পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩২: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: [শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।] ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: [শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে)] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, এক ফসলি আবাদি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৫০,৪২,০০০ হেক্টর
  2. ৩০,৫৪,০০০ হেক্টর
  3. ২০,৪৪,০০০ হেক্টর
  4. ৪০,৭৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:

- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।


উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের আওতাধীন কতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৭টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়।
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

.
”গোপালভোগ” কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. ভুট্টা
  3. তরমুজ
  4. আম
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভোগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করে- (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানীঃ
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের 10.96% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

.
মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. খুলনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম= ৮,৮০,৭৯৭ (মেট্রিকটন);
২. খুলনা= ৮,২২,৩৬১ (মেট্রিকটন);
৩. রাজশাহী= ৫,৭৬,৮৩০ (মেট্রিকটন);

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. ময়মনসিংহ= ৩,৪৫,০০১ (মেট্রিকটন);
২. কুমিল্লা= ৩,১৫,৪৫৭ (মেট্রিকটন);
৩. যশোর= ২,৪৮,০৮৯ (মেট্রিকটন)।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি একটি অ-তফসিল ভুক্ত ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না


অন্যদিকে,
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬১ টি।
 - অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

.
মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে কতটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২৭টি 
  2. ৩০টি 
  3. ১৫টি 
  4. ২১টি 
সঠিক উত্তর:
৩০টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি 
ব্যাখ্যা

• মৃত্তিকা ভিত্তিক পরিবেশ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফসল নির্বাচন:
- মাটির বৈশিষ্ট্য বলতে মাটির শ্রেণি, জৈব পদার্থের মাত্রা, পটাশজাত খনিজের মাত্রা, PH মাত্রা এবং মাটির বন্ধুরতাকে বোঝায়। 
- মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। 
- কোনো একটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে সে অঞ্চলের মাটির প্রতিনিধিত্ব করে। 
- এক একটি কৃষি অঞ্চল এক একটি প্রযুক্তিও বটে। 
- কৃষি কর্মকাণ্ডের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো মাটির বৈশিষ্ট্য ও বন্ধুরতা অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা।
- মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল নির্বাচন কৃষি কর্মের একটি অত্যাবশ্যক প্রযুক্তি। 
- এই প্রযুক্তি যত নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা যাবে কৃষিকাজের ফলাফলও তত বেশি লাভজনক হবে। 

• মাটির গঠন ও প্রকৃতি অনুযায়ী ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলকে নিম্নোক্ত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। 
- এই অঞ্চলগুলোর মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল নির্বাচন দেখানো হলো।
১। দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চল।
২। কাদা মাটি অঞ্চল।
৩। বরেন্দ্র অঞ্চল ও মধুপুর অঞ্চল।
৪। পাহাড়ি ও পাদভূমি অঞ্চল।
৫। উপকূলীয় অঞ্চল।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

.
জনাব আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১১তম
  2. ১২তম
  3. ১৩তম
  4. ১৪তম
সঠিক উত্তর:
১৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩তম
ব্যাখ্যা

• ড. আহসান এইচ মনসুর:
- তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) এর প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।
- ড. আহসান এইচ. মনসুর ১৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর হিসেবে যোগদান করেন।

- ড. মনসুর ১৯৮১ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর অর্থনীতিবিদ প্রোগ্রামের অধীনে যোগদান করেন।
- আইএমএফ-এ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে, ড. মনসুর মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়ান, আফ্রিকান এবং মধ্য আমেরিকান দেশগুলির সাথে কাজ করেন।
- তিনি আইএমএফের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী বিভাগ (আর্থিক বিষয়ক এবং নীতি পর্যালোচনা ও উন্নয়ন বিভাগ) এবং অঞ্চল বিভাগে (মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়া এবং এশিয়ান বিভাগ) কাজ করেন।

- তিনি ১৯৯৮-২০০১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে আইএমএফের সিনিয়র রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রীর (১৯৮৯-৯১) আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনকালে, ড. মনসুর ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সফলভাবে প্রবর্তনের সাথে জড়িত ছিলেন। 

উল্লেখ্য,
- জনাব এ এন হামিদুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

.
বোরো ধান রোপনের সময়কাল হলো—
  1. মার্চ শুরু – মধ্য এপ্রিল
  2. জুলাইয়ের শেষ – সেপ্টেম্বর
  3. মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি 
  4. ফেব্রুয়ারি –  মার্চ
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি 
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
- আউশ ধান = মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল।
- আমন ধান =  জুনের শেষ  -সেপ্টেম্বরের শুরু।
- বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
- আউশ ধান = মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু।
- আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

১০.
বর্তমানে বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানির সংখ্যা কতটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২৮টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৯টি 
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
ব্যাখ্যা

• বীমা:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ।

১১.
কোন ধরনের মাটিতে গমের উৎপাদন বেশি হয়?
  1. এটেল মাটিতে
  2. দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে
  3. পলি মাটিতে
  4. বেলে ও এটেল দোআঁশ মাটিতে
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে
ব্যাখ্যা

• গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য:
- উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযোগী। মাঝারি নিচু জমিতেও গম চাষ করা হয়।
-দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ভালো। এঁটেল দোআঁশ মাটিতেও গমের চাষ হয়।
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে গমের চাষ ভালো হয়। এছাড়া ঢাকা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুরেও গমের আবাদ হয়।
- বাংলাদেশের সব কৃষি অঞ্চলে গমের চাষ হয় না। বিশেষ করে হাওর বাঁওড় ও বিল -অঞ্চলে গমের আবাদ করা হয় না।
- যে মাটিতে PH (অম্লাত্মক-ক্ষারত্মক)। মাত্রা ৬.০ থেকে ৭.০ সেসব মাটিতে গম ভালো হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১২.
বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Sugar & Food Industries Corporation.

- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়। 

- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে। 

- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

উৎস: বিএসএফআইসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর কোনটি?
  1. বুড়িমারী স্থলবন্দর
  2. ভোমরা স্থলবন্দর
  3. বেনাপোল স্থলবন্দর
  4. সোনাহাট স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

⇒ কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. পঞ্চগড় 
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড় 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা।
- অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রথম আলো।

১৫.
MRT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mass Rapid Transport
  2. Mass Rapid Transit
  3. Metro Rail Transit
  4. Modern Railway Transport
সঠিক উত্তর:
Mass Rapid Transit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mass Rapid Transit
ব্যাখ্যা

- ঢাকা মহানগরী ও তৎসংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে অত্যাধুনিক গণপরিবহন হিসেবে Mass Rapid Transit (MRT) বা মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা, সার্ভে, ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের নিমিত্ত The Companies Act 1994 অনুযায়ী গত ০৩ জুন ২০১৩ তারিখ শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL) গঠন করা হয়।

• Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL):
- এটি ২০১৩ সালে গঠিত হয়।
- এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এর আওতাধীন ।
- প্রধান কার্যালয়- মেট্রোরেল ভবন, এমআরটি লাইন-৬ ডিপো সোনারগাঁও জনপথ, সেক্টরঃ ১৫-১৬ দিয়াবাড়ি, উত্তরা, ঢাকা- ১২।

উৎস: DMTCL।

১৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আখ জন্মায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. পাবনা
  2. নাটোর 
  3. রাজশাহী
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নাটোর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

- মোট আখ উৎপাদন- ২,৯৩,৩৬,৯৪.৬৯ মে. টন
- মোট আখ আবাদ হয়েছে- ১,৬৭,৩৪৫.৩৪ একর। 

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় - নাটোর জেলা (৯৩২,০০৬.৪২ মে. টন)
- নাটোর জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৫১,৫০৬.১৩ একর জমিতে আখের আবাদ হয়।

এছাড়াও,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।  

১৭.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ৫.১৪%
  2. ৪.৩৪%
  3. ৩.৩৩%
  4. ৬.৭৪%
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৮.
নিচের কোন সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে কৃষি শুমারি পরিচালিত হয়?
  1. WB
  2. FAO
  3. WfP
  4. IFAD
সঠিক উত্তর:
FAO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAO
ব্যাখ্যা

কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় - ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
-  ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কৃষি শুমারিতে পল্লি এবং শহর উভয় এলাকার সকল খানার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এই শুমারিতে প্রথম বারের মতো মৎস্য চাষে জমির ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি (FAO) সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র- কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ।

১৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ কত?
  1. ৬০ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৬৪ বিলিয়ন
  4. ৬৯ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
৬১ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো।