পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: ১. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল (ম্যানগ্রোভ, রেইন, পাহাড়ি ইত্যাদি), ২. ভৌগোলিক উপনাম, প্রণালি, ৩. দেশীয় ও বৈশ্বিক স্থান ও স্থাপনা (ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ), ৪. দেশীয় ও বৈশ্বিক ভাষা, জনমিতিক বিষয় ইত্যাদি, ৫. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সীমারেখা ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট কোনটি?
  1. রাতারগুল
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. শালবন
  4. সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

• রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট:
- বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট হলো রাতারগুল জলাবন বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট।
- এটি সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
- এই বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর।
- বনের ৫০৪ একরকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সুন্দর বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে। আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
- এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে।
- এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও।
- এই বনে সাপের আবাস অনেক বেশি।
- এছাড়া রয়েছে বানর, গুঁইসাপ, সাদা বক, কানা বক, মাছরাঙ্গা, টিয়া, বুলবুলি, পানকৌড়ি, ঢুপি, ঘুঘু, চিল এবং বাজপাখি।

উল্লেখ্য,
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
‘প্যারা বন’ নামে কোন ধরণের বন পরিচিত?
  1. চিরহরিৎ বন
  2. পাতাঝরা বন
  3. উপকূলীয় বন
  4. বাঁশঝাড় বন
ব্যাখ্যা

• উপকূলীয় বনায়ন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা। উপকূলীয় এলাকায় জেগে উঠা চর ভূমিতে ১৯৬৫ সাল থেকে এ বন সৃষ্টি করা হচ্ছে।
- এ বনকে প্যারা বনও বলা হয়।
- এ বন ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা হতে উপকূলীয় এলাকার জান-মাল রক্ষা করে।
- পরিমাণ: প্রায় ১,৯৬,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ১২.৫০%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: কেওড়া, ছৈলা, বাইন, গোলপাতা ইত্যাদি। প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের মত এ বন জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়।
- বন্যপ্রাণী: হরিণ, মেছোবাঘ, শিয়াল ইত্যাদি।
- বনের পাখি: কালালেজ জৌরালী, দেশি গাঙচষা, কালামাথা কাস্তেচরা, খয়রাপাখ মাছরাঙা ইত্যাদি।
- মাছ: এ বন উপকূলীয় মৎস্য ভান্ডারেরও একটি বিরাট উৎস। ভেটকি, পারসে, গলদা, বাগদা ইত্যাদি।

 তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। Link

.
“হাজার হ্রদের দেশ” হিসেবে কোন দেশ পরিচিত?
  1. ডেনমার্ক
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা

• ভৌগলিক উপনাম:
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।

অন্যদিকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম -
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
-  নিষিদ্ধ দেশ:  তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: অাফ্রিকা)।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ব্রিটানিকা।

.
দেশের কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?
  1. পার্বত্য বনাঞ্চল
  2. সুন্দরবন বনাঞ্চল
  3. গাজীপুর বনাঞ্চল
  4. মধুপুর বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি
> অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য:
- পাহাড়ি ও বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি দেখা যায়।
- কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি বিরাজমান।
বাংলাদেশে বিস্তার: পার্বত্য জেলা (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান), চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশ।
 
• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি
> অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য:
- পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন: ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমি।
- শীতকালে পাতার ঝরা, গ্রীষ্মকালে নতুন পাতা গজায়।
 
• স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন)
> অবস্থান:
- দক্ষিণে: বঙ্গোপসাগর
- উত্তরে: খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা
- পূর্বে: হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর, বরিশাল জেলা
- পশ্চিমে: রাইমঙ্গল ও হাড়িয়াভাঙ্গা নদী, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আংশিক অঞ্চল
- বিস্তার: খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে।
-  বিশেষ বৈশিষ্ট্য: সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, লোনা পানি ও প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে বৃক্ষ সমৃদ্ধ।


তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট- এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1.  ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4.  খুলনা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলা নাম: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ইংরেজি নাম: Bangladesh Forest Research Institute
- সংক্ষিপ্ত নাম: বি.এফ.আর.আই (BFRI)
- নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
- প্রধান কার্যালয়: চট্টগ্রাম
- বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট।
- এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। 
- এই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য:
(১) দারিদ্র্য বিমোচনকল্পে প্রযুক্তিগত উপকরণাদি সরবরাহের মাধ্যমে পার্বত্য, সমতল, পল্লী ও উপকূলীয় বনের উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নয়ন।
(২) সর্বোত্তম ও পরিপোষক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পতিত ও প্রান্তিক জমিতে বনায়ন ও কৃষিবনায়নে গবেষণা সুবিধা প্রদান।
(৩) প্রযুক্তিগত উপকরণ যোগানোর মাধ্যমে বনজ দ্রব্যাদির যুক্তিযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিতকরণ; জাতীয় ও পল্লী বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষণা কর্মসূচি হলো: 
(১) টেকসই উৎপাদনের জন্য বৃক্ষপ্রজাতি উন্নয়ন;
(২) ক্লোনজাত ও বীজজাত চারাগাছের বাগান ও বীজতলা স্থাপন;
(৩) মাইক্রোবিস্তারণ কৌশল উন্নয়ন;
(৪) নার্সারি, বনায়ন এবং পাহাড়, সমতল ও ম্যানগ্রোভ বনের বনবিদ্যাগত উন্নয়ন; বৃক্ষরোপণ,
(৫) পল্লী বনায়ন ও কাঠনির্ভর শিল্প সম্পর্কে আর্থ-সামাজিক সমীক্ষা পরিচালনা;
(৬) বন ও নার্সারির জন্য সমন্বিত ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ব্যবস্থাপনা;
(৭) পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা গবেষণা;
(৮) শিল্প ও অন্যান্য কাজে কাঠের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, গুণগত উন্নতি সাধনের জন্য কাঠ সিজনিং, বনজ দ্রব্যের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য সংরক্ষক দ্রব্যাদি ব্যবহার;
(৯) শিল্পকর্মে বর্জ্যকাঠের ব্যবহার, মন্ড উৎপাদনের উন্নত পদ্ধতি উদ্ভাবন, মন্ড আমদানির বিকল্প হিসেবে দেশী কাঁচামাল থেকে মন্ডপ্রস্ত্তত; সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শসেবা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোন প্রণালীটি রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. পক প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বেরিং প্রণালী:
- বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ এবং এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে, বিশেষ করে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর, যার গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

.
বাংলাদেশে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী প্রধানত কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. সিলেট ও চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান
  3. রাজশাহী ও দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। 
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণি।

.
দক্ষিণের “গ্রেট ব্রিটেন” বলা হয় কোন দেশকে?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. কানাডা
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মেডিটেরিয়ানের দেশ: জিব্রাল্টার।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ব্রিটানিকা।

.
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পিরামিড কোন দেশে অবস্থিত? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সুদান
  2. মিশর
  3. মেক্সিকো
  4. যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীতে সর্বাধিক পিরামিড থাকার পাঁচটি দেশ: ২০২৫
- সুদান – ২৫৫টি
- মিশর – ১১৮টি
- যুক্তরাষ্ট্র – ৩৫টি
- মেক্সিকো – ২০টি
- বেলিজ – ১০টি

তথ্যসূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট। Link

১০.
বাংলাদেশের পাহাড়ি বন দেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ দখল করে?
  1.  ৯.৩৩%
  2. ১০%
  3. ৮.৫%
  4.  ১১%
ব্যাখ্যা

• পাহাড়ী বন:

- অবস্থান: চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়ী এলাকা।

- পরিমাণ: প্রায় ১৩,৭৭,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ৯.৩৩%। বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত পাহাড়ী বনভূমির পরিমাণ ৬,৭০,০০০ হেক্টর যা বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৪৪%। 

- উদ্ভিদ প্রজাতি: গর্জন, চাপালিশ, তেলসুর, উড়িআম, ঢাকিজাম, সিভিট, সেগুন, গামার, চম্পা, জারুল, বৈলাম প্রভৃতি গাছ এ বনে পাওয়া যায়। এছাড়া এ বনাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বাঁশ ও বেত পাওয়া যায়। 

- বন্যপ্রাণী: এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী হচ্ছে হাতি, চিতাবাঘ, বন্যশুকর, হরিণ, বানর, উল্লুক, অজগর ইত্যাদি। 
- বনের পাখি: উদয়ী পাকরা ধনেশ, বড় র‌্যাকেট ফিঙ্গে, পাতি-ময়না, গলাফোলা ছাতারে ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। Link

১১.
'নর্দার্ন লিমিট লাইন' কোন দুটি দেশের সামুদ্রিক সীমানা বিভাজন রেখা?
  1. উত্তর কোরিয়া ও চীন
  2. দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান
  3. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. চীন ও জাপান
ব্যাখ্যা

• নর্দার্ন লিমিট লাইন:
- নর্দার্ন লিমিট লাইন (NLL) হলো উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া এর মধ্যকার সামুদ্রিক সীমানা।
- এটি ১৯৫৩ সালের কোরিয়ান অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের এক মাস পর টানা হয়।
- নর্দার্ন লিমিট লাইন দক্ষিণ কোরিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন পাঁচটি দ্বীপের ওপর ভিত্তি করে স্থলভিত্তিক মিলিটারি ডিমার্কেশন লাইন (MDL) থেকে সাগরে প্রসারিত করা হয়েছে।
- মূলত এটি দক্ষিণ কোরিয়ার বেসামরিক জাহাজ, বিশেষত মাছ ধরার নৌকাকে উত্তর কোরিয়ার ভূখণ্ড থেকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যে নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: দি ন্যাশনাল কমিটি অব নর্থ কোরিয়া ওয়েবসাইট। Link

১২.
'স্ট্যাচু অফ পিস’ কোন শহরে অবস্থিত?
  1. টোকিও, জাপান
  2. পিয়ংইয়াং, উত্তর কোরিয়া
  3. সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া
  4. বেইজিং, চীন
ব্যাখ্যা

স্ট্যাচু অফ পিস:
- সিউল, দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত।
- ‘স্ট্যাচু অফ পিস’ অন্যতম প্রতীকী এবং বিতর্কিত ভাস্কর্য, যা ‘কমফোর্ট উইমেন’-এর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
- ‘কমফোর্ট উইমেন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় সেই নারীদের জন্য যাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি সেনারা যৌনভাবে শোষণ করেছিল।
- ২০১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর, সিউলের জাপানি দূতাবাসের বিপরীতে একটি বসা অবস্থায় থাকা কনিষ্ঠ কন্যার জীবনমাপের ব্রোঞ্জ ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়।
- ‘কমফোর্ট উইমেন’ বলতে সেই নারী ও কন্যাদের বোঝায় যাদের ‘কমফোর্ট স্টেশন’-এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল জাপানি সেনাদের জন্য যৌন সেবা প্রদানের জন্য।
- অনুমান অনুযায়ী প্রায় ২০০,০০০ নারী এই সিস্টেমের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগ নারী কোরিয়ান উপদ্বীপ থেকে এসেছিলেন।

অন্যদিকে,

• পিস স্ট্যাচু:
- 'পিস স্ট্যাচু' জাপানের নাগাসাকি অবস্থিত।
- ১৯৪০ সালের ২২ সেপ্টেম্বরে জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- জাপান কর্তৃক পার্ল হারবর আক্রমণের প্রেক্ষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে সরাসরি ২য় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র জাপানে ২টি পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- হিরোশিমায় নিক্ষেপ করা হয়: লিটল বয়- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫।
- নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা হয়: ফ্যাট ম্যান- ৯ আগস্ট ১৯৪৫।
- নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরনে নিহতদের স্মরণে 'শান্তি পার্ক' স্থাপন করা হয়।
- এই পার্কে স্থাপিত হয় 'পিস স্ট্যাচু (Peace Statue)'।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও কোরিয়ান ওয়েবসাইট। Link

১৩.
সুন্দরবনের কয়টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- অবস্থান: খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত পৃথিবীর একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন হচ্ছে আমাদের সুন্দরবন। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে এ বন অবস্থিত।
- পরিমাণ: প্রায় ৬,০১,৭০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ৪.১৩% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: সুন্দরী, গেওয়া, কেওড়া, পশুর, বাইন, কাকড়া ইত্যাদি এ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ প্রজাতি।
- বন্যপ্রাণী: এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী হচ্ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর, শুকর, কুমির, ডলফিন, গুইসাপ, অজগর, হরিয়াল, বালিহাঁস, গাংচিল, বক, মদনটাক, মরালিহাঁস, চখা, ঈগল, চিল মাছরাঙা ইত্যাদি।

- নদী/খাল: এ বনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত প্রধান প্রধান নদীগুলো হলো- পশুর, শিবসা, বলেশ্বর, রায়মংগল ইত্যাদি। তাছাড়া শত শত খাল এ বনের মধ্যে জালের মতো ছড়িয়ে আছে।
- মাছ: শুধু বৃক্ষসম্পদ নয়, এ বন মৎস্য সম্পদেরও এক বিরাট আধার। ইলিশ, লইট্টা, ছুরি, পোয়া,  রূপচাঁদা, ভেটকি, পারসে, গলদা, বাগদা, চিতরা ইত্যাদি মাছ পাওয়া যায়।
- বিশ্ব ঐতিহ্য: সুন্দরবনের ৩ টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য নিয়ে গঠিত ১,৩৯,৭০০ হেক্টর বনাঞ্চলকে ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
সুন্দরবনের ৩ টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
- ১) সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, ২) সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, ৩) সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। (লিংক)(লিংক২)

১৪.
মান্দারিন কোন দেশের ভাষা?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. থাইল্যান্ড 
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন দেশের ভাষা:
- চীনের ভাষা - মান্দারিন
- থাইল্যান্ডের ভাষা - থাই৷
- ভিয়েতনামের ভাষা - ভিয়েতনামিজ৷
- জাপানের ভাষা - জাপানিজ৷

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৫.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' কোন শহরে অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ফ্লোরিডা
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. টেক্সাস
ব্যাখ্যা

• স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি'।
- নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'।
- ভাস্কর্যটি একটি মহিলাকে উপস্থাপন করে, যার ডান হাতে একটি বাতি উঁচু করে ধরা আছে এবং বাম হাতে একটি ট্যাবলেট আছে, যা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (৪ জুলাই, ১৭৭৬) গ্রহণের তারিখ বহন করে।
- বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ ফ্রান্সের পক্ষ থেকে ভাস্কর্যটি যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দেওয়া হয়।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট।
- বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- ভাস্কর্যটি রোমান দেবী লিবার্টাসের আদলে গড়া।
- ভাস্কর্যটির নকশা করেন ফরাসি স্থপতি ফ্রেডেরিক বার্থোলডি।
- ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।
- ভাস্কর্যের মুকুটে একটি পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্মে পৌঁছানোর জন্য একটি সপিরাল সিঁড়ি রয়েছে।
- বেদির প্রবেশদ্বারে একটি শিলালিপি রয়েছে, যেখানে এমা লাজারাসের (১৮৮৩) কবিতা “দ্য নিউ কলোসাস” খোদাই করা আছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা কত ছিল?
  1. প্রায় ষোল কোটি
  2. প্রায় সাড়ে ষোল কোটি
  3. প্রায় সতেরো কোটি
  4. প্রায় আঠারো কোটি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.তে: ১,১১৯ জন।
- ০৯ এপ্রিল ২০২৩ প্রকাশিত চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- এদের মধ্যে -
• পুরুষ ৮,৪০,৭৭২০৩ জন এবং
• নারী ৮,৫৬,৫৩,১২০ জন।

উল্লেখ্য,
- ২৭ জুলাই ২০২২ প্রকাশিত জনশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিলো ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৭.
কোন ধরনের বনাঞ্চল প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা প্রদান করে?
  1. উপকূলীয় বন
  2. পার্বত্য বন
  3. পত্রপতনশীল বন
  4. চিরহরিৎ বন
ব্যাখ্যা

• উপকূলীয় বন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা।
- পরিমাণ: এ বনের আয়তন ২ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: কেওড়া, ছৈলা, বাইন, গোলপাতা ইত্যাদি।প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের মতো এ বন জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়।

- বন্যপ্রাণী: হরিণ, মেছোবাঘ, শিয়াল, বানর, বনবিড়াল, বালিহাঁস ইত্যাদি।
- মৎস্য সম্পদ: এ বন উপকূলীয় মৎস্য ভান্ডারেরও একটি বিরাট উৎস। ভিটকি, পারসে, গলদা চিংড়ি, বাগদা চিংড়ি ইত্যাদি মাছ ও কাঁকড়া পাওয়া যায়।

- বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় চরাঞ্চলে সফল বনায়ন পদ্ধতির উদ্ভাবক।
- বন বিভাগ ষাটের দশক থেকে উপকূলীয় জেগে ওঠা চরে বনায়ন শুরু করেছে।
- উপকূলীয় চর বনায়ন প্রক্রিয়া বনজ সম্পদ সৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলবাসীকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা এবং সাগর থেকে ভূমি জেগে ওঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে ।
- এই বনায়নের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগর থেকে ১ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ভূমি দেশের মূল ভূ-খন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- দেশের মজুদ কার্বন সংরক্ষণের লক্ষ্যে উপকূলবর্তী জেগে ওঠা চরে সৃজিত বনের ২ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৮৮.৮৫ একর সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 

১৮.
'ওয়াটার লু' যুদ্ধক্ষেত্র কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইংল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3.  ফ্রান্স
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা

• 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ:
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৫ জুন, ১৮১৫ সালে।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

১৯.
'বাংলাদেশ স্কয়ার' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. হাইতি
  2. সোমালিয়া
  3. কঙ্গো
  4. লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ স্কয়ার:
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত। 
- ২০০৮ সালে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষীরা। 
- লাইবেরিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের একটি দেশ। 
- লাইবেরিয়ার ভূখণ্ড নিম্ন এবং বালুকাময় উপকূলীয় সমভূমি থেকে ঘূর্ণায়মান পাহাড় এবং আরও অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্ন মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- লাইবেরিয়া আফ্রিকার একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্র যা কখনো ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন হয়নি এবং আফ্রিকার প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র। 
- ১৮৪৭ সালে লাইবেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং এর সীমানা প্রসারিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।