পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৬
সিলেবাস
Exam - 4 The Penal Code, 1860 - 1 Topic: Section 1-160
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৬ প্রশ্ন

.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ কবে কার্যকর করা হয়?
  1. ১ মে ১৮৬২
  2. ১ জানুয়ারি ১৮৬০
  3. ১ জানুয়ারি ১৮৬২
  4. ৬ অক্টোবর ১৮৬০
ব্যাখ্যা
- প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয় ১৮৩৪ সালে।
- প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে।
- ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে কোন অধ্যায় নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কিত বিধি রয়েছে?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. নবম অধ্যায়
  4. নবম (ক) অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
.
নিম্ম লিখিত কোনভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে?
  1. কাউকে প্ররোচিত করে
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
  3. কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধে
  2. আমরিকান জাহাজে বাংলাদেশের জলসীমায় চায়নার নাগরিক হত্যা হলে
  3. বাংলাদেশের অভ্যন্তর বাংলাদেশ বা বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে সংঘটিত অপরাধে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
.
'A' 'C' কে হত্যা করতে 'B'কে প্ররোচিত করে। কিন্তু 'B' 'C' কে হত্যা করতে রাজি হয় না। 'A' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্ররোচনার অপরাধ করেছে
  2. নৈতিক অপরাধ করেছে
  3. হত্যার চেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. কোন অপরাধ করে নাই
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে।
• যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের
• সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে।
• অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।
.
দণ্ডবিধি কত ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public servant) সংজ্ঞা দেয়া রয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারা সমূহের মাঝে 'সাধারণ ব্যাখ্যা' (General explanations) দেয়া আছে।
• ১৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় কর্মচারী (Servant of The State), ২১ ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public Servant), ১১ ধারায় ব্যক্তি (Person) এবং ১২ ধারায় জনসাধারণ (Public) এর সংজ্ঞা দেয়া আছে।
.
'C' এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য 'B' পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি 'A' কে বলেন এবং সে মোতাবেক 'C' এর বাড়িতে 'A' আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়।
• অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।
 • ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
.
ক একজন সরকারি অফিসার। তিনি একটি দস্যুতা অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করে কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। এখানে ক কী ধরনের শাস্তি পাবে?
  1. দস্যুতার জন্য নির্ধারিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. উপরের যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৬ মতে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ব্যতীত অন্য যে কোন কারাদন্ডে দন্ডিত অপরাধে সহায়তার করার পরও অপরাধটি সংঘটিত না হলে-
(i) সহায়তাকারী সরকারি কর্মচারী হলে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মেয়াদের অর্ধেক কারাদণ্ড অথবা    অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(ii) সহায়তাকারী সাধারণ ব্যক্তি হলে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মেয়াদের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
.
কীভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটিত হতে পারে?
  1. কোন অবৈধ কাজ করার সম্মতির মাধ্যমে
  2. কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ তথা কোন অবৈধ কাজ করার জন্য অথবা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার জন্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বা Criminal Conspiracy বলে।
• ১২০ক ধারামতে ২ ভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অপরাধ হতে পারে।
যথা:
(i) কোন অবৈধ কাজ করার জন্য সম্মতির মাধ্যমে
(ii) কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
১০.
অপরাধের সংজ্ঞা দেয়া আছে কত ধারায়?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪৪ ধারায়
  4. ৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০ ধারায় অপরাধের সংজ্ঞা রয়েছে,
'যে সমস্ত কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকা দেশে বলবৎ কোন আইনের শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে তাকে অপরাধ বলে  অর্থাৎ যে সকল কার্য করা বা না করা প্রচলিত আইনের শাস্তিযোগ্য তাকে অপরাধ বলে। অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ বা চেষ্টা বা সহায়তা করাও অপরাধ।'
১১.
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সমূহ দণ্ডবিধির কোন ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১২১ থেকে ১৩০ ধারায়
  2. ১০৫ থেকে ১৩০ ধারায়
  3. ১১০ থেকে ১৪০ ধারায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে ১২১ থেকে ১৩০ ধারায় রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১২.
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তার শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধু মৃত্যুদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২১ মতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তার শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ডের বিধান আছে।
১৩.
কোন ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড যাকে Compulsory death penalty বলে?
  1. ২৯৯ ও ৩০০ ধারায়
  2. ৩০২ ও ৩০৪ ধারায়
  3. ৩০৩ ও ৩০৭ ধারা
  4. ৩০৭ ও ৩২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধিতে মোট দশটি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।
• যেগুলার বেশিভাগ ধারায় মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি আরো অন্য শাস্তি দেয়ার বিধার আছে ।
• ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক খুন এবং ৩০৭ ধারা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হয় এই অপরাধ প্রমাণিত হলে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে।
১৪.
কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধু মৃত্যুদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩০ মতে কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থন্ডের বিধান আছে।
১৫.
The penal code 1860 এর বর্ণিত অপরাধ গুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা কোনটি?
  1. এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 100 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দশ টাকা জরিমান
  3. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. একদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 50 টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা 10 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।
•  ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।
১৬.
ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করার প্রাথমিক শর্তসমূহ কী কী?
  1. অপরাধী মন
  2. দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
১৭.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে সাজার প্রকৃতি কিরূপ হবে?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাধারন শ্রম
  3. সশ্রম
  4. সবকটাই হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ৫৩ ধারায় ব্যাখ্যাতে উল্লেখ আছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে তা অবশ্যই সশ্রম হবে।
১৮.
বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৪জন
  2. ৫জন
  3. ৬জন
  4. ৭জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
১৯.
বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৩ ধারায়
  4. ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ১৪২ ধারা মতে কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদান বা অবস্থান করলে উক্ত সমাবেশের সদস্য বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ ব্যক্তিগত কোন অপরাধ না করেও শুধুমাত্র অংশগ্রহণের মাধ্যমে কেউ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হতে পারে।
২০.
সাধারণ ফৌজদারী মামলায় আইনগত ভুল (Mistake of law) ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার কোন অজুহাত হতে পারে না কিন্তু ঘটনাগত ভুল (Mistake of fact) হতে পারে। উক্তিটি-
  1. আংশিক সত্য
  2. মিথ্যা
  3. সত্য
  4. কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
- ৭৬ এবং ৭৯ ধারায় ঘটনাগত অজ্ঞতার ভুল ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির পাওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু আইনের অজ্ঞতা ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির কোন অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
- Ignorance of fact is excusable but ignorance of law is not excusable.
২১.
মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।
২২.
দণ্ডবিধির অনুযায়ী কখন একজন শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ৯ বছরের বেশি বয়স্ক হলে
  2. ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক হলে শিশু কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে
  3. নয় বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধসম্পন্ন হলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা মতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধশক্তি সম্পন্ন শিশুর কাজ অপরাধ নয় তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি এবং ১২ বছরের কম বয়সে শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
২৩.
সাধারণ ব্যতিক্রম সম্পর্কে দণ্ডবিধির কোথায় বলা আছে
  1. ৫৪ ধারা থেকে ৬৬ ধারায়
  2. ১৫ ধারা থেকে ৮৫ ধারায়
  3. ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারায়
  4. ২০ ধারা থেকে ১০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
• সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা মতে দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির।
২৪.
করিম সাহেব ব্যথার কষ্ট নিয়ে একজন চিকিৎসকের নিকট গেলেন। চিকিৎসকের অস্ত্রোপচারের ফলে করিম সাহেবের মৃত্যু হতে পারে এটা জেনেও করিম সাহেবের মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে করিম সাহেবের মঙ্গলার্থে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারটি করেন। উক্ত অস্ত্রোপচারের পর করিম সাহেব মারা যান। করিম সাহেবের মৃত্যুতে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
  1. কোন অপরাধ হয়নি
  2. খুন হয়েছে
  3. অপরাধমূলক নরহত্যা হয়েছে
  4. দুই ও তিন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানের অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতি নিয়ে ঐ ব্যক্তির মঙ্গলের জন্য কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।
 • চিকিৎসক মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে রোগীর মঙ্গলনার্থে অস্ত্রোপচার করেন তাই এটি কোন অপরাধ নয়।
২৫.
দণ্ডবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. তত্ত্বগত
  2. পদ্ধতিগত
  3. সংস্কারমূলক
  4. বিশেষ আইন
ব্যাখ্যা
• যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
- যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
২৬.
কোন আইনে মাধ্যমে দণ্ডবিধি তৈরির জন্য ‘‘ভারতীয় আইন কমিশন’’ গঠন করা হয়েছে?
  1. The Charter Act 1833
  2. Morley Minto reform Act 1909
  3. Government of India Act 1919
  4. Government of India Act 1935
ব্যাখ্যা
• ১৮৩৩ সালের চার্টার আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী ১৮৩৪ সালে প্রথম ভারতীয় আইন কমিশন (Law Commission) নিয়োগ দেয়া হয়।
• প্রথম 'ল' কমিশনকে পেনাল কোড ড্রাফট করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
• প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে।
•১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে 'Indian Penal Code নামে কার্যকর হয়।
• বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৪৮ নং প্রেসিডেন্ট আদেশের মাধ্যমে পাকিস্তানি দণ্ডবিধি বাংলাদেশে বহাল রাখা হয়।
২৭.
রহিম ও করিম আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় রহিম খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে করিমকে আহত করে। এখানে রহিম নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত
  3. গুরুতর আগের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।
২৮.
দণ্ডবিধিতে অনুমোদিত নয় এমন শাস্তি-
  1. বেত্রাঘাত
  2. ব্রাস্ট ফায়ারে মৃত্যু
  3. দ্বীপান্তর
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫৩ ধারায় ৫ টি শাস্তির অনুমোদিত বিধান রয়েছে।
(i) মৃত্যুদণ্ড
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
(iii) কারাদণ্ড
(iv) সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি
(v) অর্থদণ্ড
• এগুলো ছাড়া বাকি সব অনুমোদিত নয়।
• একমাত্র বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ৩৪ক ধারায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে গুলি করিয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান রয়েছে।
২৯.
Volante non-fit injuria মতবাদটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৮ ধারায়
  3. ৮৯ ধারায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ধারা ৮৭, ৮৮ এবং ৮৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত  ব্যক্তি বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতি নিয়ে গঠিত কোনো ক্ষতি অপরাধ বলে গণ্য হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
• সম্মতি বা ভলেনটি নন্ ফিট ইনজুরিয়া (Consent or Volante non-fit injuria): কারো সম্মতিক্রমে কোন কার্য সম্পাদিত হলে এবং এর ফলে কোন ক্ষতি হলে সম্মতিদানকারী কোন অভিযোগ করতে পারে না।
• এটা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তাকে বলে ভলেন্টি নন্ ফিট্ ইনজুরিয়া।
• বাদী যে অধিকার স্বেচ্ছা প্রণোদিত ভাবে পরিত্যাগ করেছে সে অধিকার আর সে বলবৎ করতে পারে না।
• তাই মুষ্ঠিযুদ্ধে আহত হলে বা ডাক্তার অস্ত্রোপচার করলে টর্ট আইনে কাউকে দায়ী করা যায় না।
• এ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বাদীর অবগতি ও সম্মতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
৩০.
কত দিনের মধ্যে ফৌজদারি মামলার জরিমানা (fine) আদায় করতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না ।
৩১.
The penal code 1860 অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগ করা যায় কতটি ক্ষেত্রে?
  1. দুটি ক্ষেত্রে
  2. তিনটি ক্ষেত্রে
  3. ৪টি ক্ষেত্রে
  4. ছয়টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।
• ৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়।
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।
৩২.
দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রয়োগ করা যায় কয়টি ক্ষেত্রে?
  1. চারটি ক্ষেত্রে
  2. ছয়টি ক্ষেত্রে
  3. আটটি ক্ষেত্রে
  4. পাঁচটি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়।
যথা:
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
৩৩.
Penal Code 1860 এর কত ধারায় Private defence (আত্মরক্ষা বা প্রতিরক্ষার) কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯৭ ধারা
  3. ৩ ধারা
  4. ৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• ৯৬ ধারায় আত্মরক্ষার অধিকার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
• কোন ব্যক্তি তার নিজের জানমাল ও অপরের জানমাল এবং সরকারি সম্পত্তিকে যে কোন প্রকার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার বলে।
৩৪.
আবুল রাত্রিবেলা একটি গৃহে প্রবেশ করে। গৃহটিতে প্রবেশে আবুলের আইনগত অধিকার রয়েছে। বাবুল সরল বিশ্বাসে আবুলকে চোর ভেবে আক্রমণ করে। এক্ষেত্রে বাবুল কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. বেআইনি আক্রমণ
  3. আক্রমণ
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা মতে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ নয়। অর্থাৎ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হলেও তা অপরাধ বলে গণ্য হবেনা।
• অন্যভাবে বলা যায় যে, ৭৬ ধারা অনুযায়ী এটি একটি Mistake of fact যে কারণে বাবুলের কৃত কাজটি কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৩৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ততার কারণে বিচারশক্তি রহিত ব্যক্তির কাজ অপরাধ নয় বলে উল্লেখ আছে?
  1. ৮৩
  2. ৮৪
  3. ৮৫
  4. ৮৬
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৫ ধারামতে কোন ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে নেশাস্ত হলে অর্থাৎ যে নেশাদ্রব্যের জন্য সে মাতাল হয়েছিল উক্ত নেশাদ্রব্য তার অগোচরে বা তার ইচ্ছার বিরূদ্ধে তাকে খাওয়ানো হয়েছিল এবং এর ফলে অর্থাৎ মাতাল অবস্থায় কোন অপরাধ সংঘটিত হলে উক্ত নেশাস্ত বা মাতাল ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য দায়ী হবেনা।
• তবে অপরাধ করার সময় উক্ত মাতাল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকবে যে, সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারবে না।
৩৬.
দণ্ডবিধ ১৮৬০ অনুযায়ী নির্জন কারাবাস এককালীন কত দিনের অধিক হতে পারবে না?
  1. এককালীন ১৪ দিন
  2. এককালীন ১ মাস
  3. এককালীন ৭ দিন
  4. সর্বমোট ৬ মাস
ব্যাখ্যা
• শুধুমাত্র সশ্রম কারাদন্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়।
• ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদন্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।
• নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।