পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮০
সিলেবাস
Full model test - 5
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮০ প্রশ্ন

.
উচ্চারণ স্থান অনুসারে 'র' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. কণ্ঠ্য
  2. তালব্য
  3. দন্তমূলীয়
  4. মূর্ধন্য
সঠিক উত্তর:
দন্তমূলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দন্তমূলীয়
ব্যাখ্যা

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
নিচের কোন শব্দটিতে ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. আপণ
  2. বিপণি
  3. পিণ্ডারি
  4. নিপুণ
সঠিক উত্তর:
পিণ্ডারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিণ্ডারি
ব্যাখ্যা

• তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে- পিণ্ডারি শব্দে।
• 'পিণ্ডারি' শব্দটির সঠিক বানান - পিন্ডারি।
• 'পিন্ডারি' অর্থ- মহারাষ্ট্রীয় অশ্বারোহী দস্যুদল, বর্গি।
'পিন্ডারি' মারাঠি শব্দ। বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।

অন্যদিকে,
----------------
• আপণ-

→ আপণ একটি পুরনো তদ্ভব শব্দ, যার অর্থ: নিজের মালিকানাধীন বা দোকান।
→ যদিও অনেকেই আপন ভাবেন, আসলে আপণ বানানটিও অভিধানসম্মতভাবে স্বীকৃত।
→ উদাহরণ: “আপণ প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত।”

• বিপণি-
→ শুদ্ধ বানান: বিপণি (অর্থ: দোকান)
→ ‘ণ’ ব্যবহারে ভুল নেই।

• নিপুণ-
→ শুদ্ধ বানান: নিপুণ (অর্থ: দক্ষ/কুশলী)
→ সঠিক প্রয়োগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'অর্থবছর' এর ব্যাসবাক্য-
  1. অর্থ ও বছর
  2. অর্থের বছর
  3. অর্থ রূপ বছর
  4. অর্থ হিসাবের বছর
সঠিক উত্তর:
অর্থ হিসাবের বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ হিসাবের বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - ঘ) অর্থ হিসাবের বছর।

ব্যাখ্যা:
'অর্থবছর' একটি কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্য হলো "অর্থ হিসাবের বছর"।

'অর্থবছর' এর প্রকৃত অর্থ: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক হিসাব-নিকাশের জন্য নির্ধারিত ১২ মাসের সময়কাল, যা সাধারণত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হয়ে থাকে।

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

.
'যথার্থ' শব্দটি সন্ধি-বিচ্ছেদর কোন নিয়মে হয়েছে?
  1. স্বরসন্ধির
  2. ব্যঞ্জনসন্ধির
  3. বিসর্গসন্ধির
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরসন্ধির
ব্যাখ্যা

• 'যথার্থ' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = যথা + অর্থ।
- এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম:
- আ + অ = আ; সূত্র যোগে গঠিত শব্দ।

এরূপ আরও কিছু শব্দ,
- আশা + অতীত = আশাতীত,
- কথা + অমৃত = কথামৃত,
- মহা + অর্ঘ = মহার্ঘ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড.হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কালকেতু উপাখ্যানের কবি কে?
  1. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ
  4. বিজয় গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

• কালকেতু উপাখ্যান মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর "চণ্ডীমঙ্গল" কাব্যের একটি অংশ।

• চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:

- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।

• ‘কালকেতু উপাখ্যানে’ ফুল্লরার উদ্দেশ্যে কালকেতু বলেছে:
শাশুড়ি ননদি নাহি নাহি তোর সতা।
কার সঙ্গে দ্বন্দ্ব করি চক্ষু কৈলি রাতা।।

• চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া; (‘কালকেতু উপাখ্যান’: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী)।

.
'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. শিক্ষানবিস
  2. মুনাফাখোর
  3. প্রতারণা
  4. কার্যক্রম-সমন্বয়ক
সঠিক উত্তর:
মুনাফাখোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনাফাখোর
ব্যাখ্যা

• 'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা - মুনাফাখোর।

অন্যদিকে,
• 'Apprentice' এর বাংলা পরিভাষা- 'শিক্ষানবিস'।
• 'Deceit' এর বাংলা পরিভাষা- 'প্রতারণা'।
• ‘Programme co-ordinator’ শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'কার্যক্রম সমন্বয়ক'।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

.
"ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো।" বাক্যটি কোন কারণে অশুদ্ধ?
  1. বানান ভুল আছে
  2. প্রত্যয়সাধিত শব্দের ভুল প্রয়োগ
  3. প্রবাদের বিকৃতি
  4. বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ ঘটেছে
সঠিক উত্তর:
প্রবাদের বিকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাদের বিকৃতি
ব্যাখ্যা

• "ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো" বাক্যটি অশুদ্ধ কারণ এটি একটি প্রচলিত প্রবাদের বিকৃত রূপ।

সঠিক প্রবাদ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো"।

প্রবাদের অর্থ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো" মানে নিজের ঘরে খাওয়া-দাওয়া করে অন্যের (বনের) কাজ করা - অর্থাৎ কৃতজ্ঞতা না দেখিয়ে অন্যের পক্ষে কাজ করা।

অশুদ্ধতার ধরন:
প্রাচীন প্রবাদের প্রচলিত রূপে পরিবর্তন ঘটিয়ে ভুল শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে অশুদ্ধি ঘটে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

.
'বন্দর' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তৎসম
  2. আরবি
  3. মারাঠি
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা

• 'বন্দর':
- শব্দটি ফারসি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- সমুদ্র বা নদীর তীরবর্তী স্থান যেখানে নৌযানে পণ্য বোঝাই বা খালাস করা হয়।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. স্পৃহা
  2. বাঞ্ছা
  3. বাসনা
  4. আহ্লাদ
সঠিক উত্তর:
আহ্লাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহ্লাদ
ব্যাখ্যা

• ‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ:
- আকাঙ্ক্ষা, আশা, ইচ্ছা, প্রার্থনা, চাওয়া, স্পৃহা, অভিপ্রায়, সাধ, অভিরুচি, প্রবৃত্তি, মনোরথ, ঈপ্সা, অভীপ্সা, বাসনা, কামনা, বাঞ্ছা

অন্যদিকে,
‘আনন্দ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১০.
মুসলমান নারী কর্তৃক লিখিত বাংলা সাহিত্যকর্ম ‘রূপজালাল’–এর লেখক–
  1. বেগম রোকেয়া
  2. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
  3. রহিমুন্নিসা
  4. শামসুর নাহার
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• 'রূপজালাল' এর পরিচিতি:
- গদ্যে-পদ্যে নবাব ফয়জুন্নেসা রচিত রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা।
- এতে তাঁর বিড়ম্বিত দাম্পত্য জীবনের করুণ কাহিনি স্থান পেয়েছে।
- এটি ১৮৭৬ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি সম্ভবত বাংলার একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক প্রথম রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম।
- ফয়জুন্নেসার নিজের একটি লাইব্রেরি ছিল। সেখানে তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও ধর্মবিষয়ক গ্রন্থাদি পাঠ করতেন। তাঁর স্বোপার্জিত জ্ঞানের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উক্ত প্রতীকাশ্রয়ী গ্রন্থটিতে।
- পুথি ও জারিগানের মিশ্র ধারায় লিখিত এ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে আল্লাহর প্রশংসা এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
- সমকালীন বাংলায় মুসলমানদের সাহিত্যচর্চার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ফয়জুন্নেসা তাঁর লেখায় অনেক আরবি, ফার্সি ও উর্দু শব্দ ব্যবহার করেছেন।

------------------
নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী:
- নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই তিনি শিক্ষালাভ করেন। মুসলমানদের কঠিন পর্দাপ্রথার মধ্যে থেকেও ফয়জুন্নেসা আরবি, ফারসি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।

- নবাব ফয়জুন্নেসা আলোচিত আত্মজীবনীমূলক রচনা রূপজালাল।
- এছাড়া সঙ্গীতসার ও সঙ্গীতলহরী নামে তাঁর দুখানি কাব্যের কথাও জানা যায়। উল্লেখ্য যে, নবাব ফয়জুন্নেসা এমন এক সময়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা করেন যখন অভিজাত মুসলমানদের মধ্যে এই ভাষা সাধারণত ব্যবহৃত হতো না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১.
'গন্তব্য' এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ গম্‌ + অব্য
  2. √ গন্‌ + তব্য
  3. √ গম্ + তব্য
  4. √ গন্ত + অ
সঠিক উত্তর:
√ গম্ + তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√ গম্ + তব্য
ব্যাখ্যা

• 'গন্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - √ গম্ + তব্য।

এখানে,
- '√ গম্‌' সংস্কৃত ক্রিয়াপ্রকৃতি এবং 'তব্য' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
- শব্দের অর্থ: গমনের লক্ষ্য।

- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।

- ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
- যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ)।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১২.
'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ -
  1. বর্জন
  2. অসজ্জন
  3. দুর্জন
  4. খ এবং গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• 'সজ্জন' এর অর্থ: সৎলোক; সাধু ব্যক্তি।
- অসজ্জন অর্থ: অসাধু বা দুষ্ট লোক।
- 'দুর্জন' অর্থ - দুষ্ট বা খারাপ লোক।

সুতরাং,
• 'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ - "অসজ্জন এবং দুর্জন" উভয়ই।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'দাতা' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহীতা।
• 'ক্ষয়িষ্ণু' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধিষ্ণু।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি —




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

• নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি — আ।

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ:
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
- সংবৃত: [ই], [উ]।
- অর্ধ-সংবৃত: [ এ ], [ও]।
- বিবৃত: [আ]।
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা], [অ]।

• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৪.
"মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।"- কে লিখেছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. হাসান আজিজুল হক
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• "মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।" - কবিতাংশুটুকুর রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি তাঁর 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ।

'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ 'চিত্রা'।
- ১৩০২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৩৫টি কবিতা রয়েছে।

এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ-

মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে;
যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার, তখনি সে
পথকুক্কুরের মতো সংকোচে সত্রাসে যাবে মিশে;
দেবতা বিমুখ তারে, কেহ নাহি সহায় তাহার,
মুখে করে আস্ফালন, জানে সে হীনতা আপনার
মনে মনে। (সংক্ষেপিত)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, চিত্রা কাব্যগ্রন্থ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলাপিডিয়া।

১৫.
সাকিব বলল, "আমি এখানে থাকব"। - বাক্যটির পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর কোনটি?
  1. সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
  2. সাকিব বলল, "আমি সেখানে থাকব।"
  3. সাকিব বলল, "সে এখানে থাকবে।
  4. সাকিব জানাল যে আমি এখানে থাকব।
সঠিক উত্তর:
সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর — ক) সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

ব্যাখ্যা:
প্রত্যক্ষ উক্তি: বলল সাকিব, "আমি এখানে থাকব"।
সঠিক পরোক্ষ উক্তি: সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

উক্তি রূপান্তরের নিয়মসমূহ:
১. পুরুষের পরিবর্তন:
"আমি" → "সে" (প্রথম পুরুষ থেকে তৃতীয় পুরুষে)।

২. স্থানের পরিবর্তন:
"এখানে" → "সেখানে" (নিকট স্থান থেকে দূর স্থানে)।

৩. বাক্য গঠন:
উদ্ধৃতি চিহ্ন সরিয়ে "যে" সংযোজক অব্যয়।

৪. ক্রিয়ার রূপ:
"থাকব" → "থাকবে" (পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তন)।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে) এবং পুরুষ পরিবর্তন হয়নি।
গ) পুরুষ ও স্থান পরিবর্তন হয়নি ("আমি এখানে" রয়ে গেছে)।
ঘ) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
"বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি।" - এখানে 'প্রীতি' কোন পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. অব্যয়
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

• "বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি" - এই বাক্যে 'প্রীতি' একটি বিশেষ্য পদ।

তবে,
"প্রীতিময় মুখ" - এখানে 'প্রীতিময়' বিশেষণ।
------------
এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ:
- গাম্ভীর্য হলো বিশেষ্য পদ।
- গাম্ভীর্য শব্দের বিশেষণ রূপ - গম্ভীর।
- 'ইচ্ছা' শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- জাত ও উদ্ধত - বিশেষণ পদ।
- গৈরিক - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই-
  1. লাইলি মজনু
  2. বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা
  3. ব্যবহরিক বাংলা অভিধান
  4. আধুনিক বাংলা অভিধান
সঠিক উত্তর:
লাইলি মজনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইলি মজনু
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই ছিল—
দৌলত উজির বাহ্‌রাম খাঁর- লাইলি মজনু।

বাংলা একাডেমি সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।

- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- প্রথম প্রকাশিত বইটি ছিল লাইলি মজনু, যা মধ্যযুগীয় বাংলা প্রেমকাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
- পরে একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গ্রন্থ এবং ব্যবহরিক বাংলা অভিধান, আধুনিক বাংলা অভিধান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা করে।

উৎস: বাংলা একাডেমি; প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- লিংক।

১৮.
'লালসালু'- উপন্যাসের কোন চরিত্রটি নারী বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের প্রতীক?
  1. রহিমা
  2. আমেনা
  3. জমিলা
  4. হাসুনির মা
সঠিক উত্তর:
জমিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমিলা
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।

• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

-----------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'চৌচির' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত
  2. খণ্ডবিখণ্ড
  3. চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
'চৌচির' শব্দের অর্থ- খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত; খণ্ডবিখণ্ড; চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত।
অর্থ্যাৎ, সঠিক উত্তর - অপশন (ঘ)।



আরো কিছু শব্দার্থ:
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ,
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার,
- আশীষ শব্দের অর্থ- শীর্ষ পর্যন্ত,
- আশি শব্দের অর্থ- ৮০ সংখ্যা,
- আশী শব্দের অর্থ- বিষদাঁত।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২০.
নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. গরম করা
  2. উদয় হওয়া
  3. এগিয়ে চলা
  4. ঠনঠন করা
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
ব্যাখ্যা

• যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ - এগিয়ে চলা।
-------------------------------
• যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন
- মরে যাওয়া,
- কমে আসা,
- এগিয়ে চলা,
- হেসে ওঠা,
- উঠে পড়া,
- পেয়ে বসা, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
গরম করা, গান করা, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা, বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২২ সালের সংস্করণ।

২১.
"Have an axe to grind" means to _____.
  1. have a selfish reason
  2. have work for charity
  3. have preparation for the fight
  4. have a great goal
সঠিক উত্তর:
have a selfish reason
উত্তর
সঠিক উত্তর:
have a selfish reason
ব্যাখ্যা

• "Have an axe to grind" means to have a selfish reason.

• To have an axe/ax to grind (idiom):
- English Meaning: to have a selfish reason or strong opinion that influences your actions; an ulterior often selfish underlying purpose.
- Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) ব্যক্তিস্বার্থ থাকা।

Example Sentences:
- Environmentalists have no political axe to grind - they just want to save the planet.
- The study should be conducted by a firm that has no axe to grind.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
Neither of the two men wants ____ son educated.
  1. them
  2. his
  3. their
  4. its
সঠিক উত্তর:
his
উত্তর
সঠিক উত্তর:
his
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Neither of the two men wants his son educated.
- Bangla meaning: দুজনের কেউই চান না যে তার ছেলে শিক্ষিত হোক।

• One of, Each of, Either of, Neither of ইত্যাদি singular subjects হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর পরে singular possessive pronoun (his, her, or its) বসে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে "men" is masculine gender, তাই সঠিক possessive pronoun টি হবে- his.

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) them → "them" হলো object pronoun, not possessive.

গ) their → "their" হলো plural কিন্তু এখানে subject হলো singular.

ঘ) its → "its" ব্যবহৃত হয় non-human subjects (animals, objects) -এর জন্য।

২৩.
She slept very little that night.
Here, the underlined word 'little' is a/an-
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা

• She slept very little that night.
- Here, the underlined word 'little' is an Adverb.

- Here, 'little' modifies the verb "slept" by describing how much she slept.
- অর্থাৎ, 'little' এখানে "slept" verb টিকে modify করায় adverb হিসেবে কাজ করছে।
- "slept" verb টিকে How much দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় Very little.

• Little (adverb)
- English Meaning: not much; in only a small quantity or degree: slightly; not at all.
- Bangla Meaning: অতিসামান্য।

• Adverb:
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb সাধারণত Verb, Adjective কিংবা অন্য কোনো Adverb কে modify করে।
- বাক্যে Verb কে কোথায়, কখন, কীভাবে, কেন, কতটুকু, কতবার, ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই হলো adverb.

অন্যদিকে,
- 'Little' শব্দটি "ছোট; যথেষ্ট নয়; সামান্য পরিমাণে মাত্র" অর্থে- noun, pronoun, adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
• Little (noun)
- Example: She felt better after she'd eaten a little.

• Little (pronoun)
- Example: Little has changed.

• Little (adjective)
- Example: He gave a little smile.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৪.
Pick out the correctly spelt word:
  1. Remittance
  2. Remmitance
  3. Remmittance
  4. Rammitance
সঠিক উত্তর:
Remittance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Remittance
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is - ক) Remittance.

• Remittance (Noun)
- English Meaning: Money that is sent by a foreign worker back to their own country.
- Bangla Meaning: অর্থপ্রেরণ; প্রেরিত অর্থ; প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো অর্থ।

• Ex. Sentence: Bangladesh receive most of its remittances from the middle east.
- Bangla Meaning: বাংলাদেশ তার বেশিরভাগ রেমিট্যান্স মধ্যপ্রাচ্য থেকে পায়।

- অন্যদিকে, বাকি অপশনের word গুলোর spelling ভুল।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৫.
Who is the heroine character of 'Hamlet'?
  1. Desdemona
  2. Portia
  3. Ophelia
  4. Cordelia
সঠিক উত্তর:
Ophelia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ophelia
ব্যাখ্যা

• Ophelia is the heroine character of 'Hamlet'.

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- King Hamlet,
- Hamlet (Prince of Denmark),
- Ophelia (Heroine),
- Claudius (Hamlet's uncle),
- Gertrude (Queen),
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

অন্যদিকে,
ক) Desdemona (Heroine) is from Othello.

খ) Portia (Heroine) is from The Merchant of Venice.

ঘ) Cordelia (One of three daughters) is from King Lear.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

২৬.
Identify the synonym for 'Succumb'.
  1. Conquer
  2. Obdurate
  3. Submit
  4. Endure
সঠিক উত্তর:
Submit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Submit
ব্যাখ্যা

• The synonym for 'Succumb' is Submit.

• Succumb (Verb)
- English meaning: Fail to resist pressure, temptation, or some other negative force; die from the effect of a disease or injury.
- Bangla Meaning: (প্রলোভন, তোষামোদ ইত্যাদির) বশীভূত হওয়া; দমিয়া যাওয়া; মারা যাওয়া; আত্মসমর্পণ করা।

• Given options:
ক) Conquer - জয় করা; শক্তিবলে দখল করা; কারো ভালোবাসা, প্রশংসা ইত্যাদি অর্জন করা।

খ) Obdurate - একগুঁয়ে; অনমনীয়; অনুশোচনাহীন।

গ) Submit - আনুগত্য/অধীনতা/বশ্যতা স্বীকার করা; অনুবর্তী হওয়া; আত্মসমর্পণ করা; পেশ/দাখিল করা।

ঘ) Endure - দুঃখকষ্ট ভোগ করা; টিকে থাকা; স্থায়ী হওয়া।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৭.
George Bernard Shaw is the author of-
  1. The Family Reunion
  2. A Farewell to Arms
  3. No Man's Land
  4. Arms and the Man
সঠিক উত্তর:
Arms and the Man
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arms and the Man
ব্যাখ্যা

• George Bernard Shaw is the author of 'Arms and the Man'.

• Arms and the Man:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
- এটি একটি Romantic comedy, যা যুদ্ধ, প্রেম এবং মানব স্বভাবের উপর satire করে।
- এই নাটকটি ১৮৯৪ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো- Bulgaria -এর Petkoff household.
- নাটকটি যুদ্ধ এবং প্রেমের বিষয় নিয়ে গড়ে উঠেছে। এতে মূলত যুদ্ধের গৌরব এবং বাস্তবতার মধ্যে একটি বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে একজন সৈনিক এবং একজন উচ্চশ্রেণীর মহিলা রয়েছেন, এবং তাদের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নাটকটিকে কৌতুকপূর্ণ এবং মজাদার করে তোলে।
- এটি George Bernard Shaw -এর রচনা ও নাট্যকর্মের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

• Main Characters:
- Captain Bluntschli,
- Raina Petkoff,
- Major Sergius Saranoff,
- Major Petkoff,
- Catherine Petkoff, etc.

• ​G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

​• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
​- St. Joan of Arc,
- Candida,
- Geneva,
- You Never Can Tell,
- Androcles and the Lion,
- The Devil’s Disciple,
- Too True to Be Good,
- Widowers’ Houses,
- The Apple Cart,
- Buoyant Billions, etc.

অন্যদিকে,

ক) The Family Reunion is a play by T. S. Eliot.

খ) A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway.

গ) No Man's Land is a play by Harold Pinter.

Source:
1. Britannica.
2. Goodreads.

২৮.
He left us waiting for his reply.
Here, 'waiting' is-
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Finite verb
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

• He left us waiting for his reply.
- Here, 'waiting' is a Participle.

- Here, "waiting" functions as a present participle (adjective) that modifies the pronoun "us".
- অর্থাৎ, 'waiting' এখানে object "us" কে modify করায় adjective হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি present participle.
- "Waiting" functions as an object complement that describes the state of the object "us" after the action of the verb "left".
- অর্থাৎ, verb+ing যখন noun/pronoun কে modify করে তখন তা adjective হিসেবে কাজ করে।
- এখানে বলা হয়েছে, সে আমাদের তার উত্তরের অপেক্ষায় (waiting → ongoing action) রেখে চলে গেল।

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns/pronouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত তিন প্রকার। যথা:
1. Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: I saw a flying kite.

2. Past participle:
- সাধারণত verb এর সাথে -ed যোগ করে তৈরি হয় (যেমন: played, walked), তবে অপ্রচলিত verb এর আলাদা রূপ থাকে (যেমন: eaten, driven, seen)।
- এটি perfect tense এবং passive voice তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, এবং adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The broken house needs fixing.

3. Perfect participle:
- এটি having + past participle দ্বারা তৈরি হয় (যেমন: having eaten, having seen)। এটি এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে, একটি কাজ অন্য কাজের আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
- যেমন: Having finished the task, he left.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

২৯.
The opposite of 'Spendthrift'-
  1. Wasteful
  2. Disdainful
  3. Tightfisted
  4. Imprudent
সঠিক উত্তর:
Tightfisted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tightfisted
ব্যাখ্যা

The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

• Spendthrift (Noun, adjective)
- English Meaning: Spending money or resources freely and recklessly; wastefully extravagant.
- Bangla Meaning: অতিব্যয়ী; অপব্যয়ী; অপচেতা; অকৃপণ; মুক্তহন্ত; অপব্যয়ী ব্যক্তি।

• Synonyms:
- Wasteful (অপচয়ী), Extravagant (অপচয়কর), Waster (অমিতব্যয়ী), Prodigal (অপব্যয়ী; অপচয়ী; অমিতব্যয়ী)।
• Antonyms:
- Thrifty (মিতব্যয়ী), Parsimonious (ব্যয়কুণ্ঠ; কৃপণ), Mean (সংকীর্ণমনা), Miserly (কৃপন), Tight-fisted (ব্যয়কুন্ঠ)

অন্যদিকে,
- Disdainful - ঘৃণাপূর্ণ; তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
- Imprudent - অবিমৃষ্যকারী; অবিবেচক; অবিচক্ষণ; হঠকারী।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩০.
Pick the correct verb form:
Do not let these children ____ in the sun.
  1. have playing
  2. play
  3. to play
  4. playing
সঠিক উত্তর:
play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
play
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Do not let these children play in the sun.
- Bangla: এই বাচ্চাদের রোদে খেলতে দিও না।

• Causative Verb:

- যে Verb গুলোর সাহায্যে বাক্যের Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।

• Causative Verb হিসাবে 'let' -এর ব্যবহার:
- Let এরপরে কোনো ব্যক্তিবাচক object (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
- Let এরপরে কোনো বস্তুবাচক object (Action receiver) থাকলে এরপরে be + verb -এর past participle form বসে।

• Structure:
1. Subject + let (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.
2. Subject + let (any tense) + action receiver + be + verb -এর past participle + ext.

- তাই প্রদত্ত শূন্যস্থানে সঠিক verb টি হবে- play.

৩১.
A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by-
  1. William Somerset Maugham
  2. William Faulkner
  3. Victor Hugo
  4. Joseph Conrad
সঠিক উত্তর:
William Somerset Maugham
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Somerset Maugham
ব্যাখ্যা

• A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by William Somerset Maugham.

• Of Human Bondage:
- William Somerset Maugham রচিত ‘Of Human Bondage’ হলো একটি semi-autobiographical novel.
- এটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং লেখকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত।
- এতে মানুষের দুর্বলতা, ভালবাসা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়েছে।

• Short Summary:
- এই উপন্যাসে মূল চরিত্র ফিলিপ কেরি (Philip Carey)-এর জীবনকাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারিয়ে সে অনাথ হয়ে যায় এবং তার খোঁড়া পা (clubfoot) থাকার কারণে সবসময় হীনমন্যতায় ভোগে। ফিলিপ জীবনে নানা পথ খুঁজে বেড়ায়—ধর্ম, শিল্প, চিকিৎসা—কিন্তু কোথাও পূর্ণতা খুঁজে পায় না।

- লন্ডনে মেডিকেল ছাত্র থাকাকালীন সবচেয়ে বড় মোড় আসে যখন সে Mildred নামের এক নিষ্ঠুর ও স্বার্থপর waitress -এর প্রেমে পড়ে।মিলড্রেডের সঙ্গে সম্পর্ক তাকে বারবার ভেঙে ফেলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবনের অর্থ ও স্বাধীনতা খুঁজে পেতে সে শিখে নেয়— মানুষ আসলে আবেগ ও আসক্তির দাস।

• Main characters:
- Philip Carey,
- Mildred Rogers,
- Sally Athelny,
- Thorpe Athelny, etc.

• William Somerset Maugham (1874-1965):
- William Somerset Maugham ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজী লেখক, নাট্যকার এবং উপন্যাসিক।
- তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় প্রশিক্ষণ নিলেও লেখালেখিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন।
- তাঁর চিকিৎসা অভিজ্ঞতা তার লেখায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- তবে ১৯১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনীভিত্তিক উপন্যাস Of Human Bondage তাঁকে প্রকৃত খ্যাতি এনে দেয়।
- তাঁর ছোটগল্পগুলো বিশেষভাবে জনপ্রিয়, যেখানে প্রায়ই উপনিবেশিক পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, দুর্বলতা ও সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- Maugham তাঁর পরিষ্কার ভাষা, বাস্তবধর্মী বর্ণনা ও চরিত্র বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তার লেখায় মানব প্রকৃতি, সামাজিক সম্পর্ক, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।

• Notable works (Novels):
- Liza of Lambeth,
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick, etc.

• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩২.
The news that you heard yesterday is known to all.
Here, the underlined part is a/an-
  1. Noun clause
  2. Relative clause
  3. Co-ordinate clause
  4. Principal clause
সঠিক উত্তর:
Relative clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relative clause
ব্যাখ্যা

• The news that you heard yesterday is known to all.
- Here, the underlined part is a Relative clause/adjective clause.

- এখানে, "that you heard yesterday" clause টি "news" noun টিকে modify করছে (by specifying which news is being referred to).
- It answers the question: Which news? → The news that you heard yesterday.

• Structure:
- Main clause: The news is known to all.
- Relative clause: that you heard yesterday (dependent clause describing "news").

• Adjective clause/Relative clause:
- যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- অর্থাৎ, যে clause টি বাক্যে noun/pronoun -এর পরে বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাকে adjective clause বলে।
- Adjective clause -কে Relative clause ও বলা হয়।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (that, which, who, whose, whom, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

- Adjective clause দুইটি স্থানে বসতে পারে:
1. Subject এর post-modifier হিসেবে- (Subject + adjective clause + verb + object).
- যেমন: The house where I grew up is now for sale.
2. Noun এর post-modifier হিসেবে- (Subject + verb + noun + adjective clause).
- যেমন: She wore the dress which was on sale.

• Note:
- Noun -এর পরে That যুক্ত clause টি Noun clause এবং Adjective clause উভয়ই হতে পারে।
• কখন Noun clause?
- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে সাধারণত News, Hope, Belief, Fact, Rumour, ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যেমন: The news that Rajib got married took everyone by surprise.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করছে, 'News' কে modify করছে না।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- যেমন: 'that Rajib got married' টাই এখানে news.
- Noun clause এর ক্ষেত্রে আগের noun phrase টিকে বাদ দিলেও অর্থ ঠিক থাকে, কিন্তু that কে উঠিয়ে দেওয়া যায় না।
- যেমন: That Rajib got married took everyone by surprise.

• কখন Adjective clause?
- যখন noun/pronoun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective clause হয়।
- যেমন: The news that you heard yesterday is known to all.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' কে modify করছে, অর্থাৎ, news কে describe করছে (that you heard yesterday).
- Adjective clause এর ক্ষেত্রে that -এর পরের clause টির অর্থ পরিপূর্ণ হয় না, এবং এক্ষেত্রে that কে উঠিয়ে দেওয়া যায়।
- যেমন: The news you heard yesterday is known to all.

অন্যদিকে,
• Co-ordinate clause:

- Joins two independent clauses by Co-ordinating conjunctions (yet, but, or, otherwise, and).
- যেমন: The news is true, and everyone knows it.

• Principal clause:

- An independent clause that can stand alone.
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে।
- আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয় কারণ Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে।
- Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।
- যেমন: Because it was raining, we stayed indoors.

৩৩.
______ the day went on, the weather worsened.
  1. Just
  2. As
  3. Unless
  4. So
সঠিক উত্তর:
As
উত্তর
সঠিক উত্তর:
As
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: As the day went on, the weather worsened.
- Bangla meaning: দিন যতই গড়িয়েছে, আবহাওয়া ততই খারাপ হয়েছে।

- বাক্যটিতে দুটি clause কে যুক্ত করতে এমন একটি conjunction প্রয়োজন যা progression of time দেখায়।
- অর্থাৎ, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথে অন্য clause -এর কাজটিও ঘটে।

- As is used to mean "while" or "during the time that", indicating that two actions are happening simultaneously and one is affecting the other.
- অর্থাৎ, Conjunction হিসেবে As (while; when; during the time that) - যখন; চলাকালীন; যতই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- তাই, এখানে সঠিক উত্তর হবে- As.

• As (conjunction)
- English Meaning: while; when; during the time that.
- Bangla Meaning: যখন; চলাকালীন; যতই।

অন্যদিকে,
ক) Just
- ঠিক; মাত্র; ন্যায্য; যুক্তিযুক্ত ইত্যাদি অর্থে (adjective, adverb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: This is just what I expected.

গ) Unless
- except if 'যদি না' অর্থে এটি শর্ত বোঝাতে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নিজেই negative অর্থ প্রদান করে।
- এজন্যে unless দ্বারা যে clause শুরু হয় তাতে no বা not বসে না।
- যেমন: Do not punish him unless he behaves roughly.

ঘ) So
- সুতরাং; অতএব; সে-কারণে; সেই জন্য ইত্যাদি অর্থে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- It Indicates result of previous clause.
- যেমন: Nobody answered my knock, so I went away.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৪.
The term "Pedagogy" refers to-
  1. The method of political rule.
  2. The art or profession of teaching.
  3. The art or science of teaching adults.
  4. The branch of medicine dealing with children.
সঠিক উত্তর:
The art or profession of teaching.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The art or profession of teaching.
ব্যাখ্যা

• The term "Pedagogy" refers to- The art or profession of teaching.

• Pedagogy (noun):
- English Meaning: The art, science, or profession of teaching; the study of the methods and activities of teaching.
- Bangla Meaning: শিক্ষণবিজ্ঞান।(আনুষ্ঠানিক) স্কুলশিক্ষক; শিক্ষকতার পেশা।

অন্যদিকে,
• Demagogy:
- English Meaning: the methods or practices of a demagogue; the method of political rule as demagogy.
- Bangla Meaning: বক্তৃতাসর্বস্ব/গলাবাজির রাজনীতি।

• Andragogy:
- English Meaning: The art or science of teaching adults.
- Bangla Meaning: বয়স্কশিক্ষা।

• Pediatric:
- English Meaning: The branch of medicine dealing with children.
- Bangla Meaning: শিশুচিকিৎসা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৫.
A note added at the end of a letter after it is signed is called _____ .
  1. Corrigendum
  2. Nota bene
  3. Postscript
  4. Footnote
সঠিক উত্তর:
Postscript
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Postscript
ব্যাখ্যা

• A note added at the end of a letter after it is signed is called a Postscript.

• Postscript:
- A note or series of notes appended to a completed letter, article, or book.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পর যুক্ত অত্তিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলীকে বলা হয় - Postscript.
- একে সংক্ষিপ্ত ভাবে - PS বলে।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- যার বাংলা অর্থ- পুনশ্চ, পত্রের পুনশ্চ লিখন।

• অন্যদিকে,
• Corrigendum:
- English Meaning: A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
- Bangla Meaning: সংশোধনীয় বিষয়।

• Nota bene:
- English Meaning: —used to call attention to something important.
- Bangla Meaning: (সংক্ষেপ NB) সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।

• Footnote:
- English Meaning: A note of reference, explanation, or comment usually placed below the text on a printed page.
- Bangla Meaning: পাদটীকা।

৩৬.
Identify the correct sentence:
  1. She insisted with seeing her lawyer.
  2. She insisted in seeing her lawyer.
  3. She insisted on seeing her lawyer.
  4. She insisted to seeing her lawyer.
সঠিক উত্তর:
She insisted on seeing her lawyer.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She insisted on seeing her lawyer.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: She insisted on seeing her lawyer.

• Insist on doing something
- English Meaning: to demand something or say forcefully that you want something.
- Bangla Meaning: কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা।

- Insist on/upon এর পরে noun/gerund (-ing form of a verb) বসে।

More Examples:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৭.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৮ক নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।

অন্যদিকে -
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৮.
বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. বক্সারের যুদ্ধ
  2. কর্ণাটকের যুদ্ধ
  3. এলাহাবাদের যুদ্ধ
  4. পলাশী যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
পলাশী যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাশী যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।

পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে। নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে কতজনের অধিক শ্রমিক কাজ করে?
  1. ২০০
  2. ২৩০
  3. ২৫০
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৪০.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নীলফামারী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- হিলি স্থলবন্দর: দিনাজপুর।
- ভোমরা স্থলবন্দর: সাতক্ষীরা।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৪১.
জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের কী নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. জাতীয় সৈনিক
  2. জুলাই বীর
  3. জাতীয় বীর
  4. জুলাই সৈনিক
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীর
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৪২.
বর্তমানে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তৈরি চামড়া ও চামড়াবিহীন জুতা এবং চামড়া পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

৪৩.
কত সালে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬।
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০।
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে।
- ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস।

⇒ আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৪৪.
দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহানা পারভীন
  2. জোবায়দা আক্তার
  3. সেলিনা বেগম
  4. নাজনিন খাতুন
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।

⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৫.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৬.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫।
ii) প্রথম আলো।

৪৭.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. জর্ডান
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব।
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট।

৪৮.
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।

⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো।

৪৯.
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসারে, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ জরিমাণা কত?
  1. ৫০ হাজার টাকা
  2. ৮০ হাজার টাকা
  3. ১ লক্ষ টাকা
  4. ১.৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
১.৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫:
- ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি.ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২)’ এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
- ২৯ জুন, ২০২৫ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮’-এর আলোকে এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। যেখানে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে বেশ কিছু নতুন বিষয় সংযোজন করেছে কমিশন।

• মাইকে গণসংযোগের সময় শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে রাখতে হবে। প্রচারণার সময় তিন সপ্তাহ থাকছে। টিভিতে সংলাপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
• যেসব প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে থাকবেন বা মনোনীত হয়েছেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর সেখান থেকে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
• নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে যে নরমাল শাস্তি ছিল, ছয় মাস কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, এবার জরিমানা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকার প্রস্তাব রয়েছে।
• নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
• নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
• প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
• মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৫০.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।

৫১.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম কী?
  1. ডিক্লারেশন অব ইন্ডিপেনডেন্স
  2. ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
  3. এগ্রিমেন্ট অব বাংলাদেশ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্সট্রুমেন্ট অব সারেন্ডার
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল: INSTRUMENT OF SURRENDER 1971
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম INSTRUMENT OF SURRENDER.
- এটি তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়। একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের কাছে সংরক্ষিত আছে। তৃতীয় প্রস্থটি রয়েছে ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মুক্তিবাহিনী-মিত্রবাহিনী যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমপর্ণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান। ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ -ই - আর্কাইভ।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৫২.
ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

⇒ ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান ১ শতাংশের বেশি। দেশের মৎস্য উৎপাদনে যার অংশ প্রায় ১১ শতাংশ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি আহরিত হয় বাংলাদেশের নদ-নদী, মোহনা ও সাগর থেকে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫৩.
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে কতটি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল?
  1. ২২টি
  2. ৩৪টি
  3. ৪২টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৫৪.
জাতিসংঘ 'সনদ' কার্যকর হয় -
  1. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  2. ১৯৪৪ সালের ২৬ জুন
  3. ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল
  4. ১৯৪৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল-২৬ জুন ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সানফ্রান্সিসকো শহরে মিলিত হন।
- ২৬ জুন ১১১টি ধারা সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ অনুমোদিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
- মোট ৫১টি দেশ মূল সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
- এ কারণে এই ৫১টি দেশকে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ধরা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
বর্তমানে আসিয়ান কতটি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা

আসিয়ান (ASEAN):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- আসিয়ান (ASEAN) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশের একটি আঞ্চলিক সংস্থা, যা ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড।
- পরবর্তীতে যোগদানকারী দেশ: ব্রুনাই দারুস সালাম, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমানে আসিয়ান ১০টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত।
- আসিয়ান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

৫৬.
নিম্নের কোন সংস্থাটি 'Soft Loan Window' নামে পরিচিত?
  1. IMF
  2. IDA
  3. IDB
  4. IFC
সঠিক উত্তর:
IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDA
ব্যাখ্যা

• IDA:
- IDA (International Development Association) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- এটি সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে, তাই এটি 'International Soft Loan Window' নামে পরিচিত।
- IDA-এর মূল উদ্দেশ্য দারিদ্র্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিকাশে সাহায্য করা।
- এটি উন্নত দেশগুলির জন্য অনুকূল শর্তে ঋণ প্রদান করে, যাতে তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি অর্জন করতে সক্ষম হতে পারে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৭৫টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- IDA জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য ২০০৭ সালে Crisis Response Window চালু করে।

উৎস: আইডিএ ওয়েবসাইট ও বিশ্বব্যাংক।

৫৭.
'গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী', বাংলাদেশের অবস্থান কততম? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. ৩৭তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৯তম
  4. ৩৩তম
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP)- ২০২৫:
• সূচক নির্ধারণের প্রধান মানদণ্ড:
- সামরিক ইউনিটের সংখ্যা;
- আর্থিক সক্ষমতা;
- লজিস্টিক দক্ষতা;
- ভৌগোলিক পরিস্থিতি।

• শীর্ষ তিন সামরিক শক্তিধর দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র – ১ম স্থান (স্কোর: ০.০৭৪৪);
২. রাশিয়া – ২য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮);
৩. চীন – ৩য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮)।

• বাংলাদেশের অবস্থান:
মোট দেশ: ১৪৫,
- বাংলাদেশের র‌্যাংক: ৩৫তম,
- পাওয়ার ইনডেক্স স্কোর: ০.৬০৬২।

সূত্র: গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP) ওয়েবসাইট।

৫৮.
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মেক্সিকো
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ FIFA World Cup:
- ফিফা বিশ্বকাপ (ফুটবল বিশ্বকাপ) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা।
- এখানে ফিফাভুক্ত দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়।
- ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৪২ এবং ১৯৪৬ এই ২টি বিশ্বকাপের আসর বসেনি।
- সর্বশেষ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে কাতারে, ২০২২ সালে।
- এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপের ২২টি আসর।
- ২০২২ এর শিরোপা জয়ী আর্জেন্টিনা।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

৫৯.
'আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত' নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক
  2. সুইজারল্যান্ডের জেনেভা
  3. সুইজারল্যান্ডের জুরিখ
  4. নেদারল্যান্ডের হেগ
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডের হেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডের হেগ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice - ICJ):
- International Court of Justice (ICJ) বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত ও বলা হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিচারিক অঙ্গ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
- ICJ শুধুমাত্র সেই বিরোধগুলি শুনানি করে, যা রাষ্ট্রগুলি স্বেচ্ছায় আদালতে নিয়ে আসে।
- ICJ আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত বিরোধ যেমন সীমান্তের সমস্যা, সমুদ্রসীমা, এবং চুক্তির ব্যাখ্যা সমাধান করে।
- এটি নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
- বিচারক সংখ্যা ১৫ জন।
- বিচারকরা নয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- প্রতি বছর এক তৃতীয়াংশ বিচারক অবসর গ্রহণ করেন।

উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।

৬০.
'ট্রয় নগরী' বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. গ্রীস
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

• ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬১.
আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ২৩ মার্চ
  2. ২২ মার্চ
  3. ২৪ মার্চ
  4. ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস:
- ২১ মার্চ আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস।
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো, প্রতি বছর বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস পালন করে আসছে।
- এই দিবসের পটভূমিতে রয়েছে ১৯৬০ সালের ২১ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকার শার্পভিল এলাকায় সংঘটিত একটি মর্মান্তিক ঘটনা, যেখানে বর্ণবাদবিরোধী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে ৬৯ জন নিহত হন।
- ১৯৬৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ পৃথিবীর সব দেশ থেকে জাতিভেদ ও বর্ণবৈষম্যের মতো ভয়ানক ব্যাধিকে নির্মূল করতে সোচ্চার হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দিনটি আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৬২.
'World Trade Organization (WTO)' এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল?
  1. General Agreement on Tariffs and Trade
  2. General Assessment on Tariffs and Trade
  3. General Agreement on Tarifics and Trading
  4. General Agreement on Tariffs
সঠিক উত্তর:
General Agreement on Tariffs and Trade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
General Agreement on Tariffs and Trade
ব্যাখ্যা

• WTO:
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
- WTO (World Trade Organization) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য ১৬৬টি ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ড।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.

৬৩.
মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ARSA’ এর পূর্ণরূপ -
  1. Army of Rohingya State Alliance
  2. Arakan Rohingya Salvation Army
  3. Arakan Resistance and Security Army
  4. Armed Rohingya Security Alliance
সঠিক উত্তর:
Arakan Rohingya Salvation Army
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arakan Rohingya Salvation Army
ব্যাখ্যা

• Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA):
- ARSA হল একটি সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী যা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে (পূর্বের আরাকান) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নামে কার্যক্রম চালায়।
- ARSA-আনুমানিক ২০১৩ সালে গঠিত হয়েছিল।
- পূর্বে Harakah al-Yaqin (HaY) নামে পরিচিত ছিল।
- এরা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে আসছে।
- ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায়।
- ২০১৭ সালের আগস্টে ARSA-র হামলার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়, যার ফলে দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

সূত্র: বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

৬৪.
'নোবেল পুরস্কার' বিজয়ী প্রথম নারী কে?
  1. মেরি কুরি
  2. বার্থাভন সুটনার
  3. মেরি কুইন
  4. গ্রাজিয়া দেলেদ্দা
সঠিক উত্তর:
মেরি কুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরি কুরি
ব্যাখ্যা

মেরি কুরি (Marie Curie):
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী মেরি কুরি।
- তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- তেজস্ক্রিয়া গবেষণার পথিকৃৎ মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯১ এর শেষের দিকে মেরি পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে পাড়ি জমান।

অন্যদিকে,
- সাহিত্যে নোবেল জয়ী প্রথম নারী সেলমা লাগেরলফ।
- শান্তিতে প্রথম মহিলা নোবেল বিজয়ী বার্থাভন সুটনার।
- গ্রাজিয়া দেলেদ্দা ১৯২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯০১ - ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ৬৫ জন নারী ৬৬ বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এর মধ্যে একমাত্র মেরি কুরি যিনি দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৬৫.
'ফোর্টিফাই রাইটস' সংগঠনটি কী বিষয়ে কাজ করে?
  1. মানবাধিকার
  2. পরিবেশ
  3. রাজনৈতিক
  4. অর্থনৈতিক
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার
ব্যাখ্যা

Fortify Rights:
- ফোর্টিফাই রাইটস (Fortify Rights) থাইল্যান্ডভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।
- এটি বিশেষভাবে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, এবং অন্যান্য অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সম্প্রতি (মার্চ, ২০২৫] মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গৃহযুদ্ধের শিকার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ ও আরাকান আর্মিকে ‘মানবিক করিডর’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফোর্টিফাই রাইটস।

উৎস: সমকাল পত্রিকা এবং Fortify Rights ওয়েবসাইট।

৬৬.
'রোমান সাম্রাজ্যের' প্রথম সম্রাট নিম্নের কে ছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. অগাস্টাস সিজার
  3. তুজিয়াস সিজার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অগাস্টাস সিজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা

• অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- তিনি মহাবীর জুলিয়াস সিজারের ভাগ্নে।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস।
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সমরনায়ক ও সিনেট সদস্যরা যখন দুই ভাগে বিভক্ত, এমনই এক সময় জন্মলাভ করেন অগাস্টাস সিজার।

⇒ সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস:Britannica ওয়েবসাইট এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'-এর মূল নকশাকার নিম্নের কে?
  1. ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
  2. উইলিয়াম নেপোলিয়ন
  3. ফ্রেডরিক থমাস
  4. প্রিয়ালো বার্থো
সঠিক উত্তর:
ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি
ব্যাখ্যা

স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফ্রান্সের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল ২৮ অক্টোবর ১৮৮৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্ট্যাচুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
- তাই প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র জন্মদিন পালন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামে বিশ্ববাসী মূর্তিটিকে চিনলেও এর প্রকৃত নাম ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূল নকশাকার ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি।

এছাড়াও,
- মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট, বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- এটি একহাত দিয়ে যে বইটি ধরে আছে সে বইয়ের ওপরে লেখা আছে একটি তারিখ, আর তা হল “৪ জুলাই, ১৭৭৬”।এই তারিখেই ব্রিটিশ শাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল!

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬৮.
নিম্নের কোন দেশ থেকে 'অস্ট্রেলিয়া' স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬৯.

    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭০.

    1. 0
    2. 2
    3. - 3
    4. 5
    সঠিক উত্তর:
    5
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭১.
    'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?
    1. 920
    2. 720
    3. 5040
    4. 360
    সঠিক উত্তর:
    720
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    720
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?

    সমাধান:
    'ALGEBRA' শব্দে মোট 7 টি বর্ণ আছে। যথা A, L, G, E, B, R, A
    এখানে A বর্ণটি 2 বার আছে।

    যেহেতু প্রথম স্থান A দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করা হবে, তাই প্রথম স্থানের জন্য কোনো আলাদা বাছাই নেই।

    সুতরাং বাকি 6 টি বর্ণ L, G, E, B, R, A
    এখানে কোনো বর্ণই একাধিকবার নেই (কারণ A দুটির একটি প্রথমে ব্যবহার করায় বাকি 1 টি A আছে, তাই পুনরাবৃত্তি নেই)।

    ∴ বিন্যাস সংখ্যা = 6 টি ভিন্ন বস্তুর বিন্যাস = 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 = 720

    ৭২.
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
    1. 1/3
    2. - 2
    3. 1/2
    4. - 1
    সঠিক উত্তর:
    - 1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    - 1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0

    আমরা জানি,
    সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ, y = mx + c [যেখানে, m = ঢাল]

    এখন,
    প্রথম রেখার ঢাল:
    x - 2y - 8 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ 2y = x - 8
    ∴ y = (1/2)x - 4
    সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 1/2

    আবার,
    দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
    2x + y - 12= 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
    ⇒ y = - 2x + 12
    সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = - 2

    ∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (1/2) × (- 2) = - 1
    এই দুটি রেখা পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1

    ৭৩.
    কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?
    1. 115°
    2. 78°
    3. 52°
    4. 105°
    সঠিক উত্তর:
    115°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    115°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?

    সমাধান:
    ধরি,
    ২য় কোণ = x
    ∴ ১ম কোণ = 4x
    ৩য় কোণ = 4x + 63°

    প্রশ্নমতে,
    x + 4x + 4x + 63° = 180°
    ⇒ 9x = 180° - 63°
    ⇒ 9x = 117°
    ⇒ x = 117°/9
    ∴ x = 13°

    ∴ ৩য় কোণ = 4x + 63 = 52° + 63° = 115°

    ৭৪.
    চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়।পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?
    1. ২১.২০ টাকা
    2. ২৫ টাকা
    3. ২০ টাকা
    4. ১৮.২৫ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ২০ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০ টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়। পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?

    সমাধান:
    মনে করি,
    পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
    আবার,
    ১০৬০ টাকার ৬% = ১০৬০ × (৬/১০০) = ৬৩.৬০ টাকা

    বর্তমানে ৩ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০ টাকা
    বর্তমানে ১ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০/৩ = ২১.২০ টাকা

    আবার,
    ৬% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১০০ + ৬ = ১০৬ টাকা

    এখন,
    ১০৬ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০ টাকা
    ∴ ১ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০/১০৬ টাকা
    ∴ ২১.২০ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = (১০০ × ২১.২০)/১০৬ টাকা
    = ২০ টাকা

    সুতরাং, পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা।

    ৭৫.
    8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?
    1. 6
    2. 4
    3. 8
    4. 5
    সঠিক উত্তর:
    6
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    6
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?

    সমাধান:
    এটি একটি গুণোত্তর ধারা। যার
    ১ম পদ, a = 8
    এবং সাধারণ অনুপাত, r = 4√2/8 = √2/2 = 1/√2

    আমরা জানি,
    গুণোত্তর ধারার n তম পদ = arn - 1

    প্রশ্নমতে,
    arn - 1 = √2
    ⇒ 8 × (1/√2)n - 1 = √2
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/8
    ⇒ (1/√2)n - 1 = √2/(√2)6 ; [(√2)6 = 8]
    ⇒ (√2)- (n - 1) = (√2)1 - 6
    ⇒ - (n - 1) = - 5
    ⇒ - n + 1 = - 5
    ⇒ n = 1 + 5
    ∴ n = 6

    অর্থাৎ ৬ষ্ঠ পদটি √2

    ৭৬.
    4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?
    1. 12
    2. 5
    3. 8
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    8
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    8
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় বা জ্যামিতিক গড় =

    ∴ 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় = (4 × 8 × 16)1/3
    = (512)1/3
    = (83)1/3
    = 8

    ৭৭.

    1. 0
    2. 2√2
    3. 4
    4. √2
    সঠিক উত্তর:
    2√2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2√2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ৭৮.
    4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
    1. π : 2√2
    2. π : 4
    3. 4 : π
    4. π : 2
    সঠিক উত্তর:
    π : 2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    π : 2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    বৃত্তের ব্যাস =4 মিটার
    বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 4/2 = 2 মিটার

    আমরা জানি,
    ∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
    = π × 22 বর্গমিটার
    = 4π বর্গমিটার

    বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = বৃত্তের ব্যাসের দৈর্ঘ্য = 2 × 2 = 4 মিটার
    ∴ বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 4/√2 = 2√2 মিটার

    ∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (2√2)2 বর্গমিটার = 8 বর্গমিটার

    ∴ বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত = 4π : 8
    = π : 2

    ৭৯.
    নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
    1. Linux
    2. Python
    3. Java
    4. Ruby
    সঠিক উত্তর:
    Linux
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Linux
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?

    সমাধান:

    • Linux:
    - Linux হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা করে।
    - এটি একটি প্ল্যাটফর্ম বা ভিত্তি যেখানে বিভিন্ন সফটওয়্যার রান করতে পারে।
    - Linux নিজেই কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
    - সাধারণত সার্ভার, ডেস্কটপ, মোবাইল বা এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।

    • Python:
    - Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি একটি ইন্টারপ্রেটেড এবং উচ্চ-স্তরের ভাষা।
    - Python Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Java:
    - Java হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা এবং প্ল্যাটফর্ম।
    - এটি সাধারণত অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব সার্ভিসে ব্যবহৃত হয়।
    - Java Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    • Ruby:
    - Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্টিং এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

    সুতরাং, অন্যগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা হলেও Linux হলো অপারেটিং সিস্টেম।
    সঠিক উত্তর: ক) Linux.

    ৮০.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    1. 2
    2. 6
    3. 8
    4. 10
    সঠিক উত্তর:
    6
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    6
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

    সমাধান:
    প্রথম সারিতে,
    9 + 1 + 5 = 15

    দ্বিতীয় সারিতে,
    4 + 8 + 3 = 15

    তৃতীয় সারিতে,
    2 + 6 + 7 = 15

    প্রত্যেক সারির সংখ্যাগুলোকে যোগ করা হয়েছে যাদের প্রত্যেকের যোগফল 15.

    সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 6 বসবে।

    ৮১.
    বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।
    1. ট বর্গের চতুর্থ
    2. চ বর্গের চতুর্থ
    3. ত বর্গের চতুর্থ
    4. প বর্গের চতুর্থ
    সঠিক উত্তর:
    ত বর্গের চতুর্থ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ত বর্গের চতুর্থ
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।

    সমাধান:
    - বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গ ৫ টি।
    - এগুলো হলো - ক, চ, ট, ত, প।

    প্রতিটি বর্গে ৫ টি করে বর্ণ আছে। যথা-
    - ক, খ, গ, ঘ, ঙ
    - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
    - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
    - ত, থ, দ, , ন
    - প, ফ, ব, ভ, ম

    - বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান ”ত” বর্গের চতুর্থ স্থানে।

    ৮২.
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?
    1. ACID
    2. AMID
    3. QUID
    4. QUIT
    সঠিক উত্তর:
    QUID
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    QUID
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?

    সমাধান:
    যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = QUID

    ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান (A = 1, B = 2,..., Z = 26) বিবেচনা করে দেখা যায়-
    1 = A,
    18 = R,
    9 = I,
    4 = D
    ∴ 11894 = ARID

    একইভাবে,
    17 = Q,
    21 = U,
    9 = I,
    4 = D

    ∴ 172194 = QUID

    ৮৩.
    প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    1. 18
    2. 20
    3. 24
    4. 26
    সঠিক উত্তর:
    18
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    18
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?

    সমাধান:
    উপরোক্ত বৃহৎ ত্রিভুজে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে
    = pn(n - 1)/2
    = 3 × 4(4 - 1)/2
    = (3 × 12)/2
    = 18

    এখানে,
    p = আনুভূমিক রেখার সংখ্যা
    n = লম্বালম্বি বা তির্যক রেখার সংখ্যা

    ৮৪.
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?
    1. সু
    2. ভা
    3. নু

    সঠিক উত্তর:
    নু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নু
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?

    সমাধান:
    "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে "নু" বর্ণটি যোগ করে বিন্যাস করলে "ভানুয়াতু" শব্দটি পাওয়া যায়।

    • ভানুয়াতু:
    - ভানুয়াতু হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
    - এটি প্রায় ৮০টি ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
    - রাজধানী হলো পোর্ট ভিলা।
    - দেশটির প্রধান ভাষা হলো বিসলামা, ইংরেজি ও ফরাসি।

    • মেলানেশিয়া:
    - মেলানেশিয়া হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিকের একটি দ্বীপসমূহের অঞ্চল।
    - প্রধান দেশগুলো হলো পাপুয়া নিউ গিনি, ফিজি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, ও নিউ ক্যালিডোনিয়া।
    - নামের অর্থ হলো “কালো দ্বীপসমূহ” (মেলা = কালো, নেশিয়া = দ্বীপ)।
    - এখানে মূলত আফ্রো-প্যাসিফিক জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে।

    উৎস: World Atlas.

    ৮৫.
    সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?
    1. ২৫ জন
    2. ২১ জন
    3. ২৭ জন
    4. ২৯ জন
    সঠিক উত্তর:
    ২৫ জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৫ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?

    সমাধান:
    সাবিহা সামনের দিক এবং পিছনের দিক উভয় দিক থেকেই ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।

    ঐ লাইনে বালিকা আছে = ১২ + ১ + ১২ = ২৫ জন

    ৮৬.
    ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?
    1. ৫ টা ১০ মিনিট
    2. ৩ টা ১৫ মিনিট
    3. ২ টা ১৫ মিনিট
    4. ১ টা ৫০ মিনিট
    সঠিক উত্তর:
    ১ টা ৫০ মিনিট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১ টা ৫০ মিনিট
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    আয়নার সময় = ১১ : ৬০ - প্রকৃত সময়
    = ১১ : ৬০ - ১০ : ১০
    = ১ : ৫০

    সুতরাং, ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে ১ টা ৫০ মিনিট বাজতে দেখা যাবে।

    ৮৭.
    একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?
    1. ২০ জন
    2. ২৪ জন
    3. ১৭ জন
    4. ১৬ জন
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?

    সমাধান:
    মোট লোক = আনিছ সাহেব + তাঁর স্ত্রী + তাদের তিন পুত্র + তিন পুত্রের স্ত্রী + পুত্রদের মোট ৯ সন্তান
    = ১৭ জন।

    ∴ বিয়ের অনুষ্ঠানে মোট উপস্থিত ছিলেন ১৭ জন।

    ৮৮.
    What is the difference between parliamentary and presidential democracy?
    1. Election of the executive branch
    2. Election of the legislature
    3. The court system
    4. Extent of government power
    সঠিক উত্তর:
    Election of the executive branch
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Election of the executive branch
    ব্যাখ্যা

    সংসদীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী প্রথমে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের রাষ্ট্রপতি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।

    ৮৯.
    Theocracy means rule by-
    থিওক্রেসি শাসক-
    1. God
    2. The people
    3. The best
    4. The wealthy
    সঠিক উত্তর:
    God
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    God
    ব্যাখ্যা

    Theos" in Greek means "god."
    থিওক্রেসি বা ধর্মতন্ত্র হলো এমন এক শাসন ব্যবস্থা যেখানে কোনো রাষ্ট্র সরাসরি একটি ধর্ম বা ঐশ্বরিক শক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়। এই ব্যবস্থায়, ধর্মীয় ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ শাসক হিসেবে মানা হয় এবং সেখানের আইন- কানুনগুলো ধর্মীয় গ্রন্থ বা মতাদর্শের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়

    ৯০.
    Unitary government:
    এককেন্দ্রিক সরকার-
    1. Have small units of pre-existing government that create a central government
      (ছোট ছোট সরকারি এককগুলোর সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত হয়)
    2. Have a pre-existing central government that creates and controls smaller, local units of government
      (একটি বিদ্যমান কেন্দ্রীয় সরকার ছোট ছোট স্থানীয় সরকার একক তৈরি করে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করে।)
    3. Both of these
    4. None of these
    সঠিক উত্তর:
    Have a pre-existing central government that creates and controls smaller, local units of government
    (একটি বিদ্যমান কেন্দ্রীয় সরকার ছোট ছোট স্থানীয় সরকার একক তৈরি করে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করে।)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Have a pre-existing central government that creates and controls smaller, local units of government
    (একটি বিদ্যমান কেন্দ্রীয় সরকার ছোট ছোট স্থানীয় সরকার একক তৈরি করে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করে।)
    ব্যাখ্যা

    Unitary governments are created by a central government.

    এককেন্দ্রিক সরকার হলো সেই সরকার ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের যাবতীয় ক্ষমতা একটি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। এই ব্যবস্থায় স্থানীয় সরকার বা অন্যান্য প্রশাসনিক ইউনিটগুলির ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের ইচ্ছাধীন এবং তারা কেন্দ্রীয় সরকার থেকে ক্ষমতা পেয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় সরকারই সকল ক্ষমতার উৎস ও নিয়ন্ত্রক।স্থানীয় সরকারগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ এবং তাদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন ক্ষমতা থাকে না।

    ৯১.
    Absolute government is _(স্বৈরতান্ত্রিক সরকার)___________, while constitutional government is _____________.(সাংবিধানিক সরকার)
    1. Virtually unlimited; very limited
    2. Very limited; virtually unlimited
    3. Very neutral; unlimited
    4. Limited; very neutral
    সঠিক উত্তর:
    Virtually unlimited; very limited
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Virtually unlimited; very limited
    ব্যাখ্যা

    Remember King Henry VIII, who had very few restrictions on what he could do to his people. Henry VIII was much closer to being the leader of an absolute government than a constitutional government.

    স্বৈরতান্ত্রিক বা নিরঙ্কুশ সরকার
    -একক শাসকের হাতে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকে (যেমন রাজা, একনায়ক)।আইনের সীমাবদ্ধতা মানে না বা আইনের ঊর্ধ্বে থাকে।তাই একে বলা হয়: "virtually unlimited" (প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা সম্পন্ন)।


    সংবিধানিক সরকার:

    সরকারের ক্ষমতা সংবিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে।জনতার অধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা, এবং আইন অনুযায়ী শাসন নিশ্চিত করা হয়।তাই একে বলা হয়: "very limited" (খুব সীমিত ক্ষমতা সম্পন্ন)।

    ৯২.
    Federal governments-
    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার-
    1. Have a pre-existing central government that creates and controls smaller, local units of government
      কেন্দ্রীয় সরকার যা ছোট ছোট স্থানীয় শাসন একক তৈরি করে ও নিয়ন্ত্রণ করে
    2. Have small units of pre-existing government that create a central government
      প্রাদেশিক বা স্থানীয় সরকারের এককগুলো একত্রিত হয়ে একটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করে
    3. Both of these
    4. None of these
    সঠিক উত্তর:
    Have small units of pre-existing government that create a central government
    প্রাদেশিক বা স্থানীয় সরকারের এককগুলো একত্রিত হয়ে একটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Have small units of pre-existing government that create a central government
    প্রাদেশিক বা স্থানীয় সরকারের এককগুলো একত্রিত হয়ে একটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করে
    ব্যাখ্যা

    Small units of government create central government. Think of the 13 states that created our federal government as we know it today.
    অপশন ক এককেন্দ্রিক সরকারের বৈশিষ্ট্য। 

    ৯৩.
    Which of the following is NOT a feature of a federal government?
    1. Division of Powers
    2. Single Citizenship
    3. Independent Judiciary
    4. all of these
    সঠিক উত্তর:
    Single Citizenship
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Single Citizenship
    ব্যাখ্যা

    এককেন্দ্রিক সরকারে একক নাগরিকত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকে। 

    ৯৪.
    Which of the following best defines political science?
    1. A narrative analysis of historical political events
    2. An exploration of technological innovations in governmental systems
    3. The systematic study of political institutions, processes, behavior, and power
    4. The study of natural phenomena and the physical world
    সঠিক উত্তর:
    The systematic study of political institutions, processes, behavior, and power
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The systematic study of political institutions, processes, behavior, and power
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্রবিজ্ঞান হলো রাষ্ট্র ও সরকারের গঠন, কার্যপ্রণালী, রাজনৈতিক আচরণ এবং ক্ষমতার প্রয়োগ ইত্যাদি বিষয়ে পদ্ধতিগত অধ্যয়ন।

    ৯৫.
    Which theory emphasizes the importance of economic structures in shaping political power?
    কোন তত্ত্বটি রাজনৈতিক ক্ষমতা গঠনে অর্থনৈতিক কাঠামোর গুরুত্বকে জোর দিয়ে ব্যাখ্যা করে?
    1. Marxism
    2. Realism
    3. Constructivism
    4. Liberalism
    সঠিক উত্তর:
    Marxism
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Marxism
    ব্যাখ্যা

    মার্কসবাদে রাজনৈতিক ক্ষমতা গঠনে অর্থনৈতিক কাঠামোকে জোর দেওয়া হয়। 
    মার্কস এবং এঙ্গেলসের মতে মানুষের সমাজ ও ইতিহাসের মূল শক্তি হচ্ছে বস্তু। তাঁরা তাই বস্তুকে মানুষের জীবনধারনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সংযুক্ত করেছেন। তাঁদের মতে অর্থনৈতিক ও উৎপাদন সম্পর্কের ভিত্তিতেই (Basic structure) মানুষের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নৈতিক ও ধর্মীয় ইত্যাদি সম্পর্ক (Super structure) নির্ধারিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।

    ৯৬.
    Who wrote the book "The Prince," which explores political leadership and governance?
    1. Niccolò Machiavelli
    2. Karl Marx
    3. Jean-Jacques Rousseau
    4. John Locke
    সঠিক উত্তর:
    Niccolò Machiavelli
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Niccolò Machiavelli
    ব্যাখ্যা

    ম্যাকিয়াভেলির রচিত গ্রন্থ বিশেষ করে 'দি প্রিন্স' The Prince,), 'ডিসকোর্সেস' (Discourses on the first ten books of Titus Livius), 'আর্ট অব ওযার' (Art of War) শাসনব্যবস্থার পর্যালোচনাস্বরূপ। তাঁর মতে, রাজনীতি হলো ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। শাসক কীভাবে তাঁর ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন এবং কিভাবে ক্ষমতার স্থায়িত্ব বিধান করতে পারেন এ প্রসংগে তিনি শাসককে পরামর্শ দিয়েছেন।

    ৯৭.
    Which document established the framework for the government of the United States?
    কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার কাঠামো নির্ধারণ করে?
    1. The Magna Carta
    2. The Articles of Confederation
    3. The Declaration of Independence
    4. The Constitution
    সঠিক উত্তর:
    The Constitution
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The Constitution
    ব্যাখ্যা

    যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কাঠামো, ক্ষমতা বিভাজন, এবং নাগরিক অধিকারের গ্যারান্টি নির্ধারণ করে সংবিধান। ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে জর্জ ওয়াশিংটনের সভাপতিত্বে ফিলাডেলফিয়া কংগ্রেসে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান রচনা করা হয়। ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে ঐ সংবিধান কার্যে পরিণত হয়।

    ৯৮.
    What is the term for a political system in which citizens participate directly in decision-making?
    যে শাসন ব্যবস্থায় জনগণ সরাসরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে সেই সরকার ব্যবস্থাকে বলে-
    1. Republic (প্রজাতন্ত্র)
    2. Monarchy (রাজতন্ত্র)
    3. Autocracy (স্বৈরতন্ত্র)
    4. Direct democracy (প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র)
    সঠিক উত্তর:
    Direct democracy (প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Direct democracy (প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র)
    ব্যাখ্যা

    প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র (Direct Democracy): জনগণ সরাসরি আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ এবং সরকারের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণ করে। প্রাচীন গ্রীসের এথেন্স নগর রাষ্ট্রে এই ধরনের গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল। সুইজারল্যান্ডের পাঁচটি ক্যান্টন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড শহরে এখনো দেখা যায়।

    প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক পদ্ধতি গণভোট, গণউদ্যোগ, পদচ্যুতি, জনমত(বাংলাদেশে ১৯৭৭,১৯৮৫,১৯৯১ সালে গণভোট হয়)

    ৯৯.
    For Plato which of the following statements is not true?
    1. Ideas are substances.
    2. Ideas are an essences of all things.
    3. Ideas are reflections of things.
    4. Ideas are an universal.
    Select the correct answer:
    (প্লেটোর জন্য নিচের কোন বক্তব্যটি সত্য নয়?
    ১. ভাবনা (Ideas) হলো পদার্থ (substances)।
    ২. ভাবনা হলো সব কিছুর মূল সারাংশ (essence)।
    ৩. ভাবনা হলো বস্তুর প্রতিফলন (reflections)।
    ৪. ভাবনা হলো সর্বজনীন (universal)।
    1. 1 and 2
    2. 2 and 4
    3. Only 2
    4. Only 3
    সঠিক উত্তর:
    Only 3
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Only 3
    ব্যাখ্যা

    প্রদত্ত বাক্যগুলোর তৃতীয় বাক্যটির ক্ষেত্রে প্লেটো ঠিক এর উল্টোটা বলেছেন। 
    প্লেটো বলেছেন, বস্তু জগত হচ্ছে ভাবের প্রতিফলন (reflection), ভাব নয় বস্তুর।
    অর্থাৎ, Ideas are not reflections of things, rather things are reflections of Ideas.

    ১০০.
    Which political thinker rejects Aristotle completely?
    1. Machiavelli
    2. Hobbes
    3. Locke
    4. Rousseau
    সঠিক উত্তর:
    Hobbes
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Hobbes
    ব্যাখ্যা

    Thomas Hobbes rejects Aristotle’s idea of a natural social order and virtuous polity, arguing instead that humans are naturally selfish and require a strong absolute sovereign to maintain order.
    এরিস্টটল মনে করতেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রাণী, কিন্তু হবস যুক্তি দেন যে মানুষ স্বভাবগতভাবে স্বার্থপর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং তাদের অবশ্যই নিরঙ্কুশ শাসকের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। 

    ১০১.
    Machiavelli is regarded as the first modern political thinker because of-
    ম্যাকিয়াভেলিকে প্রথম আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তক বলা হয় কারণ- 
    1. Separation of ethics and religion from politics
      নৈতিকতা ও ধর্মকে রাজনীতি থেকে আলাদা করেছেন
    2. Forerunner of nation state
      জাতিরাষ্ট্রের অগ্রদূত 
    3. Represented the spirit of renaissance
      রেনেসাঁর ভাবধারার প্রতিফলন ঘটে
    4. Subordination of church to state
      ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রের অধীন করা
    সঠিক উত্তর:
    Separation of ethics and religion from politics
    নৈতিকতা ও ধর্মকে রাজনীতি থেকে আলাদা করেছেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Separation of ethics and religion from politics
    নৈতিকতা ও ধর্মকে রাজনীতি থেকে আলাদা করেছেন
    ব্যাখ্যা

    নৈতিকতা ও ধর্মকে রাজনীতি থেকে পৃথক করার কারণে ম্যাকিয়াভেলিকে প্রথম আধুনিক রাজনৈতিক চিন্তাবিদ হিসেবে ধরা হয়।

    ১০২.
    Which one of the following is not a source of Plato's theory of ideas?
    নিচের কোনটি প্লেটোর ভাবতত্ত্বের (Theory of Ideas) উৎস নয়?
    1. Heracleitus - The notion of sphere of becoming (পরিবর্তনশীল জগতের ধারণা)
    2. Antisthenes - The notion of absolute asceticism and rigorous self-mortification (সংযমবাদ এবং কঠোর আত্মত্যাগের ধারণা) 
    3. Socrates - The doctrine of concepts
      (ধারণাতত্ত্ব)
    4. Eleatics - The idea of a sphere of absolute being (পরম সত্তার ধারণা)
    সঠিক উত্তর:
    Antisthenes - The notion of absolute asceticism and rigorous self-mortification (সংযমবাদ এবং কঠোর আত্মত্যাগের ধারণা) 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Antisthenes - The notion of absolute asceticism and rigorous self-mortification (সংযমবাদ এবং কঠোর আত্মত্যাগের ধারণা) 
    ব্যাখ্যা

    ক) Heracleitus — পরিবর্তনশীল জগতের ধারণা নিয়ে আলোচনা করেন, যা প্লেটোর “becoming” বা পরিবর্তনের জগতের ধারণা (sphere of becoming) এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

    খ) Antisthenes — তিনি সোক্রেটিসের ছাত্র, কিন্তু তাঁর মূল ভাবনা ছিল সংযমবাদ (asceticism) এবং কঠোর আত্মত্যাগ, যা প্লেটোর ভাবতত্ত্বের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

    গ) Socrates — প্লেটোর গুরু, যিনি ধারণার (concepts) ওপর জোর দিয়েছেন, যা প্লেটোর ভাবতত্ত্বের ভিত্তি।

    ঘ) Eleatics — তারা চিরস্থায়ী ও অপরিবর্তনীয় অস্তিত্বের ধারণা দিয়েছিলেন, যা প্লেটোর absolute being এর ধারণার সঙ্গে মিলে।

    ১০৩.
    Plato based his three fold classification of society, namely working classes, warriors and the rulers upon which of the following faculties of the human soul?
    (প্লেটো মানব আত্মার কোন কোন ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে করেছিলেন?তার সমাজের তিনভাগ শ্রমিক শ্রেণি, যোদ্ধা শ্রেণি এবং শাসক শ্রেণিতে ভাগ করেছেন?) 
    1. Appetite
    2. Greed
    3. Wisdom
    4. All of these
    সঠিক উত্তর:
    All of these
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    All of these
    ব্যাখ্যা

    প্লেটোর মতে, মানুষের প্রবৃত্তি ও বাসনার মধ্যে তিনটি প্রবণতা উল্লেখযোগ্য: (ক) ক্ষুধা বা ইতর প্রবৃত্তি (appetite), (খ) শৌর্যবীর্য বা গৌরববোধ (courage), এবং (গ) বিবেক বা উন্নত প্রবৃত্তি (reason)। মানব মনের এ তিন প্রবণতাকে ভিত্তি করে রাষ্ট্রে তিনটি শ্রেণীর উদ্ভব হয়, যথা- (ক) কর্মী বা উৎপাদক শ্রেণী (labourers)। তারা দৈহিক পরিশ্রমের দ্বারা পার্থিব প্রয়োজন মিটিয়ে থাকে। (খ) সৈনিক গোষ্ঠী (warriors)। তারা প্রয়োজনবোধে স্বীয় জীবন বিপন্ন করেও রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করে। (গ) শাসক গোষ্ঠী (magistrates)। তাঁরা জনগণের উন্নত জীবনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ও সকলের মঙ্গল নিশ্চিত করেন।

    ১০৪.
    Who defined political science as 'the study of the shaping and sharing of power'?
    কে রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে "ক্ষমতা গঠনের এবং ভাগাভাগির অধ্যয়ন" বলেছেন?
    1. Weber
    2. Maciver
    3. Lasswell and Kaplan
    4. Catlin
    সঠিক উত্তর:
    Lasswell and Kaplan
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Lasswell and Kaplan
    ব্যাখ্যা

    Harold D. Lasswell and Abraham Kaplan define Political Science as “the study of shaping and sharing of power”. In a word, Politics deals with both state and power. However, the power that Political Science deals with is, more often than not, the legitimate power.
    হারল্ড ডি. লাসওয়েল এবং আব্রাহাম কাপলান রাজনৈতিক বিজ্ঞানকে সংজ্ঞায়িত করেছেন “ক্ষমতা গঠনের এবং ভাগাভাগির অধ্যয়ন” হিসেবে। এক কথায়, রাজনীতি রাজ্য ও ক্ষমতা—উভয়ের সঙ্গেই সম্পর্কিত। তবে, রাজনৈতিক বিজ্ঞান যে ক্ষমতার কথা বলে, তা প্রায়শই বৈধ (legitimate) ক্ষমতা।

    ১০৫.
    Aristotle's classification of Constitution was based in the categories of-
    এরিস্টটল কিসের ভিত্তিতে সংবিধানের শ্রেণিবিভাগ করেছেন? 
    1. Who rules and who benefits from the rule
      (কে শাসন করে এবং শাসনের ফল যারা ভোগ করে তার আলোকে) 
    2. Ways and means of perpetuating in power
      (ক্ষমতায় থাকার উপায় ও পদ্ধতির ভিত্তিতে) 
    3. Accepting the basic formulations of Plato's the Republic
      ( প্লেটোর রিপাবলিক গ্রন্থের মৌলিক ধারণার আলোকে) 
    4. To ensure rule of the majority (সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন নিশ্চিত করার আলোকে)
    সঠিক উত্তর:
    Who rules and who benefits from the rule
    (কে শাসন করে এবং শাসনের ফল যারা ভোগ করে তার আলোকে) 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Who rules and who benefits from the rule
    (কে শাসন করে এবং শাসনের ফল যারা ভোগ করে তার আলোকে) 
    ব্যাখ্যা

    কে শাসন করছে (শাসকের সং্খ্যা) এবং শাসনের ফল যারা ভোগ করবে (ভালো বা খারাপ) এই আলোকে সংবিধান ভাগ করেছেন। 

    সকলের অভিন্ন স্বার্থ সংরক্ষণ করাই উত্তম লক্ষ্য হলেও সকল সংবিধান এ নীতিতে অবিচল থাকে না। তিনি বলেন যে, কোন কোন সংবিধানে শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা সকলের অভিন্ন স্বার্থ রক্ষাকে প্রাধান্য দেন। এ জাতীয় সংবিধানই যথার্থ বা সঠিক (Real)। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে শাসকগোষ্ঠী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্বার্থ অর্জনকে প্রাধান্য দেয়। এ জাতীয় সংবিধান হলো বিকৃত (Perverted) সংবিধান। তিনি আরও বলেছেন শাসনক্ষমতা একজন, অল্প কয়েকজন এবং বহুজনের হাতে ন্যাস্ত থাকতে পারে। সুতরাং শাসকের গুণ বা কে শাসন করছে(অভিন্ন স্বার্থ) বা সংকীর্ণ স্বার্থ এবং শাসকের সংখ্যা (এক জন, কয়েকজন বা বহুজন) এ দুটি নীতির উপর ভিত্তি করে এরিস্টটল।

    ১০৬.
    According to Plato justice is-
    প্লেটোর মতে ন্যায়বিচার হলো-
    1. Distribution of goods and services
      ভালো কাজ ও সেবা প্রদান
    2. Burdens and benefits 
      দায় ও সুবিধা
    3. Punishment and retribution
      শাস্তি ও প্রতিফল 
    4. One man one work, one class one duty
      একক ব্যক্তির একক কাজ, একক শ্রেণির একক দায়িত্ব
    সঠিক উত্তর:
    One man one work, one class one duty
    একক ব্যক্তির একক কাজ, একক শ্রেণির একক দায়িত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    One man one work, one class one duty
    একক ব্যক্তির একক কাজ, একক শ্রেণির একক দায়িত্ব
    ব্যাখ্যা

    প্লেটোর মতে ব্যক্তির বাসনা ও আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন। তাই নিজেদের প্রয়োজন মিটানোর জন্য সকলে পারস্পরিক সহযোগিতা, একতা ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়াসী হয়। এ সহযোগিতা ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনে ব্যক্তিবর্গ নিজ নিজ যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা অনুযায়ী সামাজিক কার্যে নিযুক্ত হয়। প্লেটো মনে করেন যে, ব্যক্তির স্বাভাবিক ক্ষমতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী তাদেরকে কার্যে নিয়োগ করলে সর্বাপেক্ষা অধিক ফল লাভ ঘটে। স্বাভাবিক ক্ষমতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যে ব্যক্তি যে কাজের জন্য সর্বোত্তম তাকে সে কাজে নিয়োগ করলে সর্বোত্তম ফল পাওয়া যায়। যোগ্যতার মানদণ্ডে পরিমাপ করে যথাযোগ্য পর্যায়ে নিয়োগের পরিপ্রেক্ষিতে প্লেটো বলেন যে, "ন্যায়নীতি হলো সে উদার নীতি, যা প্রত্যেক ব্যক্তিকে স্ব স্ব প্রাপ্য দেয়ার নিশ্চয়তা বিধান করে" ("giving every man his due") 1

    প্লেটোর মতে, প্রত্যেক ব্যক্তি যদি স্ব স্ব যোগ্যতা অনুসারে কর্তব্য পালন করে এবং যদি ব্যক্তির যোগ্যতানুসারে কার্য বিভাগ বা শ্রমবিভাগ সংগঠিত হয়, তা হলে ব্যক্তির মধ্যে অধিকতর পারস্পরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাষ্ট্রের ঐক্য দৃঢ় হয়।

    ১০৭.
    Who among the following political thinkers are generally regarded as founders of philosophical approach?
    (নিচের কোন কোন রাষ্ট্রচিন্তাবিদ দার্শনিক মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা?)
    1. Plato and Aristotle
    2. Hobbes, Locke, Rousseau
    3. Jeremy Bentham and J. S. Mill
    4. Kant, Hegal
    সঠিক উত্তর:
    Plato and Aristotle
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Plato and Aristotle
    ব্যাখ্যা

    প্লেটো, এরিস্টটল প্রথম দার্শনিক মতবাদ ব্যবহার করেন। তারা রাজনীতি ও রাষ্ট্র সম্পর্কে মূলগত প্রশ্ন তুলেছিলেন।
    ন্যায় কী?

    আদর্শ রাষ্ট্র কেমন হওয়া উচিত?

    মানব প্রকৃতি ও শাসনের সম্পর্ক কী?

    তাঁরা নৈতিকতা, যুক্তি, এবং জ্ঞানতত্ত্ব (epistemology) ব্যবহার করে রাজনৈতিক তত্ত্ব তৈরি করেন।

    ১০৮.
    The prominent criticism of the Marxian theory is that:
    মার্কসীয় তত্ত্বের প্রধান সমালোচনা হলো:
    1. There is no rigid division of society into two classes
      (সমাজে সুনির্দিষ্টভাবে দুই শ্রেণিতে বিভাজন নেই।)
    2. The size of the middle class has increased under the capitalist system instead of diminishing
      (পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় মধ্যবিত্ত শ্রেণির আকার কমার পরিবর্তে বৃদ্ধি পেয়েছে।)
    3. Both A and B
    4. Its prognosis has not been practicable anywhere, anytime
      (এর পূর্বাভাস কখনো কোথাও কার্যকর হয়নি)
    সঠিক উত্তর:
    Both A and B
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Both A and B
    ব্যাখ্যা

    ক) There is no rigid division of society into two classes:
    মার্কসিয়ান তত্ত্বে সমাজকে দুই শ্রেণিতে বিভক্ত (বুর্জোয়া ও প্রোলেতারিয়েট) ধরা হয়। তবে সমালোচকরা বলেন, সমাজে এই কঠোর বিভাজন আজকাল দেখা যায় না।

    খ) The size of the middle class has increased under the capitalist system instead of diminishing:
    মার্কসের অনুমান ছিল মধ্যবিত্ত শ্রেণি কমে যাবে, কিন্তু বাস্তবে পুঁজিবাদী সমাজে মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিমাণ বেড়েছে।

    ১০৯.
    ......... is not restricted to any geographical area.
    (------- কোনো ভৌগোলিক অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়)
    1. State
    2. Nation
    3. Society
    4. Country
    সঠিক উত্তর:
    Society
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Society
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্র ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত। কিন্তু সমাজের সুনির্দিষ্ট কোন সীমা নেই। সমাজের সঙ্গে ভূখন্ডের কোন সম্পর্ক নেই। সমাজ ছোট বা বড় হতে পারে। এমনকি বিশ্বব্যাপী হতে পারে। যেমন খ্রিষ্টান সমাজ, মুসলিম সমাজ, বৌদ্ধ সমাজ, রেডক্রস সোসাইটি ইত্যাদি।

    ১১০.
    Who made no distinction between State and Society?
    (সমাজ ও রাষ্ট্রের পার্থক্য করেন নি-)
    1. Hegel
    2. Aristotle
    3. Plato
    4. Both B and C
    সঠিক উত্তর:
    Both B and C
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Both B and C
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। প্রাচীন গ্রীক চিন্তাবিদগণ অনেকেই রাষ্ট্র ও সমাজকে এক করে দেখেছেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এরিষ্টটল এবং প্লেটো রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে কোন পার্থক্য করেন নি। রাষ্ট্র ও সমাজকে এক করে দেখার অর্থ সামাজিক বিষয়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ স্বীকার করা।

    ১১১.
    Who among the following is the author of 'The laws'?
    1. Aristotle
    2. Plato
    3. St. Augustine
    4. Dicey
    সঠিক উত্তর:
    Plato
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Plato
    ব্যাখ্যা

    প্লেটোর রচিত গ্রন্থ The Laws।
    রিপাবলিক এর ন্যায় এখানেও রাষ্ট্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তবে এখানে সামাজিক আচরণের জন্য আবশ্যক বিধিনিয়ম নিয়ে অধিকতর বাস্তবধর্মী আলোচনা করা হয় এবং সাধারণ মানুষের আবেগ অনুভূতির প্রতি মনোযোগ দেওয়া হয়। এ গ্রন্থে গ্রিক আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা এবং মানবজীবন সম্পর্কেও অনেক মূল্যবান মন্তব্য করা হয়।

    ১১২.
    গ্রিক রাষ্ট্রচিন্তার মূল বৈশিষ্ট্য-
    1. অভিজ্ঞতাবাদ
    2. যুক্তিবাদ
    3. ধর্ম
    4. অর্থনীতি
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তিবাদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তিবাদ
    ব্যাখ্যা

    যুক্তিকে (reason) সকল ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া ছিল প্রাচীন গ্রীসের রাষ্ট্রদর্শনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। গ্রীকরা মনে করতেন যে, মানব জীবন ও জগৎ সংসার এ সবই যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে প্রতিটি ঘটনার পেছনে যুক্তি কাজ করছে। মানুষ যুক্তিবাদী প্রাণী। তাই যুক্তির দ্বারা পরিচালিত হয়ে মানুষ প্রতিটি ঘটনার বিচার বিশ্লেষণ করে এবং এ ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অর্থাৎ যুক্তিগ্রাহ্য হলে মানুষ তা গ্রহণ করে, আবার যুক্তিবিবর্জিত হলে তা প্রত্যাখান করে। সম্ভবত এ জন্য প্রাচীন গ্রীসের রাষ্ট্রচিন্তা তুলনামূলকভাবে উদার, সংস্কারমুক্ত ও বিশ্লেষণধর্মী। অদৃষ্টবাদ বা অন্যান্য অযৌক্তিক রীতি নীতি তাঁদের মন মানসিকতাকে আচ্ছন্ন করতে পারেনি। অধুনা পাশ্চাত্য সভ্যতা গ্রীক দর্শনের এ উৎকৃষ্ট দিকটির উত্তরাধিকারিত্ব বহন করছে।

    ১১৩.
    রাষ্ট্র কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
    1. সামাজিক
    2. রাজনৈতিক
    3. অর্থনৈতিক
    4. ধর্মীয়ি
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক
    ব্যাখ্যা

    রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান যেখানে শাসক ও শাসিতের সম্পর্ক বিদ্যমান। রাষ্ট্রে কেউ আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করেন। অন্যরা আনুগত্য দান করেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এরিস্টটল রাষ্ট্রের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, "কতিপয় গ্রাম ও পরিবারের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনই রাষ্ট্র।" পরিবারের সম্প্রসারণের ফলে রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে এবং সুন্দর ও পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা গঠনের জন্যই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বিদ্যমান।

    ১১৪.
    অলিখিত সংবিধানের প্রকৃষ্ট উদাহরণ-
    1. বাংলাদেশ
    2. যুক্তরাষ্ট্র
    3. বৃটেন
    4. ভারত
    সঠিক উত্তর:
    বৃটেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বৃটেন
    ব্যাখ্যা

    বৃটিশ সংবিধান অলিখিত সংবিধানের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
    কোন রাষ্ট্রের শাসন পরিচালনার মৌলিক নিয়ম-কানুনগুলো অধিকাংশই যখন কোন দলিলে লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ থাকে না তখন তাকে অলিখিত সংবিধান বলে। অলিখিত সংবিধান মূলত প্রথা, বিচারকের রায়, আচার-ব্যবহার ও রীতি-নীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এরূপ সংবিধান তৈরি হয় না, গড়ে ওঠে। এ সংবিধানের কিছু কিছু ধারা বিচ্ছিন্নভাবে লিপিবদ্ধ থাকে। যেমন- ব্রিটিশ সংবিধান। ঐতিহাসিক ক্রমবিবর্তনের মাধ্যমে অলিখিত সংবিধান গড়ে ওঠে। কোন সংবিধান পরিষদ কর্তৃক অলিখিত সংবিধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় না। সুতরাং অলিখিত সংবিধান হল যার অধিকাংশই অলিখিত আর অল্প অংশ লিখিত। যেমন- যুক্তরাজ্যের সংবিধান।

    ১১৫.
    মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান কে?
    1. সচিব
    2. মন্ত্রি
    3. স্পিকার
    4. উপসচিব
    সঠিক উত্তর:
    মন্ত্রি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মন্ত্রি
    ব্যাখ্যা

    মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন সচিব, যিনি মন্ত্রণালয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন। অন্যদিকে, মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও নির্বাহী প্রধান হলেন মন্ত্রী, যিনি সরকারের মন্ত্রিসভার একজন সদস্য এবং একটি মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক দায়িত্বে থাকেন। 

    ১১৬.
    নিচের কোনটি বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক সমস্যা?
    1. প্রতিষ্ঠানের অভাব
    2. শাসন বিভাগের দুর্বলতা
    3. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
    4. লালফিতার দৌরাত্ম্য
    সঠিক উত্তর:
    লালফিতার দৌরাত্ম্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লালফিতার দৌরাত্ম্য
    ব্যাখ্যা

    আমলাতন্ত্রের সবচেয়ে বড় সমস্যা এর দীর্ঘসূত্রিতা বা লালফিতার দৌরাত্ম্য। আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রতা, আনুষ্ঠানিকতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিচ্ছার ফলে জনগণের সমস্যার কথা, আবেদন-নিবেদন তাঁদের কাছে প্রেরিত হলে সহজে সেই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় না। সকল প্রস্তাব দীর্ঘদিন ফাইলবন্দী থাকে, ফলে সিদ্ধান্ত অযথা বিলম্বিত হয়।

    ১১৭.
    ১৯৬২ সালের সাংবিধানিক আন্দোলন কোথায় সংঘটিত হয়?
    1. পশ্চিম পাকিস্তান
    2. পূর্ব পাকিস্তান
    3. ভারত
    4. শ্রিলঙ্কা
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ব পাকিস্তান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ব পাকিস্তান
    ব্যাখ্যা

    ১৯৬২ সালের শাসনতন্ত্র প্রবর্তনের পর পরই পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়তে থাকে। এ ব্যাপক বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানবাসীকে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করে। পূর্ব পাকিস্তানে সাংবিধানিক আন্দোলন চরম মাত্রা ধারণ করে। 

    ১১৮.
    হবসের মতে 'প্রকৃতির রাজ্যে' মানব জীবন কেমন ছিল?
    1. সুন্দর ও প্রাণবন্ত
    2. শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ
    3. দ্বন্দ্ব ও কলহপূর্ণ এবং ক্ষণস্থায়ী
    4. হিংসা-বিদ্বেষ বিবর্জিত
    সঠিক উত্তর:
    দ্বন্দ্ব ও কলহপূর্ণ এবং ক্ষণস্থায়ী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দ্বন্দ্ব ও কলহপূর্ণ এবং ক্ষণস্থায়ী
    ব্যাখ্যা

    হবসের মতে প্রকৃতির রাজ্য ছিল ভয়াবহ, দ্বন্দ্ব, কলহপূর্ণ ও ক্ষণস্থায়ী।  মানুষের অন্তর্নিহিত গুণাবলীর ভিত্তিতে তিনি প্রকৃতির রাজ্যের এই চিত্র অঙ্কন করেন। তাঁর মতবাদের মৌলিক উপাদান হলো ব্যক্তিত্ববাদ বা অহংবাদ। প্রত্যেক মানুষ আত্মকেন্দ্রিক এবং তাঁর মতে প্রত্যেকে নিজের ভাল চায়। তাই মানব চরিত্রের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য। দ্বিতীয়ত, সব মানুষই প্রায় এমনভাবে সমান যে, জীবনে ভাল জিনিসগুলো নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ও আকাঙ্ক্ষার দিক দিয়ে কেউ সুনির্দিষ্টরূপে অন্যের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ নয়। তাই ক্ষমতা ও উত্তম জিনিস লাভের কামনায় মত্ত হয়ে মানুষ বিরামহীন এক সংগ্রামে লিপ্ত হয়। লোভ, লালসা, কামনা, বাসনা, ক্রোধ প্রভৃতি মানবের আদিম ও অপরিবর্তনীয় অনুভূতি। এ সব আদিম অনুভূতির চরিতার্থে সব মানুষ তাই বিরামহীন সংগ্রামে লিপ্ত হয়। যার ক্ষমতা থাকে, সে ক্ষমতা প্রয়োগ করে। যার ক্ষমতা অল্প, সে চতুরতা ও বুদ্ধির আশ্রয় গ্রহণ করে। ফলে সংগ্রাম বিরামহীনভাবে ক্রমাগত চলতে থাকে।

    ১১৯.
    'Social Contract গ্রন্থের লেখক কে?
    1. টমাস হবস
    2. জন লক
    3. জ্যা জ্যাক রুশো
    4. উপরের সবাই
    সঠিক উত্তর:
    জ্যা জ্যাক রুশো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জ্যা জ্যাক রুশো
    ব্যাখ্যা

    ১৭৬২ সালে প্রকাশিত সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট' গ্রন্থের লেখক হলেন ফরাসি দার্শনিক জঁ-জ্যাক রুসো। রুসো তার এই বিখ্যাত গ্রন্থে রাজনৈতিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার উপায় এবং সরকারের মূলনীতি ব্যাখ্যা করেছেন। 

    ১২০.
    "সংবিধান হলো এমন কতকগুলো আইন ও প্রথার সমষ্টি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত হয়।" এ উক্তিটি কার?
    1. অধ্যাপক ফাইনার
    2. কে.সি হুইয়ার
    3. লর্ড ব্রাইস
    4. সি. এফ, স্ট্রং
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড ব্রাইস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড ব্রাইস
    ব্যাখ্যা

    লর্ড ব্রাইস সংবিধানের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, "সংবিধান হলো এমন কতগুলো আইন ও প্রথার সমষ্টি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত হয়।"
    এরিষ্টটলের মতে, "সংবিধান এমন একটি জীবন পদ্ধতি যা রাষ্ট্র নিজের জন্যে বেছে নিয়েছে।" (Constitution is the way of life the state has chosen for itself)

    ১২১.
    কোন প্রজাতন্ত্রে ফরাসি মডেলের সরকার চালু হয়?
    1. তৃতীয় প্রজাতন্ত্র
    2. চতুর্থ প্রজাতন্ত্র
    3. পঞ্চম প্রজাতন্ত্র
    4. ষষ্ঠ প্রজাতন্ত্র
    সঠিক উত্তর:
    পঞ্চম প্রজাতন্ত্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পঞ্চম প্রজাতন্ত্র
    ব্যাখ্যা

    ফরাসি মডেলের সরকার অর্ধ-রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত ও সংসদীয় ব্যবস্থার সমন্বয় যা ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চালু হয়

    ১২২.
    The concept of separation and balance of powers in the Constitution refers to-
    (সংবিধানে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য ধারণা নির্দেশ করে—)
    1. a separation of powers between various executive departments.
      (বিভিন্ন নির্বাহী বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার বিভাজন।)
    2. a separation of powers between the national and state governments. (জাতীয় এবং রাজ্য সরকারগুলোর মধ্যে ক্ষমতার বিভাজন)
    3. a separation of powers between separate and coequal branches of government (সরকারী শাখাগুলোর মধ্যে পৃথক এবং সমান ক্ষমতার বিভাজন।)
    4. a separation of individual rights from the rights that are granted to state governments (ব্যক্তিগত অধিকার এবং রাজ্য সরকারের অধিকারগুলোর পৃথকীকরণ।)
    সঠিক উত্তর:
    a separation of powers between separate and coequal branches of government (সরকারী শাখাগুলোর মধ্যে পৃথক এবং সমান ক্ষমতার বিভাজন।)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    a separation of powers between separate and coequal branches of government (সরকারী শাখাগুলোর মধ্যে পৃথক এবং সমান ক্ষমতার বিভাজন।)
    ব্যাখ্যা

    সংবিধানে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ ও ভারসাম্য বলতে সাধারণত বুঝানো হয়, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ শাখা যেমন: আইনসভা (Legislature), নির্বাহী (Executive) ও বিচার বিভাগ (Judiciary) আলাদা এবং সমান ক্ষমতা রাখে যাতে কোন শাখা অতিরিক্ত ক্ষমতা লাভ না করে এবং সব শাখা একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে।

    ১২৩.
    আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব কোন দেশে প্রথম চালু হয়?
    1. ফ্রান্স
    2. বৃটেন
    3. অস্ট্রেলিয়া
    4. বেলজিয়াম
    সঠিক উত্তর:
    বেলজিয়াম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বেলজিয়াম
    ব্যাখ্যা

    আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনী ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে। যদি কোনো দল মোট প্রদত্ত ভোটের ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবে।১৭৭৬ সালে আমেরিকান বিপ্লবের সময় দেশটির রাষ্ট্রপতি জন অ্যাডামস তাঁর প্রভাবশালী পুস্তিকা ‘থটস অন গভর্নমেন্ট’-এ আনুপাতিকতার প্রথম প্রস্তাবনাগুলি দিয়েছিলেন। তবে আধুনিক বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৯ সালে বেলজিয়ামে পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।


    মোটামুটিভাবে ইউরোপের নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম, জার্মানি (আংশিক); এশিয়ায় ইসরায়েল, ইন্দোনেশিয়া ও নেপাল; আফ্রিকায় দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়া; লাতিন আমেরিকায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা এবং উত্তর আমেরিকায় আংশিকভাবে কানাডার পিআর পদ্ধতিই আলোচনার দাবি রাখে। তবে বিশ্বে পিআর পদ্ধতির একটি ক্লাসিক উদাহরণ হচ্ছে ইসরায়েল, যেখানে পুরো দেশই একক ভোট এলাকা। যে দল মাত্র ৩.২৫ শতাংশ ভোট পায়, তারাও আসন পায়। এতে ছোট দলগুলো সব সময় সংসদে প্রবেশ করে।

    ১২৪.
    রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য-
    1. আইন প্রণয়ন
    2. জনগণের কল্যাণসাধন
    3. প্রশাসনিক দক্ষতা অর্জন
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    জনগণের কল্যাণসাধন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জনগণের কল্যাণসাধন
    ব্যাখ্যা

    এডমাণ্ড বার্কের (Burke) মতে, 'কতকগুলো লোক যখন তাদের সমবেত চেষ্টার দ্বারা সর্বজনীন স্বার্থ অর্জনের উদ্দেশ্যে কতকগুলো নীতি সম্বন্ধে একমত হয়ে সংঘবদ্ধ হয়, তখন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়"("A body of men united together for promoting by their joint endeavours the national interest upon some particular principles on which they are all agreed")। জনসাধারণের কল্যাণ সাধনই বার্কের মতে রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য।
    অধ্যাপক গেটেলও অনুরূপভাবে রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা নির্দেশ করেছেন। তিনি বলেন, "রাজনৈতিক দল গঠিত হয় কতিপয় ব্যক্তি সমন্বয়ে যাঁরা রাজনৈতিক একক হিসেবে কাজ করেন, ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সরকার গঠন করতে চান ও রাষ্ট্রীয় কার্যনীতি বাস্তবায়িত করতে চান" 

    ১২৫.
    সিস্টেম তত্ত্বে রাজনৈতিক সিস্টেমে চাপ বা পরিবর্তন এলে কী হয়?
    1. স্থিতিশীল হয়
    2. বিলুপ্ত হয়
    3. ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করে
    4. অগ্রগতি হয়
    সঠিক উত্তর:
    ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করে
    ব্যাখ্যা

    ডেভিড ইস্টনের মতে জনৈতিক সিস্টেমে চাপ পড়লে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করে। তবে চাপ সামলাতে না পারলে তার আউটপুট ও ফিডব্যাক চক্রে ব্যাঘাত ঘটে, এবং তা স্থিতিশীলতা হারিয়ে ফেলতে পারে।

    ১২৬.
    ইস্টনের মতে রাজনৈতিক ব্যবস্থার মূল কাজ কী?
    1. আইন প্রণয়ন
    2. চাহিদা ও সমর্থন রূপান্তর
    3. শাসনব্যবস্থা তৈরি
    4. ভোট সংগঠন
    সঠিক উত্তর:
    চাহিদা ও সমর্থন রূপান্তর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চাহিদা ও সমর্থন রূপান্তর
    ব্যাখ্যা

    ডেভিড ইস্টন তার "The Political System" (১৯৫৩ সালে প্রকাশ) গ্রন্থে সর্বপ্রথম সিস্টেম তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করেন। ডেভিড ইস্টন মতে- রাজনৈতিক ব্যবস্থা মূলত ইনপুট-আউটপুট সম্পর্কিত আলোচনা, যার সাথে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম জড়িত। এর মূল কাজ পরিবেশ থেকে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় আসা চাহিদা (demands) এবং সমর্থনকে সংগ্রহ করে সেগুলোকে সিদ্ধান্ত বা নীতিতে রূপান্তর করা। 

    ১২৭.
    প্যারেটোর প্রধান গ্রন্থ কোনটি?
    1. The Power Elite
    2. Political Parties
    3. The Ruling Class
    4. Mind and Society
    সঠিক উত্তর:
    Mind and Society
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Mind and Society
    ব্যাখ্যা

    ভিলফ্রেডো প্যারেটো (Vilfredo Pareto) ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে ইতালির এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে সমাজবিজ্ঞানী, রাজনৈতিক বিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

    তাঁর সুবিখ্যাত দু'টি গ্রন্থ "The Mind and Society' এবং 'The Social System'। এ দু'টি গ্রন্থে তিনি এলিট সম্পর্কে তাঁর মতবাদ বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করেছেন।

    ১২৮.
    এলিট তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা কারা?
    1. প্যারেটো
    2. মসকা
    3. মিশেলস
    4. উপরের সবাই
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবাই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবাই
    ব্যাখ্যা

    এলিট তত্ত্ব (Elite theory) বা অভিজাত তত্ত্ব হলো এমন একটি ধারণা যেখানে বলা হয় যে, সমাজের একটি ছোট, বিশেষ সুবিধা প্রাপ্ত গোষ্ঠী (এলিট বা অভিজাত) সমাজের ওপর ব্যাপক ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ রাখে এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সিদ্ধান্তসমূহ এদের দ্বারাই প্রভাবিত হয়।

    প্রধান তাত্ত্বিকগণ:

    -ভিলফ্রেদো প্যারেটো (Vilfredo Pareto): তিনি অভিজাত তত্ত্বের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা, যিনি সমাজে ক্ষমতার নির্দিষ্ট ভারসাম্য এবং অভিজাতদের উত্থান পতনের ব্যাখ্যা দেন।

    -গায়েতানো মাস্কা (Gaetano Mosca): মাস্কা মনে করতেন যে, যেকোনো সমাজে শাসনকারী অভিজাতদের একটি ছোট গোষ্ঠী থাকে এবং তাদের শাসন অনিবার্য।

    -রবার্ট মিশেলস (Robert Michels):তিনি "অলিগার্কির লৌহ বিধি" (Iron Law of Oligarchy) ব্যাখ্যা করেন, যেখানে বলা হয় যে যেকোনো সংগঠন,এমনকি গণতান্ত্রিক সংগঠনেও ক্ষমতা অল্প কিছু মানুষের হাতে চলে যায়।

    ১২৯.
    মনঃসমীক্ষামূলক পন্থার প্রবর্তক কে?
    1. কার্ল মার্কস
    2. সিগমুন্ড ফ্রয়েড
    3. এডওয়ার্ড বার্নেস
    4. এ. বি. হগার্ট
    সঠিক উত্তর:
    সিগমুন্ড ফ্রয়েড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিগমুন্ড ফ্রয়েড
    ব্যাখ্যা

    সিগমুন্ড ফ্রয়েড (Sigmund Freud) (৬ মে ১৮৫৬ ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯):মনোসমীক্ষামূলক বা মনোবিশ্লেষণমূলক তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি মানুষের মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া, বিশেষ করে অচেতন মনের প্রভাবকে কেন্দ্র করে তাঁর তত্ত্ব তৈরি করেন। তাকে মনোবিজ্ঞানের সাইকোডায়নামিক পদ্ধতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    "দ্য সাইকোপ্যাথোলজি অফ এভরিডে লাইফ" মনোবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বই।

    ১৯১৩ সালে, ফ্রয়েড "টোটেম অ্যান্ড ট্যাবু" বইটি প্রকাশ করেন। এই বইটি ছিল ধর্মের জন্ম এবং একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশের প্রক্রিয়া পুনর্গঠনের একটি প্রচেষ্টা।

    ১৩০.
    ফরাসি মডেলের সরকারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
    1. এককেন্দ্রিক সরকার
    2. ফেডারেল ব্যবস্থা
    3. দ্বৈত নির্বাহী
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    দ্বৈত নির্বাহী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দ্বৈত নির্বাহী
    ব্যাখ্যা

    -অর্ধ-রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত ও সংসদীয় ব্যবস্থার সমন্বয় যা ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চালু হয়।

    -৪র্থ প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করার জন্য প্রবর্তিত হয়।

    -দ্বৈত নির্বাহীঃ রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান।

    -রাষ্ট্রপতি- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন (মেয়াদ ৫ বছর), প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, জাতীয় পরিষদ ভেঙ্গে দেয়া, গণভোট আহ্বানের ক্ষমতা, পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করেন।

    -প্রধানমন্ত্রীঃ রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন, জাতীয় পরিষদের সমর্থন সাপেক্ষে সরকারের অভ্যন্তরীণ নীতি ও দৈনন্দিন পরিচালনার জন্য দায়ী এবং জাতীয় পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ এবং অনাস্থা প্রস্তাবে অপসারিত হতে পারেন।

    ১৩১.
    What did Aristotle say about the soul when the body died?
    মৃতদেহের আত্মা নিয়ে এরিস্টটল বলেন-
    1. It died with body (শরীরের সাথে আত্মাও মরে যায়) 
    2. It left before the body died (শরীরের আগেই আত্মা ছেড়ে যায়) 
    3. The soul is immortal (আত্মা অমর)
    4. None of these
    সঠিক উত্তর:
    It died with body (শরীরের সাথে আত্মাও মরে যায়) 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    It died with body (শরীরের সাথে আত্মাও মরে যায়) 
    ব্যাখ্যা

    অ্যারিস্টটল আত্মা (soul) ও দেহ (body)–এর সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন হিউলোমরফিক (hylomorphic) তত্ত্বের মাধ্যমে। তাঁর মতে:

    -আত্মা হল দেহের রূপ (form) — অর্থাৎ আত্মা ছাড়া দেহ জীবিত হতে পারে না।

    -আত্মা এবং দেহ একে অপরের পরিপূরক।

    -দেহ মারা গেলে আত্মাও আর টিকে থাকে না, কারণ আত্মা শুধু তখনই থাকে যখন দেহ জীবিত থাকে।


    প্লেটোর মতো অ্যারিস্টটল আত্মাকে দেহ থেকে পৃথক ও চিরন্তন ভাবেননি। 

    ১৩২.
    Jean Bodin claims to be the first modern writer to give the idea of sovereignty. He discussed it at length in:
    (জ্যা বোদাকে বলা হয় সার্বভৌমত্বের প্রথম আধুনিক লেখক। এই সম্পর্কে তিনি তাঁর কোন বইতে আলোচনা করেন?)
    1. Lectures on Jurisprudence
    2. On Sovereignty
    3. Six Livres de la république  
    4. Recent Theories of Sovereignty
    সঠিক উত্তর:
    Six Livres de la république  
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Six Livres de la république  
    ব্যাখ্যা

    Six Livres de la république (1576; The Six Bookes of a Commonweale, 1606) Bodin argued that the political bond that made every man subject to one sovereign power overrode religious differences. 

    জাঁ বোঁদার রাষ্ট্রচিন্তা প্রস্ফুটিত হয় তাঁর গ্রন্থ 'রিপাবলিকের' ছয়টি অংশের মধ্যে। তাছাড়া, অন্য একটি গ্রন্থে তিনি ইতিহাস অধ্যয়নের পদ্ধতির বিশেষ বর্ণনা দান করেছেন। তবে রাষ্ট্রনৈতিক চিন্তাধারার ইতিহাসে তাঁর যে অবদানের জন্য তিনি অমর হয়ে আছেন তা রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের বিবরণ। তিনি সার্বভৌমত্বকে রাষ্ট্রের মধ্যে নির্দেশ দানকারী, নিরঙ্কুশ এবং স্থায়ী ক্ষমতা বলে বর্ণনা করেন এবং নাগরিকদের উপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণমুক্ত ক্ষমতা বলে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর কথায়, "সার্বভৌমত্ব নাগরিক এবং প্রজাদের উপর আইনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
    তথ্যসূত্রঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কথা- ড এমাজউদ্দীন আহমদ 

    ১৩৩.
    Which of the following are the features of Plato's theory of education?
    1. It is a means of social righteousness and realisation of truth.
    2. Elementary education begins at childhood up to the age of six.
    3. The public test is held at the age of twenty.
    4. At the age thirty, a second selective test is to take place.
    Choose the correct answer:
    (নিচের কোনটি প্লেটোর শিক্ষাতত্ত্বের বৈশিষ্ট্য?
    ১. এটি সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং সত্য উপলব্ধির উপায়
    ২. প্রাথমিক শিক্ষার সময়কাল বাল্য থেকে ৬ বছর পর্যন্ত।
    ৩. ২০ বছর বয়সে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
    ৪. ৩০ বছর বয়সে দ্বিতীয় নির্বাচনী পরীক্ষা হবে।
    1. Only 1 and 2
    2. Only 2 and 3
    3. Only 1, 3 and 4
    4. 1, 2, 3 and 4
    সঠিক উত্তর:
    Only 1, 3 and 4
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Only 1, 3 and 4
    ব্যাখ্যা

    -Education implant ideas of truth and righteousness.
    -Element education should be started at the age of six. For the first 10 years, focus should be mainly on physical education.
    - A test will be held at the age of 20 to examine children for higher education, subjects like arithmetic, astronomy, geometry and dialectics were taught.
    -At the age of 30, students would take another elimination test.Believed strong state-controlled education for both men and women.

    Thus, only (i), (iii) and (iv) are correct

    প্রাথমিক শিক্ষা ৬ বছর বয়স থেকে শুরু হবে। এটি ছাড়া বাকিগুলো সত্য।

    ১৩৪.
    বিচ্ছিন্নতাবাদের আশঙ্কা থাকে কোন ব্যবস্থাতে........ ব্যবস্থাতে।
    1. এককেন্দ্রিক
    2. যুক্তরাষ্ট্রীয়
    3. রাষ্ট্রপতি শাসিত
    4. স্বৈরাচারী
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্রীয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্রীয়
    ব্যাখ্যা

    যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার অন্যতম বড় সমস্যা বিচ্ছিন্নতাবাদের আশঙ্কা। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এর অন্তর্নিহিত দুর্বলতা। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার যে কোন সময়ে ভেঙে পড়তে পারে। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, বিভিন্ন অঞ্চল যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার চেষ্টা চালায় এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাছাড়া জরুরী অবস্থার মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হওয়ায় দায়িত্ব খন্ডিত ও সীমাবদ্ধ বলে সংকটকালীন সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয় না। ফলে অনেক সময়ে সরকারকে সংকটে পড়তে হয়।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএ বএসএস প্রোগ্রাম

    ১৩৫.
    Rousseau's General Will means
    1. Actual will
    2. Sum total of wills
    3. Majority will
    4. Real will
    সঠিক উত্তর:
    Real will
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Real will
    ব্যাখ্যা

    রুশোর মতে, চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টি হবার পর 'সাধারণ ইচ্ছার' জন্ম হয়। সাধারণ ইচ্ছা 'সকলের ইচ্ছা' অথবা 'অধিকাংশের ইচ্ছা' (Will of all or will of the majority) নয়। সকলের ইচ্ছা হলো সকল নাগরিকের ইচ্ছার সমষ্টি, কিন্তু সাধারণ ইচ্ছা সকলের মঙ্গলার্থে সৃষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রনৈতিক সমাজ সৃষ্টি হলে নাগরিকের ব্যক্তিগত ইচ্ছা সাধারণ ইচ্ছার নিয়ন্ত্রণাধীনে আসে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ব্যবধান দূর হয়।

    সাধারণ ইচ্ছার লক্ষ্য হলো প্রত্যেক নাগরিকের কল্যাণ সাধন। সাধারণের কল্যাণই সাধারণ ইচ্ছার বৈশিষ্ট্য। সাধারণ ইচ্ছা সকলের বা অধিকাংশের বা সংখ্যালঘিষ্ঠের ইচ্ছা কিনা, এ ক্ষেত্রে তা নিষ্প্রয়োজন। আসল কথা, সাধারণ ইচ্ছা সর্বসাধারণের কল্যাণ সাধনের উপায়। কোন কোন সময়ে তা সকলের ইচ্ছাও হতে পারে, আবার কোন কোন সময়ে তা অধিকাংশের ইচ্ছাও হতে পারে।

    তিনি বলেন, একজন ব্যক্তির 'ব্যক্তিগত ইচ্ছা' (Actual Will) ও "প্রকৃত ইচ্ছা" (Real Will) থাকতে পারে। ব্যক্তির ইচ্ছা তার স্বার্থ বিজড়িত ইচ্ছা। তা ব্যক্তির স্বার্থভিত্তিক। কিন্তু প্রকৃত ইচ্ছা ব্যক্তির যুক্তিযুক্ত ইচ্ছা। তা সমাজের সাধারণ কল্যাণে নিয়োজিত। ব্যক্তিগত ইচ্ছা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু প্রকৃত ইচ্ছা চিরস্থায়ী। একটি সীমিত গণ্ডির মধ্যে অবস্থান করে, কিন্তু অন্যটি সীমাহীন কল্যাণ অর্জনে ব্রতী হয়। রুশোর মতে, 'সাধারণ ইচ্ছা' (General Will) ব্যক্তি সমষ্টির প্রকৃত ইচ্ছার সমষ্টি (sum total of real will), (sum total of will নয়।) 'সাধারণ ইচ্ছার' উল্লেখযোগ্য দিক হলো- "তা সাধারণের জন্য ইচ্ছা; সাধারণ জনগণ কর্তৃক ইচ্ছা প্রকাশিত হতে নাও পারে"

    তথ্যসূত্রঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কথা- ড এমাজউদ্দীন আহমদ

    ১৩৬.
    আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বে সুবিধা কারা পায়?
    1. ছোট দল
    2. বড় দল
    3. প্রশাসন
    4. ক্ষমতাসীন দল
    সঠিক উত্তর:
    ছোট দল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ছোট দল
    ব্যাখ্যা

    আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনী ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে। যদি কোনো দল মোট প্রদত্ত ভোটের ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবে।১৭৭৬ সালে আমেরিকান বিপ্লবের সময় দেশটির রাষ্ট্রপতি জন অ্যাডামস তাঁর প্রভাবশালী পুস্তিকা ‘থটস অন গভর্নমেন্ট’-এ আনুপাতিকতার প্রথম প্রস্তাবনাগুলি দিয়েছিলেন। এতে ছোট দলগুলো সুবিধা পায়। বিশ্বে পিআর পদ্ধতির একটি ক্লাসিক উদাহরণ হচ্ছে ইসরায়েল, যেখানে পুরো দেশই একক ভোট এলাকা। যে দল মাত্র ৩.২৫ শতাংশ ভোট পায়, তারাও আসন পায়। এতে ছোট দলগুলো সব সময় সংসদে প্রবেশ করে।

    ১৩৭.
    মন্টেস্কুর গ্রন্থ কোনটি?
    1. The Republic
    2. The Social Contract Theory
    3. The Spirit of Laws
    4. The Laws
    সঠিক উত্তর:
    The Spirit of Laws
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The Spirit of Laws
    ব্যাখ্যা

    ১৭৪৮ সালে প্রকাশিত হয় মন্টেস্কুর গ্রন্থ The Spirit of Laws। এ গ্রন্থে সর্বপ্রথম পরিপূর্ণভাবে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির আধুনিক ব্যাখ্যা দান করেন। এজন্য তাকে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা বলা হয়।

    ১৩৮.
    সক্রেটিসের দর্শনের মূল কেন্দ্র কী ছিল?
    1. নৈতিকতা
    2. সামরিক শক্তি
    3. অর্থনীতি
    4. ধর্ম
    সঠিক উত্তর:
    নৈতিকতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নৈতিকতা
    ব্যাখ্যা

    সক্রেটিসের দর্শনের মূলকেন্দ্র ছিল নৈতিকতা।
    সক্রেটিসের মতে, অত্মজ্ঞান (self-knowledge) অর্জনই প্রত্যেক মানুষের প্রথম ও প্রধান কর্তব্য। তিনি মনে করতেন নৈতিক জ্ঞান জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং আর সব জ্ঞান নৈতিকজ্ঞানের অধীন। সার্বিক জ্ঞান অর্জন বা সার্বিক ধারণা গঠন করাই সক্রেটিয় দর্শনের মূলকথা। সার্বিক জ্ঞান (concept) হল বস্তু সম্পর্কে যথার্থ জ্ঞান। কোন শ্রেণী বা জাতিসমূহের মধ্যে যে সাধারণ ও আবশ্যক গুণগুলো (common and essential attributes) রয়েছে তাদের সমষ্টিগত রূপই হলো সার্বিক জ্ঞান। সার্বিক জ্ঞানের সাহায্যো কেন বস্তু বা বিষয়কে যথার্থরূপে ব্যাখ্যা করা চলে। জ্ঞান অর্জনে প্রজ্ঞা (understanding) প্রয়োগের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। সার্বিক জ্ঞান বা ধারণা অর্জনে তিনি প্রজ্ঞাকে দুভাবে ব্যবহার করে সত্যে উপনীত হতে বলেন। প্রথমত তিনি কোন শ্রেণীর ঘটনা বা বস্তুসমূহ পর্যবেক্ষণ করে তা থেকে সাধারণ সতা বা নিয়ম প্রতিষ্ঠা করতে বলেন। এটি আরোহ পদ্ধতি (Inductive method) অনুসরণ করে হয়ে থাকে। অন্যদিকে, অবরোহ পদ্ধতি (Deductive method) আরোহ পদ্ধতির বিপরীত। আরোহ পদ্ধতির সাহায্যে প্রাপ্ত সার্বিক (universal) সিদ্ধান্ত কোন ঘটনা বা বস্তুর ওপর প্রযোজ্য হয় কিনা তা পরীক্ষা করা।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএ প্রোগ্রাম

    ১৩৯.
    অর্থশাস্ত্রে কূটনৈতিক সম্পর্কে....... নীতির কথা বলেছেন।
    1. ষাড়গুণ্যনীতি
    2. সপ্ততত্ত্ব নীতি
    3. ত্রিবিধ তত্ত্বের নীতি
    4. সাতাঙ্গ নীতি
    সঠিক উত্তর:
    ষাড়গুণ্যনীতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ষাড়গুণ্যনীতি
    ব্যাখ্যা

    কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রের অন্যতম একটি বিষয় ছিল কূটনীতি। কোটিল্য রাজাকে অন্য রাষ্ট্রের সাথে কূটনীতিক সম্পর্কে কিভাবে হবে এবং কি ধরনের হবে তা আলোচনা করতে যেয়ে অর্থশাস্ত্রের সপ্তম ভাগে প্রথম অধ্যায়ে 'যাডগুন্যনীতি' বা sixfold policy কথা বলেছেন। এগুলো হলো-
    - সন্ধি
    - বিগ্রহ
    - আসন
    - যান
    - সংশ্রয়
    - দ্বৈধীভাব (double standard)

    এবং কূটনীতি প্রয়োগের ক্ষেত্রে তিনি ৫ ধরনের কৌশলের কথা বলেছেন। যার মাধ্যমে রাষ্ট্র সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। এগুলো হলো-
    -সম
    - দান
    - ভেদ
    -মায়া
    -দণ্ড

    তথ্যসূত্রঃ প্রাচীন ভারতবর্ষে সুশাসন ব্যবস্থা, মমতাজউদ্দিন আহমেদ

    ১৪০.
    সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানীর নাম ছিল-
    1. সোনারগাঁও
    2. জাহাঙ্গীরনগর
    3. পুন্ড্র
    4. হর্ষবর্ধন
    সঠিক উত্তর:
    সোনারগাঁও
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সোনারগাঁও
    ব্যাখ্যা

    মধ্যযুগে বাংলাদেশে সুলতানী শাসন এক গৌরবজনক অধ্যায়। অখণ্ড বাংলার প্রথম সুলতান ছিলেন হাজী শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনিই ‘শাহ ই বাঙ্গালা’ ও ‘শাহ ই বাঙালি’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর সময় বাংলার অধিবাসীরা বাঙালি হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে। সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিলো সোনারগাঁও।

    ১৪১.
    ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে কত দূরে অবস্থিত?
    1. ১৯.৩ কিমি
    2. ২১ কিমি
    3. ২৪.৭ কিমি
    4. ১৬.৫ কিমি
    সঠিক উত্তর:
    ১৬.৫ কিমি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬.৫ কিমি
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের রাজশাহী সীমান্তের ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে বাঁধটি নির্মিত। কলকাতা বন্দরের নাব্য বৃদ্ধির অজুহাতে ভারত ১৯৫৬ সালে এই প্রকল্প হাতে নেয়।
    তথ্যসূত্র: দৈনিক পত্রিকা
    তবে বাংলাপিডিয়ার মতে, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় ১৮ কিমি উজানে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ করেছে।

    ১৪২.
    অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সবচেয়ে দক্ষ প্রবর্তক-
    1. লর্ড ক্লাইভ
    2. লর্ড ওয়েলেসলি
    3. লর্ড মিন্টো
    4. লর্ড বেন্টিংক
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড ওয়েলেসলি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লর্ড ওয়েলেসলি
    ব্যাখ্যা

    অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সাথে লর্ড ওয়েলেসলির নাম জড়িয়ে থাকলেও তিনি এই নীতির আবিষ্কারক নন। যদিও তার সময়েই এই নীতি দক্ষতার সাথে এবং ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। ওয়েলেসলির পূর্বসূরী লর্ড ক্লাইভ ও ওয়ারেন হেস্টিংসও এই নীতি সীমিতভাবে প্রয়োগ করেছিলেন।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএসবিএসএস প্রোগ্রাম

    ১৪৩.
    মন্টেন্ড চেমসফোর্ড সংস্কার আইন হয়-
    1. ১৯০৯ সালে
    2. ১৯১৬ দালে
    3. ১৯১৯ সালে
    4. ১৯৩০ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯১৯ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯১৯ সালে
    ব্যাখ্যা

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারতবাসীর সহযোগিতার পুরস্কারস্বরূপ এবং যুদ্ধ শেষে ভারতের জন্য নতুন শাসনতান্ত্রিক সংস্কার অবধারিত ছিল বিধায় ভারত সচিব মন্টেও ১৯১৭ সালের ২০ আগস্ট কমন্স সভায় ঘোষণা করেন যে, ভারতীয়দের ভারত শাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অধিকতর সুযোগ দিয়ে পর্যায়ক্রমে দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা ব্রিটিশ সরকারের নীতি। এর ভিত্তিতে ভারত সচিব মন্টেন্ড এবং ভাইসরয় ও গভর্ণর জেনারেল চেমসফোর্ড এ দু'য়ের যৌথ প্রচেষ্টায় ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন বা মন্টেও-চেমসফোর্ড আইন পাশ করা হয়।

    ১৪৪.
    বাংলায় 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' বিলুপ্ত করা হয় কোন সালে?
    1. ১৯০৫ সালে
    2. ১৯৩৭ সালে
    3. ১৯৪৭ সালে
    4. ১৯৫০ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৫০ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৫০ সালে
    ব্যাখ্যা

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গীয় জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল, ১৯৪৮ পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন-এ পরিণত হয়। এ আইনের আওতায় শেষ পর্যন্ত চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার অবসান ঘটে। এখন থেকে রায়ত বা প্রজাগণ জমির মালিক বা স্বত্বাধিকারী হিসেবে অভিহিত হয়। আর সরকারের প্রজা হিসেবে সরকারকেই তারা সরাসরি খাজনা প্রদান করতে থাকে।

    ১৪৫.
    বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল -
    1. জজ কোর্ট
    2. হাইকোর্ট বিভাগ
    3. আপিল বিভাগ
    4. সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    আপিল বিভাগ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আপিল বিভাগ
    ব্যাখ্যা

    আপিল বিভাগ:
    - বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
    - হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
    - এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

    ১৪৬.
    স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন কে?
    1. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
    2. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
    3. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
    4. আব্দুস সাত্তার
    সঠিক উত্তর:
    খন্দকার মোশতাক আহমেদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খন্দকার মোশতাক আহমেদ
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
    - ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
    - প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
    - মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনে।
    - ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।

    তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

    ১৪৭.
    স্বৈরাচার এরশাদ পতন আন্দোলনে নিহত শহীদ কে?
    1. হামিদুর রহমান
    2. নূর হোসেন
    3. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা
    4. রফিক
    সঠিক উত্তর:
    নূর হোসেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নূর হোসেন
    ব্যাখ্যা

    গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয় ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে।
    - এই আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের ৯ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে।
    - এর তিন বছর আগে আরেকটি গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হলেও সেটি ব্যর্থ হয়।।
    - সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নুর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
    - নূর হোসেনের বুকে-পিঠে লেখা শ্লোগান 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
    - ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।

    তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।

    ১৪৮.
    গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান কোন সদস্য?
    1. শামসুল হক
    2. আতাউর রহমান খান
    3. শামসুর রাহমান
    4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    সঠিক উত্তর:
    ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    ব্যাখ্যা

    ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
    - মুসলিম লীগের সকল সদস্য এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
    - এ ঘটনায় পূর্ব বাংলার শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে প্রতিবাদ করতে থাকে।
    - ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঢাকার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।
    - ২রা মার্চ ১৯৪৮ সালে দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
    - রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

    ১৪৯.
    ’বরিশাল’ মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অন্তর্গত ছিল?
    1. ২ নং
    2. ৩ নং
    3. ৫ নং
    4. ৯ নং
    সঠিক উত্তর:
    ৯ নং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯ নং
    ব্যাখ্যা

    মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর ৯নং :
    - পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর ৯নং ’।
    - ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন।
    - এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর।
    - এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।

    ১৫০.
    তমুদ্দিন মজলিশ কবে ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে পুস্তিকা প্রকাশ করে?
    1. ১৯৪৭ সালে
    2. ১৯৪৮ সালে
    3. ১৯৪৯ সালে
    4. ১৯৫০ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৪৭ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৪৭ সালে
    ব্যাখ্যা

    তমুদ্দিন মজলিসের লক্ষ ছিল, কুসংস্কার দুর করে যুক্তিবাদের উপর সত্য সুন্দর ও মানবীয় মুল্যবোধ ভিত্তিক শিল্প ও সাহিত্যের মাধ্যমের দেশ ও সমাজ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
    - তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র ছিল সাপ্তাহিক সৈনিক
    - তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে

    ১৫১.
    তারামন বিবি কত নং সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
    1. ২নং
    2. ৪ নং
    3. ১১ নং
    4. তিনি কোনো সেক্টরের অধীন ছিলেন না
    সঠিক উত্তর:
    ১১ নং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১১ নং
    ব্যাখ্যা

    - তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে কর্নেল তাহেরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন এবং পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করেন।
    - মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
    - মৃত্যুবরণ করেন ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর।

    উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, দৈনিক প্রথম আলো।

    ১৫২.
    মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কোন দেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে?
    1. চীন
    2. ভারত
    3. যুক্তরাষ্ট্র
    4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
    সঠিক উত্তর:
    সোভিয়েত ইউনিয়ন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সোভিয়েত ইউনিয়ন
    ব্যাখ্যা

    সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল, যদিও তার ভূমিকা প্রধানত কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
    - সেই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং এই ভেটো প্রয়োগের ফলে পাকিস্তানের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে থাকে।
    - সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ে সাহায্য করে এবং মুক্তিযুদ্ধের ন্যায্যতাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে।
    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।

    ১৫৩.
    বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ রয়েছে?
    1. ৫৭ অনুচ্ছেদ
    2. ৫৮ অনুচ্ছেদ
    3. ৫৯ অনুচ্ছেদ
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ৫৯ অনুচ্ছেদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫৯ অনুচ্ছেদ
    ব্যাখ্যা

    অনুচ্ছেদ ৫৯: প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক ইউনিটের স্থানীয় শাসন নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত সংস্থাগুলির উপর ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে।
    অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষনাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

    ১৫৪.
    মুক্তিযুদ্ধে 'কাদেরিয়া বাহিনী'র প্রতিষ্ঠাতা কাদের সিদ্দিকী কোন এলাকায় সবচেয়ে কার্যকর গেরিলা কার্যক্রম পরিচালনা করেন?
    1. ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও ভালুকা এলাকায়
    2. টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও মধুপুর এলাকায়
    3. গাজীপুরের শ্রীপুর ও কাপাসিয়া এলাকায়
    4. মাগুরার শ্রীপুর ও বেলনগর এলাকায়
    সঠিক উত্তর:
    টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও মধুপুর এলাকায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও মধুপুর এলাকায়
    ব্যাখ্যা

    'কাদেরিয়া বাহিনী' টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী ও মধুপুর অঞ্চলে অত্যন্ত সফল গেরিলা কার্যক্রম পরিচালনা করে পাকিস্তানি সেনাদের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

    সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে ওঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল), আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ), বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল), হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল), হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ), আকবর বাহিনী (মাগুরা), লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা) ও জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।

    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

    ১৫৫.
    মুক্তিযুদ্ধের সময় ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে কোন বাহিনী গঠিত হয়েছিল?
    1. এস ফোর্স
    2. কে ফোর্স
    3. জেড ফোর্স
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    জেড ফোর্স
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জেড ফোর্স
    ব্যাখ্যা

    মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
    - 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
    - ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

    কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।
    দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয় এস ফোর্স।

    ১৫৬.
    বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান চালু+
    1. ৪র্থ
    2. ৭ম
    3. ৯ম
    4. ১২দশ
    সঠিক উত্তর:
    ৯ম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯ম
    ব্যাখ্যা

    নবম সংশোধনী আইন:
    - সংবিধান আইন, ১৯৮৯ (নবম সংশোধনী) পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে।
    - এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়; রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।
    - এই সংশোধনীতে আরও বলা হয় যে, শূন্যতা সৃষ্টি হলে একজন উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা যেতে পারে, তবে সেই নিয়োগের পক্ষে জাতীয় সংসদের অনুমোদন আবশ্যক হবে।

    ১৫৭.
    অপারেশন ওমেগা কী?
    1. মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে ত্রাণকার্য পরিচালনা
    2. মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডার অপারেশন
    3. মুক্তিযুদ্ধে ক্র্যাক প্লাটুন কর্তৃক অপারেশন
    4. পাকিস্থানি বাহিনী কর্তৃক ২৫ মার্চ অপারেশন
    সঠিক উত্তর:
    মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে ত্রাণকার্য পরিচালনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে ত্রাণকার্য পরিচালনা
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের মুক্তি-আন্দোলনের পক্ষে ইংল্যান্ডে জন্ম নেয় অনন্য উদ্যোগ ‘অপারেশন ওমেগা’।
    - এর সদস্যরা মনে করেন বাংলাদেশের ভেতরে দুর্গত জীবনযাপন করছেন যেসব মানুষ, তাদের কাছে খাবার, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দেয়া অপর মানুষের দায়িত্ব।

    ১৫৮.
    ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ”চরমপত্র” পাঠ করতেন কে?
    1. সিকান্দার আবু জাফর
    2. মাহবুবুল আলম
    3. এম. আর. আখতার মুকুল
    4. গাজী মাজহারুল ইসলাম
    সঠিক উত্তর:
    এম. আর. আখতার মুকুল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এম. আর. আখতার মুকুল
    ব্যাখ্যা

    স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
    - জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
    - চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
    - এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন

    ১৫৯.
    মৌলিক গণতন্ত্র কয় স্তরবিশিষ্ট ছিলো?
    1. দুই
    2. তিন
    3. চার
    4. পাঁচ
    সঠিক উত্তর:
    চার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চার
    ব্যাখ্যা

    ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
    - প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

    ১৬০.
    বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বাক্যাংশটি কোন সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল?
    1. চতুর্থ
    2. পঞ্চম
    3. ষষ্ঠ
    4. সপ্তম
    সঠিক উত্তর:
    পঞ্চম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পঞ্চম
    ব্যাখ্যা

    সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
    - সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
    - ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে পঞ্চম সংশোধনী আইন অনুমোদিত হয়।
    - এই আইনের মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে পরিবর্তন আনা হয়।
    - ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা সকল সামরিক বিধান, সংবিধান সংশোধন ও বিভিন্ন অধ্যাদেশকে বৈধতা প্রদান করা হয়।
    - এই সংশোধনীর ফলে 'বাঙালি' জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

    তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান

    ১৬১.
    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে কীভাবে নিয়োগ দেন-
    1. প্রধানমন্ত্রী
    2. রাষ্ট্রপতি
    3. সংসদ
    4. আদালত
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    ব্যাখ্যা

    ত্রয়োদশ সংশোধনীতে সংবিধানে অনুচ্ছেদ ৫৮ (খ) (গ) (ঘ) (ঙ) অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এসব অনুচ্ছেদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে নিম্নোক্ত মৌলিক বিষয়গুলো অর্ন্তভুক্ত করা হয়: -সংসদ বিলুপ্তির পর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্য বিশিষ্ট নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হবে; -তত্ত্বাবধায়ক সরকার যৌথভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে;
    -প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত হবেন, অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে ১০ জন উপদেষ্টা মনোনীত হবেন;
    -প্রধান উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর এবং উপদেষ্টাগণ মন্ত্রীর অনুরূপ পদমর্যাদার অধিকারী হবেন; -নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হিসেবে এর কার্যাবলী, বিশেষত দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্য সম্পাদনে ব্যাপৃত থাকবে এবং নিতান্ত প্রয়োজন না হলে নীতি নির্ধারণী কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিরত থাকবে;
    -তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবে;
    -নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের দিনই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত ঘোষিত হবে।

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া

    ১৬২.
    বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের মূল ভিত্তি-
    1. মৈত্রী
    2. রাজনীতি
    3. সামরিক
    4. শিক্ষা
    সঠিক উত্তর:
    মৈত্রী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মৈত্রী
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক দ্বিপক্ষীয় মৈত্রী, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

    ১৬৩.
    সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার কোথায় অবস্থিত?
    1. বাংলাদেশ
    2. ভারত
    3. পাকিস্তান
    4. শ্রীলঙ্কা
    সঠিক উত্তর:
    বাংলাদেশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাংলাদেশ
    ব্যাখ্যা

    সার্ক কৃষি কেন্দ্র (SAARC Agriculture Centre):
    - অবস্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
    - সার্ক প্রতিষ্ঠিত প্রথম আঞ্চলিক কেন্দ্র।
    - পূর্ব নাম: SAARC Agricultural Information Centre (SAIC)।
    - নাম পরিবর্তন: এপ্রিল, ২০০৭ সালে নাম পরিবর্তন করে SAARC Agriculture Centre করা হয়।
    - কার্যক্রম শুরু: ১৯৮৮ সালে।
    - কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন, নীতিমালা প্রণয়ন, জ্ঞান ব্যবস্থাপনা।

    তথ্যসূত্র: SAARC ওয়েবসাইট।

    ১৬৪.
    ASEAN কোন অঞ্চলের দেশগুলোর জোট?
    1. মধ্যপ্রাচ্য
    2. পশ্চিম এশিয়া
    3. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
    4. উত্তর-পূর্ব এশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
    ব্যাখ্যা

    ASEAN​:
    ​- এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
    ​- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর একটি জোট।
    ​- প্রতিষ্ঠাকাল: ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে; ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
    ​- Bangkok Declaration স্বাক্ষরের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়।
    ​- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ: পাঁচটি সদস্য দেশ যথা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ফিলিপাইন।
    ​- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
    ​- বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি। [আগস্ট, ২০২৫]
    ​- অন্য সদস্য দেশগুলো: ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।

    ​উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

    ১৬৫.
    AFTA কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    1. ১৯৭৭ সালে
    2. ১৯৮৫ সালে
    3. ১৯৯২ সালে
    4. ২০০০ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৯২ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৯২ সালে
    ব্যাখ্যা

    EAN Free Trade Area (AFTA):
    - AFTA হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মুক্ত বাণিজ্য গোষ্ঠী।
    - ১৯৯২ সালে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত চতুর্থ আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে ASEAN মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (AFTA) গঠনে সম্মত হয়।

    ⇒ AFTA প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ জানুয়ারি, ১৯৯২।
    - AFTA যাত্রা শুরু করে: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩।
    - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি।
    - বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১০টি।
    - এগুলো হলো: ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস এবং মায়ানমার।

    উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

    ১৬৬.
    সরাসরি গণতন্ত্র চালু আছে- 
    1. ফ্রান্স
    2. সুইজারল্যান্ডে 
    3. বৃটেনে
    4. ভারত
    সঠিক উত্তর:
    সুইজারল্যান্ডে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুইজারল্যান্ডে 
    ব্যাখ্যা

    সুইজারল্যান্ডএর পাঁচটি ক্যান্টনে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চালু আছে। প্রাচীন গ্রিসে এই প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল

    গণভোটের (Referendum) মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ: সুইস নাগরিকরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোও নিজেরাই নেন। সুইজারল্যান্ডে যদি কেউ কোনো আইনের পরিবর্তন চান, তাহলে তাকে ৫০,০০০ স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হবে (যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ১% সমান)। এই স্বাক্ষর জমা দেওয়ার পর বিষয়টি গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। যদি অধিকাংশ নাগরিক ওই আইনের বিপক্ষে ভোট দেয়, তাহলে সেটি বাতিল হয়ে যায়।

    সংবিধান পরিবর্তনেও জনগণের মতামত বাধ্যতামূলক: যদি সংবিধান পরিবর্তনের প্রস্তাব আসে, তাহলে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে না—এটি সরাসরি জনগণের ভোটে গৃহীত বা বাতিল হয়।

    ১৬৭.
    যুক্তরাজ্যের কমন্স সভার সদস্য সংখ্যা?
    1. ৫১৬
    2. ৬৩৫
    3. ৬৫৫
    4. ৬৬০
    সঠিক উত্তর:
    ৬৫৫
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬৫৫
    ব্যাখ্যা

    ১২৯৫ সালের 'মডেল পার্লামেন্ট হতে ধীরে ধীরে ক্রমবিকাশের মাধ্যমে হাউস অব কমন্স বর্তমান রূপ পরিগ্রহ করেছে। এটি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ। সদস্যগণ জনগণ দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার ফলে বংশানুক্রমিক ও অন্যান্য বিবেচনার দ্বারা প্রাপ্ত লর্ডসভার লঙ্গণের উপর কমন্সসভা প্রাধান্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। কমন্স সভার সদস্য সংখ্যা ৬৫৫ জন। নির্বাচকমন্ডলীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কমন্স সভার সদস্য সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ১৬৮.
    রাজা বা রাণী হলেন ব্রিটেনের-
    1. আনুষ্ঠানিক প্রধান
    2. সরকার প্রধান
    3. উভয়ই
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    আনুষ্ঠানিক প্রধান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আনুষ্ঠানিক প্রধান
    ব্যাখ্যা

    রাজা বা রানী, ব্রিটেনের শাসন ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক প্রধান মাত্র। ব্রিটেনের রাজপদ বংশানুক্রম ভাবে এসেছে। পার্লামেন্টের নিয়ম কানুন সৃষ্টির পর রাজার পদটি প্রাতিষ্ঠানিকতা পেয়েছে। কার্যক্ষেত্রে রাজা কিন্তু দেশের প্রকৃত শাসক নন। দেশের প্রকৃত শাসন ব্যবস্থা পার্লামেন্টের দ্বারা সৃষ্ট আইনের আওতায় ক্যাবিনেট দ্বারা পরিচালিত হয়। মন্ত্রিসভা বিভিন্ন বিষয়ে রাজা বা রানীর সাথে আলোচনা করে নেন। এক্ষেত্রে সকল দায় দায়িত্ব মন্ত্রিসভার। রাজার যাবতীয় ক্ষমতা মন্ত্রিসভার নামেই পরিচালিত। সরকারী কোন কাজের জন্য রাজার কোন রকম দায় দায়িত্ব থাকে না।

    ১৬৯.
    মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল-
    1. তিন বছর
    2. চার বছর
    3. পাঁচ বছর
    4. সময়সীমা নেই
    সঠিক উত্তর:
    চার বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চার বছর
    ব্যাখ্যা

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল ৪ বছর এবং পরপর দুইবারের বেশি নির্বাচন করতে পারবে না। তবে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল ৪ বছর শেষ হবার আগেই তাঁর মৃত্যু হলে বা পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়। আবার তিনি পদচ্যুত হতে পারেন। দেশদ্রোহিতা, উৎকোচ গ্রহণ কিংবা দুর্নীতি ইত্যাদি কারণে তাকে পদচ্যুত করা যায়।

    ১৭০.
    যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থাার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো-
    1. ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ
    2. ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ
    3. শাসনি বিভাগের ক্ষমতা
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ
    ব্যাখ্যা

    ব্রিটেনে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি অতটা কড়াকড়িভাবে মেনে চলা হয় না। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়। এখানে সাংবিধানিক উপায়ে স্পষ্ট ভাবে প্রদত্ত ক্ষমতা বলেই সরকারের অংগগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করে থাকে। শুধু তাই নয় সরকারের বিভাগগুলোকে স্বেচ্ছাচারিতার হাত হতে মুক্ত করার জন্য এখানে নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য নীতি (Cheeks and balance system) প্রচলিত আছে।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএবিএসএস প্রোগ্রাম

    ১৭১.
    বাজেট আলোচনায় বিরোধী
    দলের ভূমিকা কী?
    1. বিরোধিতা করা
    2. সমালোচনা ও বিকল্প প্রস্তাব
    3. নীরব থাকা
    4. কোনো ভূমিকা নেই
    সঠিক উত্তর:
    সমালোচনা ও বিকল্প প্রস্তাব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সমালোচনা ও বিকল্প প্রস্তাব
    ব্যাখ্যা

    বাজেট আলোচনায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের কার্যক্রমের গঠনমূলক সমালোচনা করে ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে থাকে। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রয়োজনে বিকল্প সমাধান দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করে থাকে।
    তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এস এস সি প্রোগ্রাম

    ১৭২.
    চীনের সংবিধান সর্বশেষ সংশোধিত হয়-
    1. ২০১৫ সালে
    2. ২০১৭ সালে
    3. ২০১৮ সালে
    4. ২০২৪ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২০১৮ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০১৮ সালে
    ব্যাখ্যা

    চীনের সংবিধান সর্বশেষ ১১ মার্চ, ২০১৮ সালে সংশোধিত হয় ১৩তম জাতীয় পিপলস কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে। এই সংশোধনীতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিল, যার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ সীমা তুলে দেওয়া, জাতীয় তদারকি কমিশন প্রতিষ্ঠা, এবং "শি জিনপিং চিনের বৈশিষ্ট্যযুক্ত সমাজতন্ত্রের নতুন যুগের চিন্তা (Xi Jinping Thought on Socialism with Chinese Characteristics for a New Era)" সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এছাড়াও, রাষ্ট্রপদাধিকারী কর্মকর্তাদের জন্য সংবিধানিক শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা এবং জেলা বিভক্ত শহরগুলিকে স্থানীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। - International Journal

    ১৭৩.
    বাংলাদেশ আঞ্চলিক সম্পর্কের জন্য কোন নীতি গ্রহণ করেছে?
    1. পারস্পরিক সম্মান
    2. আধিপত্য
    3. আঞ্চলিক সম্পর্ক নেই
    4. সমরনীতি
    সঠিক উত্তর:
    পারস্পরিক সম্মান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পারস্পরিক সম্মান
    ব্যাখ্যা

    আঞ্চলিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পারস্পারিক সম্মান, বন্ধুত্ব বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হল-সবার প্রতি বন্ধুত্ব, অন্য রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা এবং বিশ্ব শান্তির পক্ষে অবস্থান গ্রহণ।

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএবিএসএস প্রোগ্রাম

    ১৭৪.
    জাপানী সম্রাটের কার্যাবলী হচ্ছে-
    1. প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ
    2. মন্ত্রীদের স্বীকৃতি দান
    3. ডায়েটের অধিবেশন আহবান
    4. সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    ১৯৪৭ সালের সংবিধান অনুযায়ী জাপানী রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সম্রাট হলেন শুধুই এক নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। তার যেটুকু রাজনৈতিক ও শাসন বিভাগীয় ক্ষমতা আছে তা হলো শুধু আনুষ্ঠানিক গুরুত্বের। জাপানী শাসন ব্যবস্থায় তার ভূমিকা প্রতীকী। সংবিধানের ১নং ধারায় বলা হয়েছে, সম্রাট হলেন রাষ্ট্র ও জনগণের ঐক্যের প্রতীক। আরো বলা হয়েছে, তাঁর মর্যাদার উৎস হলো জনগণের ইচছা এবং জনগণই হলো সার্বভৌমত্বের অধিকারী।সম্রাটের ক্ষমতা ও কার্যাবলী নিম্নরূপঃ

    শাসন বিভাগীয় কাজকর্ম
    -তিনি ডায়েট মনোনীত প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োজিত করেন (এক্ষেত্রে অবশ্য ক্যাবিনেটের পরামর্শ ও অনুমোদন নেয়ার কোন সুযোগ নেই)।

    -তিনি রাষ্ট্রের অন্যান্য সরকারী কর্মচারীদের নিয়োগ ও অপসারণ প্রত্যায়িত করেন।

    -সম্রাট হলেন সম্মান ও খেতাবের উৎস এবং এ কারণে তিনিই এগুলো অর্পণ করেন।

    -তিনি আইনানুযায়ী বিভিন্ন চুক্তির অনুমোদন পত্র ও অন্যান্য কূটনৈতিক দলিল প্রত্যায়িত করেন।

    -সম্রাট জাপানে নিযুক্ত বিদেশী রাষ্ট্রদূত এবং মন্ত্রীদের স্বীকৃতি দেন।

    আইন সম্পর্কিত ক্ষমতা
    -সম্রাট ডায়েটের অধিবেশন আহবান করেন।

    -মেয়াদ শেষ হলে বা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে প্রতিনিধি সভা ভেঙ্গে দিতে পারেন।

    -সমস্ত জাতীয় আইন, সংবিধানের সংশোধন, ক্যাবিনেটের নির্দেশ এবং সন্ধি চুক্তিতে সম্রাটই স্বাক্ষর করেন।

    -তিনি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেন।

    বিচার সম্পর্কিত ক্ষমতা
    -ক্যাবিনেট মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে সম্রাটই নিয়োগ করেন।

    -তিনি সাধারণ ও বিশেষ বন্দীমুক্তির আদেশ প্রত্যায়িত করেন এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা বা শান্তি মওকুফ বা অধিকার পুনঃ প্রতিষ্ঠার আদেশ প্রত্যায়িত করেন।

    সুতরাং দেখা যায়, জাপানী সম্রাট পশ্চিমা নিয়মতান্ত্রিক রাজাদের মত বিশেষ ক্ষমতা ভোগ করেন না। কিন্তু তা হলেও তিনি জনগণের ঐক্য ও সংস্কৃতির দুই হাজার বছরের 'জাপানী ঐতিহ্যের' প্রতীক।
    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএবিএসএস প্রোগ্রাম

    ১৭৫.
    Bradley effect কথাটি কোন দেশের নির্বাচনের সাথে জড়িত?
    1. যুক্তরাজ্য
    2. যুক্তরাষ্ট্র
    3. চীন
    4. জাপান
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    Breadly effect ধারণা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের সাথে জড়িত।

    ভোটাররা জরিপকারীদের (pollsters) কাছে মিথ্যা বলে থাকে, বিশেষ করে যখন তারা একজন শ্বেতাঙ্গ প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করে, অথচ তারা বলে যে তারা একজন কৃষ্ণাঙ্গ প্রার্থীকে ভোট দেবে। এই ঘটনাকে “Bradley Effect” বলা হয়। এই তত্ত্বটির নামকরণ করা হয়েছে প্রাক্তন লস অ্যাঞ্জেলেস মেয়র টম ব্র্যাডলির নামানুসারে।১৯৮২ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর নির্বাচনে টম ব্র্যাডলি এক কৃষ্ণাঙ্গ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের আগের জরিপে এগিয়ে ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার শ্বেতাঙ্গ প্রতিদ্বন্দ্বী জর্জ ডিউকমেজিয়ানের কাছে খুব অল্প ব্যবধানে হেরে যান।
    তথ্যসূত্রঃ Political Dictionary, New York Times Magazine

    ১৭৬.
    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন দিল্লীতে কর্মরত প্রবাসী বাঙালি কূটনীতিক ছিলেন -
    1. হোসেন আলী
    2. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
    3. আবুল মাল আব্দুল মুহিত
    4. হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
    সঠিক উত্তর:
    হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
    ব্যাখ্যা

    হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী (দিল্লীতে কর্মরত, ৪.১০.৭১), আবদুল মোমিন (আর্জেন্টিনায় কর্মরত, ১১.১০.৭১), ওয়ালিউর রহমান (সুইজারল্যান্ডে কর্মরত, ০৩.১১.৭১)।
    লন্ডনে ইউরোপের অন্যান্য প্রবাসী বাঙালিরা এসে মিলিত হতেন। লন্ডনে প্রবাসী বাঙালিদের নেতৃত্ব দেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

    ১৭৭.
    বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
    1. ১০ম
    2. ১১দশ
    3. ১২দশ
    4. ১৩দশ
    সঠিক উত্তর:
    ১২দশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১২দশ
    ব্যাখ্যা

    সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
    - দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
    - এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
    এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
    - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
    - রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
    - প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
    - প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
    - উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
    - জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

    ১৭৮.
    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
    1. দলীয় সংগঠনবিহীন
    2. দলীয় কর্মসূচিবিহীন
    3. নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
    - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
    - এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
    - নিম্নে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলঃ
    ১। দলীয় সংগঠনবিহীন
    ২। দলীয় কর্মসূচিবিহীন
    ৩। নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া
    ৪। সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
    সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়

    ১৭৯.
    তাওবাদের প্রতিষ্ঠাতা কে?
    1. মেনসিয়াস
    2. লাওৎসু
    3. কনফুসিয়াস
    4. বুশি
    সঠিক উত্তর:
    লাওৎসু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লাওৎসু
    ব্যাখ্যা

    চীনের একটি প্রাচীন দর্শন তাওবাদ। মানবজীবন এবং প্রকৃতির মধ্যে যে অনন্তকালের ভারসাম্য রয়েছে সে কথাটাই বলে তাওবাদ। আড়াই হাজার বছরেরও বেশি আগে গড়ে ওঠা এই তাওবাদ ধীরে ধীরে চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ে বাকি বিশ্বে, বদলে দেয় অনেক অনেক মানুষের জীবনদর্শন ও জীবনধারা।

    খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে চীনের মহান দার্শনিক লাও জি বা লাওৎসু প্রবর্তন করেন তাওবাদ। চীনা শব্দ "তাও" মানে "পথ" বা নীতি। এটি জীবনের স্বাভাবিক প্রবাহের প্রতি মানুষের ইতিবাচক আচরণকে নির্দেশ করে। তাওবাদ শুধু চীনের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতেই গভীর প্রভাব ফেলেনি, বরং এটি আধুনিক বিশ্বেও আধ্যাত্মিকতা এবং জীবনবোধের এক অনন্য দৃষ্টিকোণ দিয়েছে।

    বৈশিষ্ট্যগতভাবে তাওবাদকে ধর্ম আর দর্শনের সমন্বয় বলা যেতে পারে। প্রথম দিকে লোকজ বিশ্বাস হিসাবে থাকলেও পরে তাং সাম্রাজ্যের আমলে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায় এই তাওবাদ।
    তথ্যসূত্রঃ Britannica, National Geographic Society, Chinese Journal

    ১৮০.
    সক্রেটিসের মতে সদগুণ-
    1. ২ প্রকার
    2. ৩ প্রকার
    3. ৪ প্রকার
    4. কোনো প্রকারভেদ নেই
    সঠিক উত্তর:
    ২ প্রকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২ প্রকার
    ব্যাখ্যা

    সক্রেটিসের অন্যতম বাণী ছিল 'সদগুণই জ্ঞান'। তাঁর মতে, জ্ঞান দু'প্রকার একটি হলো আপাত: জ্ঞান এবং অপরটি প্রকৃত জ্ঞান। তিনি বলেন, সব মানুষের কর্তব্য হলো সত্য জ্ঞানের সন্ধান করা এবং তা তারা তখনই আয়ত্ব করতে পারবে যখন তারা নিজেদেরকে জানতে পারবে। জ্ঞানের মতো সদ্‌গুণও দু'প্রকার। এক ধরনের সদ্‌গুণ মতামত নির্ভর; অন্যটি সত্য নির্ভর। প্রথমটি ক্ষণস্থায়ী এবং দ্বিতীয়টি চিরস্থায়ী।

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএ বিএসএস প্রোগ্রাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান-২