পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (সাহিত্য)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
বাংলাবিদ সাহিত্য পরীক্ষা - ২: টপিক সমূহ: মধ্যযুগের প্রাথমিক ধারণা ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য [লাইভ ক্লাস ⎯ ৩ ও ৪]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

বাংলাবিদ (সাহিত্য) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোন খণ্ডে শরৎকালের উল্লেখ আছে?
  1. ভার খণ্ড
  2. যমুনা খণ্ড
  3. তাম্বুল খণ্ড
  4. বিরহ খণ্ড
সঠিক উত্তর:
ভার খণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার খণ্ড
ব্যাখ্যা
ভার খণ্ড:
- শরৎকালে শুকনো পথঘাটে হেঁটেই মথুরাতে গিয়ে দুধ-দই বিক্রি করা যায়। কিন্তু রাধা আর বাড়ির বাইরে আসে না। রাধা অদর্শনে কৃষ্ণ কাতর।
- সে বড়ায়িকে দিয়ে রাধার শাশুড়িকে বোঝায়, ঘরে বসে থেকে কি হবে, রাধা দুধ-দই বেচে কটি পয়সা তো আনতে পারে। শাশুড়ির নির্দেশে রাধা বাইরে বের হয়।
- কিন্তু প্রচণ্ড রোদে কোমল শরীরে দুধ-দই বহন করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
- এ সময় কৃষ্ণ ছদ্মবেশে মজুরি করতে আসে। পরে ভার বহন অর্থাৎ মজুরির বদলে রাধার আলিঙ্গন কামনা করে। রাধা এই চতুরতা বুঝতে পারে। সেও কাজ আদায়ের লক্ষ্যে মিথ্যে আশ্বাস দেয়। কৃষ্ণ আশায় আশায় রাধার পিছু পিছু ভার নিয়ে মথুরা পর্যন্ত চলে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'শিবনারায়ণ' কোন মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত?
  1. অন্নদামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. ধর্মমঙ্গল
  4. মনসামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা
• অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রধান কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩ খণ্ডে বিভক্ত।
যথা :
- শিবনারায়ণ,
- কালিকামঙ্গল,
- মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

- কালিকামঙ্গল নামে অভিহিত কাব্যধারাকে 'বিদ্যাসুন্দর' বা 'বিদ্যাসুন্দরকাহিনি' বলা হয়।
- দেবী কালীর মাহাত্ম বর্ণনা করা হয়েছে এই মঙ্গল কাব্যে।
- কালিকামঙ্গল কাব্যের আদি কবি - কবি কঙ্ক। এছাড়া, সাবিরিদ খান ও রমাপদ সেন - কালিকা মঙ্গল রচনা করেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মঙ্গলকাব্যে কয়জন কবির সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. ৬১ জন
  2. ১৩ জন
  3. ২৫ জন
  4. ৬২ জন
সঠিক উত্তর:
৬২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ জন
ব্যাখ্যা
মঙ্গলকাব্য:
- দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনীকাব্য।
- ধারণা করা হয়, পনের থেকে আঠারাে শতকের শেষ অবধি এই ধারার কাব্য বাংলায় রচিত হয়।
- এই কাব্য রচনার মূল উল্লেখিত কারণ, প্রায় সব কবিই স্বপ্নে দেবতাদের নির্দেশ পেয়ে রচনা করেছেন।
- এর প্রধান শাখা ৩টি- মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল।
- মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চণ্ডী ও ধর্মঠাকুর।
- এঁদের মধ্যে মনসা ও চণ্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি।
- একটি সার্থক মঙ্গলকাব্যে ৫টি অংশ থাকে: বন্দনা, আত্নপরিচয়, দেবখণ্ড, মর্ত্যখণ্ড এবং শ্রুতিফল।
- মঙ্গলকাব্যে ৬২ জন কবির সন্ধান পাওয়া যায়।
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কানাহারি দত্ত,মানিক দত্ত, ভারতচন্দ্র, দ্বিজমাধম, ঘনরাম চক্রবর্তী প্রমুখ।
- মঙ্গলকাব্যের দেবীদের মধ্যে মনসা ও চণ্ডী দেবী সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
- মঙ্গলকাব্যের দেব দেবীরা মূলত অনার্যদের দেব-দেবী।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারায় কবি দ্বিজমাধবকে 'স্বভাবকবি' বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'রাজা হরিশ্চন্দ্রের কাহিনি' কোন মঙ্গলকাব্যের অংশ?
  1. মনসামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. অন্নদামঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
ধর্মমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা
ধর্মমঙ্গল:
- ধর্মমঙ্গল ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্যসূচক কাব্যধারা।
- ধর্মমঙ্গলের আদি কবি ময়ূর ভট্ট।

• ধর্মমঙ্গল কাব্যের দুটি কাহিনি -
১. রাজা হরিশ্চন্দ্রের কাহিনি।
২. লাউসেনের কাহিনি।
- এর মধ্যে লাউসেনের কাহিনিই কাব্যে অধিকতর প্রাধান্য পেয়েছে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোন কবি রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন?
  1. মালাধর বসু
  2. আলাওল
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. বিদ্যাপতি
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গলকাব্য রচনা করেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের 'শেষ বড় কবি' বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
আখ্যানমূলক কাব্য 'রসুল বিজয়' রচনা করেন কে?
  1. দৌলত উজির বাহরাম খান
  2. সৈয়দ সুলতান
  3. আলাওল
  4. সাবিরিদ খান
সঠিক উত্তর:
সাবিরিদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবিরিদ খান
ব্যাখ্যা
সাবিরিদ খান:
- তিনি মধ্যযুগের কবি ছিলেন।
- 'বিদ্যাসুন্দর' কাব্যের রচয়িতা সাবিরিদ খান।
- এ কাব্য রচনায় তিনি প্রচলিত কাহিনি অবলম্বন করেছেন।
- বিদ্যাসুন্দরের কাহিনি কালিকামঙ্গলের অন্তর্গত।

সাবিরিদ খান তিনখানি আখ্যানমূলক কাব্য রচনা করেন: 
- বিদ্যাসুন্দর,
- রসুল বিজয় ও
- হানিফা-কয়রাপরী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'কৃষ্ণ গুণার্ণব' কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. বড়ু চণ্ডীদাস
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. রামপ্রসাদ সেন
  4. দ্বিজ বংশীদাস
সঠিক উত্তর:
দ্বিজ বংশীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজ বংশীদাস
ব্যাখ্যা
দ্বিজ বংশীদাস:
- তিনি ষোড়শ শতাব্দীর কবি।
- তিনি পাতোয়ারি গ্রাম, কিশোরগঞ্জ এ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সংস্কৃত, পুরাণ, আগম, তন্ত্রাদি শাস্ত্রে সুপণ্ডিত ছিলেন। তিনি 'পদ্মাপুরাণ' বা 'মনসামঙ্গল' কাব্যের অন্যতম প্রধান কবি।
- তিনি তাঁর কাব্যে বেহুলার দুঃখের চিত্র ও চাঁদ সওদাগরের চরিত্রের দৃঢ়তা, দৃঢ়তার সঙ্গে অঙ্কন করেন।
- দ্বিজ বংশীদাস রচিত অন্য কাব্যগুলো: কৃষ্ণ গুণার্ণব, রামসীতা ও চণ্ডী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান কবির নাম কী?
  1. ভারতচন্দ্র
  2. মুকুন্দরাম চক্রবতী
  3. কৃত্তিবাস ওঝা
  4. বিজয়গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবতী
ব্যাখ্যা
চণ্ডীমঙ্গল:
- চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য 'চণ্ডীমঙ্গল’।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত। তিনি ছিলেন চতুর্দশ শতকের কবি।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবতী।
- এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে। একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ। দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য কয়টি খণ্ডে বিভক্ত?
  1. দুই খণ্ডে
  2. তিন খণ্ডে
  3. চার খণ্ডে
  4. ছয় খণ্ডে
সঠিক উত্তর:
তিন খণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন খণ্ডে
ব্যাখ্যা
অন্নদামঙ্গল কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- অন্নদামঙ্গল কাব্যধারার প্রধান কবি ছিলেন- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
যথা: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর) এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১০.
রাজা রঘুনাথ রায় কাকে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. মানিক দত্ত
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. কৃত্তিবাস ওঝা
  4. ভারতচন্দ্র
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী:
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের কবি।
- রাজা রঘুনাথ রায় তাঁকে গুরুরূপে গ্রহণ করেন এবং তাঁর অনুরোধে বিখ্যাত পাঁচালি চন্ডীমঙ্গল রচনা করেন।
- যুবরাজের পৃষ্ঠপোষকতা ও আনুকূল্যে জনৈক প্রসাদ দেব এ কাব্য সঙ্গীতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন।
- তিনি কবি এবং সঙ্গীতশিল্পী উভয়কেই প্রচুর অলংকার সামগ্রী, বিলাসবহুল পোষাক-পরিচ্ছদ এবং ভ্রমণের জন্য ঘোড়া দিয়ে পুরস্কৃত করেন।
- রাজা রঘুনাথ রায় মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- সুকুমার সেন মুকুন্দরামের পাঁচালিকে একটি দুর্লভ শ্রেষ্ঠ পাঁচালি হিসেবে বর্ণনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
কোনটি মনসামঙ্গল কাব্যের চরিত্র নয়?
  1. বেহুলা
  2. লখিন্দর
  3. মুরারি শীল
  4. সনকা
সঠিক উত্তর:
মুরারি শীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুরারি শীল
ব্যাখ্যা
• চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র - মুরারি শীল। 

মনসামঙ্গল:

- মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলির মধ্যে প্রাচীনতম।
-‘মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।
- সাপের দেবী মনসার স্তব, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য ‘মনসামঙ্গল’।
- চাঁদ সওদাগর প্রথম দিকে মনসা বিরূপতা করে, পরে মনসা দেবীর অলৌকিক শক্তির প্রভাব স্বীকার করে তার বশ্যতা স্বীকার করাই মনসামঙ্গল কাব্যসমূহের প্রধান আখ্যান।
- দেবতা ও মানুষের দ্বন্দ্বে সামাজিক শ্রেণীবৈষম্য এবং চাঁদের সঙ্গে মনসার বিবাদে আর্য-অনার্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে।
- এই কাব্যের চরিত্রগুলো: বেহুলা, লখিন্দর, সনকা, সাপের দেবী মনসা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১২.
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোন জেলা থেকে আবিষ্কার করেন?
  1. কাঁকিল্যা
  2. হুগলি
  3. বর্ধমান
  4. বাঁকুড়া
সঠিক উত্তর:
বাঁকুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁকুড়া
ব্যাখ্যা
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য:
- মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদের পরেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের স্থান।
- ১৩১৬ বঙ্গাব্দে (খ্রি. ১৯০৯) বসন্তরঞ্জন রায়বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার বনবিষ্ণুপুরের কাঁকিল্যা গ্রাম নিবাসী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের নিকট থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন।
- এ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।
- রাধা ও কৃষ্ণের প্রেম নিয়ে এই কাব্যটি রচিত হয়েছে। এটি ১৩ খণ্ডে বিভক্ত।
- বড়ু চণ্ডীদাসের প্রধান পরিচয় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা হিসেবে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
মঙ্গলকাব্যের তুলনামূলকভাবে প্রাচীনতম শাখা কোনটি?
  1. মনসামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. অন্নদামঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা
মঙ্গলকাব্য:
- মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা।
- দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনিকাব্য।
- মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চণ্ডী ও ধর্মঠাকুর।
- এঁদের মধ্যে মনসা ও চণ্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি।

মঙ্গলকাব্যের প্রধান ৩টি শাখা।
১.মনসামঙ্গল (তুলনামূলকভাবে প্রাচীনতম),
২. চণ্ডীমঙ্গল,
৩. অন্নদামঙ্গল (তুলনামূলকভাবে আধুনিক)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৪.
'ফুল্লরা ও ধনপতি' চরিত্র দুটি কোন কাব্যের?
  1. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  2. পদ্মাপুরাণ
  3. চণ্ডীমঙ্গল
  4. মনসামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্য:
- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবতী৷
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজমাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো: কালকেতু, ফুল্লরা, ধনপতি, ভাঁড়ুদত্ত, মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।