎযন্ত্রের চারপাশে, জননাঙ্গের গহ্বরে এবং বৃক্কে সীমাবদ্ধ থাকে।সিলোম রক্তপূর্ণ হয়ে (হিমোসিল (haemocoel) গঠন করে।
৮. Mollusca পর্বের প্রাণীদের রক্ত সংবহনতন্ত্র অর্ধমুক্ত ধরনের অর্থাৎ রক্তনালি ও হিমোসিল উভয়ই থাকে।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১০.
ব্যাকটেরিয়ায় কোন ধরনের কোষ বিভাজন লক্ষ্য করা যায়?
  1. ক) মাইটোসিস
  2. খ) মিয়সিস
  3. গ) অ্যামাইটোসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া, ইস্ট, ছত্রাক, এমিবা ইত্যাদি এককোষী জীবে এমাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে বংশবৃদ্ধি করে।
যে কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে।
মাইটোসিস: এই কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় প্রকৃত বা সুকেন্দ্রিক কোষ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষে পরিণত হয়। মাইটোসিসে নিউক্লিয়সি একবার বিভাজিত হয়, প্রায় সমানভাবে। | নিউক্লিয়াসের প্রতিটি ক্রোমাজোমও একবার করে বিভাজিত হয়। সাইটোপ্লাজমও বিভাজিত হয় একবারই। তাই মাইটোসিস বিভাজনে কোষের মাতৃকোষ এবং অপত্য কোষে ক্রোমাজোম সংখ্যা, তথা DNA-এর পরিমাণ সমান থাকে। শুধু যে পরিমাণে একই থাকে তা নয়, মাতৃকোষের DNA-এর প্রায় হুবহু অনুলিপি অপত্য কোষে পাওয়া যায়। একে সমীকরণিক বিভাজনও বলে।
মিয়সিস: মিয়সিস বিভাজনের এক চক্রে নিউক্লিয়াস দুইবার বিভাজিত হয়। প্রথমবারে নিউক্লিয়াসের ক্রোমাজোম পরিমাণে অর্ধেক হয়ে যায়। এই বিভাজনে মাতৃকোষের যে দুটি নিউক্লিয়াস পাওয়া যায়, দ্বিতীয়বারে তার প্রতিটিই আবার দুটি কোষে বিভাজিত হয়।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১১.
বংশগতিবিদ্যার জনক কে?
  1. ক) Walther Flemming
  2. খ) Gregor Mendel
  3. গ) Hugo von Mohl
  4. ঘ) Louis Pasteur
ব্যাখ্যা

বংশগতিবিদ্যার জনক হলেন অষ্ট্রিয়ার ধর্মযাজক গ্রেগর মেন্ডেল।

১৮২২ সালের ২০ জুলাই হেইঞ্জেনডোর্ফ নামক একটি ছোট্ট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জোহান মেন্ডেল। জোহান তার জন্মগত নাম। পরবর্তীতে নামের সাথে গ্রেগর যুক্ত হয়।
১৮৪৩-৪৬ পর্যন্ত তিন বছর মেন্ডেল সেন্ট থমাসে জীববিজ্ঞান বিষয়ক পড়ালেখা করেন। পরের বছর তিনি ধর্মযাজক হন।
১৮৫৬ থেকে ১৮৬৩ সাল পর্যন্ত মেন্ডেল প্রায় ২৯ হাজার মটরশুঁটির ওপর পরীক্ষা চালান। অশেষ শ্রম ও সাধনার বলে তিনি বংশগতির দুটি সূত্র (পৃথকীকরণ সূত্র ও স্বাধীনভাবে সঞ্চারণ সূত্র) আবিষ্কার করেন, যা পরবর্তী সময়ে মেন্ডেলের বংশগতির সূত্র নামে পরিচিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট

১২.
আরশোলা কোন পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণী? 
  1. ক) Annelida
  2. খ) Arthropoda
  3. গ) Mollusca
  4. ঘ) Platyhelminthes
ব্যাখ্যা

আরশোলা Arthropoda পর্বের প্রাণী।
আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল দিয়ে দেহ আবৃত এবং সম্পূর্ণ জীবনকালে পুরানো বহিঃকঙ্কালটি একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পরিত্যক্ত হয় এবং পর্যায়ক্রমে নতুন বহিঃকঙ্কাল গঠিত হয়।
২. বাহ্যিকভাবে খণ্ডায়িত দেহের প্রতি খণ্ডকে পার্শ্বীয় সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ (Jointed appendages) বর্তমান।
৩. হিমোসিল (Haemocoel) নামক প্রকৃত সিলোম উপস্থিত যা রক্ত তথা দেহ তরলে (Body fluid) পূর্ণ।
৪. মস্তকের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি পুঞ্জাক্ষি (Compound eye) বর্তমান।
৫. এদের রেচন অঙ্গ হচ্ছে সবুজ গ্রন্থি (Green glands) অথবা মালপিজিয়ান নালিকা (Malpighian tubules)।
৬. শ্বসন চলে দেহপ্রাচীর (Body surface), ফুলকা (Gills), ট্রাকিয়া (Tracheae) অথবা গ্রন্থ-ফুসফুস (Book-lungs) এর মাধ্যমে।
৭. সাধারণত একলিঙ্গ (Dioecious)। এদের নালীযুক্ত প্রজনন অঙ্গ বর্তমান। অনেকে পার্থেনোজেনেসিস (Parthenogenesis) প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে থাকে।
৮. নিষেক সাধারণত অভ্যন্তরীণ, পরিস্ফুটন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, পরোক্ষ পরিস্ফুটনের ক্ষেত্রে এক বা একাধিক লার্ভা দশা দেখতে পাওয়া যায়।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১৩.
খাদ্য হজম প্রক্রিয়ায় অন্ত্রের ক্রমসংকোচন- কোন ধরনের পেশীর উদাহরণ?
  1. ক) হৃদপেশী
  2. খ) অনৈচ্ছিক পেশী
  3. গ) ঐচ্ছিক পেশী
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

খাদ্য হজম প্রক্রিয়ায় অন্ত্রের ক্রমসংকোচন হল অনৈচ্ছিক পেশী
কারণ, এ ধরনের পেশীর সংকোচন এবং প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। এ পেশীর কোষগুলো দেখতে মাকু আকৃতির। এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ থাকে না। মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তনালীতে, পৌষ্টিকনালী ইত্যাদিতে অনৈচ্ছিক পেশী থাকে।
ঐচ্ছিক পেশী- এ ধরনের পেশী প্রাণী নিজেদের ইচ্ছামতো সংকোচন এবং প্রসারণ করতে পারে। যেমন- হাত ও পায়ের পেশী।
হৃদপেশী- এ ধরনের পেশী মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হৃদপিণ্ডের এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশী। এ টিস্যুর কোষগুলো দেখতে নলাকৃতি ও আড়াআড়ি দাগযুক্ত। যেমন- হৃদপিণ্ডের পেশী।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৪.
কোন কোষ বিভাজনটি হ্রাসমূলক বিভাজন নামেও পরিচিত?
  1. ক) মাইটোসিস 
  2. খ) মিয়োসিস
  3. গ) অ্যামাইটোসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মিয়োসিস কোষ বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজনও বলা হয়। 

মিয়োসিস কোষ বিভাজনে একটি মাতৃ কোষ থেকে চারটি অপত্য কোষ পাওয়া যায়, যেগুলোর প্রতিটি মাতৃ কোষই অর্ধেকসংখ্যক ক্রোমোজম ধারণ করে। সেজন্য, এর আরেক নাম হ্রাসমূলক বিভাজন।
যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি কোষ বিভাজিত হয়ে মাতৃকোষের অর্ধেক ক্রোমোসোম সম্পন্ন চারটি অপত্য কোষ তৈরি করে তাকে মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলে।
ডিপ্লয়েড জীবে জনন মাতৃকোষ , পরাগধানী, গর্ভাশয়, ডিম্বাশয়, শুক্রাশয় এবং হ্যাপ্লয়েড জীবে জাইগোটে মিয়োসিস ঘটে।

মিয়োসিসের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. নিউক্লিয়াস দু’বার ও ক্রোমোসোম একবার বিভাজিত হয়
২. জনন মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসে মায়োসিস ঘটে
৩. একটি নিউক্লিয়াস থেকে চারটি অপত্য নিউক্লিয়াসের জš§ হয়
৪. সমসংস্থ বা হোমোলগাস ক্রোমোসোমগুলো জোড়ায় জোড়ায় মিলিত হয়ে বাইভ্যালেন্ট বা দ্বিযোজী ক্রোমোসোমের সৃষ্টি হয়
৫. অপত্য নিউক্লিয়াসের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃ-নিউক্লিয়াসের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়
৬. কায়াজমা সৃষ্টি ও ক্রসিং-ওভারের ফলে নন্-সিস্টার ক্রোমাটিডগুলোর মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে
৭. মায়োসিসের ফলে নিউক্লিয়াসে নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটে

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান