পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
Exam 14 Topic: f. Unification of Italy g. The Eastern Question: The Crimean War & Berlin Congress h. World War I: background and causes; results; Versailles Treaty i. Rise of socialism in Europe: The Bolshevik Revolution, j. Rise of Hitler in Germany & Mussolini in Italy Source: Class – 8, 9, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
Who is called the “Brain of Italian Unification”?/ ইতালির একীকরণের “মস্তিষ্ক” কাকে বলা হয়?
  1. Garibaldi/ গারিবালদি
  2. Cavour/ ক্যাভুর
  3. Mazzini/ ম্যাজিনি
  4. Victor Emmanuel II/ দ্বিতীয় ভিক্টর ইমানুয়েল
ব্যাখ্যা

জুসেপ্পে গ্যারিবাল্ডি (Giuseppe Garibaldi, ১৮০৭–১৮৮২) কে আধুনিক ইতালির নির্মাতা বলা হয়। তিনি ইতালিয়ান একীকরণ আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন। গ্যারিবাল্ডি “মিলের রেড শার্টস” (Red Shirts) বাহিনী নেতৃত্বে দক্ষিণ ইতালি থেকে সিসিলি পর্যন্ত বিজয় অর্জন করেন। তার সামরিক নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেমিক প্রচেষ্টা মূলত ইতালির ভিন্ন রাজ্যগুলোকে একত্রিত করে আধুনিক ইতালি গঠনে অবদান রাখে। যদিও রাজনীতিতে কেভার, মাজিনি ও ভিক্টর ইমানুয়েল II-এর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ, তবুও গ্যারিবাল্ডি কে প্রধান নির্মাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

.
Who is called the “Soul of Italian Unification”?/ইতালির একত্রীকরণের “আত্মা” কাকে বলা হয়?
  1. Garibaldi/ গারিবালদি
  2. Cavour/ ক্যাভুর 
  3. Mazzini/ ম্যাজিনি
  4. Victor Emmanuel II/ দ্বিতীয় ভিক্টর ইমানুয়েল
ব্যাখ্যা

ইতালির একত্রীকরণ (Italian Unification বা Risorgimento) ছিল একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামরিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ছোট ছোট রাজ্যগুলো একত্রিত হয়ে ১৮৭১ সালে আধুনিক ইতালি গঠিত হয়।এখানে প্রধান তিনজন নেতা ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করেছিলেন:
জুসেপে ম্যাজিনি → তাঁকে বলা হয় “সোল অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন” (Soul of Italian Unification), কারণ তিনি তরুণদের অনুপ্রাণিত করে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়েছিলেন।
ক্যাভুর (Cavour) → তাঁকে বলা হয় “ব্রেন অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন” (Brain of Italian Unification), কারণ তিনি কূটনীতি, রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক জোটের মাধ্যমে ইতালিকে একত্রিত করার বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। বিশেষ করে ফ্রান্সের নেপোলিয়ন III-এর সাথে জোট করে অস্ট্রিয়াকে দুর্বল করেছিলেন।
গারিবালদি (Garibaldi) → তাঁকে বলা হয় “সোর্ড অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন” (Sword of Italian Unification), কারণ তিনি সামরিক অভিযান ও জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে দক্ষিণ ইতালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

.
Who is called the “Sword of Italian Unification”?/ ইতালির একত্রীকরণের “তলোয়ার” কাকে বলা হয়?
  1. Garibaldi/ গারিবালদি
  2. Cavour/ ক্যাভুর 
  3. Mazzini/ ম্যাজিনি
  4. Victor Emmanuel II/ দ্বিতীয় ভিক্টর ইমানুয়েল
ব্যাখ্যা

ইতালির একত্রীকরণ (Italian Unification বা Risorgimento) ছিল একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামরিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ছোট ছোট রাজ্যগুলো একত্রিত হয়ে ১৮৭১ সালে আধুনিক ইতালি গঠিত হয়।এখানে প্রধান তিনজন নেতা ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করেছিলেন:
জুসেপে ম্যাজিনি → তাঁকে বলা হয় “সোল অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন” (Soul of Italian Unification), কারণ তিনি তরুণদের অনুপ্রাণিত করে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়েছিলেন।
ক্যাভুর (Cavour) → তাঁকে বলা হয় “ব্রেন অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন” (Brain of Italian Unification), কারণ তিনি কূটনীতি, রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক জোটের মাধ্যমে ইতালিকে একত্রিত করার বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। বিশেষ করে ফ্রান্সের নেপোলিয়ন III-এর সাথে জোট করে অস্ট্রিয়াকে দুর্বল করেছিলেন।
গারিবালদি (Garibaldi) → তাঁকে বলা হয় “সোর্ড অফ ইটালিয়ান ইউনিফিকেশন” (Sword of Italian Unification), কারণ তিনি সামরিক অভিযান ও জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে দক্ষিণ ইতালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

.
Which secret society was founded by Mazzini?/ মাজিনি কোন গোপন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
  1. Carbonari/ কার্বোনারি
  2. Red Shirts/ রেড শার্টস
  3. Black Shirts/ ব্ল্যাক শার্টস
  4. Young Italy/ ইয়াং ইতালি
ব্যাখ্যা

জুসেপে মাজিনি (Giuseppe Mazzini) ছিলেন ইতালির একত্রীকরণের প্রধান প্রেরণাদাতা ও চিন্তাবিদ। তাঁকে বলা হয় “Soul of Italian Unification” (ইতালির একত্রীকরণের আত্মা)। ১৮৩১ সালে মাজিনি Young Italy (লা জোভিনে ইতালিয়া / La Giovine Italia) নামের গোপন রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল যুবকদের সংগঠিত করে ইতালিকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করা এবং একটি ঐক্যবদ্ধ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। এই সংগঠন তরুণদের মধ্যে জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আদর্শ ছড়িয়ে দেয়।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

.
Which city became the capital of unified Italy in 1871?/১৮৭১ সালে একীভূত ইতালির রাজধানী কোন শহর হয়েছিল?
  1. Rome /রোম 
  2.  Florence/ ফ্লোরেন্স
  3. Milan/মিলান
  4.  Turin/ তুরিন
ব্যাখ্যা

ইতালির একত্রীকরণের (Risorgimento) পর প্রথমে রাজধানী ছিল তুরিন (Turin)। পরে ১৮৬৫ সালে রাজধানী সরিয়ে নেওয়া হয় ফ্লোরেন্স (Florence)-এ। কিন্তু ১৮৭০ সালে ইতালীয় সেনারা ফরাসি সেনাদের কাছ থেকে রোম (Rome) দখল করে নেয় (Capture of Rome)। পরের বছর, অর্থাৎ ১৮৭১ সালে রোমকে আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূত ইতালির রাজধানী ঘোষণা করা হয়। রোমকে বেছে নেওয়ার প্রধান কারণ ছিল—
রোম ছিল ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
এটি ইতালীয় জাতীয়তাবাদীদের কাছে প্রতীকী শহর ছিল।
 রাজধানী রোমে স্থানান্তরিত হওয়ায় ইতালির ঐক্য বাস্তবে পূর্ণতা পায়।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

.
Who is considered the maker of modern Italy?/ আধুনিক ইতালির নির্মাতা কাকে বলা হয়?
  1. Garibaldi/গ্যারিবাল্ডি
  2. Cavour/ ক্যাভুর
  3. Mazzini/মাজিনি
  4. Victor Emmanuel II/ দ্বিতীয় ভিক্টর ইমানুয়েল
ব্যাখ্যা

ক্যামিলো বেনসো দি ক্যাভুর (Camillo Benso di Cavour) ছিলেন সার্ডিনিয়া-পিয়েডমন্টের প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে বলা হয় “Maker of Modern Italy” বা আধুনিক ইতালির নির্মাতা, কারণ তিনি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে ইতালির একীকরণকে বাস্তব রূপ দেন। তিনি ফ্রান্সের নেপোলিয়ন III-এর সাথে জোট করেন, যার ফলে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ জিতে উত্তর ইতালির বড় অংশ একীভূত হয়। ক্যাভুর ছিলেন বাস্তববাদী (realist) ও কৌশলী নেতা, যিনি যুদ্ধের পরিবর্তে কূটনীতি ও আধুনিক সংস্কার-এর মাধ্যমে ইতালির ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

.
Which Pope opposed Italian unification?/ ইতালির একীকরণের বিরোধিতা করেছিলেন কোন পোপ?
  1. Pope Pius IX/নবম পাইয়াস
  2. Pope Leo X/ দশম লিও
  3. Pope Gregory VII/সপ্তম গ্রেগরী
  4. Pope Innocent III/ তৃতীয় ইনোসেন্ট
ব্যাখ্যা

ইতালির একীকরণের সময় (19শ শতাব্দীতে) পোপ পায়াস নবম (Pope Pius IX) একীকরণের প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন। কারণ একীকরণের ফলে ক্যাথলিক চার্চের Papal States (পোপীয় অঞ্চলসমূহ) হারানোর আশঙ্কা ছিল। তিনি মনে করতেন, চার্চ যদি তার রাজনৈতিক ক্ষমতা হারায়, তবে ধর্মীয় কর্তৃত্বও দুর্বল হয়ে পড়বে। ১৮৭০ সালে ইতালীয় বাহিনী রোম দখল করলে, পোপ পায়াস নবম রোমকে "Prisoner in the Vatican" বলে আখ্যায়িত করেন এবং একীকৃত ইতালিকে স্বীকৃতি দেননি। পরবর্তীতে 1929 সালের Lateran Treaty-এর মাধ্যমে "Vatican City" আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

.
Who said, “We have made Italy, now we must make Italians”?/ কে বলেছিলেন, “আমরা ইতালি গড়েছি, এখন আমাদের ইতালিয়ান বানাতে হবে”?
  1. Garibaldi/গ্যারিবাল্ডি
  2. Victor Emmanuel II/ দ্বিতীয় ভিক্টর ইমানুয়েল
  3. Cavour/ ক্যাভুর
  4. Mazzini/মাজিনি
ব্যাখ্যা

এই উক্তিটি করেছিলেন কাউন্ট ক্যামিলো দি ক্যাভুর (Count Cavour), যাকে আধুনিক ইতালির নির্মাতা বলা হয়। ১৮৬১ সালে রাজনৈতিকভাবে ইতালি একীভূত হলেও, জনগণের মধ্যে তখনও ভাষাগত, আঞ্চলিক ও সাংস্কৃতিক বিভাজন রয়ে গিয়েছিল। ইতালির উত্তর ও দক্ষিণ অংশে অর্থনৈতিক বৈষম্য, শিক্ষার ঘাটতি, ভিন্ন আঞ্চলিক পরিচয় ইত্যাদি সমস্যা ছিল। ক্যাভুর বুঝেছিলেন, শুধু রাজনৈতিক মানচিত্রে ইতালি এক হওয়া যথেষ্ট নয়—জনগণের মধ্যে একটি জাতীয় চেতনা ও ঐক্যবোধ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তাই তিনি বলেছিলেন: “We have made Italy, now we must make Italians.” অর্থাৎ, ইতালিকে এক করা হয়েছে, এখন ইতালিয়ান জাতি গড়তে হবে।

উৎস-                                
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

.
Which straits were important in the Eastern Question?/ Eastern Question-এ কোন প্রণালীগুলো গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
  1. Bosporus & Dardanelles / বসফরাস ও দার্দানেলস প্রণালী
  2. Gibraltar & Suez/ জিব্রাল্টার ও সুয়েজ প্রণালী
  3. English Channel/ ইংলিশ চ্যানেল
  4. Malacca & Hormuz/ মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা

Eastern Question বলতে অটোমান সাম্রাজ্যের (Ottoman Empire) দুর্বলতা এবং ইউরোপের প্রধান শক্তিগুলোর মধ্যে তার ভূখণ্ড নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বোঝানো হয়। এখানে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল Bosporus ও Dardanelles প্রণালী।
Bosporus Strait → কৃষ্ণ সাগর (Black Sea) ও মারমারা সাগরকে যুক্ত করে।
Dardanelles Strait → মারমারা সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে (Mediterranean Sea) যুক্ত করে।
এই দুই প্রণালী কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলকে বাইরের বিশ্বের সাথে যুক্ত রাখার একমাত্র সমুদ্রপথ।
রাশিয়া চাইত এই প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করতে, যাতে উষ্ণ সমুদ্রপথে (warm water port) প্রবেশাধিকার পায়। ব্রিটেন ও ফ্রান্স চাইত অটোমান সাম্রাজ্য টিকে থাকুক, যাতে রাশিয়ার বিস্তার রোধ করা যায়। তাই, এই প্রণালী দুইটি Eastern Question-এর কেন্দ্রীয় ভূ-রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছিল।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১০.
The Crimean War was fought between—/ ক্রিমিয়ান যুদ্ধ কার মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. France vs. Italy/ ফ্রান্স বনাম ইতালি
  2. Britain vs. Prussia/ ব্রিটেন বনাম প্রুশিয়া
  3. Russia vs. Ottoman, Britain, France & Sardinia/ রাশিয়া বনাম উসমান, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সার্ডিনিয়া
  4. Russia vs. Austria/ রাশিয়া বনাম অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

ক্রিমিয়ান যুদ্ধ (1853–1856) মূলত রাশিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে শুরু হয়। তবে দ্রুত এতে ব্রিটেন, ফ্রান্স, এবং সার্ডিনিয়া রাজ্যও যুক্ত হয়। রাশিয়া চাইছিল অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ ও ধর্মীয় প্রভাব সম্প্রসারিত করতে। ব্রিটেন ও ফ্রান্স উদ্বিগ্ন ছিল যে রাশিয়া যদি অটোমান ভূখণ্ড দখল করে, তাহলে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য (Balance of Power) বিঘ্নিত হবে। সার্ডিনিয়া ইতালিয়ান একীকরণের প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে অংশ নেয়। যুদ্ধ শেষ হয় Peace of Paris (1856) চুক্তির মাধ্যমে। রাশিয়ার আক্রমণ প্রত্যাহার হয় এবং কৃষ্ণসাগরে তার প্রভাব সীমিত হয়।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১১.
Which treaty ended the Crimean War?/ ক্রিমিয়ান যুদ্ধ কোন চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল?
  1. Treaty of Paris, 1856/ প্যারিস চুক্তি, 1856 
  2. Treaty of Vienna, 1815/ ভিয়েনা চুক্তি, 1815
  3.  Treaty of Berlin, 1878/ বার্লিন চুক্তি, 1878
  4. Treaty of Frankfurt, 1871/ ফ্রাঙ্কফুর্ট চুক্তি, 1871
ব্যাখ্যা

ক্রিমিয়ান যুদ্ধ (1853–1856) শেষ হয় প্যারিস চুক্তি 1856 (Treaty of Paris, 1856) দ্বারা।
রাশিয়ার প্রভাব সীমিত করা: কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি সীমিত করা হয়।
অটোমান সাম্রাজ্যের স্বীকৃতি: ইউরোপীয় শক্তিগুলো অটোমান সাম্রাজ্যকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা: কৃষ্ণসাগরের অঞ্চলকে সকল দেশীয় বাহিনী ও যুদ্ধপোড়া জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।
European Balance of Power বজায় রাখা: যুদ্ধের ফলাফল নিশ্চিত করে যে রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১২.
Which nurse became famous during the Crimean War?/ ক্রিমিয়ান যুদ্ধে কোন নার্স বিখ্যাত হয়েছিলেন?
  1. Edith Cavell/ এডিথ ক্যাভেল
  2. Mary Seacole/ মেরি সিকল
  3. Florence Nightingale/ ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল
  4. Clara Barton/ ক্লারা বার্টন
ব্যাখ্যা

ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল (Florence Nightingale) হলেন সেই নার্স, যিনি ক্রিমিয়ান যুদ্ধ (1853–1856) চলাকালীন অসহায় সৈন্যদের সেবায় তার অবদান এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বিশ্বখ্যাত হন। সৈন্যদের হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেছিলেন। তার প্রচেষ্টায় মৃত্যুহার 40%-70% থেকে কমে 2%–3% এর আশেপাশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল। তিনি নার্সিংকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাকে সাধারণত “The Lady with the Lamp” বলা হয়, কারণ রাতে তিনি ল্যাম্প হাতে নিয়ে অসুস্থ সৈন্যদের দেখাশোনা করতেন।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১৩.
Which principle was guaranteed in the Treaty of Paris (1856)?/ ১৮৫৬ সালের প্যারিস চুক্তিতে কোন নীতি স্বীকৃত হয়েছিল?
  1. Freedom of colonies/ উপনিবেশগুলোর স্বাধীনতা
  2. German Confederation/ জার্মান কনফেডারেশন
  3. Independence of Italy/ ইতালির স্বাধীনতা
  4. Neutrality of the Black Sea/ কৃষ্ণসাগরের নিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

Treaty of Paris (1856) দ্বারা ক্রিমিয়ান যুদ্ধ শেষ হয়। এই চুক্তিতে মূলভাবে স্বীকৃত হয় কৃষ্ণসাগরের নিরপেক্ষতা (Neutrality of the Black Sea)। রাশিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করা হয়। কৃষ্ণসাগরে কোনো দেশকে সামরিক শক্তি রাখার অনুমতি দেওয়া হবে না। রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি সীমিত করা হয় এবং অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে বাধ্য করা হয় নীতি মানতে। এটি ইউরোপে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১৪.
The Congress of Berlin was held in—/ বার্লিন কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছিল—
  1. 1878 /১৮৭৮
  2. 1871/১৮৭১
  3. 1856/১৮৫৬
  4. 1848/১৮৪৮
ব্যাখ্যা

বার্লিন কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭৮ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে। এটি আয়োজন করেছিলেন জার্মানির "Iron Chancellor" ওট্টো ফন বিসমার্ক। এর উদ্দেশ্য ছিল ১৮৭৭-৭৮ সালের রাশিয়া-তুরস্ক যুদ্ধের পরবর্তী সমস্যাগুলো সমাধান করা এবং ইউরোপের "Eastern Question" (অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতা ঘিরে ইউরোপীয় শক্তিগুলোর স্বার্থসংঘাত) মোকাবিলা করা। এই কংগ্রেসে রাশিয়া, অটোমান সাম্রাজ্য, ব্রিটেন, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে। এর ফলে সান স্টেফানো চুক্তি (1878) সংশোধিত হয়।
ফলাফল: বলকান অঞ্চলে নতুন রাষ্ট্র (রুমানিয়া, সার্বিয়া, মন্টেনেগ্রো, বুলগেরিয়া) স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসন লাভ করে। অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করে। ব্রিটেন সাইপ্রাস দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয়। অতএব, বার্লিন কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭৮ সালে

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১৫.
Who presided over the Congress of Berlin?/ বার্লিন কংগ্রেস কে সভাপতিত্ব করেছিলেন?
  1. Cavour/ক্যাভুর
  2. Gladstone/গ্লাডস্টোন
  3. Napoleon III/ তৃতীয় নেপোলিয়ন
  4. Otto von Bismarck/ অটো ফন বিসমার্ক
ব্যাখ্যা

বার্লিন কংগ্রেস (১৮৭৮) অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির রাজধানী বার্লিনে। এই কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক, যাকে বলা হয় “Iron Chancellor”। তিনি ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন, তাই নিজেকে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী (honest broker) হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। কংগ্রেসের মূল কাজ ছিল ১৮৭৭-৭৮ সালের রাশিয়া-তুরস্ক যুদ্ধের পর করা সান স্টেফানো চুক্তি সংশোধন করা, যাতে ইউরোপের ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকে। বিসমার্ক এই কংগ্রেসকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেন এবং ইউরোপে অস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১৬.
Which treaty was revised at the Congress of Berlin?/ বার্লিন কংগ্রেসে কোন চুক্তি সংশোধিত হয়েছিল?
  1. Treaty of Vienna/ভিয়েনা চুক্তি
  2. Treaty of Paris/প্যারসি চুক্তি
  3. Treaty of San Stefano/ সান স্টেফানো চুক্তি
  4. Treaty of Frankfurt/ ফ্রাঙ্কফুর্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা

১৮৭৭-৭৮ সালের রাশিয়া-তুরস্ক যুদ্ধের পর রাশিয়া ও অটোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় সান স্টেফানো চুক্তি (March 1878)। এই চুক্তির ফলে বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব অত্যধিক বেড়ে যায় এবং একটি বৃহৎ “Greater Bulgaria” রাষ্ট্র গঠিত হয়। এতে ব্রিটেন ও অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি আতঙ্কিত হয়, কারণ ইউরোপের ক্ষমতার ভারসাম্য (balance of power) নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। তাই, বার্লিন কংগ্রেস (June-July 1878) এ এই চুক্তি সংশোধন করা হয়। এর ফলে—
বৃহৎ বুলগেরিয়াকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়।
সার্বিয়া, মন্টেনেগ্রো ও রুমানিয়া পূর্ণ স্বাধীনতা পায়।
অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করে।
ব্রিটেন সাইপ্রাস দ্বীপ অধিকার করে।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১৭.
Which statesman was called the “Honest Broker” at the Berlin Congress?/ বার্লিন কংগ্রেসে কোন রাষ্ট্রনায়ককে “Honest Broker” বলা হয়েছিল?
  1. Cavour/ক্যাভুর
  2. Otto von Bismarck/ অটো ফন বিসমার্ক 
  3. Napoleon III/ তৃতীয় নেপোলিয়ন
  4. Gladstone/গ্লাডস্টোন
ব্যাখ্যা

১৮৭৮ সালের বার্লিন কংগ্রেসে জার্মানির চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক (Otto von Bismarck) সভাপতিত্ব করেন। তিনি নিজেকে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন, কারণ তার লক্ষ্য ছিল ইউরোপে ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power) বজায় রাখা এবং কোনো একটি রাষ্ট্রকে অতিরিক্ত শক্তিশালী হতে না দেওয়া। যদিও বাস্তবে জার্মানির স্বার্থও রক্ষিত হয়েছিল, তবুও বিসমার্ককে বলা হয় “Honest Broker” বা “সৎ মধ্যস্থতাকারী”, কারণ তিনি রাশিয়া, ব্রিটেন, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অন্যান্য শক্তির মধ্যে সমঝোতা করিয়ে দেন এবং ইউরোপে সাময়িক শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

১৮.
Which year did World War I begin?/ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কোন সালে শুরু হয়েছিল?
  1. 1912/১৯১২
  2. 1914/ ১৯১৪ সালে 
  3. 1916/১৯১৬
  4. 1918/১৯১৮
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে। এর তাৎক্ষণিক কারণ ছিল— অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ডকে সারায়েভো শহরে এক সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদী হত্যা করে। এই ঘটনার পর অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ক্রমে ইউরোপের শক্তিগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
কারণগুলো ছিল—
জাতীয়তাবাদ (Nationalism)
সাম্রাজ্যবাদী প্রতিযোগিতা (Imperialism)
সামরিক জোট ব্যবস্থা (Alliance System) — ট্রিপল অ্যালায়েন্স বনাম ট্রিপল আন্তান্ত
অস্ত্র প্রতিযোগিতা (Arms Race)
যুদ্ধ শেষে (১৯১৮ সালে) ইউরোপ ও বিশ্ব রাজনৈতিকভাবে আমূল পরিবর্তিত হয়ে যায়।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

১৯.
Franz Ferdinand was heir to the throne of—/ ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ড কোন সিংহাসনের উত্তরাধিকারী ছিলেন?
  1. Austria-Hungary/ অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি
  2. Germany/জার্মানি
  3. Russia/রাশিয়া
  4. Ottoman Empire/অটোমান সাম্রাজ্য 
ব্যাখ্যা

আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ড ছিলেন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী। তিনি সম্রাট ফ্রাঞ্জ জোসেফের ভাতিজা ছিলেন। ১৯১৪ সালের ২৮ জুন বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে এক সার্বীয় জাতীয়তাবাদী সংগঠন (Black Hand) এর সদস্য গ্যাভ্রিলো প্রিন্সিপ তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রী সোফিকে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডই ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তাৎক্ষণিক কারণ । এরপর অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, এবং অল্পদিনের মধ্যেই ইউরোপের প্রধান শক্তিগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

২০.
How many years did World War I last?/ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কত বছর স্থায়ী হয়েছিল?
  1. 2 years/২ বছর
  2. 4 years/৪ বছর
  3. 5 years/৫ বছর
  4. 6 years/৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে, যখন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। যুদ্ধ শেষ হয় ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে, জার্মানির আত্মসমর্পণের মাধ্যমে। অর্থাৎ যুদ্ধটি স্থায়ী হয়েছিল মোট ৪ বছর ৩ মাসের মতো।
১৯১৪: যুদ্ধের সূচনা (Archduke Franz Ferdinand হত্যাকাণ্ডের পর)
১৯১৫: ইতালি Triple Alliance ত্যাগ করে Allies-এ যোগ দেয়
১৯১৭: আমেরিকা Allies-এর পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে
১৯১৮: জার্মানির পতন ও যুদ্ধের সমাপ্তি

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

২১.
Which country joined the war in 1917 and changed the outcome?/ ১৯১৭ সালে কোন দেশ যুদ্ধে যোগ দিয়ে ফলাফল পরিবর্তন করে?
  1. Turkey/তুরস্ক
  2. Japan/জাপান
  3. USA/ যুক্তরাষ্ট্র
  4. Italy/ইতালি
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র নিরপেক্ষ ছিল। কিন্তু কয়েকটি কারণে ১৯১৭ সালে তারা যুদ্ধে প্রবেশ করে— জার্মান ইউ-নৌকা (U-Boat) নিরপেক্ষ জাহাজসহ অনেক আমেরিকান জাহাজ ডুবিয়ে দেয়। জার্মানির টর্পেডোতে Lusitania ডুবানো (1915) ব্রিটিশ যাত্রীবাহী জাহাজ ডুবে যায়, যাতে অনেক আমেরিকান নাগরিক নিহত হয়। জার্মানি মেক্সিকোকে প্রস্তাব দেয় আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য, যা ফাঁস হয়ে যায় এটা Zimmermann Telegram (1917) নামে পরিচিত। এই ঘটনার পর এপ্রিল ১৯১৭ সালে প্রেসিডেন্ট Woodrow Wilson এর নেতৃত্বে আমেরিকা Allied Powers (Britain, France, Russia)-এর পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেয়।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

২২.
Russia withdrew from World War I after—/ কোন ঘটনার পর রাশিয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ায়?
  1. Russian Revolution (1917)/ রুশ বিপ্লব (১৯১৭)
  2. Bolshevik Civil War/বলশেভিক যুদ্ধ 
  3. Treaty of Versailles/ভার্সাই চুক্তি
  4. Franco-Prussian War/ফ্রাঙ্ক প্রাশিয়া যুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার ভেতরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা তীব্র হয়। জনগণ যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও ক্ষুধায় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এর ফলে ১৯১৭ সালের রাশিয়ান বিপ্লব ঘটে। ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (1917): জার বাদশাহ দ্বিতীয় নিকোলাসকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। অক্টোবর বিপ্লব (1917): ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে। বিপ্লবের পর বলশেভিক সরকার জনগণের দাবির প্রতি সাড়া দিয়ে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসে। এর ফলশ্রুতিতে রাশিয়া ও জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় Brest-Litovsk চুক্তি (March 1918), যা রাশিয়ার যুদ্ধ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্থান নিশ্চিত করে।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

২৩.
The League of Nations was established in—/ লীগ অব নেশন্স কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. 1917/১৯১৭
  2. 1919/১৯১৯
  3. 1920/১৯২০
  4. 1921/১৯২১
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে League of Nations (জাতিসংঘের পূর্বসূরী) প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব আসে President Woodrow Wilson এর Fourteen Points-এর মধ্যে। প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯১৯ প্রতিষ্ঠার স্থান: Versailles, France
উদ্দেশ্য:
আন্তর্জাতিক বিরোধ নিরসন
যুদ্ধ প্রতিরোধ
রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি
উল্লেখযোগ্য: League of Nations কার্যকরভাবে যুদ্ধ প্রতিরোধে ব্যর্থ হলেও, এটি পরবর্তীতে United Nations-এর ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

২৪.
The U.S. President during WWI was—/প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন—
  1. Eisenhower/আইজেনহাওয়ার
  2. Truman/ট্রুমান
  3. Roosevelt/রুজভেল্ট 
  4. Woodrow Wilson/ উডরো উইলসন
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন Woodrow Wilson (1913–1921)।শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র নিরপেক্ষ ছিল, তবে জার্মানির unrestricted submarine warfare এবং Zimmermann Telegram-এর কারণে ১৯১৭ সালে যুদ্ধের Allied Powers-এর পাশে যোগ দেয়। যুদ্ধের পর তিনি Versailles চুক্তি-এর আলোচনায় নেতৃত্ব দেন। League of Nations প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও তার Fourteen Points পরিকল্পনার অংশ ছিল।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

২৫.
The Treaty of Versailles was signed in—/ ভার্সাই চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1.  1917/১৯১৭
  2. 1919/১৯১৯
  3. 1920/১৯২০
  4. 1921/১৯২১
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর প্রধান বিজয়ী দেশগুলো (Britain, France, USA, Italy) জার্মানির সঙ্গে শান্তি স্থাপনের জন্য Versailles, France-এ চুক্তি স্বাক্ষর করে।
স্বাক্ষরের সাল: ২৮ জুন, ১৯১৯
স্বাক্ষরের স্থান: Palace of Versailles, France
প্রধান শর্তসমূহ:
1.      War Guilt Clause: জার্মানি পুরো যুদ্ধের দায় স্বীকার করে
2.      Reparations: জার্মানি বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
3.      Territorial Losses: এলাকা হারানো, যেমন Alsace-Lorraine ফ্রান্সকে ফেরত দেয়া
4.      Military Restrictions: জার্মানির সেনা সীমিত করা
5.      League of Nations: প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব
লক্ষ্য: জার্মানিকে দুর্বল করা এবং ইউরোপে স্থায়ী শান্তি বজায় রাখা

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

২৬.
The Treaty of Versailles was mainly directed against—/ ভার্সাই চুক্তি মূলত কার বিরুদ্ধে ছিল?
  1. Austria/অস্ট্রিয়া
  2. Ottoman Empire/অটোমান
  3. Germany/ জার্মানি 
  4. Russia/রাশিয়া
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর Versailles চুক্তি (1919) মূলত জার্মানিকে শাস্তি দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
· জার্মানিকে পুরো যুদ্ধের দায়ী (War Guilt Clause) ধরা হয়।
· জার্মানিকে অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ (Reparations) দিতে বাধ্য করা হয়।
· জার্মানির সেনা ও সামরিক শক্তি সীমিত করা হয়।
· কিছু ভূখণ্ড জার্মানির কাছ থেকে কেটে নেওয়া হয় (যেমন: Alsace-Lorraine ফ্রান্সকে ফেরত দেওয়া)।
এই চুক্তি মূলত জার্মানির উপর চাপ সৃষ্টি করে, যাতে ভবিষ্যতে তারা যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি না করতে পারে।

উৎস-
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

২৭.
Who is considered the father of scientific socialism?/ বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জনক হিসেবে কাকে ধরা হয়?
  1. Karl Marx/মার্ক্স
  2. Lenin/লেনিন
  3. Engels/এঙ্গেলস
  4. Stalin/স্টালিন
ব্যাখ্যা

Scientific Socialism (বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র) হলো সমাজতন্ত্রের একটি তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা ইতিহাস ও অর্থনীতির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে শ্রমিক শ্রেণীর মুক্তি ও শ্রেণীহীন সমাজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
· কার্ল মার্ক্স ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস একসাথে The Communist Manifesto (1848) লিখেছেন।
· মার্ক্স Capital (Das Kapital) বইতে পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও শ্রমিক শোষণের বিশ্লেষণ করেছেন।
· তিনি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ব্যবহার করে দেখিয়েছেন কিভাবে শ্রমিক শ্রেণীর আন্দোলন সমাজ পরিবর্তন করতে পারে।
তাই, বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জনক হিসেবে স্বীকৃত ব্যক্তি হলেন Karl Marx

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র।

২৮.
The Communist Manifesto was published in—/ কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো প্রকাশিত হয়েছিল—
  1. 1848/১৮৪৮
  2. 1867/১৮৬৭
  3. 1871/১৮৭১
  4. 1917/১৯১৭
ব্যাখ্যা

The Communist Manifesto হল কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের লেখা একটি রাজনৈতিক প্রবন্ধ যা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের তত্ত্ব উপস্থাপন করে।
প্রকাশের সাল: ১৮৪৮
প্রকাশের স্থান: লন্ডন, ইংল্যান্ড
মূল বিষয়:
ইতিহাস হলো শ্রেণীসংঘাতের ইতিহাস।
শ্রমিক শ্রেণী (Proletariat) পুঁজিবাদী শ্রেণী (Bourgeoisie)-এর বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
শ্রমিক সমাজের নেতৃত্বে শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

২৯.
The Paris Commune was established in—/ প্যারিস কমিউন গঠিত হয়েছিল—
  1. 1848/১৮৪৮ 
  2. 1867/১৮৬৭
  3. 1871/১৮৭১
  4. 1917/১৯১৭
ব্যাখ্যা

Paris Commune হলো একটি স্বল্পকালীন গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক সরকার যা ফ্রান্সে প্যারিস শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠার সাল: ১৮ মার্চ ১৮৭১
প্রসঙ্গ: ফ্রান্স-প্রুশিয় যুদ্ধ (1870–1871) ও ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার ফল।
লক্ষ্য: শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের স্বশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
বৈশিষ্ট্য: সমবায়ী নীতি, সমতা ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রচলন।
ফলাফল: ফ্রান্সের সরকারি বাহিনী দ্বারা মাত্র ২ মাস পর (মে 1871) রুদ্ধ করা হয়।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র।

৩০.
The Bolshevik Revolution is also called the—/ বলশেভিক বিপ্লবকে আর কী বলা হয়?
  1. February Revolution/ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. October Revolution / অক্টোবর বিপ্লব
  3. March Revolution/মার্চ বিপ্লব
  4. Red Revolution/ লাল বিপ্লব
ব্যাখ্যা

Bolshevik Revolution হলো ১৯১৭ সালের রাশিয়ান বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়, যা ভ্লাদিমির লেনিন এবং বলশেভিক দলের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়।
সাল: অক্টোবর ১৯১৭ (জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে নভেম্বর)
ঘটনার স্থান: পেট্রোগ্রাদ (বর্তমান সেন্ট পিটার্সবার্গ)
লক্ষ্য: Provisional Government পতন করে বলশেভিকদের ক্ষমতা দখল করা।
ফলাফল: রাশিয়ায় প্রথম কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা পায়।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩১.
Who organized the Red Army during the Bolshevik Revolution?/ বলশেভিক বিপ্লবের সময় কে লাল ফৌজ সংগঠিত করেছিলেন?
  1. Lenin/লেলিন
  2. Trotsky/ ট্রটস্কি
  3. Stalin/স্টালিন
  4. Bukharin/বুখারিন
ব্যাখ্যা

বলশেভিক বিপ্লবের পর লাল ফৌজ (Red Army) গঠন করা হয়েছিল ব্লশেভিক সরকারকে রক্ষণাবেক্ষণ ও সিভিল ওয়ার (Russian Civil War, 1917–1922) মোকাবিলা করার জন্য। লাল ফৌজ গঠন করেন লেভ ট্রটস্কি, যিনি ছিলেন বলশেভিক সরকারের প্রধান সামরিক নেতা। তিনি যুদ্ধের জন্য কঠোর শৃঙ্খলা, আধুনিক যুদ্ধ কৌশল ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ নিশ্চিত করেন। লাল ফৌজ মূলত ব্রাউনগার্ডস ও হোয়াইট আর্মি-এর বিরুদ্ধে লড়াই করে। ট্রটস্কির নেতৃত্বে লাল ফৌজ সফলভাবে রাশিয়ান সিভিল ওয়ার জয়ী হয় এবং বলশেভিকদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩২.
When was the Union of Soviet Socialist Republics (USSR) formed?/ সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) কবে গঠিত হয়েছিল?
  1. 1917/১৯১৭
  2. 1930/১৯৩০
  3. 1924/১৯২৪
  4. 1922/১৯২২
ব্যাখ্যা

রাশিয়ান সিভিল ওয়ারের পরে বলশেভিকদের নেতৃত্বে রাশিয়ায় কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সোশ্যালিস্ট প্রজাতন্ত্র একত্রিত হয়ে Union of Soviet Socialist Republics (USSR) গঠন করে।
গঠনের সাল: ৩০ ডিসেম্বর, ১৯২২
মূল প্রজাতন্ত্র: রাশিয়ান SFSR, ইউক্রেন, বেলারুশ ও ট্রান্সককেশিয়ান SFSR
উদ্দেশ্য: রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রিয়কৃত সরকার ও সামরিক শক্তি। লেনিন প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, তবে তিনি এই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক নীতি প্রণয়ন ও স্থাপনার মূল নেতা ছিলেন।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩৩.
Who founded Fascism in Italy?/ ইতালিতে ফ্যাসিবাদ কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
  1. Hitler/হিটলার
  2. Cavour/ক্যাভুর
  3. Mussolini/ মুসোলিনী 
  4. Garibaldi/গ্যারিবাল্ডি
ব্যাখ্যা

Fascism (ফ্যাসিবাদ) হলো একটি স্বৈরশাসক এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক মতাদর্শ, যা দেশপ্রেম, রাষ্ট্রের পূর্ণ শক্তি এবং নেতা-ভক্তিকে গুরুত্ব দেয়। এর বৈশিষ্ট্য ছিল-একক নেতা (Dictator) ও একদলীয় শাসন, জাতীয়তাবাদ ও সামরিক শক্তির প্রশংসা এবং শ্রমিক ও সামাজিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ। মুসোলিনী ১৯২২ সালে “March on Rome” দ্বারা ক্ষমতা দখল করেন এবং ইতালিতে ফ্যাসিস্ট শাসন শুরু হয়।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩৪.
Mussolini came to power in Italy in—/ মুসোলিনি ইতালিতে ক্ষমতায় আসেন—
  1. 1919/১৯১৯
  2. 1922/১৯২২
  3. 1925/১৯২৫
  4.  1933/১৯৩৩
ব্যাখ্যা

বেনিটো মুসোলিনী ইতালিতে ক্ষমতায় আসেন ১৯২২ সালে, যখন তিনি ফ্যাসিস্ট পার্টির নেতা হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন। ফ্যাসিস্ট পার্টির সদস্যরা রোমে পদযাত্রা করে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেন। রাজা ভিক্টর ইম্যানুয়েল II মুসোলিনিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করেন। এর ফলে ইতালিতে ফ্যাসিস্ট শাসন শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে মুসোলিনী Dictator হিসেবে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেন (1925) এবং একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৩৫.
Hitler became the Chancellor of Germany in—/ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর হন—
  1.  1929/১৯২৯
  2. 1941/১৯৪১
  3. 1939/১৯৩৯
  4. 1933/১৯৩৩ 
ব্যাখ্যা

আডলফ হিটলার ৩০ জানুয়ারি ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর পদে নিযুক্ত হন।তার নেতৃত্বে Nazi Party দ্রুত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে। ১৯৩৩ সালের পর Reichstag Fire ও Enabling Act-এর মাধ্যমে হিটলারকে ডিক্টেটর হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়। তিনি জার্মানিতে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন এবং Third Reich ঘোষণা করেন।

উৎস-
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩৬.
Hitler’s party was—/ হিটলারের দল কোনটি ছিল?
  1. Nazi Party/ নাজি পার্টি 
  2. Communist Party/কমিউনিস্ট পার্টি
  3. Fascist Party/ফ্যাসিস্ট পার্টি
  4. Socialist Party/সোশালিস্ট পার্টি
ব্যাখ্যা

আডলফ হিটলার জার্মানিতে ক্ষমতায় আসার আগে National Socialist German Workers’ Party (NSDAP)-এর নেতা ছিলেন, যাকে সাধারণভাবে Nazi Party বলা হয়। প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯১৯ (মূলত Deutscher Arbeiterpartei হিসেবে), হিটলার ১৯২০ সালে নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।বৈশিষ্ট্য: জাতীয়তাবাদী ও বর্ণবাদী (Nationalist & Racist Ideology), Anti-Semitism – ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও নিপীড়ন, স্বৈরশাসন ও একদলীয় শাসন, সামরিক শক্তি ও জার্মানির সম্প্রসারণবাদ। হিটলারের নেতৃত্বে Nazi Party জার্মানির প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠে এবং ১৯৩৩ সালে তিনি চ্যান্সেলর হন।

উৎস-
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩৭.
Hitler’s book was—/ হিটলারের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
  1. Il Duce / ইল দুসে
  2. The Prince / দি প্রিন্স 
  3. Mein Kampf /মাইন ক্যাম্ফ
  4. Das Kapital / দাস কাপিটাল
ব্যাখ্যা

Mein Kampf হলো আডলফ হিটলারের স্ব-জীবনী এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করা একটি বই।
প্রকাশের সাল: প্রথম খণ্ড ১৯২৫, দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২৬
বিষয়বস্তু:
হিটলারের জাতীয়তাবাদী ও বর্ণবাদী মতাদর্শ
Anti-Semitism – ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে তার বৈষম্যমূলক ধারণা
জার্মানির পুনর্জাগরণ ও সম্প্রসারণবাদী নীতি
রাজনৈতিক কৌশল ও Nazi Party-এর লক্ষ্য
বইটি হিটলারের রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও আইডিয়োলজি বোঝার মূল উৎস।

উৎস-
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩৮.
Hitler’s title in Germany was—/ জার্মানিতে হিটলারের উপাধি ছিল—
  1.  Il Duce/ ইল দুসে
  2. Führer/ফুয়েরার
  3. Kaiser/কাইজার
  4. Tsar/জার
ব্যাখ্যা

Führer হলো জার্মান শব্দ, যার অর্থ নেতা বা শাসক। হিটলার এই উপাধি ব্যবহার করে জার্মানিতে একক শাসন ও স্বৈরশাসকত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। হিটলার ১৯৩৪ সালে চ্যান্সেলর এবং রাষ্ট্রপতি উভয় ক্ষমতা একত্রিত করে নিজেকে Führer und Reichskanzler ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তিনি জার্মানির একদলীয় শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।Führer-এর অধীনে:
একক নেতৃত্বের নীতি (Dictatorship)
Nazi Party-এর উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ
রাষ্ট্র এবং পার্টির মিলিত শক্তি
লক্ষ্য: Third Reich স্থাপন এবং জার্মানিকে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস-
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৩৯.
Hitler’s aggressive policy finally led to—/ হিটলারের আগ্রাসী নীতি শেষ পর্যন্ত কোন ঘটনার দিকে নিয়ে যায়?
  1. World War II/ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  2. Cold War/শীতল যুদ্ধ 
  3. Russian Revolution/ রুশ বিপ্লব
  4. Industrial Revolution/শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা

আডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর ও Führer হিসেবে ক্ষমতায় আসার পর তার নীতি ছিল আগ্রাসী ও সম্প্রসারণবাদী । হিটলার রাইনল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুধেটেনল্যান্ড, চেকোস্লোভাকিয়া এবং পোল্যান্ড দখল করতে চেয়েছিলেন। ভার্সাই চুক্তির শর্ত উপেক্ষা করে সেনা বৃদ্ধি এবং সামরিক অভিযান। ইটালি ও জাপানের সঙ্গে Axis Powers তৈরি করেন। ইউরোপীয় শক্তিগুলো প্রথমে তার আগ্রাসী নীতি প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়ে তোষননীতি গ্রহণ করে। অবশেষে পোলান্ড আক্রমনের মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি সূত্রপাত ঘটায়।

উৎস-
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র