পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পরীক্ষা – ১ বৈশ্বিক ইতিহাস প্রাচীন যুগ প্রস্তর যুগ · ধাতুরযুগ, নৃগোষ্ঠী - ককেশীয়, মঙ্গোলীয়, নিগোয়েড ও অস্ট্রেলীয় । সভ্যতা, মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয় ও ক্যালডীয়) এবং মিশরীয় সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা ফিনিশীয় সভ্যতা, পারস্য সভ্যতা, হিব্রু সভ্যতা। প্রাচীন যুগ (বাকী অংশ) চৈনিক সভ্যতা, ইজিয়ান সভ্যতা, গ্রিক সভ্যতা, রোমান সভ্যতা। [Live Class - 1 & 2]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
‘মিশর নীল নদের দান’- এ কথাটি কে বলেছেন?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) হেরোডোটাস
  3. গ) পেরিক্লিস
  4. ঘ) সোলন
সঠিক উত্তর:
খ) হেরোডোটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে মিশরের নীল নদের উৎপত্তি। 
- এটি বিভিন্ন দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরে এসে পড়েছে। 
- ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস বলেছেন- মিশর হচ্ছে ‘নীল নদের দান’, এই নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো। 
- মিশরের অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিনির্ভর।
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল যা ‘নোম’ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
'হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো' কোন সভ্যতার অংশ?
  1. ক) রোমান
  2. খ) মিশরীয়
  3. গ) সিন্ধু
  4. ঘ) মেসোপটেমীয়
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা
- সিন্ধু সভ্যতার এলাকায় যেসব শহর আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো সবচেয়ে বড় শহর
- ঘরবাড়ি সবই পোড়ামাটি বা রোদে পোড়ানো ইট দিয়ে তৈরি।
- শহরগুলোর বাড়ি-ঘরের নকশা থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, সিন্ধু সভ্যতা যুগের অধিবাসীরা উন্নত নগরকেন্দ্রিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিল।
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর নগর পরিকল্পনা একই রকম ছিল। 
- নগরীর ভেতর দিয়ে চলে গেছে পাকা রাস্তা।
- প্রত্যেকটি বাড়িতে খোলা জায়গা, কূপ ও স্নানাগার ছিল। 
- জল নিষ্কাশনের জন্যে ছোট নর্দমাগুলোকে মূল নর্দমার সাথে সংযুক্ত করা হতো।
- পথের ধারে ছিল সারিবদ্ধ ল্যাম্পপোস্ট।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
'কিউনিফর্ম' কোন সভ্যতার একটি বিশেষ ধরনের লিপি?
  1. ক) মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  2. খ) চীনা সভ্যতা
  3. গ) রোমান সভ্যতা
  4. ঘ) মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ক) মেসোপটেমীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেসোপটেমীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরের উর্বর ভূমিতে মেসোপটেমীয় সভ্যতার জন্ম হয়েছিল।
- ‘মেসোপটেমিয়া' শব্দের অর্থ হচ্ছে দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- এই অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। যেমন- সুমেরীয় সভ্যতা, পুরাতন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, এশেরীয় সভ্যতা, ক্যালডীয় বা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা ইত্যাদি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হচ্ছে সুমেরীয় সভ্যতা। এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- মেসোপটেমিয়াতে একটি বিশেষ ধরনের লিপির উদ্ভব হয়। এর নাম কিউনিফর্ম
- মিশরের মতো পিরামিড তৈরি না হলেও চমৎকার ধর্মমন্দির তৈরি হয়েছিল। একে বলা হয় জিগুরাত।
- মেসোপটেমিয়ার সবকটি সভ্যতাই নানা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছিল। এর মধ্যে পুরাতন ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রণীত আইন সংকলন ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
- এশেরীয়রা যুদ্ধবিদ্যায় ছিল খুবই পারদর্শী।
- নতুন ব্যাবিলন নগরটি ছিল ৫৬ মাইল দীর্ঘ দেয়াল দিয়ে ঘেরা। সম্পূর্ণ দেয়ালের উপর বাগান করা হয়েছিল।
- ইতিহাসে তা ব্যাবিলনের শূন্যউদ্যান নামে পরিচিত।
- এছাড়াও দালানকোঠা নির্মাণ, মূর্তি তৈরি, বিজ্ঞান চর্চা ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
.
পারস্যের ধর্ম প্রচারক কে?
  1. ক) গৌতম বুদ্ধ
  2. খ) আইড্রো
  3. গ) মহাবীর
  4. ঘ) জরাস্ট্রার
সঠিক উত্তর:
ঘ) জরাস্ট্রার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জরাস্ট্রার
ব্যাখ্যা
পারসীয় সভ্যতা
- আজকের ইরান দেশটিকে প্রাচীনকালে পারস্য বলা হতো।
- খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে পারসীয়রা একটি সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এই সভ্যতা বিকাশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিলেন সম্রাট প্রথম দারিয়ুস।
- তিনি বিভিন্ন দেশ জয় করে পারসীয় রাজ্যকে সাম্রাজ্যে পরিণত করেছিলেন।
- সভ্যতার ইতিহাসে পারসীয়দের দুইটি বড় অবদান রয়েছে- একটি সাম্রাজ্য পরিচালনায় দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো, অন্যটি বিশেষ ধর্মীয় কাঠামো।
- বিশাল সাম্রাজ্য ঠিকমতো পরিচালনার জন্য দারিয়ুস গোটা সাম্রাজ্যকে ২১টি প্রদেশে ভাগ করেছিলেন।
- প্রতি প্রদেশের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য তৈরি করেছিলেন সড়ক।
- তিনি ডাক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এতে দ্রুত ঘোড়া ছুটিয়ে ডাক বিভাগের লোকেরা সকল প্রদেশের খবর রাজধানীতে পৌঁছাতে পারত।
- পারস্য সভ্যতায় চমৎকার স্থাপত্য ও মূর্তি তৈরি হয়েছিল।
- সর্বপ্রথম ব্যাপকভাবে একেশ্বরবাদী ধর্ম প্রচার করেছিলেন পারস্যের ধর্ম প্রচারক জরাস্ট্রার
- পারসীয়দের প্রশাসন পরিচালনার ধারণা পরবর্তী সময়ে বিশ্বের অনেক দেশই গ্রহণ করে।
- তাদের ধর্ম প্রভাব ফেলে বিশ্বের অনেক ধর্মের উপর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
.
প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে কোথায়?
  1. ক) রোমে
  2. খ) চীনে
  3. গ) গ্রিসে
  4. ঘ) পারস্যে
সঠিক উত্তর:
খ) চীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীনে
ব্যাখ্যা
চীনের আদি মানুষ:
- ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে চীনে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে
- চিনের রাজধানী পিকিং-এর (বর্তমান বেইজিং) কাছে এই খুলি পাওয়া যায়।
- এরাই চিনের আদিম মানুষ; যাদেরকে ‘পিকিং মানুষ' বলা হয়।
- এ থেকে ধারণা করা হয় যে নবোপলীয় যুগ বা নতুন পাথরের যুগে চীনে মানুষের বসবাস ছিল।
- চিনের আদিবাসিরা হোয়াং-হো ও ইয়াংসি নদীর দুই পাড়েই বাস করত। 
- এদের এক অংশ চাষাবাদ করতো, অপর অংশটি যাযাবর জীবনে অভ্যস্ত ছিল।
- যে অংশটি নদীর তীরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে তারা ঘরবাড়ি তৈরি করে ধীরে ধীরে সভ্য জাতিতে পরিণত হতে থাকে।
- এই সভ্যতার স্রষ্টাদের রেশমের কাপড়, চাকাযুক্ত গাড়ি, মাটির তৈরি জিনিসপত্র, তামা ও ব্রোঞ্জের অস্ত্র-শস্ত্র তৈরি করার বিদ্যা জানা ছিল।
- তারা কৃষি কাজের জন্য লাঙ্গল ব্যবহার করত।
- কৃষি জমিতে পানি সেচের জন্য তারা খাল কেটে নদী থেকে জমিতে পানি সরবরাহ করত।
- চীনের আদি মানুষরা নগর নির্মাণ করে উঁচু দেয়াল দিয়ে তাকে সুরক্ষিত রাখত, যাতে যাযাবরদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- এরা এক ধরণের দিনপঞ্জি বা ক্যালেন্ডারও তৈরি করেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হিব্রু জাতি কাকে আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত?
  1. ক) উরিয়া
  2. খ) জেকব
  3. গ) ওসিরিয়
  4. ঘ) জেহোভা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেহোভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেহোভা
ব্যাখ্যা
হিব্রু ধর্ম:
- তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) হিব্রু ধর্মের (ইহুদী জাতির) প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
- মুসা (আ:) এর নেতৃত্বে তারা একেশ্বরবাদের প্রতীক হিসেবে যেহোভার আরাধনায় আকৃষ্ট হয়।
- মুসা (আ:) এর মৃত্যুর পর হিব্রু ধর্ম কুসংস্কারে পতিত হয়।
- নিরাকার আল্লাহর স্থলে জেহোভাকে তারা আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৬ অব্দে পারস্যের হাতে জেরুজালেমের পতন ঘটলে হিব্রুরা পারস্যের অধীনস্থ হয়ে পড়ে।
- দীর্ঘদিন বন্দীদশায় থাকার পর এক পর্যায়ে হিব্রুদের মধ্যে নব চেতনার উদ্ভব হয়।
- এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
নব্য প্রস্তর যুগের সূচনা হয় কোথায়?
  1. ক) গ্রিসে
  2. খ) রোমে
  3. গ) ইংল্যান্ডে
  4. ঘ) ইতালিতে
সঠিক উত্তর:
গ) ইংল্যান্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইংল্যান্ডে
ব্যাখ্যা
নব্য প্রস্তর যুগ:
- ‘নব্যপ্রস্তর’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি Neolithic প্রতিশব্দ থেকে।
- গ্রিক শব্দ Neo (নব > নতুন) এবং Lithos (পাথর) এর সমন্বয়ে Neolithic শব্দটির উদ্ভব।
- বিখ্যাত ইংরেজ প্রত্নতত্ত্ববিদ Sir John Lubbock ১৮৬৫ সালে প্রথম Neolithic শব্দটি ব্যবহার করেন।
- আনুমানিক ৮০০০-৩৫০০ খ্রিস্টপূর্ব অব্দের মধ্যে ও নিকট প্রাচ্যে নব্য প্রস্তরযুগের প্রথম বিকাশ ঘটে।
- অতঃপর ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল এবং অবশেষে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে ইংল্যান্ডে এ যুগের সূচনা হয়
- সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতির ইতিহাসে নব্য প্রস্তরযুগ একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।
- বিখ্যাত ইংরেজ ঐতিহাসিক গর্ডন চাইল্ড (Gordon Childe) খাদ্য-আহরণ পর্যায় থেকে খাদ্য উৎপাদনের জন্য কৃষিকাজে উত্তরণকে নব্য প্রস্তরযুগের বিপ্লব হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবন হয় কোন সভ্যতায়?
  1. ক) চৈনিক সভ্যতায়
  2. খ) সিন্ধু সভ্যতায়
  3. গ) হিব্রু সভ্যতায়
  4. ঘ) পারস্য সভ্যতায়
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু সভ্যতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতার পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
.
গ্রিক সভ্যতায় দেবতাদের রাজা কে ছিলেন?
  1. ক) জিউস
  2. খ) এথেনা
  3. গ) অ্যাপোলো
  4. ঘ) পোসিডন
সঠিক উত্তর:
ক) জিউস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিউস
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতার ধর্ম:
- গ্রিকদের বারোটি দেব-দেবী ছিল। 
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির পূজা ছাড়াও তারা বীরযোদ্ধাদের পূজা করত। 
- জিউস ছিল দেবতাদের রাজা
- অ্যাপোলো ছিলেন সূর্য দেবতা, পোসিডন ছিলেন সাগরের দেবতা এবং এথেনা ছিলেন জ্ঞানের দেবী।
- বারোজনের মধ্যে এই চারজন ছিলেন শ্রেষ্ঠ। 
- রাষ্ট্রের নির্দেশে পুরোহিতরা ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতেন। 
- ডেলোস দ্বীপে অবস্থিত ডেলফির মন্দিরে বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের মানুষ সমবেত হয়ে এক সঙ্গে অ্যাপোলো দেবতার পূজা করত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১০.
কোন নরগোষ্ঠীর চুলের রং বাদামী বা সোনালী ধরনের?
  1. ক) অস্ট্রেলীয়
  2. খ) ককেশীয়
  3. গ) নিগ্রীয়
  4. ঘ) মঙ্গোলীয়
সঠিক উত্তর:
খ) ককেশীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ককেশীয়
ব্যাখ্যা
ককেশীয় বা শ্বেতকায়:
- ককেশীয়দের মাথা প্রধানত লম্বাকৃতির হয়।
- এদের মুখ সরু বা লম্বাকৃতির, নাক প্রধানত খাড়া, চিকন, লম্বা ও সরু, চোখের রং হালকা থেকে কালো বাদামি, ঠোঁট পাতলা ধরনের এবং কান মাঝারি গোছের।
- এদের গায়ের রং প্রধানত সাদা বা লালচে সাদা।
- ককেশীয়দের চুলের রং বাদামি বা সোনালি এবং এরা দীর্ঘ দেহের অধিকারী। 

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু কোনটি?
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) ব্রোঞ্জ
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
ক) তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তামা
ব্যাখ্যা
 তাম্রযুগ
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দের শেষদিকে ইউরোপে এবং নিকট প্রাচ্যে তাম্র যুগের সূচনা ঘটে।
- তাম্রযুগে প্রবেশের মধ্য দিয়ে নগরসভ্যতার সূচনা হয়।
- তবে তাম্রযুগে পাথরের ব্যবহারও চলমান ছিল।
- তামার ব্যবহার ছিল সভ্যতার নতুন সংযোজন। 
- এ অবস্থাকে তাম্রপলীয় যুগ নামে আখ্যায়িত করা হয়।
- মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু হল তামা
- প্রাচীন মিশর, সিরিয়া ও অ্যাসিরিয়ার অধিবাসীরা ব্যাপকভাবে তামার ব্যবহার জানত। 
- বস্তুত সুমেরের নগরসভ্যতার গোড়াপত্তন হয়েছিল তামা ব্যবহারের মধ্যদিয়ে।
- তবে তামার দুষ্প্রাপ্যতা এবং এর কিছুকাল পর ব্রোঞ্জযুগের আগমনে তাম্রযুগ দীর্ঘায়িত হয়নি।
- পাথরের স্থলে তামার হাতিয়ার ও তৈজসপত্রের ব্যবহারের কারণে শ্রমের উৎপাদনশক্তি বৃদ্ধি পায়।
- প্রাচীন মিশরের পিরামিড যুগের সভ্যতা ও সিন্ধুসভ্যতা তাম্র ও ব্রোঞ্জযুগের সভ্যতা।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে কোন নরগোষ্ঠী থেকে?
  1. ক) মঙ্গোলীয়
  2. খ) দ্রাবিড়
  3. গ) অস্ট্রিক
  4. ঘ) ককেশীয়
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
- বাঙালি জাতিকে সংকর জাতি বলা হলেও এর প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে আদি অষ্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতিধারা থেকে
- ইন্দোচীন থেকে অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালির রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে যা এখনো চলমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস : নিহারঞ্জন রায়।
১৩.
নিগ্রো জনগোষ্ঠীর লোকেরা সাধারণত কোন ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) লম্বাকৃতি
  2. খ) মাঝারি
  3. গ) খর্বাকৃতি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
নিগ্রীয় বা কৃষ্ণকায়:
- নিগ্রোদের মাথা সাধারণত লম্বাকৃতির, তবে কারো কারো মাথা চওড়া।
- এদের মুখাকৃতি ককেশীয়দের মতো অতটা লম্বা বা সরু নয়।
- এদের নাক মোটা ও মাংসল।
- এদের গায়ের রং ঘোর কৃষ্ণবর্ণের হয়ে থাকে।
- নিগ্রোদের ঠোঁট মোটা ও পুরু, চোখের রং কালো, কান ছোট ও প্রশস্ত।
- এদের চুলের রং কালো ও চুল কোঁকড়ানো হয়ে থাকে। 
- নিগ্রো জনগোষ্ঠীর লোকেরা লম্বাকৃতি, মাঝারি এবং খর্বাকৃতি ধরনের হয়ে থাকে

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
১৪.
প্রথম লোহা আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. ক) প্রাচীন গ্রিসে
  2. খ) এশিয়া মাইনরে
  3. গ) ইতালিতে
  4. ঘ) মিশরে
সঠিক উত্তর:
খ) এশিয়া মাইনরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এশিয়া মাইনরে
ব্যাখ্যা
লৌহযুগ:
- লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ব্রোঞ্জযুগের একচেটিয়া অধিকার ও কর্তৃত্ব হ্রাস পেয়েছিল।
- ব্রোঞ্জ ছিল দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান ধাতু। এর ব্যবহার মূলত অভিজাত শ্রেণির হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। 
- সহজ লভ্য ও দামে সস্তা হওয়ায় লোহার ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- সাধারণ মানুষও তাদের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে লৌহ নির্মিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শুরু করে।
- এভাবেই লৌহযুগ নামে নতুন এক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটে।
- এশিয়া মাইনরে হিট্টাইটরা (Hittites) প্রথম লোহার আবিষ্কার ও এর ব্যবহার শুরু করে
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হয়।
- লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহার সভ্যতার সামাজিক ভিত্তিকে অনেক মজবুত এবং এর পরিধিকে আরও প্রসারিত করে।
- লৌহযুগে বর্ণমালাভিত্তিক লিখন পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়।
- ব্যবসাবাণিজ্য ও মুদ্রা-অর্থনীতি ব্যাপকতা লাভ করে।
- জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার ফলে যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হয়। 
- লৌহযুগে শিল্প, বাণিজ্য, নগরায়ন প্রভৃতিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- লৌহযুগে গ্রিসে এক উন্নত গণতান্ত্রিক নগরসভ্যতার বিকাশ ঘটে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৫.
কোন নরগোষ্ঠীর চোখের পাতায় একটি নৃতাত্ত্বিক ভাঁজ থাকে?
  1. ক) নিগ্রীয়
  2. খ) অস্ট্রেলীয়
  3. গ) মঙ্গোলীয়
  4. ঘ) ককেশীয়
সঠিক উত্তর:
গ) মঙ্গোলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মঙ্গোলীয়
ব্যাখ্যা
মঙ্গোলীয় বা বাদামি:
- মঙ্গোলীয়দের মাথার আকৃতি প্রধানত চওড়া এবং গোল।
- এদের মুখাকৃতি চওড়া ও খর্বাকৃতির, নাক মোটা এবং চ্যাপটা।
- এদের গায়ের রং বাদামি বা হলুদ ধরনের, ঠোঁট মাঝারি ধরনের, চোখ কালো বাদামি।
- একমাত্র মঙ্গোলীয়দের চোখের পাতায় একটি ভাঁজ থাকে যাকে এপিক্যানথিক ফোল্ড বা নৃতাত্ত্বিক ভাঁজ বলে
- মঙ্গোলীয়রা উচ্চতায় মাঝারি এবং তাদের শারীরিক গঠন খুব সুঠাম ও শক্তিশালী।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
১৬.
'ইনিড’ মহাকাব্য কে রচনা করেছেন?
  1. ক) ওভিদ
  2. খ) লিভি
  3. গ) অগাস্টাস সিজার
  4. ঘ) ভার্জিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভার্জিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভার্জিল
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- রোম যুগে সাহিত্যে অবদানের জন্য প্লুটাস ও টেরেন্সর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এরা দু'জন মিলনাত্মক নাটক রচনার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। 
- সাহিত্য ক্ষেত্রে সবচেয়ে উন্নতি দেখা যায় অগাস্টাস সিজারের সময়। 
- এ যুগের কবি হোরাস ও ভার্জিল যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। 
- ভার্জিলের মহাকাব্য “ইনিড’ বহু ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে
- ওভিদ ও লিভি এ যুগের খ্যাতনামা কবি। 
- লিভি ইতিহাসবিদ হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। 
- বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্যাসিটাসও এ যুগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
১৭.
সৌর পঞ্জিকা কোন সভ্যতার আবিষ্কার?
  1. ক) সিন্ধু সভ্যতা
  2. খ) রোমান সভ্যতা
  3. গ) মিশরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) গ্রিক সভ্যতা 
সঠিক উত্তর:
গ) মিশরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্য, পানি প্রবাহের মাপ, জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অঙ্কশাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ।
- মিশরীয়রা অঙ্কশাস্ত্রের দুইটি শাখা জ্যামিতি ও পাটিগণিতের প্রচলন করেন।
- তারা যোগ, বিয়োগ ও ভাগেরও ব্যবহার করতে পারত। 
- মিশরীয়রা ৪২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করেন এবং ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসেবও তাদের আবিষ্কার।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্যঘড়ি, ছায়াঘড়ি ও জলঘড়ি আবিষ্কার করে। 
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল।
- তারা পরলোক বিশ্বাস করত এবং ফারাওরা পরবর্তী জন্মেও রাজা হবেন এই বিশ্বাস তাদের ছিল।
- তাই তারা ফারাওদের দেহ তাজা রাখার পদ্ধতি আবিষ্কার করে  ও মমি তৈরি শুরু করে। 
- মিশরীয় বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় মৃতদেহ পচন থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হন।
- তারা দর্শন ও সাহিত্যচর্চা করত এবং তাদের রচনায় কোন দুঃখ-হতাশার প্রকাশ ছিল না।
- চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল।
- তারা চোখ, দাঁত ও পেটের রোগ নির্ণয় করতে জানত এবং হাড় জোড়া লাগানো, হৃৎপিণ্ডের গতি এবং নাডির স্পন্দন নির্ণয় করতে পারত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।