পরীক্ষা আর্কাইভ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

পরীক্ষাউপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৩১ বিষয়: কৃষি (টেকনিক্যাল) টপিক: ১. উদ্ভিদের বিভিন্ন রোগ ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। ২. আগাছা দমন।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি নিষ্ক্রিয় লবণ পরিশোষণের মতবাদ?
  1. মাস ফ্লো মতবাদ
  2. আয়ন বাহক মতবাদ
  3. অভিস্রবণ মতবাদ
  4. শ্বসন মতবাদ
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় লবণ পরিশোষণ:
- এ শোষণ প্রক্রিয়ায় কোন বিপাকীয় শক্তি বা ATP এর প্রয়োজন হয় না বলে একে নিষ্ক্রিয় পরিশোষণ বলা হয়।
- এ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের খনিজ লবণ শোষণ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ঘটে।
- এক্ষেত্রে মাটির দ্রবণে আয়নের ঘনত্ব মূলরোমের কোষের দ্রবণে আয়নের ঘনত্ব অপেক্ষা বেশি থাকে।
- মাটির দ্রবণ এবং মূলরোমের কোষের দ্রবণের ঘনত্বের এ অসমতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ উদ্ভিদ কোষে প্রবেশ করে।
- দ্রবণ দুটির ঘনত্ব যতক্ষণ পর্যন্ত সমান না হয় ততক্ষণ এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
- এতে শ্বসনের হার স্বাভাবিক থাকে।
- নিষ্ক্রিয় লবণ পরিশোষণের মতবাদগুলো হলো-
(ক) ব্যাপন মতবাদ,
(খ) আয়ন বিনিময় মতবাদ,
(গ) মাস ফ্লো মতবাদ
এবং
(ঘ) ডোন্যান ইকুইলিব্রিয়াম মতবাদ।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ধান গাছের বাদামি দাগ কোন ধরনের রোগের লক্ষণ?
  1. ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ
  2. ছত্রাক জনিত রোগ
  3. ভাইরাস জনিত রোগ
  4. পরিবেশজনিত সমস্যা
ব্যাখ্যা
দাগ:
- ফসলের পাতায়, কাণ্ডে বা ফলের গায়ে নানা ধরনের দাগ বা স্পট দেখা দেয়।
- দাগের রং কালো, হালকা বাদামি, গাঢ় বাদামি কিংবা দেখতে পানিতে ভেজার মতো হয়।
- ফসলের এসব দাগ বিভিন্ন রোগের কারণে হয়।
- যেমন: ধান গাছের বাদামি দাগ একটি ছত্রাকজনিত রোগের লক্ষণ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
গম ক্ষেত আগাছামুক্ত রাখার জন্য কমপক্ষে কয়বার নিড়ানি দিতে হবে?
  1. একবার
  2. দুইবার
  3. তিনবার
  4. চারবার
ব্যাখ্যা
গম ক্ষেতের আগাছা দমন:
- সার, সেচের পানি ইত্যাদিতে আগাছা ভাগ বসায়।
- ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগের আগে নিড়ানি দিতে হবে।
- উপরি প্রয়োগের পর সেচ দিতে হবে।
- গম ক্ষেত আগাছামুক্ত রাখার জন্য কমপক্ষে দুইবার নিড়ানি দিতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
আধুনিক মতবাদ অনুসারে, পত্ররন্ধ্র বন্ধ এবং খোলা রাখার বিষয়ে কোন আয়ন কে দায়ী করা হয়?
  1. সোডিয়াম আয়ন
  2. পটাসিয়াম আয়ন
  3. ম্যাগনেসিয়াম আয়ন
  4. ক্যালসিয়াম আয়ন
ব্যাখ্যা
পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার আধুনিক মতবাদ:
- পত্ররন্ধ্র উদ্ভিদের প্রধান গ্যাসীয় বিনিময় অঙ্গ যার মাধ্যমে উদ্ভিদ O2, CO₂, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি গ্যাসীয় উপাদান বিনিময় করে থাকে।
- উদ্ভিদের বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক কার্যাবলী (যেমন- শ্বসন, সালোকসংশ্লেষণ, প্রস্বেদন ইত্যাদি) সম্পাদনের জন্য গ্যাস বিনিময় আবশ্যক।
- এ বিনিময় কার্যক্রম পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।
- এ মতবাদ অনুসারে পত্ররন্ধ্র বন্ধ এবং খোলা রাখার বিষয়ে পটাসিয়াম আয়ন (K+) কে দায়ী করা হয়।
- দিনের বেলায় রক্ষীকোষ প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম আয়ন (K+) ও ক্লোরাইড আয়ন (CI-) শোষণ করে।
- ফলে রক্ষীকোষে অভিস্রবণিক চাপ বাড়ে এবং তখন পার্শ্ববর্তী মেসোফিল টিস্যু থেকে রক্ষীকোষে পানির ব্যাপন ঘটে।
- এ সময় রক্ষীকোষে টারগার প্রেসার (TP) বেড়ে যাবার ফলে তা স্ফীত হয়ে ধনুকের ন্যায় বেঁকে যায় ও পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
- রাতের বেলায় পটাসিয়াম আয়ন (K+) ও ক্লোরাইড আয়ন (CI-) রক্ষীকোষ হতে বের হয়ে আসে।
- ফলে রক্ষীকোষের অভিস্রবণিক চাপ কমে।
- এর ফলে পানি রক্ষী কোষ থেকে বের হয়ে আসে এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ধানের টুংরো রোগ ছড়ায়?
  1. পাতা ফড়িং
  2. গাছ ফড়িং
  3. ঘাস ফড়িং
  4. অ্যাফিড
ব্যাখ্যা
ধানের টুংরো রোগ: 
- এটি ভাইরাস জনিত রোগ। 
- চারা রোপণের এক মাসের মধ্যে টুংরো রোগ দেখা দিতে পারে।
- আক্রমণের প্রথমে পাতার রং হালকা সবুজ, পরে আস্তে আস্তে হলদে হয়ে যায়।
- গাছ টান দিলে সহজেই উঠে আসে।
- কুশি হয় না।
- প্রথমে দুই-একটি গোছায় এ রোগটি দেখা যায়, পরে ধীরে ধীরে আশেপাশের গোছায় ছড়িয়ে পড়ে।

দমন পদ্ধতি: 
- পাতা ফড়িং এ রোগ ছাড়ায়, তাই পাতা ফড়িং দমন করতে হবে।
- রোগ প্রতিরোধীজাত যেমন-চান্দিনা, দুলাভোগ, ব্রি শাইল, গাজী, বিআর ১৬, বিআর ২২, ব্রি ধান ৩৭, ব্রি ধান ৩৯, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান ৪২ চাষ করা।
- আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে সবুজ পাতা ফড়িং মেরে ফেলা।
- রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে ফেলা।
- ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি স্প্রে করা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
আরাইল, গইচা, শ্যামা প্রভৃতি আগাছার উপদ্রব কোন ফসলের ক্ষেতে দেখা যায়?
  1. আলু
  2. মুলা
  3. ধান
  4. তিল
ব্যাখ্যা
- ধানক্ষেতে সাধারণত আরাইল, গইচা, শ্যামা প্রভৃতি আগাছার উপদ্রব হয়।
- এগুলো সরাসরি হাত/নিড়ানি দ্বারা ও ঔষধ প্রয়োগ করে দমন করতে হবে।

আগাছা দমন:
- কমপক্ষে তিন বার ধানের জমিতে আগাছা দমন করতে হয়। 
i) চারা রোপণ করার ১০-১৫ দিনের মধ্যে
ii) প্রথম আগাছা দমনের পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে
iii) থোড় বের হওয়ার পূর্বে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
যে প্রস্বেদন কিউটিকলের মধ্য দিয়ে ঘটে তাকে কী বলে?
  1. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন
  2. ত্বকীয় প্রস্বেদন
  3. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন: 
- যে শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় তাকে প্রস্বেদন বলে।
- প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা।
- এছাড়া প্রক্রিয়াটি কান্ড এবং তার শাখা প্রশাখার মাধ্যমেও হয়ে থাকে।

ত্বকীয় প্রস্বেদন (Cuticular transpiration):

- যে প্রস্বেদন কিউটিকলের মধ্য দিয়ে ঘটে তাকে ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে।
- উদ্ভিদের কান্ড এবং পাতার বহিঃত্বকের উপর কিউটিনের আবরণকে কিউটিকল বলে।
- উদ্ভিদকে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করা কিউটিকলের প্রধান কাজ।
- কিউটিকল পাতলা হলে উহা ভেদ করে কিছু পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে আসে।
- এটাই কিউটিকুলার প্রস্বেদন।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটির কারণে ফসলের পাতায় গাঢ় ও হালকা হলদে-সবুজ এর ছোপ ছোপ রং বা মোজাইক হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ছত্রাক
  3. ভাইরাস
  4. নেমাটোড
ব্যাখ্যা
মোজাইক:
- ফসলের পাতায় যখন গাঢ় ও হালকা হলদে-সবুজ এর ছোপ ছোপ রং দেখা যায় তখন এই লক্ষণকে মোজাইক বলা হয়।
- ঢেড়শ ও মুগে মোজাইক রোগ দেখা যায়।
- এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগের লক্ষণ।
- অ্যাডল্ফ মেয়ার (Adolf Mayer) ১৮৮৬ সালে সর্বপ্রথম তামাক গাছের মোজাইক রোগের কারণ বর্ণনা করেন। 
- আমেরিকান বিজ্ঞানী স্ট্যানলি (Stanley) ১৯৩৫ সালে তামাক গাছের মোজাইক ভাইরাসকে পৃথক করে কেলাসিত করেন। তিনি সে জন্য ১৯৪৬ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সরিষা চাষে যে অরোবাংকি দেখা যায় সেটি আসলে কী?
  1. রোগ
  2. আগাছা
  3. পোকামাকড়
  4. সরিষা পাকার লক্ষণ
ব্যাখ্যা
সরিষার আগাছা দমন:
- সরিষার জমিতে আগাছা দেখা মাত্র নিড়ানি দিয়ে তুলে ফেলতে হবে।
- চারা পাতলা করার সময়ই আগাছা দমন করা যায়।
- যেসব জমিতে অরোবাংকির আক্রমণ দেখা যায়, সেসব জমিতে পর পর দুই বছর সরিষা চাষ না করাই ভালো।

ব্রুমরেপস বা অরোবাংকি: 
- ব্রুমরেপস (Orobanche spp.) হলো ক্ষতিকর পরজীবী আগাছা।
- অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ফসলের জন্য নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও অরোবাংকি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে যা লক্ষাধিক কৃষকের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলছে।
- অরোবাংকি (Orobanche) গণের উদ্ভিদগুলো বার্ষিক, দ্বিবার্ষিক বা বহুবর্ষজীবী মাংসল পরজীবী হার্ব।
- এগুলো ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত ঔষধ এবং বন্য খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- সাম্প্রতিককালে Orobanche spp. খাদ্য ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ঔষধি হিসেবে আরও বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে।
- তবে তাদের ঔষধি বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জাতিগত-ফার্মাকোলজিক্যাল বিশ্লেষণের অভাব রয়েছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
ScienceDirect ওয়েবসাইট। 
১০.
ধান রোপনের পূর্বে ব্যবহারযোগ্য আগাছানাশক কোনটি?
  1. গ্লাইফোসেট
  2. প্রিটাইলাক্লোর
  3. ২, ৪ ডি
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ধানের জমিতে সঠিক আগাছানাশক নির্বাচন: 
১) ধান রোপনের পূর্বে ব্যবহারযোগ্য আগাছানাশক (প্রি-প্লান্ট):

- এটি সাধারণত রোপনের পূর্বে যে সমস্ত আগাছা জমিতে জন্মায়, তাদের দমন করে।
- উদাহরণ- গ্লাইফোসেট, গ্রামোক্সন এবং ২, ৪ ডি ইত্যাদি।

২) রোপনের পর ধান ক্ষেতে আগাছা জন্মানোর আগে ব্যবহারযোগ্য আগাছানাশক (প্রি-ইমারজেন্স):
- জমিতে ধান রোপনের পর এবং আগাছা অংকুরোদগমের পূর্বে ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত রোপন/বপনের ৩-৫ দিন পর ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত অধিকাংশ আগাছানাশকই এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
- উদাহরণ- বুটাক্লোর ৫জি, প্রিটাইলাক্লোর ৫০০ ইসি, বিসপাইরিবেক সোডিয়াম + বেনসালফিউরান মিথাইল, এসিটাক্লোর + বেনসালফিউরান মিথাইল, অক্সাডায়াজন ২৫ ইসি গ্রুপের আগাছানাশক।

৩) আগাছা অংকুরোদগমের পর ব্যবহারযোগ্য আগাছানাশক (পোস্ট ইমারজেন্স):
- এ শ্রেণীর আগাছানাশক ধানের জমিতে আগাছা জন্মানোর পর ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত আগাছার পাতা যখন ১-২টি হয়, তখন এই আগাছানাশক ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ স্বরূপ- পাইরাজোসালফিউরান ইথাইল ১০ ডব্লিউপি, প্রিটাইলাক্লোর+পাইরাজোসালফিউরান ইথাইল, ডায়াফিমনি ২০০ এসসি, ইথক্সিসালফিউরান ১৫০ ডব্লিউপি, বিসপাইরিবেক সোডিয়াম এসসি, ফেনক্সলাম ২৪০ এসসি ইত্যাদি গ্রুপের আগাছানাশক। 

৪) ধানের আগাছার পাতা ৩-৪টি হওয়ার পর ব্যবহারযোগ্য আগাছানাশক (লেট পোস্ট ইমারজেন্স):
- এ ধরনের আগাছানাশক আগাছার পাতায় স্প্রে করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়।
- যেমন- ২, ৪ ডি এমাইন, কারফেন্ট্রাজন ইথাইল এবং এমসিপিএ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
১১.
ক্লোরোফিল-বি কোন রঙের হয়?
  1. হলুদ
  2. হলদে সবুজ
  3. নীলাভ-সবুজ
  4. কমলা
ব্যাখ্যা
ক্লোরোফিল ও পিগমেন্টস: 
- সবুজ উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল অবস্থান করে।
- এরা প্রধানত দু'প্রকার। যথা- ক্লোরোফিল-এ ও ক্লোরোফিল-বি।
- ক্লোরোফিল-এ এর বর্ণ হলদে সবুজ। এর শোষিত আলোকশক্তিই মূলত সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে।
- ক্লোরোফিল-বি হলো নীলাভ-সবুজ রংয়ের। এটি আলোকশক্তি সংগ্রহ করে ক্লোরোফিল-এ কে প্রদান করে।
- সালোকসংশ্লেষণের সময় সবুজ উদ্ভিদ আলোর ফোটন কণা শোষণ করে আলোকশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- সবুজ ও হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয় না।
- একক আলো হিসেবে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়।
- বিভিন্ন ধরনের পিগমেন্ট (যেমন- হলুদ রঙের জ্যান্থোফিল, কমলা রঙের ক্যারোটিন, নীল রঙের ফাইকোসায়ানিন, লাল রঙের ফাইকোইরেথ্রিন ইত্যাদি), বিভিন্ন প্রকারের এনজাইম এবং আয়নসমূহ এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
পেঁপের রিং স্পট রোগ কীসের আক্রমণে ঘটে?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রিং স্পট:
- ভাইরাসের আক্রমণে পাতার উপর কিছুটা অঞ্চল ঘিরে গোলাকার বা হরিদ্রাভ দাগ সৃষ্টি হয়।
- এ রকম লক্ষণকে রিং স্পট বলা হয়।
- এটি ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক রোগ।
- এ রোগের ফলে আমাদের মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতিসাধন হয়।
- ভারতে ১৯৪৮ সালে প্রথম এ রোগটি লক্ষ করা যায়।
- অন্যান্য ফসলের ন্যায় পেঁপেরও নানা রকমের রোগ বালাই হয়।
- পেঁপের সবচেয়ে ক্ষতিকারক রোগ হলো রিং স্পট।
- এটি একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ।
- এটি এতই মারাত্মক যে এর ফলে ক্ষেতের পুরো ফসলই নষ্ট হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
অনিয়ন্ত্রিত এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক প্রয়োগে কী হতে পারে?
  1. মাটি, পানি, গাছ এবং পরিবেশের ক্ষতি
  2. গাছ মারা যেতে পারে
  3. ধানের ইকোসিস্টেমের ক্ষতি
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
অনিয়ন্ত্রিত এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক প্রয়োগে ক্ষতিকর প্রভাব: 
- অতিরিক্ত এবং অনিয়ন্ত্রিত আগাছানাশক মাটি, পানি, গাছ এবং পরিবেশের ক্ষতি করে
- আগাছানাশক সঠিক নিয়মে ব্যবহার না করলে গাছ মারা যেতে পারে এবং ধানের ইকোসিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে
- সঠিক আগাছানাশকের ব্যবহার জমির উর্বরতা বা গাছের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত ও অতিরিক্ত আগাছানাশকের ব্যবহারে মাছের বংশ বিস্তার বা প্রজননে বাধাগ্রস্থ হতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৪.
ফটোলাইসিস এর ফলে নিচের কোনটি উৎপন্ন হয়?
  1. প্রোটন ও কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. ADP+Pi
  3. প্রোটন ও অক্সিজেন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
পানির সালোকবিভাজন (Photolysis of water):
- PS-II এর ক্লোরোফিলের উপর আলোক রশ্মি পতিত হলে ম্যাঙ্গানিজ (Mn) ও ক্লোরাইড আয়ন (CI) এর উপস্থিতিতে কোষে অবস্থিত পানি ভেঙে দুটি ইলেকট্রন, প্রোটন ও অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।
- অক্সিজেন বায়ুতে চলে যায়, প্রোটন (2H) NADP-কে বিজারিত করে NADPH+H+ উৎপন্ন করে এবং ইলেকট্রন (2e) PS-II কর্তৃক গৃহীত হয়।
- কাজেই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় যে অক্সিজেন নির্গত হয় তা অচক্রীয় ফটোফসফোরাইলেশন পর্যায়ে পানির ভাঙ্গনের ফলে সৃষ্টি হয়।
- পানির এরূপ ভাঙ্গনকে পানির সালোকবিভাজন বা ফটোলাইসিস (Photolysis) বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
রোপা আমন ধানক্ষেত কতদিন পর্যন্ত আগাছামুক্ত রাখতে পারলে ভালো ফলন পাওয়া যায়?
  1. ১৫-২০ দিন
  2. ২৫-৩০ দিন
  3. ৩৫-৪০ দিন
  4. ১৫-৩০ দিন
ব্যাখ্যা
রোপা আমন ধানক্ষেতের আগাছা দমন: 
- ধানক্ষেত ৩৫-৪০ দিন পর্যন্ত আগাছামুক্ত রাখতে পারলে ভালো ফলন পাওয়া যায়
- হাত দিয়ে, নিড়ানি যন্ত্র দিয়ে এবং আগাছানাশক ব্যবহার করে আগছা দমন করা যায়।
- রোপা আমন ধানে সর্বোচ্চ দু'বার হাত দিয়ে আগাছা দমন করতে হয়।
- প্রথম বার ধান রোপণের ১৫ দিন পর এবং পরের বার ৩০-৩৫ দিন পর।
- আগাছানাশক ব্যবহারে কম পরিশ্রমে ও কম খরচে বেশি পরিমাণ জমির আগাছা দমন করা যায়।
- প্রি-ইমারজেন্স আগাছানাশক ধান রোপণের ৩-৬ দিনের মধ্যে (আগাছা জন্মানোর আগে) এবং পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক ধান রোপণের ৭-২০ দিনের মধ্যে (আগাছা জন্মানোর পর) ব্যবহার করতে হবে।

বিভিন্ন মৌসুমে বপন/রোপণের ক্ষেত্রে জমি আগাছামুক্ত রাখার ক্রান্তিকাল
মৌসুম সরাসরি বপন (দিন) রোপন (দিন)
আউশ ৩০-৩৫ ৩০-৩৫
আমন ৪৫-৫০ ৩৫-৪০
বোরো ৫৫-৭৫ ৪০-৪৫

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।