পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৮ সাল।

- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান।
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন বিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য।
- ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান - 'আলোকিত মানুষ চাই' ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাপিডিয়া কে সম্পাদনা করেন?
  1. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
  2. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  3. আব্দুল হামিদ
  4. ড. আহমদ হাসান দানী
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।

- স্যার উইলিয়াম জোন্স ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
.
স্যার উইলিয়াম জোন্স কে ছিলেন?
  1. কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা
  2. এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের সভাপতি
  3. এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক
  4. বাংলাপিডিয়ার সম্পাদক
ব্যাখ্যা
কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি:
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৫ জানুয়ারী, ১৭৮৪ সাল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্যার উইলিয়াম জোন্স 

- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: Britannica.
.
সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
সেলিম আল দীন
- সেলিম আল দীন (১৯৪৯-২০০৮)  বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- তিনি নাট্যকার পরিচয়ের বাইরে ছিলেন-একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, সংগঠক, নাট্যনির্দেশক এবং শিল্পতাত্ত্বিক।
- মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে তিনি অন্যান্যদের সঙ্গে গঠন করেন ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক ও নাট্যগ্রন্থ- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য নাটক, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, বাসন, তিনটি মঞ্চ নাটক: মুনতাসির, শকুন্তলা ও কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, প্রাচ্য, কিত্তনখোলা, হাতহদাই, যৈবতী কন্যার মন, চাকা, হরগজ, একটি মারমা রূপকথা, বনপাংশুল, নিমজ্জন, ধাবমান, স্বর্ণবোয়াল, ঊষা উৎসব ও স্বপ্নরমণীগণ (নৃত্যনাট্য), পুত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
গম্ভীরা গান কোন অঞ্চলে প্রচলিত?
  1. বৃহত্তর রাজশাহী
  2. বৃহত্তর বগুড়া
  3. বৃহত্তর দিনাজপুর
  4. বৃহত্তর ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয়  লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর  রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত। 
- গম্ভীরা গানের উৎপত্তি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় হিন্দুসমাজে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
ii) বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
.
'ইরান দুখত' নামটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মহাস্থানগড়
  3. কেল্লা আওরঙ্গবাদ
  4. আহসান মঞ্জিল
ব্যাখ্যা
- 'ইরান দুখত' নামটি লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ এর সাথে সম্পর্কিত।

লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ:
- লালবাগ কেল্লার প্রথমে নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এটি পুরোনো ঢাকার লালবাগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন আজম শাহ।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
- এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
- পরী বিবির অপর নাম ছিল ইরান দুখত।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
ষাট গম্বুজ মসজিদ এর সর্বমোট গম্বুজ সংখ্যা কত?
  1. ৬০টি
  2. ৭৭টি
  3. ৮১টি
  4. ৮৯টি
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- মসজিদের ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ বা পিলার আছে।
- এগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬ সারিতে অবস্থিত এবং প্রত্যেক সারিতে ১০টি করে স্তম্ভ আছে।
- প্রতিটি স্তম্ভই পাথর কেটে বানানো, শুধু ৫টি স্তম্ভ বাইরে থেকে ইট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এই ৬০টি স্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর তৈরি করা হয়েছে গম্বুজ।
- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে গম্বুজ মোটেও ৬০টি নয়, গম্বুজ, ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।

[ষাটগম্বুজ নামকরণ নিয়ে জনশ্রুতি আছে, সাতটি করে সারিবদ্ধ গম্বুজ আছে বলে এ মসজিদের নাম ছিল আসলে সাত গম্বুজ। মানুষের মুখে মুখে ষাট গম্বুজ হয়েছে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, গম্বুজগুলো ৬০টি স্তম্ভের ওপর অবস্থিত বলে ‘ষাট খাম্বা’ কালে কালে ‘ষাটগম্বুজ’ হয়ে উঠেছে।]

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
উপমহাদেশের সচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার কোনটি?
  1. শালবন বিহার
  2. নালন্দা বিহার
  3. সোমপুর বিহার
  4. ভাসু বিহার
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার। 
- ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন।
- খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়। 
- সোমপুর বিহারে অবস্থান করতেন প্রাচীন চর্যাগীতিকার কাহ্নপা। 

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এর তথ্যানুসারে, 
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। 
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।

উৎস: i) নওগাঁ জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
১০.
নিচের কোনটি বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র?
  1. বেঙ্গল গেজেট
  2. দিগদর্শন
  3. সমাচার দর্পণ
  4. বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা
দিগদর্শন
- দিগদর্শন বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক পত্রিকা।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন কর্তৃক প্রকাশিত এবং বিখ্যাত খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক জোশুয়া মার্শম্যান এর পুত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান কর্তৃক সম্পাদিত এটি ছিল মাসিক পত্রিকা।
- দিগ্দর্শনের প্রথম সংখ্যাটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
'Let There Be Light' ছবিটি কে পরিচালনা করেন?
  1. তারেক মাসুদ
  2. জহির রায়হান
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. আব্দুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে  ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।
- ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি খবর পান যে, শহীদুল্লা কায়সারকে ঢাকার মিরপুরে রাখা হয়েছে। তিনি তাঁকে উদ্ধারের জন্য সেখানে যান। কিন্তু তিনি আর ফিরে আসেননি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
SEA-ME-WE 6 দেশের কততম সাবমেরিন ক্যাবল?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-4 (এসএমডব্লিউ-৪) এর আয়ুষ্কাল ২০৩০ সালে নিঃশেষ হয়ে যাবে।
- SEA-ME-WE-4 এর ল্যান্ডিং স্টেশন ঝিলঙ্গা, কক্সবাজার।
- SEA-ME-WE-5 বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল।
- SEA-ME-WE-5 এর ল্যান্ডিং স্টেশন, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- SEA-ME-WE 6 (এসএমডব্লিউ-৬) কনসোর্টিয়ামের আওতায় বাংলাদেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের কাজ বিএসসিপিএলসি হাতে নিয়েছে।
- ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে এসএমডব্লিউ-৬ সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হবে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শুরুতেই আরো ১৩,২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সক্ষমতা অর্জন করবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩.
২০২৪ সালের নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে কোন দেশ?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. ভারত
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
- ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়।
- ২০২৪ সালে টানা দ্বিতীয়বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশের মেয়েরা।
- ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর, কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ফাইনালে নেপালের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ।
- ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ২–১ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয় বারের মতো সাফ শিরোপা জিতেছিল।
- বাফুফের নতুন সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

উৎস: প্রথম আলো।