পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৫
সিলেবাস
Exam - 19 Full Model Test - 09 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৫ প্রশ্ন

.
ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশ দিলে নিম্মলিখিত কোন পদক্ষেপটি সঠিক?
  1. একই অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে
  2. মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশ প্রদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে
  3. রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে বা রিভিশন করতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।
♦যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে কয় ধরণের বিচারক?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারায় দায়রা আদালতের বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কতিপয় দায়রা বিভাগ থাকবে, এবং ৯ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবে। মেট্রোপলিটন এলাকার দায়রা আদালতকে মেট্রোপলিটন দায়রা আদালত (Metropolitan Court of Sessions) বলা হবে।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-

i) দায়রা জজ (Sessions Judge);

ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);

iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge) ।

♦সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
.
সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার প্রদত্ত হয়েছে এমন কোন বেঞ্চকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার অধীন?
  1. ৩৬
  2. ২৬১
  3. ৩৩
  4. ২৬০
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬১ ধারার বিধান কম ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের উপর ক্ষমতা অর্পণঃ সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট-বেঞ্চকে নিম্নে বর্ণিত অপরাধসমূহের সবকয়টির বা যে কোনটির বিচার সংক্ষিপ্ত প্রণালীতে করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেনঃ–

(ক) দণ্ডবিধির ধারা-২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২, ৪২৬, ৪৪৭ এবং ৫০৪ এর অধীন অপরাধসমূহ;
(খ) পৌরসভা আইন ও পুলিশ আইনের সংরক্ষণমূলক ধারাসমূহের অপরাধ, যাহা শুধুমাত্র জরি- মানাযোগ্য অথবা জরিমানাসহ বা জরিমানা ব্যতীত ১(এক) মাসের অনধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয়; (গ) পূর্ববর্তী অপরাধসমূহের যেকোনটির সংঘটনে সহায়তা করা;
(ঘ) পূর্ববর্তী অপরাধসমূহের যেকোন একটি করার প্রচেষ্টা করা, যেখানে এরূপ প্রচেষ্টা অপরাধ বলে পরিগণিত হয় ।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬০ ধারার বিধান অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা হলো মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
.
সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত _________বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না-
  1. অনধিক ১৫০ টাকা অর্থদণ্ডের
  2. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  3. অনধিক ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  4. অনধিক ৫,০০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেইঃ এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।

♦ সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।
.
হাইকোর্ট বিভাগ কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল করে কোন আদেশ দিলে বা অন্যকোনো আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের কপি (নকল) পাঠাতে হবে-
  1. কারা কর্তৃপক্ষের নিকট
  2. দায়রা জজের নিকট
  3. পলিশ সুপারের নিকট
  4. জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দাখিলকৃত মামলার ক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ দায়রা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নিমিত্তে দাখিলকৃত মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক অনুমোদনের আদেশ বা অন্য কোন আদেশ প্রদানের পর হাইকোর্ট ডিভিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনতিবিলম্বে উক্ত আদেশের একটি কপি হাইকোর্ট ডিভিশনের সীলমোহরকৃত ও তার সরকারী স্বাক্ষর দ্বারা সার্টিফাই করে দায়রা আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।

♦  হাইকোর্ট বিভাগের নিকট কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ অনুমোদনের জন্য কার্যক্রম ৩৭৪ ধারায় দাখিল করা হলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত বিষয়ে ৩৭৬ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন বা অন্যকোনো আদেশ দিক না কেন, হাইকোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা উক্ত আদেশের কপি কোন বিলম্ব ছাড়া দায়রা আদালতের নিকট পাঠাবে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত কোন পদ্ধতিতে সম্পত্তি ক্রোক করা যায়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে
  2. খাজনা প্রদান বন্ধ করে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত উপায়ে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়। যথা-

i) অস্থাবর সম্পত্তি হলে আটক করে কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি হলে দখল নিয়ে;

ii) তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে:

iii) খাজনা প্রদান বন্ধ করে;

iv) সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে; অথবা

v) উপর্যুক্ত সকল পদ্ধতি বা যে কোন দুটি ব্যবস্থার মাধ্যমে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়।
.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার নীতিটি প্রযোজ্য হবে না কোন ক্ষেত্রে?
  1. অভিযোগ খারিজের ক্ষেত্রে
  2. ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে
  3. আসামীকে অব্যাহতির ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার বিধান একবার সাজাপ্রাপ্ত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তির একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না কিন্তু ৪০৩ ধারার ব্যাখ্যাতে বলা আছে নালিশ খারিজ, ধারা-২৪৯ এর অধীন প্রক্রিয়া বদ্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেওয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসাবে পরিগণিত করা যাবে না।

♦অভিযোগ খারিজের ক্ষেত্রে আসামী অব্যাহতি পায়, ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ হলে আসামী মুক্তি পেতে পারে বা অন্য যে ক্ষেত্রে আসামী অব্যাহতি পেতে পেরে, সেই সকল ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। কারণ এই সকল ক্ষেত্রে অব্যাহতি বা মুক্তি খালাস বলে গণ্য হবে না।
.
হাইকোর্ট বিভাগের হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতার বিধান কত ধারায়?
  1. ৪৯৫
  2. ৪৯১
  3. ৪৯৪
  4. ৫০২
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হেবিয়াস কর্পাস বা বন্দী প্রদর্শন রীটের মত ব্যবস্থার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তি ভুল কর্তৃপক্ষের দ্বারা কিংবা আইন বহির্ভূত পন্থায় আটককৃত হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগকে তদন্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায়। ৪৯১ ধারামতে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির আদেশ প্রদান করতে পারে-

i) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির;

ii) বেআইনী বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারী হেফাজতে আটক ব্যক্তির মুক্তি;

iii) জেলখানা বা কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করা;

iv) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট বিচার বা সাক্ষাৎ দেয়ার জন্য হাজির;

v) এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে বিচারের জন্য কোন বন্দিকে স্থানান্তর।
.
মহিলা আসামির দেহ তল্লাশি হয় এই আইনের কত ধারা অনুযায়ী? 
  1. ৫০ ধারায়
  2. ৫১ ধারায়
  3. ৫২ ধারায়
  4. ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ম দৃষ্টি রেখে তা অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা করাতে হবে।

RULINGS
(১) পুরুষের সামনে নারীকে তল্লাশি করা চলে না।
(২) সুপ্রীম কোর্ট নারীর সম্ভ্রম রক্ষা করতে বদ্ধ পরিকর।
১০.
অপরাধজনক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে আদালত দন্ড প্রদানের কত দিনের মধ্যে দখলচ্যুত ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দেয়ার আদেশ দিবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার বিধানঃ (১) যখন কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখ করা হয়েছে, তখন আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানের সময় বা এই দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দিবার আদেশ দিতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে উক্ত আদেশ দ্বারা তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।

(৩) যেকোন আপীল আদালত, দণ্ড অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
১১.
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭ ধারার বিধানঃ ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল- ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বয়ং নিজে আপিলটি শুনানী ও নিষ্পত্তি করতে পারেন অথবা অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হস্তান্তর করতে পারবেন। উক্ত হস্তান্তরিত আপিল প্রয়োজনে তিনি প্রত্যাহার করতে পারবেন।
১২.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৭ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে?
  1. দায়রা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. মহানগর দায়রা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধানঃ যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপীল দায়ের করতে পারবেঃ
♦নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

♦চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে দায়রা আদালতে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দন্ড দিলে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
♦মেট্রোপলিটন এলাকার দায়রা জজ আদালতে নাম মহানগর দায়রা জজ আদালত।
১৩.
“ন্যায়বিচার ব্যাহত নাহলে, ভুল আদালতে অনুষ্ঠিত বিচারে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত বাতিল হবে না'- বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৫৩০ ধারায়
  2. ৫৩১ ধারায়
  3. ৫৩৩ ধারায়
  4. ৫৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারার বিধানঃ ভূল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারাঃ কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভূল দায়রা বিভাগে, জেলায়, বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।
১৪.
কোন অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির নিকট প্রাপ্ত অর্থ নিরাপরাধ ক্রেতাকে প্রদান করা যায়?
  1. ক্ষতি
  2. চুরি
  3. চোরাই মাল গ্রহণ
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৯ ধারার বিধানঃ আসমির নিকট প্রাপ্ত অর্থ নিরাপরাধ ক্রেতাকে প্রদান (Payment to innocent purchaser of money found on accused)- যদি চুরি বা চোরাই মাল গ্রহণ সংক্রান্ত অপরাধে দন্ডিত ব্যক্তির নিকট থেকে গ্রেফতারের সময় টাকা পাওয়া যায় এবং প্রমাণিত হয় যে, চোরাই বলে না জেনে অন্য কোন ব্যক্তি তার নিকট থেকে উক্ত চোরাইমাল ক্রয় করেছে, তাহলে উক্ত ক্রেতার আবেদনক্রমে এবং উক্ত চোরাইমাল দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের পর আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্রেতা যে মূল্য দিয়েছিল, দন্ডিত ব্যক্তির নিকট প্রাপ্ত অর্থের মধ্য থেকে তার অনধিক পরিমাণ অর্থ ক্রেতাকে প্রদান করা হোক।
১৫.
কোন আপীল আদালত কত দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারার বিধানঃ আপীল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়।

(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।

(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য শুধু কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
 
♦অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারা মতে কোন আপীল আদালত ৯০ দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।
১৬.
আত্মহত্যা সম্পর্কে পুলিশ তদন্ত কত ধারায়?
  1. ১৭২ ধারায়
  2. ১৭৩ ধারায়
  3. ১৭৪ ধারায়
  4. ১৭৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান পুলিশ আত্মহত্যা, প্রভৃতি সম্পর্কে ইনকোয়ারী করবে ও প্রতিবেদন দিবেঃ

(১) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি সমাচান পান যে, কোন ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে; অথবা
(খ) অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক, বা কোন প্রাণী কর্তৃক, বা কোন যন্ত্রে বা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে; অথবা
(গ) এরূপ অবস্থায় মারা গিয়েছে যদরুণ যৌক্তিকভাবে সন্দেহ পোষণ হতে পারে যে, অন্য কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে,

সেক্ষেত্রে অবিলম্বে সুরতহাল তদন্তের লক্ষ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তা অবগত করাবেন এবং সরকারের নির্ধারিত কোন বিধি বা কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে ভিন্নভাবে কোন নির্দেশনা না থাকলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যেখানে উত্তরূপে মৃত ব্যক্তির লাশ রয়েছে, সে স্থানে যাবেন এবং সেখানে স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্মানিত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত কার্য করবেন এবং মৃত ব্যক্তির দেহে ক্ষত, ভাঙ্গা বা মচকিয়ে যাবার দাগ, আঁচড়িয়ে যাবার দাগ ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন বর্ণনা করে এবং যে পদ্ধতিতে অস্ত্র বা যন্ত্র (যদি থাকে) কর্তৃক উক্ত চিহ্নের সৃষ্টি হইয়াছে মর্মে মনে হয়, উহার উল্লেখ করে আপাতদৃষ্টিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেনঃ

শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক অন্য কোন নির্দেশ না প্রদত্ত না হলে শত্রুর তৎপরতার দরুণ কারও মৃত্যু হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে এই উপধারার বিধানমতে কোন তদন্ত করা বা প্রতিবেদন প্রণয়ন করা বা সুরতহাল করার ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে সংবাদ দেবার প্রয়োজন হবে না।

(২) ঐ প্রতিবেদনে ঐরূপ পুলিশ কর্মকর্তা ও অন্য ব্যক্তিবর্গ অথবা তাঁদের মধ্যে যাঁরা একমত হন তাঁর স্বাক্ষর করবেন এবং অবিলম্বে তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে হবে।

(৩) মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে অথবা অন্য কোন কারণে পুলিশ কর্মকর্তা উত্তরূপ করা প্রয়োজনীয় ও সমীচীন বলে বিবেচনা করলে তিনি এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিধি সাপেক্ষে তিনি লাশটি পরীক্ষার লক্ষ্যে কোন নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক এই প্রয়োজনে নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন ডাক্তার বরাবর পাঠাবেন, তবে আবহাওয়ার ও দূরত্বের জন্য লাশটি যদি বিকৃতি হয়ে যাবার ঝুঁকি না থাকে যাদরুণ ঐরূপ পরীক্ষা অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তা পাঠাবার প্রয়োজন নেই।.
(৫) নিম্নে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলেন, যথাঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা এতদ্বিষয়ে ব্যাপারে সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এ ব্যাপারে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
১৭.
দন্ড প্রদানকারী আদালত কত দিনের জন্য শাস্তি রক্ষার শর্তে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. অনধিক ১ বছর
  3. অনধিক ৩ বছর
  4. অনধিক ২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দন্ডপ্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড প্রদানের সময় দন্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারনত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দন্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে । আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোনভাবেই অত্যধিক হবে না।
১৮.
খালাস এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্যকোনো আপীল এখতিয়ার সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে আপীল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০দিন
  3. ৬০দিন
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মোতাবেক হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালতে আপিল করতে হবে দন্ডাদেশ বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
♦অর্থাৎ কোন দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়রা আদালতের নিকটা ৩০ দিনের মধ্যে, অন্যদিকে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট ৬০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়।
১৯.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী (Guilty Plead) করায় আদালত আসামীকে দন্ড প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আসামীর–
  1. দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডের বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপীল করতে পারবে
  2. দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না
  3. দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারামতে কোন আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং উক্ত দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আদালত তাকে কোন দন্ড দিলে উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
তবে এক্ষেত্রে দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে দেয়া শাস্তির বৈধতা নিয়ে আপিল করা যেতে পারে।

♦Guilty Plead অর্থ হলো অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা। আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দন্ড দিলে সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না। Guilty Plead বা অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আসামীকে দন্ড দেওয়া হলে আসামী উক্ত দণ্ডের পরিমাণ এবং বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপীল করতে পারবে।
২০.
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তার পর অপরাধটি সংঘটিত না হলে শাস্তি কি ?
  1. ৫ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণঃ
♦অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলেঃ কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

♦সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে (If act causing harm be done in consequence):- এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
২১.
বেআইনী সমাবেশের (unlawful Assembly) উদ্দেশ্যে ভাড়াকৃত ব্যক্তিকে কেউ আশ্রয় দিলে তার শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫৮ ধারায়
  4. ১৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৭ ধারার বধান বেআইনী সমাবেশের জন্য ভাড়া করা ব্যক্তিদের আশ্রয়দান :- কোন ব্যক্তি যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করার জন্য কোন ব্যক্তিকে ভাড়া করা হয়েছে বা নিযুক্ত করা হয়েছে অথবা অনুরূপ কোন ব্যক্তি অনুরূপ উদ্দেশ্যে ভাড়াটিয়া হতে বা নিযুক্ত হতে যাচ্ছে জানা সত্ত্বেও অনুরূপ ব্যক্তিকে বা অনুরূপ ব্যক্তিদের তার দখলাধীন বা তত্ত্বাবধানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোন গৃহে বা বাড়িতে বা স্থানে আশ্রয়দান করে, গ্রহণ করে বা সমাবিষ্ট করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা হবে।
২২.
'ক' একজন পুলিশ অফিসার। ‘খ’ দস্যুতা সংঘটনের পরিকল্পনা করছে জেনেও অপরাধ সংঘটনের সুযোগদানের ইচ্ছায় 'ক' তথ্য গোপন করে এবং তা প্রতিরোধ করে না। এখানে 'ক' ধারার অধীনে দন্ডিত হবেন?
  1. ১১৭
  2. ১১৮
  3. ১১৯
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ সংঘটন নিরোধের দায়িত্বে থাকা কোন সরকারি কর্মচারী উক্ত অপরাধ নিবারণের জন্য কোন পদক্ষেপ না নিয়ে যদি বরং উক্ত অপরাধের ষড়যন্ত্র গোপন করে তাহলে তিনি দন্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে দন্ডিত হবেন।

♦ দণ্ডবিধির ১১৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী কর্তৃক এমন অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্র গোপনকরণ যাহা নিবারণ করা তাহার কর্তব্যঃ
যদি এমন কোন ব্যক্তি, যিনি একজন সরকারী কর্মচারী, যে অপরাধ দমন করাই সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার কর্তব্য এমন একটি অপরাধ সংঘটনের সুবিধা বিধানের উদ্দেশ্যে, অথবা তার কার্যের কর্তৃক অনুরূপ একটি অপরাধ সংঘটনের সুবিধা বিহিত হবে জানা সত্ত্বেও কোন কার্য কর্তৃক অথবা কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব গোপন করে অথবা অনুরূপ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এমন কোন বিবরণ দান করে যে, ষড়যন্ত্রটি সম্পর্কে মিথ্যা বলে সে জানে ৷
অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে (If offence be committed):-
যদি অপরাধ অনুষ্ঠিত হয় তবে সে ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ড অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধাংশ পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের হবে, অথবা সে ব্যক্তি অর্থ দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে,
অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ হয় (If offence be punishable with death, etc):-
অথবা অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে;
অপরাধ অনুষ্ঠিত না হওয়ার ক্ষেত্রে (If offence be not committed) :-
যদি অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় তবে সে ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ড অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক- চতুর্থাংশ পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের হবে, অথবা অনুরূপ অপরাধের জন্য বিহিত অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ এক্ষেত্রে 'ক' দন্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধ করেছে। কেননা দস্যুতা সংঘটনের খবর জানার পর তার দায়িত্ব ছিল তা নিবারণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বরং তথ্য গোপন করেছে। তাই তিনি ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধে সহায়তার অপরাধে দোষী হবে।
২৩.
নিচের কোন অপরাধের জন্য আদালত বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করতে পারে?
  1. মানহানি
  2. আদালত অবমাননা
  3. আত্মহত্যার চেষ্টা
  4. সবগুলা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৫০০ ধারা মানহানির শাস্তিঃ
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির মানহানি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦দণ্ডবিধির৩০৯ ধারা আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগঃ
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়াঃ
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২৪.
একটি প্রচন্ড অগ্নিকান্ডের সময় আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য ক আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলে। এখানে ক কি ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. ক্ষতি
  2. উৎপাত
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮১ ধারার বিধান সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূক অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারণকল্পে সম্পাদিতঃ

কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে। -
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।

♦যেহেতু ক আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলেছে। অর্থাৎ বড় ক্ষতি বাচাতে  সরল বিশ্বাসে ছোট ক্ষতি করেছে তাই তার কাজ কোন অপরাধ হয়নি।
২৫.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় কত ধরনের সম্পত্তিকে চোরাই মাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাইমালঃ
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

♦ ৫টি উপায়ে প্রাপ্ত সম্পত্তি চোরাইমাল বলে গণ্য হবে। যথা:
১. চুরি (Theft)
২. বলপূর্বক গ্রহণ (Extortion)
৩. দস্যুতা (Robbery)
৪. অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal Misappropriation)
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust)
তবে চোরাইমাল যদি মালিকের দখলে চলে আসে তাহলে তা আর চোরাইমাল বলে গণ্য হবে না। ডাকাতির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি চোরাইমাল বলে গণ্য হবে না।

♦অর্থাৎ চুরি, বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, অপরাধমূলক আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে যে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা হয় তা চোরই মাল বলে গণ্য হবে।
২৬.
অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার বিধান আছে কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০৬
  2. ধারা ৪১৯
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪২৬
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-

যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণসমূহঃ
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
২৭.
দস্যুতার উপাদান নয় কোনটি?
  1. আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
  2. অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল
  3. দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে
  4. ৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা মতে দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান থাকে-

i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;

ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;

iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; 

iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦এখানে ৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করলে তা ডাকাতি বলে গণ্য হবে তবে দস্যুতার জন্য ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে থাকে। 
২৮.
ক ও চ যৌথভাবে একটি ঘোড়ার মালিক। চ-এর অন্যায় ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করে। ক” এর ­অপরাধ-
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন
  4. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।

♦কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি বা অনিষ্টসাধনের জন্য দায়ী করতে হলে এটা প্রমান করার প্রয়োজন নেই যে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির দখলে বা মালিকানাধীন ছিল। যেহেতু ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করেছে তাই ক” ক্ষতি সাধনের জন্য দোষী হবে।
২৯.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় কয়টি পথে অনধিকার গৃহপ্রবেশকে [House Trespass] অপথে গৃহ প্রবেশ বা সিঁদ কেটে গৃহেপ্রবেশ [House Breaking] বলে উল্লেখ করা হয়েছ?
  1. ৬ টি
  2. ৪ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৩০.
মিথ্যা দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত করা কোন অপরাধ?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. মিথ্যা দলিল বানানোর চেষ্টা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৩ ধারামতে যে কোন একটি উদ্দেশ্যে যথা- কারো ক্ষতি, কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন, কাউকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে বাধ্য করা অথবা প্রতারণার অভিপ্রায়ে মিথ্যা দলিল বা ইহার কোন অংশ তৈরি করলে তা জালিয়াতির অপরাধ হবে।
৩১.
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের জন্য স্ত্রীলোকটি-
  1. দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসাবে দণ্ডিত হবে না
  2. ব্যভিচারের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. প্রধান আসামী হিসাবে দণ্ডিত হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচারঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

♦ অর্থাৎ ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রীলোটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী [Abettor] হিসাবেও দণ্ডিত হবে না।
৩২.
গবাদি পশুকে হত্যা, বিষ প্রয়োগ কিংবা বিকলাঙ্গ করার মাধ্যমে ক্ষতি সাধনের শাস্তি-
  1. অনধিক ৫ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
  2. অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড
  3. অনধিক ৭ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪২৯ ধারার বিধান যেকোন মূল্যের গবাদিপশু ইত্যাদি বা পঞ্চাশ টাকা মূল্যের কোন জন্তু বিকলাঙ্গ করিয়া অনিষ্ট সাধনঃ

কোন ব্যক্তি যদি যে কোন মূল্যের হাতি, উট, ঘোড়া, খচ্চর, মহিষ, ষাড়, গাভী বা গরু, অথবা পঞ্চাশ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্যের অপর কোন পশুকে হত্যা করে, বিষ প্রয়োগ করে, বিকলাঙ্গ করে বা অকেজো করে ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৩৩.
দন্ডবিধির ৪০৩ ধারার মূল আলোচ্য বিষয় কি?
  1. আঘাত
  2. শান্তি শৃঙ্খলা
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাত
  4. প্রতারণা
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
৩৪.
অভিযোগকারী আসামীকে বিশ্বাসভরে কিছু স্বর্ণ বিক্রয় করার জন্য দিয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত স্বর্ণ বিক্রয় করেনি এমনকি তা অভিযোকারীকে ফেরতও দেয়নি। এই ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন ধারার অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৪
  3. ধারা ৪০৫
  4. ধারা ৪০৬
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪০৫ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে, অভিযুক্তকে বিশ্বাসভরে সম্পত্তি অর্পণ থাকতে হবে এবং অতপর তিনি আইনের নির্দেশনা লংঘন করে বা যে চুক্তি অনুসারে তাকে সম্পত্তি অর্পণ করা হয়েছিল সেই চুক্তিভঙ্গ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছে বা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, সেই ক্ষেত্রে এটা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।
♦সুতরাং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অসাধুভাবে আত্মসাৎকরণ Idishonest misappropriation] থাকতে হবে, প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকরণ [misappropriation by cheating) থাকার প্রয়োজন নেই।
উল্লেখিত ঘটনাটি একটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।
♦যেহেতু এটা একটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, সেহেতু আসামী ৪০৫ ধারার অপরাধ করেছে।
♦The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪০৬ মতে অপরাধমূল বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 
৩৫.
A রাজপথে Z এর সাক্ষাৎ পায়, পিস্তল দেখায় ও টাকা দাবী করে। এর ফলে Z টাকা দিয়ে দেয়। A এর ­অপরাধ-
  1. বলপূর্বক গ্রহণ
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। 

♦যেহেতু পিস্তল দেখিয়ে তাৎক্ষণিক ভয় সৃষ্টি করে টাকা গ্রহণ করা হয়েছে , তাই দস্যুতা করেছে বলে গণ্য হবে। এবং যেহেতু বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী, ভিকটিম Z এর সামনে উপস্থিত  ছিল, তাই বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতায় পরিণত হয়েছে।
৩৬.
নিচের কোনটি গুরুতর জখম নয়?
  1. পুরুষত্বহীনকরণ
  2. অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
  3. মাথার চুল ছিড়েফেলা
  4. স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

♦ এর মধ্যে মাথার চুল ছিড়েফেলার বিষয়টি নাই। 
৩৭.
কত বছর বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কাজ অপরাধ নয়?
  1. ৭ থেকে ১২ বছর
  2. ৯ বৎসরের অধিক কিন্তু ১২ বৎসরের কম
  3. ৫ থেকে ১০ বৎসর
  4. ১০ থেকে ১২ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয়।

♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
৩৮.
ব্যাংকে গ্রাহকের আমানত বা জমাকৃত অর্থ আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৫১ থেকে ৬৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত, ৯৭ থেকে ১১১ অনুচ্ছেদে বিভিন্ন ধরনের অর্থ আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থ আদায়ের জন্য [for money] মামলা দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।
৩৯.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় না কোন ধারা মতে?
  1. তামাদি আইনের ৪ ধারা মতে
  2. তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে
  3. তামাদি আইনের ৩ ধারা মতে
  4. তামাদি আইনের ৬ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়েরের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিন অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন যদি আদালত বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত/আবেদন দায়ের বা রুজু করা যাবে।
৪০.
বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির সময়কাল তামাদি আইনের কত অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০২
  2. অনুচ্ছেদ ১০৩
  3. অনুচ্ছেদ ১০১
  4. অনুচ্ছেদ ১০৪
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ এবং ১০৪ অনুযায়ী মুসলিম আইনের অধীন দেনমোহর আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অর্থাৎ বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য [deferred dower] একজন মুসলিম মহিলা মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির ৩ বৎসর যা তামাদি আইনের ১০৪ অনুছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
৪১.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না: তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন। তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধানবলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় বটে; কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়। মামলা-মোকদ্দমা ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
৪২.
দেওয়ানী আদালতের রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরাখাস্ত করতে হবে-
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদটি দেওয়ানী আদালতের অর্থাৎ সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ বা জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন উল্লেখ করেছে।
৪৩.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোন সময়টি বাদ যাবে?
  1. ডিক্রি প্রস্তুতের সময়
  2. ডিক্রি জারির সময়
  3. মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্তে কার্যক্রম স্থগিতের সময়
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবেঃ

(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উহা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেইদিন উহা প্রদত্ত হইয়াছিল এবং যেইদিন উহা প্রত্যাহার করা হইয়াছিল, তাহা বাদ দিতে হইবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হইবে।
৪৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এ- কতটি বিধি আছে?
  1. ৪৬ টি
  2. ৪৪ টি
  3. ১০১ টি
  4. ৪৫ টি
ব্যাখ্যা
♦ 'The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972' এ অনুচ্ছেদ (Article) ৪৬টি এবং ১০১টি বিধি (Rules) আছে।
৪৫.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সরকার স্থানীয় বার এ্যাসোসিয়েশন বা বার সমিতিকে কয়টি ভাগে বিভক্ত করবে?
  1. ২ টি
  2. ৭ টি
  3. ৬ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৫ অনুচ্ছেদ মতে আঞ্চলিক বার সমিতি হতে ৭ জন অ্যাডভোকেটকে নির্বাচিত করার জন্য সরকার বার সমিতি [Bar Assocaition] কে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত করবে।
৪৬.
ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার কত দিন পর শুনানির দিন ধার্য করবেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
♦বিধি-৪৫ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার ২১ দিন পর শুনানির দিন ধার্য করবেন।

♦ বিধি-৪৯ অনুযায়ী পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
৪৭.
হাইকোর্ট পারমিশনের লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা প্রয়োজনীয় শর্ত বলা আছে-
  1. ২১ অনুচ্ছেদে
  2. ২২ অনুচ্ছেদে
  3. ১৯ অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦ ২১ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগে অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। ২১ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশা করার জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্য হবে যদি-

ক) অ্যাডভোকেট হিসাবে বাংলাদেশের অধঃস্তন আদালতে অন্যূন (সর্বনিম্ম ২ বৎসর) আইন পেশা করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে;

খ) সে আইনে স্নাতক পাশ এবং অ্যাডভোকেট হিসাবে সরকারী গেজেটে উল্লেখিত বাংলাদেশের বাইরের কোন আদালতে আইন পাশ করেছে;

গ) তার লিগ্যাল ট্রেনিং বা অভিজ্ঞতার জন্য বার কাউন্সিল তাকে উপরে উল্লেখিত শর্ত হতে অব্যাহতি দিলে।

উপরে উল্লেখিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে এবং ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করলে, হাইকোর্ট বিভাগে প্রাক্টিস করার অনুমতি দিবে।
৪৮.
সহকারী জজ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষ জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করে। জেলা জজ উক্ত আপীল শুনানীর জন্য যুগ্ম জেলা জজের নিকট প্রেরণ করে। যুগ্ম জেলা জজ উক্ত আপীল খারিজ করে দেয়। এই ক্ষেত্রে-
  1. হাইকোর্টে আপীল দায়ের করতে হবে
  2. জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হবে
  3. হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
  4. জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু একবার আপীল খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, তাই দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। যেহেতু দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই, তাই যুগ্ম জেলা জজের উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে। এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে কারণ এখানে যুগ্ম জেলা জজের আদেশ জেলা জজের সমান। কারণ জেলা জজটি আপীলটি যুগ্ম জেলা জজ প্রেরণ করেছে এবং এই ক্ষেত্রে যুগ্ম জেলা জজ, জেলা জজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে আপীলটি খারিজ করেছে।
অর্থাৎ হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি আদালতের অধীনতা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের অধীনতার বিধান রয়েছে।
১) জেলা আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন এর অধীন হবে; এবং
২) জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ভুক্ত প্রত্যেক দেওয়ানী আদালত ও ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা আদালতের অধীন হবে।
৫০.
দেওয়ানী মামলায় সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. অনধিক ১৫ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা
  3. অনধিক ৩৫ লক্ষ টাকা
  4. সীমাহীন
ব্যাখ্যা
♦ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার হলঃ সহকারী জজ ১৫ লক্ষ পর্যন্ত, সিনিয়র সকারী জজ ২৫ লক্ষ পর্যন্ত ও যুগ্মজেলা জজ সীমাহীন মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন।
♦ এই ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার শুরু হবে ১৫ লক্ষ ১ টাকা হতে অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। 
৫১.
৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ এর আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦ ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয় (Application where rejected): আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি (Order of rejection not appealable Objection to order granting application): রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

♦ অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কিন্তু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
৫২.
নিম্ম আদালত কোনো বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স পাঠাতে পারে কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ১১৩
  2. ১১৪
  3. ১১৫
  4. ১৫৩
ব্যাখ্যা
♦হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স: অধস্তন কোন আদালত মোকদ্দমার বিষয়ে মতামতের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করে অভিমত চাইলে তাকে রেফারেন্স (Reference) বলে।
♦আদেশ ৪৬ এবং ধারা ১১৩ রেফারেন্স (Reference) সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ আছে।

♦ ১১৩ ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগে অভিমতের জন্য প্রেরণ: নির্ধারিত শর্ত ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে কোন আদালত কারণ উল্লেখপূর্বক কোন মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগের মতামত চেয়ে প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মোকদ্দমা সম্পর্কে যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
৫৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের ৩নং বিধিতে কী বিধান রয়েছে?
  1. আপোষ মিমাংসা
  2. সোলেনামা
  3. compromise of suit
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦আদেশ-২৩, বিধি-৩: সোলেনামা বা আপোষ মিমাংসা (compromise of suit) - চুক্তি বা আপোষ মিমাংসামূলে কোন মামলায় আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তাকে সোলেনামা বলে। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে নিষ্পত্তি করাকে সোলেনামা বলে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩নং আদেশের ৩নং বিধিতে বলা হয়েছে যে, যখন কোন মোকদ্দমা যুক্তিসঙ্গতভাবে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মিটমাট হয়েছে অথবা বিবাদী মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে বাদীর সন্তুষ্টি সাধন করে থাকে, তখন আদালত চুক্তি, আপোষ, নিষ্পত্তি বা সন্তুষ্টি সাধনের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং সেই অনুসারে মামলার নিষ্পত্তি বা ডিক্রি দান করবেন।

♦সোলে ডিক্রি বা সোলে নিষ্পত্তি সম্পর্কে কোন পক্ষ হতে কোনরূপ প্রতারণার অভিযোগে মামলা বা দরখাস্ত করা হলে, আদালত উক্ত সোলে ডিক্রি বা সোলে নিষ্পত্তি বাতিল করতে পারেন।

♦২৩ নং আদেশের ৩ নং বিধিমতে আদালত পক্ষগণের মধ্যে আইনসম্মত চুক্তি বা আপোষ বা সন্তোষসাধন লিপিবদ্ধ করলে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কোন আদেশ প্রদান করলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে অর্থাৎ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে আদালত কোনো আদেশ দিলে উক্ত সোলে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
৫৪.
আদালত একটি দেওয়ানী মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। বিবাদী উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত বিবাদীকে ১ মাসের দেওয়ানী কারাদন্ড প্রদান করে। উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. রিভিশন করা যাবে
  2. আপীল করা যাবে
  3. যেহেতু ১ মাসের কারাদন্ড তাই আপীল করা যাবে না
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৯ এর ২(৩) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের এবং দেওয়ানী কারাবাসে সর্বোচ্চ ৬ মাসের আটক আদেশ দিতে পারে। এমন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে সেট অফ (Set off) এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৮, বিধি-৭
  2. আদেশ-৮, বিধি-৬
  3. আদেশ-৮, বিধি-৮
  4. সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
♦আদেশ-৮, বিধি-৬ এর বিধান পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off)- সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
৫৬.
আপীল আদালতে আপীলের পক্ষগণ-
  1. মৌখিক সাক্ষ্য দিতে পারে
  2. দালিলিক সাক্ষ্য দিতে পারে
  3. মৌখিক এবং দালিলিক উভয় সাক্ষ্য দিতে পারে
  4. আদালত অনুমতি না দিলে মৌখিক বা দালিলিক কোন সাক্ষ্যই উপস্থাপন করতে পারে না
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৪১ বিধি-২৭ এর বিধান আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান। ১) । আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি

ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা

খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।

♦ অর্থাৎ বিশেষ প্রেক্ষাপটে যেমন রায়ের সুবিধার্থে বা আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।
৫৭.
আপীলের শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে আপীলকারী উপস্থিত না হলে, আপীল আদালত আপীলটি খারিজ করে দেয়। উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে__________করা যাবে-
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. আপীল
  4. উপরের যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু আপীল খারিজ কোন ডিক্রি বা আপীলযোগ্য আদেশ না, তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়। যেহেতু কোন মোকদ্দমার বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে এবং সেই আপীল শুনানীতে আপীল খারিজের সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে, সুতরাং দ্বিতীয় আপীল করার সুযোগ নাই। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নাই।
৫৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা পরিবর্তন করিতে পারেন কে?
  1. সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ
  2.  জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ
  4.  কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।  প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে।  বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।

 ♦অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন। জাতীয় সংসদ যে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদেশ ও বিধিসমূহ সংশোধন করতে পারে তার বড় উদাহরণ হলো ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির সংশোধন।
৫৯.
আপীলে কোন পক্ষের অনুরোধে আপীল আদালত শুনানীর নিমিত্তে খরচসহ সর্বাধিক কতবার আপীল মুলতুবির আবেদন মঞ্জুর করতে পারে?
  1. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৬ বার
ব্যাখ্যা
♦আদেশ-৪১, বিধি-১২(ক): আপিল মূলতবী (Adjournment of Appeal) - দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ নং আদেশের ১২(ক) বিধিতে আপিলের পর্যায়ে মূলতবীর বিধান রয়েছে। আপিলে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৩ বার, খরচসহ ৩ বারের অধিক যে কোন সংখ্যক মূলতবি মঞ্জুর করা যায়: এবং আপিলের পর্যায়ে মূলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা।

♦অর্থাৎ খরচসহ সর্বাধিক কতবার আপীল মুলতুবির আদেশ দিতে পারে তার কোন নির্দিষ্ট সীমা এই বিধিতে নেই।
৬০.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার ক্ষেত্রে আদালত কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিলে বা আদেশ অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটকের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. আদেশ বাতিলের আবেদন
ব্যাখ্যা
♦৩৯ আদেশের ১ এবং ২ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করে প্রদত্ত কোন আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

♦৩৯ আদেশের ২(৪) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করা হতে বিরত রাখার জন্য আদালত সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিলে বা অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটক আদেশ দিলে, তাহলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।

♦৩৯ আদেশের ৪ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ পরিবর্তন বা বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে।

♦৩৯ আদেশের ১০ বিধির অধীন অর্থ জমাদানের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
৬১.
রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করলে সংক্ষুদ্ধ বাদীর প্রতিকার হতে পারে-
  1. কোন প্রতিকার নাই
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. আপীল
ব্যাখ্যা
♦রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ, তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে প্রদত্ত আদেশ আপীলযোগ্য না। তাই এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
৬২.
Res subjudice এর অর্থ  কি?
  1. আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়
  2. আদালত কর্তৃক খারিজকৃত বিষয়
  3. আদালতের বিচারাধীন বিষয়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦রেস সাবজুডিস (Res-Sub Judice) একটি ল্যাটিন শব্দ যেখানে Res এর অর্থ হলো বিষয় এবং Subjudice শব্দটির অর্থ হলো বিচারাধীন। সুতরাং রেস সাবজুডিস মানে আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়। এই নীতিটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০ এ আলোচনা করা হয়েছে।
৬৩.
আদালত কাউকে নিঃস্ব নয় ঘোষণা করতে হলে কতদিনের নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৫ দিনের
  2. ৭ দিনের
  3. ১৫ দিনের
  4. ৩০ দিনের
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান নিঃস্ব হতে মুক্তি (Dispaupering): আদালত বাদীকে কমপক্ষে ৭ দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে নিঃস্ব ব্যাক্তি নয় মর্মে আদেশ দিতে পারেন যদি-
মোকদ্দমা চলাকালে বাদী বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়, বা  তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করা উচিত নয়, বা
- সে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে এমন কোন চুক্তি করেছে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে স্বার্থ লাভ করেছে। 
৬৪.
আদালত রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে যদি বিবাদী ডিক্রি বলবৎ করতে বাধা দিতে বা বিলম্ব করতে-
  1. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে
  2. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি আদালতের আঞ্চলিক সীমার বাইরে নিয়েছে
  3. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ অনুযায়ী  যেক্ষেত্রে বিবাদীকে সম্পত্তি উপস্থিত করার জন্য জামানত প্রদানের নির্দেশ দেয়া যায়: (১) যেক্ষেত্রে শপথনামা দ্বারা বা অন্য কোনভাবে মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে তা জারীকরণে বাধাদান বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
ক) তার সম্পত্তির সমগ্র বা কোন অংশ হস্তান্তর করার উপক্রম করেছে, বা
খ) আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানাহতে তার সমগ্র সম্পত্তি বা উহার কোন অংশ অপসারণের উপক্রম করেছে,
সেক্ষেত্রে আদালত ইহার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদেশের উল্লেখিত পরিমাণ অংকের টাকা জামানত হিসাবে দাখিল করতে বা উক্ত সম্পত্তি বা উহার মূল্য বা ডিক্রি পরিতুষ্ট হওয়ার মত উহার যথেষ্ট অংশ আবশ্যক হলে আদালতের এখতিয়ারে ন্যস্ত করার জন্য অথবা সে কেন জামানত প্রদান করবে না তার কারণ দর্শাইতে হাজির হবার জন্য বিবাদীর প্রতি নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, যে সম্পত্তি ক্রোক করা আবশ্যক বাদীকে উহ এবং উহার আনুমানিক মূল্য নির্দিষ্ট সম্পত্তির সমগ্র বা উহার কোন অংশ শর্ত সাপেক্ষে ক্রোকের ও নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ অর্থাৎ আদেশ-৩৮, বিধি- ৫ থেকে ১৩: রায় ঘোষণার পূর্বে ক্রোক (Attachment before judgment): বাদী এফিডেভিট দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে আদালতকে যদি সন্তুষ্ট করতে পারে যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হতে পারে মনে করে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার চেষ্টা করছে, তাহলে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেন।
৬৫.
Pleadings (প্লিডিংস) সংশোধন সম্পর্কে কোথায় বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  2. আদেশ ৬ বিধি ২০
  3. আদেশ ৫ বিধি ১২
  4. আদেশ ৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস বা আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে-

   (i) যদি সংশোধনটি পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হয়।

   (ii) যদি সংশোধনটি অপর পক্ষের জন্য অবিচার না হয়।
৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ, পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া অবস্থা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ ২২
  2. আদেশ ২৩
  3. আদেশ ২৪
  4. আদেশ ২৫
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ, পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া অবস্থা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে আদেশ ২২ এর মাঝে।
৬৭.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোনটি বাধা?
  1. আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাওয়া
  2. আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চাওয়া
  3. আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ঘোষণার মোকদ্দমায় যেক্ষেত্রে বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করতে সক্ষম, সেই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু যেক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করার প্রয়োজন নেই, সেই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার ব্যতীত শুধুমাত্র ঘোষণার মোকদ্দমা রক্ষণীয়।
♦ঘোষনামূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চাওয়া একটি বাধা কারণ যে ক্ষেত্রে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করতে সক্ষম ছিল কিন্তু করেনি সেই ক্ষেত্রে আদালত কোনো ঘোষণা মঞ্জুর করবেনা।
৬৮.
ধারা ৯ অনুযায়ী দখলের জন্য প্রমাণ করতে হয়-
  1. বিনা অনুমতিতে দখলচ্যুত করা হয়েছে
  2. বাদী সম্পত্তির দখলে ছিলো
  3. বেআইনিভাবে দখলচ্যুত করা হয়েছে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। 
ধারা ৯ অনুযায়ী দখলের জন্য প্রমাণ করতে হয়
১)বিনা অনুমতিতে দখলচ্যুত করা হয়েছে
২)বাদী সম্পত্তির দখলে ছিলো
৩) বেআইনিভাবে দখলচ্যুত করা হয়েছে
৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় অবলবৎযোগ্য চুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ১৪
  4. ২১ক
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে 

৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪)চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 

৫)চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬)বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি

৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮)যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৭০.
দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
  1. যেকোন ব্যক্তি যার জন্য দলিলটি ক্ষতিকর
  2. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. স্থানীয় চেয়ারম্যান
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের প্রতিকার শুধুমাত্র দলিলের পক্ষসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। অর্থাৎ একমাত্র দলিলের পক্ষরা যে দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবে তা না বরং যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে দলিলটি বাতিলের জন্য ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৩৯ ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
১. দলিলের পক্ষ
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং সে যদি প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলটির কারণে সে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাহলে সে মামলা দায়েরের অধিকারী।
৭১.
যে দলিলসমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারে কত ধারার বিধান
  1. ৪০
  2. ৩৯
  3. ২১
  4. ৪১
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান যে দলিলসমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারেঃ
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্ত করতে পারেন এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।
৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় অধীন বাদী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩১
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে রদ প্রার্থনাঃ
প্রার্থনা জানাতে পারে যে, যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা না যায়। তবে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন তবে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

♦চুক্তির রদের মোকদ্দমায় বিকল্প হিসাবে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আবেদন করতে পারেনা। কিন্তু চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মোকদ্দমায় বাদী বিকল্পভাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে।
৭৩.
ক” খ” এর নিকট একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। খ” চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। ক” ইহার পর খ” এর চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এই ক্ষেত্রে-
  1. ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. ক” পুনরায় ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে না
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার অধিকারী হবে না। যেহেতু ক” চুক্তিভঙ্গের জন্য একবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তাই সে পুনরায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করার অধিকারী হবে না।
৭৪.
ক” একটি নির্দিষ্ট জমি বিক্রয় করতে এবং খ” তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। কিন্তু বন্যা হতে উক্ত জমি রক্ষা করার জন্য উহার মালিক কর্তৃক ব্যয়বহুল বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণ করা আবশ্যক। খ” এ পরিস্থিতির কথা জানতো না এবং ক” বিষয়টি গোপন রেখেছিল। চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-
  1. ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
  2. ক” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রদত্ত হবে
  3. খ” এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যাখ্যাত হবে
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦বাঁধ রক্ষাণাবেক্ষণ করা সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ না করে বা তথ্য গোপন করে বাদী ক” বিবাদী খ” এর নিকট হতে একটি অন্যায় সুবিধা [Unfair Advantage] নিয়েছে এবং এই কারণে বাদী ক” চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আবেদন করলে তা অবশ্যই প্রত্যাখ্যান হবে।
৭৫.
বোবা সাক্ষী [Dumb Witness] লিখে বা ইশারায় যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা_________সাক্ষ্য নামে পরিচিত?
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. দালিলিক সাক্ষ্য
  3. লিখিত সাক্ষ্য
  4. মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মতে বোবা সাক্ষী লেখা বা ইশারায় দ্বারা সাক্ষী দিতে পারে এবং এমন লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী এইরূপ ভাবে যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 
৭৬.
যে ক্রমানুযায়ী সাক্ষী উপস্থিত করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা নির্ধারিত হবে-
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির প্রচলিত আইন ও রীতি অনুযায়ী
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির আইন ও রীতি অনুযায়ী
  3. কোন আইন না থাকলে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যে ক্রমানুযায়ী সাক্ষী উপস্থিত করা ও তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধি সম্পর্কিত প্রচলিত আইন ও রীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। কোন আইন না থাকলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা [Discretionary power] বলে তা নির্ধারিত হবে[১৩৫ ধারা]।
৭৭.
সাক্ষ্য আইনে সাক্ষ্য গ্রহণের কয়টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৬ ধরনের
ব্যাখ্যা
♦তিনটি ক্রম হলো জবানবন্দি, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি।
৭৮.
কোন সাক্ষীকে অধিকতর জেরা [further cross-examination] করা যেতে পারে যদি-
  1. জেরায় যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো ব্যখ্যা করতে
  2. পুনঃজবানবন্দিতে উল্লেখিত বিষয় অধিকতর ব্যাখ্যা করতে
  3. আদালতের অনুমতি নিয়ে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় উল্লেখ করলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦পুনঃজবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে যদি কোন নতুন বিষয়ের সূচনা করা হয়, তবে সেই সকল বিষয়ে বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা করতে পারে।
৭৯.
সাধারণত কোন পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে-
  1. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  2. জেরা গ্রহণকারী পক্ষ বা সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦দেখুন জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এবং যেহেতু জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবদির সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না, তাই সাধারণত সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবন্দির সময় সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে।
৮০.
কোন সাক্ষীর পুনঃজবানবন্দি[re-examination] গ্রহণ করা যেতে পারে-
  1. জবানবন্দিতে যে সকল বিষয় বাদ পড়েছে সেগুলো ব্যাখ্যা করতে
  2. জেরায় যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো ব্যাখ্যা করতে
  3. জবানবন্দিতে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো পুনরায় ব্যাখ্যা করতে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦১৩৮ ধারায় বলা হয়েছে, জেরায় সাক্ষী যে সকল বিষয় উল্লেখ করেছে, পুনঃজবানবন্দিতে সেই সকল বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইতে হবে। পুনঃজবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে যদি কোন নতুন বিষয়ের সূচনা করা হয়, তবে সেই সকল বিষয়ে বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা করতে পারে।
৮১.
ক” একটি জমির দখলে আছে। খ” দাবি করে ক” উক্ত জমির মালিক না। এখানে ক” যে উক্ত জমির মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. ক” এর উপর
  2. খ” এর উপর
  3. দখলকারীর উপর
  4. মালিকের উপর
ব্যাখ্যা
♦যে ব্যক্তির দখলে কিছু আছে বলে দেখানো আছে, সেই ব্যক্তি উক্ত জিনিসের মালিক কিনা এই প্রশ্ন উঠলে, দখলকারী ব্যক্তি যে মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর বর্তায়, যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সেই জিনিসের মালিক না। যেহেতু খ” দাবি করে যে, ক” উক্ত জমকির মালিক না, তাই তা প্রমাণের দায়িত্ব খ” এর উপর বর্তায়।
৮২.
বিশারদের মতামত আদালতের উপর-
  1. বাধ্যকর
  2. বিবেচনামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু বিশারদের দায়িত্ব হলো মতামত দেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা না এবং বিশারদের দায়িত্ব হলো প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দিয়ে আদালতকে কোন সিদ্ধান্ত উপনীত হতে সক্ষম করে তোলা। এই মতামত আদালতের উপর কোন বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না।
৮৩.
প্রশ্ন হলো ক” কোন অপরাধ করেছে কিনা? এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোনটি প্রাসঙ্গিক না?
  1. অপরাধ সংঘটনের পর ক” পালিয়ে যায়
  2. অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি ক” এর দখলে ছিল
  3. ক” কোন বিষয় লুকানোর চেষ্টা করে
  4. ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
♦পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত কোন দোষস্বীকারোক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবেনা।
৮৪.
Section 32 (5) of the Evidence Act applies when the statement relates to the existence of any relationship by________.
  1. Blood
  2. Marriage
  3. Adoption
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যদি বিবৃতিটা কোন বিদ্যমান রক্তের, বৈবাহিক বা দক্তকগ্রহণ সূত্রে কোন সম্বন্ধের সাথে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটা ৩২(৫) অনুসারে প্রাসঙ্গিক হবে।
৮৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায় নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি সংক্রান্ত এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়নি?
  1. প্রবেট
  2. অ্যাডমিরালটি
  3. দেউলিয়াত্ব
  4. রাজস্ব
ব্যাখ্যা
♦৪১ ধারায় প্রবেট, ম্যাট্রিমোনিয়াল, অ্যাডমিরালটি এবং দেউলিয়াত্ব এখতিয়ার প্রয়োগকারী ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রিকে কতিপয় ক্ষেত্রে চূড়ান্ত প্রমাণ [Conclusive proof] হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।