পরীক্ষা আর্কাইভ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

পরীক্ষাস্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
টপিক: i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা। ii) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
আওয়ামী মুসলীম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি কে ছিলেন?
  1. সামছুল হক
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা
• আওয়ামী মুসলীম লীগ:
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- আওয়ামী মুসলীম লীগ থেকে মুসলীম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়-১৯৫৫ সালে।

- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি নিম্নরুপ: 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি - মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক - সামছুল হক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সভাপতি - আতাউর রহমান ও আব্দুস সালাম খান।
- প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক - শেখ মুজিবুর রহমান।

- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
.
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন কখন শহীদ হন?
  1. ১০ নভেম্বর, ১৯৮৬
  2. ১০ নভেম্বর, ১৯৮৭
  3. ১৭ নভেম্বর, ১৯৮৭
  4. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
ব্যাখ্যা
• স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন:
- নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর পুলিশের গুলিতে ঢাকার জিরো পযেন্টে নূর হোসেন মারা যান।
- এ সময় তার গায়ে সাদা রঙ দিয়ে লেখা ছিলো ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র ‍মুক্তি পাক’।
 এ আন্দোলনে প্রাণ হারান নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, তাজুল, ডা. মিলন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অনেকে।
-  নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে ছাত্র-জনতা-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।
.
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. বিচারপতি হাবিবুর রহমান
  3. বিচারপতি আব্দুস সালাম
  4. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম ১৯৯১ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। এর আগে ১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও এর সাংবিধানিক ভিত্তি ছিলো না।

- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় - ৪ বার।
- যথা - ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।

এছাড়াও,
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বর্তমান রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি?
  1. ২০তম
  2. ২১তম
  3. ২২তম
  4. ২৩তম
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।
- ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন ২৪ এপ্রিল, ২০২৩।
- মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
- ২০০৬ সালে তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসরে যান।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নামেই বেশি পরিচিত।
- পেশায় আইনজীবী মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডারে যোগ দেন।
- বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।

 উৎস: ২২ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
.
অধ্যাদেশ জারি করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থা কিংবা সংসদ অধিবেশনের বিরতিকালে বিশেষ প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন যা আইনের মতোই প্রযোজ্য।
- এই অধ্যাদেশ জারির পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তা সংসদের অনুমোদনের জন্যে উত্থাপন করতে হয়।
- উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন করতে হয়। অন্যথায় ৩০ দিন পর অধ্যাদেশটি আপনাআপনি অকার্যকর হয়ে যায়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
.
গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয় কোনটিকে?
  1. আইনসভা
  2. বিচার বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. নির্বাচকমন্ডলী
ব্যাখ্যা
• আইন বিভাগ:
→ আইনসভা সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।
→ বস্তুত: সংবিধান প্রণয়ন কিংবা আইন প্রণয়নের মত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বলতে গেলে আইন সভা থেকেই একটি রাষ্ট্রের কার্যক্রম সূচনা হয়।
→ জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্য হন। যার জন্য আইনসভাকে গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয়।
→ গণতন্ত্রের সাফল্য এবং বিকাশে আইনসভার ভূমিকা অসামান্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব কোন বিভাগের উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. শাসন বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
• শাসন বিভাগ:
 → দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার গুরুদায়িত্ব শাসন বিভাগের ওপরে ন্যস্ত থাকে।
 → সাধারণভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধান সৈন্যবাহিনীর গঠন, পরিচালনা, যুদ্ধ পরিচালনা বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং দেশ রক্ষার প্রয়োজনে বেসামরিক শক্তিকে কাজে লাগানো প্রভৃতি কার্য সম্পাদন করে।
 → রাষ্ট্রপ্রধান প্রয়োজনবোধে সামরিক আইনও জারি করতে পারেন।
 → যুদ্ধ ও প্রতিরক্ষার দায়িত্ব প্রতিরক্ষা দপ্তরের উপর ন্যস্ত থাকে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রশাসনের অরাজনৈতিক অংশ কী নামে পরিচিত?
  1. জনতন্ত্র
  2. আমলাতন্ত্র 
  3. কর্মীতন্ত্র
  4. প্রশাসনতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• সরকার ব্যবস্থা:
- কেন্দ্রীয় প্রশাসন শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ আধার, যা উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে।
- কেন্দ্রীয় প্রশাসন বাংলাদেশের স্তরভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর।
- বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় কেন্দ্রীয় প্রশাসনের মূল অংশ।
- কেন্দ্রীয় প্রশাসনের দুটি অংশ। তা হল-রাজনৈতিক অংশ ও অরাজনৈতিক অংশ।
- অরাজনৈতিক অংশ আমলাতন্ত্র নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কোন বিভাগের প্রধান?
  1. বিচার বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. অর্থ বিভাগ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
→ সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি।
→ তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
→ সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
→ তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
→ তিনি মন্ত্রীদের নিয়োগ দেন ও তাঁদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন করেন।
→ যেকোন আইন প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃত্বশীল ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন।
→ তাঁর মতামত অনুযায়ী সংসদে আইন উত্থাপিত ও পাশ হয়। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (দ্বিতীয় পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
রাষ্ট্রের সকল ধরনের প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে কোন বিভাগ?
  1. শাসন বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. রানৈতিক বিভাগ
ব্যাখ্যা
• শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগ আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইনকে বাস্তবায়ন করে।
- আইনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের ইচ্ছা প্রকাশ পায়। আর এ আইনকে কার্যকর করে শাসন বিভাগ।
- রাষ্ট্রের সকল ধরনের প্রশাসনিক কার্যাবলি শাসন বিভাগ সম্পাদন করে।
- শাসন বিভাগের দুইটি অংশ রয়েছে। যথা− রাজনৈতিক অংশ এবং অ-রাজনৈতিক অংশ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে কে?
  1. রাষ্ট্রপ্রধান
  2. পরিকল্পনামন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আমলাগণ 
ব্যাখ্যা
• সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়ন:
- সরকার যে সকল নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে থাকে আমলাতন্ত্র।
- আমলারা সরকারের আদেশ-নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে।
- আমলাদের দ্বারা সরকারি নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়নের উপর সরকারের সাফল্য ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন?
  1. ৮ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২
  4. ২৭ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়। 
- বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন গমন করেন। সেখান থেকে দিল্লিতে কিছু সময় অবস্থান করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় আসেন।
- ১০ জানুয়ারিকে বঙ্গবন্ধুর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।