পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা সনের প্রবর্তনের সাথে কোন নামটি জড়িত?
  1. ক) টোডরমল
  2. খ) আবুল ফজল
  3. গ) ফৈজি
  4. ঘ) ফতুল্লা সিরাজী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফতুল্লা সিরাজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফতুল্লা সিরাজী
ব্যাখ্যা

বাদশাহ আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য ইরানি জ্যোতির্বিদ ফতুল্লা সিরাজী ১৫৮৪ সাল থেকে তারিখ ই এলাহি নামে নতুন বছর গণনা চালু করেন।
- বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয় ১৫৫৬ সাল থেকে, যার প্রবক্তা ছিলেন মুঘল সম্রাট জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- সম্রাট আকবর তার সিংহাসনে আহরণের দিন থেকে এ পঞ্জিকা প্রচলনের নির্দেশ দেন।
- আকবর (১৫৫৬-১৬০৫) পিতা হুমায়ুনের আকস্মিক মৃত্যুর পর মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে মুঘল সিংহাসনে আরোহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কত সালে বাংলায় আসেন ?
  1. ক) ৫৩৪ সালে
  2. খ) ৫৩০ সালে
  3. গ) ৪৩৮ সালে
  4. ঘ) ৬৩৮ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৮ সালে
ব্যাখ্যা

হিউয়েন সাং ৬৩৮ সালে বাংলায় আসেন।
৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে হিউয়েন সাং পুন্ডবর্ধনের রাজধানী পুন্ডনগরে আগমন করেন। 
- নালন্দা থেকে ৬০০ লি(ছয় লিতে এক মাইল) অতিক্রম করে কজংগলে আসেন সেখানে কিছুদিন অতিবাহিত করার পর ৯০০ লি পুর্ব দিকে পদ্মা পার হয়ে পুন্দ্রনগর আসেন সেখানেই অনেক দিন কাটান। 
- পুন্ডনগর হল বর্তমানে বাংলাদেশের মহাস্থানগড়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া

.
খড়ক বংশের রাজা রাজভট্টের রাজধানী -
  1. ক) কর্মান্তবাসক
  2. খ) পাটালিপুত্র
  3. গ) পুন্ড্রনগর
  4. ঘ) কর্ণসুবর্ণ
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মান্তবাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্মান্তবাসক
ব্যাখ্যা

 চৈনিক পরিব্রাজক শ্রমণ শেং চি সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এ অঞ্চল পরিভ্রমণ করার সময় রাজভট্ট ছিলেন সমতটের শাসক। এই রাজভট্টই খড়গ বংশের রাজা রাজভট্ট নামে পরিচিত। 
- রাজা রাজভট্টের রাজধানী (জয়স্কন্ধবার) ছিল কর্মান্তবাসক, কুমিল্লার সন্নিকটে বড় কামতার সঙ্গে যাকে অভিন্ন বলে শনাক্ত করা হয়েছে। 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে কৈলাণ থেকে উদ্ধারকৃত শ্রীধারণ রাতের তাম্রশাসনে রাজাকে ‘সমতটেশ্বর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যার রাজধানী ছিল দেবপর্বত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
”গাঙ্গে দেশ’ কোন রাজ্যের সাথে সম্পর্কিত ?
  1. ক) গৌড়
  2. খ) পুন্ড্রনগর
  3. গ) গুপ্ত
  4. ঘ) গঙ্গারিডাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গারিডাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গারিডাই
ব্যাখ্যা

গাঙ্গে দেশ’ কোন রাজ্যের সাথে সম্পর্কিত। নদী তীরে, নদীর নামে ‘গাঙ্গে’ ছিল একটি বাণিজ্য শহর।
- টলেমির ‘গঙ্গারিডাই’ এবং ‘পেরিপ্লাস’ গ্রন্থের লেখকের ‘গাঙ্গে দেশ’ এর উল্লেখ পাওয়া যায় । 
- টলেমি (দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দ) গঙ্গারিডাই-এর অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন যে, গঙ্গার পাঁচটি মুখ সংলগ্ন প্রায় সমস্ত এলাকা গঙ্গারিডাইগণ দখল করে রেখেছিল, ‘গাঙ্গে’ (Gange) নগর ছিল এর রাজধানী। 

কালিদাসের রঘুবংশ-এ বঙ্গের যে বিবরণ পাওয়া যায় তা অভিন্ন অর্থই ব্যক্ত করে। তাই প্রাচীন বাংলার বঙ্গ জনপদকে গ্রিক ও ল্যাটিন লেখকদের ‘গঙ্গারিডাই’-এর সমতুল্য গণ্য করা যেতে পারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
‘অমরকোষ’ অভিধানের রচয়িতা কে ?
  1. ক) কালিদাস
  2. খ) বরাহমিহির
  3. গ) চরক
  4. ঘ) অমরসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমরসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমরসিংহ
ব্যাখ্যা

অমরকোষ অভিধানের রচয়িতা অমরসিংহ। অমরসিংহ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে যে ৯ জন গুণী ব্যক্তি কে নবরত্ন বলা হতো তাদের মধ্যে অন্যতম।
- অমর সিংহ ছিলেন সংস্কৃত কবি, ব্যাকরণবিদ এবং প্রাচীন ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিধান প্রণেতা।
- কালিদাস মেঘদূতম্, কুমারসম্ভবম্‌, রঘুবংশম্, ঋতুসংহার, শৃঙ্গাররসাষ্টক, শৃঙ্গারতিলক, পুষ্পবাণবিলাস নামক কাব্য, নলোদয় ও দ্বাদশ-পুত্তলিকা নামে দুটি আখ্যানকাব্য এবং অভিজ্ঞানশকুন্তলম্‌, বিক্রমোর্বশীয়ম, মালবিকাগ্নিমিত্রম্ নামে তিনটি নাটক রচনা করেন।
- বরাহমিহির প্রাচীন ভারতের গুপ্ত সাম্রাজ্যের সমসাময়িক (আনুমানিক ৫০৫ - ৫৮৭) একজন বিখ্যাত দার্শনিক, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও কবি।
- বরাহমিহির তিনটি প্রধান গ্রন্থ রচনা করেন: 'পঞ্চসিদ্ধান্তিকা', 'বৃহৎসংহিতা' ও 'বৃহজ্জাতক'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
বরেন্দ্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল কোন রাজার সময়ে?
  1. ক) বল্লাল সেন
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) দ্বিতীয় মহিপাল
  4. ঘ) হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহিপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহিপাল
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র বিদ্রোহ পালরাজা দ্বিতীয় মহীপালের (আনু. ১০৭৫-১০৮০ খ্রি.) রাজত্বকালে সংঘটিত হয়। এই বিদ্রোহ কৈবর্ত বিদ্রোহ নামে পরিচিত । 
- এ বিদ্রোহের ফলে দ্বিতীয় মহীপালের মৃত্যু ঘটে এবং কৈবর্ত প্রধান দিব্যের হাতে বরেন্দ্রের (উত্তর বাংলা) অধিকার চলে যায়। বরেন্দ্র বিদ্রোহ সম্পর্কে জানার একমাত্র উৎস হচ্ছে সন্ধ্যাকর নন্দীর বিখ্যাত কাব্যরামচরিতম। 
- এ কাব্যের প্রধান বিষয় হলো বরেন্দ্রের পতন এবং রামপাল কর্তৃক তা পুনরুদ্ধার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

.
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়-
  1. ক) ১৯৫১
  2. খ) ১৯৫২
  3. গ) ১৯৪৭
  4. ঘ) ১৯৪৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের, (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে। যদিও এই সংগঠনের প্রতিবাদ লেখালেখির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন প্রকাশ্যরূপ ধারণ করে। 


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণী

.
ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য কোনটি ?
  1. ক) অপরাজেয় বাংলা
  2. খ) বাংলার অঙ্গীকার
  3. গ) মোদের গরব
  4. ঘ) দুরন্ত
সঠিক উত্তর:
গ) মোদের গরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোদের গরব
ব্যাখ্যা

রাজধানীর বাংলা একাডেমির আঙিনায় 'মোদের গরব' ভাস্কর্যটি অবস্থিত। ভাষা শহীদদের সম্মানে ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়।
- 'অমর একুশ' ভাস্কর্যটি বাঙালিকে স্মরণ করিয়ে দেয় বাংলা ভাষা আন্দোলন। 
- ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিমূলক ভাস্কর্য গুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ২০০৭ সালে ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ করেন খ্যাতিনামা ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া

.
যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষিমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) মাওলানা ভাসানী
  3. গ) মাওলানা আতাহার আলী
  4. ঘ) এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে মন্ত্রিসভার সদস্যরা হলেন: 

• এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন।
• শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, ঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন।
• আবু হোসেন সরকার অর্থ।
• আতাউর রহমান খান বেসামরিক সরবরাহ; 
• আবুল মনসুর আহমদ জনস্বাস্থ্য
• কফিল উদ্দিন চৌধুরী বিচার ও আইন
• সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা ও রেজিস্ট্রেশন
• আবদুস সালাম খান শিল্প ও পূর্ত

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১০.
কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) রোজ গার্ডেন
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) সন্তোষে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সন্তোষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সন্তোষে
ব্যাখ্যা

 ১৯৫৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারীর সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৮ ফেব্রুয়ারি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে সম্মেলনটি আরম্ভ হয়।
- কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
- ৭ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিল অধিবেশনে মূল আলোচ্যসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি।
- কিন্তু সিয়াটো ও সেন্টোর সামরিক চুক্তির প্রতি আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করলে সম্মেলনে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণি

১১.
পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসন ছিল কয়টি?
  1. ক) ২৫০
  2. খ) ২৭৫
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ৩০৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০৯
ব্যাখ্যা

পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদে আসন ছিল ৩০৯টি। 
- ১৯৫৪ সালের মার্চের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের (সর্বমােট আসন ছিল ৩০৯ টি) মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২১৫ টি (পরে স্বতন্ত্র থেকে ৮ জন যােগ দিলে আসন সংখ্যা হয় ২২৩ টি) । 
- তন্মধ্যে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ ১৪০ টি, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক পার্টি ৩৪ টি, নেজামী ইসলাম পার্টি ১২ টি, যুবলীগ ১৫ টি, গণতন্ত্রী দল ১০ টি, কমিউনিস্ট পার্টি ৪ টি ও পরে যােগ দেওয়া স্বতন্ত্র ৮টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২.
ঐতিহাসিক ছয় দফার কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. ক) শাসনতন্ত্র কাঠামো
  2. খ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. গ) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  4. ঘ) স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ছয় দফার স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার কথা উল্লেখ ছিল না।

১৯৬৬ সালে উত্থাপিত ছয় দফায় উল্লেখিত বিষয়গুলো হলো:
- শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
- কর সংক্রান্ত ক্ষমতা
- বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত ক্ষমতা
- আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩.
“পোড়ামাটির নীতি” কোন বাহিনীর জন্য প্রযোজ্য ছিল?
  1. ক) পাকিস্তান সেনাবাহিনী
  2. খ) পাকিস্তান বিমান বাহিনী
  3. গ) পাকিস্তান নৌ বাহিনী
  4. ঘ) পাক-ভারত বাহিনী
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তান সেনাবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তান সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা

“পোড়ামাটির নীতি” পাকিস্তান বাহিনীর জন্য প্রযোজ্য ছিল।

- স্কর্চড আর্থ বা পোড়ামাটি নীতি এমন একটি সামরিক কৌশল যা দ্বারা সেনারা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের সামরিক বেসামরিক নির্বিশেষে সবাইকে হত্যার পাশাপাশি সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। শত্রুর পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব—এমন স্থাপনা ও অবকাঠামো পুড়িয়ে দেয়। 

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান হানাদার বাহিনীও পোড়া মাটি নীতি গ্রহণ করেছিল । -পাকিস্তানের তৎকালীন জেনারেল টিক্কা খান বলেছিলেন '' পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ চাই না, মাটি চাই।''

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৪.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী কে ছিলেন ?
  1. ক) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামেও পরিচিত।
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

১৫.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় কোথায় ছিল?
  1. ক) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
  2. খ) মুজিবনগর
  3. গ) করিমগঞ্জ
  4. ঘ) বেনাপোল
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় ছিল ৮নং থিয়েটার রােড, কলকাতা।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে শুরু হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রথম যাত্রা। পরবর্তী সময়ে বৈদ্যনাথতলা হয়ে যায় মুজিবনগর। আর তৎকালীন সরকারের অস্থায়ী কার্যালয় ছিল কলকাতার ঐতিহাসিক থিয়েটার রােডের ৮ নম্বর বাড়িটি

- এখন এই সড়কের নামকরণ হয়েছে - শেক্সপিয়ার সরণি। এই বাড়িতে বসেই পরিচালিত হয়েছিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কার্যক্রম।
- এবার এই থিয়েটার রােডের বাড়ি মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর হিসেবে তৈরির জন্য বাংলাদেশ সরকার, ভারত সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে আলােচনা শুরু করেছে।

- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর অবশ্য ১৯৭২ সালে এই বাড়ি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তুলে দিয়েছিল শ্রী অরবিন্দ আশ্রমকে।
- এরপর ১৯৭৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ভবনের যাত্রা শুরু হয় শ্রী অরবিন্দ ভবন হিসেবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি।

১৬.
মুক্তিযুদ্ধকালে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান কে ছিলেন?
  1. ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. খ) বিচারপতি এ এস এম সায়েম
  3. গ) এম আর সিদ্দিকী
  4. ঘ) রবি শংকর ঘোষ
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর সিদ্দিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

- ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ছিলেন এম আর সিদ্দিকী।

এম.আর সিদ্দিকী (১৯২৬-১৯৯২)  শিল্পপতি, রাজনীতিক।
- এম.আর সিদ্দিকী ১৯৬২ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।
- এ ছাড়া ১৯৬৪-১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
- তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালে তিনি চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন। চট্টগ্রামের প্রতিরোধ যুদ্ধে তিনি সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে তাঁকে পূর্বাঞ্চলীয় জোনাল কম্যান্ডের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়।
- বিদেশে প্রবাসী সরকারের পক্ষে জনমত গঠনের জন্য মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি জুলাই মাসে আমেরিকা সফর করেন।

- বিদেশে অন্যান্য বাংলাদেশ মিশনগুলোর প্রধান ছিলেন কলকাতায় হোসেন আলী, দিল্লিতে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্যে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭.
'বায়ান্নর দিনগুলো' কার লেখা স্মৃতি সংকলন?
  1. ক) আবুল মনসুর আহমেদ
  2. খ) কাজী আবদুল ওদুদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি শেখ মুজিবুর রহমানের কারাগারে অতিবাহিত দিনগুলোর স্মৃতিবিজড়িত সংকলন। 
‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনাটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। 

- ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে রাজবন্দি থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু এই আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন এবং ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ঢাকা সেনানিবাসে আটক থাকার সময় তা লেখা বন্ধ হয়ে যায়।
- বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের নানা বিষয় এবং বঙ্গবন্ধুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এ রচনায় ফুটে উঠেছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্য পাঠ।

১৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. ক) ২
  2. খ) ১০
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)

১৯.
৪ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. খ) মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান
  3. গ) মেজর মীর শওকত আলী
  4. ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:
১ নং সেক্টর:
- মেজর জিয়াউর রহমান
- মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- মেজর খালেদ মোশাররফ
- মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
- মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
- ক্যাপ্টেন এ রব
৫ নং সেক্টর:
- মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- মেজর নাজমুল হক
- সুবেদার মেজর এ. রব
- মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম.এ জলিল
- মেজর এম. এ মঞ্জুর ও
- মেজর জয়নাল আবেদীন
১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- মেজর এম. আবু তাহের
- স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)

২০.
নিচের কোন বাহিনীর জন্ম ভারতে ?
  1. ক) আফসার বাহিনী
  2. খ) কেবি বাহিনী
  3. গ) নিয়মিত বাহিনী
  4. ঘ) বি এল এফ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বি এল এফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বি এল এফ
ব্যাখ্যা

 বি এল এফ বা মুজিব বাহিনীর জন্ম ভারতে ।

-স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভুমিতে ছাত্র আন্দোলনের অবস্থান ছিল অত্যন্ত দৃঢ়।

 ৬০ দশকের মাঝামাঝি এই ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে একটি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের পরিকল্পনায় সংগঠিত হয়ে রাজনৈতিক মতাদর্শের ছাত্রদের সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্ত্ততি সমন্বিত করে।-নেতৃস্থানীয় প্রায় ১০,০০০ (দশ হাজার) ছাত্রকে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

-এই বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল সুজন সিং উবান, যিনি ভারতীয় স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের কমান্ডার (ইন্সপেক্টর জেনারেল) ছিলেন। 

-ভারতের ভূখণ্ডে একটি গোপন স্থানে এই বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো যার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ব্রিগেডিয়ার টি. এস ওবেরয়। কর্নেল বি ডি কুশাল এই বাহিনীর প্রশাসনিক বিষয়াদি দেখাশোনা করতেন।

উৎস:বাংলাপিডিয়া

২১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড ফোর্স ছিল কয়টি ?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) সাতটি
সঠিক উত্তর:
ক) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তিনটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রণাঙ্গনকে তিন জন ব্রিগেড অধিনায়কের(মেজর খালেদ মোশাররফ,মেজর কে এম সফিউল্লাহ, মেজর জিয়াউর রহমান) আওতায় তিনটি ফোর্সে বিভক্ত করা হয় ।

-তাদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে ফোর্থ ফ্লোর নামকরণ করা হয়।

- কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ, এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন কে এম শফিউল্লাহ, জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণীর

২২.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করে শহীদ হন?
  1. ক) ৫নম্বর
  2. খ) ৬ নম্বর
  3. গ) ৭ নম্বর
  4. ঘ) ৪ নম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নম্বর
ব্যাখ্যা

তিনি ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে হামিদুর রহমান ১ম ইস্টবেঙ্গলের সি কোম্পানির হয়ে ধলই সীমান্তের ফাঁড়ি দখল করার অভিযানে অংশ নেন।

-তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ তার বয়স ছিল ১৮ বছর।

-১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ধলইয়ে অসম সাহসীকতার সঙ্গে যুদ্ধ করে শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি

২৩.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ এর গ্রামের বাড়ি -
  1. ক) সালামত ফুল
  2. খ) খোর্দ খালিশপুর
  3. গ) মহিষখোলা
  4. ঘ) পাথরঘাটা
সঠিক উত্তর:
গ) মহিষখোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহিষখোলা
ব্যাখ্যা

১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে নূর মোহাম্মদ শেখ জন্মগ্রহণ করেন। 

-তার পিতা মোহাম্মদ আমানত শেখ, মাতা জেন্নাতুন্নেসা। অল্প বয়সে বাবা-মাকে হারান ফলে শৈশবেই ডানপিটে হয়ে পড়েন।

- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই। 

-আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাতবরণকরেন।

উৎস:.narail.gov.bd

২৪.
ইপিআর এর কতজন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন?
  1. ক) ৩ জন
  2. খ) ১ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ২ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ জন
ব্যাখ্যা

ইপিআর এর ২ জন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন ।

তারা হলেন ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ এবং ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।

- সবথেকে বেশি বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত হয়েছে সেনাবাহিনীর ৩ জন সদস্য।

- তারা হলেন সিপাহী মোস্তফা কামাল, সিপাহী হামিদুর রহমান এবং ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।

- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান বিমান বাহিনীর একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।

- ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন নৌবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত বীরশ্রেষ্ঠ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২৫.
সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম লালু কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ৫ নং
  2. খ) ৬ নং
  3. গ) ৯ নং
  4. ঘ) ১১ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ নং
ব্যাখ্যা

সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম লালু ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন ।

-লালু নামে পরিচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। 

-তিনি বাংলাদেশে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা।

-তিনি ২০০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:molwa.gov.bd( মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)

২৬.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-
  1. ক) লিওনিদ ব্রেজনেভ
  2. খ) আলেক্সেই কোসিগিন
  3. গ) নিকোলাই পদগর্নি
  4. ঘ) আন্দ্রেই গ্রোমিকো
সঠিক উত্তর:
গ) নিকোলাই পদগর্নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিকোলাই পদগর্নি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পদগর্নি।

-ওই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আলেক্সেই কোসিগিন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন আন্দ্রেই গ্রোমিকো।

-যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রিচার্ড নিক্সন।

 -ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।

 -জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উ থান্ট।

উৎস:বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়(সপ্তম শ্রেণি)

২৭.
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয় ?
  1. ক) ২২ নভেম্বর ১৯৭১
  2. খ) ২৩ নভেম্বর ১৯৭১
  3. গ) ২১ নভেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ২০ নভেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ২১ নভেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২১ নভেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ কমান্ড গঠিত হয়। -ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা যৌথ বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। 

-অবশ্য ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অমৃতসর, শ্রীনগর ও কাশ্মীর উপত্যকায় পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বোমা বর্ষণের পর থেকেই মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ কমান্ড কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কোথায় গঠিত হয় ?
  1. ক) অরুণাচল
  2. খ) মিজোরাম
  3. গ) আসাম
  4. ঘ) নাগাল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাগাল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা

নাগাল্যান্ডের ডিমাপুর ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠিত হয়। এর সংগঠক ছিলেন এয়ার কমোডর এ.কে খন্দকার। 

-স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদ, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বদরুল আলম, ক্যাপ্টেন খালেক, সাত্তার, শাহাবুদ্দিন, মুকিত, আকরাম, শরফুদ্দিন এবং ৬৭ জন বিমান সেনা নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।

- তাদের সম্বল ছিল মাত্র কয়েকটি ডাকোটা, অটার টাইপ বিমান এবং অ্যালুভেট হেলিকপ্টার। অনুরূপভাবে, পাকিস্তান নৌবাহিনী থেকে বেরিয়ে আসা নৌসেনাদের নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠিত হয়।

- ১৯৭১ সালের ৯ নভেম্বর প্রথম নৌবহর ‘বঙ্গবন্ধু নৌবহর’ উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২৯.
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. ক) জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
  2. খ) কাদের সিদ্দিকী
  3. গ) জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
  4. ঘ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক জেনারেল নিয়াজী ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মিলিত মিত্র মুক্তি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান সেনাপতি জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন।

উৎস:বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়(সপ্তম শ্রেণি)

৩০.
পাখি ছাড়া বলাকা কি ?
  1. ক) উন্নত জাতের ধান
  2. খ) উন্নত জাতের আলু
  3. গ) উন্নত জাতের গম
  4. ঘ) উন্নত জাতের ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
গ) উন্নত জাতের গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উন্নত জাতের গম
ব্যাখ্যা

 বলাকা একটি উন্নত জাতের গম। 

 -কয়েকটি উন্নত জাতের গমের নাম:বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ।

উৎস:bari.gov.bd

৩১.
বাংলাদেশে কত বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করা হয়েছে ?
  1. ক) ১৫ বিঘা
  2. খ) ২০ বিঘা
  3. গ) ২৫ বিঘা
  4. ঘ) ৫০ বিঘা
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা

কৃষি জমির ক্ষেত্রে:

২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) মওকুফ করে দিয়েছে ।

-২৫ বিঘার অধিক হতে ১০ একর পর্যন্ত জমির জন্য প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৫০ পয়সা করে ।

-১০ একরের উধ্বে হলে প্রতি শতাংশ জমির জন্য ১ টাকা হারে খাজনা দিতে হবে ।

উৎস:land.gov.bd(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়)

৩২.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে -
  1. ক) ৮.৪%
  2. খ) ৮.৫১%
  3. গ) ৮.২৫%
  4. ঘ) ৭.৪%
সঠিক উত্তর:
খ) ৮.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮.৫১%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
- মাথাপিছু আয় - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর
- বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা - ৩০০০০ মেগাওয়াট

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৩৩.
কৃষি শুমারি পরিচালনা করে কে ?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  3. গ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  4. ঘ) বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো ওই কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

-প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি হয়। পরিসংখ্যান আইনে জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

-১৯৬০ সালে প্রথমবার নমুনা আকারে দেশে কৃষি শুমারি হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি হয়।

উৎস: বাংলা দেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

৩৪.
SRO পূর্ণরূপ কি ?
  1. ক) Statutory regulatory ordinance
  2. খ) State regulatory order
  3. গ) Supplementary regulatory ordinance
  4. ঘ) Statutory regulatory order
সঠিক উত্তর:
ঘ) Statutory regulatory order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Statutory regulatory order
ব্যাখ্যা

SRO - Statutory regulatory order.
- SRO হল একটি অধস্তন আইন , যা বিধিবদ্ধ নিয়ম, প্রবিধান, অধ্যাদেশ, উপ-আইন এবং বিজ্ঞপ্তিগুলির জন্য একটি সম্মিলিত শব্দ যা যাচাই করার পরে আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রদত্ত একটি অনন্য শনাক্তকরণ নম্বর বহন করে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রদান করা হয়, এটি কাস্টমস এর সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: nbr.gov.bd

৩৫.
ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ২০১৩
  2. খ) ২০১০
  3. গ) ২০১১
  4. ঘ) ২০১২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১২
ব্যাখ্যা

ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ সালে  প্রণীত হয়।

- এ পদ্ধতি ব্যবহার করে ভ্যাটের আওতায় নিবন্ধিত ব্যক্তি নিজস্ব ব্যাংক হিসাব থেকে সরাসরি ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্কসহ যে কোনও প্রদেয় কর সহজে, ঝুঁকিমুক্ত অবস্থায় এবং কম সময়ে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে পারবেন।

উৎস:nbr.gov.bd

৩৬.
নিচের কোনটি আমানত গ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয় ?
  1. ক) আইএফআইসি
  2. খ) ওরিয়েন্টাল ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) অগ্রণী
  4. ঘ) আইসিবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসিবি
ব্যাখ্যা

আইসিবি ব্যাংক আমানত গ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয় ।

-ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (বাংলাদেশ বিনিয়োগ সংস্থা, সংক্ষেপে আইসিবি) হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সরকারি মালিকানাধীন বিনিয়োগ কোম্পানি, যা রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (১৯৭৬ সালের ৪০ নং অধ্যাদেশ)-এর অধীনে ১ অক্টোবর ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত। -এটি একাধারে একটি বিনিয়োগ ও মার্চেন্ট ব্যাংক।

উৎস:icb.gov.bd

৩৭.
বিটাক কি ?
  1. ক) লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ
  2. খ) ব্যবস্থা কোন উন্নয়ন কেন্দ্র
  3. গ) শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
  4. ঘ) কুটির শিল্প সংস্থা
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বিটাক শিল্পকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে।

- এটি শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র ।

- ক্রমবর্ধমান বিশ্বায়নের গুরুত্ব অনুধাবন করে উন্নতর প্রযুক্তিতে কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন জনবল তৈরিতে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। দেশের শিল্প খাতের সম্প্রসারণ এবং নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনে সহযোগিতা করাই বিটাক এর মূল দায়িত্বে। 

-২৬-০৫-১৯৬২ তারিখের Resolution No. C & P-9 (11)/62 দ্বারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত Pakistan Industrial Technical Assistance Center (PITAC) কে স্বাধীনতাত্তোর ১৯৭২ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হিসাবে নামকরণ করা হয় । 

-২০১৯ সালের ১৯ নং আইন এর অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)/ Bangladesh Industrial Technical Assistance Center (BITAC)-কে মহান জাতীয় সংসদে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আইন এর ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিল্প সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা বিটাক পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস:bitac.gov.bd( বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র)

৩৮.
দেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) যমুনা সার কারখানা, জামালপুর
  2. খ) ঘোড়াশাল সার কারখানা, নরসিংদী
  3. গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

 শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড দেশের বৃহত্তম সার কারখানা । 

-গণপ্রজাতীয় বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রীজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর নিয়ন্ত্রানাধীন সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১২ সালের মার্চ মাসে শাহাজলাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের কন্সট্রাকশন কাজের শুভ উদ্ধোধন করেন।

-২০১৬সালে. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীন সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শিং জিং পিং যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে কারখানাটির শুভ উদ্বোধন করেন।

- কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৮০,৮০০ মে.টন।

উৎস:sfcl.gov.bd(শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড)

৩৯.
বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা হচ্ছে-
  1. ক) বিশ্ব ব্যাংক
  2. খ) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. গ) প্যারিস কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম।
- ফোরামের সমন্বয়ক হলো বিশ্বব্যাংক ।
- 2002 সালে এইড গ্রুপ নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম রাখা হয় ।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য যাতা অধিকাংশ দেশ ও সংস্থা এই ফোরামের সদস্য।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া

৪০.
বর্তমানে SLR রেট কত?
  1. ক) 13%
  2. খ) 4%
  3. গ) 4.75%
  4. ঘ) 14%
সঠিক উত্তর:
ক) 13%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 13%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে SLR( Statutory Liquidity Ratio) 13%.

-এবং CRR(Cash reserve ratio) 4%

-তবে ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে SLR 5.5% এবং CRR 4%| 

উৎস: bb.org.bd