পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes৫৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন বিষয়ের নাম: সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি [৬০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৫ প্রশ্ন

.
দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত প্রথম নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন-
  1. মাহমুদ মামদানি
  2. জোহরান মামদানি 
  3. হাসান মেহেদি
  4. যুবায়ের ইসলাম
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলমান ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।

• জোহরান মামদানি:
- বয়স: ৩৪, 
-  তিনি উগান্ডায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব বজায় রেখেছেন।
- তাঁর পিতা প্রফেসর মাহমুদ মামদানি, যিনি একজন প্রখ্যাত উগান্ডিয়ান শিক্ষাবিদ। 
- তাঁর মা মীরা নাইর একজন খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা।
 - মাহমুদ মামদানি উগান্ডায় বড় হয়েছেন এবং দেশের প্রধান ও প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় মেকেরেরে ইউনিভার্সিটিতে এক দশকেরও বেশি সময় কাজ করেছেন।
 - প্রফেসর মামদানি তাঁর উপনিবেশবিরোধী গবেষণার জন্য পরিচিত, যা আফ্রিকার উপনিবেশবাদের প্রভাব এবং এটি শাসন, পরিচয় ও ন্যায়ের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলেছে তা বিশ্লেষণ করে।
- গত ১০০ বছরের মধ্যে নিউ ইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হলেন ৩৪ বছর বয়সী মামদানি।

উৎস: বিবিসি।

.
জাতিসংঘের প্রথম গ্লোবাল পিস অ্যাডভোকেট হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন কে? 
  1. মরিয়ম বুকার হাসান
  2. আন্দ্রিয়া পিয়ার
  3. সানিয়া আঞ্জুমা
  4. এলগার ব্রাউন
ব্যাখ্যা

• গ্লোবাল পিস অ্যাডভোকেট: 
- জাতিসংঘের প্রথম বৈশ্বিক শান্তির দূত হলেন নাইজেরিয়ার স্পোকেন-ওয়ার্ড শিল্পী ও কবি মরিয়ম বুকার হাসান।
- ২০২৫ সালের জুলাই মাসে, মরিয়ম বুকার হাসানকে শান্তির জন্য গ্লোবাল অ্যাডভোকেট মনোনীত করা হয়।
- মরিয়ম একজন নাইজেরিয়ান কথ্য শিল্পী, কবি, প্রভাবশালী এবং শান্তির প্রবক্তা, যার কাজ শিল্প, সক্রিয়তা এবং নারীবাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
- উত্তর নাইজেরিয়ায় জন্মগ্রহণকারী মরিয়ম তার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহিংসতা এবং বাস্তুচ্যুতি দ্বারা প্রভাবিত সম্প্রদায়গুলিতে নারী অধিকার, যুব ক্ষমতায়ন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে লড়াই করেন।
- জাতিসংঘের শান্তি ও নিরাপত্তা স্তম্ভের প্রথম গ্লোবাল অ্যাডভোকেট হিসেবে, মরিয়ম নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (WPS) এবং যুব, শান্তি ও নিরাপত্তা (YPS) এজেন্ডা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার কণ্ঠস্বর এবং প্রভাব ব্যবহার করে যাবেন, টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী ও তরুণদের নেতৃত্বকে উৎসাহিত করবেন।
- গ্লোবাল অ্যাডভোকেট হিসেবে মরিয়মের ভূমিকা যৌথভাবে শান্তি অভিযান বিভাগ (ডিপিও) এবং রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণ বিষয়ক বিভাগ (ডিপিপিএ) দ্বারা পরিচালিত হয়, যা একসাথে জাতিসংঘের শান্তি ও নিরাপত্তা স্তম্ভ গঠন করে।উৎস: জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। 

.
২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী কাবাডি দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ভলিবল দল
ব্যাখ্যা

 'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:
- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' কে?
  1. জে ডি ভ্যান্স
  2. মার্কো রুবিও
  3. মার্কো রুটে
  4. ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' মার্কো রুবিও।[জানুয়ারি, ২০২৬]

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).

.
২০২৫ - ২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার কত?
  1. ৭ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা
  2. ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সংশোধিত বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আর সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হবে।

• বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও অর্থ মন্ত্রণালয়।

.
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত 
  3. ইংল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

• টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ২০টি দল।
- এরই মধ্যে ১৫টি দল নিশ্চিত।
- বাকি ৫টি দল আসবে বাছাইপর্ব থেকে- আফ্রিকা থেকে ২টি এবং এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ৩টি। 
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি করে দল।
- প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সুপার এইট পর্বে যাবে।
- সেখানে আবারও আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।
- সুপার এইটে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে।

উৎস: প্রথম আলো।

.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. আহসানুল করিম
  3. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. মঞ্জুরুল হক চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম)।

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।

• বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

উৎস: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

.
ASEAN-এর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ব্রুনাই
  2. লাওস
  3. কম্বোডিয়া
  4. পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যা

• ASEAN:
- ASEAN-এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ (ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড। 
- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১১টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও পূর্ব তিমুর (সর্বশেষ)।
- বর্তমান সভাপতি: আনোয়ার ইব্রাহিম (মালয়েশিয়া)।
- মহাসচিব: কাও কিম হৌর্ন।
- আসিয়ান এখন বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি যার মোট দেশজ উৎপাদন ৩.৮ ট্রিলিয়ন ডলার এবং চীন আসিয়ানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৬৯৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ মে, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ৪৬তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- অক্টোবর, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ৪৭তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সম্মেলনে পূর্ব তিমুর আসিয়ানের ১১তম সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

.
International Stabilization Force (ISF) কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সুদান সংকট
  2. গাজা সংকট
  3. ভেনেজুয়েলা সংকট
  4. ইউক্রেন সংকট
ব্যাখ্যা

International Stabilization Force (ISF):
- গাজায় মোতায়েনের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত আন্তর্জাতিক বাহিনী হলো ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ)।

- ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাত বন্ধে ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
 - ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে সেই প্রস্তাব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন পেয়েছে। প্রস্তাবে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে।
- ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজার নিরাপত্তায় সহায়তার পাশাপাশি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঠিকঠাক বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তার ওপর নজর রাখবে আন্তর্জাতিক এই বাহিনী।
 - তবে তাত্ত্বিকভাবে বলতে গেলে, এই বাহিনী কাজ করবে ইসরায়েল ও মিসরের সঙ্গে। তাদের লক্ষ্য গাজাকে অস্ত্রমুক্ত করা। একই সঙ্গে একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- International Stabilization Force (ISF) একটি বহুজাতিক বাহিনী।
 - গাজায় পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া, সীমান্তের সুরক্ষা দেওয়া, উপত্যকাটিকে অস্ত্রমুক্ত করে নিরাপত্তা বজায় রাখা, বেসামরিক লোকজনকে সুরক্ষা দেওয়া, মানবিক কার্যক্রম চালানোসহ নানা দায়িত্ব পালন করবে তারা।
 - এ ছাড়া সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবে এই বাহিনী।
- গাজার নিরাপত্তাসংক্রান্ত অনেক দায়িত্বও নিজেদের হাতে তুলে নেবে আইএসএফ।
 
উৎস: i) UN News.
ii) প্রথম আলো।

১০.
সম্প্রতি, তুরস্কে বিমান দুর্ঘটনায় কোন দেশের সেনাপ্রধান নিহত হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সিরিয়া
  2. লিবিয়া
  3. আলজেরিয়া
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা

• বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সেনাপ্রধান:
- লিবিয়ার সেনাপ্রধান মুহাম্মদ আলী আহমেদ আল-হাদ্দাদ গত ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কাছে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছেন।
- এসেনবোগা বিমানবন্দর থেকে ত্রিপোলির উদ্দেশে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই তার বহনকারী প্রাইভেট জেটটি বিধ্বস্ত হয়।
- এই দুর্ঘটনায় সেনাপ্রধানসহ আরও চারজন উচ্চপদস্থ লিবীয় সামরিক কর্মকর্তা ও তিনজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার হিসেবে পরিচিত আল-হাদ্দাদ ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফিবিরোধী বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ২০২০ সালের আগস্ট থেকে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

উৎস: ইত্তেফাক।

১১.
সর্বশেষ বাংলাদেশের কোন শিল্পটি ইউনেস্কোর 'বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' এর তালিকায় স্থান পেয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জামদানি বুননশিল্প 
  2. শীতলপাটি বুননশিল্প
  3. ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প (২০২৫) ।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

১২.
বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালক কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক
  2. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  3. অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক মুহম্মদ নূরুল হুদা
ব্যাখ্যা

 • বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম (জানুয়ারি, ২০২৫)।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি -অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক (জানুয়ারি, ২০২৫)।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহপরিচালক- প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় - ১৯৬০ সাল থেকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

১৩.
বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশের (LDC) সংখ্যা হল- (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ৪৪টি
  2. ৪৫টি
  3. ৪৩টি
  4. ৪৭টি
ব্যাখ্যা

• LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- স্বল্পোন্নত দেশ হলো উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি তালিকা যা জাতিসংঘের মতে, আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে জাতিসংঘ দুই শ্রেণিতে বিশ্বের সব দেশকে ভাগ করে থাকে।
- এগুলো হলো: উন্নয়নশীল ও উন্নত।
- উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে আবার যেসব দেশ তুলনামূলক দুর্বল, তাদের নিয়ে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা হয়।
- মূলত এসব দেশ যাতে নিজেদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারে, সে জন্য উন্নত দেশের পক্ষ থেকে উন্নয়নশীল দেশকে কিছু বাজার সুবিধা দেওয়া হয়। 
- এর মধ্যে অন্যতম শুল্কমুক্ত পণ্য রপ্তানির সুবিধা। 
- এলডিসি সম্মেলনের সূত্রপাত হয় ১৯৮১ সালে।
- জাতিসংঘ কর্তৃক শ্রেণীবদ্ধ ৪৪ টি স্বল্পোন্নত দেশ বর্তমানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ LDC থেকে বের হবে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৪.
বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার কোনটি? 
  1. চীন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানী:
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের 10.96% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৫.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি তুলা আমদানি করে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• বর্তমান বাংলাদেশ ব্রাজিল থেকে সর্বাধিক তুলা আমদানি করে।

• শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।

১৬.
বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫- এ বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ৩৩তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৬তম
  4. ৩৭তম
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫:
- প্রতিবেদনের শিরোনাম: 2025 Military Strength Ranking.
- প্রকাশ: জানুয়ারি, ২০২৫। 
- প্রকাশক: গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার।
- অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৪৫টি। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী-
• শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
• সর্বনিম্ন দেশ: ভুটান।
• বাংলাদেশের অবস্থান: ৩৫তম।

উৎস: বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫।

১৭.
সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় কত সালে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- প্রতিবছর ১১ জুলাই জনসংখ্যা দিবস পালন কর হলেও অনিবার্য কারণে মন্ত্রণালয় গতকাল এই দিবস পালন করেছে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• জনসংখ্যার আধিক্য রোধকল্পে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়- ১৯৭৬ সালে

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

১৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২,৭৩৪ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে, রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ - (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। 
- সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে।

• রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. সৌদি আরব, 
২. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৩. যুক্তরাজ্য,  
৪. মালয়েশিয়া,
৫.  যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস:
i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২০.
সম্প্রতি বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী কোন দেশে নিহত হয়েছেন? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. সুদান 
  2. কঙ্গো 
  3. রুয়ান্ডা
  4. দক্ষিণ সুদান 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী নিহত: 
- ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। 
- এ ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।
- সুদানের সরকারের এক বিবৃতিতে, এ হামলার জন্য সরকারবিরোধী আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে দায়ী করা হয়েছে।
- কাদুগলি শহরটি প্রায় দেড় বছর ধরে আরএসএফ অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আধা সামরিক আরএসএফ দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।  

২১.
নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটারদের জন্য তৈরিকৃত অ্যাপের নাম কী?
  1. E-Vote BD
  2. Postal Vote BD
  3. Probashi Vote 
  4. Digital Vote BD
ব্যাখ্যা

• Postal Vote BD আ্যাপ:
 - সম্প্রতি,  ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটার অ্যাপ Postal Vote BD উদ্বোধন করে।
- প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধনের জন্য ১৮ নভেম্বর 'পোস্টাল ভোেট বিডি' অ্যাপের উদ্বোধন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই দিনে ইসি চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে।
- এবার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
- এ ছাড়া ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

২২.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৬৮ টি
  2. ১৭০ টি
  3. ১৭১ টি
  4. ১৬৯ টি
ব্যাখ্যা

- চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭১ টি।

- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।

২৩.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে মোট প্রবাসী আয় কত?
  1. ২৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার
  2. ২৯.৭৪ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার
  4. ৩৩.৩০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

প্রবাসী আয় (২০২৪-২৫ অর্থবছর):
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- দেশের ইতিহাসে এর আগে কোনো অর্থবছরে এত প্রবাসী আয় আসেনি।
- এই আয় আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
- এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

উৎস: বিএসএস ও বাংলাদেশ ব্যাংক রিপোর্ট।

২৪.
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর কোনটি?(জানুয়ারি-২০২৬)
  1. জাকার্তা
  2. টোকিও
  3. ঢাকা
  4. নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা

বিশ্বের জনবহুল নগর:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল নগর।
- ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫–এ বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা।
- এরপরই ঢাকার অবস্থান।
- ঢাকায় এখন প্রায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ মানুষ বসবাস করছে।
- ২০০০ সালে ঢাকা ছিল বিশ্বের নবম জনবহুল নগর। জনসংখ্যা ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।
- ২৫ বছরের ব্যবধানে ঢাকা তালিকায় দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে। এ সময়ে ঢাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির বার্ষিক হার ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
- প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে, ২০৫০ সালে সবচেয়ে জনবহুল নগরের বৈশ্বিক তালিকায় প্রথম স্থানে উঠে আসবে ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ৩ কোটি ৩৪ লাখ বৈশ্বিক জনসংখ্যা নিয়ে তালিকায় জাপানের টোকিও এখন ৩ নম্বরে।
- টোকিওর পর তালিকায় আছে যথাক্রমে ভারতের নয়াদিল্লি ও চীনের সাংহাই।

উৎস: World Urbanization Prospects 2025, ইত্তেফাক পত্রিকা প্রতিবেদন।

২৫.
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি 'ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট' রয়েছে কোন দেশে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ইতালি
  2. চীন
  3. জার্মানী
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান: 
- হেরিটেজ সাইট বা ঐতিহ্যবাহী স্থান বলতে মূলত বোঝানো হয় বিশেষ ধরনের (মরুভূমি,দালান, পাহাড়,বন, স্মৃতিস্তম্ভ,হ্রদ,প্রাসাদ )। 
- ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা রয়েছে এসব স্থান।
- ইউনেস্কোর একটি প্রকল্প আছে, যার নাম ‘আন্তর্জাতিক বিশ্ব ঐতিহ্য প্রকল্প’।
- এই প্রকল্পের আওতায় ২১টি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি তালিকা প্রণয়নের কাজ করেন।
- এই প্রকল্পের কাজ হলো বিশ্বের নানা স্থানে ছড়িয়ে থাকা অনন্যসাধারণ সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক গুরুত্ববিশিষ্ট স্থানসমূহ চিহ্নিত করা।
- একই সঙ্গে তা একটি বৈশ্বিক তালিকায় নাম লিপিবদ্ধ করা। তালিকাভুক্ত স্থানসমূহকে পরবর্তী সময়ে শ্রেণীভুক্ত করা হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই কমবেশি আছে ‘ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’।
- ইতালিতে বিশ্বের সর্বাধিক ‘ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ আছে।
 
• ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি World Heritage Sites থাকা দেশসমূহ: 
১) ইতালি - ৬০ টি
২) চীন  -  ৫৯ টি
৩) জার্মানি  -  ৫৪ টি
৪) ফ্রান্স  -  ৫৩ টি
৫) স্পেন  -  ৫০ টি

উৎস: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ওয়েবসাইট ও পত্রিকা।

২৬.
কোন পণ্যটিকে ২০২৬ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে? 
  1. আসবাবপত্র
  2. পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্ট
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. কৃষিজাত প্রক্রিয়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য : 
- পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- 'পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্টকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার। 

উৎস: বনিক বার্তা।

২৭.
বৈশ্বিক শান্তি সূচক, ২০২৫ অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ কোনটি? 
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. আইসল্যান্ড
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক শান্তি সূচক- ২০২৫:
প্রতিবেদনের শিরোনাম: Global Peace Index 2025.
প্রকাশ: জুন ২০২৫ ।
প্রকাশক: অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক Institute for Economics and Peace (IEP)। 
অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৬৩টি। 

সূচক অনুযায়ী-
- সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ: আইসল্যান্ড।
- সর্বনিম্ন দেশ: রাশিয়া।
- বাংলাদেশের অবস্থান: ১২৩ তম।

উৎস: Global Peace Index 2025

২৮.
বুলগেরিয়ার মুদ্রার নাম কী?
  1. ইউরো
  2. ক্রোনা
  3. লেভ
  4. পাউন্ড
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বুলগেরিয়ার মুদ্রা - ইউরো।
-  ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 

• ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- বর্তমানে ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 
- প্রায় দেড় শতাব্দী পর নিজস্ব মুদ্রা লেভকে বিদায় জানিয়ে ইউরো মুদ্রা অঞ্চলের ২১তম সদস্য হিসাবে ইউরো চালু করেছে বুলগেরিয়া।
 - ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দেশটিতে লেভের পরিবর্তে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি,  ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া। 

উৎস: EU ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয় কমিশন। 

২৯.
২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি দেশের কততম সংসদ নির্বাচন? 
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. চতুর্দশ
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬: 
- ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।

উৎস: বিবিসি।

৩০.
সম্প্রতি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোন দেশকে 'ন্যাটো বহির্ভূত প্রধান মিত্র' হিসেবে ঘোষণা করেছেন? 
  1. তাইওয়ান
  2. জাপান
  3. সৌদি আরব
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

• ট্রাম্পের ন্যাটো বহির্ভূত ‘প্রধান মিত্র' ঘোষণা:
- মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর বাইরে সৌদি আরবকে প্রধান মিত্র (নন-ন্যাটো মেজর অ্যালাই) হিসেবে ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যায় সৌদি যুবরাজের সাথে এক নৈশভোজে ট্রাম্প বলেন, ‘সৌদি আরবকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি প্রধান, নন-ন্যাটো মিত্র হিসেবে মনোনীত করে আমরা আমাদের সামরিক সহযোগিতাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছি, যা তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
- “Major non-NATO ally” (MNNA) হচ্ছে এমন একটি স্বীকৃতি যা যুক্তরাষ্ট্র দেয়া হয় — যেখানে কোনো দেশ ন্যাটোর সদস্য না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ১৯টি দেশকে এ মর্যাদা দিয়েছে।

উৎস: যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।

৩১.
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া চরে টার্মিনাল নির্মাণে বিনিয়োগ করবে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. ডেনমার্ক
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি:
- পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়।
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের পরপরই ২৫০ কোটি টাকা ‘সাইনিং মানি’ হিসেবে পেয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো।

৩২.
জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে সর্বনিম্ন কত বছরের নাগরিকগণ আবেদন করতে পারবেন?
  1. ১৫ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৭ বছর
  4. ১৮ বছর
ব্যাখ্যা

জাতীয় পরিচয়পত্র:
- যাদের বয়স ১৬ বছর বা ১৮ বছরের কম, তারা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে নিবন্ধন আবেদন করতে পারবে।
- নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের এনআইডি দেবে।
- তাদের বয়স ১৮ বছর হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে।
- যাদের বয়স ১৬ বছর হয়েছে, তারা নিবন্ধন করতে পারবে।
- তাতে ইসি অগ্রিম কিছু তথ্য রাখতে পারবে। যেসব শিক্ষার্থী বিদেশে পড়তে যায়, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়াসহ - ছোটখাটো নানা কাজে এনআইডি প্রয়োজন হয়।
- এনআইডি না থাকলে তাদের অসুবিধায় পড়ে হয়।
- এ জন্য ১৬ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সীরা এনআইডি পাবে।
- এজন্য তারা ইসিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবে।

উৎস: প্রথম আলো ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৩৩.
২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জাপান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালে (ফিসিক্যাল ইয়ার ২০২৪-২৫) বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) সবচেয়ে বেশি এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে।
 • নেদারল্যান্ডস সর্বোচ্চ FDI নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, যা মোট FDI প্রবাহের প্রায় ২৭%।


উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) ২০২৫ অর্থবছরে ১৯.১৩% বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১.৪ বিলিয়ন ডলার।
 
 উৎস: TBS ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]

৩৪.
দেশের প্রথম 'জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. রাজশাহী
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

 জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস:THE BUSINESS STANDARD পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৫.
জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়-
  1. ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫:
- ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ সালে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে।
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ মুদ্রণ ও প্রকাশনা বিভাগ থেকে আদেশটি জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করা হয়েছে।

• আদেশে বলা হয়েছে, সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছে। এ গণঅভ্যুত্থানের ফলে ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটে। চব্বিশের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ৮ আগস্ট বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকারিতা ও স্বীকৃতি লাভ করে। রাষ্ট্রীয় সংস্কার সাধনের মাধ্যমে সুশাসন, গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ করার উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থায় সংস্কারের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে ৬টি সংস্কার কমিশন গঠন করে এবং এই কমিশনসমূহ স্ব স্ব প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করে।

• আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিবেদনগুলোতে অন্তর্ভুক্ত সুপারিশের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সংবিধান সংস্কারসহ অন্যান্য সংস্কারের সুপারিশ সম্বলিত জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ প্রণয়ন করে এবং রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে এ সনদে স্বাক্ষর ও তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে।

• আদেশে আরো বলা হয়েছে, সংবিধান সংস্কার বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী জনগণের অনুমোদন প্রয়োজন এবং এ উদ্দেশ্যে গণভোট অনুষ্ঠান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও পরিষদ কর্তৃক সংবিধান সংস্কার করার আবশ্যকতা রয়েছে। তাই জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা একান্ত প্রয়োজন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরামর্শক্রমে, রাষ্ট্রপতি এই আদেশ জারি করলেন। এই আদেশ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হবে।

উৎস: বাসস ও জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫।

৩৬.
বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. ভোলাগঞ্জ
  4. আমতলী
ব্যাখ্যা

দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া।
- নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ৫৪তম নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৩৭.
২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৬৪টি। (জানুয়ারি, ২০২৬)।
- বাংলাদেশের ৬৪তম জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হলো জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু।

• বিভিন্ন এলাকার জিআই পণ্য:
- মেহেরপুরের-  হিমসাগর আম।
- ফুলবাড়ীয়ার- লাল চিনি;
- নেত্রকোণার- বালিশ মিষ্টি;
- নওগাঁর- ফজলী আম;
- মুন্সীগঞ্জের- পাতক্ষীর;
- অষ্টগ্রামের- পনির;
- গোপালগঞ্জের- ব্রোঞ্জের গহনা;
- ভোলার- মহিষের দুধের কাঁচা দই;

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।

৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ১০.৯৪%
  2. ১১.২০%
  3. ১১.৩৪%
  4. ১২.৪৫%
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।


অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মূল্যস্ফীতির পরিমাণ কত?
  1. ৭.৪৮%
  2. ৮.৪৮%
  3. ৯.৪০%
  4. ১০.৪০%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪০.
২১তম জি-২০ সম্মেলন কোথায় কত সালে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ২০২৬
  2. যুক্তরাজ্য, ২০২৭
  3. দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৭
  4. দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২৮
ব্যাখ্যা

G-20 (Group of 20):
- G-20 আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
- বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল।
- এটি শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নীতি সমন্বয় এবং বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
- বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।

⇒ জি-২০’র সদস্য: ২১টি। দেশ ১৯টি এবং জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- ১৯টি সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তী ২১তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে।
- ২২তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাজ্যে।
- ২৩তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ কোরিয়ায়।

উৎস: i) Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
ii) G20 ওয়েবসাইট। 

৪১.
সম্প্রতি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ ক্রয়ে বাংলাদেশ কোন দেশের সঙ্গে  সম্মতিপত্র সাক্ষর করেছে?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

‘ইউরোফাইটার টাইফুন':
ইতালি থেকে জঙ্গি বিমান ইউরোফাইটার টাইফুন (মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট-এমআরসিএ) কিনতে আলোচনা চলছে।
এরই অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার ইতালির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এসপিএর সঙ্গে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বা সম্মতিপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

উল্লেখ্য,
- নতুন এই যুদ্ধবিমান সম্পর্কে ইউরোফাইটারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধবিমান বিশ্বের সবচেয়ে সক্ষম ৪.৫ জেনারেশন মাল্টিরোল যুদ্ধবিমানগুলোর একটি।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সুইংরোল কমব্যাট বিমান।
- বিশ্বের নয়টি দেশের বিমানবাহিনীর কাছে এই যুদ্ধবিমান রয়েছে।
- দুই ইঞ্জিনের ইউরোফাইটার টাইফুন সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম। 

উৎস: প্রথম আলো নিউজ প্রতিবেদন

৪২.
New Development Bank (NDB) এর সর্বশেষ সদস্য কোনটি? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ফিলিপাইন
  2. কলম্বিয়া
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

• New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- New Development Bank (NDB) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ জুলাই, ২০১৫।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা)।
- বর্তমান সদস্য: ১১টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, আলজেরিয়া, উজবেকিস্তান (জুলাই ২০২৫) এবং কলম্বিয়া (জুলাই ২০২৫)। [উরুগুয়ে এখনও সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে রয়েছে।]
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ৬ জুলাই সর্বশেষ উজবেকিস্তান এবং কলম্বিয়া New Development Bank (NDB)-এর সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে আলজেরিয়া New Development Bank (NDB)-এর সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে।

উৎস:
i)New Development Bank ওয়েবসাইট।
ii) Xinhua(লিংক)

৪৩.
বর্তমানে জাতিসংঘের অধীনে মোট কয়টি শান্তিরক্ষা মিশন কার্যকর রয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (United Nations Peacekeeping Mission) একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ যা সংঘাতপ্রবণ দেশগুলোতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।
- এই মিশনের প্রধান লক্ষ্য হলো সংঘর্ষমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা, মানবাধিকার রক্ষা করা এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়া পরিচালনায় সহায়তা করা।
- বর্তমানে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে জাতিসংঘের ১১টি শান্তিরক্ষা মিশন চলমান রয়েছে।
- এগুলো হলো: MINURSO (পশ্চিম সাহারা), MINUSCA (মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র), MONUSCO (গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র), UNDOF (গোলান হাইটস), UNFICYP (সাইপ্রাস), UNIFIL (লেবানন), UNISFA (আবিয়েই), UNMIK (কসোভো), UNMISS (দক্ষিণ সুদান), UNMOGIP (ভারত ও পাকিস্তান), UNTSO (মধ্যপ্রাচ্য)।

⇒ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মূল উদ্দেশ্য:
- সংঘাতের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সশস্ত্র বিরোধী পক্ষদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করা।
- যুদ্ধ বা সংঘাতের কারণে বিপর্যস্ত জনগণের জন্য মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া।
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘ মিশন আঞ্চলিক সরকারের সহায়তায় কাজ করে থাকে। 
- যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা, যেমন অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়। ১৯৪৮ সালে সংঘটিত ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন অনুষ্ঠিত হয়। এই মিশনের নাম ছিল "United Nations Truce Supervision Organization (UNTSO)"। এটি ছিল জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি সঠিকভাবে পালন হচ্ছে কিনা তা মনিটর করা।

উৎস: United Nations Peacekeeping

৪৪.
বাংলাদেশ সরকার হালদা নদীকে "মৎস্য হেরিটেজ" ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কত তারিখে?
  1. ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  2. ১ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ১ ডিসেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• মৎস্য হেরিটেজ:
- ২৯ অক্টোবর ২০২৫ সরকার হালদা নদীকে 'মৎস্য হেরিটেজ' এলাকা ঘোষণা করেছে।
⇒ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় হালদা নদীকে মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে রুইজাতীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতকরণ ও গাঙ্গেয় ডলফিনের আবাসস্থল সংরক্ষণের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় ও মানিকছড়ি উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি, রাউজান, হাটহাজারী উপজেলা এবং পাঁচলাইশ থানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হালদা নদী এবং নদী তীরবর্তী ৯৩ হাজার ৬১২ টি দাগের ২৩ হাজার ৪২২.২৮০৫৯ একর জায়গা "হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ" হিসেবে ঘোষণা করা হলো।
- এপ্রিল-জুন মাসে হালদা নদীর বিভিন্ন স্থানে রুইজাতীয় মাছের প্রজননের ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিষিক্ত ডিম পাওয়া যায়।

⇒ প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, এ নদী হতে কোনো প্রকার মাছ ও জলজ প্রাণি ধরা বা শিকার করা যাবেনা, তবে মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে নির্দিষ্ট সময়ে মাছের নিষিক্ত ডিম আহরণ করা যাবে।
- প্রাণি ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংসকারী কোনো প্রকার কার্যকলাপ করা যাবেনা। 
- নদীর চারপাশের বসতবাড়ি, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পয়ঃপ্রণালী সৃষ্ট বর্জ্য ও তরল বর্জ্য নির্গমন করা যাবেনা। কোনো অবস্থাতেই নদীর বাঁক কেটে সোজা করা যাবেনা।
- হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত ১৭ টি খালে প্রজনন মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) মৎস্য আহরণ করা যাবেনা।
- হালদা নদী এবং এর সংযোগ খালের উপর নতুন করে কোনো রাবার ড্যাম এবং কংক্রিট ড্যাম নির্মাণ করা যাবেনা।
- 'হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ তদারকি কমিটি' এ অনুমতি ব্যতিরেকে হালদা নদীতে নতুন পানি শোধানাগার, সেচ প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করা যাবেনা
- মাছের প্রাক-প্রজনন পরিভ্রমণ সচল রাখার স্বার্থে হালদা নদী এবং সংযোগ খালের পানির প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবেনা।
- সারা বছর হালদা নদীর কর্ণফুলী মোহনা থেকে নাজিরহাট ব্রিজ (অভয়াশ্রম এলাকা) পর্যন্ত ইঞ্জিন চালিত ভারী নৌযান (বালুবাহী ও পণ্যবাহী নৌকা এবং ড্রেজার) চলাচল করতে পারবে না।
- হালদা এবং তার শাখা নদীর বালুমহাল ইজারা বন্ধ করা এবং ড্রেজার দিয়ে/ক্ষতিকর পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করা যাবে না।
- নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কোন প্রকার তামাক চাষ করা যাবে না।
- নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কৃষি জমিতে ক্ষতিকর কোন কীটনাশক বা বালাইনাশক ব্যবহার করা যাবে না।

উৎস: i) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
ii) তথ্য অধিদফতর

৪৫.
গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত নতুন অন্তবর্তীকালীন বোর্ডের নাম কী?
  1. বোর্ড অব রিকনস্ট্রাকশন
  2. বোর্ড অব পিস ফর রিকনস্ট্রাকশন
  3. বোর্ড অব পিস
  4. বোর্ড অব স্ট্যাবিলিটি
ব্যাখ্যা

বোর্ড অব পিস:
- গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত নতুন অন্তবর্তীকালীন বোর্ডের নাম বোর্ড অব পিস।

⇒ ১১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে গাজায় মার্কিন মধ্যস্ততায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধ অঞ্চলজুড়ে নিহতের সবশেষ সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।
- গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত নতুন অন্তবর্তীকালীন বোর্ডের নাম বোর্ড অব পিস। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, মূলত এটি হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রধানদের বোর্ড।
- অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার জন্য ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই বোর্ড।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- প্রস্তাবিত এই বোর্ড গাজায় চলমান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অঞ্চলটির শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করবে।
- এই উদ্যোগটি চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের (Phase II) অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করার পর, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করানোই হবে মূল লক্ষ্য। সেই প্রেক্ষাপটেই ‘গাজা বোর্ড অফ পিস’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

উৎস: i) Reuters.
ii) Axios.

৪৬.
'অপারেশন হোকিয়ে’ কোন দুটি দেশের যৌথ বাহিনীর উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও সিরিয়া
  3. সিরিয়া ও রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডান
ব্যাখ্যা

অপারেশন হোকিয়ে:
- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ সাল থেকে সিরিয়ায় কট্টর ইসলামপন্থি আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে ‘অপারেশন হোকিয়ে’ শুরু করেছে মার্কিন-সিরীয় যৌথ সেনাবাহিনী।

এই সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটটি তৈরি হয়েছিল যখন সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর পালমিরায় আইএসের হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক দোভাষী নিহত হন।
- সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই হামলার মূল হোতা ছিলেন সিরীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সাবেক এক সদস্য, যিনি পরবর্তীতে আইএসে যোগ দেন।
- সেই হামলার জবাব দিতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছে। 

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছেন যে, মার্কিন বাহিনী সিরিয়ায় অত্যন্ত কঠোর প্রতিশোধ নিচ্ছে এবং এই অভিযানে সিরিয়া সরকার পূর্ণ সমর্থন প্রদান করেছে।

উৎস: সিএনএন ও ইত্তেফাক পত্রিকা।

৪৭.
বর্তমানে ‘Coalition of the Willing’ কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?(জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ইউক্রেন
  2. ফিলিস্তিন
  3. সুদান
  4. আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে ‘Coalition of the Willing’ শব্দটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে।

• রাশিয়ার আগ্রাসনের পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃত্বে যেসব দেশ স্বেচ্ছায় ইউক্রেনকে সামরিক, আর্থিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দিচ্ছে,
সেই অস্থায়ী ও স্বেচ্ছাসেবী জোটকে গণমাধ্যম ও বিশ্লেষণে ‘Coalition of the Willing’ বলা হচ্ছে।

এটি জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক বাহিনী নয়।
এটি ন্যাটোর বাধ্যতামূলক মিশনও নয়।
- বরং ইউক্রেনকে সমর্থনে আগ্রহী দেশগুলোর স্বেচ্ছা উদ্যোগ।

উৎস: রয়েটার্স।

৪৮.
২০২৫ সালের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে কতজন প্যারাট্রুপার অংশগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ৫২ জন
  2. ৫৩ জন
  3. ৫৪ জন
  4. ৫৫ জন
ব্যাখ্যা

• সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ব রেকর্ড:
- মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বাংলাদেশ বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে টিম বাংলাদেশ-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার অংশ নেন।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে তারা জাতীয় পতাকা হাতে আকাশ থেকে অবতরণ করেন।
- এটি বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, যার মাধ্যমে এই বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
- এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: ইত্তেফাক প্রতিবেদন।

৪৯.
'বুটানটান–ডিভি' কী?
  1. টায়ফয়েডের টিকা
  2. ডেঙ্গুর টিকা
  3. অসংক্রামক ভাইরাল ডিজিজ
  4. সংক্রামক ভাইরাল ডিজিজ
ব্যাখ্যা

এক ডোজের ডেঙ্গুর টিকা:
- বিশ্বে প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গুর টিকা অনুমোদন দিয়েছে ব্রাজিল।
- ২৬ নভেম্বর, ২০২৫  ব্রাজিলিয়ান কর্তৃপক্ষ এই টিকার অনুমোদন দিয়ে একে ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ অভিহিত করেছেন।
- ব্রাজিলের স্বাস্থ্য খাত নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা এনভিসা ১২ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ব্যক্তিদের শরীরে বুটানটান–ডিভি নামের টিকাটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।
- এই টিকা তৈরি করেছে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান বুটানটান ইনস্টিটিউট।
- এই টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের কোম্পানি উসিবায়োলোজিক্স–এর সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে ব্রাজিল।
- চুক্তি অনুযায়ী ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় তিন কোটি ডোজ টিকা তৈরি করে দেবে চীনা কোম্পানিটি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে শুধু টিএকে–০০৩ নামে ডেঙ্গুর একটি টিকা আছে।
- এই টিকার দুই ডোজ নিতে হয় তিন মাসের ব্যবধানে।

উৎস: প্রথম আলো।

৫০.
ভেনেজুয়েলায় বর্তমানে তেলের মজুদ - 
  1. প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন ব্যারেল
  2. প্রায় ৪৪০ বিলিয়ন ব্যারেল
  3. প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল
  4. প্রায় ৩৩০ বিলিয়ন ব্যারেল
ব্যাখ্যা

ভেনেজুয়েলার তেল মজুত:
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রমাণিত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলায়, যার পরিমাণ ৩০৩ বিলিয়ন (৩০ হাজার ৩০০ কোটি) ব্যারেলের বেশি।
- ভেনেজুয়েলায় সবচেয়ে বেশি তেলের মজুত রয়েছে দেশটির অরিনাকো বেল্ট অঞ্চলে।
- এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভারী তেল সংরক্ষণ এলাকা। ঘন ও গাঢ় এ অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ডিজেল, কেরোসিন ও জেট ফুয়েল তৈরি করা হয়।
- কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে।
- এতে কারাকাসের তেল রপ্তানি, অর্থপ্রবাহ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগে গুরুতর প্রভাব পড়েছে, মারাত্মক চাপে পড়ে আছে দেশটির অর্থনীতি।

» বিশ্বের শীর্ষ তেল মজুতধারী দেশসমূহ: 
১) ভেনেজুয়েলা — ৩০৩.২২ বিলিয়ন ব্যারেল।
২) সৌদি আরব — ২৬৭.১৯ বিলিয়ন ব্যারেল।
৩) ইরান — ২০৮.৬০ বিলিয়ন ব্যারেল।
৪) কানাডা — ১৬৩.৬৩ বিলিয়ন ব্যারেল।
৫) ইরাক — ১৪৫.০২ বিলিয়ন ব্যারেল।
৬) সংযুক্ত আরব আমিরাত — ১১৩.০০ বিলিয়ন ব্যারেল।
৭) কুয়েত — ১০১.৫০ বিলিয়ন ব্যারেল।
৮) রাশিয়া — ৮০.০০ বিলিয়ন ব্যারেল।
৯) যুক্তরাষ্ট্র — ৫৫.২৫ বিলিয়ন ব্যারেল।
১০) লিবিয়া — ৪৮.৩৬ বিলিয়ন ব্যারেল।

উৎস: প্রথম আলো ও ওপেক ওয়েবসাইট।

৫১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার -
  1. ১.১২%
  2. ১.২২%
  3. ১.৩১%
  4. ১.৩৭%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৫২.
জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে কয়টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে? 
  1. ০৩টি
  2. ০২টি
  3. ০৫টি
  4. ০৪টি
ব্যাখ্যা

ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ ৫টি। স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
• এর মধ্যে ৪টি দেশ যথা: চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- যুক্তরাজ্য ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- চীন ও রাশিয়া ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ফ্রান্স ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ৪ স্থায়ী সদস্যদেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল।
- এ নিয়ে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যদেশের মধ্যে ১৫৭টি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল। সেই হিসাবে বিশ্বের ৮০ শতাংশের বেশি দেশের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে ফিলিস্তিন।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ১৯৮৮ সালের ১৬ নভেম্বর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশ।

ফিলিস্তিন:
- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- এটি দুটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত: পশ্চিম তীরে (West Bank) এবং গাজা উপত্যকা (Gaza Strip)।
- এটি বর্তমানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বিরোধের কারণে বেশ পরিচিত।
- রাজধানী: ইস্ট জেরুজালেম, রামাল্লাহ।
- মুদ্রা: মিশরীয় পাউন্ড, ইসরাইলি শেকেল, জর্ডানীয় দিনার।
- সংবাদ সংস্থা: প্যালেস্টাইন নিউজ অ্যাজেন্সি (Wafa)।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫৩.
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দীর্ঘতম শাটডাউন কতদিন ছিল?
  1. ৩৪দিন
  2. ৩৭দিন
  3. ৪০দিন
  4. ৪৩দিন
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালের, ১ অক্টোবর শুরু হওয়া শাটডাউনটি ৪৩ দিন দিয়ে শেষ হয়েছে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দীর্ঘতম সরকারী শাটডাউন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দীর্ঘতম সরকারী শাটডাউন:
- শাটডাউন শুরু: ১ অক্টোবর ২০২৫
- শেষ: ১২ নভেম্বর ২০২৫
- মোট সময়: ৪৩ দিন
- কারণ: বাজেট বিল পাসে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পাক্ষিক মতপার্থক্য

- যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ অচলাবস্থার (শাটডাউন) অবসান ঘটিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১২ নভেম্বর, ২০২৫ সালে একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন।
- এর কয়েক ঘণ্টা আগে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে খাদ্যসহায়তা আবার চালু, লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারীর বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং উড়োজাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পক্ষে ভোট দেন কংগ্রেস সদস্যরা।

- রিপাবলিকান–নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে ২২২–২০৯ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়। 

উৎস: প্রথম আলো ও রয়েটার্স।

৫৪.
”Global Governance Initiative” নামক ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করেন কে?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ (GGI):

- চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং গত ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত শাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) প্লাসের বৈঠকে তার চতুর্থ প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগ 'গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ' (GGI)  উন্মোচন করেন।

- এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থায় প্রতিনিধিত্ব ও কণ্ঠস্বর বাড়ানো।
- তবে এটি শি জিনপিংয়ের সম্প্রতি চালু করা অন্যান্য তিনটি বৈশ্বিক উদ্যোগের মতো মোটামুটি বিস্তৃত এবং অস্পষ্ট রয়ে গেছে।
- এটি পাশাপাশি বেইজিংকে আরও ন্যায়সংগত ও সমতামূলক বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে উপস্থাপনের প্রচেষ্টা-এর অংশ।

উৎস: বিবিসি।

৫৫.
'জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক' অনুসারে কত শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে?
  1.  ২৬.৯৬%
  2.  ২৬.৪৭%
  3. ২৪.০৫%
  4. ২৫.৮৭%
ব্যাখ্যা

জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক:
প্রতিবেদনের শিরোনাম: National Multidimensional Poverty Index For Bangladesh.
প্রকাশকাল: ৩১ জুলাই, ২০২৫। 
প্রকাশক: পরিকল্পনা কমিশনের আওতাধীন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (GED)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিবিএসের ২০১৯ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভের (এমআইসিএস) তথ্য ব্যবহার করে বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) নিরূপণ করা হয়েছে। 
- বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার ১১টি সূচকের সমন্বয়ে হিসাব করা হয়। 
- এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪.০৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ।
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬.৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩.৪৮ শতাংশ।
- সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ ৩৭.৭০ শতাংশ  এবং সর্বনিম্ন খুলনা বিভাগে ১৫.২২ শতাংশ।

উৎস: National Multidimensional Poverty Index For Bangladesh.