পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। ২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ। ------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক কে?
  1. হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
  2. জেনারেল জিয়াউর রহমান
  3. সাত্তার খান
  4. মোহাম্মদ উল্ল্যা
সঠিক উত্তর:
হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ।

উপজেলা ব্যবস্থা:
- উপজেলা পরিষদ  জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকার (১৯৮২-১৯৯০) কর্তৃক সংস্কার ও পুনর্গঠন কমিটির সুপারিশমালা থেকে উপজেলা পরিষদের ঐতিহাসিক পটভূমি রচিত।
- ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হওয়ার পর বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়।
- উপজেলা প্রশাসন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক নির্মাণ, এবং সরকারি অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- ইউএনও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক কার্যক্রম, এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ শাসন ব্যবস্থার ধরণ সংসদীয়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্র মর্যাদার অধিকারী: রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
”আলোকিত মানুষ চাই” কিসের স্লোগান?
  1. জাতীয় নাগরিক কমিটি
  2. নজরুল ইনস্টিটিউট
  3. বেঙ্গল ফাউন্ডেশন
  4. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• “আলোকিত মানুষ চাই” বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৮ সালে।
- এর কার্যালয়: বাংলা মোটর। 
- এটির প্রতিষ্ঠাতা: আব্দুলা আবু সায়ীদ।
- ধরন: সামাজিক সংগঠন।
- এর লক্ষ্য: কিশোর ও যুব সমাজকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- নজরুল ইনস্টিটিউট: সংগীত  ও সাহিত্য কর্মে উৎসাহিত করা।
- বেঙ্গল ফাউন্ডেশন: উচ্চাঙ্গ সংগীতের আয়োজক।
- জাতীয় নাগরিক কমিটি: বর্তমান নতুন একটি রাজনৈতিক দল।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র।
.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটে-
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলের শুরু থেকে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার বিতর্ক শুরু হয়।
- ১৭৯৩ সালে প্রণীত রেগুলেশন ৩-এর মাধ্যমে গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস কালেক্টরের বিচার করার ক্ষমতা রহিত করেন।
- এর ফলে দেওয়ানি আদালতের বিচারক জজ-ম্যাজিস্ট্রেট নামে অভিহিত হন।
- জেলা পর্যায়ে এ দুই বিভাগকে পৃথকীকরণের বিষয়টি ১৮২৮ সাল পর্যন্ত বহুল বিতর্কিত ছিল।
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত চলমান বিতর্কের অবসান ঘটে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর।
- মাজদার হোসেন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায়ের মাধ্যমে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠািতা কে?
  1. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. সিরাজুল ইসলাম
  4. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
স্যার উইলিয়াম জোন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার উইলিয়াম জোন্স
ব্যাখ্যা
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠািতা স্যার উইলিয়াম জোন্স।
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নাম করণ করা হয়: ১৯৭২ সালে।
- কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জানুয়ারি ১৭৮৪ সালে।
- ভারত ভাগের পর “এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান”  প্রতিষ্ঠাতা করা হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৫২।
- বাংলাদেশ এশিয়া সোসাইটি বাংলাপিডিয়া  নামে এনসাইক্লোপেডিয়া বের করে: ২০০৩ সালে।
- বাংলাপিডিয়া সম্পাদনা করেন: ড. সিরাজুল ইসলাম।
- এর লক্ষ্য: এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা।

উল্লেখ্য,
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সম্পাদক: ড. আহমদ হাসান দানী।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সভাপতি: আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বর্তমান সভাপতি: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

উৎস: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।
.
নজরুল ইনস্টিটিউট কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়
  3. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
নজরুল ইনস্টিটিউট সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অধীন।
নজরুল ইনস্টিটিউট:
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারি।
- এর সদর দপ্তর: ঢাকার ধানমন্ডির কবি ভবনে।

উদ্দেশ্য
- সংগীত ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম দেশ ও বিদেশ হতে সংগ্রহ,
- সংকলন, সংরক্ষণ এবং প্রকাশ করা।
- সকল সাহিত্যকর্ম অনুশীলনে উৎসাহিত করা।
- সাহিত্যকর্মের উপর গবেষণা, প্রকাশনা এবং প্রচারণার ব্যবস্থা গ্রহণ।
- সাহিত্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে কবির অবদান সম্পর্কে সম্মেলন।
- সংগীত ও সাহিত্য সম্পর্কিত পুস্তক রেকর্ড।
- টেপ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য লাইব্রেরি, আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: নজরুল ইনস্টিটিউট।
.
’লালবাগ দুর্গের’ অভ্যন্তরে অবস্থিত কার মাজার রয়েছে?
  1. পরী বানু
  2. পরি বিবি
  3. জিনাত মহল
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
পরি বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরি বিবি
ব্যাখ্যা
লালবাগ দুর্গ পরি বিবির মাজার।
লালবাগ কেল্লা:
- এটি ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- সম্রাট আজম শাহ চলে যাওয়ার পর দুর্গ নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ পুনরায় লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন কাজ থেমে যাওয়ার প্রায় এক বছর পরে।
- এটি  শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা পরীবিবির সমাধি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
ঢাকার “ছোট কাটরা” নির্মাণ করেন-
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. সুবেদার ইসলাম খান
  3. শাহ সুজা
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
ঢাকার ছোট কাটরা নির্মাণ করেন শায়েস্তা খান।

ছোট কাটরা:
- ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত।
- আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- এবং  ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল।
- এটির অবস্থান বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
- ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট।
- এবং এ কারণেই এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা।
- ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল।
- ছোট কাটরার সাথে বিবি চম্পার স্মৃতিসৌধ অবস্থিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বড় কাটরা নির্মাণ করেন  শাহ সুজা।
- সুবেদার ইসলাম খান বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ নবাব।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার ১৪শ শতাব্দীর মুসলিম ধর্ম প্রচারক।
- তিনি পুণ্ড্রবর্ধন এবং সন্দ্বীপ ইসলাম প্রচার করেছিলেন।
- কথিত আছে মাছের পিঠে আরোহণ করে তিনি বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন।
- তাই তাকে মাহী সওয়ার বলা হয়।
- পুত্র মানত করে গরু কোরবানি দেয়াড় অপরাধে রাজা পরশুরাম তার বলির আদেশ দেন ।
- এবং তাকে সাহায্য করতেই মাহী সওয়ারের আগমন ঘটে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনকে শিল্পাচার্য উপাধি দেয়-
  1. কলকাতা আর্ট কলেজ
  2. ঢাকা আর্ট কলেজ
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
ঢাকা আর্ট কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা আর্ট কলেজ
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে ‘ শিল্পাচার্য’ উপাধি পান।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী।
- জন্মগ্রহণ: ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার কেন্দুয়ায়।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলে পড়েন।
- তাঁর প্রচেষ্টায়  সোনারগাঁয় লোকশিল্প জাদুঘর ও ময়মনসিংহে জয়নুল সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠিত হয়। 

তাঁর চিত্রকর্মের মধ্যে অন্যতম:
নৌকা , সংগ্রাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাডোনা
- তাঁর দীর্ঘ দুটি স্ক্রল ’নবান্ন’ এবং ‘মনপুরা-৭০’ প্রশংসিত দুটি শিল্পকর্ম।
- ১৯৩৮ সালে চিত্র প্রদর্শনীতে তিনি নিখিল ভারত স্বর্ণপদক লাভ করেন।

এছাড়াও,
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে জাতীয় অধ্যাপকের সম্মান লাভ করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় মারা যান।

উৎস: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প  ফাউন্ডেশন।
১০.
ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ কত শতকে নির্মিত হয়? 
  1. পনেরো শতকে
  2. সতেরো শতকে
  3. চোদ্দ শতকে
  4. ষোল শতকে
সঠিক উত্তর:
পনেরো শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পনেরো শতকে
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ পনেরো শতকে নির্মিত হয়।

• ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটি।;
- বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১.
রামসাগর কার কীর্তি?
  1. ধর্মপাল
  2. গোপাল
  3. রামনাথ
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
রামনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামনাথ
ব্যাখ্যা
• রামসাগর কার রামনাথের কীর্তি।
• রামসাগর: 
- অবস্থান: দিনাজপুরে।
- বিখ্যাত রাজা রামনাথ, আলীবর্দী খানের সময়ে ১৭৫০থেকে ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দীঘিটি খনন করেন। 
- আয়তন মোট ১৪৭ একর।
- রামসাগরের গভীরতা প্রায় ৩০ ফুট।
- এই সুগভীর দীঘির জল কোনদিনই শুকায় না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
সার্ক ফোয়ারার ভাস্কর কে?
  1. মৃণাল হক
  2. হামিদুর রহমান
  3. নিতুন কুণ্ডু
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা
• সার্ক ফোয়ারার:
- সার্ক ফোয়ারা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি ফোয়ারা।
- এটি প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলের সামনে অবস্থিত।
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংস্থা বা সার্কের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ১৯৯৩ সালে এটি নির্মিত হয়।
- এটির নকশাকারী হলেন নিতুন কুণ্ডু।
- সপ্তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে হোটেল সোনারগাঁও-র মোড়ে নির্মিত করা হয় দৃষ্টি নন্দন সার্ক ফোয়ারা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১৩.
লালন শাহ ছিলেন একজন -
  1. গীতি কবি
  2. লোক কবি
  3. মরমি কবি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মরমি কবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরমি কবি
ব্যাখ্যা
লালন শাহ ছিলেন একজন মরমি কবি।
• লালন শাহ:
- লালন শাহ  বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক  ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না
- কিন্তু নিজ সাধনা বলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন।
- আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন।
- তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।