পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
বিষয়: ভূগোল ও দুর্যোগ-ব্যবস্থাপনা (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
নেপালের জলবায়ুতে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের তারতম্য বিবেচনায় স্পষ্টত কয়টি ঋতু পরিলক্ষিত হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
নেপালের জলবায়ু: 
- নেপালের জলবায়ুতে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের তারতম্য বিবেচনায় স্পষ্টত দুটি ঋতু পরিলক্ষিত হয়।
- জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকে।
- এজন্য এ সময়কালকে বর্ষাকাল হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
- জুলাই মাসে কাঠমন্ডুর তাপমাত্রা থাকে ২৪.৪ ডিগ্রি সে.।
- অন্যদিকে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সময় অত্যন্ত শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন থাকে।
- এ সময় তাপমাত্রাও বেশ কম থাকে বলে একে শীতকাল হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
- জানুয়ারিতে কাঠমন্ডুর তাপমাত্রা থাকে প্রায় ১০ ডিগ্রি সে.।
- উঁচু পার্বত্য এলাকা হওয়ায় নেপালের কোনো অংশের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় না এবং শীত-গ্রীষ্মের তাপমাত্রার পার্থক্যও খুব বেশি অনুভূত হয় না।
- নেপালের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৪৫ সে.মি. যার প্রায় পুরোটাই সংঘটিত হয় জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া কোনটি?
  1. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
  2. মাউন্ট এলব্রাস
  3. মাউন্ট ডেনালি
  4. মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া
ব্যাখ্যা
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো:
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া হলো মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো। 
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়ায় অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরিময় পর্বতমালা।
- এটি কেনিয়ার সীমানার কাছাকাছি অবস্থিত এবং প্রায় ৫০ মাইল (৮০ কিমি) জুড়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত।
- এই বিশাল পর্বতমালা গঠিত তিনটি প্রধান নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি নিয়ে, যার মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ও সর্বোচ্চ হলো কিবো, যার উচ্চতা ১৯,৩৪০ ফুট (৫,৮৯৫ মিটার)।
- ১৮৮৯ সালে প্রথমবারের মতো জার্মান ভূগোলবিদ হান্স মেয়ার এবং অস্ট্রিয়ান পর্বতারোহী লুডউইগ পোর্টশেলার কিবো শৃঙ্গে আরোহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে পর্বতের উপরের বৃক্ষরেখা এবং ছয়টি বনাঞ্চলীয় করিডোর সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো ন্যাশনাল পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই পার্কটিকে ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উৎস: Britannica.
.
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ভাগ করা যায় না
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়।
- নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। 
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানভূমি গঠিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার। 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
বায়ুমন্ডলের কত ভাগ উপাদান ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ?
  1. প্রায় ৯০ ভাগ
  2. প্রায় ৯৫ ভাগ
  3. প্রায় ৯৭ ভাগ
  4. প্রায় ৯৯ ভাগ
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডল: 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত।
- বায়ুমন্ডলের প্রায় ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ
- তাই মানুষ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর উপর এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি।
- বায়ুমণ্ডল প্রধানত তিন প্রকার উপাদান দ্বারা গঠিত। যেমন- বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা ও কণিকা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
গড় হিসেবে বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. এপ্রিল
  3. জুন
  4. আগস্ট
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মকাল:
- মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল।
- এটিই দেশের উষ্ণতম ঋতু।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সে. এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- গড় হিসেবে বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।
- এ সময়ে সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ থেকে উত্তরদিকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বেশি থাকে।
- এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা কক্সবাজারে ২৭.৬৪ ডিগ্রি সে., নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রি সে. এবং রাজশাহীতে প্রায় ৩০ ডিগ্রি সে. থাকে।
- গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
অ্যান্টার্কটিকা হলো পৃথিবীর কততম বৃহত্তম মহাদেশ?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা: 
- অ্যান্টার্কটিকা হলো পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে অবস্থিত পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ।
- এর ভূভাগ প্রায় পুরোপুরি একটি বিশাল বরফচাদরে ঢাকা।
- এটি প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন বর্গমাইল (১৪.২ মিলিয়ন বর্গকিমি) আয়তনের একটি বিশাল মহাদেশ।
- মহাদেশটির প্রায় ৯৮ শতাংশই বরফে আবৃত।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু, শুষ্ক, বায়ুপ্রবাহপূর্ণ (বাতাসে ভরা), ঠান্ডা এবং বরফাচ্ছন্ন মহাদেশ।
- পূর্ব অ্যান্টার্কটিকা: উচ্চ বরফাচ্ছাদিত মালভূমি নিয়ে গঠিত।
- পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা: পর্বতময় দ্বীপমালার উপর বিস্তৃত একটি বরফচাদরে আবৃত এলাকা।

উৎস: BRitannica.
.
নিচের কোনটি নদীবন্দর নয়?
  1. চিলমারী
  2. ছাতক
  3. তামাবিল
  4. ইলিশা
ব্যাখ্যা
নদীবন্দর (River ports):
- নদীবন্দরের মধ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গোয়ালন্দ, বরিশাল, খুলনা, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, মোহনগঞ্জ, চাঁদপুর, ঝালকাঠি, আরিচা, আজমিরীগঞ্জ ও মাদারিপুর উল্লেখযোগ্য।
- চিলমারী নদী বন্দর, ছাতক নদী বন্দর, ইলিশা নদী বন্দর।
- বাণিজ্য, পণ্য ও যাত্রী পরিবহণ করে বাংলাদেশ নৌপথ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
- তামাবিল একটি স্থল বন্দর। 
- তবে গোয়াইনঘাট নদীবন্দর রয়েছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কোন স্তরে ওজোন (O3) গ্যাস বেশি পরিমাণে আছে?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere): 
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere): 
(ক) এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাস বেশি পরিমাণে আছে। এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
(খ) এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক। ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
(গ) প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ কোন কোন প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
  2. অস্ট্রেলিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেট
  3. ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেট
  4. বার্মিজ ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ভূমিকম্পের কারণ: 
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত।
- এ কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।
- ভূমিরূণ ও ভূঅভ্যন্তরীণ কাঠামোগত কারণে বাংলাদেশে ভূআলোড়নজনিত শক্তি কার্যকর এবং এর ফলে এখানে ভূমিকম্প হয়।
- মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণে দেশের কিছু অংশ দেবে যাচ্ছে আবার কিছু অংশ কেঁপে উঠে যাচ্ছে।
- এভাবে ভূস্ফীতির ফলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বাড়ছে। পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিকম্পের কারণে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
- ভূমিরূপজনিত কারণেও ভূমিকম্পের সম্ভাবনা দেখা দেয়।
- পাহাড়কাটাসহ মানবসৃষ্ট কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০.
প্রাচীন শহর পেট্রা কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
পেট্রা:
- পেট্রা হলো মরুভূমির মাঝে একটি প্রাচীন গোলাপি শহর। 
- পেট্রা ছিল একটি প্রাচীন নগরী, যা হেলেনিস্টিক ও রোমান যুগে একটি আরব রাজ্যের কেন্দ্র ছিল।
- এর ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে জর্ডানের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত।
- শহরটি গড়ে তোলা হয়েছিল একটি উঁচু চত্বরে, যার মধ্যে দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে ওয়াদি মুসা (মুসার উপত্যকা)।
- ঐতিহ্য অনুসারে, এটি সেই স্থানগুলোর একটি যেখানে ইসরায়েলি নেতা মুসা (আঃ) একটি পাথরে আঘাত করলে সেখান থেকে পানি বের হয়েছিল।
- পুরো উপত্যকাটি ঘিরে আছে রঙিন বালুকাপাথরের পর্বত, যেগুলোতে লাল, বেগুনি এবং হালকা হলুদের বিভিন্ন শেড দেখা যায়।
- এ কারণেই ১৯শ শতকের ইংরেজ বাইবেল বিশারদ জন উইলিয়াম বারগন পেট্রাকে বর্ণনা করেছিলেন: "rose-red city half as old as Time."
- আধুনিক ওয়াদি মুসা শহর, যা পেট্রার ঠিক পাশেই অবস্থিত, মূলত এই বিশ্বখ্যাত পর্যটনকেন্দ্রে আসা দর্শনার্থীদের সেবা দেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে।

উৎস: Britannica.
১১.
গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলা হয় কোন অঞ্চলকে?
  1. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ৪০° থেকে ৪৭° উত্তর অক্ষাংশ
  3. ৪০° থেকে ৪৭° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  4. ৪০° থেকে ৪৭° পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা
পশ্চিমা বায়ু (The Westerlies):
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে। ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।
- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের ন্যায় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় দুটি অবস্থিত।
- বায়ু নিম্নগামী বলে এই অঞ্চলে অনুভূমিক বায়ুপ্রবাহ অনুভব করা যায় না।
- প্রাচীনকালে যখন আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজযোগে ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করা হতো, তখন এ অঞ্চলে পৌঁছলে বায়ুপ্রবাহের অভাবে পালচালিত জাহাজের গতি মন্থর বা প্রায় নিশ্চল হয়ে পড়ত।
- এ অবস্থায় নাবিকগণ খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে অনেক সময় তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিত।
- এজন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse latitude) বলে।
- নিরক্ষীয় শান্তবলয় এর অপর নাম ডোলড্রাম।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২.
বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্যাস কোনটি?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. মিথেন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ হিসেবে বলা হয় যে, মানুষের নেতিবাচক কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলে বিশেষভাবে নির্দিষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহের উপস্থিতির মাত্রার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যাকে আমরা গ্রিনহাউস প্রভাব হিসেবে চিহ্নিত করি।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্যাসগুলো হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন ও ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- শিল্পায়ন, যানবাহনের সংখ্যাগত বৃদ্ধি, বনাঞ্চল উজাড় ও কৃষির সম্প্রসারণ ইত্যাদি কর্মকান্ডের কারণে উল্লিখিত গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশে অধিক বৃষ্টিপাত, ব্যাপক বন্যা, ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়, খরা প্রভৃতি জলবায়ুগত পরিবর্তন সাধিত হতে পারে।
- পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন কৌশল পৃথিবী ও তার পরিবেশকে এবং সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মতো দেশসমূহকে এর বিশ্ব উষ্ণায়নের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে পারে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩.
নিচের কোনটি ভারতীয় উপমহাদেশের স্থানীয় বায়ু?
  1. লু
  2. সাইমুম
  3. বোরা
  4. পাম্পেরু
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।

কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ: 
- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook),
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral),
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু (Pampero),
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora),
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco),
- আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom),
- মিসরের খামসিন (Khamsin) ও
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪.
কোন দুর্যোগের সঙ্গে সুনামি সংঘটনের সম্পর্ক রয়েছে?
  1. অগ্নিকান্ড
  2. পাহাড় ধ্বস
  3. সাইক্লোন
  4. ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami):
- ভূমিকম্পের সঙ্গে সুনামি সংঘটনের সম্পর্ক রয়েছে।
- বাংলাদেশে সুনামি সংঘটনের তেমন উল্লেখযোগ্য প্রচলন নেই।
- তবে অতীতে ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব ঘটে।
- মিয়ানমারে আরাকান উপকূলে ৭.৫ রিখটার স্কেল মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটনের ফলে সুনামির আগমন হয়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটন হয়।
- তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। এর পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
-২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলুয়ে দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের কারণে যে সুনামির আগমন ঘটে, তার প্রভাব বাংলাদেশে ঘটতে দেখা যায় এবং লোকের মৃত্যু ঘটে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৫.
নিচের কোনটি স্রোতজ বনভূমির বৃক্ষ?
  1. ধুন্দল
  2. তেলসুর
  3. চাপালিশ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- চাপালিশ, ময়না, তেলসুর প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায় না।

ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- শাল, কড়ই, হিজল প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায়।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- সুন্দরি, গরান, গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।
- স্রোতময় মিঠা ও নোনা পানির সংযোগস্থলে জন্মে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ?
  1. নিস
  2. স্লেট
  3. ব্যাসল্ট
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
শিলার প্রকারভেদ:
- ভূ-ত্বক গঠনকারী সকল শিলাসমূহকে গঠন প্রণালির ভিত্তিতে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. আগ্নেয়শিলা:
- যেমন: ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।
খ. পাললিক শিলা:
- যেমন: বেলে পাথর, শেল,লিগনাইট, বিটুমিনাস, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
গ. রূপান্তরিত শিলা:
- কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেটে, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ?
  1. টর্নেডো
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. নদীভাঙন
  4. অগ্নিকাণ্ড
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের ধারণা:
- কোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট অবস্থা যখন অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং এর ফলে শস্য ও সম্পদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে, পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তাকে দুর্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
- দুর্যোগ দুই ধরনের। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং তার উপর সাধারণত মানুষের হাত থাকে না।
- মানবসৃষ্ট দুর্যোগ অনেকটা মানুষের কর্মকাণ্ডের ফল এবং মানুষ সচেতন ও সতর্ক থাকলে তা থেকে আত্মরক্ষা করতে পারে।
- মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে, পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করে এবং সমাজকে অস্থিতিশীল করে তোলে, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
- যেমন: যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনভূমি বিনাশ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড, দূষণ প্রভৃতি।
- প্রাকৃতিক কোনো দুর্ঘটনা বা বিপর্যয় যখন কোনো জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তোলে তখন তাকে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলি।
- যেমন- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৮.
কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল-
  1. সাঙ্গু ভ্যালী
  2. হালদা ভ্যালী
  3. ভেঙ্গি ভ্যালী
  4. সাজেক ভ্যালী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়- গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের গড় উচ্চতা- ২০৫০ ফুট।
- আলু টিলা পাহাড়- খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- লালমাই পাহাড়- কুমিল্লায় অবস্থিত।
- ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে।
- কুলাউড়া পাহাড় অবস্থিত- মৌলভীবাজার জেলায়।
- চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে- মারমা উপজাতি।
- ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয়- চিম্বুক পাহাড়কে (৩য় উচ্চতম)।
- হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য বিখ্যাত- চন্দ্রনাথের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম- তাজিংডং বা বিজয় বা মদক মুয়াল।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ- কেওক্রাডং।
- কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল- ভেঙ্গি ভ্যালী।
- সাঙ্গু ভ্যালী অবস্থিত- চট্টগ্রামে।
- হালদা ভ্যালী অবস্থিত- খাগড়াছড়িতে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
নিচের কোনটি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নয়?
  1. ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে
  2. এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে
  3. ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে
  4. প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২০.
বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টিপাত সাধারণত কোন অঞ্চলে দেখা যায়?
  1. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  2. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. পার্বত্য অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain):
- শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে।
- বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে।
- এ প্রকার বৃষ্টিপাত সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২১.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কতটি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management):
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি:
(ক) দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌঁছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।