পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬৮
সিলেবাস
৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৩ পরীক্ষার টপিক: ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা । ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৮ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি বিপ্রকর্ষ এর উদাহরণ?
  1. স্বপ্ন > স্বপন
  2. রিক্সা > রিস্কা
  3. বিলাতি > বিলিতি
  4. সুবর্ণ > স্বর্ণ
ব্যাখ্যা
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি (Anaptyxis):
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন:
- অ- রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন >স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
- ই- প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ> কিলিপ, ফিল্ম> ফিলিম ইত্যাদি।
- উ- মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক, ব্রু > ভুরু, শুক্রবার > শুক্কুরবার ইত্যাদি।
- এ - গ্রাম > গেরাম, প্রেক> পেরেক, স্রেফ> সেরেফ ইত্যাদি।
- ও – শ্লোক >শোলোক, মুরগ> মুরোগ > মোরগ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- রিক্সা > রিস্কা; ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ।
- সুবর্ণ > স্বর্ণ; মধ্যস্বর লোপের উদাহরণ।
- বিলাতি > বিলিতি; মধ্যগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
'যথাসাধ্য' কোন সমাস?
  1. তৎপুরুষ সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:
• অতিক্রান্ত (উৎ) অর্থে: বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল, শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল।
• অনতিক্রম্যতা (যথা) অর্থে: রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি, সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র-
  1. রোহিনী, গোবিন্দলাল
  2. মনোরমা, হেমচন্দ্র
  3. আয়েশা, তিলোত্তমা
  4. কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণকান্তের উইল:
- এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং সমকালে বিতর্কিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিধবা নারী রোহিনীকে অবলম্বন করে বঙ্কিমচন্দ্র নিজেই শিল্পবোধ ও নৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।
- ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় এই গ্রন্থের চারটি সংস্করণ হয়।
- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো: রোহিনী, গোবিন্দলাল, ভ্রমর।

অন্যদিকে,
- মনোরমা, হেমচন্দ্র মৃণালিনী উপন্যাসের চরিত্র।
- আয়েশা, তিলোত্তমা দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের চরিত্র।
- কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ  বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:

- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' এই উক্তিটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
  1. অন্নদামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. মনসামঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা
•'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' বিখ্যাত উক্তিটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের।

• অন্নদামঙ্গল কাব্য:

- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তাকে মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি বলা হয়।
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র:
- মানসিংহ,
- ভবানন্দ,
- বিদ্যাসুন্দর,
- মালিনী,
- ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য তিনখণ্ডে বিভক্ত: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল ও মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙক্তি হলো-
- 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।'
- 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'অর্ক' অর্থ কী?
  1. সূর্য
  2. চাঁদ
  3. কিরণ
  4. গাছ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'অর্ক' অর্থ: সূর্য।

• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:
- রবি, সবিতা, দিবাকর, আদিত্য, দিনমনি,
- দিননাথ, দিবাবসু,অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর,
- মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ,
- মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
শনিবারের চিঠি পত্রিকাটি কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২৪ সালে
  2. ১৯২৬ সালে
  3. ১৮৭২ সালে
  4. ১৮৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
• 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকা:
-  শনিবারের চিঠি স্যাটায়ার ধর্মী সাহিত্যিক পত্রিকা।
- প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক পরে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল হাস্য কৌতুকের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্য-চর্চাকে আক্রমণ করা।
- প্রথম প্রকাশিত হয়- ১৯২৪ সালে।
- পত্রিকাটি ১৯৩০-৪০ এর দশকে কলকাতা কেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্যের জগতে বেশ আলোড়ন তুলেছিলো।
- এই পত্রিকার সঙ্গে কল্লোল গোষ্ঠীর দ্বন্দ ছিলো আক্রমণাত্মক; তবে তৎকালীন সাহিত্যকে বিশেষভাবে পত্রিকাটি অনুপ্রাণিত করেছিল।
- পত্রিকার প্রাণপুরুষ ছিলেন সজনীকান্ত দাস।
- তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পত্রিকাটির প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন।
- এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'আমীর হামজা' কাব্য রচনা করেন কে?
  1. রেজাউদৌলা
  2. মো: দানেশ
  3. ফকির গরীবুল্লাহ
  4. শেখ ফয়জুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• 'আমীর হামজা':
- আমীর হামজা মধ্যযুগের দোভাষী পুথিসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাব্য।
- এতে বীর যোদ্ধা আমীর হামজার যুদ্ধজয়ের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
- মোট ৭০টি পর্বে এ বিশাল কাব্য সমাপ্ত হয়।
- এর প্রথম অংশ গরিবুল্লাহ রচনা করেন আঠারো শতকের মধ্যভাগে, বাকি অংশ তাঁর শিষ্য সৈয়দ হামজা ১৭৯৪ সালে সমাপ্ত করেন।
- কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র আমীর হামজা হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর পিতৃব্য ছিলেন।
- তাঁর সঙ্গে ইরানের অধিপতি নওশেরোয়ানের বিরোধ ও যুদ্ধ কাব্যের প্রধান বিষয়বস্তু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত অগ্নিবীণা কাব্যের কোন কবিতা মুসলিম ঐতিহ্য সম্পর্কিত নয়?
  1. আগমনী
  2. কামাল পাশা
  3. খেয়াপারের তরণী
  4. কোরবানী
ব্যাখ্যা
• অগ্নি-বীণা কাব্যে ১২ টি কবিতা আছে। বিষয়বস্তুর জায়গা থেকে কবিতাগুলোকে ৪ ভাগে বিভক্ত করা যায়।
যেমন:
- ১. দ্রোহ, বিপ্লব ও আমিত্ব: প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, ধূমকেতু।
- ২. সময় ও যুদ্ধ: কামাল পাশা, আনোয়ার, রণভেরী, শাত-ইল-আরব।
- ৩. মুসলিম ঐতিহ্য: মোহররম, কোরবানী, খেয়াপারের তরণী।
- ৪. হিন্দু ঐতিহ্য: রক্তাম্বরধারিণী মা, আগমনী।

• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ:

- কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্য ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন বিশেষভাবে দেখা যায় 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থে।
- 'অগ্নিবীণা' তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এটি মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক দ্রোহ, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, মানবিক সাম্য ও উদারনৈতিক মানবতাবোধের স্বর তুলে ধরে।
- এই কাব্যগ্রন্থে তার বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী' ও 'আগমনী' সহ বিভিন্ন কবিতা রয়েছে যেগুলি মানবতাবাদী ও উদারনৈতিক চেতনার সুস্পষ্ট নিদর্শন।
- এ কাব্যের ১২টি কবিতার মধ্যে সাতটি ইসলামী ঐতিহ্য, তিনটি বিশুদ্ধ হিন্দু ঐতিহ্য এবং দুটি কবিতা হিন্দু-মুসলিম উভয় ঐতিহ্যের মিশ্রণে রচিত।
- কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্য ও জীবনবোধের প্রসঙ্গে খোদার আসন, আরশ ছেদিয়া, বোররাক, জিব্রাইল, হাবিয়া-দোযখ, প্রভৃতি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
- অন্যদিকে, এই কাব্যের কবিতায় নটরাজ ধূর্জটি, হোমশিখা, জমদগ্নি, ইন্দ্রানী, কৃষ্ণ-কন্ঠ, ব্যোমকেশ, ইশান, শ্যাম, বিষ্ণু, পরশুরাম, বলরাম, ভৃগু প্রভৃতি শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কাজী নজরুলের সচেতন প্রয়াস লক্ষ করা যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া, লাইভ এমসিকিউ লেকচার-১৪।
.
'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের মুখপত্র কোনটি?
  1. জ্ঞানান্বেষণ
  2. শিখা
  3. কল্লোল
  4. শিকড়
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন:
- ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র- শিখা পত্রিকা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটির স্লোগান ছিলো "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।"
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মূলমন্ত্র ছিল 'বুদ্ধির মুক্তি'।
- বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন গঠিত হয় কয়েকজন আলোকিত মানুষের উদ্যোগে।
- তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, আবদুল কাদির প্রমুখ।
- জ্ঞানের শিখা জ্বালাবার জন্য সংগঠনটি ১৯২৭ সালে 'শিখা' নামে একটি বার্ষিক মুখপত্র প্রকাশ করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক।
- শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
কোনটি 'জিঘাংসা' এর সম্প্রসারিত প্রকাশ?
  1. জানিবার ইচ্ছা
  2. জয় করিবার ইচ্ছা
  3. হনন করিবার ইচ্ছা
  4. যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা
• 'হনন করিবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।

• এরূপ আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- 'জয় করিবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- জিগীষা।
- 'জানিবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিজ্ঞাসা।
- 'বিজয় লাভের ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিজিগীষা।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা।
-'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- দিদৃক্ষা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবক্ষা।
- 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এক কথায় প্রকাশ- জুগুপ্সা।.
- যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা  এর এক কথায় প্রকাশ- যুযুৎসা

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অনুবাদগ্রন্থ নয়?
  1. ভ্রান্তিবিলাস
  2. সীতার বনবাস
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. ব্রজবিলাস
ব্যাখ্যা
• 'ব্রজবিলাস' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক রচনা।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অনুবাদগ্রন্থ:
• হিন্দি গ্রন্থ 'বৈতাল পচ্চিসী' থেকে অনুবাদ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
• কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নামক সংস্কৃত নাটক থেকে অনুবাদ 'শকুন্তলা'।
• মহাভারতের কিছু অংশের অনুবাদ 'মহাভারত' (উপক্রমণিকা ভাগ)।
• ভবভূতির 'উত্তর রামচরিত' নাটকের অংশবিশেষ এবং বাল্মীকির 'রামায়ণ' অবলম্বনে রচিত 'সীতার বনবাস'।
• সেক্সপিয়রের Comedy of Errors অবলম্বনে 'ভ্রান্তিবিলাস' এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য রচনা।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
  1. কুন্দনন্দিনী
  2. জগৎসিংহ
  3. মনোরমা
  4. রোহিনী
ব্যাখ্যা
•'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস:
- এটি একটি সামাজিক সমস্যার আলোকে রচিত উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় সমস্যার সঙ্গে বিধবা বিবাহ, পুরুষের একাধিক বিবাহ তার রূপতৃষ্ণা ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মান ও অধিকারবোধ প্রভৃতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
- 'বিষবৃক্ষ' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস, বঙ্কিমচন্দ্রের আগে কেউ এই ধরনের উপন্যাস লিখার চেষ্টা করেননি।
-এই উপন্যাসে লেখক কি চেয়েছেন সেটার চাইতে মূখ্য বিষয় হলো লেখক সমস্যার কতটা রূপায়ণ করতে পেরেছেন।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ, হীরা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস এবং চরিত্র সমূহ:
- দুর্গেশনন্দিনী - জগৎসিংহ, আয়েশা, তিলোত্তমা।
- কপালকুণ্ডলা- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার।
- মৃণালিনী- হেমচন্দ্র, মৃনালিনী, পশুপতি, মনোরমা
- বিষবৃক্ষ- কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ।
- কৃষ্ণকান্তের উইল'- রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলাল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১৩.
নিচের কোনটি নিয়মসাধিত সন্ধি নয়?
  1. প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ়
  2. সদা + এব = সদৈব
  3. পরম + ঈশ = পরমেশ
  4. যথা + উচিত = যথোচিত
ব্যাখ্যা
• প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় নিপাতনে সিদ্ধ  স্বরসন্ধি।

অন্যদিকে,
- সদা + এব = সদৈব; আ + এ = ঐ।
- পরম + ঈশ = পরমেশ; অ + ঈ = এ।
- যথা + উচিত = যথোচিত; আ +উ = ও।

• নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:

- কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

• কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ:
- অন্য + অন্য = অন্যান্য,
- কুল + অটা = কুলটা,
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ,
- মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড,
- শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৪.
'বিশ শতকের বাঙালি' প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আহমদ শরীফ
  2. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. সুকুমার সেন
  4. গোপাল হালদার
ব্যাখ্যা
•'বিশ শতকের বাঙালি' প্রবন্ধটির রচয়িতা: 'আহমদ শরীফ।

• আহমদ শরীফ:
- একজন শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, লেখক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গবেষক।
- তিনি ১৯২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলায় পটিয়া উপজেলায় সুচক্রদণ্ডী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান এর সম্পাদক আহমদ শরীফ।
- তাঁর বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য (দুখন্ড ১৯৭৮, ১৯৮৩) মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থের মর্যাদা লাভ করেছে। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা।

• আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- বিশ শতকের বাঙালি,
- বিচিত্র চিন্তা,
- স্বদেশ অন্বেষা,
- স্বদেশ চিন্তা,
- বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য,
- সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
১৫.
পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ নয় কোনটি?
  1. চাবি
  2. হাঙ্গামা
  3. পেরেক
  4. নিলাম
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'হাঙ্গামা' একটি ফারসি শব্দ।

------------
• কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
ইংরেজ, পাউরুটি, আনারস , আচার, আলকাতরা, আলপিন, চাবি, আলমারি, বেহালা , বালতি, পেয়ারা , ইস্পাত, নিলাম, গরাদ, গামলা, পেরেক, মিস্ত্রি, কেদারা, কামরা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
'সাহিত্যরত্ন' উপাধিটি নিচের কোন সাহিত্যিকের?
  1. আবদুল করিম
  2. রামনারায়ণ
  3. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  4. ভারতচন্দ্র
ব্যাখ্যা
• নজিবর রহমান তাঁর উপন্যাসে গ্রামীণ মুসলিম পরিবারের অন্তরঙ্গ ছবি তুলে ধরতে সক্ষম হন।
• সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি 'সাহিত্যরত্ন' উপাধি লাভ করেন।

অন্যদিকে,
- আবদুল করিম এর উপাধি সাহিত্যবিশারদ।
- রামনারায়ণ এর উপাধি তর্করত্ন।
- ভারতচন্দ্র এর উপাধি রায়গুণাকর।

• মোহাম্মদ নজিবর রহমান:
- মোহাম্মদ নজিবর রহমান ছিলেন মূলত ঔপন্যাসিক।
- ১৯২৩ সালের ১৮ অক্টোবর রায়গঞ্জের হাটি কুমরুল গ্রামে তাঁর মৃত্যু হয়।
- নজিবর রহমান ইসমাইল হোসেন সিরাজীর প্রত্যক্ষ অনুপ্রেরণায় সাহিত্যকর্মে ব্রত হন।
- প্রথম সামাজিক উপন্যাস আনোয়ারা লিখে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

• তাঁর উপন্যাস হলো:
- আনোয়ারা,
- প্রেমের সমাধি,
- চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমণি,
- পরিণাম,
- গরীবের মেয়ে,
- দুনিয়া আর চাইনা ও
- মেহেরুন্নিসা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
What is the noun of ‘enable’ -
  1. capable
  2. unable
  3. ability
  4. able
ব্যাখ্যা
• enable (verb)
- সক্ষম করা; ক্ষমতা প্রদান করা।
- to provide with the means or opportunity.

• capable (Adj)
- শক্তিমান; সক্ষম; শক্তিধর; দক্ষ।
- having attributes (such as physical or mental power) required for performance or accomplishment.

• unable (Adj)
- অক্ষম; অপারগ। 
- not able.

• ability (noun)
- সামর্থ্য; সক্ষমতা
- the quality or state of being able.

• able (Adj)
- কোনো কিছু করতে সমর্থ/সক্ষম।
- having sufficient power, skill, or resources to do something.

Source: Accessible Dictionary, Merriam-Webster Dictionary.
১৮.
What is the plural of ‘deer’-
  1. deer
  2. deers
  3. dear
  4. deereses
ব্যাখ্যা
• deer (noun)
- হরিণ; মৃগ (A small mammal)

• Plural form:
deer.
কতগুলো শব্দ আছে যেগুলোর singular এবং plural একই রকম থাকে।
যেমন- sheep, deer, sheep, corps, offspring, series, dozen, species, aircraft, public, gross, hundred, thousand, million.

Source: Accessible Dictionary, Merriam-Webster Dictionary.
১৯.
What is the correct passive voice of: ‘Do not open the window.'
  1. Let not the window be opened.
  2. Let not the window open.
  3. Let not the window opened.
  4. Let not open the window.
ব্যাখ্যা
Active voice: Do not open the window.
Passive voice: Let not the window be opened.

• Do not দিয়ে আরম্ভ হওয়া sentence কে passive করতে হলে।
বাক্যের শুরুতে let বসে।
Active voice এ  do not থাকলে, passive voice এ শুধু not বসে।
Active voice এর object- subject হিসেবে বসে।
be বসে।
মূল verb এর past participle বসে।

সঠিক উত্তর- Let not the window be opened.

Source: A Passage to the English Language. S.M. Zakir Hussain.
২০.
‘Syntax’ does not mean-
  1. sentence building
  2. harmonious arrangement of parts or elements
  3. the way in which linguistic elements (such as words) are put together to form constituents
  4. manner of speech
ব্যাখ্যা
• ‘Syntax’ does not mean- manner of speech

• Syntax (noun)

- the way in which linguistic elements (such as words) are put together to form constituents.
- the part of grammar dealing with this.
- a connected or orderly system : harmonious arrangement of parts or elements.

Source: merriam-webster dictionary.
২১.
“Tomorrow, and tomorrow, and tomorrow.”
This memorable line in Shakespearean tragedy is spoken by-
  1. Lady Macbeth
  2. Banquo
  3. Duncan
  4. Macbeth
ব্যাখ্যা
• Macbeth হচ্ছে William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ Tragedy এবং Macbeth হলো এর মূল চরিত্র।
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General.

Macbeth
- "Macbeth" হল উইলিয়াম শেকসপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি, যা প্রায় ১৬০৬-০৭ সালে রচিত হয়েছিল।
- এটি তার সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর নাটকগুলোর মধ্যে একটি, যা ক্ষমতার লোভ, বিশ্বাসঘাতকতা ও অনুশোচনার উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- "Macbeth" হল এক শক্তিশালী রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক ট্র্যাজেডি, যা দেখায় কীভাবে লোভ ও অপরাধবোধ একজন মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। এটি আজও সাহিত্যের জগতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী নাটক হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি শেকসপিয়ারের ট্র্যাজেডিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত নাটক, যেখানে কোনো অতিরিক্ত কাহিনি বা উপকাহিনি (subplot) নেই।

Other Characters:
Lady Macbeth,
Duncan,
Banquo,
Three Witches.

Some famous quotations of Macbeth: 
“Life is but a walking shadow, a poor player.”
“Fair is foul, and foul is fair.”
“What’s done cannot be undone.”
“Look like an innocent flower but be the serpent under it.”

William Shakespeare:
Birth: 23 April 1564 (26 April)
Death: 23 April 1616
Birthplace: Stratford-upon-Avon.
National poet of England.

Notable Works:

“A Midsummer Night’s Dream”
“All’s Well That Ends Well”
“Antony and Cleopatra”
“As You Like It”
“Coriolanus”
“Cymbeline” 
“Hamlet”
“Henry IV"
“Henry V”
“Henry VI"
“Henry VIII”
“Julius Caesar”
“King John”
“King Lear”
“Love’s Labour’s Lost”
“Macbeth”
“Measure for Measure”
“Much Ado About Nothing”
“Othello”
“Pericles”
“Richard III”
“The Comedy of Errors”
“The Merchant of Venice”
“The Merry Wives of Windsor”
“The Taming of the Shrew”
“The Tempest” “Timon of Athens”
• "Tomorrow, and tomorrow, and tomorrow,
Creeps in this petty pace from day to day,
To the last syllable of recorded time..." - Act 5 এ ।

Source: Britannica and Shakespearnotes.
২২.
The antonym of ‘energetic’ is -
  1. playful
  2. sluggish
  3. frisky
  4. quarrelsome
ব্যাখ্যা
energetic (Adj)
- শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল করা; স্নায়ুহীন করা।

Options:
playful (Adj)
- কৌতুকপূর্ণ; সকৌতুক; লীলাপর; ক্রীড়াপর; ক্রীড়াপরায়ণ।

sluggish (Adj)
- নিষ্ক্রিয়; মন্থরগতি।

frisky (Adj)
- প্রফুল্ল; উৎফুল্ল

quarrelsome (Adj)
- ঝগড়াটে; বদরাগী।

প্রশ্নে উল্লিখিত option গুলোর মধ্যে sluggish শব্দটি energetic এর বিপরীত শব্দ প্রকাশ করে।

Source: Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.
২৩.
He has been ill ___ three months. Fill in the blank-
  1. since
  2. in
  3. for
  4. from
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: He has been ill for three months.
- Bangla Meaning: সে তিন মাস ধরে অসুস্থ।

• 'For' preposition টি period of time অর্থাৎ, অনির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
For এর ব্যবহার:
- Period of time এর পূর্বে for বসে।
- Period of time হচ্ছে সেই সময়কাল যাকে সময় গণনার একক (সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা, সপ্তাহ, মাস, বছর ইত্যাদি) দ্বারা গণনা করা হয়। যেমন-
- এক সেকেন্ড, এক মিনিট, এক ঘন্টা, এক সপ্তাহ, এক মাস, এক বছর, দুই বছর, ইত্যাদি।
- ব্যতিক্রম- (for) a long time (অনেক/দীর্ঘ সময়/ক্ষণ/দিন।) যেমন-
- We have been reading in this school for four years.
- He said nothing for a long time.
- Rima has been working here for eight months.

• অন্যদিকে, 'Since' preposition টি point of time অর্থাৎ কোনো কাজ শুরুর নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়‌।
- He has been ill since last Friday.
- Fahima has lived in Dhaka since 2016.

Source:
A Passage to the English Language. S.M. Zakir Hussain.
২৪.
His victory means that he is now assured ____ a place in the next round.
Fill in the blank with the appropriate word:
  1. with
  2. of
  3. to
  4. for
ব্যাখ্যা
• শুন্যস্থানে সঠিক উত্তরটি হবে of.

প্রদত্ত বাক্যটি-
• His victory means that he is now assured of a place in the next round.
- তার জয়ের অর্থ হলো পরবর্তী রাউন্ডে সে নিশ্চিত স্থান পাবে।

• Assure someone of something

- English Meaning: to tell someone confidently that something is true, especially so that they do not worry.
- Bangla Meaning: কোন কিছুর নিশ্চয়তা দেওয়া।

Example:
The unions assured the new owners of the workers' loyalty to the company.
Her friends assured her of their continuing love and support.

Source:
Cambridge dictionary.
২৫.
Choose the correct sentence:
  1. Poor is not always unhappy.
  2. The poor are not always unhappy.
  3. The poors are not happy always.
  4. The poor is not always unhappy.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে- The poor are not always unhappy.
- দরিদ্ররা সবসময় অসুখী থাকে না।

• প্রশ্নে উল্লিখিত poor হচ্ছে adjective.
- এবং এর আগে the বসে plural common noun এ পরিণত হয়েছে। তাই verb plural (are) বসেছে।

• The poor দ্বারা সকল poor কে বুঝিয়েছে এর ফলে এর পূর্বে the বসেছে।

Source: A Passage to the English Language. S.M. Zakir Hussain.
২৬.
Fill in the blank with the appropriate word:
It is a surprising ____ for an ambitious social worker to draw.
  1. moral
  2. morale
  3. experiment
  4. exercise
ব্যাখ্যা
• It is a surprising moral for an ambitious social worker to draw.

• moral = practical lesson, কাহিনী, ঘটনা বা অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা।
• morale = The amount of confidence and enthusiasm, মনোবল।
• experiment = test, trial, পরীক্ষা; গবেষণা।
• exercise = the act of bringing into play or realizing in action, অনুশীলন; চর্চা।

অর্থানুসারে, সঠিক উত্তর হবে moral.

Source: Merriam-Webster dictionary, Accessible Dictionary.
২৭.
What is the plural form of ‘cliff'-
  1. Clives
  2. Clifs
  3. Cliffs
  4. Cliffes
ব্যাখ্যা
Cliff (noun) -
-উঁচু খাড়া পাহাড়; বিশেষত সমুদ্র কিনারে।
-a very steep, vertical, or overhanging face of rock, earth, or ice.

Cliff এর Plural form হলো - Cliffs.
Example: The rugged cliffs towered over the crashing waves, creating a breathtaking view along the coastline.

Source: The Britannica dictionary.
২৮.
(৩৬-৩৭) Fill in the blanks with the appropriate word:
He divided the money _____ the two children.
  1. in between
  2. among
  3. between
  4. over
ব্যাখ্যা
- He divided the money between the two children.
- তিনি দুই সন্তানের মাঝে টাকাটা ভাগ করে দিলেন।

• দুই জনের মধ্যে ভাগ করা বুঝাতে between বসে।
- যেমন: The decision was made to distribute the tasks evenly between the two teams.

• দুইয়ের অধিক বা অনেকের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া বুঝাতে among ব্যবহার হয়। 
- যেমন: The cookies were shared among the children at the party.

• যেহেতু প্রশ্নে দুইজনের মধ্যে টাকা ভাগ করে দেওয়া বুঝিয়েছে, তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- between.

Source: Merriam-Webster dictionary, Accessible Dictionary.
২৯.
The FIFA World Cup was watched by ____ billions of people all over the world.
  1. exactly
  2. literally
  3. truly
  4. usually
ব্যাখ্যা
exactly (adverb)
- নির্ভুলভাবে; যথাযথভাবে।

literally (adverb)

- with exact equivalence.
- অক্ষরে অক্ষরে।

truly (adverb) 
- সত্য করে।

usually (adverb)
- according to the usual or ordinary course of things
- সচরাচর; সাধারণত।

• The FIFA World Cup was watched by literally billions of people all over the world.
- ফিফা বিশ্বকাপটি আক্ষরিক অর্থেই সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ দেখেছে।

- উক্ত বাক্যে - literally শব্দটি উপযুক্ত। সঠিক উত্তর হবে literally.

Source: A Passage to the English Language S.M. Zakir Hussain.
৩০.
Select the pair that best describes the original pair-
Enthusiastic: Half-hearted::
  1. Concerned: Careful
  2. Eager: Indifferent
  3. Devoted: Dedicated
  4. Anxious: Nervous
ব্যাখ্যা
Enthusiastic - (Adj)
- অত্যুৎসাহী।
- filled with or marked by enthusiasm.

Half-hearted - (Adj)
- শিথিল-উদ্যম.
- lacking heart, spirit, or interest.

এদের মধ্যে বিপিরীত সম্পর্ক বিদ্যমান। তাই সঠিক উত্তর হবে, বিপরীত সম্পর্কযুক্ত option টি।

• Options:
Concerned - (Adj)
- উদ্বিগ্ন
- anxious, worried.

Careful (Adj)
- সতর্ক/হুঁশিয়ার/সাবধান/মনোযোগী/যত্নবান হওয়া
- marked by wary caution or prudence.

Eager (Adj)
- উৎসুক; আগ্রহান্বিত; আকুল; ব্যগ্র; অধীর।
- marked by enthusiastic or impatient desire or interest.
Indifferent (Adj)
- নিঃস্পৃহ; অনীহ; উদাসীন; নিরুৎসুক।
- marked by a lack of interest, enthusiasm, or concern for something.

Devoted (Adj)
- অনুরক্ত
- characterized by loyalty and devotion.

Dedicated (Adj)
- উৎসর্গীকৃত
- devoted to a cause, ideal, or purpose.

Anxious (Adj)
- উদ্বিগ্ন; চিন্তিত

Nervous (Adj)
- অল্পতেই উত্তেজিত; বিচলিত; সন্ত্রস্ত

সঠিক উত্তর হবে Eager: Indifferent কারণ এরা বিপরীত সম্পর্কযুক্ত।

Source: Merriam-Webster dictionary, Accessible Dictionary.
৩১.
Fill in the blank with an appropriate word.
He fantasized ____ winning the match.
  1. of
  2. about
  3. from
  4. after
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে about.
• He fantasized about winning the match.
- সে খেলাটি জয় লাভ করার কথা কল্পনা করেছিল।

• কোন কিছুর কল্পনা করা বুঝাতে fantasized এর পর appropriate preposition হিসেবে about বসে।  
- অন্য option গুলো এই বাক্যে ব্যবহারযোগ্য নয়। 

Source: Merriam-Webster dictionary, Accessible Dictionary.
৩২.
Who is the poet of the ‘Victorian Age’?
  1. S.T.Coleridge
  2. Robert Browning
  3. Charles Lamb
  4. Alexander Campbell
ব্যাখ্যা
• Robert Browning is the poet of the ‘Victorian Age’

• Robert Browning
- Robert Browning ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশিষ্ট ইংরেজ কবি।
- He was a famous poet of Dramatic Monologue.
- যিনি নাটকীয় স্বগতোক্তি (dramatic monologue) এবং মনস্তাত্ত্বিক চরিত্রচিত্রণের দক্ষতার জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রচনা The Ring and the Book (১৮৬৮–৬৯), যা ১২টি বইয়ে বিভক্ত একটি রোমান হত্যা বিচারের কাহিনি।

• Books of poems:
 
-Men and Women  
-Dramatic Lyrics  
-The Ring of the Book  

• Famous poems:  
 
- My Last Duchess 
- Andrea Del Sarto  
- Robert Browning 
- Porphyria‘s Lover 
- A Grammarian‘s Funeral
- Home Thoughts from Abroad
- Rabbi Ben Ezra  
- Fra Lippo Lippi
- The Pied Piper of Hamelin  
- The Patriot  
- The Ring and the Book (an epic poem)

• অন্যদিকে,
- Charles Lamb এবং S.T.Coleridge উভয় এই ‘Romantic Period ’ এর কবি।
- Alexander Campbell - Modern Period এর কবি।

Source: Britannica.
৩৩.
একটি ক্রিকেট খেলায় দুই দলের যতজন কট আউট হলো, তার দেড়গুণ বোল্ড আউট হলো। দুই দলের মোট উইকেটের অর্ধেক স্ট্যাম্প আউট হলে, এই খেলায় কতজন বোল্ড আউট হলো?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্রিকেট খেলায় দুই দলের যতজন কট আউট হলো, তার দেড়গুণ বোল্ড আউট হলো। দুই দলের মোট উইকেটের অর্ধেক স্ট্যাম্প আউট হলে, এই খেলায় কতজন বোল্ড আউট হলো? 

সমাধান:
ধরি,
কট আউট হয় = ক জন
বোল্ড আউট হয় = ৩ক/২ জন
দুই দলের মোট উইকেট ২০ টির অর্ধেক স্ট্যাম্প আউট হয়।
∴ স্ট্যাম্প আউট হয় = ২০/২ = ১০ জন

শর্তমতে,
ক + (৩ক/২) + ১০ = ২০
⇒ (২ক + ৩ক)/২ = ২০ - ১০
⇒ ৫ক/২ = ১০
⇒ ৫ক = ২০
∴ ক = ৪ জন

∴ বোল্ড আউট হয় = (৩ × ৪)/২ জন
= ৬ জন
৩৪.
2log108 + log1025 - log1016 = ?
  1. 100
  2. 2
  3. 36
  4. 37
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2log108 + log1025 - log1016 = ?

সমাধান:
2log108 + log1025 - log1016
= log1082 + log1052 - log1042 [p.logkM = logkMP
= log10 {(82 × 52)/42} [logkM + logkN = logk(MN), logkM - logkN = logk(M/N)]
= log10{(64 × 25)/16}
= log10(1600/16)
= log10100
= log10102
= 2log1010
= 2 × 1
= 2
৩৫.
একটি কুকুর একটি খরগোশকে ধরার জন্য তাড়া করে। কুকুর যে সময়ে ৭ বার লাফ দেয়, খরগোশ সে সময়ে ৯ বার লাফ দেয়। কিন্তু খরগোশ ৩ লাফে যতদূর যায় কুকুর ২ লাফে ততদূর যায়। কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত কত?
  1. ৭ : ৬
  2. ৬ : ৫
  3. ৫ : ২
  4. ৮ : ৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কুকুর একটি খরগোশকে ধরার জন্য তাড়া করে। কুকুর যে সময়ে ৭ বার লাফ দেয়, খরগোশ সে সময়ে ৯ বার লাফ দেয়। কিন্তু খরগোশ ৩ লাফে যতদূর যায় কুকুর ২ লাফে ততদূর যায়। কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত কত?

সমাধান:
খরগোশের ৩ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব = কুকুরের ২ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব
∴ খরগোশের ১ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব = কুকুরের ২/৩ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব
∴ খরগোশের ৯ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব = কুকুরের (২ × ৯)/৩ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব
= কুকুরের ৬ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব

∴ কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত = ৭ : ৬
৩৬.
বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?
  1. ৪০% ক্ষতি
  2. ৫০% লাভ
  3. ১০০% লাভ
  4. ১০% ক্ষতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?

সমাধান:
ধরি,
ক্রয়মূল্য ”ক” টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ২ক টাকা

∴ লাভ = (২ক - ক) = ক টাকা

এখন,
ক টাকায় লাভ হয় ক টাকা
∴ ১ টাকায় লাভ হয় = (ক/ক) = ১ টাকা
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় (১ × ১০০) টাকা
= ১০০ টাকা বা ১০০%
৩৭.
একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৪ গুণ। বিস্তার ৬ মিটার হলে, ক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৬৯ বর্গ মিটার
  2. ১৪৪ বর্গ মিটার
  3. ১২৪ বর্গ মিটার
  4. ১০৮ বর্গ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৪ গুণ। বিস্তার ৬ মিটার হলে, ক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আয়তাকার ক্ষেত্রের বিস্তার বা প্রস্থ = ৬ মিটার
∴ আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৬ × ৪ = ২৪ মিটার

∴ আয়তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) বর্গ একক
= (২৪ × ৬) বর্গ মিটার
= ১৪৪ বর্গ মিটার
৩৮.
একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৬৫°। এর বাহুসংখ্যা কয়টি?
  1. ২৪ টি
  2. ৩২ টি
  3. ২০ টি
  4. ১২ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৬৫°। এর বাহুসংখ্যা কয়টি?

সমাধান:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৬৫°।
সুতরাং সুষম বহুভুজের বহিস্থঃকোণ = ১৮০° - ১৬৫° = ১৫°

আমরা জানি,
সুষম বহুভুজের বহিস্থঃকোণের সমষ্টি = ৩৬০°

∴ বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা হবে = ৩৬০°/১৫° = ২৪ টি
৩৯.
একটি সোনার গহনার ওজন ২০ গ্রাম। এতে সোনার ও তামার অনুপাত ৪ : ১। এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৫ : ১ হবে?
  1. ৮ গ্রাম
  2. ৬ গ্রাম
  3. ৫ গ্রাম
  4. ৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গহনার ওজন ২০ গ্রাম। এতে সোনার ও তামার অনুপাত ৪ : ১। এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৫ : ১ হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
গহনার ওজন = ২০ গ্রাম
গহনায় সোনার ও তামার অনুপাত = ৪ : ১
অনুপাতের যোগফল = ৪ + ১ = ৫

∴ গহনায় সোনার পরিমাণ= (২০ × ৪)/৫ = ১৬ গ্রাম
∴ গহনায় তামার পরিমাণ = (২০ × ১)/৫ = ৪ গ্রাম

ধরি,
”ক” পরিমাণ সোনা মিশাতে হবে।

প্রশ্নমতে,
(ক + ১৬) : ৪ = ৫ : ১
⇒ (ক + ১৬)/৪ = ৫/১
⇒ ক + ১৬ = ২০
⇒ ক = ২০ - ১৬
∴ ক = ৪

∴ অতিরিক্ত সোনা মেশাতে হবে ৪ গ্রাম
৪০.
এই ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এই ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮

সমাধান:
ধারাটি একটি ফিবোনাক্কি ধারা
১ম পদ = ০
২য় পদ = ০ + ১ = ১
৩য় পদ = ১ + ১ = ২
৪র্থ পদ = ১ + ২ = ৩
৫ম পদ = ২ + ৩ = ৫
৬ষ্ঠ পদ = ৩ + ৫ = ৮

∴ ধারাটির পরবর্তী পদ = ৫ + ৮ = ১৩
৪১.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সে.মি. এবং উচ্চতা x সে.মি. হলে, x এর মান কত?
  1. ২√৩
  2. ২√২
  3. √৩
  4. √২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সে.মি. এবং উচ্চতা x সে.মি. হলে, x এর মান কত? 

সমাধান:
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩/৪) × (বাহু)
= (√৩/৪) × (৪) 
= ৪√৩ বর্গ সেমি

প্রশ্নমতে,
(১/২) × ভূমি × উচ্চতা = ক্ষেত্রফল
⇒ (১/২) × ৪ × x = ৪√৩
⇒ ২x = ৪√৩
⇒ x = (৪√৩)/২
∴ x = ২√৩
৪২.
একটি সংখ্যা ৮২০ থেকে যত বড় ১০৫০ থেকে তত ছোট, সংখ্যাটি কত?
  1. ৯০০
  2. ৯২০
  3. ৯৩৫
  4. ৯৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যা ৮২০ থেকে যত বড় ১০৫০ থেকে তত ছোট, সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে
১০৫০ - ক = ক - ৮২০
⇒ ১০৫০ + ৮২০ = ক + ক
⇒ ২ক = ১৮৭০
⇒ ক = ১৮৭০/২
∴ ক = ৯৩৫
৪৩.
311920125 যদি Castle হয়, তবে 12151516 -
  1. Lead
  2. Loop
  3. Love
  4. Peace
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 311920125 যদি Castle হয়, তবে 12151516 -

সমাধান:
এখানে
ইংরেজি বর্ণগুলোর অবস্থানগত সাংখ্যিক মান হিসেবে নেয়া হয়েছে।

3 - C, 1 - A, 19 - S, 20 - T, 12 - L, 5 - E
একইভাবে,
12 - L, 15 - O, 15 - O, 16 - P

∴ 12151516 = Loop
৪৪.
বায়ু পরাগী ফুল কোনটি? 
  1. কদম
  2. জবা
  3. ধান
  4. পাতা শ্যাওলা
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম: 
- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

বায়ু পরাগী ফুল: 
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 

পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 

প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  2. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  4. রিলেশনাল ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
ক্রোমোজোম প্রথম কে আবিষ্কার করেন? 
  1. রবার্ট হুক
  2. ওয়াল্ডেয়ার
  3. স্ট্রাসবার্গার
  4. গ্রেগর মেন্ডেল
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ কোন দিকে বাঁক নেয়? 
  1. উত্তর গোলার্ধে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উভয় দিকে বাঁক নেয়
  2. উত্তর গোলার্ধে বাম দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ডান দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে
  4. বায়ু কখনোই বাঁক নেয় না
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব। 
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়। 
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
• নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
• পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
শুষ্ক বরফ কী?
  1. কঠিন নাইট্রোজেন
  2. কঠিন অক্সিজেন
  3. হিমায়িত পানি
  4. হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ (Dry ice) হলো হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন ঘটে, অর্থাৎ এটি তার কঠিন অবস্থান থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা -78.5° C তাপমাত্রায় (বা -109.3° ফারেনহাইট) পরমানন্দ (sublimation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাসে পরিণত হয়। 
- এ কারণে এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৪৯.
মানবদেহের কোন হরমোন দাঁড়ি ও গোফ গজাতে সাহায্য করে?
  1. রিলাক্সিন
  2. প্রোজেস্টেরন
  3. টেস্টোস্টেরণ
  4. অ্যাড্রানালিন
ব্যাখ্যা
মানব প্রজননে হরমোন এর ভূমিকা: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্প মাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসৃত হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে এবং দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 
- মানব দেহে প্রজনন সংক্রান্ত হরমোনগুলো হলো- 

শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি: 
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম- টেস্টোস্টেরণ এবং অ্যান্ড্রোজেন। 
- এ হরমোন শুক্রাণু উৎপাদন করে। দাঁড়ি ও গোফ গজায়। গলার স্বর বদলায়। 

পিটুইটারী গ্রন্থি: 
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) বৃদ্ধি উদ্ধীপক হরমোন এবং (খ) উৎপাদক হরমোন। 
- এ হরমোন জনন গ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ ও কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মাতৃদেহের স্তন দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। জরায়ুর সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। 

থাইরয়েড গ্রন্থি: 
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- থাইরক্সিন হরমোন। 
- এ হরমোন দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করে। যৌন লক্ষণ প্রকাশ ও বিপাকে সহায়তা করে। 

অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি: 
- এ গুন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- অ্যাড্রানালিন হরমোন। 
- এ হরমোন যৌন অঙ্গের বৃদ্ধি করে। যৌন লক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। 

ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি: 
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) ইস্ট্রোজেন, (খ) প্রোজেস্টেরন এবং (গ) রিলাক্সিন। 
- এ হরমোন নারী সুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে। ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ ও অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

অমরা গ্রন্থি: 
- অমরা থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) গোনাডোট্রপিক এবং (খ) প্রোজেস্টেরন। 
- এ হরমোন ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে। স্তন গ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA):
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭ সাল। 
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- মোট সদস্য সংখ্যা: ১৮০ টি (১৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখের হিসাবে) [মার্চ, ২০২৫]
- শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার প্রচার করা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কাজ করে।
- NPT (Non-Proliferation Treaty) বাস্তবায়নে সহায়তা করে।
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ করে।
- পারমাণবিক শক্তি, চিকিৎসা, কৃষি এবং শিল্পে শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিতে কাজ করে।
- ২০০৫ সালে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) এবং এর মহাপরিচালক মোহাম্মদ এলবারাদেইকে একটি নিরাপদ এবং আরও শান্তিপূর্ণ বিশ্বের জন্য তাদের কাজের জন্য নোবেল শান্তি পুরষ্কার প্রদান করে। 

উৎস: i) IAEA ওয়েবসাইট। 
ii) Britannica.
৫১.
নিচের কোন বনভূমিকে গজারি বন বলা হয়?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  2. মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
  3. সিলেটের বনভূমি
  4. উপকূলীয় বনভূমি
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য:
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল।
- এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়।
- শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে।
- এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
- শাল গাছ কাটার পর গোড়া থেকে অসংখ্য কুশি বাহির হয় বলে স্থানীয় ভাষায় একে গজারি বনও বলা হয়।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত।
- দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি কে নির্মাণ করেন?
  1. শামীম শিকদার
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. মোস্তফা মনোয়ার
  4. নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভাস্কর্য: 
- মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ‘ডাকসু’ কলাভবনের সামনে ১৯৭২ সালে ‘অপরাজেয় বাংলা’ ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়।
- টিএসসি সড়ক দ্বীপে ১৯৮৮ সালে শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ১৯৯১ সালে।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছাড়াও বায়ান্নর মহান ভাষা দিবস, ছেষট্টির স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, উনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থান প্রাধান্য পেয়েছে এ ভাস্কর্যে।
- এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে উৎসর্গকৃত সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য (১৯৯৭)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
উইন্ডহুক কোন দেশের রাজধানী?
  1. নম পেন
  2. নামিবিয়া
  3. গায়ানা
  4. নাইজার
ব্যাখ্যা
নামিবিয়া: 
- স্বাধীনতা লাভ: ২১ মার্চ, ১৯৯০ সাল। 
- রাজধানী: উইন্ডহুক (Windhoek)। 
- বার্লিন সম্মেলনের (১৮৮৪-৮৫) মাধ্যমে জার্মানি নামিবিয়াকে উপনিবেশ বানায়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে (১৯১৪) দক্ষিণ আফ্রিকা জার্মানদের পরাজিত করে নামিবিয়া দখল করে।
- ১৯২০ সাল: লীগ অব নেশন্সের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়াকে শাসন করে।
1948: দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসন (Apartheid) শুরু হলে, এটি নামিবিয়াতেও প্রযোজ্য হয়।
- ১৯৬৬ সাল: জাতিসংঘ দক্ষিণ আফ্রিকার দখলকে অবৈধ ঘোষণা করে, কিন্তু তারা শাসন চালিয়ে যায়।
- ১৯৬৬-১৯৮৮: স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে SWAPO (South West Africa People’s Organization)।
- ১৯৮৮ সাল: আন্তর্জাতিক চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়ার স্বাধীনতা দিতে রাজি হয়।
- ২১ মার্চ, ১৯৯০: নামিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে, সাম নুজোমা (Sam Nujoma) প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।
- খনিজ সম্পদ (হীরা, ইউরেনিয়াম, তামা) এবং পর্যটন দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।

উৎস: Britannica.
৫৪.
বর্তমান বরিশাল জেলা প্রাচীন কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. রাঢ়
  2. চন্দ্রদ্বীপ
  3. সমতট
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন বাংলায় একটি ক্ষুদ্র জনপদের নাম হলো চন্দ্রদ্বীপ।
- বর্তমান বরিশাল জেলাই ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
৫৫.
২০২৪ সালে অলিম্পিক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. বার্সেলোনা
  2. জুরিখ
  3. প্যারিস
  4. বার্লিন
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সম্মানজনক প্রতিযোগিতা।
- দুই শতাধিক দেশ অংশগ্রহণ করে থাকে।
- প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- ২০২৪ সালে ৩৩তম অলিম্পিক গেমস ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যৌথভাবে সর্বাধিক স্বর্ণপদক লাভ করে (৪০টি করে) ।

উৎস: i) Olympics Website.
ii) Britannica.
৫৬.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ করে।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৫৭.
কোন মোঘল সম্রাটের সময়ে ঢাকা প্রথম রাজধানী হয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী ১৬ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবিতকাল পর্যন্ত এ নাম বজায় ছিলো।
- এর আগে সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার প্রাদেশিক রাজধানী ছিলো বিহারের রাজমহল। 
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতীকে রাজমহলের সুবেদার নিযুক্ত করেন।
- তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে রাজধানী রাজমহল থেকে সরিয়ে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা সুবা বাংলার রাজধানী হলেও সুবা বাংলার রাজধানী বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে। 
- শাহ সুজা'র পতনের পর ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- এরপর দীর্ঘকাল পর ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা আবার তার গুরুত্ব ফিরে পায়।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসামও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৮.
নেলসন ম্যান্ডেলা কত সালে দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি হন?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা: 
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের অগ্রদূত।
- তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন।
- ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তিনি ২৭ বছর কারাগারে কাটান।
- ১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়ার পর ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের অবসানের জন্য শান্তিপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে যান।
- ১৯৯৪ সালের দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হন।
- তাঁর নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকা গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যায়।
- ১৯৯৩ সালে এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্কের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- পুরস্কারটি দেওয়া হয় দক্ষিণ আফ্রিকায় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনার জন্য।
- "লং ওয়াক টু ফ্রিডম" - তাঁর আত্মজীবনী বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণার উৎস।

উৎস: Britannica.
৫৯.
পদ্মা নদী কোথায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে?
  1. হুগলীতে
  2. গোয়ালন্দে
  3. দুর্লভপুরে
  4. চাঁদপুরে
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী: 
- পদ্মা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী।
- এটি হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা।
- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত। 
- হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় (মানাকোসা ও দুর্লভপুর ইউনিয়ন) বাংলাদেশে প্রবেশ করে,এখান থেকে নদীটি পদ্মা নাম ধারণ করেছে।
- গঙ্গার অন্য শাখাটি ভাগীরথী নামে ভারতে হুগলীর দিকে প্রবাহিত হয়।
- উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- সবশেষে পদ্মা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬০.
হাজী শরীয়তউল্লাহর সংস্কার আন্দোলনের নাম কী ছিল?
  1. ইসলামিক আন্দোলন
  2. ওয়াহাবী আন্দোলন
  3. ফরায়েজি আন্দোলন
  4. তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন: 
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লাহ
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলার শাসশাইল গ্রামে ১৭৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থান করেন।
- সেখানে তিনি ইসলাম ধর্মের ওপর লেখাপড়া করে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।
- তাদের মধ্যে অনৈসলামিক রীতিনীতি, কুসংস্কার, অনাচার প্রবেশ করেছে।
- ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার আর অনাচারমুক্ত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
- এই প্রতিজ্ঞার বশবর্তী হয়ে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৬১.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. এম. মনসুর আলী
  3. এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, নির্দেশনা সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়।
- এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার।
- ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

মুজিবনগর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ
- অর্থমন্ত্রী: এম. মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬২.
কার মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. রোনাল্ড রিগান
  3. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি, যা পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৬৩.
কোন আমল থেকে সমগ্র বাংলাদেশের অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে?
  1. পাল আমল
  2. গুপ্ত আমল
  3. ইলিয়াস শাহী আমল
  4. হোসেন শাহী আমল
ব্যাখ্যা
ইলিয়াস শাহী আমল: 
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্র করতে পারেননি।
- তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ স্থানীয় জনগণের মন জয় করার জন্য উদারনৈতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাইকে শাসনকার্যে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেন।
- তাঁরা দেশীয় ভাষা ও সাহিত্যের সমাদর এবং দেশীয় কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- তাঁদের উদার নীতির ফলে বাংলাদেশে সামাজিক জীবনে এক নতুন ধারার সৃষ্টি হয়েছিল।
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- ইলিয়াস শাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৪.
তাশখন্দ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৫ সাল
  2. ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫ সাল
  3. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
  4. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা
তাশখন্দ চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল। 
- স্থান: তাশখন্দ, উজবেকিস্তান (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন)। 
- স্বাক্ষরকারী: ভারতের প্রধানমন্ত্রী: লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট: মোহাম্মদ আইয়ুব খান। 
- উদ্দেশ্য: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান। 
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- সেপ্টেম্বর ২২, ১৯৬৫ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়।
- লাল বাহাদুর শাস্ত্রী তাশখন্দ ঘোষণার পরদিন (১১ জানুয়ারি, ১৯৬৬) রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
- পাকিস্তানে এই চুক্তিকে জনসাধারণের অনেকাংশ "পরাজয়ের দলিল" হিসেবে দেখেছিল।
- তাশখন্দ চুক্তি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তি চুক্তি হলেও, এটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: Britannica.
৬৫.
নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council):
- নিরাপত্তা পরিষদ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য দায়ী। 
- এর ১৫টি সদস্য, যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য (চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র) এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- অস্থায়ী সদস্যদের কোটাভিত্তিতে আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, ল্যাটিন আমেরিকা, পূর্ব-ইউরোপ, এবং পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে ভোটাভুটির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়।
- অস্থায়ী সদস্যপদের মেয়াদ দুই বছর।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

উৎস: UNSC ওয়েবসাইট। 
৬৬.
তমদ্দুন মজলিস কোন আন্দোলনের সংগঠন?
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. দেশ বিভাগ
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস: 
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গঠিত হয় ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস। 
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পাশাপাশি পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ, পূর্ববঙ্গ বুদ্ধিজীবী সমাজ, সাংবাদিক সংঘ বিভিন্ন সভা-সমিতিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
- সবকিছুকে উপেক্ষা করে ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংবিধান সভার কাছে সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৬৭.
বাংলাদেশের জিডিপি-তে সেবাখাতের অবদান কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ১১.০২%
  2. ৩৭.৯৫%
  3. ৪৬.৪২%
  4. ৫১.০৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৬৮.
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত কোথায় অবস্থিত?
  1. নেদারল্যান্ডের হেগ
  2. সুইজারল্যান্ডের জুরিখ
  3. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক
  4. সুইজারল্যান্ডের জেনেভা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice - ICJ):
- International Court of Justice (ICJ) বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত ও বলা হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিচারিক অঙ্গ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
- ICJ শুধুমাত্র সেই বিরোধগুলি শুনানি করে, যা রাষ্ট্রগুলি স্বেচ্ছায় আদালতে নিয়ে আসে।
- ICJ আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত বিরোধ যেমন সীমান্তের সমস্যা, সমুদ্রসীমা, এবং চুক্তির ব্যাখ্যা সমাধান করে।
- এটি নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
- বিচারক সংখ্যা ১৫ জন।
- বিচারকরা নয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- প্রতি বছর এক তৃতীয়াংশ বিচারক অবসর গ্রহণ করেন।

উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।