পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ প্রাচীনকাল হতে ব্রিটিশ আমলের আগ পর্যন্ত
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
প্রাচীন জনপদ ‘সমতট’ এর প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল-
  1. ক) কোটিবর্ষ
  2. খ) পুণ্ড্রনগর
  3. গ) কর্ণসুবর্ণ
  4. ঘ) বড়কামতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বড়কামতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বড়কামতা
ব্যাখ্যা
বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী একসময় সমতট নামে পরিচিত ছিল। রাজ্য রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল কর্মান্ত বা ত্রিপুরা (কুমিল্লা) জেলার ময়নামতির অদূরে বড়কামতা। রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ। গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ)। প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র। এ অঞ্চলের রাজধানী পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন সুলতানের শাসনামলে হযরত শাহজালাল ৩৬০ জন শিষ্যসহ বাংলাদেশে আসেন?
  1. ক) নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  2. খ) ইখতিয়ার-উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
  3. গ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. ঘ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ সোনারগাঁ, ময়মনসিংহ ও সিলেট জয় করেন। তাঁর শাসনামলে হযরত শাহজালাল ৩৬০ জন শিষ্যসহ বাংলাদেশে আসেন। সুলতানের সিলেট অভিযানকালে তাঁর সাথে বিখ্যাত সুফি ব্যক্তিত্ব শাহ জালাল যোগদান করেন। সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের সময় একদিকে রাজত্বের সীমানা বৃদ্ধি পেয়েছিল অপরদিকে হযরত শাহজালালের কারণে সিলেট অঞ্চলে ইসলামের ব্যাপক প্রচার-প্রসার হয়। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
.
‘মাৎস্যন্যায়’ এর সময়কাল ছিল?
  1. ক) ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
  2. খ) ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
  3. গ) ৭ম-৮ম শতক
  4. ঘ) ৮ম-৯ম শতক
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম-৮ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম-৮ম শতক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে গৌড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। গোটা বাংলায় নেমে আসে অন্ধকারের যুগ। সপ্তম থেকে অষ্টম শতক প্রায় একশ বছর বাংলার ইতিহাসে যে অরাজকতা, নেতৃত্বের শূন্যতার সৃষ্টি হয় তাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়ে থাকে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন শাসকের আমলে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুদীর্ঘ রাস্তা নির্মিত হয়?
  1. ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. খ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গ) সিকান্দার শাহ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল শুরু হয় ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমল থেকে। বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন তিনি। তাঁর ১১ বছরের শাসনামলের উল্লেখযোগ্য দিক হলো চট্টগ্রাম জয় করে ঐ অঞ্চলে মুসলিম শাসন বিস্তার। তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুদীর্ঘ রাস্তা নির্মাণ করেন। তাঁর সময়ে মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতার আগমন ঘটে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
.
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আসেন?
  1. ক) ফা-হিয়েন
  2. খ) হিউয়েন সাং
  3. গ) মেগাস্থিনিস
  4. ঘ) মা হুয়ান
সঠিক উত্তর:
ক) ফা-হিয়েন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফা-হিয়েন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে আসেন। তিনি ১০ বছর ভারতে অবস্থানকালে তাঁর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ৭টি গ্রন্থ রচনা করেন। এর মধ্যে ‘ফো-কুয়ো-কিং’ বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইন্ডিকা’তে লিপিবদ্ধ করেন। হিউয়েন সাং ছিলেন চীন দেশীয় বৌদ্ধ পণ্ডিত। হর্ষবর্ধনের দরবারে তিনি আট বছর কাটান। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শ্রীচৈতন্য বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন কার রাজত্বকালে?
  1. ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. খ) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  3. গ) গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. ঘ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
হোসেন শাহী বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন আলাউদ্দিন হোসেন শাহ । তাঁকে বাংলার আকবর বলা হতো। তার রাজ্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। আলাউদ্দিন হুসেন শাহের রাজত্বকালেই চট্টগ্রামে পর্তুগিজ বণিকদের আনাগোনা শুরু হয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়। এ সময়ে বিজয়গুপ্ত পদ্মপুরাণ বা মনসা মঙ্গল, বিপ্রদাস মনসা বিজয় এবং যশোরাজ খান শ্রীকৃষ্ণ বিজয় কাব্য রচনা করেন। মালাধর বসু শ্রীমদ্ভাগবত বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন এবং শ্রীকৃষ্ণ বিজয় নামে আর একটি কাব্যও রচনা করেন। শ্রীচৈতন্য বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন তাঁর রাজত্বকালে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন মুঘল সম্রাটের আমলে বাংলার বারভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে দমন করা সম্ভব হয়?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও-এর জমিদার ঈসা খানের নেতৃত্বে জমিদারদের বাহিনী সম্রাট আকবরের সেনাপতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বহু ক্ষেত্রে তাঁদের পরাভূত করেন। সেজন্য সম্রাট আকবরের শাসনকালে বাংলার অধিকাংশ জায়গায় মুঘল কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। ঈসা খানের মৃত্যুর পর বারভূঁইয়াদের নেতা হন মুসা খান। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে সুবেদার ইসলাম খান বারভূঁইয়াদের নেতা মুসা খানকে পরাস্ত করে বাংলায় সুবেদারি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ বা ‘ধনসম্পদপূর্ণ নরক’ বলে অভিহিত করেন-
  1. ক) ফা-হিয়েন
  2. খ) ইবনে বতুতা
  3. গ) মেগাস্থিনিস
  4. ঘ) হিউয়েন সাং
সঠিক উত্তর:
খ) ইবনে বতুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকালে ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন। ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে বাংলার জলবায়ু ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনা দিয়েছেন। জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় সামগ্রীর প্রাচুর্য ও মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেশটিকে বসবাসের জন্য খুবই আকর্ষণীয় বললেও, এদেশের আবহাওয়া তাঁর পছন্দ হয়নি। এজন্য বাংলাদেশকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ অর্থাৎ ‘প্রাচুর্যপূর্ণ নরক’ বলে অভিহিত করেছন। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটিতে নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহের অবদান নেই-
  1. ক) বারদুয়ারী
  2. খ) কদম রসুল ভবন
  3. গ) বাগেরহাটের মিঠাপুকুর
  4. ঘ) ছোট সোনা মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছোট সোনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ (শাসনকাল ১৫১৯-১৫৩৩খ্রি.) ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র। গৌড়ের বারদুয়ারী বা বড় সোনা মসজিদ ও কদম রসুল ভবনের স্থাপত্য শিল্পে অবদান রাখেন তিনি। তিনি বাগেরহাটের মিঠাপুকুর এর নির্মাতা। আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে নির্মিত হয় গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ ও গুমতিদ্বার। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা হলেন-
  1. ক) শের শাহ
  2. খ) হুসেন শাহ
  3. গ) ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) জালাল খাঁ
সঠিক উত্তর:
ক) শের শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শের শাহ
ব্যাখ্যা
শূর শাসনের সূচনা করেন আফগান শাসক শের শাহ। তিনি ১৫৩৮ সালে বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন। চৌসা(১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দ) ও কণৌজের(১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ) যুদ্ধে শের শাহ মুঘল সম্রাট হুমায়ূনকে পরাজিত করে দিল্লীর সিংহাসন দখল করেন। শের শাহ বাংলায় ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন। তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন। সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি। পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
১১.
রাজমহলের যুদ্ধ সংঘটিত হয়-
  1. ক) আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর মধ্যে
  2. খ) সম্রাট বাবর ও দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির মধ্যে
  3. গ) আহমদ শাহ দুররানি ও মারাঠাদের মধ্যে
  4. ঘ) আফগান নেতা শের খান ও সম্রাট হুমায়ুন মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ক) আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর মধ্যে
ব্যাখ্যা
সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী গৌড় অধিকার করে মুঘল শাসনের সূচনা করেন। কিন্তু বাংলায় তাঁর অধিকার বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে পরাজয়ের পর বিজয়ী আফগান নেতা শের খান গৌড় দখল করেন এবং বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলার প্রবেশ পথ রাজমহলের নিকটে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর তুমুল যুদ্ধ হয়। যা রাজমহলের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে দাউদ খান পরাজিত ও বন্দি হলে বাংলায় মুঘল শাসনের সূচনা হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
‘মাল জামিনী’ রাজস্ব ব্যবস্থা প্রচলন করেন কে?
  1. ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
  2. খ) নবাব আলীবর্দী খান
  3. গ) সুবেদার ইসলাম খান
  4. ঘ) সুবেদার শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খান। ১৭০৩ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে উড়িষ্যার নায়েব সুবাদার এবং পরের বছর বিহারের দেওয়ান নিযুক্ত করেন। ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদকুলী বাংলার সুবাদার হন। কার্যত এ সময় থেকেই বাংলার নবাবী আমলের শুরু। তিনি বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। মুর্শিদকুলী কর্তৃক প্রবর্তিত রাজস্ব ব্যবস্থার নাম ছিল ‘মাল জামিনী'। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বর্গীর হাঙ্গামা থকে বাংলাকে রক্ষা করেন কোন নবাব?
  1. ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
  2. খ) নবাব সুজাউদ্দিন খান
  3. গ) নবাব আলীবর্দী খান
  4. ঘ) নবাব সরফরাজ খান
সঠিক উত্তর:
গ) নবাব আলীবর্দী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নবাব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা
নবাব আলিবর্দী খানকে তাঁর রাজত্বের বেশির ভাগ সময় মারাঠাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যাপৃত থাকতে হয়। ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর কাল তিনি মারাঠা হানাদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন ইতিহাসে মারাঠা আক্রমণের ঘটনাবলী বর্গীর হামলা নামে সুপরিচিত। প্রায় প্রতি বছরই মারাঠা শক্তি বাংলা ও উড়িষ্যায় হামলা চালায়। নবাব আলিবর্দী খান অবিরাম প্রতিরোধ যুদ্ধে আপোষহীনভাবে হানাদারদের বিতাড়িত করে দেশকে রক্ষা করতে সক্ষম হন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।