পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭৩: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৪. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি; ৫. দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। এবং বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এ ডিভাইস সংযোগের জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. PLC
  2. Webcam
  3. NIC
  4. GPS
সঠিক উত্তর:
NIC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIC
ব্যাখ্যা
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
GPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Global Positioning System
  2. General Positioning Satellite
  3. Geographical Positioning Service
  4. Global Processing Satellite
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
ব্যাখ্যা
GPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Global Positioning System।

• জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (Global Positioning System-GPS)
- গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস হলো এমন একটি স্যাটেলাইটনির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা যায়।
- তথ্য প্রযুক্তির এ উৎকর্ষিত প্রযুক্তির ফলে এখন মোবাইলের মাধ্যমে যে কোনো বস্তু বা যে কোনো ব্যক্তির অবস্থান যথাযথভাবে নির্ণয়, ট্র্যাকিংসহ আরও নানা সুবিধা ভোগ করা যায়।
- জিপিএস প্রতিনিয়ত স্যাটেলাইট থেকে তথ্য গ্রহণ করে পৃথিবীর বিভিন্ন সার্ভারে প্রেরণ করে।
- বর্তমানে জিপিএস রিসিভারগুলো তথ্য গ্রহণ ও প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অ্যাকুরেসি বা নির্ভুলতা প্রদান করে।
- গাড়ি, জাহাজ, অ্যারোপ্লেন, ল্যাপটপ, স্মার্টফোনসহ আধুনিক অধিকাংশ ডিভাইসে জিপিএস রিসিভার সংযুক্ত থাকে।
- জিপিএস ব্যবস্থা নির্ভর বাংলাদেশি একটি জনপ্রিয় সেবা হলো ট্রেনের অবস্থান সম্পর্কে আগে থেকে জানতে পারা।
- নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে মেসেজ পাঠিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভ্রমণরত যে কোনো ট্রেনের সুনির্দিষ্ট ও নির্ভুল অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
এর ফলে ট্রেনের প্যাসেঞ্জাররা এ অনুযায়ী স্টেশনে গমন করতে পারে।
- জনপ্রিয় এ সেবাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ ফোন ও রেলওয়ের যৌথ ব্যবস্থাপনায় জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান
.
ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতিতে মূল ডেটাকে কী বলা হয়?
  1. এনক্রিপ্টেড ডেটা
  2. প্লেইন টেক্সট
  3. কোড টেক্সট
  4. সাইফারটেক্সট
সঠিক উত্তর:
প্লেইন টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেইন টেক্সট
ব্যাখ্যা
এনক্রিপশন পদ্ধতিতে মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট বলা হয়।

• ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)
- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- যেসব অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে এই ডেটা পড়ার কী রয়েছে, কেবল তারাই এটি পড়তে পারবেন।
- এটি হলো কোনো তথ্যে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা পাবার জন্য এনকোডিং-এর প্রক্রিয়া।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিন্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plane leti) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Ciphor text)। এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
.
নিচের কোনটি ই-মেইল ডোমেইন নামের অংশ নয়?
  1. .exe
  2. .mil
  3. .net
  4. .org
সঠিক উত্তর:
.exe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.exe
ব্যাখ্যা
ই-মেইলে .exe ডোমেইন নামের অংশ নয়।
.exe এটি একটি ফাইল এক্সটেনশন, সাধারণত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এক্সিকিউটেবল ফাইল (Executable File) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান,
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি নয়?
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. আঙুলের ছাপ
  3. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ
  4. কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ
সঠিক উত্তর:
আঙুলের ছাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙুলের ছাপ
ব্যাখ্যা
আঙুলের ছাপ আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি নয়।
এটি শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মাহবুবুর রহমান।
.
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হওয়া ছোট নেটওয়ার্ককে কী বলা হয়?
  1. ব্লুটনেট
  2. পিকোনেট
  3. ব্লুটুথনেট
  4. মাইক্রোনেট
সঠিক উত্তর:
পিকোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিকোনেট
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হওয়া ছোট নেটওয়ার্ককে পিকোনেট বলে।

ব্লুটুথ
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের (১০ মিটার বা ৩৩ ফিটের কাছাকাছি) ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- টেলিকম ভেন্ডর কোম্পানি এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা হ্যারোল্ড ব্লুটুথ (Harald Bluetooth)-এর নামানুসারে ব্লুটুথ নামকরণ হয়েছে।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ট্র্যাডিশনাল ডেস্কটপ কম্পিউটার, যেগুলোতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি বিল্ট-ইন থাকে না, সেগুলোর ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার সংযুক্ত করে ঐ ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্লুটুথ সংযোগের সুবিধা উপভোগ করা যায়।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদনের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
- দুটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এ দু'টি পিকোনেটকে একসাথে স্কাটারনেট বলে।
- মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ভিডিও গেম কনসোলগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করতে এবং তথ্য বিনিময় করতে ব্লুটুথ একটি জনপ্রিয় উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
.
অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তবের সাথে কোন প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ঘটায়?
  1. ইনফ্রারেড সিগন্যাল
  2. ব্লকচেইন প্রযুক্তি
  3. কম্পিউটার সিমুলেশন
  4. ডিএনএস সার্ভার
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার সিমুলেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার সিমুলেশন
ব্যাখ্যা
অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তবের সাথে কম্পিউটার সিমুলেশন প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ঘটায়।

• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality)
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে চারপাশের জগতেই ভার্চুয়ালি কোন বস্তু যোগ করা হয়ে থাকে।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality) মূলত বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের কোনকিছুর সাথে আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন ঘটনাকে মিলিয়ে দেবার একটি উপায়।
- উদাহরণস্বরূপ, বিদেশের কোন নতুন শহরে গিয়ে সে শহরের কোন কিছুই যদি ভাষার কারণে পড়তে পারা না যায়, তখন অগমেন্টেড রিয়েলিটির স্মার্টফোনটি ওপেন করে বিভিন্ন বিল্ডিং বা হেডলাইনগুলোর দিকে তাক করলেই তা ত্রিমাত্রিকভাবে জানিয়ে দেবে কোন দোকান কীসের এবং রাস্তাটি কোনদিকে গেছে।
- ইদানীং স্মার্টফোনে ভিডিও কলিং-এর সময় আমাদের ফেস-এ যে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক বা ইফেক্ট যুক্ত হয়, সেটিও অগমেন্টেড রিয়েলিটির একটি ক্ষুদ্র উদাহরণ।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি কাজ করে মূলত ক্যামেরার মাধ্যমে।
- বিশেষ ধরনের ক্যামেরার সেন্সরের মাধ্যমে চারপাশের বস্তুগুলোর দূরত্ব ত্রিমাত্রিকভাবে নির্ণয় করা হয়। তারপর সে দূরত্ব প্রসেস করে সেখানে ত্রিমাত্রিক অগমেন্টেড এলিমেন্ট যুক্ত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
.
"কী ফিল্ড" কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. রেকর্ড ডাটা যাচাই করার জন্য
  2. ডাটাবেজ সাজাতে
  3. রেকর্ড গোপন রাখার জন্য
  4. রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
ব্যাখ্যা
"কী ফিল্ড" রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে ব্যবহৃত হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি AI-এর বিশেষ প্রয়োগ নয়?
  1. রোবটিক্স
  2. রাউটার কনফিগারেশন
  3. নিউরাল নেটওয়ার্ক
  4. ফাজি লজিক
সঠিক উত্তর:
রাউটার কনফিগারেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার কনফিগারেশন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) রাউটার কনফিগারেশন।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence)
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো এমন একটি কম্পিউটার বিজ্ঞান শাখা যেখানে কম্পিউটারকে মানুষের মত চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করা হয়।
- AI সিস্টেম বা এজেন্ট তার পরিবেশ বুঝে সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- AI-এর জনক বৃটিশ বিজ্ঞানী অ্যালান ম্যাথিসন টুরিং।
- ১৯৫০ সালে তিনি টুরিং টেস্ট আবিষ্কার করেন, যা মেশিনের বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি পদ্ধতি।
- ১৯৫৫ সালে জন ম্যাককার্থি “Artificial Intelligence” শব্দটি প্রবর্তন করেন।
- AI প্রয়োগের জন্য LISP প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।

• AI-এর গবেষণার মূল বিষয়সমূহ:
- মানুষের মতো চিন্তা করা।
- অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
- সমস্যা সমাধান।
- পরিকল্পনা করা।
- খেলাধুলায় সফলতা অর্জন।

• AI-এর বিশেষ প্রয়োগ:
- রোবটিক্স (রোবট উপলব্ধি),
- প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ,
- এক্সপার্ট সিস্টেম,
- নিউরাল নেটওয়ার্ক,
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি,
- ফাজি লজিক।

• প্রোগ্রামিং ভাষা:
LISP, CLISP, PROLOG, C/C++, Java ইত্যাদি।

• AI-এর প্রধান শাখাসমূহ:
- সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান,
- জ্ঞানের উপস্থাপন,
- পরিকল্পনা,
- যন্ত্রের শিক্ষা,
- স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০.
নিচের কোনটি ইন্টারনেটের প্রধান সার্ভিস নয়?
  1. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব
  2. ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল
  3. সার্চ ইঞ্জিন
  4. অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন ইন্টারনেটের প্রধান সার্ভিস নয়।
এটা একটি ডাটা ট্রান্সমিশন মাধ্যম।

• ইন্টারনেটের সার্ভিসসমূহ:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার একটি বড় নিয়ামক হলো ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট আসলে বিশ্বের কম্পিউটারসমূহের মধ্যস্থিত একটি নেটওয়ার্ক মাত্র।
- ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্ভিস বা সেবার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানের তথ্য গ্রহণ ও প্রদান করতে পারছি।

• ইন্টারনেটের প্রধান প্রধান সার্ভিস হলো-
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web)
- টেলনেট (Telnet)
- সার্চ ইঞ্জিন (Search Engines)
- ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল (File Transfer Protocol -FTP)
- ইলেকট্রনিকস মেইল (Electronic Mail :E-mail)
- ই-কমার্স (E-Commerce)
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
SQL মূলত কোন ধরনের ডাটাবেজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজ
  2. রিলেশনাল ডাটাবেজ
  3. নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ
  4. ফ্ল্যাট ফাইল ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা
SQL মূলত রিলেশনাল ডাটাবেজে ব্যবহৃত হয়।

• SQL
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
-বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
ফ্যাক্সের মাধ্যমে কীভাবে তথ্য পাঠানো হয়?
  1. কেবল অপারেটরের মাধ্যমে
  2. চুম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে
  3. রেডিও তরঙ্গে
  4. ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্সে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তথ্য পাঠানো হয়।

• ফ্যাক্স (Fax):
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile.
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।

উৎস:
১. এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১৩.
আইওটি কী ধরনের প্রযুক্তি?
  1. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক
  2. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম
  3. একটি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি
  4. একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
একটি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
আইওটি একটি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
১৪.
Wi-Fi এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া কত?
  1. ৫০-২০০ মিটার
  2. ৩০০-৫০০ মিটার
  3. ৫০০-১০০০ মিটার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৫০-২০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০-২০০ মিটার
ব্যাখ্যা
Wi-Fi এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া ৫০-২০০ মিটার।

• Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৫.
নিম্নের কোনটি DML কমান্ড নয়?
  1. Create
  2. Insert
  3. Delete
  4. Update
সঠিক উত্তর:
Create
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Create
ব্যাখ্যা
'Create' DML কমান্ড নয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:

যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
'কাব্যকণ্ঠ' কার উপাধি?
  1. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  2. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক:
- মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ছিলেন কবি ও সাংবাদিক। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক 'কাব্যকণ্ঠ' উপাধি লাভ করেন।
- তিনি মোজাম্মেল হক লহরী (১৮৯৯), মোসলেম ভারত (১৯২০) ও শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।

• তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- কুসুমাঞ্জলি,
- অপূর্বদর্শন,
- হযরত মুহাম্মদ,
- জাতীয় ফোয়ারা।

• তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- জোহরা,
- দরাফ খান গাজী।

• তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থগুলোর হলো:
- ফেরদৌসী-চরিত, 
- মহর্ষি-মনসুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
'শাহী এলাকার পথে পথে' ভ্রমণকাহিনিটি কার রচনা?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. নীলিমা ইব্রাহিম
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
'শাহী এলাকার পথে পথে'  নীলিমা ইব্রাহিম রচিত ভ্রমণকাহিনি বিষয়ক গ্রন্থ। 
- গ্রন্থটি নালন্দা প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত হয়। 

------------------
• নীলিমা ইব্রাহিম:
- নীলিমা ইব্রাহিম ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। তিনি ১১ জানুয়ারি, ১৯২১ সালে খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা বিষয়ে এম.এ (১৯৪৩) পাস করেন। ১৯৪৫ সালে তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম ‘বিহারীলাল মিত্র গবেষণা’ বৃত্তি লাভ করেন। 
- কর্মজীবনের শুরুতে নীলিমা ইব্রাহিম কলকাতার লরেটো হাউজে লেকচারার (১৯৪৩-৪৪) হিসেবে চাকরি করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে যোগদান করেন এবং ১৯৭২ সালে প্রফেসর পদে উন্নীত হন। 


• ভ্রমণকাহিনি- শাহী এলাকার পথে পথে (১৯৬৩)। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণা:
- শরৎ প্রতিভা,
- বাংলার কবি মধুসূদন,
- ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজ ও বাংলার নাটক,
- বাঙালী মানস ও বাংলা সাহিত্য,
- অগ্নিস্নাত বঙ্গবন্ধুর ভস্মাচ্ছাদিত কন্যা আমি,
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয় ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- দুয়ে দুয়ে চার,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- বিন্দু বিসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'শাহী এলাকার পথে পথে'  নীলিমা ইব্রাহিম এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন কে?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন একজন প্রাবন্ধিক। প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়। তিনিই বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট, তের্জারিমা ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে বীরবল' ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা,
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ,
- আহুতি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- নানা চর্চা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ (১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস কোনটি?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. চন্দ্রশেখর
  3. দুর্গেশনন্দিনী
  4. কপালকুণ্ডলা
সঠিক উত্তর:
বিষবৃক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা
• 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস:
- 'বিষবৃক্ষ' (১৮৭৩) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস।
- উপন্যাসের কাহিনির সঙ্গে বিধবা বিবাহ, পুরুষের একাধিক বিবাহ, পুরুষের রূপতৃষ্ণা ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মান ও অধিকারবোধ প্রভৃতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
- চরিত্রায়ণে, ঘটনা সংস্থানে এবং জীবনের কঠিন সমস্যার রূপায়ণে 'বিষবৃক্ষ' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

- বাল্যবিধবা কুন্দনন্দিনীর প্রেম ও কামনার বিকাশকে তৎকালীন সমাজ যে প্রশ্রয় দেয়নি, এ উপন্যাস তার প্রমাণ। লেখকও মনে করেছেন, কুন্দনন্দিনীর কাহিনি পাঠ করার ফলে ঘরে ঘরে অমৃত ফলবে অর্থাৎ এ ধরনের প্রণয়াকাঙ্ক্ষা রহিত হবে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কী চেয়েছেন সেটি মুখ্য নয়। 'বিষবৃক্ষে' তিনি সমস্যার যে যথার্থ রূপায়ণ করতে পেরেছেন এটাই আসল।

উপন্যাস উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- কুন্দনন্দিনী,
- নগেন্দ্রনাথ,
- হীরা,
- সূর্যমুখী ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, চন্দ্রশেখর ও রাজসিংহ বঙ্কিমচন্দ্রের ইতিহাস আশ্রয়ী রোমান্সধর্মী উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
২০.
'স্বভাব কবি' বলা হয় কাকে?
  1. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  4. বিষ্ণু দে
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দচন্দ্র দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দচন্দ্র দাস
ব্যাখ্যা
'গোবিন্দচন্দ্র দাস':
- গোবিন্দচন্দ্র দাসকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়
- তিনি ১৮৫৫ সালের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা জেলার ভাওয়ালের জয়দেবপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
গোবিন্দচন্দ্র দাস ভাওয়ালের কবি হিসেবেও বিখ্যাত।
রবীন্দ্রনাথের সমকালে আধুনিক গীতিকবিতার ধারায় কবিতা রচনা করেই গোবিন্দচন্দ্র খ্যাত হন।
গোবিন্দ চন্দ্র দাস ১৯১৮ সালে ১ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে:
- প্রসুন,
- প্রেম ও ফুল,
- কুকুম,
- মগের মুলুক (ব্যঙ্গকাব্য),
 - কস্তুরী,
- চন্দন,
- ফুলরেণু (সনেট),
- বৈজয়ন্তী,
- শোক ও সান্ত্বনা,
- শোকোচ্ছ্বাস ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের আরবি ফারসি শব্দবাহুল্যপূর্ণ গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাজাবলি
  2. পঞ্চতন্ত্র
  3. বেদান্তচন্দ্রিকা
  4. প্রবোধচন্দ্রিকা
সঠিক উত্তর:
রাজাবলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজাবলি
ব্যাখ্যা
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের কিংবদন্তি ও লোকপ্রসিদ্ধির ওপর নির্ভর করে রচিত 'রাজাবলি' গ্রন্থে গদ্যরীতি আরও সুষ্ঠু রূপ নিয়েছে। আরবি ফারসি শব্দবাহুল্যপূর্ণ এই গ্রন্থটি প্রাঞ্জল ভাষারীতির জন্য মৃত্যুঞ্জয়ের শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করতে পারে।

অন্যদিকে, 
• সংস্কৃত 'পঞ্চতন্ত্র' থেকে অনূদিত 'হিতোপদেশ' গ্রন্থের ভাষা সংস্কৃতানুগ।

• 'বেদান্তচন্দ্রিকা' গ্রন্থের নামপত্রে মৃত্যুঞ্জয়ের নামোল্লেখ না থাকলেও তা তাঁর নিজের রচনা বলে অনুমিত। এর মধ্যে বহু সংস্কৃত গ্রন্থের এবং বেদান্ত সূত্র-ভাষ্যাদির অংশবিশেষ অনূদিত হওয়ায় তাকে স্বাধীন রচনা বলে মনে করা যায় না।

• 'প্রবোধচন্দ্রিকা' ১৮১৩ সালে রচিত হলেও প্রকাশিত হয়েছিল মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর পর। গ্রন্থটি মূলত দার্শনিক নিবন্ধ। সংস্কৃত বিদ্যাভাণ্ডারের পরিচয় দেওয়ার জন্যই গ্রন্থটি রচিত। এতে কথ্য সাধু ও সংস্কৃত রীতির ভাষা অনুসৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড মাহাবুবুল আলম।
২২.
'সতীর সর্বস্ব পতি, সতী শুধু পতিময়, বিধাতার প্রেমরাজ্যে সতত সতীর জয়'- বক্তব্যটি কোন লেখকের উপন্যাসে উদ্ধৃত হয়েছে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বদরুদ্দীন ওমর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নজিবর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা

• 'আনোয়ারা' উপন্যাস:
- 'আনোয়ারা' মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। এটি তাঁর রচিত প্রথম ও সর্বাধিক সার্থক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯১৪ সালের ১৫ জুলাই (১৩২১ বঙ্গাব্দে) কলকাতা থেকে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের প্রতিপাদ্য ধর্ম ও সত্যের জয়, অধর্মের পরাজয় ও আনোয়ারার স্বামীনিষ্ঠা।
- 'সতীর সর্বস্ব পতি, সতী শুধু পতিময়, বিধাতার প্রেমরাজ্যে সতত সতীর জয়'- এটাই উপন্যাসের মূল বক্তব্য। নারীর ইচ্ছার পৃথক কোনো মূল্য নেই এই উপন্যাসে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- আনোয়ারা,
- নুরুল এসলাম,
- খাদেম,
- আজিমুল্লাহ,
- গোলাপজান ইত্যাদি।

-----------------------
• মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো:
- চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি,
- পরিণাম,
- গরীবের মেয়ে,
- দুনিয়া আর চাই না ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'আনোয়ারা' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩.
"এর উপায় কি" মীর মশাররফ হোসেন রচিত কোন ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. উপন্যাস
  3. প্রহসন
  4. কাব্যনাট্য
সঠিক উত্তর:
প্রহসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রহসন
ব্যাখ্যা
'এর উপায় কি' প্রহসন:
- 'এর উপায় কি' মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রহসন।
- উনিশ শতকে এক শ্রেণির লোক যে স্ত্রীর প্রতি অবহেলা দেখিয়ে মদ ও পতিতাবৃত্তিতে আকৃষ্ট হয়ে নানা ধরনের অনাচার ও উচ্ছৃঙ্খলতায় নিমজ্জিত হয়েছিল-লেখক এই প্রহসনে সে রকম একটি ঘটনাই তুলে ধরেছেন।
- স্বামী রাধাকান্ত, স্ত্রী মুক্তকেশী, রক্ষিতা নয়নতারা, ইয়ার মদন প্রমুখ এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র।
- এই প্রহসনে মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা'র প্রভাব রয়েছে।

--------------------
মীর মশাররফ হোসেন রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।

• প্রহসন:
- টালা অভিনয়,
- এর উপায় কি,
- ফাঁস কাগজ,
- ভাই ভাই এইতো চাই।

উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪.
১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক কোনটি?
  1. দন্ডকারণ্য
  2. বশীকরণ
  3. কেউ কিছু বলতে পারে না
  4. মানুষ
সঠিক উত্তর:
মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ
ব্যাখ্যা
• 'মানুষ' নাটক:
- মানুষ' (১৯৪৭) এক দৃশ্য বিশিষ্ট মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক।
- ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত।
- মানুষ নাটকের চরিত্রাবলি: ফরিদ, জুলেখা, বাবা, মা, ডাক্তার।

কাহিনি সংক্ষেপ:
এক হিন্দু তরুণ ডাক্তার আত্মরক্ষার জন্য এক মুসলিম বাড়িতে প্রবেশ করে। সে বাড়িতে একজন অসুস্থ, অন্য একজন দাঙ্গায় মারা গেছে। ডাক্তার রোগীকে চিকিৎসা দেয়। এ সময় হিন্দু ডাক্তারের খোঁজে মুসলিম দাঙ্গাকারীরা ঘরে প্রবেশ করে। তখন গৃহকর্ত্রী মশারির নিচে অসুস্থ সন্তানের পাশে ডাক্তারকে আড়াল করে তার জীবন রক্ষা করে। এভাবেই মানুষ বা মানবতা বড় হয়ে দেখা দেয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'মানুষ' নাটক এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আত্মজীবনী?
  1. জীবন কথা
  2. জীবনস্মৃতি
  3. যাঁদের দেখেছি
  4. আমার জীবনী
সঠিক উত্তর:
জীবনস্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনস্মৃতি
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আত্মজীবনী হলো:
- জীবনস্মৃতি, (এতে রবীন্দ্রনাথের ২৫ বছর পর্যন্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ আছে।)
- ছেলেবেলা।

• 'জীবনস্মৃতি':
- 'জীবনস্মৃতি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনী। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে।
- এখানে রবীন্দ্রনাথের বাল্যকাল থেকে পঁচিশ বছর বয়স পর্যন্ত কালের কাহিনি ও ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে।
- আত্মজীবনী রচনার প্রচলিত নিয়ম ভেঙ্গে রবীন্দ্রনাথ এ গ্রন্থে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছেন।

অন্যদিকে, 
• জসীম উদ্‌দীন রচিত কয়েকটি গ্রন্থ: জীবন কথা (আত্মজীবনী),  যাঁদের দেখেছি (স্মৃতিকথা)। 
• মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজীবনী- আমার জীবনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'জীবনস্মৃতি' আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা কোনটি?
  1. আঙুর
  2. স্বাক্ষর
  3. কবিতা
  4. স্বদেশ
সঠিক উত্তর:
আঙুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙুর
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।

- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।

- ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযুক্ত হন।

- ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।

- তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা 'আঙুর' আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।

- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- "আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭.
নির্মলেন্দু গুণের ডাকনাম ছিলো-
  1. নির্মল
  2. রতন
  3. মানিক
  4. নিধু
সঠিক উত্তর:
রতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রতন
ব্যাখ্যা
• নির্মলেন্দু গুণ:
- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সম্পূর্ণ নাম 'নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী'। নির্মলেন্দু গুণের ডাকনাম ছিলো রতন। প্রিয়জনেরা 'রতু' বলে ডাকতেন।
- বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয় নির্মলেন্দু গুণ কে।
- তাঁকে ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এছাড়া ১৯৮২ সালেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো-
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবী,
- দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
- ও বন্ধু আমার,
- চাষাভূষার কাব্য,
- পৃথিবীজোড়া গান,
- দূর হ দুঃশাসন,
- ইসক্রা,
- নেই কেন সেই পাখি,
- মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা,
- শিয়রে বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমণ কাহিনি:
- ভলগার তীরে,
- গীনসবার্গের সঙ্গে,
- আমেরিকায় জুয়া খেলার স্মৃতি,
- ভ্রমি দেশে দেশে।

তাঁর রচিত কিশোর উপন্যাস:
- কালো মেলা,
- বাবা যখন ছোট্ট ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
২৮.
'হিংটিং ছট' রম্যগ্রন্থটি কার রচনা?
  1. বন্দে আলী মিয়া
  2. ফররুখ আহমদ
  3. নুরুল মোমেন
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
সঠিক উত্তর:
নুরুল মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল মোমেন
ব্যাখ্যা
• নুরুল মোমেন:
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক 'রূপান্তর' ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়। ১৯৪৭ সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।
- ১৯৪৮ সালে তাঁর 'বহুরূপা' নামে একটি রম্যরচনা প্রকাশিত হয়।

নুরুল মোমেন রচিত অন্যান্য রম্যগ্রন্থ হলো:
- নরসুন্দর,
- হিংটিং ছট (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)।

নুরুল মোমেন রচিত বিখ্যাত নাটকসমূহ:
- নেমেসিস,
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে,
- শতকরা আশি,
- রুপান্তর;
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
২৯.
'A Grammar of the Bengal Language' গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৭৮৪ সালে
  2. ১৭৭৬ সালে
  3. ১৭৮৭ সালে
  4. ১৭৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
• ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড:
- ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড প্রাচ্যবিদ ও বৈয়াকরণিক ছিলেন।
- ১৭৫১ সালের ২৫ মে লন্ডনের এক উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে হ্যালহেডের জন্ম। তিনি জাতিতে একজন ব্রিটিশ ছিলেন।
- তিনিই প্রথম বৈয়াকরণিক যিনি বাংলা ব্যাকরণ রচনায় উদাহরণ ব্যবহার করে বাংলা পাঠ ও বাংলা লিপি ব্যবহার করেন।
- এর আগে পর্তুগিজ ধর্মযাজকরা রোমান অক্ষরে অতি সাধারণভাবে বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান রচনার চেষ্টা করেন। কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হ্যালহেডই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।

তাঁর সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
'A Grammar of the Bengal Language' গ্রন্থ:
ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে হ্যালহেড তাঁর দ্বিতীয় প্রকল্প বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনায় ব্যাপৃত হন। তাঁর A Grammar of the Bengal Language গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি হুগলি থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ। এ গ্রন্থ প্রকাশের পর হ্যালহেড লন্ডনে ফিরে যান এবং ১৭৮৪ সালে আবার কলকাতায় ফিরে আসেন।

'A Code of Gento Laws, or Ordinations of the Pundits' গ্রন্থ:
হেস্টিংসের অনুরোধে তিনি এক বিশাল আইনগ্রন্থ রচনা করেন: A Code of Gento Laws, or Ordinations of the Pundits। গ্রন্থটি ১৭৭৬ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত হিন্দু আইনশাস্ত্রের একটি সারসংকলন, যা এগারোজন ব্রাহ্মণ পন্ডিত সংস্কৃত ভাষায় সংকলন করেন। পরে একজন মুন্সি এটি প্রথমে ফারসি ভাষায় অনুবাদ করেন এবং সেখান থেকে হ্যালহেড ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। কাজেই এটি ছিল একটি ত্রি-স্তরীয় কাজ, যদিও প্রথম দুই স্তরের পন্ডিতদের নাম গ্রন্থে উল্লিখিত হয়নি। পরবর্তী দশকে এ গ্রন্থটির কয়েকটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ফরাসি ও জার্মান ভাষায়ও এর অনুবাদ হয়। এর মাধ্যমেই বয়স তিরিশে পৌঁছার আগেই হ্যালহেডের খ্যাতি ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০.
"রৈবতক, কুরুক্ষেত্র ও প্রভাস" কাব্যত্রয়ী কার রচনা?
  1. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  3. নবীনচন্দ্র সেন
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
নবীনচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবীনচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• নবীনচন্দ্র সেন:
- নবীনচন্দ্র সেন ছিলেন কবি। ১৮৪৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের নোয়াপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- নবীনচন্দ্র সেন ছাত্রজীবন থেকেই নবীনচন্দ্র কবিতা রচনা শুরু করেন। প্যারীচরণ সরকার সম্পাদিত এডুকেশন গেজেটে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হতো।
- তাঁর প্রথম কাব্যসংকলন 'অবকাশরঞ্জিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৭১ সালে। এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
- ১৮৭৫ সালে তাঁর পলাশীর যুদ্ধ মহাকাব্য প্রকাশিত হলে তিনি ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েন।

- রৈবতক, কুরুক্ষেত্র ও প্রভাস নবীনচন্দ্রের কাব্যত্রয়ী এবং তাঁর কবিপ্রতিভার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ। এগুলির নায়ক কৃষ্ণ এবং এতে যথাক্রমে কৃষ্ণের আদি, মধ্য ও অন্তলীলা বর্ণিত হয়েছে। নবীনচন্দ্রের এই তিনটি কাব্যও মহাকাব্যের লক্ষণাক্রান্ত। কাহিনির বিশালতা এবং বহুমুখী বৈচিত্র্যের কারণে গ্রন্থত্রয়ের কাব্যবন্ধন অনেকটা শিথিল ও দুর্বল।

- তাঁর আত্মজীবনী 'আমার জীবন' গ্রন্থখানি উপন্যাসের মতো সুখপাঠ্য এবং সমকালীন সমাজ, রাজনীতি ও প্রশাসন সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্য দলিল।

নবীনচন্দ্রের আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- খৃস্ট,
- ক্লিওপেট্রা,
- ভানুমতী,
- প্রবাসের পত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া
৩১.
'কালিকলম' সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
  1. বিষ্ণু দে
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. বদরুদ্দীন ওমর
সঠিক উত্তর:
প্রেমেন্দ্র মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
'কালিকলম' সাহিত্য পত্রিকা:
- কলকাতা থেকে ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে মাসিক 'কালিকলম' সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- এর সম্পাদক ছিলেন প্রেমেন্দ্র মিত্র।
- যে চেতনা ও সাহিত্যবোধ থেকে 'কল্লোল' প্রকাশিত হয়েছিল, 'কালিকলম'ও একই বোধ সম্পন্ন পত্রিকা ছিল। তবে পত্রিকাটি দীর্ঘায়ু হতে পারে নি। 'কল্লোল' ও 'কালিকলমে'র লেখককুল ছিল মূলত একই।

• প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পঞ্চশর,
- বেনামী বন্দর,
- পুতুল ও প্রতিমা,
- মৃত্তিকা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পাঁক,
- কুয়াশা,
- মিছিল,
- উপনয়ন,
- আগামীকাল,
- প্রতিশোধ,
- প্রতিধ্বনি ফেরে,
- অন্য এক নাম,
- পা বাড়ালেই রাস্তা ইদ্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৩২.
বিজন ভট্টাচার্য ছিলেন একজন-
  1. ঔপন্যাসিক
  2. নাট্যকার
  3. কবি
  4. চিত্রশিল্পী
সঠিক উত্তর:
নাট্যকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাট্যকার
ব্যাখ্যা
• বিজন ভট্টাচার্য:
- তিনি ছিলেন নাট্যকার, অভিনেতা। ১৯০৬ সালে, ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি নবনাট্য আন্দোলনের প্রধান পুরোহিত ছিলেন।
- বিজন ভট্টাচার্য অসহযোগ আন্দোলনে (১৯২০-২২) যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন।
- তাঁর রচিত নাটকের উপজীব্য সমাজের নিচের তলার মানুষের জীবনচিত্র।

তাঁর রচিত নাটক:
- নবান্ন,
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
কোনটি বদরুদ্দীন উমর রচিত গ্রন্থ?
  1. সংস্কৃতির ভাঙা সেতু
  2. সভ্যতার সংকট
  3. সংস্কৃতি কথা
  4. সংস্কৃতির সংকট
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতির সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতির সংকট
ব্যাখ্যা
'সংস্কৃতির সংকট' বদরুদ্দীন ওমর রচিত গ্রন্থ।

• বদরুদ্দীন উমর:
- বদরুদ্দীন উমর মূলত অধ্যাপক এবং রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন ।তিনি ২০শে ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি 'সংস্কৃতি' সাময়িকী সম্পাদনা করেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণাগুলো হলো:
- সাম্প্রদায়িকতা,
- সংস্কৃতির সংকট,
- সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা,
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ,
- যুদ্ধ পূর্ব বাঙলাদেশ,
- ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
---------------
• সভ্যতার সংকট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
• সংস্কৃতি কথা - মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
• সংস্কৃতির ভাঙা সেতু - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।