পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৩২: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
OIC এর বর্তমান মহাসচিব কে? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ইউসুফ আল ওথাইমিন
  2. হুসাইন ইব্রাহিম তাহা
  3. সালমান বিন আব্দুল আজিজ
  4. নায়েফ আল হজ্জরাফ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৪)
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. লাইবেরিয়া
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা
AU- African Union:
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU African Union) আফ্রিকা মহাদেশের দেশসমূহের একটি সংগঠন।
- পূর্বে এর নাম ছিল - Organization of African Organization.
- African Union নামকরণ করা হয় ৯ জুলাই, ২০০২ সালে।
- আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা ৫৫টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- আফ্রিকান ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ দক্ষিণ সুদান। (অক্টোবর, ২০২৪)
- মরক্কো ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় আফ্রিকান ইউনিয়নে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র - আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।
.
পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের বাণিজ্যিক জোট কোনটি?
  1. COMESA
  2. AFTA
  3. BENELUX
  4. NAFTA
ব্যাখ্যা
COMESA:
- COMESA (Common Market for Eastern and Southern Africa) হলো পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের বাণিজ্যিক ব্লক।
- ২১ টি দেশ নিয়ে এটি গঠিত।
- COMESA by Preferential Trade Area নামে যাত্রা শুরু করে যা ১৯৯৪ সালের ৮ ডিসেম্বর COMESA'য় রূপান্তরিত হয়।
- এর সদর দপ্তর জাম্বিয়ার লুসাকায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- AFTA হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- পশ্চিম ইউরোপের ৩টি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক সংগঠন বেনেলাক্স।
- NAFTA হলো উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।

তথ্যসূত্র - COMESA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
কৃষ্ণ গহবরের যে সীমা থেকে কোনো কিছু বেড়িয়ে আসতে পারে না তাকে কী বলে?
  1. মহাকর্ষীয় প্রকোপ বলয়
  2. ঘটনাদিগন্ত
  3. হাবল অঞ্চল
  4. ব্লাক ফোর্স
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণ গহবর:
- কৃষ্ণ গহবর সাধারণত একটি তারার মৃত্যুর পর গঠিত হয়।
- যখন একটি বড় তারার জীবাশ্মের প্রক্রিয়া ঘটে, তখন এটি তার কেন্দ্রীয় অংশে অতিরিক্ত শক্তি সঙ্কুচিত হয়ে কৃষ্ণ গহবরের সৃষ্টি করে।
- কৃষ্ণ গহবর মহাকর্ষীয়ভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু, যা এত বেশি মহাকর্ষীয় শক্তি সৃষ্টি করে যে, এর থেকে আলো পর্যন্ত বেড়িয়ে আসতে পারে না।

ইভেন্ট হরিজন:
- কৃষ্ণ গহবরের সেই সীমা যেখানে থেকে কিছু ফিরে আসতে পারে না।
- এটি মূলত গহ্বরের "নিষিদ্ধ এলাকা" বা ঘটনাদিগন্ত
- ঘটনাদিগন্তের ব্যাসার্ধ (Event Horizon Radius) হল সেই সীমারেখা যেখানে থেকে কিছু বস্তুর পক্ষে কৃষ্ণ গহবর থেকে ফিরে আসা সম্ভব নয়।
- কৃষ্ণ গহ্বরের ঘটনাদিগন্তের ব্যাসার্ধ সাধারণত শোয়ার্জশিল্ড রেডিয়াস (Schwarzschild Radius) দিয়ে নির্ণয় করা হয়, যা নিম্নলিখিত সূত্র দিয়ে হিসাব করা হয়:

Rs = 2GM/c2

এখানে,
Rs​ = শোয়ার্জশিল্ড রেডিয়াস
G = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক
M = কৃষ্ণ গহ্বরের ভর
c = আলোর বেগ

গ্রাভিটেশনাল লেন্সিং:
- কৃষ্ণ গহবর তার চারপাশের আলোকে বেঁকিয়ে দিতে পারে, যা দূরের জ্যোতিষ্কের ছবি বিকৃত করে।

কৃষ্ণ গহবরের গঠন এবং আচরণের উপর গবেষণা করতে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টেলিস্কোপ ব্যবহার করেন। যেমন:

- গ্রাউন্ড-বেসড টেলিস্কোপ
- স্পেস টেলিস্কোপ (যেমন, ইভেন্ট হরিজন টেলিস্কোপ)

উৎস: ব্রিটানিকা, নাসা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র(শাহাজাহান তপন স্যার)।

.
ম্যান্ডেলের ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্রানুযায়ী ফিনোটাইপের অনুপাত কত?
  1. ৯:৩:৩:১
  2. ৩:১
  3. ১:২:১
  4. ৭:৫:৩:১
ব্যাখ্যা
জিনোটাইপ (Genotype): 
- জীবদেহের দৃশ্যমান অথবা সুপ্ত বেশিষ্ট্যগুলোর নিয়ন্ত্রক জিনসমূহের গঠনকে জিনোটাইপ বলে। যেমন: লম্বা হওয়ার জিন, খাটো হওয়ার জিন।
- জিনোটাইপ বাহ্যিক ভাবে দেখা যায় না।

ফিনোটাইপ (Phenotype): 
- জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফিনোটাইপ বলে। যেমন: লম্বা, সুন্দর, খাটো, কালো।
- ফিনোটাইপ প্রকৃতপক্ষে জিনোটাইপের জিনসমূহের বাহ্যিক প্রকাশ। 

মেন্ডেলের সূত্র: 
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
- জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম - মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩ : ১ এবং জিনোটাইপের অনুপাত ১ : ২ : .১।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের ফিনোটাইপের অনুপাত ৯:৩:৩:১ ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুযায়ী কিসের পরিবর্তনে স্থান, কাল ও ভরের পরিবর্তন হয়?
  1. সময়
  2. সূর্যের অবস্থান
  3. বেগ
  4. স্থানাংক
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। সেটি হলো আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।
- তাই আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়, যথা-
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব।
- সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব।

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
যথা -
- প্রথম স্বীকার্য - স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে ।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তর দিয়ে জেট বিমান চলাচল করে?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজেওপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষাড়পাত, শিশির, কুয়াশা ট্রপোস্ফিয়ারে সৃষ্টি হয়। সাধারনত এই স্তর দিয়ে উড়োজাহাজ চলাচল করে।
- ওজোন গ্যাস থাকে স্ট্রেটোস্ফিয়ারে। এই স্তর দিয়ে জেট বিমান উড়ে।
- উল্কা মেসোস্ফিয়ারে অবস্থান করে।
- থার্মোস্ফিয়ারের নিচের অংশকে আয়নমন্ডল বলে।  বেতার তরঙ্গ আয়নমন্ডলে বাধাগ্রস্থ হয়ে ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- সবচেয়ে উচু স্তর হলো এক্সোমন্ডল যেখানে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেনের গ্যাস থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 30 সে.মি. ও 40 সে.মি.। রম্বসের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 1200 বর্গ সে.মি.
  2. 800 বর্গ সে.মি.
  3. 600 বর্গ সে.মি.
  4. 400 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 30 সে.মি. ও 40 সে.মি.। রম্বসের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 30 সে.মি. ও 40 সে.মি.

আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (1/2) × (30 × 40) বর্গমিটার
= 600 বর্গ সে.মি.

∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল= 600 বর্গ সে.মি.
.
যদি দুটি রেখা সমান্তরাল হয়, তবে তাদের মধ্যকার কোণ হবে-
  1. 45°
  2. 90°
  3. 180°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি দুটি রেখা সমান্তরাল হয়, তবে তাদের মধ্যকার কোণ হবে-

সমাধান:
দুটি সরল রেখার মধ্যবর্তী দূরত্ব যখন সর্বদা একই থাকে তখন একটিকে অপরটির সমান্তরাল রেখা বলা হয়।
দুটি সমান্তরাল রেখা কখনও পরস্পর ছেদ করে না।
যেহেতু রেখা দুটি কখনও ছেদ করবে না তাই কোন কোণ উৎপন্ন হবে না। 
∴ কোণের পরিমাণ 0° হবে।
১০.
ABC একটি ত্রিভুজ যেখানে AB = AC = 13 এবং BC = 10, উচ্চতা AD = কত?
  1. 8
  2. 12
  3. 15
  4. 16
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ABC একটি ত্রিভুজ যেখানে AB = AC = 13 এবং BC = 10,  উচ্চতা AD = কত?

সমাধান:

সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = √(১৩ - ৫)
= √(১৬৯ - ২৫)
= √১৪৪
= ১২

১১.
PQRS ট্রাপিজিয়াম ও XYZ ত্রিভুজের আলোকে z কোণের মান কত?
  1. 65°
  2. 50°
  3. 55°
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: PQRS ট্রাপিজিয়াম ও XYZ ত্রিভুজের আলোকে z কোণের মান কত?


সমাধান:
∠P = (x + 2)°, ∠Q = (y + 5)°, ∠R = (2y + 10)° and ∠S = (2x - 32)°

∠P + ∠S = 180°
⇒ x + 2° + 2x - 32° = 180°
⇒ 3x = 210°
⇒ x = 70°

∠Q + ∠R= 180°
⇒ y + 5° + 2y + 10° = 180°
⇒ 3y = 165°
⇒ y = 55°

XYZ ত্রিভুজে
x + y + z = 180°
⇒ 70° + 55° + z = 180°
⇒ 125° + z = 180°
⇒ z = 180° - 125°
⇒ z = 55°
১২.
একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ৬৪ মিটার হলে, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৭৬ বর্গমিটার
  2. ১৮০ বর্গমিটার
  3. ১৯২ বর্গমিটার
  4. ১৯৬ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ৬৪ মিটার হলে, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তকার বাগানের প্রস্থ = ক মিটার
আয়তকার বাগানের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার
∴ পরিসীমা = ২(৩ক + ক) মিটার

প্রশ্নমতে,
২( ক + ৩ক) = ৬৪
⇒ ৪ক = ৩২
⇒ ক = ৮

∴ প্রস্থ = ৮ মিটার
এবং দৈর্ঘ্য = (৩ × ৮) = ২৪ মিটার

আমরা জানি,
আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ)
= (২৪ × ৮) বর্গমিটার
= ১৯২ বর্গমিটার
১৩.
একটি চাকার ব্যাসার্ধ 7 মিটার। 440 মিটার যেতে চাকাটি কতবার ঘুরবে?
  1. 14 বার
  2. 10 বার
  3. 16 বার
  4. 24 বার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি চাকার ব্যাসার্ধ 7 মিটার। 440 মিটার যেতে চাকাটি কতবার ঘুরবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
চাকার ব্যাসার্ধ r = 7 মিটার
∴ চাকার পরিধি = 2πr = 2 × (22/7) × 7 = 44 মিটার 
ফলে চাকাটি একবার ঘুরলে 44 মিটার যায়।

∴ 440 মিটার যেতে চাকাটি ঘুরবে = 440/44
= 10 বার
১৪.
যদি AC || QR হয়, তাহলে y এর মান কত?
  1. 60°
  2. 120°
  3. 45°
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি AC || QR হয়, তাহলে y এর মান কত?

সমাধান:


ধরি, ∠ABP = x 
∠PBC = 120°
AC || QR এবং PR এদের ছেদক বলে,
∠ABP = ∠QRP

এখানে,
∠ABP + ∠PBC = 180°
⇒ x + 120° =180°
⇒ x = 180° - 120°
⇒ x = 60°

∴ ∠ABP = x = ∠QRP = y = 60°
১৫.
y - 2x + 3 = 0 রেখার ঢাল কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 2/3
  4. 10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: y - 2x + 3 = 0 রেখার ঢাল কত?

সমাধান:
y - 2x + 3 = 0
বা, y = 2x - 3 কে y = mx + c সাথে তুলনা করে পাই, m = 2
∴ ঢাল = 2
১৬.
'Mrs. Moore' is a character from -
  1. A Passage to India
  2. Great Expectations
  3. Oliver Twist
  4. Arms and the Man
ব্যাখ্যা
• 'Mrs. Moore' is a character from - 'A Passage to India' is written by  E.M. Forster.
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে এবং তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ বলে গণ্য।
- ভারত এবং আলেক্সান্দ্রিয়াতে তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি এই উপন্যাস টি রচনা করেন।
-  এছাড়া racism এবং colonialism এই উপন্যাসের অন্যতম বিষয়বস্তু। তবে এই উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় ব্রিটিশ এবং ভারতীয়দের সম্পর্ক।
- The tensions that arise when a visiting Englishwoman, Adela Quested, accuses a well-respected Indian man, Dr. Aziz, of having attacked her during an outing.

• এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে -
- Dr. Aziz,
- Mrs. Moore,
- Adela Quested,
- Rony Hislop,
- Cyril Fielding, etc.

• E.M. Forster:
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- তিনি Modern Period এর একজন সাহিত্যিক।
- His 'A Passage to India' was published in 1924 and is considered one of the author's finest works.

• Notable work:
- A Passage to India,
- A Room with a View,
- Aspects of the Novel,
- Howards End,
- Marianne Thornton,
- Maurice,
- The Hill of Devi,
- The Longest Journey,
- Where Angels Fear to Tread.

Source: Britannica.
১৭.
'Animal Farm' by George Orwell is written in -
  1. Sonnet form
  2. allegorical form
  3. epic form
  4. blank verse
ব্যাখ্যা
• The novel 'Animal Farm' is written by George Orwell is a political allegory/ satirical allegorical novella about revolution and power.
- অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ।
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language. 

• Short summary:
- বলশেভিক বিপ্লব এবং পরবর্তীতে জোসেফ স্ট্যালিনের ভূমিকা নিয়ে এর কাহিনী রচিত বলে ধারণা করা হয়।
- একটা পশু খামারের পশুরা একত্রিত হয়ে খামার মালিককে বিতাড়িত করে এবং তারা কম কাজ করে বেশি আরাম পাবে এমন একটি ব্যবস্থা তৈরীর স্বপ্ন দেখে। তারা সাম্য ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
- তবে পরবর্তীতে দেখা যায়, খামার মালিককে বিতাড়িত করে সেই খামারের মালিক বনে যায়, খামারের প্রভাবশালী শুয়োর গুলো। এরপর মানুষ মালিকের চেয়েও অনেক বেশি জালিমে পরিণত হয় এরা।
- উপন্যাসের শেষে দেখানো হয়: পশু খামারের নতুন শ্লোগান: “all animals are equal, but some animals are more equal than others” যেটি প্রথমে ছিল: “All animals are equal"

এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন  - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington,Mr. Frederick
২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.

• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং  Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• Notable work:
- A Clergyman’s Daughter
- A Hanging
- Animal Farm”
- Burmese Days
- Coming Up for Air
- Down and Out in Paris and London
- Homage to Catalonia
- Keep the Aspidistra Flying
- Nineteen Eighty-four

Source: Britannica.
১৮.
একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করলে তাকে কী বলে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. সেকেন্ডারি কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ফরেন কী
ব্যাখ্যা
 কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়।
যথা-
. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
কম্পিউটারে সাইবার অ্যাটাক করে ব্যবহারকারীর কাছে অর্থ দাবি করাকে কী বলে?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. ড্যানিয়েল অব সার্ভিস
  4. ম্যান ইন দ্যা মিডেল
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার:
- ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার।
- এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
 
DoS (Denial of Service):
- ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২০.
নিচের কোনটিকে পিকোনেট বলা হয়?
  1. Bluetooth
  2. Wi-fi
  3. Wi-max
  4. LAN
ব্যাখ্যা
Bluetooth:
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১.
alibaba কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
Alibaba:
- আলিবাবা একটি চাইনিজ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। 
- এটি খুচরা বিক্রেতাদের জন্য বড় প্লাটফর্ম।
- এই কোম্পানী ক্রেতা-বিক্রেতা, ক্রেতা-ক্রেতা, ব্যবসায়ি- ব্যবসায়িদের ওয়েব পোর্টাল এর মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকে।
- আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা।
- এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Alibaba Group ওয়েবসাইট।
২২.
bikroy.com কোন ধরনের ই-কমার্স সাইট?
  1. C2C
  2. C2B
  3. B2C
  4. B2B
ব্যাখ্যা
bikroy.com একটি C2C ধরনের ই-কমার্স সাইট

ই-কমার্সের প্রকারভেদ:

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১. Business to Business- B2B:
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২. Business to Consumer- B2C:
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩. Consumer to Business- C2B:
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪. Consumer to Consumer- C2C:
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com, bikroy.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
ChatGPT এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. বিল গেটস
  2. ইলন মাক্স
  3. স্যাম অল্টম্যান
  4. থমাস লি
ব্যাখ্যা
ChatGPT:
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।
- চ্যাটজিপিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান।

উৎস: Britannica.
২৪.
Fax এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Fascimile
  2. Fast Alternative Zone
  3. Fasimail
  4. Facsimile
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
'কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই' প্রবাদ বাক্যটির রচয়িতা কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই'- প্রবাদ বাক্যটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়।
- 'কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই'- প্রবাদ বাক্যটির অর্থ হচ্ছে - কেউ কষ্ট করে কেউ কষ্ট না করেই তাঁর ফল ভোগ করে।
- প্রবাদটি বঙ্কিমচন্দ্রের 'বিড়াল' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়:
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।
- অনিলাদেবী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
- তিনি ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ:

- লোকরহস্য,
- কমলাকান্তের দপ্তর,
- বিবিধ সমালোচনা,
- সাম্য,
- কৃষ্ণচরিত্র,
- ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন ইত্যাদি।

• তাঁর অন্যান্য উপন্যাস সমূহ:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২৬.
মুনির চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের কাহিনি কোন গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে?
  1. মেঘনাদবধ
  2. রাঙা জবা
  3. মহাশ্মশান
  4. বারি দ্য ডেড
ব্যাখ্যা
• মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' রচিত হয়েছে মহাকবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থের কাহিনি থেকে।

• রক্তাক্ত প্রান্তর:
- এটি মুনীর চৌধুরী রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটক।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- এর চরিত্রগুলোর মধ্যে বিখ্যাত চরিত্র গুলো হচ্ছে ইব্রাহীম কার্দি, জোহরা, সুজাউদ্দৌলা, নজীবউদ্দৌলা, আবদালি প্রমুখ।
- নাটকে ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রী জোহরা বেগম।
- নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।’।

• মুনীর চৌধুরী:
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে বাংলা টাইপরাইটারের জন্য উন্নতমানের কী-বোর্ড উদ্ভাবন করেন, যার নাম মুনীর অপ্‌টিমা।
- ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দুদিন আগে ১৪ ডিসেম্বর তিনি পাকবাহিনীর সহযোগীদের দ্বারা অপহৃত ও নিহত হন।

• মুনীর চৌধুরীর অন্যান্য নাটক:

- কবর
- চিঠি,
- দণ্ডকারণ্য,
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।

• অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
২৭.
নিচের কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত গ্রন্থ?
  1. বাংলা ভাষার ইতিকথা
  2. মুসলিম বাঙলা সাহিত্য
  3. ভাষা ও সাহিত্য
  4. বাংলা ভাষার পুরাবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত গ্রন্থ - ভাষা ও সাহিত্য।

• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ:
- শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে।
- ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে শহীদুল্লাহ্ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনিই প্রথম উর্দুর পরিবর্তে বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার যৌক্তিক দাবি জানান।
- আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক (১৯১৫) ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক (১৯১৮-২১) হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।
- তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর (১৯২০) আত্মপ্রকাশ করে।
- এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস (১৯২৩), বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি (১৯৩৭) এবং পাক্ষিক তকবীর (১৯৪৭) সম্পাদনা করেন।-
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস রচনাসহ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বহু জটিল সমস্যার সমাধান করেন। বাংলা লোকসাহিত্যের প্রতিও তিনি বিশেষ অনুরাগী ছিলেন। গবেষণাগ্রন্থের পাশাপাশি তিনি সাহিত্য এবং শিশুসাহিত্যের অনেক মৌলিক গ্রন্থও রচনা করেন।
- তিনি বেশ কয়েকটি গ্রন্থ অনুবাদ ও সম্পাদনাও করেন।
- তিনি ১৩ জুলাই ১৯৬৯ সালে মৃতুবরণ করেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প (১৯২২),
- ভাষা ও সাহিত্য (১৯৩১),
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ (১৯৩৬),
- দীওয়ান-ই-হাফিজ (১৯৩৮),
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ (১৯৪২),
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম (১৯৪২),
- আমাদের সমস্যা (১৯৪৯),
- পদ্মাবতী (১৯৫০),
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খন্ড ১৯৫৩, ১৯৬৫),
- বিদ্যাপতি শতক (১৯৫৪), বাংলা আদব কী তারিখ (১৯৫৭),
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত (১৯৫৯), কুরআন শরীফ (১৯৬৩),
- তাঁর Buddhist Mystic Songs (১৯৬০) গ্রন্থটি চর্যাপদের অনুবাদ ও সম্পাদনা কর্ম।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বহুভাষাবিদ এবং ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন। তিনি ১৮টি ভাষা জানতেন; ফলে বিভিন্ন ভাষায় সংরক্ষিত জ্ঞানভান্ডারে তিনি সহজেই প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।

অন্যদিকে,
• ‘মুসলিম বাঙলা সাহিত্য' এর রচয়িতা মুহম্মদ এনামুল হক।
• 'বাংলা সাহিত্যের ইতিকথা'- ভূদেব চৌধুরী।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর 
২. বাংলাপিডিয়া।