পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
Exam - 2 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-2 Topic ➝ Section 94-153 • Processes to compel the production of documents and other movable property, and for the discovery of persons wrongfully confined • Security for keeping the peace and for good behaviour •Unlawful assemblies • Public nuisances •Temporary orders in urgent cases of nuisance or apprehended danger • Disputes as to immovable property, Preventive action of the police
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  2. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
  4. দায়রা জজের নিকট আপীল
ব্যাখ্যা
♦ আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে আদালত কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণের নির্দেশ দিতে পারবেন?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৯ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি- কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

♦ অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
.
আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  2. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
ব্যাখ্যা
♦ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।

অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।

অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:

তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. দায়রা আদলত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. এটর্নী জেনারেল
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
.
বাজেয়াপ্ত করার ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারপতি নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন বিচারপতি
  2. ৫ জন বিচারপতি
  3. ৪ জন বিচারপতি
  4. ৩ জন বিচারপতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানীঃ তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

♦  Section 99C. Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges. 
.
হাইকোর্ট বিভাগ ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০৬ ধারা
  2. ১০৭ ধারা
  3. ১০৮ ধারা
  4. ৪২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড প্রদানের সময় দন্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারনত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦ যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে । আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোনভাবেই অত্যধিক হবে না।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন মুচলেকা বাতিল করতে পারেন?
  1. ১২২ ধারা
  2. ১২৩ ধারা
  3. ১২৫ ধারা
  4. ১২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারার বিধান: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।

-------------
♦ Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
Section 125. The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
.
স্থাবর সম্পত্তির বিরোধে স্থানীয় অনুসন্ধান (Local inquiry) সংক্রান্ত বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৪৭ ধারা
  3. ১৪৬ ধারা
  4. ১৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।

♦ ১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে (The report of the person so deputed may be read as evidence in the case).


♦ Local inquiry
Section 148.(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় প্রদত্ত তল্লাশি পরোয়ানার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে।

♦ ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦  ১০০ ধারার অধীন জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
১০.
মুচলেকার আদেশ অনুযায়ী, মুচলেকা প্রদান না করলে আদালত কত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারামতে মুচলেকার আদেশ অনুযায়ী মুচলেকা প্রদান না করলে আদালত অনধিক ৩ বছরের জন্য কারাদন্ড প্রদান করতে পারে।
-----------------------------------
Imprisonment in default of security (Proceedings when to be laid before High Court Division or Court of Sessions)

♦ section 123(3) The Sessions Judge, after examining such proceedings and requiring from the Magistrate any further information or evidence which he thinks necessary, may pass such order on the case as he thinks fit: 
 
Provided that the period (if any) for which any person is imprisoned for failure to give security shall not exceed three years.
১১.
মহানগর এলাকায় কে ১৪৪ ধারা জারি করেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪(৭) ধারার বিধান মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয় অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন না কিন্তু মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে ১৪৪ ধারা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
১২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উৎপাত
  2. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
১৩.
কোন ধারার বিধানমতে ১৪৪ ধারার অধীন জারিকৃত আদেশ বাতিল করা যায়?
  1. ১৪৬(২)
  2. ১৪৪ (২)
  3. ১৪৪ (৪)
  4. ১৪৪(৬)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে। 

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাসের
  2. ২ মাসের
  3. ৬ মাসের
  4. ১৫ দিনের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
১৫.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা মালিকানা নির্ধারণ হয় না
  2. ১৪৫ ধারার ক্ষমতা হল বাধ্যতামূলক
  3. ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
  4. ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ১৪৫(৪) ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট দখল সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পক্ষসমূহ ও সাক্ষীদের বক্তব্য শ্রবন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

♦ সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বৃদ্ধি না করলে ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; কিন্তু ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
♦ যেহেতু ১৪৫ ধারায়  he, shall শব্দাবলী ব্যবহার করা হয়েছে তাই ১৪৫ ধারার ক্ষমতা বাধ্যতামূলক।

♦ প্রশ্নে অপশন (গ) ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে তথ্যটি সঠিক নয়।
১৬.
কোন স্থাবর সম্পত্তি দুই পক্ষের কারো দখলে নাই, আদালত কি করবে?
  1. যে কোন পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  2. উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
  3. সমভাবে বন্টন করে দিবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। 

অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত  সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১৭.
পুলিশকে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়ছে-
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫১ ধারায়
  4. ১৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property)-

কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
১৮.
কোন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার সংবাদ কার নিকট জানাবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
  3. জেলা পুলিশ সুপারকে
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা মতে  আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার (design) সংবাদ গ্রহণকারী পুলিশ অফিসার উক্ত সংবাদ তার উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে জানাবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদঃ কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

-------------------------------------------
♦ Section 150. Information of design to commit such offences: Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
১৯.
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কত দিনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ২ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা মতে যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ করতে পারে বা সর্বসাধারণের প্রশান্তি বিনষ্ট করতে পারে, সেক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ১ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ ১০৭ ধারামতে দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ১ বছর সময়ের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦ শান্তিভঙ্গ বা প্রশান্তি বিনষ্ট হওয়ার আশংকা কোন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে না হলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১০৭ ধারার অধীন মুচলেকার আদেশ দিতে পারবে না।

♦ যে ম্যাজিস্ট্রেটের ১০৭ ধারার অধীন কাজ করার ক্ষমতা নাই, তিনি যদি যুক্তিসংগতভাবে মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি শান্তিভঙ্গ করতে পারে বা সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা ব্যতীত উক্ত শান্তিভঙ্গ রোধ করা যায় না, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট কারণ লিপিবদ্ধ করে তাকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা প্রদান করে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে পারবেন।
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. ৯৯ক ধারা
  2. ৯৯খ ধারা
  3. ৯৯গ ধারা
  4. ৯৯ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুসারে সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
♦  এছাড়া ৯৯ক ধারা অনুসারে যে সকল প্রকাশনা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছেন তা উদ্ধারের জন্য আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।ঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতাঃ

(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-

(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,

(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা

(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা

(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।

♦  ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
২২.
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে-
  1. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ নিয়ে পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  2. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  3. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  4. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতারঃ কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

---------------------------------------
♦ Section 151. Arrest to prevent such offences: A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
২৩.
কত ধারার বিধান মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন?
  1. ১৫০ ধারার
  2. ১৫২ ধারার
  3. ১৫১ ধারার
  4. ১৫৩ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষাঃ (১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

-------------------------
♦ Section 153. Inspection of weights and measures: (1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
২৪.
কোনো সংবাদপত্র বা পুস্তক যা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকারের জন্য মানহানিকর হলে বা অশ্লীল হলে তা বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. দায়রা আদালত
  3. সরকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুসারে সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
♦  এছাড়া ৯৯ক ধারা অনুসারে যে সকল প্রকাশনা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছেন তা উদ্ধারের জন্য আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।ঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতাঃ

(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-

(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,

(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা

(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা

(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
২৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮ ধারার অধীন রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকার আদেশ দিতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৮ ধারার বিধান: যখন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট জানতে পারেন যে, তার এখতিয়ারের মধ্যে কোন ব্যক্তি লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে বা অন্য কোন উপায়ে উক্ত সীমার ভিতরে বা বাইরে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রচার করছে বা প্রচারের চেষ্টা করছে বা সহায়তা করছে।

ক) কোন বিদ্রোহাত্মক বিষয়, অর্থাৎ যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ১২৩ক বা ১২৪ক ধারার অধীন দণ্ডনীয়, অথবা খ) কোন বিষয় যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ১৫৩ক ধারার অধীন দণ্ডনীয়, অথবা

গ) কোন বিচারকের ব্যাপারে কোন বিষয় যা দণ্ডবিধির অধীন অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন বা মানহানির সামিল।

তখন উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মনে করেন যে, ব্যবস্থা গ্রহণ করার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে তিনি (অতঃপর বর্ণিত উপায়ে যে সময় নির্ধারণ যথাযথ নির্ধারণ করেন অনধিক এক বৎসর কালের জন্য উক্ত ব্যক্তি সদাচরণের নিমিত্ত জামিনদারসহ বা ব্যতিত একটি মুচলেকা কেন সম্পাদন করবেন না তার কারণ দর্শাতে বলবেন ।)  

সরকার বা সরকারের নিকট হতে এই ব্যাপারে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসারের আদেশ বা কর্তৃত্ব ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে এর বিধানানুসারে রেজিষ্ট্রিকৃত এবং উক্ত নিয়মাবলীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সম্পাদিত, মুদ্রিত ও প্রকাশিত কোন প্রকাশনের সম্পাদক, মালিক, মুদ্রাকর অথবা প্রকাশকের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীন উক্ত প্রকাশনের মুদ্রিত কোন বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করেন?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

RULINGS
(১) সকল নাগরিক ধর্মসভা করার অধিকার রাখে কিন্তু অন্যকে আঘাত করার বা বিচলিত করার অধিকার ধর্মসভার নামে কেউই পায় না। এরকম আংশকা হলে এ ধারার প্রয়োগ সিদ্ধ। [PLD 1956 FC 190]

(২) যখন পরিস্থিতি গুরুতর হয় এবং আশু ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজনীয় হয় কেবলমাত্র তখনই ম্যাজিষ্ট্রেট এই ধারায় আদেশ জারি করতে পারেন।
২৯.
অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকার মেয়াদ?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকা - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তি কেন ৩ বৎসরের অধিক নয় এমন মেয়াদের জন্য জামিনদার সহ অথবা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করবে না তার কারন দর্শাতে বলতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান 'এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না'। এখানে 'এই অধ্যায়' বলতে বুঝানো হয়েছে-
  1. Unlawful Assemblies
  2. Apprehended danger
  3. Disputes as to Immovable Property
  4. Public Nuisances
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ম অধ্যায়ের বিধান গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES].

 ♦
ধারা ১৩২ক তে এই অধ্যায়ের বলতে গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] অধ্যায়কে বুঝানো হয়ছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান প্রয়োগঃ এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

-----------------------------
♦ CHAPTER X -PUBLIC NUISANCES:
Section 132A. Application: The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
৩১.
অভ্যাসগত প্রতারক রহিম মিয়া অস্ট্রেলিয়ান ট্যুরিস্ট আদম জাম্পাকে ঢাকা শহরে হয়রানি করে। ট্যুরিস্ট পুলিশ রহিম মিয়াকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রহিম মিয়াকে দুইশত টাকা জরিমানা আদায়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী রহিম মিয়ার সর্বোচ্চ মুচলেকার মেয়াদ হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১১০ ধারার বিধান অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তি কেন ৩ বৎসরের অধিক নয় এমন মেয়াদের জন্য জামিনদার সহ অথবা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করবে না তার কারন দর্শাতে বলতে পারেন।

♦ Security for good behaviour from habitual offenders:

Section 110. Whenever a District Magistrate, or anyother Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government receives information that any person within the local limits of his jurisdiction- 
 
(a) is by habit a robber, house-breaker, thief, or forger, or 
 
(b) is by habit a receiver of stolen property knowing the same to have been stolen, or 
 
(c) habitually protects or harbours thieves or aids, in the concealment or disposal of stolen property, or 
 
(d) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, the offence of kidnapping, abduction, extortion, cheating or mischief, or any offence punishable under Chapter XII of the Penal Code, or under section 489A, section 489B, section 489C or section 489D of that Code, or 
 
(e) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, offences involving a breach of the peace, or 
 
(f) is so desperate and dangerous as to render his being at large without security hazardous to the community, 
 
such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding three years, as the Magistrate thinks fit to fix.
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ বা ১১০ ধারা অনুসারে মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে কারাদণ্ডের প্রকৃতি হতে পারে-
  1. শুধু বিনাশ্রম
  2. সশ্রম অথবা বিনাশ্রম
  3. শুধু সশ্রম
  4. শুধু অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৫) কারাদণ্ডের প্রকারঃ শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।

(৬) সদাচরণের মুচলেকা প্রদানে অক্ষমতার জন্য কারাদণ্ড ধারা-১০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া থাকলে বিনাশ্রম এবং ১০৯ বা ১১০ ধারামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশে সশ্রম বা বিনাশ্রম হবে।

-------------------
Kind of imprisonment
Section 123(5)
Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 
 
(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
৩৩.
স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে কোথায় অভিযোগ করতে হবে?
  1. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. থানায় পুলিশের নিকট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।

♦ অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যায়।
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় নিম্নের কোন বিষয়টি বিবেচনায় আনা যাবেনা?
  1. স্বত্ব
  2. দখলের অধিকার
  3. মালিকানা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন দখলের অধিকার, স্বত্ব, মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
৩৫.
কোন নাবালকের বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দেয়া হলে সেক্ষেত্রে উক্ত মুচলেকা কে সম্পাদন করবে?
  1. সরকার
  2. জামিনদার
  3. পিতা-মাতা
  4. আইনগত অভিভাবক
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান মুচলেকা প্রদানের আদেশঃ এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে,

প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
৩৬.
বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা কার নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন ?
  1. শুধু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. শুধু পুলিশ কমিশনারের
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার
  4. সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা মতে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

--------------------- 
Duty of officer commanding troops required by Magistrate to disperse assembly
Section 130.(1) When an Executive Magistrate or the Police Commissioner determines to disperse any such assembly by military force, he may require any commissioned or non-commissioned officer in command of any soldiers in the Bangladesh Army to disperse such assembly by military forced, and to arrest and confine such persons forming part of it as the Magistrate or the Police Commissioner may direct, or as it may be necessary to arrest and confine in order to disperse the assembly or to have them punished according to law. 
 
(2) Every such officer shall obey such requisition in such manner as he thinks fit, but in so doing he shall use as little force, and do as little injury to person and property, as may be consistent with dispersing the assembly and arresting and detaining such persons.
৩৭.
Search to be made in presence of witness- কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০২ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার বিধান সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবেঃ (১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দু বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

-------------------------------
♦  Search to be made in presence of witnesses:
Section 103.(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do. 
 
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৩৮.
পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০২ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০১ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারার বিধান পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ যে কোন আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।

------------
♦ Section 104. Power to impound document, etc, produced: Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সার্চ ওয়ারেন্ট জারীর বিধান আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।

♦ ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-

i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

------------------------
♦  When search-warrant may be issued:

Section 96.(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.