পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮ [প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ৩য় ধাপের জন্য] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি (পাহাড়, নদী, সাগর ইত্যাদি), জলবায়ু ও পরিবেশ, ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ। বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি, মহাদেশ ও গুরুত্বপূর্ণ দেশ, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, দ্বীপ, প্রণালী ইত্যাদি, বৈশ্বিক ইতিহাস (যুদ্ধ-বিগ্রহ, সভ্যতা, বিপ্লব ইত্যাদি), জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, নবায়নযোগ্য শক্তি ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমিতে কোন যুগের পাহাড় দেখা যায়?
  1. সাম্প্রতিককালের
  2. টারশিয়ারি যুগে
  3. প্লাইস্টোসিনকালের
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

লালমাই পাহাড়: 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীর নাম কি?
  1. মেঘনা
  2. সিমসাং
  3. বরাক
  4. ফাইপি
ব্যাখ্যা
গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ও সবচেয়ে উঁচু পাহাড় গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণি।
- মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো-খাসিয়া পর্বতশ্রেণির একটি অংশকে গারো পাহাড় বলে।
- এর কিছু অংশ রয়েছে ভারতের আসাম রাজ্যে ও বাংলাদেশের শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাগুলো এ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের মোট আয়তন প্রায় আট হাজার ১৬৭ বর্গকিলোমিটার।
- গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম নকরেক, যা ভারত অংশে অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৪ হাজার ৬৫২ ফুট বা এক হাজার ৪০০ মিটার।
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলং এ পাহাড়েই অবস্থিত।
- তবে গারো পাহাড়ের প্রধান শহর তুরা।
- গারো পাহাড় বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি।

অন্যদিকে -
- তাজিংডং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।

উৎস: i) ৫ অক্টোবর, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
  1. বালু নদী
  2. মারজাত বাওড়
  3. সুন্দরবন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
.
ধরলা ও তিস্তা কোন নদীর উপনদী?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. কর্ণফুলী
  4. ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- এখানে উল্লেখ্য যে, ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পটুয়াখালীর জলবায়ু কেমন?
  1. সমভাবাপন্ন
  2. চরমভাবাপন্ন
  3. মৃদুভাবাপন্ন
  4. ক+গ
ব্যাখ্যা
মৃদুভাবাপন্ন:
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে।
- যেমন: কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
- সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন বা মৃদুভাবাপন্ন জলবায়ু বলে। 

অন্যদিকে -
- সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়।
- এ কারণে সমুদ্রের দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়।
- কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি।
- তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে।
- এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়।
- ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে।
- মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত দ্বীপ কোনটি?
  1. কুতুবদিয়া দ্বীপ
  2. সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  3. সোনাদিয়া দ্বীপ
  4. শাহ পরীর দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাতিঘর:
- বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত কুতুবদিয়া দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা।
- চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ায় আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়।
- ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল।
- কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল।
- সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো।
- ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো।
- শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।
- ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পুনঃ নির্মিত বাতিঘরটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
  2. ১৭ নভেম্বর, ২০০০
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা: 
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়। 
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
          ii) বাংলাপিডিয়া।
.
সোমপুর বিহার কে আবিষ্কার করেন?
  1. লর্ড ওয়েলেসলি
  2. কর্ণওয়ালিস
  3. আলেকজান্ডার কানিংহাম
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা
 সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. সাইক্লোন
  2. হ্যারিকেন
  3. টাইফুন
  4. উইলি উইলি
ব্যাখ্যা
হ্যারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়
- হ্যারিকেন বড় এবং ঘূর্ণায়মান ঝড়। 
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বা উচ্চতর বাতাস তৈরি করে। 
- এটি স্থলভাগের দ্রুততম প্রাণী অর্থাৎ চিতার চেয়ে দ্রুত। 
- হ্যারিকেনের বাতাস ভবন এবং গাছের ক্ষতি করতে পারে।
- উষ্ণ সাগরের জলের উপরে হ্যারিকেন তৈরি হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।

অন্যদিকে -
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে সাইক্লোন বলা হয়।
- এশিয়া ও জাপানের উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলা হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে উইলি উইলি বলা হয়।

উৎস: i) NASA (.gov).
         ii) redcross.org.
১০.
ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. পক প্রণালী
  2. ফরমোজা প্রণালী
  3. সুন্দা প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
 সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ব্যতীত মালাক্কা প্রণালীও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- সুন্দা প্রণালীর সর্বনিম্ন প্রস্থ প্রায় ২৪ কি.মি এবং সর্বনিম্ন গভীরতা প্রায় ২০ মিটার। 

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: WorldAtlas.
১১.
নিচের কোন দেশ বৈশ্বিক উষ্ণায়ণের ফলে 'মরুকরণ'-এর ঝুঁকিতে রয়েছে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. মোজাম্বিক
  3. ভারত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে। 
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের। 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক ঝুঁকিতে থাকা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২টি করে দেশের তালিকা:
• বন্যা:
- বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।
• ঝড়:
- ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।
• মরুকরণ:
- মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, শাদ, কেনিয়া, ইরান।
• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- সব নিচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিসর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।
• কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা:
- সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।