পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪০: GK – কম্পিউটার ও প্রযুক্তি কম্পিউটার পেরিফেরালস, দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার (শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা, হোম)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
কাজের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কতটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়?
  1. ক) ২ ভাগে 
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে 
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device) যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি।
২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device) যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি এবং
৩। স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) যেমন: হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, সিডি, ডিভিডি ইত্যাদি।
এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) বাইট
  2. খ) বিট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) মেগাবাইট
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলা হয়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতার একক হলো বিট (Bit)। বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট।
- আট (৮) বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট।
- বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়
- কম্পিউটার মেমোরির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের এককগুলো হলো- কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট।
  ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর

উৎস
: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া?
  1. ক) Floppy Disk
  2. খ) Hard Disk
  3. গ) Optical Disk
  4. ঘ) EEPROM
ব্যাখ্যা
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন: সিডি, ডিভিডি, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি।
- স্টোরেজ মিডিয়া প্রধানত দুই প্রকার। যথা: 
ক। প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া এবং
খ। সেকেন্ডারি স্টোরেজ মিডিয়া।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ কী থাকে-
  1. ক) ১০২ টি
  2. খ) ১০৩ টি
  3. গ) ১০৪ টি
  4. ঘ) ১০৫ টি
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের অন্যতম একটি ইনপুট ডিভাইস যার মধ্যে বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের বিভিন্ন কীগুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে।
- কম্পিউটারের কীবোর্ডের কীগুলোর সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। 
- বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ ১০৫ টি কী আছে
- ইংরেজি বর্ণ ও সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নে চিহ্নিত কীগুলো সাধারণ টাইপরাইটারের মতো এবং বিন্যাস বা সাজানোও একই রকম। কীবোর্ড প্রায় সব কম্পিউটারেই থাকে।
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় Modifier Key। 
- কীবোর্ডের প্রত্যেক কী একটি বৈদ্যুতিক সুইচের সঙ্গে একটি এনকোডার দ্বারা যুক্ত থাকে। কীবোর্ডের কোনো কী চাপলে এনকোডার সেই বর্ণের কোডের ডিজিটাল বৈদ্যুতিক সংকেত ০ বা ১ উৎপন্ন করে। 
- তারবিহীন কীবোর্ড, ব্লুটুথ কীবোর্ড এবং ভ্রমণে কাজ করার জন্য পাতলা কীবোর্ড পাওয়া যায়।
- বিদ্যুৎ ছাড়া সোলার পাওয়ারে কাজের উপযোগি কীবোর্ড পাওয়া যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
কীবোর্ডের বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহকে বলা হয়-
  1. ক) ফাংশন কী
  2. খ) টাইপিং কী
  3. গ) নিউমারিক কী
  4. ঘ) মডিফায়ার কী
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের অন্যতম একটি ইনপুট ডিভাইস যার মধ্যে বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের বিভিন্ন কীগুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে। 
- কম্পিউটারের কীবোর্ডের কীগুলোর সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। 
- বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ ১০৫ টি কী আছে।
- ফাংশন কী: কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহ ফাংশন কী নামে পরিচিত
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওংশন কী ব্যবহৃত হয়।
- টাইপিং কী: বর্ণমালা গাণিতিক অংক এবং অন্যান্য চিহ্নসমূহ লেখার জন্য ব্যবহৃত কীগুলোকে টাইপিং কী বলে। 
- নিউমারিক কী: কীবোর্ডের ডান অংশে ক্যালকুলেটরের মতো ০-৯ এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নতি কীগুলোকে নিউমারিক কী বলে। 
- মডিফায়ার কী: কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
CRT রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ প্রদর্শনের জন্য কত ধরনের ইলেকট্রন গান থাকে?
  1. ক) ২ ধরনের
  2. খ) ৩ ধরনের
  3. গ) ৪ ধরনের
  4. ঘ) ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
- টেলিভিশনের মতো দেখতে কম্পিউটার ব্যবস্থার অংশটিকে মনিটর বলা হয়। টিভি কার্ড ব্যবহার করে মনিটর দিয়ে টিভির ন্যায় টেলিভিশন স্টেশন থেকে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান দেখা যায়। 
- ডেস্কটপ পাবলিশিং এবং গ্রাফিক্সে কাজ করার জন্যে অথবা বড় স্প্রেডশিটে কাজ করার জন্যে বড় সাইজের মনিটর বেশি সুবিধাজনক।
- মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা: 
১। সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২ এলসিডি মনিটর  (LCD Monitor)
৩। এলইডি মনিটর (LED Monitor) এবং
৪। এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)

 সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
- ক্যাথোড রে টিউবযুক্ত মনিটরকে সিআরটি মনিটর বলা হয়।
- এ ধরনের মনিটরের পিছন দিকের ইলেকট্রন গান থাকে নির্গত ইলেকট্রন ফসফরাসের উপর আঘাত আনতে থাকে। 
- রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ প্রদর্শনের জন্য তিন ধরনের ইলেকট্রন গান থাকে
- রঙ তিনটি হলো- লাল, নীল ও সবুজ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে কোন ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) CRT
  2. খ) LAD
  3. গ) LCD
  4. ঘ) AMOLED
ব্যাখ্যা
- টেলিভিশনের মতো দেখতে কম্পিউটার ব্যবস্থার অংশটিকে মনিটর বলা হয়। টিভি কার্ড ব্যবহার করে মনিটর দিয়ে টিভির ন্যায় টেলিভিশন স্টেশন থেকে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান দেখা যায়।
- মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা: 
১। সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২ এলসিডি মনিটর  (LCD Monitor)
৩। এলইডি মনিটর (LED Monitor) এবং
৪। এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)

এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
- AMOLED -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Active-Matrix Organic Light Emitting Diode.
- AMOLED হলো মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি। 
- বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে AMOLED ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়। যেমন: LG Flex, Nexus, Samsung Galaxy S সিরিজ। 
- AMOLED এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেকগুণ বেশি। 
- AMOLED এর ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে। একটি হলো OLED (Organic Light Emitting Diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়, আর অপরটি হলো TFT (Thin-Film Transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিম্নের কোনটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার?
  1. ক) চেইন প্রিন্টার
  2. খ) ড্রাম প্রিন্টার
  3. গ) থার্মাল প্রিন্টার
  4. ঘ) ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
- প্রিন্টার হলো কম্পিউটারের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সিপিইউ কর্তৃক প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল কাগজে প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। 
- প্রিন্টারের সাহায্যে কোনো তথ্যাবলি প্রিন্ট করা হলে কম্পিউটারের ভাষায় তাকে হার্ডকপি বলে।

প্রিন্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১। ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার:
• লাইন প্রিন্টার:
     ক) চেইন প্রিন্টার
     খ) ড্রাম প্রিন্টার
• ক্যারেক্টার বা সিরিয়াল প্রিন্টার:
     ক) ভেইজি হুইল প্রিন্টার
     খ) ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
২। নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার:
• লেজার প্রিন্টার
• ইঙ্কজেট প্রিন্টার
• থার্মাল প্রিন্টার
• স্থির বৈদ্যুতিক প্রিন্টার ।

- প্রিন্টারের সাহায্যে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, ছবি ইত্যাদির হার্ডকপি তৈরি করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি?
  1. ক) IPS
  2. খ) EPS
  3. গ) UPS
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের পাওয়ার চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক যা চার্জ হয়ে পাওয়ার ধরে রাখে তাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে। 
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
সনি কর্পোরেশনের তৈরি রোবটের নাম কোনটি?
  1. ক) রোবোরো
  2. খ) আইবো
  3. গ) আসিমো
  4. ঘ) মুরাতা বয়
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মানুষকে অদ্বিতীয়ভাবে (ইউনিকভাবে) শনাক্ত করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ক) জেনেটিক্স
  2. খ) রোবটিক্স
  3. গ) বায়োমেট্রিক্স
  4. ঘ) বায়োইনফরমেটিক্স
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স 
- ইউনিকভাবে মানুষকে শনাক্ত করবার পদ্ধতিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের কৌশল বা প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কাঠামো, আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়।
- বায়োমেট্রিক্স সিস্টেমে ব্যক্তি সনাক্তকরণে যেসব বায়োলজিক্যাল ডেটা ব্যবহৃত হয় তা হলো- মুখমন্ডল, হাতের আঙ্গুল, হাতের রেখা, রেটিনা ও আইরিস, স্বাক্ষর, শিরা এবং কণ্ঠস্বর।

বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার
১. কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে
২. অপরাধী ও ব্যক্তি শনাক্তকরণে
৩. পাসপোর্ট তৈরিতে
৪. মোবাইল সিম ক্রয়ে গ্রাহককে সহায়তা করে
৫. পরিচয়পত্র তৈরিতে
৬. বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়।
___________________________________
-টেকনোলজির যে শাখায় রোবটের নকশা গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলে।
- বায়োইনফরমেটিক্স বিজ্ঞানের এমন একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্র, যেখানে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, গণিত এবং ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞানকে ব্যবহার করে বিভিন্ন বায়োলজিক্যাল (জৈবিক) ডেটাসমূহ বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যা করা হয়।
- জীবের বংশগতি নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয় জেনেটিক্স (Genetics) বা বংশগতিবিদ্যা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১২.
জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে কী বলে?
  1. ক) জেনেটিক্স
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) ক্রায়োসার্জারি
  4. ঘ) বায়োইনফরমেটিক্স
ব্যাখ্যা
বায়োইনফরমেটিক্স
- জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলে।
- বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতিতে সফটওয়্যার টুলস হিসেবে SQL, Java, C+, Python, CUDA, MATHLAB ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩.
কোনটি ব্যবহার করে শিক্ষকেরা ঘরে থেকেই লাইভ-ক্লাসে সরাসরি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে পারছেন?
  1. ক) WebEx
  2. খ) Skype
  3. গ) Zoom
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- বিশ্বগ্রামের ধারণায় শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান, কারণ সত্যিকার শিক্ষাই একজন মানুষকে সমাজ এবং পরিবেশ সচেতন, মুক্তচিন্তায় বিশ্বাসী, উদার বিশ্বনাগরিক হতে সাহায্য করে।
- শিক্ষার্থীদের মেধা-মননের সাথে তাল মিলিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করে এগিয়ে যাচ্ছে শিখন পদ্ধতি।
- বর্তমানে ই-বুকের কারণে স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে সবাই পাঠ্যবই পেতে পারে যা আগে খুবই দুর্লভ একটি বিষয় ছিল। আমাদের দেশেও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের প্রকাশিত সকল পাঠ্যপুস্তক তাদের ওয়েবসাইট থেকে ই-বুক আকারে ডাউনলোড করা যায়। 
- ২০২০ সালে সারা পৃথিবীব্যাপী কোভিড-১৯ সংক্রমণের সময় পৃথিবীর বেশিরভাগ স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষাক্রম বন্ধ না রেখে অনলাইন শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাদান করেছেন। 
- শিক্ষকেরা নিজ ঘরে থেকেই অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাপ যেমন: Google meet, WebEx, Webinar, Facebook messenger, imo, Skype, Whatsapp, Zoom ইত্যাদি ব্যবহার করে লাইভ-ক্লাসে সরাসরি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেছেন। 
- অনেক সময় বিষয়ভিত্তিক ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরির পর অনলাইনে শেয়ার, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্লগিং করে, বিভিন্ন সামাজিক মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করেছেন।
- ইন্টারনেট ও ওয়েব ব্যবহার করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলে। 
- ই-লার্নিং এমন একটি প্রযুক্তিগত শিখন পদ্ধতি যেখানে অনলাইনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী যেকোনো অবস্থান থেকে পারস্পারিক মিথষ্ক্রিয়ায় (Interactive) পাঠদান কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
ডিজিটাল মুদ্রা (crypto currency) তে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Blockchain
  2. খ) RHLF
  3. গ) Text file
  4. ঘ) Ripple
ব্যাখ্যা
- ব্লকচেইন হলো ডেটা সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ ও উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- যে পদ্ধতি অনুযায়ী ডেটাগুলো বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয় এবং এতে ডেটার মালিকানা সংরক্ষিত থাকে। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করলে কোনো একটি ব্লকের ডেটা পরিবর্তন করতে চাইলে সেই চেইনে থাকা প্রতিটি ব্লকে পরিবর্তন আনতে হবে, যা অসম্ভব।
- তাই এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করাটা বেশ নিরাপদ।
- ডিজিটাল মুদ্রা (crypto currency) তে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
 
- ব্লকচেইনকে আধুনিক কালের এক অভিনব উদ্ভাবন বলা হচ্ছে।
- ‘সাতোশী নাকামতো’ ছদ্মনামের এক বা একাধিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ প্রযুক্তির উদ্ভাবক। 
- ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো বিটকয়েন সফটওয়্যার প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে ব্লকচেইন প্রযুক্তির অনেক বিবর্তন ঘটে চলেছে।
- তথ্যকে ডিজিটালরূপে বণ্টন করা (অনুলিপি নয়) এই ব্লকচেইন প্রযুক্তি এক নতুন ধরনের ইন্টারনেট সৃষ্টি করেছে। 
- কেবল ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের জন্য ব্লকচেইনের উদ্ভাবন করা হলেও এখন প্রযুক্তির নানা ক্ষেত্রে এর সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।