পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণঃ ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ এবং প্রত্যয় ও সন্ধি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী। [শিক্ষক নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্নে ২ নভেম্বর থেকে Job Solution বাটনে নিয়মিত পরীক্ষা হচ্ছে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
তাড়নজাত ধ্বনি কোনটি?
  1. ক) ল
  2. খ) র
  3. গ) ষ
  4. ঘ) ড়
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের স্থান বিচারে ‘ল’ পার্শ্বিক ধ্বনি,
‘র’ কম্পনজাত ধ্বনি।
শ, ষ, স শিশধ্বনি এবং
ড়, ঢ় তাড়নজাত ধ্বনি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
.
নিচের কোনটি স্বরসন্ধির উদাহরণ?
  1. ক) নিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত
  2. খ) বাক + ঈশ = বাগীশ
  3. গ) বুধ্ + ত = বুদ্ধ
  4. ঘ) তনু + ঈ = তন্বী
ব্যাখ্যা
স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি মিলে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে। যেমন - অতি + অন্ত = অত্যন্ত, তনু + ঈ = তন্বী, উত্তম + ঋণ = উত্তমর্ণ।
ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে বা পরে স্বর অথবা ব্যঞ্জন যে কোন ধ্বনি সংযুক্ত হয়ে যে সন্ধি হয় তা ব্যঞ্জন সন্ধি। যেমন - দিক + অন্ত = দিগন্ত, বাক + ঈশ = বাগীশ। এরূপ ণিজন্ত, বুদ্ধ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী
.
সন্ধির উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) উচ্চারণে সহজপ্রবনতা
  2. খ) ধ্বনিগত মাধুর্য
  3. গ) কোনটিই নয়
  4. ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা
সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি।
সন্ধির উদ্দেশ্য হল (ক) স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা (খ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।
যেমন- হিম ও আলয়কে একত্রে হিমালয় উচ্চারণ করা হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
নিচের কোন সন্ধি রূপটি সঠিক নয়?
  1. ক) বাক্‌ + দান = বাগদান
  2. খ) সম্‌ + হার = সংহার
  3. গ) যজ্‌ + ন = যজ্ঞ
  4. ঘ) পদ্‌ + খলন = পদস্খলন
ব্যাখ্যা
উপর্যুক্ত সন্ধিগুলোর মধ্যে বাগদান, সংহার এবং যজ্ঞ এর সন্ধিরূপ সঠিক কিন্তু পদস্খলন শব্দটি বিসর্গ সন্ধিভূক্ত হওয়ায় এর শুদ্ধরুপ পদঃ+খলন = পদস্খলন। এরূপ কয়েকটি বিসর্গ সন্ধি হচ্ছে-নমস্কার, নিষ্কর, দুষ্কর ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
স্বরবর্নের সংক্ষিপ্ত রূপ কয়টি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে। কার চিহ্ন মোট - ১০টি।
অপরদিকে ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে। ফলা মোট - ৬টি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
  1. ক) ভবন
  2. খ) পাত্র
  3. গ) মনুষ্য
  4. ঘ) গিন্নী
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে ৫ প্রকারের শব্দ সমাবেশ হয়েছে। যথা- তৎসম, অর্ধ-তৎসম তদ্ভব, দেশী ও বিদেশী।
যে সকল শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে, সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলা হয়। যেমন-চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
অন্যদিকে গিন্নী শব্দটি অর্ধ-তৎসম শব্দের অন্তর্ভূক্ত।কতগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ হচ্ছে জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
.
নিচের কোন শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) আলমারি
  2. খ) কার্তুজ
  3. গ) তুরুপ
  4. ঘ) হরতাল
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় বহু বিদেশী শব্দ অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। যেমন -
- পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ - আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি পাদ্রী ইত্যাদি।
- কার্তুজ - শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে।
- তুরুপ - শব্দটি ওলন্দাজ ভাষা থেকে এবং হরতাল শব্দটি - গুজরাটি ভাষা থেকে আগত।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
.
ফারসি ও আরবি সহযোগে কোন মিশ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে?
  1. ক) রাজা - বাদশা
  2. খ) হেড - মৌলভি
  3. গ) চৌ - হদ্দি
  4. ঘ) ডাক্তার - খানা
ব্যাখ্যা
দেশি ও বিদেশি কিংবা বিদেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে যে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয় তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
এখানে রাজা - বাদশা শব্দটি (তৎসম + ফারসি),
হেড - মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি), ডাক্তার - খানা (ইংরেজি + ফারসি) এবং
চৌ - হদ্দি শব্দটি (ফারসি + আরবি) ভাষার শব্দ সহযোগে গঠিত।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
.
নিচের কোনটি বিদেশি শব্দ নয়?
  1. ক) বেগম
  2. খ) বদমাশ
  3. গ) কলম
  4. ঘ) কুলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতির যে উপাদান বাংলায় রক্ষিত রয়েছে সেসব শব্দকে দেশি শব্দ বলে।কতগুলো দেশি শব্দ হচ্ছে কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
অপরদিকে বেগম, বদমাশ ফারসি ভাষার এবং কলম আরবি ভাষার শব্দ।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
১০.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) জ + ঞ = জ্ঞ
  2. খ) ঞ + জ = ঞ্জ
  3. গ) ক + ষ = ক্ষ
  4. ঘ) দ + ধ = দ্ব
ব্যাখ্যা
দ+ধ এর শুদ্ধ রূপ ‘দ্ধ’। অন্য তিনটি সঠিক।
এরূপ আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ হচ্ছে হ্+ম=হ্ম, ষ্+ণ=ষ্ণ, ঞ্+চ=ঞ্চ ইত্যাদি।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
১১.
আদি স্বরাগম - এর ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
  1. ক) Prothesis
  2. খ) Anaptyxis
  3. গ) Apothesis
  4. ঘ) Apenthesis
ব্যাখ্যা
ধ্বনি পরিবর্তনের কতগুলো রূপভেদ হচ্ছে - আদি স্বরাগম (Prothesis), মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ (Anaptyxis), অন্ত্য স্বরাগম (Apothesis), অপনিহিতি (Apenthesis)।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
১২.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) অতি + ইত = অতীত
  2. খ) পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
  3. গ) সতি + ইন্দ্র = সতীন্দ্র
  4. ঘ) সতী + ঈশ = সতীশ
ব্যাখ্যা
ই-কার কিংবা ঈ - কারের পর ই - কার কিংবা ঈ - কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ - কার হয়; দীর্ঘ ঈ - কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
সতীন্দ্র এর সঠিক সন্ধিরূপ হচ্ছে সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র। অন্য ৩টি সঠিক।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৩.
নিচের কোনটি বিসর্গ সন্ধি নয়?
  1. ক) বাচস্পতি
  2. খ) ভাস্কর
  3. গ) অহরহ
  4. ঘ) সংস্কার
ব্যাখ্যা
বাচস্পতি (বাচঃ + পতি), ভাস্কর (ভাঃ + কর), অহরহ (অহঃ + অহ) এবং অহর্নিশ (অহঃ + নিশা) - এগুলো বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
অন্যদিকে সংস্কার (সম্ + কার) হচ্ছে বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
১৪.
নিচের কোনটি সঠিক সন্ধিরূপ?
  1. ক) যাচ্ + না = যাচ্‌ঞা
  2. খ) রাজ্ + নী = রাজ্ঞী
  3. গ) যজ্ + ন = যজ্ঞ
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
চ্ + জ্ - এর পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হয়।
যেমন - চ্ + ন = চ্ + ঞ এবং জ্ + ন = জ্ + ঞ।
কাজেই উপর্যুক্ত সবগুলো সন্ধিরূপই শুদ্ধ।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
১৫.
বাংলা শব্দভান্ডারে দেশি শব্দ কত শতাংশ?
  1. ক) ৬০%
  2. খ) ২৫%
  3. গ) ৮%
  4. ঘ) ২%
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে, বাংলা ভাষায় ২৫% শব্দ - তৎসম, ৫% শব্দ অর্ধ-তৎসম, ৬০% শব্দ - তদ্ভব, ৮% শব্দ - বিদেশি এবং মাত্র ২% শব্দ - দেশি।
উৎসঃ বাংলা পিডিয়া
১৬.
তৎসম শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশি হয়?
  1. ক) আঞ্চলিক রীতিতে
  2. খ) মিশ্র রীতিতে
  3. গ) চলিত রীতিতে
  4. ঘ) সাধু রীতিতে
ব্যাখ্যা
উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রূপ গড়ে উঠেছে তার নাম দেওয়া হয় সাধু ভাষা।
বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
১৭.
জীবিকা অর্থে কোন তদ্ধিত প্রত্যয়টি ব্যবহৃত হয়নি?
  1. ক) ঠক + আমো = ঠকামো
  2. খ) ঘর + আমি = ঘরামি
  3. গ) ডাক্তার + ই = ডাক্তারি
  4. ঘ) চোর + আমি = চোরামি
ব্যাখ্যা
আমি / আম / আমো / মি - প্রত্যয়যোগে বাংলা ভাষায় বৃত্তি বা জীবিকা অর্থে - ঠকামো, ঘরামি এবং ডাক্তারি তদ্ধিত প্রত্যয় এবং
ভাব অর্থে - ইতরামি, পাগলামি, চোরামি, বাহাদুরি তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
১৮.
জ্ঞানিন্ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-পত্যয় কোনটি?
  1. ক) জ্ঞান + ঈন
  2. খ) জ্ঞান + ইন
  3. গ) উভয়টি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ইন (ঈ) - প্রত্যয় : সাধারণ বিশেষণ গঠণে
জ্ঞান + ইন্ = জ্ঞানি‌ন্,
সুখ + ইন্‌ = সুখিন্,
গুন + ইন্ = গুণিন্,
মান + ইন্ = মানিন্‌।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী

যেহেতু প্রকৃতি-প্রত্যয় ও সন্ধির ক্ষেত্রে হস্‌ - চিহ্ন (্‌) খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং উত্তরের অপশনগুলোতে “কোনটিই নয়” রয়েছে।
তাই, উত্তর “খ) জ্ঞান + ইন” হবে না। সঠিক উত্তর - ঘ) কোনটিই নয় হবে।

১৯.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) কবি + য = কাব্য
  2. খ) সম + য = সাম্য
  3. গ) মধুর + য = মাধুর্য
  4. ঘ) সভা + য = সভ্য
ব্যাখ্যা
‘য’ প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রাতিপাদিকের অন্তে স্থিত অ, আ, ই, এবং ঈ - এর লোপ হয়।
যথা - সম্ + য = সাম্য, কবি + য = কাব্য, মধুর + য = মাধুর্য্য।
কিন্তু, সভা + য = সভ্য (সাভ্য নয়) এটি ব্যতিক্রম।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
২০.
নিচের কোনটি ফারসি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ?
  1. ক) দুধওয়ালা
  2. খ) দারোয়ান
  3. গ) কলমবাজ
  4. ঘ) হিন্দুয়ানি
ব্যাখ্যা

'বাজ' (দক্ষ অর্থে) ফারসি প্রত্যয়যোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হচ্ছে - কলমবাজ, ধড়িবাজ, ধোঁকাবাজ ইত্যাদি।
দুধওয়ালা, দারোয়ান ও হিন্দুয়ানি শব্দগুলোতে যথাক্রমে হিন্দি প্রত্যয় 'ওয়ালা > আলা'; ওয়ান > আন ও আনা > আনি ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই।

২১.
প্রাতিপদিকের অন্য নাম কী?
  1. ক) নাম প্রকৃতি
  2. খ) শব্দ প্রকৃতি
  3. গ) বর্ণ প্রকৃতি
  4. ঘ) অর্থ প্রকৃতি
ব্যাখ্যা
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। প্রাতিপদিককে বলা হয় - নাম প্রকৃতি।
প্রাতিপাদিকের উদাহরণ হলো - মাদ্রাজ, সরকার, রেশম, পাগল, বাঁদর ইত্যাদি।
এশব্দগুলোর সাথে বিভক্তি যোগ না হওয়ায় এগুলোকে প্রাতিপদিক বলা হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর