পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯৫: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - তথ্য-প্রযুক্তি ১. আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইসসমূহ - স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাব ইত্যাদি। ২. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; মোবাইল নেটওয়ার্ক ও এর বৈশিষ্ট্য; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি। ৩. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি। ৪. ক্লায়ন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা। ৫. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি। ৬. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ৭. রোবটিক্স, ৮. ডিজাইন ও প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে ধারণা ইত্যাদি। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
বিটকয়েন কী ধরনের মুদ্রা?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা
  2. ফিয়াট মানি
  3. পণ্যভিত্তিক টাকা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টোকারেন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টোকারেন্সি
ব্যাখ্যা
• বিটকয়েন হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি, অর্থাৎ এটি একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা যা কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা লেনদেনকে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীভূত করে। বিটকয়েন সরাসরি ব্যবহারকারীদের মধ্যে peer-to-peer লেনদেনের মাধ্যমে চলে এবং এর মান বাজারের চাহিদা ও সরবরাহ দ্বারা নির্ধারিত হয়। এটি ফিয়াট মানি বা পণ্যভিত্তিক টাকার মতো কোনো শারীরিক মুদ্রা নয় এবং এটিকে প্রিন্ট করা বা ছাপা যায় না। সংক্ষেপে, বিটকয়েন সরকার বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা একটি স্বাধীন ডিজিটাল অর্থের মাধ্যম।

সঠিক উত্তর: ঘ) ক্রিপ্টোকারেন্সি।

• ক্রিপ্টোকারেন্সি :
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
কোনটি CDMA প্রযুক্তির একটি মূল সুবিধা?
  1. উচ্চ মাত্রার ইন্টারফেরেন্স
  2. ব্যবহারকারীর সংখ্যা সীমিত
  3. স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার
  4. নিম্ন নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির মূল সুবিধাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার। এটি একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে একাধিক ব্যবহারকারীকে আলাদা কোড ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ করতে দেয়, ফলে ফ্রিকোয়েন্সি পুনঃব্যবহার এবং ব্যান্ডউইথের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব হয়। CDMA সিস্টেমে ব্যবহারকারীরা একে অপরের সিগন্যালকে “কোড” এর মাধ্যমে আলাদা করতে পারে, যা ইন্টারফেরেন্স কমায় এবং নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়ায়। অন্যদিকে, এটি উচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করে এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা সীমিত করার মতো সমস্যা থাকে না। তাই স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার CDMA-এর অন্যতম প্রধান সুবিধা।

উত্তর: গ) স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার।

⚪ বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GSM এবং CDMA.
• GSM: 
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA: 
- CDMA এর পূর্ণরূপ- Code Division Multiple Access.
- ট্রান্সমিশন পাওয়ার কম হওয়ায় রেডিয়েশন কম থাকে।
- অপেক্ষাকৃত ভালো মানের কল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
কেন ChatGPT কে “জেনারেটিভ” AI বলা হয়?
  1. এটি নতুন লেখা বা কনটেন্ট তৈরি করে
  2. এটি শুধু ডেটা সংরক্ষণ করে
  3. এটি শুধুমাত্র বিদ্যমান তথ্য সাজায়
  4. এটি বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন করে
সঠিক উত্তর:
এটি নতুন লেখা বা কনটেন্ট তৈরি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি নতুন লেখা বা কনটেন্ট তৈরি করে
ব্যাখ্যা
• ChatGPT কে “জেনারেটিভ” AI বলা হয় কারণ এটি কেবল তথ্য সংরক্ষণ বা সাজায় না, বরং নতুন লেখা, উত্তর, ব্যাখ্যা এবং কনটেন্ট তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ ব্যবহারকারীর প্রশ্ন বা নির্দেশনার উপর ভিত্তি করে এটি সম্পূর্ণ নতুন বাক্য, গল্প, কবিতা বা বিশ্লেষণ জেনারেট করতে সক্ষম। এটি বিদ্যমান ডেটার উপর ভিত্তি করে শেখে, কিন্তু ফলাফল সম্পূর্ণ নতুন এবং আগের ডেটার সঠিক নকল নয়। তাই ChatGPT কে “জেনারেটিভ” বলা হয়, কারণ এর মূল ক্ষমতা হল নতুন এবং মৌলিক কনটেন্ট তৈরি করা, যা কেবল তথ্য সাজানো বা সংরক্ষণ করার চেয়ে অনেক বেশি সৃজনশীল। সঠিক উত্তর: ক) এটি নতুন লেখা বা কনটেন্ট তৈরি করে।

• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- বর্তমানে GPT- 5 ভার্সন চলছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• চ্যাটজিপিটির বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।

উৎস: www.openai.com.
.
কোনটি গুগলের সেবা নয়?
  1. Gmail
  2. Drive
  3. Word
  4. Chrome
সঠিক উত্তর:
Word
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Word
ব্যাখ্যা
• গুগল বিভিন্ন অনলাইন সেবা প্রদান করে, যেমন Gmail (ইমেইল), Google Drive (ফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ারিং), এবং Chrome (ওয়েব ব্রাউজার)। তবে Word হলো মাইক্রোসফটের একটি সফটওয়্যার, যা মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের অংশ। এটি গুগলের কোনো সেবা নয়। Gmail ব্যবহারকারীদের ইমেইল প্রেরণ এবং গ্রহণের সুবিধা দেয়, Drive ব্যবহারকারীদের ফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করতে সাহায্য করে, এবং Chrome হলো দ্রুত ও নিরাপদ ওয়েব ব্রাউজিং-এর জন্য গুগলের ব্রাউজার। অন্যদিকে, Word মূলত ডকুমেন্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন। তাই এই  অপশন চারটির মধ্যে গুগলের সেবা নয় “Word।”
 
Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান CEO: Sundar Pichai. (তথ্য - আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: Google Official Website and Britannica.
.
কোন প্রযুক্তি স্মার্ট ডিভাইসগুলোকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে?
  1. ব্লুটুথ
  2. ওয়াই-ফাই
  3. জিগবী/জেড-ওয়েভ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট ডিভাইসগুলোকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত ও যোগাযোগযোগ্য করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ব্লুটুথ প্রযুক্তি সংক্ষিপ্ত দূরত্বে ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদান করতে সক্ষম। ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি ইন্টারনেটের মাধ্যমে দ্রুত ও বিস্তৃত ডিভাইস সংযোগ প্রদান করে। জিগবী বা জেড-ওয়েভ হলো কম শক্তি খরচকারী নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ সহজ করে। এই সব প্রযুক্তি একসাথে ব্যবহার করে স্মার্ট ডিভাইসগুলোকে কার্যকরভাবে সংযুক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সুতরাং, স্মার্ট ডিভাইসের সংযোগ এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সবগুলো প্রযুক্তিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।


• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
ইন্টারপ্রেটারের মধ্যে চলা প্রোগ্রামে যদি কোনো ত্রুটি ঘটে, তখন ফলাফল কী হবে?
  1. ত্রুটি লাইনে এক্সিকিউশন বন্ধ হবে
  2. প্রোগ্রাম ঠিকভাবে চলবে
  3. ইন্টারপ্রেটার ত্রুটি উপেক্ষা করবে
  4. কোড স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেশিন কোডে কম্পাইল হবে
সঠিক উত্তর:
ত্রুটি লাইনে এক্সিকিউশন বন্ধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রুটি লাইনে এক্সিকিউশন বন্ধ হবে
ব্যাখ্যা
• ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন এটি কোডটি লাইনের ভিত্তিতে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে এক্সিকিউট করে। যদি প্রোগ্রামের মধ্যে কোনো ত্রুটি ঘটে, ইন্টারপ্রেটার তা সনাক্ত করে এবং সাধারণত ত্রুটির স্থানে এক্সিকিউশন থামায়। অর্থাৎ, ত্রুটিপূর্ণ লাইনের পরবর্তী কোড চালানো হয় না। এটি কম্পাইলারের মতো পুরো প্রোগ্রাম আগে থেকে যাচাই করে না, তাই ত্রুটি ঘটার সাথে সাথেই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ত্রুটি লাইনে এক্সিকিউশন বন্ধ হবে।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:

১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রোবোটিক্সে একটি  PLC-এর  প্রধান কাজ কী?
  1. রোবটিক গতিবিধি তৈরি করা
  2. রোবোটিক অ্যাকচুয়েটরগুলিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  3. রোবোটিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ ও স্বয়ংক্রিয় করা
  4. বিশাল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
রোবোটিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ ও স্বয়ংক্রিয় করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোবোটিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ ও স্বয়ংক্রিয় করা
ব্যাখ্যা
• রোবোটিক্সে একটি পিএলসির (Programmable Logic Controller) প্রধান কাজ হলো রোবোটিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ ও স্বয়ংক্রিয় করা। পিএলসি মূলত একটি শিল্পমানের কম্পিউটার, যা সেন্সর থেকে ইনপুট গ্রহণ করে এবং পূর্বনির্ধারিত প্রোগ্রামের মাধ্যমে আউটপুট প্রদান করে রোবোটিক অ্যাকচুয়েটর, মোটর ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরিচালনা করে। এর ফলে রোবট নির্দিষ্ট কাজ যেমন—তোলা, রাখা, স্থানান্তর করা বা উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে পারে। পিএলসি নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও নমনীয় হওয়ায় এটি রোবোটিক্সসহ আধুনিক শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) রোবোটিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণ ও স্বয়ংক্রিয় করা।

• PLC:
- PLC হলো একটি ডিজিটাল কম্পিউটার, যা মূলত ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন এবং রোবটিক্স সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি বিভিন্ন ইনপুট অনুযায়ী নির্দিষ্ট লজিক অনুসারে আউটপুট প্রদান করে।

• PLC ব্যবহারের ক্ষেত্র:
- রোবটিক্স। 
- উৎপাদন ও কারখানা অটোমেশন। 
- ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম। 
- প্যাকেজিং মেশিন। 
- এলিভেটর কন্ট্রোল সিস্টেম। 

তথ্যসূত্র:
- Intel.com
.
ISDN-এ H-চ্যানেলের উদ্দেশ্য কী?
  1. উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য
  2. সংকেত প্রেরণের জন্য
  3. শুধুমাত্র ভিডিও স্ট্রিমিং-এর জন্য
  4. শুধুমাত্র ভয়েস যোগাযোগের জন্য
সঠিক উত্তর:
উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য
ব্যাখ্যা
• ISDN-এ H-চ্যানেলের মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হওয়া। সাধারণত ISDN-এ B-চ্যানেল ভয়েস বা ডেটা বহন করে এবং D-চ্যানেল সিগন্যালিং ও কন্ট্রোলের কাজ করে। কিন্তু যখন অনেক বেশি ব্যান্ডউইথ বা দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানের প্রয়োজন হয়, তখন H-চ্যানেল ব্যবহার করা হয়। H-চ্যানেল বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায় যেমন H0 (384 kbps), H11 (1.536 Mbps) এবং H12 (1.920 Mbps)। এগুলো মূলত ভিডিও কনফারেন্সিং, মাল্টিমিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন বা বড় ডেটা ফাইল স্থানান্তরের মতো কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো— ক) উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেটের মূল সুবিধা কী?
  1. অনির্দিষ্ট ফ্রি ডেটা
  2. ফাইবার-অপটিক সংযোগের তুলনায় দ্রুত
  3. প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট
  4. বিল্ট-ইন স্ট্রিমিং সার্ভিস
সঠিক উত্তর:
প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
• স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেটের মূল সুবিধা হলো প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা। পৃথিবীর বহু এলাকায় এখনো ফাইবার-অপটিক বা ব্রডব্যান্ড পৌঁছায়নি, ফলে মানুষ দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে বঞ্চিত। স্টারলিঙ্ক মহাকাশে হাজার হাজার স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সরাসরি ব্যবহারকারীর ডিশে সিগন্যাল পাঠায়, যা ভূগোলগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দূরবর্তী পাহাড়ি এলাকা, দ্বীপ বা গ্রামীণ অঞ্চলেও ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেয়। এ কারণে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ডিজিটাল সংযোগ শিক্ষা, ব্যবসা, চিকিৎসা ও যোগাযোগে সমান সুযোগ তৈরি করে। তাই স্টারলিঙ্কের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সবার কাছে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া।

• স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক ইন্টারনেট এর প্রতিষ্টাতা ইলন মাস্ক।
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।
১০.
MICR প্রিন্টিং-এ কোন ধরনের ইঙ্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. পানি ভিত্তিক ইঙ্ক
  2. ইউভি ইঙ্ক
  3. তেলভিত্তিক ইঙ্ক
  4. চৌম্বকীয় ইঙ্ক
সঠিক উত্তর:
চৌম্বকীয় ইঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বকীয় ইঙ্ক
ব্যাখ্যা
• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রিন্টিং-এ বিশেষ ধরনের চৌম্বকীয় ইঙ্ক ব্যবহৃত হয়। এই ইঙ্কে লৌহজাত চৌম্বকীয় পদার্থ মেশানো থাকে, যা সাধারণ স্ক্যানার নয় বরং চৌম্বকীয় রিডারের মাধ্যমে পড়া যায়। ব্যাংক চেক, ড্রাফট ইত্যাদির ক্ষেত্রে MICR প্রিন্টিং ব্যবহৃত হয় যাতে প্রতারণা রোধ করা যায় এবং দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব হয়। সাধারণ পানি ভিত্তিক, ইউভি বা তেলভিত্তিক ইঙ্ক দিয়ে এমন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) চৌম্বকীয় ইঙ্ক, যা আর্থিক নথিপত্রের জন্য নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রদান করে।

• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition/ Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
১১.
ইনস্টাগ্রামে প্রোফাইলে নীল টিক চিহ্ন থাকার অর্থ কী?
  1. ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট
  2. সাবস্ক্রিপশন প্রদান করা হয়েছে
  3. ক্রিয়েটর মোড
  4. প্রিমিয়াম কনটেন্ট
সঠিক উত্তর:
ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট
ব্যাখ্যা
• ইনস্টাগ্রামে প্রোফাইলে নীল টিক চিহ্ন থাকলে সেটি মূলত ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট বোঝায়। ভেরিফিকেশন হল একটি বিশেষ ব্যাজ, যা প্রমাণ করে যে ওই অ্যাকাউন্টটি আসল এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তি, ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল প্রোফাইল। অনেক সময় জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব, সেলিব্রিটি, সাংবাদিক, ক্রীড়াবিদ বা বড় কোনো প্রতিষ্ঠানকে নকল করে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। তাই নীল টিক চিহ্ন ব্যবহারকারীদের নিশ্চিত করে যে এটি আসল এবং নির্ভরযোগ্য প্রোফাইল। তবে এটি সাবস্ক্রিপশন, ক্রিয়েটর মোড বা প্রিমিয়াম কনটেন্টের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট (ক)।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: 
- আইসিটিতে সামাজিক যোগাযোগ বলতে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকেই বোঝায়। 
অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ যোগাযোগ ও ভাব প্রকাশের জন্য যা কিছু সৃষ্টি, বিনিময় কিংবা আদান-প্রদান করে তাই সামাজিক যোগাযোগ। 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বর্তমানে এই যোগাযোগ হয়ে পড়েছে সহজ, সাশ্রয়ী এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ। 
- ইন্টারনেটের ব্যবহার, ই-মেইল, মোবাইল ফোন ও মেসেজিং সিস্টেম, ব্লগিং এবং সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মসমূহ ব্যবহার করে বর্তমানে আইসিটিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ অনেকাংশে সহজ। 
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। 
যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন ও ইনস্টাগ্রাম, এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো- ফেসবুক ও টুইটার। 

ইনস্টাগ্রাম (www.instragram.com): 
- ইনস্টাগ্রাম হলো একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। 
- এটা ২০১০ সালে চালু হয়েছিল। 
- এটাকে মূলত ছবি ও ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়। 
- এতে ব্যবহারকারীগণ গল্প তৈরি করতে এবং হ্যাশট্যাগের (hashtag) মাধ্যমে বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করতে পারে। 
- এতে রিল (reels) এবং কেনাকাটার সুযোগও রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্র্যান্ড এবং প্রভাবশালীগণ তাদের অনুসারি বা ভিজিটরদের সাথে কার্যকরভাবে জড়িত হতে পারে। 
- এটিকে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্যতম প্লাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

অন্যদিকে,
- ২০০৪ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি মার্ক জুকারবার্গ তার অন্য বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে এটি চালু করেন। 
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে, তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে। 

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং টুইটারের ওয়েবসাইট।
১২.
সাধারণ একটি IMEI নম্বরে কয়টি ডিজিট থাকে?
  1. 15
  2. 12
  3. 14
  4. 16
সঠিক উত্তর:
15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15
ব্যাখ্যা
• সাধারণ একটি IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর ১৫ সংখ্যার হয়। এটি প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিচয় নম্বর হিসেবে কাজ করে। মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটররা এই নম্বর ব্যবহার করে ফোন সনাক্ত করতে পারে এবং হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইল ব্লক করার জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। IMEI নম্বর মূলত চারটি অংশে বিভক্ত থাকে—TAC (Type Allocation Code), FAC (Final Assembly Code), SNR (Serial Number) এবং SP (Spare বা Check Digit)। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফোন কোথায় তৈরি হয়েছে এবং তার আসলত্ব যাচাই করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) 15.

• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।
- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩.
Bluetooth কার্যকর হওয়ার জন্য কোন স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. IEEE 802.15
  2. IEEE 802.14
  3. IEEE 802.13
  4. IEEE 802.11
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
ব্যাখ্যা
• Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা প্রধানত মোবাইল, ল্যাপটপ, হেডফোনসহ বিভিন্ন ডিভাইসকে তারবিহীনভাবে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি কার্যকর হওয়ার জন্য IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে। এই স্ট্যান্ডার্ড মূলত Wireless Personal Area Network (WPAN) এর জন্য নির্ধারিত, যেখানে কম শক্তি ব্যবহার করে অল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়। IEEE 802.15 ব্লুটুথ ছাড়াও ZigBee-এর মতো প্রযুক্তি সমর্থন করে। অন্যদিকে, IEEE 802.11 ব্যবহৃত হয় Wi-Fi এর জন্য, IEEE 802.14 ব্যবহৃত হত কেবল মডেম প্রযুক্তির জন্য, আর IEEE 802.13 কোনো কার্যকর মান হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) IEEE 802.15

• PAN: personal area network .- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী বিভিন্ন ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে PAN বলে। এর পরিসীমা সাধারণত ১০ মিটার , ক্ষেত্রবিশেষে ২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। আইইইই ৮০২.১৫ দ্বারা PAN নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেমন- ব্লটুথ , প্রিন্টার ইত্যাদি।

• LAN: Local area network -সাধারণত 1Km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে LAN বলে ।এটি আইইইই ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত।

• MAN: Metropoliton Area network -  যখন একটি শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কিছু কম্পিউটার বা তাদের দ্বারা গঠিত LAN কে নিয়ে নেটওয়ার্ক কে MAN বলে ।  এর বিস্তৃতি ১০ কিলোমিটার ধরা হয়। 

• WAN: Wide Area Network - বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN  একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে তাই  Wide Area Network । যেমন - একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা স্থাপন করা।

তথ্যসূত্র : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
১৪.
কোনটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস নয়?
  1. Amazon S3
  2. Box
  3. iCloud
  4. Slack
সঠিক উত্তর:
Slack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Slack
ব্যাখ্যা
• চারটি অপশনের মধ্যে Slack ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস নয়। Amazon S3, Box, এবং iCloud মূলত ফাইল সংরক্ষণ, ব্যাকআপ, এবং শেয়ারিংয়ের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। Amazon S3 হল অ্যামাজনের ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম যা বড় বড় ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। Box একটি ব্যবসায়িক ক্লাউড স্টোরেজ সলিউশন যা দল এবং প্রতিষ্ঠানকে ফাইল শেয়ারিং ও সহযোগিতার সুযোগ দেয়। iCloud হলো অ্যাপলের ক্লাউড সার্ভিস, যা ফাইল, ছবি এবং অন্যান্য ডেটা বিভিন্ন অ্যাপল ডিভাইসের মধ্যে সিঙ্ক করতে সাহায্য করে। কিন্তু Slack মূলত একটি কমিউনিকেশন ও মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম, যা টিম চ্যাট এবং প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই Slack ক্লাউড স্টোরেজ নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা, 
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও 
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং 
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৫.
WiMAX কোন ধরনের নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত?
  1. MAN
  2. LAN
  3. PAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAN
ব্যাখ্যা
• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) মূলত একটি MAN (Metropolitan Area Network) প্রযুক্তি। এটি একটি শহর বা মহানগরের মধ্যে উচ্চ-গতির ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে সক্ষম। WiMAX ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ দূরত্বে ব্রডব্যান্ড সংযোগ পেতে পারে, যা LAN-এর সীমিত এলাকার সংযোগের চেয়ে অনেক বড় এবং PAN-এর ব্যক্তিগত ডিভাইস সংযোগের চেয়ে ব্যাপক। WAN-এর মতো, এটি বৈশ্বিক বা আন্তর্জাতিক স্কেলের জন্য নয়, বরং শহর বা বড় শহরের আকারের নেটওয়ার্ককে লক্ষ্য করে। সুতরাং, WiMAX MAN ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে, যা শহরভিত্তিক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সেবা প্রদান করে।

উত্তর: ক) MAN.

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) প্রযুক্তি হলো বর্তমান সময়ের সর্বাধুনিক উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রটোকল সার্ভিস, যা তারবিহীন ব্যবস্থায় ১০ থেকে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে। 
- ওয়াইম্যাক্স-এর পূর্ণ অর্থ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access. 
- এটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) প্রযুক্তি এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে। 
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে অনেক বেশি ব্যবহারকারী বহুদূর পর্যন্ত উচ্চগতিতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পেয়ে থাকে। 
- প্রত্যন্ত অঞ্চল যেখানে সাধারণত ব্রডব্যান্ড সেবার কথা কল্পনাও করা যায় না, সেখানেও বিনা তারে ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড সেবা দেয়া যায়। 
- বিশেষ করে উঁচু-নিচু-পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি। 
- Metropoliton Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়। 
- অনেক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক হওয়ায় অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় এটি ব্যয়বহুল এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।

• ওয়াইম্যাক্স পদ্ধতির প্রধানত দু'টি অংশ রয়েছে। যথা-
১. বেজ স্টেশন: ইনডোর ডিভাইস ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। বেজ স্টেশনগুলো একটি ওয়াইম্যাক্স হাবের সাথে যুক্ত থেকে নেটওয়ার্ক তৈরি করে এবং ইন্টারনেট সার্ভিস দেয়। প্রতিটি বেজ স্টেশনের কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. ওয়াইম্যাক্স রিসিভার: এর সঙ্গে একটি এন্টেনা থাকে এবং একে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। এটির ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্ক কভারেজ এরিয়া ১০-৬০ কি.মি. হয়ে থাকে। খুব অল্পসংখ্যক টাওয়ার স্থাপন করে বহু দূর পর্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেটে সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
১৬.
কোনটি ই-কমার্সের একটি সাধারণ ধরন হিসেবে পরিচিত?
  1. P2P, D2D, E2E
  2. H2H, S2S, B2C
  3. B2B, B2C, C2C, C2B
  4. C2C, B2B, T2T, P2P
সঠিক উত্তর:
B2B, B2C, C2C, C2B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B2B, B2C, C2C, C2B
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) B2B, B2C, C2C, C2B.
 
 • ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্সে বিভিন্ন ব্যবসায়িক মডেল রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ও স্বীকৃত ধরনগুলো হলো B2B, B2C, C2C, C2B। এখানে B2B (Business to Business) বোঝায় ব্যবসার মধ্যে পণ্য বা সেবা লেনদেন। B2C (Business to Consumer) মানে ব্যবসা সরাসরি ভোক্তাকে পণ্য বা সেবা সরবরাহ করে। C2C (Consumer to Consumer) হলো ভোক্তাদের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিক্রি বা বিনিময়, যেমন অনলাইন মার্কেটপ্লেস। C2B (Consumer to Business) ক্ষেত্রে ভোক্তারা ব্যবসার জন্য পণ্য, সেবা বা মতামত সরবরাহ করে। তাই সাধারণভাবে ই-কমার্সের প্রায় সব পরিচিত ধরনগুলো এই চারটি মডেলে বিভক্ত।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।