পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপে কে আম্পায়ারিং করেন?
  1. জোবায়দা রহমান
  2. জেসিয়া আলম
  3. সাথিরা জাকির জেসি
  4. সাথি ইসলাম
ব্যাখ্যা
- মালয়েশিয়ায় অনুষ্টিত হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০২৫।
- টুর্নামেন্টে খেলা পরিচালনার জন্য ২০ সদস্যের ম্যাচ অফিশিয়ালের নাম ঘোষণা করেছিল আইসিসি।
- সেই তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশি আম্পায়ার সাথিরা।
-  বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে থাকছেন সাথিরা।
- ম্যাচ অফিশিয়ালের দায়িত্বে থাকছেন আরও ১৩ দেশের ১৯ জন।
- ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ৪ দেশের ৪ জন।
- ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নেদারল্যান্ডস থেকে আম্পায়ার থাকছেন ২ জন করে।

উৎস: প্রথম আলো।
.
দেশের প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. সিটি ব্যাংক
  2. প্রাইম ব্যাংক
  3. ইস্টার্ন ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া
ব্যাখ্যা
• এজেন্ট ব্যাংকিং:
- এজেন্ট ব্যাংকিং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রযাত্রায় একটি নতুন, শক্তিশালী এবং ব্যাপক-ভিত্তিক ব্যাংকিং প্রচেষ্টা।
- ব্যাংক এশিয়ার উদ্যোগে ২০১৪ সালের জানুয়ারীতে বাংলাদেশে এ সেবার যাত্রা শুরু হয়।
- এর আগে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিশেষায়িত ব্যাংকিং সেবা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করে।

উৎস: ব্যাংক এশিয়া।
.
দেশে প্রাকৃতিক মধুর সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি? (জুলাই-২০২৫)
  1. মধুপুর বনাঞ্চল
  2. সুন্দরবন
  3. লালমাই পাহাড়
  4. পার্বত্য অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• দেশে প্রাকৃতিক মধুর সবচেয়ে বড় উৎস সুন্দরবন।
- প্রতিবছর বন বিভাগের একটি লক্ষ্যমাত্রা থাকে।
- প্রতিবছরের ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণে মৌয়ালদের অনুমতি (পাস) দেয় বন বিভাগ। 
- ১৮৮৬ সালে সুন্দরবন থেকে মধু আহরণের জন্য অনুমতি (পাস) দেওয়ার প্রচলন শুরু হয়।
- ১ এপ্রিল সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু হয়ে চলে ৩১ মে পর্যন্ত।
- বন বিভাগ সূত্র জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে সুন্দরবন থেকে মধু আহরণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৪৬৩ কুইন্টাল।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে তা কমে ৩ হাজার ৮ কুইন্টাল হয়।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে আরও কমে হয় ২ হাজার ৮২৫ কুইন্টাল।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কিছুটা বেড়ে ৩ হাজার ১৮৩ কুইন্টাল মধু আহরণ করা হয়েছিল। 

উৎস: প্রথম আলো।
.
দেশে প্রথমবারের মতো কোন জেলার জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার?
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
 - পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

• অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১ দশমিক ৬৫ একর জলাভূমি।
এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা মৌজার ১৫ দশমিক শূন্য ৮ একর জলাভূমি।

-  জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মানবসৃষ্ট চাপে এই জলাভূমির জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্য প্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।
- একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, গবেষক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্য শিক্ষাক্ষেত্রে পরিণত হবে।

উৎস: প্রথম আলো লিংক
.
বাংলাদেশের মেয়েদের মধ্যে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন কে? (জুলাই-২০২৫)
  1. ফারজানা হক
  2. আবিদা সুলতানা
  3. নিগার সুলতানা
  4. রিতু মনি
ব্যাখ্যা
• মেয়েদের ওয়ানডে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছেন নিগার সুলতানা।
- লাহোরে  বিশ্বকাপ বাছাইয়ে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে  ৭৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক।
- নিগারের ৮০ বলে ১০১ রানের ইনিংস করেন।
- সিটি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মাঠে  পাওয়া সেঞ্চুরিটি এই সংস্করণে নিগারের প্রথম ও বাংলাদেশের তৃতীয়।
- আগের দুটি সেঞ্চুরিই ফারজানা হকের।
-  ২০২৩ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে ১৫৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ফারজানা হক, সেটিই এত দিন মেয়েদের ওয়ানডে বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল।
- তাঁকে পেছনে ফেলে আজ মেয়েদের ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন নিগার।

উৎস: প্রথম আলো লিংক।
.
’ছোট কাটরা’ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা নদী
  2. বুড়িগঙ্গা নদী
  3. তুরাগ নদী
  4. ইছামতি নদী
ব্যাখ্যা
• ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত।
- আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মান কাজ শুরু হয় এবং তা ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল।
- এটির অবস্থান ছিল বড় কাটরার পূর্বদিকে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
- ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট এবং এ কারণেই হয়তো এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা।
- তবে ইংরেজ আমলে এতে বেশ কিছু সংযোজন করা হয়েছিল।
- ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা।
.
সম্প্রতি, টাইম সাময়িকীর ২০২৫ এ প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন-
  1. হাসনাত আব্দুল্লাহ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. তারেক রহমান
  4. বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
 - ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
- ৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে মার্কিন এই সাময়িকী।
- নেতাদের তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ‘লৌহমানবী’ খ্যাত ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো, মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কসহ ২১ জন।

উৎস: প্রথম আলো।লিংক
.
’শালবন বিহার’ কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ জেলা
  2. কুমিল্লা জেলা
  3. বগুড়া জেলা
  4. রাজশাহী জেলা
ব্যাখ্যা
• শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- এ বিহারটি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের মতো হলেও আকারে ছোট।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা।
.
বাংলাদেশের কোন স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. বীর বিচ্ছু
  2. আলী
  3. নীল দংশন
  4. দ্য অ্যাডভেঞ্চারার
ব্যাখ্যা
- ৭৮তম কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘আলী’।
-  স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শাখার স্পেশাল মেনশন (বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি) দেওয়া হয় আদনান আল রাজীব পরিচালিত সিনেমাটিকে।
- সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র আলী উপকূলীয় এলাকার এক কিশোর। যেখানে সে থাকে, সেখানে নারীদের গান গাইতে দেওয়া হয় না।
 শহরে যাওয়ার সুযোগ পেতে আলী একটি গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ব্যতিক্রমী বিষয় হল, সে নারীকণ্ঠেও গান গাইতে পারে।
- ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের এ সিনেমায় আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন আল আমিন। গত বছরের নভেম্বরে সিলেটে ‘আলী’র দৃশ্যধারণ হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
১০.
গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য-
  1. শিখা চিরন্তন
  2. স্বোপার্জিত স্বাধীনতা
  3. রক্তসোপান
  4. শিখা অনির্বাণ
ব্যাখ্যা
• গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'রক্তসোপান'।
- রক্তসোপান (গাজীপুর সদর) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনা অর্ডনেন্স কোরের শহীদ ৪৫ জন মুক্তিযোদ্ধার অবদান ও পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নকশাকার অর্ডনেন্স কোরের মেজর শফিকুল মোস্তফা মুনির।
- ২৫০০ বর্গফুট আয়তনের আটকৌণিক বেদিতে এ স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপিত হয়েছে।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবগাথা ছাড়াও সবুজ প্রান্তর, ভাষা-আন্দোলন-, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়, সাত বীরশ্রেষ্ঠ ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে।
- রক্তসোপানের মর্মকথায় বলা হয়েছে, ৯টি সিঁড়ি- রক্তক্ষয়ী ৯ মাসের যুদ্ধের প্রতীক;
- মূল চত্বরে সবুজ ঘাস- চিরসবুজ বাংলার প্রতীক;
- পেছনের দেয়ালে লাল রং- ৫২-এর ভাষা-আন্দোলনের রক্তাক্ত দিনের প্রতীক
- ও ৮ ফুট উচ্চতা ৮ই ফাল্গুনকে নির্দেশ করে;
- মাঝের দেয়ালের কালো রং- দুঃসহ দুঃখভরা যুদ্ধের দিনগুলোর নিষ্পেষণের তিক্ত স্মৃতি ও ১১ ফুট উচ্চতা ১১ দফা আন্দোলনকে নির্দেশ করে;
-  সম্মুখের দেয়াল- সাধারণ বিশ্বজনীন শান্তির প্রতীক;
- ১৬ ফুট উচ্চতা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত বিজয়ের নির্দেশক;
- রক্তিম সূর্য মহান স্বাধীনতা সূচনার প্রতিচ্ছবি;
- ৭টি রশ্মি- অমর ৭ বীর শ্রেষ্ঠের অম্লান স্মৃতির নিদর্শন।
- নিজস্ব সেনা তহবিলে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভটি ২০০০ সালের ১৯শে জুলাই সেনাবাহিনী প্রধান লে. জে. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, বীর বিক্রম উদ্বোধন করেন। [মনিরুজ্জামান শাহীন]

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৯ম খণ্ড
১১.
বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে ছিলেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. আবু হোসেন সরকার
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. এ.কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমী:
- বাংলা একাডেমী  বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯২৫ সালে কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়  মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষায় জ্ঞানসাধনা ও সাহিত্যচর্চার প্রস্তাব করেন।
- ১৯৪০ সালে এ.কে ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া মুসলিম এডুকেশন কনফারেন্সে তিনি বাংলা সরকারকে একটি অনুবাদ বিভাগ স্থাপনের অনুরোধ করেন।
- বিভাগোত্তরকালে ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে মূল সভাপতির অভিভাষণে শহীদুল্লাহ্ একটি একাডেমি গড়ার কথা বলেন।
- ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
- পরের বছর পূর্ববাংলা আইনসভার নির্বাচনে বিজয়ী  যুক্তফ্রন্ট পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কিন্তু অল্পদিনেই তাদের পতন হওয়ায় সে প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
- দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একাডেমি।
১২.
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য কোনটি?
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. অদম্য বাংলা
  3. অদম্য সহসিকতা
  4. বাংলার অদম্য
ব্যাখ্যা
• অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।
১৩.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সালের
  2. ১৯৬০ সালের
  3. ১৯৫৭ সালের
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমান বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ষাটের দশকে গ্রামাঞ্চলে বিরাজিত সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে বার্ড পরিচালিত হয় যার সভাপতি হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- মহাপরিচালক একাডেমির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যাকে একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও নয় জন পরিচালক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লা।
১৪.
মোঘল আমল এর নিদর্শন কোনটি?
  1. শালবন বিহার
  2. বাহাদুর শাহ পার্ক
  3. লালবাগ দুর্গ
  4. তারা মসজিদ
ব্যাখ্যা
• লালবাগ দুর্গ:
- লালবাগ দুর্গ মোঘল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
- এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।

 উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
১৫.
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জেনোসাইড মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
• গণহত্যা জাদুঘর:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা-নির্যাতনের স্মৃতিকে জনমানসে তুলে ধরতে ২০১৪ সালে খুলনায় বেসরকারি উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর'
, সংক্ষেপে যেটি 'গণহত্যা জাদুঘর' নামে পরিচিত।
- এই গণহত্যা জাদুঘর দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জাদুঘর যারা একাত্তরের নির্মমতার স্মৃতি সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও একাত্তরে সংগঠিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করে চলেছে।
- ১১ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ডের অধীনে এটি পরিচালিত হয়।
- একাত্তরের গণহত্যায় শহিদদের নানা স্মৃতি স্মারক-এরমাধ্যমেমুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- জাদুঘরের দেয়ালজুড়ে একাত্তরের আলোকচিত্র আর শিল্পকর্মে ফুটে উঠেছে শিউরে ওঠেন জাদুঘর পরিদর্শনেআসা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দেশি ও বিদেশি পরিদর্শকবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৬.
বাংলাদেশের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়-
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৯৯ সালের
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
•  ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৯ সালে প্রথম আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করে।
- এবং ১৯৯৭ সালে এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে
- ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
- ১৯৮৬ সালে এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় বাংলাদেশের।
- ১৮৭৭ সালের ১৫ মার্চ মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল টেস্ট ক্রিকেটের।
- ২০০০ সালে বাংলাদেশ আইসিসি-র পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে।
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট আঙ্গিনায় পথচলা শুরু হয় টাইগারদের।
- টেস্ট অভিষেকের পর প্রথম জয় পেতে ৩৫ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে।
- ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের ৩৫তম টেস্টে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ।
- ওই বছরই ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৩-২ ম্যাচে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আইসিসির পুর্ণাঙ্গ সদস্য কোনো দেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়।
- ২০০৬ সালে চার ম্যাচের সিরিজে কেনিয়াকে ৪-০তে হারিয়ে প্রথম কোনো দেশকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব অর্জন করে বাংলাদেশ।
- ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট, ওয়ানডে উভয় সিরিজে হারিয়ে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া।