পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
বাংলা গজল গানের স্রষ্টা ছিলেন-
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. কায়কোবাদ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম 
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা গজল গানের স্রষ্টা। গণসঙ্গীত ও গজলে যৌবনের দুটি বিশিষ্ট দিক সংগ্রাম ও প্রেমের পরিচর্যাই ছিল মুখ্য। নজরুল গজল আঙ্গিক সংযোজনের মাধ্যমে বাংলা গানের প্রচলিত ধারায় বৈচিত্র্য আনয়ন করেন। তাঁর অধিকাংশ গজলের বাণীই উৎকৃষ্ট কবিতা এবং তার সুর রাগভিত্তিক। আঙ্গিকের দিক থেকে সেগুলি উর্দু গজলের মতো তালযুক্ত ও তালছাড়া গীত। নজরুলের বাংলা গজল গানের জনপ্রিয়তা সমকালীন বাংলা গানের ইতিহাসে ছিল তুলনাহীন।

• ১৯২৬-২৭ সালে কৃষ্ণনগর জীবনে নজরুল উভয় ধারায় বহুসংখ্যক গান রচনা করেন। ওই সময়ে তিনি নিজের গানের স্বরলিপি প্রকাশ করতে থাকেন। এসব গান থেকে স্পষ্ট হয় যে, নজরুলের সৃজনশীল মৌলিক সঙ্গীত প্রতিভার প্রথম স্ফুরণ ঘটে ১৯২৬-২৭ সালে কৃষ্ণনগরে। অথচ নজরুলের কৃষ্ণনগর জীবন ছিল অভাব-অনটন, রোগ-শোক ও দুঃখ-দারিদ্র্যক্লিষ্ট। 

--------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ-
- ব্যাথার দান,
- রিক্তের বেদন,
- শিউলিমালা।

• কাজী নজরুল ইসলামের রচিত নাটক:
- ঝিলিমিলি,
- আলেয়া,
- মধুমালা (গীতিনাট্য)।

• কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত বিষয়ক গ্রন্থ:
- চোখের চাতক,
- নজরুল গীতিকা,
- সুর সাকী,
- বনগীতি প্রভৃতি।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র মঙ্গল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কোনটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন?
  1. লীলাবতী
  2. কমলে কামিনী
  3. সধবার একাদশী
  4. নবীন তপস্বিনী
ব্যাখ্যা

• 'সধবার একাদশী' প্রহসন:
-'সধবার একাদশী' (১৮৬৬) দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাবৃত্তি যুবকদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনি নিয়ে নাটকটির রচিত।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- নিমচাঁদ,
- কেনারাম,
- সৌদামিনী,
- গিন্নী,
- কাঞ্চন ইত্যাদি।

---------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
- রায়বাহাদুর দীনবন্ধু মিত্র একজন নাট্যকার ছিলেন। ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অনুপ্রেরণায় কবিতা লিখতেন।
- তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।

• দীনবন্ধু মিত্রের কাব্যগ্রন্থ:
- দ্বাদশ কবিতা ও
- সুরধুনী কাব্য।

• দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক।

• নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
জীবনানন্দ দাশের কোন কবিতায় অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে?
  1. বনলতা সেন
  2. মহাপৃথিবী
  3. হায় চিল
  4. ধূসর পাণ্ডুলিপি
ব্যাখ্যা

• জীবনানন্দ দাশ:
- 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' নামে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।

- তিনি ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ। জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।

- তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে।

- তাঁর 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথে ইয়েটস্‌-এর 'He reproves the curlow' কবিতার মিল রয়েছে।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে।
- জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়।
- এছাড়া জীবনানন্দ দাশের 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সতীর্থ,
- বিভা,
- জলপাইহাটি,
- কল্যাণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'সাহিত্যরত্ন' উপাধিতে ভূষিত করা হয় কোন কবি কে?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. কাজেম আল কোরেশী
  3. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

• কায়কোবাদ:
- আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি কায়কোবাদ। ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কবি কায়বোবাদকে কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ ও সাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ। তিনি আধুনিক বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- কুসুম-কানন।
- অশ্রুমালা।
- মহাশ্মশান (পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে কাব্যটি রচিত)।
- শিব-মন্দির।
- অমিয়ধারা।
- শ্মশান-ভস্ম।
- মহরম শরীফ।

• কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়:
- প্রেমের ফুল।
- প্রেমের বাণী।
- প্রেম-পারিজাত।
- মন্দাকিনী-ধারা।
- গওছ পাকের প্রেমের কুঞ্জ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
What does the idiom “Face the music” mean? 
  1. To enjoy concert
  2. To confront the consequences of one’s actions 
  3. Close together and facing each other 
  4. To organize karaoke night 
ব্যাখ্যা

• Correct Answer : খ) To confront the consequences of one’s actions.

• Face the music
English Meaning: to accept criticism or punishment for one’s action.
Bangla Meaning: কর্মফল ভোগ (গ্রহন) করা। 

Ex. Sentence: We would later have to face the music over our bold moves.
Bangla Meaning: আমাদের এইসব সাহসী কাজের ফল কিন্তু পরে ভোগ করতে হবে।

Other Options:
ক) To enjoy concert - কনসার্ট উপভোগ করা।

খ) To confront the consequences of one’s actions - নিজের কাজের পরিণতির মুখোমুখি হওয়া।

গ) Close together and facing each other - ঘনিষ্ঠভাবে একে অপরের মুখোমুখি থাকা।

ঘ) To organize karaoke night - একটি ক্যারাওকে রাতের আয়োজন করা।

- option গুলো বিবেচনা করে সঠিক অর্থ সম্পন্ন উত্তর হলো- To confront the consequences of one’s actions.

Source: Live MCQ Lecture.

.
To tell a lie is a great sin. Here, 'To tell a lie' is - 
  1. Adjective phrase
  2. Adverbial phrase
  3. Noun phrase 
  4. None of these
ব্যাখ্যা

•  Correct Answer: Noun phrase.

- To tell a lie is a great sin. Here, the underlined part is - Noun phrase.
-  এখানে “To tell a lie” বাক্যের শুরুতে এসেছে এবং subject হিসেবে কাজ করছে।
 
• Noun phrase:
- A noun phrase consists of a pronoun or noun and any associated modifiers, including adjectives, adjective phrases, adjective clauses and other nouns in the possessive case.
- অধিকাংশ সময়ই, Noun phrase মূলত: একটি Noun বা Pronoun এর কাজ করে।
- এছাড়া, অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে ।

যেমন:
- Subject হিসেবে।
- Object of a verb হিসেবে।
- Object of a preposition হিসেবে।
- Subject complement হিসেবে।
- Object complement হিসেবে। 

Other Options:
ক) Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Noun/pronoun -এর পর যদি কোনো clause/phrase বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাহলে সেটি Adjective phrase হবে।
- The car is economical for its size.

খ) Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb -এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত verb -কে কখন (When), কোথায় (Where), কেন (Why) ও কীভাবে (How) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.

- She completed the project in a record time.

.
Nothing can stop her, ______? 
  1. can it
  2. can't it
  3. does it
  4. doesn't it 
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ক) can it.

• Tag question করার নিয়ম-
- সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত কোন উক্তি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
- Statement positive হলে tag question টা negative হবে।
- আবার statement negative হলে tag question positive হবে।
- Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question তৈরি হয়।
- Something/ nothing/ anything/ everything ইত্যাদি Statement-এর subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে Tag Question-এ Subject হিসেবে it ব্যবহৃত হয়।
- যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি Negative এ আছে, তাই affirmative Tag question  হবে Subject ও Tense অনুসারে সঠিক tag হবে - can it?

- Nothing can stop her, can it

.
Identify the imperative sentence: 
  1. Please open the window.
  2. The birds are singing in the morning.
  3. Do you like ice cream?
  4. How wonderful the weather is! 
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ক) Please open the window.

• Imperative sentence:
- যে Sentence এ কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকে Imperative sentence বলে।
- সাধারণত, Subject উহ্য রেখে Verb দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য imperative sentence হয়ে থাকে. তাছাড়া imperative sentence বাক্যে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ বুঝায়। 
- 'Verb + object' দ্বারা শুরু হলে Imperative Sentence হয়। 

• Example:
Please open the window — এটি স্পষ্ট অনুরোধ, তাই সঠিক।

Other Options:
(খ) The birds are singing in the morning — সাধারণ তথ্য বা statement.
(গ) Do you like ice cream? — প্রশ্ন।
(ঘ) How wonderful the weather is! — exclamatory sentence.

.
Change the narration:
The teacher said to the students, "Finish your homework before class." 
  1. The teacher told the students that to finish their homework before class. 
  2. The teacher told the students to finish their homework before class.
  3. The teacher tell the students to finish their homework before class.
  4. The teacher tells the students that finish their homework before class.
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: খ) The teacher told the students to finish their homework before class.

• Imperative Sentence এর Direct speech কে Indirect speech এ রূপান্তর করার নিয়ম:
- Reporting verb টি আদেশ বুঝালে order/command, উপদেশ বুঝালে advise, তা না হলে tell দ্বারা পরিবর্তিত হয়;
- Inverted comma উঠে গিয়ে to বসে;
- reported speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত বসে।

Structure: Subject + request/ order/ advise/ tell + object (যদি থাকে) + to + reported speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত বসে।

Direct: The teacher said to the students, "Finish your homework before class."
Indirect: The teacher told the students to finish their homework before class.

Other Options:
(ক) The teacher told the students that to finish their homework before class. — grammatically ভুল।
(গ) The teacher tell the students to finish their homework before class. — tense ভুল, past tense হওয়া উচিত।
(ঘ) The teacher tells the students that finish their homework before class. — tense এবং structure উভয়ই ভুল।

১০.
Reading books before bed helps me relax.
Here, Reading books before bed is an example of - 
  1. Adjective phrase
  2. Adverb phrase
  3. Prepositional Phrase
  4. Gerundial phrase 
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ঘ) Gerundial phrase.

 • Gerundial Phrase:
- Verb+ing + Extension যদি Noun (Subject/ Object) এর কাজ করে তবে তাকে Gerundial Phrase বলে।
- Verb+ing – noun এর কাজ করলে সেটা Gerund হয়।
- আর Gerund এর সাথে Object বা Modifier থাকলে Gerundial Phrase হয়।

• Reading books before bed helps me relax.
- 'Reading' হলো verb এর একটি -ing form, যা এখানে noun এর মতো কাজ করছে।
- অর্থাৎ এটি মূল subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- যেহেতু verb + ing যখন noun এর মতো কাজ করে, তখন তাকে বলা হয় gerund.
- আর 'Reading books before bed' পুরো বাক্যাংশটি gerundial phrase.

Gerundial Phrase এর আরো কিছু উদাহরণ:
- Walking in the morning is good for health.
- Helping the poor is a great virtue.
- Stop telling lies.
- Cycling on the hill tracks is not easy.

Other Options:
(ক) Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Noun/pronoun -এর পর যদি কোনো clause/phrase বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাহলে সেটি Adjective phrase হবে।
- The car is economical for its size.

(খ) Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb -এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত verb -কে কখন (When), কোথায় (Where), কেন (Why) ও কীভাবে (How) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.

- She completed the project in a record time.

(গ) Prepositional Phrase
- যে phrase - preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective বা Adverb -এর কাজ করে, তাকে  Prepositional Phrase বলে।
- prepositional phrase সাধারণত preposition দিয়ে শুরু হয় এবং noun দিয়ে শেষ হয়।
- The stained glass of the cathedral in Spain.

১১.
Choose the correct indirect form:
He said, "I must finish the report today." 
  1. He said he must finish the report today.
  2. He said that he must finish the report that day.
  3. He said that he had to finish the report that day.
  4. He said that he must to finish the report today. 
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) He said that he had to finish the report that day.

•  Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের বেলায়:
- Reporting verb এর subject বসে।
- Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে।
- Inverted comma উঠে that বসে।
- Direct speech এ must থাকলে Indirect speech এ had to হয়।
- to এর পর verb এর base form বসবে।
- বাকি অংশ বসবে।
- Direct speech- এ 'today' থাকলে indirect speech- এ 'that day' বসবে।

Direct speech: He said, "I must finish the report today."
Indirect speech: He said that he had to finish the report that day.

Other Options: 
(ক) He said he must finish the report today. - tense ঠিক নয়।
(খ) He said that he must finish the report that day. - tense ঠিক নয়, এবং must থাকবে না।
(ঘ) He said that he must to finish the report today. — “must to finish” grammatically ভুল।

১২.
মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ পেয়েছেন কে?
  1. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  2. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  3. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  4. মুহাম্মদ মুহিবুল হক
ব্যাখ্যা
⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৩.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে কয়টি তারকা আছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)।
- এই মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে রয়েছে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।

উৎস: - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪.
ভৌগলিক অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৪ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ২ ভাগে
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। 
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। 
- পাহাড়গুলো আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। 

• এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৫.
পদ্মা নদীর শাখা নদী কোনটি?
  1. করতোয়া 
  2. তিস্তা 
  3. ধরলা 
  4. মধুমতী
ব্যাখ্যা

পদ্মা:
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা।
- ভারতে এই নদীর নাম গঙ্গা।
- গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণপশ্চিম ও পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে পড়েছে।
- এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগীরথী
(হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। 

 - কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি পদ্মা নদীর প্রধান শাখানদী। 

অন্যদিকে,
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী ।
- করতোয়া ও আত্রাই যমুনার প্রধান উপনদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৬.
”বালিশ মিষ্টি” কোন এলাকার জিআই পণ্য?
  1. নাটোর
  2. ফরিদপুর
  3. নেত্রকোণা
  4. মেহেরপুর
ব্যাখ্যা

 জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৬০টি। (নভেম্বর, ২০২৫)।
- সর্বশেষ জিআই পণ্য: ফরিদপুরের পাট। (৬০তম)।[লিংক]

• বিভিন্ন এলাকার জিআই পণ্য:
- মেহেরপুরের-  হিমসাগর আম।
- ফুলবাড়ীয়ার- লাল চিনি
- নেত্রকোণার- বালিশ মিষ্টি
- নওগাঁর- ফজলী আম
- মুন্সীগঞ্জের- পাতক্ষীর
- অষ্টগ্রামের- পনির
- গোপালগঞ্জের- ব্রোঞ্জের গহনা
- ভোলার- মহিষের দুধের কাঁচা দই

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।

১৭.
”আড়িয়াল বিল” কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. মুন্সিগঞ্জ 
  3. সুনামগঞ্জ
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

• আড়িয়াল বিল:
- আড়িয়াল বিল বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম জলাভূমি,
- এটির আয়তন ১৩৬ বর্গকিলোমিটার।
- এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত।
- এই বিলটিতে অনেক ছোট ছোট পুকুর এবং খাল রয়েছে।
- বর্ষাকালে গাছপালা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং স্থলসীমানা বিশিষ্ট বিশাল এলাকাটি অদ্ভুত দেখায়।
- শীতকালে বিলটি কমে গেলেও, এটি এখনও নৌযান চলাচলের উপযোগী থাকে। 
- বিলটিতে প্রচুর মাছ থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে শুষ্ক অঞ্চলে কৃষকের ভুট্টা এবং শাকসবজি পাওয়া যায়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮.
”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ২০১৩ সালে এই ভাস্কর্যটি তৈরি হয়।
- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির  ভাস্কর গোপাল চন্দ্র পাল।

এছাড়াও,
• কিছু গুরত্বপূর্ণ কিছু ভাস্কর্যিএবং তাদের স্থপতি।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এর স্থপতি- হামিদুর রহমান।
- সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি- নিতুন কুন্ডু।
- সংশপ্তক ভাস্কর্যটির স্থপতি হামিদুজ্জামান।
-  বিজয় ৭১” ভাস্কর্যটির স্থপতি- শ্যামল চৌধুরী।
- ”মোদের গর্ব” ভাস্কর্যটির স্থপতি- অখির পাল।
- মিশুক ভাস্কর্যটির স্থপতি- মুস্তফা মনোয়ার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকার রিপোর্ট।

১৯.
নিচের কোনটি বায়ুমন্ডলের তাপবলয় নয়?
  1. উষ্ণমন্ডল
  2. উত্তর নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল
  3. দক্ষিণ হিমমন্ডল
  4. অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

• তাপমন্ডল: বায়ুমন্ডলের তাপবলয়কে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। উষ্ণমন্ডল
২। উত্তর নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল
৩। দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল
৪। উত্তর হিমমন্ডল এবং
৫। দক্ষিণ হিমমন্ডল।

• আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ সর্বত্র সমানভাবে কাজ করে না।
- নিম্নে আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ আলোচনা করা হলো-
১। অক্ষাংশ
২। উচ্চতা
। সমুদ্র থেকে দূরত্ব
৪। স্থলভাগ ও জলভাগের অবস্থান
৫। সমুদ্রস্রোত
৬। ভূমির ঢাল
৭। ভূ-প্রকৃতি
৮। বায়ুপ্রবাহ
৯। বায়ুর চাপ এবং
১০। বনভূমির অবস্থান।

উৎস: ভুগোল ১ম পত্র,এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের কোন অঞ্চলে খরার তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে? 
  1. উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলে
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. পূর্ব-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চালে
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খরার তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু অংশে তীব্র খরা প্রবণ এলাকা।
- রংপুর ও বরিশাল জেলা এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার কিছু অংশ মাঝারি খরাপ্রবণ এলাকা।
- তবে বর্তমানে তিস্তা নদীতে পানি প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা অববাহিকায় খরার তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- খরাতে খাপ খাওয়ানোর কৌশল হিসাবে চাষ পদ্ধতির পরিবর্তন, কম পানি লাগে এমন ফসলের চাষ, জাবড়া প্রয়োগ ইত্যাদি পদ্ধতিকে উৎসাহিত করে উপযোগী ফসলের চাষ করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা,নবম-দশম শ্রেনি।

২১.
আকস্মিক বন্যার ফলে দেশের কোন জেলাসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. নীলফামারী
  3. নেত্রকোনা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

কৃষিতে বন্যার প্রভাব: 
- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৪ হাজার বর্গকিলোমিটার ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা এ ধরনের আকস্মিক বন্যার শিকার।
- মৌসুমি বন্যা উপকূলীয় এলাকায় সমস্যার সৃষ্টি করে না। কিন্তু বন্যাপ্রবণ এলাকায় এর প্রভাব খুব বেশি।
- ফসল ছাড়াও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করে। জোয়ারজনিত বন্যা উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি করে।
- জমিতে লবণাক্ত পানির জলাদ্ধতার সৃষ্টি করে, যা ফসল চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সুনামগঞ্জ, সিলেট, নেত্রকোনা, নীলফামারী ইত্যাদি জেলা আকস্মিক বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: কৃষি সার্ভিস তথ্য।[লিঙ্ক]

২২.
তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হলে কোন ফসলের ওপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ে? 
  1. সরিষা
  2. মসুর
  3. ছোলা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

শৈত্যপ্রবাহ: 
- বাংলাদেশে ক্রমান্বয়ে শীতকালের ব্যাপ্তি ও শীতের তীব্রতা দুইই কমে আসছে।
- বেশির ভাগ রবি ফসলেরই স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়ে ফলনের ওপর তার বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে।
- এ ছাড়া শীত মৌসুমে উষ্ণ প্রবাহ দেখা দিলে বেশি সংবেদনশীল ফসল যেমন গমের ফলন খুব কমে যায় এবং গম উৎপাদন অলাভজনক হয়।
- হঠাৎ তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হলে সরিষা, মসুর, ছোলা ইত্যাদি ফসলের ওপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ে এবং এসব ফসলের পরাগায়ন ব্যাহত হয়ে ফলন খুব কমে যায়
- শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলে অনেক ফসল বিশেষ করে গমের পরাগায়ন (পলিনেশন) ও গর্ভধারণ (ফার্টিলাইজেশন) না হওয়ায় আংশিক বা সম্পূর্ণ ফসল চিটা হয়ে যায় এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যায়।

এছাড়াও,
- শৈত্যপ্রবাহের ফলে আমের মুকুল নষ্ট হয় ও নারিকেলের ফলধারণ ব্যাহত হয়।
- বদ্ধ জলাশয়ে কৃত্রিম প্রজনন সমস্যা হতে পারে ফলে সময়মতো পুকুরে ছাড়ার জন্য পোনা মাছ পাওয়া যাবে না।
- তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়ামের ওপরে হলে কিশোর চিংড়ির মৃত্যু হার বাড়বে।
- মাছ ও চিংড়ি প্রজননে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বা মাইগ্রেশন ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

উৎস: কৃষি সার্ভিস তথ্য।[লিঙ্ক]

২৩.
কালবৈশাখী ঝড়ের বাতাসের গড় গতিবেগ ঘন্টায়-
  1. ১০ থেকে ২০ কিমি
  2. ৪০ থেকে ৬০ কিমি
  3. ১০০ থেকে ১৫০ কিমি
  4. ৮০ থেকে ১৪০ কিমি
ব্যাখ্যা

-  কালবৈশাখী ঝড়ের বাতাসের গড় গতিবেগ ঘন্টায়-৪০ থেকে ৬০ কিমি।

কালবৈশাখী:

- কালবৈশাখী উত্তর দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে ইংরেজিতে একে নরওয়েস্টার বলা হয়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ঝড় দেখা যায়। বাংলাদেশ এবং উত্তর–পূর্ব ভারতে মার্চ থেকে কালবৈশাখী শুরু হয়।
- গ্রীষ্ম ঋতুর সঙ্গে হাত ধরাধরি করে এ ঝড়ের আগমন ঘটে। বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে কালবৈশাখীর মাত্রা ব্যাপক আকার ধারণ করে। ‌- - সাধারণত কালবৈশাখীর বায়ুর গড় গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার।
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশিও হতে পারে।
- বাংলাদেশের কালবৈশাখী সাধারণ বৈশাখ মাসে বেশি হয় ।
- সাধারণ এ ঝড়ের অনেক আগাম পূর্বাভাস বলা খুব কঠিন।
- খুব অল্প সময়েই সংঘটিত হয়ে থাকে। আগাম পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয় না বলে এ ঝড়ের ক্ষতির মাত্রা বেশি থাকে।।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

২৪.
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (IOM) এর মতে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কত মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে?
  1. ১৩.৩ মিলিয়ন 
  2. ২৫ মিলিয়ন
  3. ১০ মিলিয়ন
  4. ১৫ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তন: 
- বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃত।
- ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (IOM) এর মতে, জলবায়ু সংক্রান্ত প্রভাবের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ১৩.৩ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে।
- এই ক্রমবর্ধমান সংকট সত্ত্বেও, জলবায়ু-প্ররোচিত বাস্তুচ্যুতদের স্বীকৃতি দেয় বা তাদের অধিকার রক্ষা করে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি বা নীতি কাঠামো নেই।

উৎস: ডেইলি স্টার। [লিঙ্ক]

২৫.
জাতিসংঘ কৃষি ও খাদ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে গম উৎপাদন কত শতাংশ কমে যেতে পারে?
  1. ৩২ শতাংশ
  2. ২২ শতাংশ
  3. ২০ শতাংশ
  4. ২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বোরো ধানের উৎপাদন ১৭ শতাংশ  কমে যেতে পারে।
- এবং গম উৎপাদন ৩২ শতাংশ কমে যেতে পারে।
- পেঁয়াজ, রসুন, আলু এবং অন্যান্য অর্থকরী ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- এর পাশাপাশি মাটির গুণগত মান নষ্ট হওয়ার কারণে কৃষিকাজের খরচ বাড়ছে। 

উল্লেখ্য,
- দেশের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর, এবং দেশের ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থান এই খাত থেকে আসে।
- তবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
- বিশেষ করে ধান, যা দেশের প্রধান খাদ্যশস্য এবং কৃষির মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচিত, তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তনের কারণে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। 

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট। [লিঙ্ক]

২৬.
মস জাতীয় উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে কী থাকে? 
  1. শিকড় 
  2. রাইজয়েড 
  3. স্টোলন 
  4. রাইজোম 
ব্যাখ্যা

মস: 
- মস জাতীয় উদ্ভিদে কাণ্ড ও পাতা রয়েছে। 
- তবে সাধারণ উদ্ভিদের ন্যায় এদের মূল নেই। 
- মস জাতীয় উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে। 
- এরা সবুজ ও স্বভোজী। 
- স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এদের দেখা যায়। 
উদাহারণ- Riccia, Antheceros, Semibarbula ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং পরিবেশ শিক্ষা বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
মানুষের ক্রোমোজোমের মধ্যে কত জোড়া অটোসোম থাকে?
  1. ২২
  2. ২৪ 
  3. ২০ 
  4. ২৩ 
ব্যাখ্যা

ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোসোম। অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
সালফারের অভাবে উদ্ভিদে যে রোগ দেখা দেয়, তাকে কী বলে? 
  1. রুট রট 
  2. মোল্ড 
  3. ব্লাইট 
  4. ডাইব্যাক 
ব্যাখ্যা

সালফার: 
- সালফার (S) উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) রোগ বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৯.
একই ফুলে বা একই গাছের অন্য ফুলে পরাগরেণু স্থানান্তর হলে তাকে কী বলে? 
  1. স্ব-পরাগায়ন 
  2. প্রাকৃতিক পরাগায়ন 
  3. কৃত্রিম পরাগায়ন 
  4. পর-পরাগায়ন 
ব্যাখ্যা

পরাগায়ন (pollination): 
- পরাগায়নকে পরাগ সংযোগও বলা হয়। 
- পরাগায়ন ফুল এবং বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। 
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। 
- পরাগায়ন দুই ধরনের। 
যথা- 
১। স্ব-পরাগায়ন: 
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে, তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। 
- সরিষা, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে থাকে। 
- স্ব-পরাগায়নের ফলে পরাগরেণুর অপচয় কম হয়, পরাগায়নের জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হয় না এবং পরাগায়ন নিশ্চিত হয়। এর ফলে নতুন যে উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, তাতে বৈশিষ্ট্যেরও কোনো পরিবর্তন আসে না এবং কোনো একটি প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে। 
- তবে এতে জিনগত বৈচিত্র্য কম থাকে। 
- এই বীজের থেকে জন্ম নেওয়া নতুন গাছের অভিযোজন ক্ষমতা কমে যায় এবং অচিরেই প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটে। 

২। পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগ সংযোগ ঘটে, তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। 
- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়। 
- পর-পরাগায়নের ফলে নতুন চরিত্রের সৃষ্টি হয়, বীজের অংকুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়, বীজ অধিক জীবনীশক্তিসম্পন্ন হয় এবং নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়। 
- দুটি ভিন্ন গুণসম্পন্ন গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে, তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন হয় এবং বীজ থেকে যে গাছ জন্মায় তাও নতুন গুণসম্পন্ন হয়। এ কারণে এসব গাছে নতুন বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়। 
- তবে এটি বাহকনির্ভর প্রক্রিয়া হওয়ায় পরাগায়নের নিশ্চয়তা থাকে না, এতে প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে। ফলে প্রজাতির বিশুদ্ধতা নষ্ট হওযার সম্ভাবনা থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩০.
জেনেটিক্স বলতে কী বোঝায়? 
  1. জনন কোষের উৎপত্তি 
  2. জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন 
  3. জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার 
  4. জিন ও জীবের বংশগতিধারা 
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা: 
- ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়- 
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): 
- জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এ শাখার আলোচ্য বিষয়। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃ অঙ্গসংস্থান (External Morphology) এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃ অঙ্গসংস্থান (Internal Morphology) বলা হয়। 

২। শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি (Taxonomy): 
- জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখার আলোচ্য বিষয়। 

৩। শারীরবিদ্যা (Physiology): 
- জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচনা করা হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়। 

৪। হিস্টোলজি (Histology): 
- জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৫। ভূণবিদ্যা (Embryology): 
- জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৬। কোষবিদ্যা (Cytology): 
- জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৭। বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics): 
- জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৮। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): 
- পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৯। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): 
- এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

১০। এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): 
- জীবদেহে হরমোনের (hormone) কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

১১। কীটতত্ত্ব (Entomology): 
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

১২। অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology): 
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

১৩। জিনপ্রযুক্তি (Genetic Engineering): 
- জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩১.
ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য কোনটি? 
  1. স্টার্চ 
  2. গ্লাইকোজেন 
  3. সেলুলোজ 
  4. গ্লুকোজ 
ব্যাখ্যা

ছত্রাক: 
- ফানজাই (Fungi) এর বাংলা হলো ছত্রাক। 
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত। 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়। 
যেমন- Penicillium, Agaricus, Mucor, Puccinia, Candida, Arcyria, Saprolegnia ইত্যাদি ছত্রাকের উদাহরণ। 

ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য: 
১। ছত্রাক অপুষ্পক উদ্ভিদ। 
২। এরা ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ এবং সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম। 
৩। এরা মৃতজীবী, পরজীবী বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে। 
৪। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু থাকে। 
৫। এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত। 
৬। ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন বা চর্বি। 
৭। এদের পরিবহনতন্ত্র বা ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না। 
৮। এদের জননাঙ্গ এককোষী। 
৯। স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না। 
১০। হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার হয় এবং 
১১। জাইগোটে মায়োসিস ঘটে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
ঐচ্ছিক পেশি সাধারণত দেহের কোন অঙ্গে থাকে? 
  1. হৃৎপিণ্ড 
  2. বৃক্ক 
  3. গলবিল 
  4. যকৃত
ব্যাখ্যা

ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল বা অমসৃণ বা রৈখিক পেশি: 
- যেসব পেশি স্নায়ুবিক অথবা হরমোন উদ্দীপনায় উদ্দীপ্ত হয়ে কর্মতৎপর হয় অর্থাৎ যেসব পেশি স্বেচ্ছায় সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহ সঞ্চালনের মুখ্য ভূমিকা পালন করে তাদের ঐচ্ছিক পেশি বলে। 
- এসব পেশি কঙ্কালের সাথে আটকে থাকে বলে এদেরকে কঙ্কাল পেশি বলে। 
- এসকল পেশির কোষগুলো তন্তুর মতো, তাই এদেরকে পেশিতন্ত্র বলে। 
- প্রতিটি পেশিকোষ এন্ডোমাইসিয়াম নামক যোজক কলার আবরণে আবৃত। 
- কোষগুলো বিক্ষিপ্ত না থেকে গুচ্ছাকারে বান্ডল সৃষ্টি করে। 
- এ গুচ্ছাকার বান্ডলকে ফ্যাসিকুলাস বলে। এ বান্ডলগুলো পেরিমাইসিয়াম আবরণে আবৃত থাকে। 
- পেশিকোষগুলো নলাকার লম্বা। দৈর্ঘ্যে ১-৪০ মিলিমিটার, প্রস্থে ০.০১-০.১০ মিলিমিটার হয়। 

- কোষগুলো সারকোলেমা নামক আবরণে আবৃত থাকে, এদের সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। 
- কোষের অভ্যন্তরে অসংখ্য ডিম্বাকার নিউক্লিয়াস থাকে। 
- প্রতিটি পেশিকোষের অভ্যন্তরে কতকগুলো অতিসূক্ষ্ম তন্তু বা মায়োফাইব্রিল পাওয়া যায়। 
- প্রধানতঃ অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে মায়োফাইব্রিল গঠিত। 
- বিভিন্ন অস্থির সাথে, চোখে, জিহ্বায়, গলবিল ইত্যাদিতে ঐচ্ছিক পেশি থাকে। 
- ঐচ্ছিক পেশির সংকোচন প্রসারণে প্রাণীরা স্থানান্তরিত হয় এবং ইচ্ছানুসারে অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
বাংলাদেশ হকি দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক অবসর নেয়ায় নতুন করে অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা দরকার। ১৫ সদস্যবিশিষ্ট দলটি থেকে একজন অধিনায়ক এবং একজন সহ-অধিনায়ক কত উপায়ে নির্বাচন করা যাবে?
  1. ২৩৫ উপায়ে
  2. ২১০ উপায়ে
  3. ২৩০ উপায়ে
  4. ২৪৫ উপায়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাংলাদেশ হকি দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক অবসর নেয়ায় নতুন করে অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা দরকার। ১৫ সদস্যবিশিষ্ট দলটি থেকে একজন অধিনায়ক এবং একজন সহ-অধিনায়ক কত উপায়ে নির্বাচন করা যাবে?

সমাধান: 
১৫ জন থেকে ১ জন অধিনায়ক বাছাই করা যায় = ১৫C = ১৫ উপায়ে

১ জন অধিনায়ক হলে সদস্য বাকি থাকে (১৫ - ১) = ১৪ জন 

১৪ জন থেকে ১ জন সহ অধিনায়ক বাছাই করা যায় = ১৪C = ১৪ উপায়ে

∴ একজন অধিনায়ক এবং একজন সহ-অধিনায়ক বাছাই করা যায় = ১৫ × ১৪ = ২১০ উপায়ে

৩৪.
পরিসর ২৪০ এবং শ্রেণিসংখা ১০ হলে, শ্রেণি ব্যবধান কত?
  1. ২০
  2. ১১০
  3. ১২
  4. ২৪ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পরিসর ২৪০ এবং শ্রেণিসংখা ১০ হলে, শ্রেণি ব্যবধান কত?

সমাধান:
শ্রেণি সংখ্যা = পরিসর/শ্রেণি ব্যবধান
⇒ শ্রেণি ব্যবধান = পরিসর/শ্রেণি সংখ্যা
= ২৪০/১০
= ২৪ 

৩৫.
{y ∈ N এবং y2 - 16 = 0} সেটটির তালিকা পদ্ধতিতে প্রকাশিত রূপ কোনটি?
  1. {4, - 4, 0}
  2. {4}
  3. {- 4, 1}
  4. {16, 4}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: {y ∈ N এবং y2 - 16 = 0} সেটটির তালিকা পদ্ধতিতে প্রকাশিত রূপ কোনটি?

সমাধান:
y2 - 16 = 0
⇒ y2 = 16
⇒ y = √16
∴ y = ± 4

কিন্তু y স্বাভাবিক সংখ্যা তাই ঋণাত্মক মান গ্রহণযোগ্য নয়।
∴ y = 4

৩৬.
আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী 2025 সালের জুলাই মাসের ৩য় সপ্তাহে বৃষ্টি হয়েছে মোট 5 দিন। ঐ সপ্তাহে বৃহস্পতিবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 5/7
  2. 1/3
  3. 2/3
  4. 2/7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী 2025 সালের জুলাই মাসের ৩য় সপ্তাহে বৃষ্টি হয়েছে মোট 5 দিন। ঐ সপ্তাহে বৃহস্পতিবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
2025 সালের জুলাই মাসের ৩য় সপ্তাহে মোট 7 দিন।
যার মধ্যে বৃষ্টি হয়েছিল 5 দিন।

বৃহস্পতিবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা = 5/7
বৃহস্পতিবার বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা = (1 - 5/7)
= (7 - 5)/7
= 2/7

৩৭.
P(P) = 1/3, P(Q) = 2/3; P ও Q স্বাধীন হলে P(Q/P) = কত?
  1. - 1/9
  2.  2/3
  3. 1/5
  4. 5/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(P) = 1/3, P(Q) = 2/3; P ও Q স্বাধীন হলে P(Q/P) = কত?

সমাধান:
P(P) = 1/3, P(Q) = 2/3 

P(P ∩ Q) = P(P) × P(Q)
= (1/3) × (2/3)
= 2/9

∴ P(Q/P) = P(P ∩ Q)/P(P)
= (2/9)/(1/3)
= 2/3

৩৮.
5, 6, 7, 8, 9 অঙ্কগুলো একবার ব্যবহার করে 4 অঙ্কবিশিষ্ট কতগুলো সংখ্যা গঠন করা যাবে?
  1. 120
  2. 122
  3. 112
  4. 222
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5, 6, 7, 8, 9 অঙ্কগুলো একবার ব্যবহার করে 4 অঙ্কবিশিষ্ট কতগুলো সংখ্যা গঠন করা যাবে?

সমাধান:
যেহেতু, অঙ্কের সংখ্যা 5টি।

4 অঙ্কবিশিষ্ট  সংখ্যা গঠন করা যাবে,
= 5P4
= (5!)/(5 - 4)!
= 5!/1!
= 5!
= 120

∴ মোট 4 -অঙ্কবিশিষ্ট সংখ্যা গঠন করা যাবে 120 টি।

৩৯.
কিছু উপাত্তের সর্বোচ্চ মান 90 এবং সর্বনিম্ন মান 35 হলে উপাত্তগুলোর পরিসর কত?
  1. 55
  2. 110
  3. 56
  4. 125
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কিছু উপাত্তের সর্বোচ্চ মান 90 এবং সর্বনিম্ন মান 35 হলে উপাত্তগুলোর পরিসর কত?

সমাধান:
পরিসর = (বৃহত্তম সংখ্যা - ক্ষুদ্রতম সংখ্যা) + 1
= 90 - 35 + 1
= 55 + 1
= 56

৪০.
PROBABILITY শব্দটি থেকে যেকোন একটি letter নিলে, বর্ণটি consonant হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৭/১১
  2. ৯/১১
  3. ১০/১১
  4. ৫/১১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PROBABILITY শব্দটি থেকে যেকোন একটি letter নিলে, বর্ণটি consonant হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
PROBABILITY শব্দটিতে মোট letter আছে ১১ টি
Vowel আছে (O, A, I, I)  ৪টি
বাকী (১১ - ৪) = ৭টি consonant 

বর্ণটি consonant হওয়ার সম্ভাবনা  = ৭/১১

৪১.
একট ছোঁকা নিপেক্ষ করলে ৪ উঠার সম্ভাবনা কত?
  1. ১/৬
  2. ০ 
  3. ২/৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একট ছোঁকা নিপেক্ষ করলে ৪ উঠার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
ছক্কায় (ছোঁকা) ৬টি মুখ আছে।
সুতরাং, মোট সম্ভাব্য ঘটনা সংখ্যা = ৬

আবার,
৪ উঠার ঘটনা মাত্র ১টি (কারণ শুধুমাত্র একটি মুখে ৪ লেখা থাকে)।
অতএব, অনুকূল ঘটনা সংখ্যা = ১

∴ P(৪ উঠার সম্ভাবনা) = অনুকূল ঘটনা সংখ্যা​/মোট ঘটনা সংখ্যা
= ১/৬

৪২.
যদি S = {1, 2} এবং T = {1, 2, 3} হলে, (S × T) এর মান কত?
  1. {(1, 1), (1, 2), (1, 3), (2, 1), (2, 2), (2, 3)}
  2.  {(1, 1), (1, 2), (2, 1), (2, 2), (3, 1), (3, 2)}
  3.  {(1, 1), (2, 2), (3, 3)}
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি S = {1, 2} এবং T = {1, 2, 3} হলে, (S × T) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
S = {1, 2}
এবং T = {1, 2, 3}

 S × T = {1, 2} × {1, 2, 3}
= {(1, 1), (1, 2), (1, 3), (2, 1), (2, 2), (2, 3)}