পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - (৪০ নম্বর): সত্তরের নির্বাচন, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা, কৃষিজ, খনিজ ও বনজ সম্পদ, শিল্প, বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, স্থাপত্য ও পুরাকীর্তি ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা

- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

.
মুজিবনগর সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ৬ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ৮ জন
  4. ঘ) ৯ জন
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুষ্টিয়া
  2. খ) মেহেরপুরে
  3. গ) চুয়াডাঙ্গায়
  4. ঘ) নবাবগঞ্জে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেনি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।

.
অপারেশন জ্যাকপট বলতে কী বুঝেন?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনীর অভিযান
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধে ক্র‍্যাক প্লাটুনের অভিযান
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অভিযান
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা পরিচালিত প্রথম অভিযান অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত।
- এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়।
- এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
- মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।

.
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে কি বলে?
  1. ক) Blackout
  2. খ) Strike
  3. গ) Walkout
  4. ঘ) Bailout
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে “ওয়াকআউট” (Walkout) বলে।
- সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসেন।
- সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার বলে স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সংসদে বিরোধী দলের ঘন ঘন ওয়াকআউটের নজির রয়েছে।

তথ্যসূত্র- জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।

.
জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব কী?
  1. ক) সংসদ আহ্বান করা
  2. খ) বিল পাস করা
  3. গ) শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  4. ঘ) স্পিকারের সাহায্য করা
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব হলো শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
- সংসদের হুইপকে ‘সচেতক’ বলা হয়।
- সরকারি ও বিরোধী উভয় দলেই একজন করে চীফ হুইপ থাকেন।
- তাঁদের সহায়তা করার জন্য আরও কয়েকজন হুইপ থাকেন।
- সরকারি ও বিরোধী দলের চীফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপদের পারস্পরিক সমঝোতা ও সুসম্পর্ক সংসদের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব -
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর উত্তম
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

তথ্যসূত্র- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
নদী ছাড়া ‘পদ্মা’ কী?
  1. ক) ধানের জাত
  2. খ) গমের জাত
  3. গ) তুলার জাত
  4. ঘ) তরমুজের জাত
ব্যাখ্যা

- পদ্মা ও মধুবালা (হলদে জাতের তরমুজ) উন্নত জাতের তরমুজ।
আরও কিছু উচ্চ ফলনশীল তরমুজের জাত হলো -
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র- কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

.
BRRI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

- BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র- Bangladesh Rice Research Institute ওয়েবসাইট।

১০.
বাংলাদেশে প্রথম কত সালে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৯৪
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রথম ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়।
- ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং
- ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১১.
নিচের কোনটি সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) গজারি
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) গরান
ব্যাখ্যা

- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ , নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
জাতীয় শহিদ মিনারের স্থাপতি-
  1. ক) মুঈনুল হোসেন
  2. খ) তানভীর কবির
  3. গ) হামিদুর রহমান
  4. ঘ) শামিম শিকদার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।

১৩.
লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে কার সমাধি অবস্থিত?
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) পরীবিবি
  3. গ) মীর মুরাদ
  4. ঘ) শাহ সুজা
ব্যাখ্যা

- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খানের কন্যা ইরান দুখত রহমত বানু বা পরীবিবির সমাধি অবস্থিত।
- পরীবিবি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র মুহাম্মদ আযমের স্ত্রী।
- সতের শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে সুবাদার মুহাম্মদ আযম লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- পরবর্তীতে শায়েস্তা খান এটির কাজ এগিয়ে নিলেও দুর্গটি পুরোপুরি নির্মাণ করা হয়নি।
- ১৬৮৪ সালে পরীবিরি মৃত্যু হলে এটিকে অপয়া হিসেবে বিবেচনা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
- এটি আওরঙ্গাবাদ দুর্গ নামেও পরিচিত।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।

১৪.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ক) ১৪ নভেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২৩ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
বাংলাদেশের স্থাপত্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন-
  1. ক) বৌদ্ধ স্তূপ
  2. খ) বজ্রযোগিনী
  3. গ) শালবন বিহার
  4. ঘ) ময়নামতি
ব্যাখ্যা

- বৌদ্ধ স্তুপ বাংলাদেশের স্থাপত্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন।
- ঢাকার আশ্রাফপুরে রাজা দেব খড়রের স্তুপটি বাংলার প্রাচীনতম স্তুপের নিদর্শন।
- ময়নামতি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি. মি. পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।

- এর পূর্ব নাম রোহিতগিরি ।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় বজ্রযোগিনী গ্রামটি অবস্থিত।
- অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের (৯৮০-১০৫৩) স্মৃতিবিজড়িত বজ্রযোগিনী গ্রাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর।