পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা সিলেবাস - পরীক্ষা ৪ ও ৫ [Live Class – ৫, ৬, ৭, ৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
গ্লাসনস্ত নীতি কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন 
  2. জার্মানি
  3. ভিয়েতনাম 
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন 
ব্যাখ্যা

মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।
- এর লক্ষ্য ছিল সরকারের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা, দুর্নীতি কমানো এবং জনগণের মাঝে মুক্ত চিন্তা ও আলোচনা উত্সাহিত করা।
- এই নীতি পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের দিকে পরিচালিত হয়।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৮৫ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের আধারে এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে একটি দক্ষ অর্থনীতি এবং সর্বোপরি একটি উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর ও গণতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো।
- শীতলযুদ্ধের প্রয়োজনে সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত ভারী শিল্প বিশেষত সামরিক শিল্পের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
- ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক বা এই ধরনের বিলাস দ্রব্যের উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি।
- একই সাথে বিশ্ববাণিজ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পিছিয়ে পড়েছিল।
- বাণিজ্য কেবল পূর্ব ইউরোপ এবং সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এর নীতি গৃহীত হয়।

উৎস: Britannica.

.
ট্রুম্যান ডকট্রিনের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন দেশগুলিকে সহায়তা প্রদান করে?
  1. গ্রিস ও তুরস্ক
  2. ফ্রান্স ও জার্মানি
  3. ইরান ও ইরাক
  4. দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান
সঠিক উত্তর:
গ্রিস ও তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিস ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা

ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
- ১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসে  তিনি ঘোষণা করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন বিশ্বরাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতার নীতি (মনরো নীতি) অনুসরণ করে আসছে। কিন্তু সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ করার উদ্দেশ্যে সেই নীতি থেকে তারা সরে আসবে। তিনি আরও বলেন, যেসব জাতি সশস্ত্র সংখ্যালঘুদের কিংবা কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের আক্রমণের স্বীকার হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দেবে।
- এভাবে বিচ্ছিন্নতার নীতির পরিবর্তে ট্রুম্যান যে সামরিক সক্রিয়তার নীতি নিলেন তা-ই ইতিহাসে 'ট্রুম্যান নীতি' (ট্রুম্যান ডকট্রিন) নামে পরিচিত।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।

⇒ ট্রুম্যানের এই নীতি ঘোষণার পিছনে কয়েকটি কারণ -
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের শক্তি বৃদ্ধি ঘটে। এই ঘটনা আমেরিকা সহ পশ্চিমি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলিকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
- ইংল্যান্ড আমেরিকাকে সতর্ক করে যে, ব্রিটিশ সৈন্য গ্রিস থেকে ফিরে আসার পর সেখানে কমিউনিস্টদের প্রাধান্য স্থাপিত হলে সমগ্র ভূমধ্যসাগর ও বলকান অঞ্চল মিত্রশক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এই সতর্কবার্তায় আমেরিকা সচকিত হয়ে পড়ে।
- বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন বাণিজ্যে মন্দা ও অস্ত্রনির্মাণ সংস্থা উৎপাদন হ্রাস ও কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় ভুগতে থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রুম্যান তাঁর সামরিক সক্রিয়তার নীতি গ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের দেশগুলির আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে আমেরিকা এই সব দেশে শিল্পপণ্যের বাজার দখলের পরিকল্পনা করে।

উল্লেখ্য,
- এই নীতি গ্রহণের ফলে গ্রিস ও তুরস্কে (৪০ কোটি ডলার সাহায্য দিয়ে) কমিউনিস্টদের প্রতিহত করা সম্ভব হয়।

উৎস: National Archives | (.gov).

.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পালাউ
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ফিজি
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

ওশেনিয়া মহাদেশ:

- প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যভাগ ও দক্ষিণাংশের দ্বীপসমূহকে একত্রে ওশেনিয়া বলা হয়।
- ওশেনিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- এই অঞ্চলকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: অস্ট্রেলিয়া (অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড), মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়া।
- ওশেনিয়া মহাদেশের স্বাধীন দেশ ১৪টি।
- দেশগুলো: অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, কিরিবাতি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, নিউজিল্যান্ড, পালাউ, পাপুয়া নিউগিনি, সামোয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা, টুভালু, ভানুয়াতু।

উৎস: Worldatlas.

.
'উত্তর আমেরিকার জিব্রাল্টার' বলা হয় কোনটিকে?
  1. আলাস্কা
  2. কিউবা
  3. হাভানা
  4. কুইবেক
সঠিক উত্তর:
কুইবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুইবেক
ব্যাখ্যা

কুইবেক অঙ্গরাজ্য:
- কানাডার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ কুইবেক।
- কানাডার মোট ভূমির প্রায় এক-ষষ্ঠাংশ এলাকা নিয়ে কুইবেক অঙ্গরাজ্য গঠিত। 
- কানাডার সর্বাধিক ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠী বাস করে।
- কুইবেকে প্রায় ৮০% লোক ফরাসি ভাষা ব্যবহার করে।
- চার্লস ডিকেন্স কুইবেককে 'উত্তর আমেরিকার জিব্রাল্টার' বলে অভিহিত করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।

উৎস: i) Government of Canada.
ii) Britannica.

.
কত সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরে বাধ্য হন?
  1. ১২০২ সালে
  2. ১২০৫ সালে
  3. ১২১২ সালে
  4. ১২১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১২১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১৫ সালে
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্য:
- ‘ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন অ্যান্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড’’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যুক্তরাজ্য বা ইউকে।
- এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে চারটি পৃথক দেশের সমন্বয়ে: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস)।

⇒ ম্যাগনাকার্টা:
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।
- যুক্তরাজ্যে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র বা পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি এর ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) নথিতে, যা ১২১৫ সালে সই করা হয়েছিল।
- ইংল্যান্ডের রাজা জন “ম্যাগনা কার্টা” (Magna Carta) নামে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। 
- এর প্রথম নাম ছিল ‘চার্টার অব রানিমেড’ (Charter of Runnymede)।
- পরে এটি ম্যাগনাকার্টা চার্টার নামে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: Britannica.

.
'I have a dream' ভাষণটি কে প্রদান করেন?
  1. উড্রো উইলসন 
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. বিল ক্লিনটন
  4. মার্টিন লুথার কিং
সঠিক উত্তর:
মার্টিন লুথার কিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা

মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- তিনি বর্ণবৈষম্য বিলোপ, শান্তি ও নাগরিক অধিকারের জন্য নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকানদের মৌলিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট এক বিরাট মিছিলের নেতৃত্ব দেন, যা ‘1963 March on Washington’ নামে পরিচিত।
- মিছিল শেষে ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়াল মঞ্চে তিনি এ ভাষণটি দেন তা ছিল বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে।
- তিনি বলেছিলেন, ‘I have a dream that my four little children will one day live in a nation where they will not be judged by the color of their skin but by the content of their character.’
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।
- মার্টিন লুথারের ওই ভাষণের পর আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনেক আইন তৈরি হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

.
Operation Odyssey Dawn কোন দেশে পরিচালিত একটি সামরিক অভিযান?
  1. ইরাক
  2. আফগানিস্তান
  3. লিবিয়া
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
ব্যাখ্যা

Operation Odyssey Dawn:
- অপারেশন ওডিসি ডন ছিল ২০১১ সালে লিবিয়ায় একটি আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযান।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর একটি যৌথ বাহিনী দ্বারা পরিচালিত হয়।
- এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ১৯৭৩-এর অধীনে চালু করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে লিবিয়ায় বিমান হামলা চালানো হয় এবং লিবিয়ার উপর ‘নোফ্লাই জোন' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এই অপারেশন পরিচালিত হয় ১৯ - ৩১ মার্চ, ২০১১ পর্যন্ত।
-  এটি লিবিয়ার তৎকালীন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল এবং পরে ন্যাটো এই অভিযানের দায়িত্ব নেয়। 
- এই বিমান হামলায় গাদ্দাফী উৎখাত হন এবং তার সরকারের পতন ঘটে।

উৎস: PBS ওয়েবসাইট।

.
ক্রিস্টোফার কলম্বাস কত সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন?
  1. ১৪৫২ সালে
  2. ১৪৬৮ সালে
  3. ১৪৮৫ সালে
  4. ১৪৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৪৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯২ সালে
ব্যাখ্যা

ক্রিস্টোফার কলম্বাস:
- তিনি ছিলেন ইতালীয় নাবিক এবং স্পেনের নৌআভিযাত্রী। 
- আনুমানিক ১৪৫১ সালের ৩১শে অক্টোবর, ইতালির জেনোয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।
-অন্বেষণকারী ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে চারটি ভ্রমণ করেছিলেন।
- তিনি ইউরোপ থেকে এশিয়ার পশ্চিমে সরাসরি জলপথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন।
- তিনি এরপর আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন ১৪৯২ সালে।
- যদিও তিনি তথাকথিত নিউ ওয়ার্ল্ডকে ‘আবিষ্কার’ করেননি।
- লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই সেখানে বাস করেছিল।
- তবে তার যাত্রা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার শতবর্ষের অনুসন্ধান এবং উপনিবেশের সূচনা করে।

উৎস: History Channel.

.
নিম্নের কোন যুদ্ধে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট পরাজিত হন?
  1. ওয়াটারলু যুদ্ধ
  2. ফরাসি যুদ্ধ
  3. শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ
  4. বোরোডিনো যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ওয়াটারলু যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াটারলু যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বর্তমান বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এটি ছিল নেপোলিয়ন বোনাপার্টের নেতৃত্বাধীন ফরাসি সেনাবাহিনী এবং ডিউক অফ ওয়েলিংটনের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ-মিত্র বাহিনী ও প্রুশিয়ান সেনাবাহিনীর (জেনারেল ব্লুখারের নেতৃত্বে) মধ্যে একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়নের চূড়ান্ত পরাজয় ঘটে।
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ইউরোপের রাজনৈতিক ভূগোল এবং ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান। তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন। ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়।

অন্যদিকে,
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড ফ্রান্সের সিংহাসন দাবি করলে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই যুদ্ধ স্থায়ীত্ব ছিল ১৩৩৮-১৪৫৩ সাল পর্যন্ত। এই যুদ্ধে ফ্রান্স জয়লাভ করে।

উৎস: Britannica.

১০.
'পোর্ট অব প্রিন্স' কোন দেশের রাজধানী?
  1. কোস্টারিকা
  2. জ্যামাইকা
  3. হাইতি
  4. ডোমিনিকা
সঠিক উত্তর:
হাইতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইতি
ব্যাখ্যা

হাইতি:
- হাইতি হিস্পানিওলা দ্বীপের পশ্চিম অর্ধেকের একটি ক্যারিবীয় দেশ। 
- হাইতির রাজধানী: পোর্ট অব প্রিন্স।
- হাইতির মুদ্রা গুর্দে।

অন্যদিকে -
- কোস্টারিকার রাজধানী স্যানজোসে।
- জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টন।
- ডোমিনিকার রাজধানী রোজেউ।

উৎস: Britannica.

১১.
সুয়েজ খাল কে জাতীয়করণ করেন?
  1. গামাল আবদেল নাসের
  2. হোসনি মুবারক
  3. অনোয়ার সাদাত
  4. আবদেল হাকিম আমর
সঠিক উত্তর:
গামাল আবদেল নাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামাল আবদেল নাসের
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।
- শুরুতে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১৬৪ কিলোমিটার এবং গভীরতা ছিল ৮ মিটার, সম্প্রসারণের পর ২০১০ সালের হিসাব মতে এর দৈর্ঘ্য ১৯০.৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৪ মিটার।
- বিশ্ববাণিজ্যের ১২ শতাংশ পরিবহন হয় এই পথ দিয়ে।

⇒ সুয়েজ খাল খনন করা হয়েছিল মিশর দ্বারা।
- এই খালের নির্মাণ কাজের নেতৃত্ব দেন ফরাসি প্রকৌশলী ফারদিনান্দ ডি লেসেপস।
- ১৮৫৯ সালে খালটি খনন শুরু হয় এবং ১৮৬৯ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়।
- সুয়েজ খাল খননের মূল উদ্দেশ্য ছিল, আফ্রিকা মহাদেশকে অতিক্রম না করে, ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি জলপথ সংযোগ স্থাপন করা, যা বাণিজ্য ও শিপিং কার্যক্রমকে দ্রুততর এবং সুবিধাজনক করে তোলে।
- এছাড়া, ১৯৫৬ সালে সুয়েজ সংকট (Suez Crisis) ঘটেছিল, যখন মিশরের রাষ্ট্রপতি গামাল আবদেল নাসের খালটি জাতীয়করণ করেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিরোধ সৃষ্টি করেছিল।

উৎস: i) Suez Canal Authority.
ii) US Naval Institute.

১২.
গেটিসবার্গ ভাষণের জন্য বিখ্যাত কে?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. থমাস জেফারসন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- 'The ballot is stronger than bullet'- বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।

উল্লেখ্য,
১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’  প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।

⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

⇒ ১৮৩২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও নেটিভ আমেরিকাদের মধ্যে ‘ব্ল্যাক হক’ যুদ্ধ শুরু হলে এলাকার স্বেচ্ছাসেবীরা লিংকনকে তাদের অধিনায়ক মনোনীত করেন। এই যুদ্ধে আব্রাহাম লিংকন তাঁর কৃতিত্বের জন্য প্রশংসিত হন। এরপর লিংকন হুইগ দলের সমর্থক হিসেবে স্থানীয় রাজনীতি যোগ দেন। 

⇒ আব্রাহাম লিংকন ১৮৪৬ সালে ইলিনয়ের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ নির্বাচনে জয়ী হন। ১৮৫৪ সালে ডেমোক্রেটিক দল প্রেইরি ল্যান্ডে দাসপ্রথা চালু করলে আব্রাহাম লিংকন এর বিরোধিতা করেন এবং পুনরায় রাজনীতিতে ফিরে আসেন। ১৮৫৬ সালে তিনি রিপাবলিকান দলে যোগ দেন। ১৮৬০ সালে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হন এবং ৬ নভেম্বর নির্বাচিত হন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।

উৎস: History Channel.

১৩.
ফরাসি বিপ্লবের সময় কোন ফরাসি রাজাকে গিলোটিনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়?
  1. চতুর্দশ লুই 
  2. পঞ্চদশ লুই 
  3. ষোড়শ লুই
  4. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- বাস্তিল দুর্গেল পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায় এবং ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল। ১৭৯৯ সালে এই বিপ্লব শেষ হয়।

⇒ ফরাসি বিপ্লবের মূল উদ্দেশ্য:
- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল 'স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব'। এর লক্ষ্য ছিল সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।

⇒ দার্শনিকদের প্রভাব:
- ফরাসি বিপ্লবে দার্শনিকদের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জন লক, জঁ-জাক রুশো, এবং মন্তেস্কু তাদের চিন্তা ও ধারণার মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন।
- জন লক: গির্জা ও রাজতন্ত্রের ঐশ্বরিক শাসন তত্ত্বের বিরোধিতা করেন।
- জঁ-জ্যাক রুশো: ব্যক্তি স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
- মন্টেস্কু: জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন এবং ক্ষমতার বিভাজনকে গুরুত্ব দেন।

⇒ ফরাসি বিপ্লবের ফলাফল:
- ফরাসি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পায়।
- ধর্মীয় ও ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমান অধিকারের ধারণা প্রাধান্য পায়।
-  ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।

⇒ রাজার মৃত্যুদণ্ড:
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই ও রানী ষোড়শ লুই-এর স্ত্রী মারি অ্যান্তনে।
- বিদ্রোহীদের কাছে শেষ পর্যন্ত বন্দী অবস্থায় উপনীত হন রাজা ষোড়শ লুই। 
- আন্দোলনকারীদের কাছে কার্যত বন্দী রাজা ষোড়শ লুইয়ের বিচার শুরু হয়।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি শতসহস্র জনতার সম্মুখে রাজা ষোড়শ লুইসকে গিলোটিনে শিরোশ্ছেদ করা হয়। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় আয়োজিত ভোটে ৩৬১ জন মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে এবং ২৮৮ জন বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
- অন্যদিকে তার স্ত্রীকেও বিচারের মুখোমুখি হতে হয়। বিচারের পর ১৬ অক্টোবর রানীর ক্ষেত্রেও একই শাস্তি কার্যকর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।

উৎস: Britannica.

১৪.
'The Motorcycle Diaries' কার জীবন নির্ভর চলচ্চিত্র?
  1. ফিদেল কাস্ত্রো
  2. চে গুয়েভারা
  3. পাবলো নেরুদা
  4. নেলসন ম্যান্ডেলা
সঠিক উত্তর:
চে গুয়েভারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চে গুয়েভারা
ব্যাখ্যা

চে গুয়েভারা:
- চে গুয়েভারার পুরো নাম- এর্নেস্তো গেভারা দে লা সের্না।
- ১৯২৮ সালের ১৪ই জুন তিনি আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- চে গুয়েভারা ছিলেন এক বরেণ্য আর্জেন্টিনীয় মার্কসবাদী, বিপ্লবী, চিকিৎসক, লেখক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিবিদ, সামরিক তত্ত্ববিদ এবং কিউবা বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ছিলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বন্ধু ও সহযোদ্ধা। 
- তিনি কিউবা বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে কিউবায় বিপ্লব সফল করার পর চে বেরিয়ে পড়েছিলেন মূলত বিপ্লবের নেশায়।
- ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর নিহত হন চে।
- ১৯৯৭ সালের অক্টোবরে ফিদেল কাস্ত্রো তাঁকে বিপ্লবীদের দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য,
- 'দ্য মোটরসাইকেল ডায়েরিজ' (The Motorcycle Diaries) চলচ্চিত্রটি চে গুয়েভারার জীবন নির্ভর চলচ্চিত্র।
- ১৯৫২ সালের ৪ জানুয়ারি ২৩ বছর বয়সী গুয়েভারা এবং তার বন্ধু আলবের্তো গ্রানাদা চেপে বসেন একটি পুরনো মোটরসাইকেলে। শুরু করেন দক্ষিণ আমেরিকা জুড়ে আট মাসের যাত্রা। তাদের এ ভ্রমণ নিয়ে ২০০৪ সালে ব্রাজিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা ওয়াল্টার স্যালেস নির্মাণ করেন 'দ্য মোটরসাইকেল ডায়েরিস'।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১৫.
ডেসমন্ড টুটু কোন দেশের বর্ণবৈষম্যের বিরোধিতা করার জন্য সুপরিচিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. নামিবিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু:
- আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনবিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সমসাময়িক ছিলেন তিনি।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দেশটিতে যে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন চলেছে, তাতে অন্যতম চালকের আসনে ছিলেন তিনি।
- বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে শান্তির নোবেল পুরস্কারও পান এই ধর্মযাজক।

⇒ ১৯৬০ সালে ধর্মযাজক হিসেবে স্বীকৃতি পান ডেসমন্ড টুটু।
- ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশ লেসোথোর যাজক (বিশপ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তারপর জোহানেসবার্গে ফিরে আসেন তিনি।
- ১৯৮৫ সালে উচ্চতর যাজক (আর্চবিশপ) পদ লাভ করেন ডেসমন্ড টুটু।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আর্চবিশপ।

⇒ ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দেশটিতে শেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সুসম্পর্ক জোরদার করতে যে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করেছিলেন, তার প্রধান ছিলেন ডেসমন্ড টুটু।

উৎস: Britannica.

১৬.
হাওয়াই কত সালে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়েছিল?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ: ফ্রান্স।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নের সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ১৯৫৯ সালে হাওয়াই যুক্তরাষ্ট্রের ৫০তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়।

উৎস: Britannica.

১৭.
ফিলিস্তিনের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. মাহমুদ আব্বাস
  2. মোহাম্মদ মুস্তাফা
  3. ইয়াসির আরাফাত
  4. আহমেদ শুকেইরি
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
ব্যাখ্যা

ইয়াসির আরাফাত:
- ফিলিস্তিনের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইয়াসির আরাফাত।

⇒ মুসলিম বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা ও ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাত।
- ইয়াসির আরাফাত একজন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- ইয়াসির আরাফাতের জন্ম ১৯২৯ সালে মিশরের কায়রোতে। 
- তিনি ১৯৬৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৬-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন অথরিটির (PA) সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে তিনি ইসরায়েলি সরকারের সাথে শান্তি চুক্তিতে পিএলওকে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৪ সালে আরাফাত এবং ইজহাক রাবিন এবং ইসরায়েলের শিমন পেরেস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

⇒ ১৯৫০ সালে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যোগ দেন রাজনীতিতে।
- ১৯৫৯ সালে কুয়েতে নির্বাসিতকালে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মুক্তির সংগঠন ‘ফাতাহ’ গঠন করেন। পরবর্তী সময়ে এই সংগঠনের নাম হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)।
- ১৯৬৯ সালে তিনি নির্বাচিত হন পিএলওর চেয়ারম্যান হিসেবে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ইয়াসির আরাফাত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯১ সালে মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি এবং ২০০০ সালে ক্যাম্পডেভিড সম্মেলনের মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন তিনি।
- এই সময় হামাস ও অন্যান্য সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ইয়াসির আরাফাতের ভিত্তি দুর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০০২ সাল থেকে ইয়াসির আরাফাতকে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় তাঁর সদর দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রাখে।

উল্লেখ্য,
- জীবনের শেষ দিনগুলোতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখে।
- গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: Britannica.

১৮.
উইনস্টন চার্চিল কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা

উইনস্টন চার্চিল:
- উইনস্টন চার্চিল একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- উইনস্টন চার্চিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদে স্বাক্ষর করেন।
- উইনস্টন চার্চিল উগান্ডার সৌন্দর্য, প্রচুর বন্যপ্রাণী এবং বৈচিত্র্যের জন্য উগান্ডাকে 'আফ্রিকার মুক্তা' বলে অভিহিত করেছেন।

উৎস: Britannica.

১৯.
নেলসন ম্যান্ডেলা কত বছর কারাগারে ছিলেন?
  1. ১০ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২৭ বছর
  4. ৩২ বছর
সঠিক উত্তর:
২৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ বছর
ব্যাখ্যা

নেলসন মেন্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলা ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে পূর্ব কেপের এমভেজো গ্রামে মাদিবা বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।।
- ১৯৪২ সাল থেকে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিকভাবে জড়িত থাকাকালীন, ১৯৪৪ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগদান করেন।
- তখন তিনি ANC যুব লীগ (ANCYL) গঠনে সহায়তা করেন।

⇒ তিনি ২৭ বছর কারাবাসে কাটান।
- কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন। 
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তার মৃত্যু ৫ ডিসেম্বর ২০১৩, জোহানেসবার্গ- এ।

উৎস: Britannica.

২০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Bill of Rights প্রস্তাব করেছিলেন কে?
  1. থমাস জেফারসন
  2. জন অ্যাডামস
  3. জেমস ম্যাডিসন
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
সঠিক উত্তর:
জেমস ম্যাডিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস ম্যাডিসন
ব্যাখ্যা

বিল অব রাইটস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.

২১.
বেলফোর ঘোষণার চিঠিটি কার কাছে পাঠানো হয়েছিল?
  1. ডেভিড লয়েড জর্জ
  2. আর্থার জেমস বেলফোর
  3. হ্যারল্ড ম্যাকমিলান
  4. ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথচাইল্ড
সঠিক উত্তর:
ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথচাইল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথচাইল্ড
ব্যাখ্যা

বেলফোর ঘোষণা: 
- বেলফোর ঘোষণা (Balfour Declaration) ছিল একটি ঐতিহাসিক চিঠি।
- Balfour Declaration বা বেলফোর ঘোষণার নামকরণ সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোরের নামানুসারে। 
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর আর্থার জেমস বেলফোর এই ঐতিহাসিক চিঠিটি একটি সিল করা খামে ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ডের কাছে পাঠিয়েছিলেন। 
- ২ নভেম্বর, ১৯১৭ তারিখে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী-আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (Lord Rothsehild)-কে যে চিঠি লিখেছিলেন তাই ‘Balfour Declaration বা বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে জায়নিস্ট তৎপরতা ও তৎকালীন বিশ্বশক্তিসমূহের সমর্থনে এই চিঠি ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের লীগ অব নেশন্সের দলীলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক ‘স্বীকৃতি’ লাভ করে।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।
- ১৯১৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইনে দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা অনুমোদন করে, যার ফলে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠা হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরায়েলের।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

২২.
ভিক্টোরিয়া ক্রস কোন দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সামরিক খেতাব?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ভিক্টোরিয়া ক্রস:
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয়  সামরিক খেতাব ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- রাষ্ট্রীয় ভাবে ব্রিটিশ সামারিক বাহিনীর সদস্যদের সম্মানিত করার জন্য সর্বোচ্চ সামরিক পদক এটি।
- যুদ্ধক্ষেত্রে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধের পরে ১৮৫৬ সালে ব্রিটিশ সাধারণ সৈনিকদের সাহসিকাতর জন্য মহারাণী ভিক্টোরিয়ার আদেশ বলে পদক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
- খেতাবটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে মাত্র ১৩৪৮টি ক্রস দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব 'Legion of Honor' (লিজিয়ন অব অনার)।
- যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Medal of Honor (মেডাল অব অনার)।
- জার্মানির সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: The Cross of Honour for Valour (দ্য ক্রস অব অনার ফর ভ্যালোর)।
- ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Param Vir Chakra (পরম বীর চক্র)।

উৎস: Britannica.

২৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. মার্কো রুবিও
  2. জে.ডি. ভ্যান্স
  3. স্কট ব্যাসেন্ট
  4. অ্যান্টনি ব্লিংকেন
সঠিক উত্তর:
জে.ডি. ভ্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জে.ডি. ভ্যান্স
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট।

উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).

২৪.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে কোন দেশ প্রথমবারের মতো ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. সৌদি আরব
  2. জর্ডান
  3. মিশর
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়। 

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।

উৎস: Britannica.