পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
Exam - 43 Review: Test-9 Topic: • Exam- 39, 41, 42
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬ অনুযায়ী আপিল কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. হাইকোর্টে সরাসরি
  2. যেকোনো দেওয়ানি আদালতে
  3. আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতে
  4. আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
.
চুক্তি বাতিল (Rescission) করার মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ অনুযায়ী,
চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
.
কোন পরিস্থিতিতে প্রত্যর্পণের দরখাস্ত করা যায়?
  1. যখন আপিল দাখিল করা হয়
  2. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  3. যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
  4. যখন ডিক্রি অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
.
Which section of the Code of Civil Procedure, 1908 preserves the inherent powers of the Court?
  1. Section 150
  2. Section 151
  3. Section 152
  4. Section 153
সঠিক উত্তর:
Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 151
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- ধারা ১৫১: আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সংরক্ষণ-
- এই বিধিতে এমন কিছু নেই যা আদালতের অন্তর্নিহিত (inherent) ক্ষমতা সীমিত করে বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করে, যে ক্ষমতার মাধ্যমে আদালত:
- ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে, অথবা
- আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার রোধ করতে পারে।
.
দেওয়ানি আপিল আদালত নিম্নের কোন ক্ষমতাটি প্রয়োগ করতে পারে?
  1. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. বিচার্য বিষয় গঠন
  3. পুনর্বিচারের জন্য মোকদ্দমা প্রেরণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো (কারণ সবগুলোই আদালতের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা: আপিল আদালতের ক্ষমতা:

১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

Section 107- Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.

(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
.
যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদি আইনে নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮০
  2. অনুচ্ছেদ ১৮১
  3. অনুচ্ছেদ ১৮২
  4. অনুচ্ছেদ ১৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮১
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের ১৮১ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান:
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
.
অধস্তন আদালতে দরখাস্ত ও কার্যধারা কোন ভাষায় লিখিত হবে, তা নির্ধারণ করবে-
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সংশ্লিষ্ট জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার শর্ত লঙ্ঘন করলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা:
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
.
What is the limitation period under Article 120 of the Limitation Act, 1908?
  1. One year
  2. Three years
  3. Six years
  4. Twelve years
সঠিক উত্তর:
Six years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Six years
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

Article 120-
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule- Six years from when the right to sue accrues.
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩ অনুযায়ী, রিসিভার যদি ইচ্ছাকৃত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলা করে সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে, তবে-
  1. আদালত তাকে দায়মুক্ত রাখবে
  2. ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
  3. তাকে শুধুমাত্র সতর্ক করা হবে
  4. দেওয়ানি কারাদণ্ড দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩: দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
১১.
দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপি (memorandum) কে স্বাক্ষর করবে?
  1. আপিলকারী এবং বিচারক
  2. আপিলকারী অথবা তার সাক্ষী
  3. আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
  4. আপিলকারী এবং আপিলের উত্তরদায়ক
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান- আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
(১) আপিলের রূপ এবং স্মারকলিপির সাথে সংযুক্তি:
- প্রত্যেকটি আপিল একটি স্মারকলিপি (memorandum) আকারে দায়ের করতে হবে,
- যেটি আপিলকারী বা তার আইনজীবীর (pleader) দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- এবং তা আদালতে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত কোনো কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে হবে।

স্মারকলিপির সাথে যা যুক্ত করতে হবে:
- যেই ডিক্রির (decree) বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, তার একটি অনুলিপি (copy) এবং (যদি আপিল আদালত তা অব্যাহতি না দেয়) উক্ত ডিক্রির ভিত্তিতে প্রদত্ত রায়ের (judgment) একটি অনুলিপিও দাখিল করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির বিষয়বস্তু:
স্মারকলিপিতে আপিলকারীর আপত্তির কারণসমূহ সংক্ষিপ্তভাবে এবং পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, কোনো বর্ণনামূলক বক্তব্য বা যুক্তি ছাড়াই, এবং প্রতিটি কারণকে ক্রম অনুযায়ী নম্বর দিয়ে সাজাতে হবে।
১২.
'ক' কে বেআইনিভাবে জমি থেকে দখলচ্যুত করা হয়। এক্ষেত্রে 'ক' দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কত দিনের মধ্যে আদালতে মামলা করতে পারবেন?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হয় ছয় মাসের মধ্যে, এবং এই ছয় মাসের সময়সীমা শুরু হয় যেদিন দখলচ্যুতি (dispossession) ঘটে, সেদিন থেকে।

⇒ যে কেউ যদি বেআইনিভাবে কাউকে স্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জমি-বাড়ি) থেকে দখলচ্যুত করে, তাহলে দখলচ্যুত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে আদালতে গিয়ে দখল ফেরত চেয়ে মামলা করতে পারবেন।
১৩.
পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার আগে আবশ্যিক শর্ত কী?
  1. আপিল দাখিল
  2. হাইকোর্টের অনুমতি
  3. আদালতকে নোটিশ প্রদান
  4. বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান।

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-47 Rule-4:
(১) আবেদন প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে:
যদি আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে পুনর্বিবেচনার জন্য পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে।

(২) আবেদন গৃহীত হলে:
যদি আদালতের মত হয় যে পুনর্বিবেচনার আবেদন গৃহীত হওয়া উচিত, তাহলে আদালত উক্ত আবেদন অনুমোদন করবে;

তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) এমন কোন আবেদন বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বে নোটিশ প্রদান ছাড়া অনুমোদন করা যাবে না, যাতে তারা আদালতে হাজির হয়ে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে শুনানি করতে পারে, যার পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়েছে;

(খ) এমন কোন আবেদন শুধুমাত্র নতুন বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের ভিত্তিতে অনুমোদন করা যাবে না, যদি না আবেদনকারী এই বিষয়ে কঠোরভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন যে, উক্ত বিষয় বা প্রমাণ তার জ্ঞাত ছিল না বা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তা উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না।
১৪.
মুসলিম নারীর বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য মামলা দায়েরের সময় গণনা শুরু হয় কখন?
  1. বিবাহের তারিখ থেকে
  2. দেনমোহর নির্ধারণের তারিখ থেকে
  3. স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের দিন থেকে
  4. আদালতে নোটিশ পাঠানোর দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১০৪:
বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কাল
তামাদি- ৩ বছর;
সময় গণনা শুরু- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কত ধারা অনুযায়ী কিছু নারী ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ১৩০
  2. ধারা ১৩১
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩২
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩২: কিছু নারীর ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিতির দায় থেকে অব্যাহতি:
(১) যে সকল নারী দেশের প্রথা ও রীতিনীতি অনুযায়ী প্রকাশ্যে উপস্থিত হতে বাধ্য না হন, তাঁদের আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে বাধ্য করা যাবে না। অর্থাৎ, ঐ নারীরা ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত হবেন।

(২) এই ধারার কোনো কিছু সেই নারীদের গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি প্রদান করে না, যদি না এই বিধিতে নারীদের গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ, যে ক্ষেত্রে এই বিধি নারীদের গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ করে না, সে ক্ষেত্রে বেসামরিক প্রক্রিয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা যেতে পারে।
১৬.
Limitation Act, 1908- এর অনুচ্ছেদ ১০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Right to sue
  2. Right of damage
  3. Right of Pre-emption
  4. Right to adverse possession
সঠিক উত্তর:
Right of Pre-emption
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Right of Pre-emption
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১০ অনুচ্ছেদ- অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের জন্য,
যেই অধিকার আইন, প্রথা/রেওয়াজ, অথবা বিশেষ চুক্তি-র উপর ভিত্তি করেই হোক না কেন –
তামাদি মেয়াদ: এক (১) বছর।

সময়সীমা গণনার শুরু:
- যেদিন বিক্রেতার কাছ থেকে সম্পত্তির দখল (physical possession) ক্রেতা গ্রহণ করে, অথবা,
- যদি বিক্রিত সম্পত্তির প্রকৃতি এমন হয় যে তার শারীরিক দখল সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল নিবন্ধিত হওয়ার দিন থেকে সময় গণনা শুরু হবে।
১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৪ অনুযায়ী, কে নিষেধাজ্ঞার আদেশ বাতিল বা পরিবর্তনের আবেদন করতে পারে?
  1. যেকোন পক্ষ
  2. আদালত নিজে
  3. শুধুমাত্র বাদী
  4. যেই পক্ষ আদেশে অসন্তুষ্ট
সঠিক উত্তর:
যেই পক্ষ আদেশে অসন্তুষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেই পক্ষ আদেশে অসন্তুষ্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.
১৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১০৪(২) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে আপিলে প্রদত্ত আদেশ-
  1. পুনরায় আপিলযোগ্য
  2. পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
  3. শুধুমাত্র সর্বোচ্চ আদালতে পুনর্বিবেচনাযোগ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:
(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(ff) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(g) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(h) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(i) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (ff) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।
১৯.
সারোয়ারের বাগানে ১৫ মার্চ, ২০২২ তারিখে প্রতিবেশী আমজাদ অনধিকার প্রবেশ (trespass) করে। সারোয়ার সর্বোচ্চ কত তারিখের মধ্যে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবেন?
  1. ১৫ মার্চ, ২০২৩
  2. ১৫ মার্চ, ২০২৪
  3. ১৫ মার্চ, ২০২৫
  4. ১৫ মার্চ, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১৫ মার্চ, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
Article 39 of the Limitation Act, 1908:
স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) এর জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি-
তামাদি মেয়াদ: তিন (৩) বছর।
সময়সীমা গণনা শুরু হবে: যেদিন অনধিকার প্রবেশ (trespass) সংঘটিত হয়, সেদিন থেকে।

⇒ এই ক্ষেত্রে:
অনধিকার প্রবেশ (trespass) ঘটেছে: ১৫ মার্চ ২০২২।
সেদিন থেকেই ৩ বছরের তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।
তাই, সারোয়ারের ক্ষতিপূরণ মামলা করার শেষ সময় হবে: ১৫ মার্চ ২০২৫।
২০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৪ বিধি ১- এ কার আপিলের বিধান আছে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির
  2. নাবালক ব্যক্তির
  3. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন, কিন্তু আপিলের স্মারকলিপির জন্য প্রযোজ্য কোর্ট ফি প্রদানে অক্ষম, তিনি একটি স্মারকলিপি-সহ একটি আবেদনপত্র দাখিল করে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে আপিল করার অনুমতি চাইতে পারেন। এই ধরনের আবেদনপত্র এবং প্রক্রিয়ার সব বিষয়ে, যতটুকু প্রযোজ্য হয়, নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়ের সংক্রান্ত বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।

আপিল গ্রহণের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া:
তবে শর্ত থাকে যে- আদালত আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট রায় ও ডিক্রি পর্যবেক্ষণের পর যদি মনে করে যে:
- ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ, অথবা
- আইনের বলবৎ কোনো রীতির পরিপন্থী, অথবা
- অন্যান্য কোনো কারণে অন্যায় বা ত্রুটিপূর্ণ - তবেই আবেদনটি গ্রহণ করবে, অন্যথায় আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
২১.
মামলার বিচারিক আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে, যেটি আপিলকারী পক্ষ দিতে চেয়েছিল। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৭ অনুসারে আপিল আদালত কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করে দেবে
  2. আপিল স্থগিত রাখবে
  3. উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
  4. নতুন মামলা শুরু করবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
২২.
পুনর্বিবেচনার (Review) আবেদন কোন আদালতে করা হয়?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালত আপিল শুনেছে
  3. যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
  4. ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
ব্যাখ্যা
পুনর্বিবেচনা (Review) – ধারা ১১৪, দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮:
উপরে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীনতা সাপেক্ষে, যে কোনো ব্যক্তি যদি নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন:
(ক) এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা, যা থেকে এই কোড অনুযায়ী আপিল করা যায়, কিন্তু এখনো আপিল করা হয়নি, অথবা

(খ) এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা, যা থেকে এই কোড অনুযায়ী আপিল করা যায় না, অথবা

(গ) ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালত (Court of Small Causes) থেকে পাঠানো কোনো রেফারেন্সের ওপর প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা,

তিনি রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারেন, সেই আদালতে, যে আদালত উক্ত ডিক্রি প্রদান করেছে বা আদেশ জারি করেছে, এবং সেই আদালত উক্ত আবেদনের উপর যে কোনো উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে, যা তার বিবেচনায় উপযুক্ত মনে হয়।
২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮ অনুসারে, যদি কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারক আপিলকৃত ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিলের পক্ষে মত না দেন, তবে:
  1. ডিক্রি বাতিল হবে
  2. ডিক্রি সংশোধন হবে
  3. ডিক্রি বহাল থাকবে
  4. পুনরায় বিচার হবে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি বহাল থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি বহাল থাকবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮– দুই বা ততোধিক বিচারকের দ্বারা আপিল শুনানি হলে সিদ্ধান্ত:
(১) যখন কোনও আপিল দুই বা ততোধিক বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কর্তৃক শোনা হয়, তখন সে আপিল সেই সকল বিচারকের মতামত অনুসারে অথবা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে।

(২) যদি এমন কোনও সংখ্যাগরিষ্ঠ না থাকে যারা আপিলকৃত ডিক্রিকে পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে একমত হন, তাহলে সেই ডিক্রি বহাল থাকবে (অর্থাৎ, পরিবর্তন হবে না)।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আপিল শুনানিকালীন বেঞ্চ দুইজন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং আদালতটি দুইজনের অধিক বিচারক বিশিষ্ট হয়, এবং উক্ত দুইজন বিচারক কোনও আইনি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন, তাহলে তারা যেই আইনগত বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন তা নির্ধারণ করে উল্লেখ করতে পারেন। তখন সেই বিশেষ আইনি বিষয়ে আপিল শুনানি হবে আদালতের অন্য এক বা একাধিক বিচারকের মাধ্যমে।
এই পয়েন্টটি যে সকল বিচারক শুনেছেন, প্রথমে যারা শুনেছেন তাদের সহিত পরবর্তী বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

(৩) এই ধারার কোনও কিছুই হাইকোর্ট বিভাগের লেটারস পেটেন্টের বিধানাবলিকে পরিবর্তন বা প্রভাবিত করবে না।
২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ এর কোন বিধি অনুযায়ী সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ আপিল করা যায়?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ১০
  3. বিধি ১১
  4. বিধি ১৩
সঠিক উত্তর:
বিধি ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১০
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ: ৪৩ আপিলযোগ্য আদেশসমূহ:
(ক) আদেশ ৭ এর বিধি ১০ অনুযায়ী, যা একটি অভিযোগপত্রকে (প্লেইন্ট) উপযুক্ত আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়;
(খ) আদেশ ৮ এর বিধি ১০ অনুযায়ী, যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হয়;
(গ) আদেশ ৯ এর বিধি ৯ অনুযায়ী, (যে মামলায় আপিল করা যায়) মামলার প্রত্যাখ্যান (ডিসমিসাল) বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে;
(ঘ) আদেশ ৯ এর বিধি ১৩ অনুযায়ী, একপক্ষীয় রায় (এক্স পার্টে ডিক্রি) বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে;
(ঙ) আদেশ ১০ এর বিধি ৪ অনুযায়ী, যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হয়;

(চ) আদেশ ১১ এর বিধি ২১ অনুযায়ী;
(ছ) আদেশ ১৬ এর বিধি ১০ অনুযায়ী সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ;
(জ) আদেশ ১৬ এর বিধি ২০ অনুযায়ী, যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হয়;
(ঝ) আদেশ ২১ এর বিধি ৩৪ অনুযায়ী, কোনো দলিল বা এন্ডোরসমেন্টের খসড়ার ওপর আপত্তি গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ঞ) আদেশ ২১ এর বিধি ৬০ অনুযায়ী, সম্পত্তি সংযুক্তি থেকে মুক্তির আদেশ;

(ট) আদেশ ২১ এর বিধি ৬১ অনুযায়ী, সংযুক্ত সম্পত্তির দাবি প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ঠ) আদেশ ২১ এর বিধি ৭২ অথবা বিধি ৯২ অনুযায়ী, বিক্রয় বাতিল বা বাতিল না করার আদেশ;
(ড) আদেশ ২২ এর বিধি ৯ অনুযায়ী, মামলার বাতিল (অ্যাবেটমেন্ট) বা প্রত্যাখ্যান (ডিসমিসাল) বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান;
(ঢ) আদেশ ২২ এর বিধি ১০ অনুযায়ী, অনুমতি প্রদানের বা অস্বীকার করার আদেশ;
(ণ) আদেশ ২৩ এর বিধি ৩ অনুযায়ী, কোনো চুক্তি, সমঝোতা বা পরিতৃপ্তি (স্যাটিসফ্যাকশন) রেকর্ড করার বা প্রত্যাখ্যান করার আদেশ;

(ত) আদেশ ২৫ এর বিধি ২ অনুযায়ী, (যে মামলায় আপিলযোগ্য) মামলার বাতিলের (ডিসমিসাল) আদেশ বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে;
(থ) আদেশ ৩৪ এর বিধি ২, ৪ অথবা ৭ অনুযায়ী, বন্ধক (মর্টগেজ) অর্থ পরিশোধের সময় বৃদ্ধি করার আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে;
(দ) আদেশ ৩৫ এর বিধি ৩, ৪ অথবা ৬ অনুযায়ী ইন্টারপ্লিডার মামলা সম্পর্কিত আদেশ;
(ধ) আদেশ ৩৮ এর বিধি ২, ৩ অথবা ৬ অনুযায়ী আদেশ;
(ন) আদেশ ৩৯ এর বিধি ১, ২, ৪ অথবা ১০ অনুযায়ী আদেশ;

(প) আদেশ ৪০ এর বিধি ১ অথবা ৪ অনুযায়ী আদেশ;
(ফ) আদেশ ৪১ এর বিধি ১৯ অনুযায়ী আবেদন পুনঃভর্তি (রিডমিশন) প্রত্যাখ্যানের আদেশ অথবা বিধি ২১ অনুযায়ী পুনরায় শুনানির (রিহিয়ার) আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ব) আদেশ ৪১ এর বিধি ২৩ অনুযায়ী মামলাকে ফেরত (রিম্যান্ড) দেওয়ার আদেশ, যেখানে আপিলযোগ্য রায় থেকে আপিল করা যেত;
(ভ) উচ্চ আদালত বিভাগ ব্যতীত অন্য কোনো আদালত কর্তৃক আদেশ ৪৫ এর বিধি ৬ অনুযায়ী সনদ (সার্টিফিকেট) প্রদানের আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ম) আদেশ ৪৭ এর বিধি ৪ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার আদেশ।
২৫.
একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল পুনঃশুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
২৬.
আলম ও হাসানের মধ্যে একটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি হয় ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে। চুক্তি ভঙ্গ হয় ১ মার্চ, ২০২১ তারিখে। চুক্তি ভঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ কোন তারিখ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করা যাবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ মার্চ, ২০২২
  3. ১ মার্চ, ২০২৭
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ, ২০২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ, ২০২৭
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

সময়সীমার হিসাব:
চুক্তি ভঙ্গের তারিখ: ১ মার্চ ২০২১।
তামাদি সময়সীমা: ৬ বছর।
গণনা শুরু হবে: চুক্তি ভঙ্গের দিন থেকে।
শেষ সময়: ১ মার্চ ২০২১ + ৬ বছর = ১ মার্চ, ২০২৭।
২৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের আবেদন করা হয় এবং তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করেন, তবে-
  1. গ্রেপ্তারের আবেদন অগ্রাহ্য হবে
  2. হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 ধারা ১৩৬ – যেখানে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তি বা জব্দযোগ্য সম্পত্তি ভিন্ন জেলার মধ্যে অবস্থান করছে, সেই ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া:
(১) যদি কোন আবেদন এই মর্মে করা হয় যে, কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হোক বা কোন সম্পত্তি জব্দ করা হোক—এবং সেই আবেদন এমন কোনও বিধানের অধীনে হয় যা ডিক্রির বাস্তবায়ন সম্পর্কিত নয়—তাহলে, যদি ঐ ব্যক্তি বা সম্পত্তি আবেদনকৃত আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করে, তবে আদালত তার বিবেচনায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে বা সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত পরোয়ানা বা আদেশের একটি অনুলিপি সেই জেলা আদালতে পাঠাতে পারে, যার বিচারিক এলাকার মধ্যে উক্ত ব্যক্তি বা সম্পত্তি অবস্থান করে, সেইসাথে সম্ভাব্য খরচের পরিমাণও পাঠাবে (গ্রেপ্তার বা জব্দ করার জন্য প্রযোজ্য)

(২) জেলা আদালত সেই অনুলিপি ও খরচ পাওয়ার পর নিজস্ব অফিসার বা তার অধীনস্থ আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার বা জব্দ কার্য সম্পাদন করবে এবং যে আদালত পরোয়ানা বা আদেশ দিয়েছে তাকে বিষয়টি অবহিত করবে।

(৩) যে আদালত এই ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার কার্য সম্পাদন করেছে, সে আদালত সেই গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে প্রেরণ করবে যেখান থেকে পরোয়ানা জারি হয়েছিল, যদি না ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, তাকে সেখানে প্রেরণ করা অনুচিত; অথবা সে যদি যথাযথ জামিন দেয় তার হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য কিংবা সম্ভাব্য ডিক্রি পূরণের জন্য, তবে সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারে।
২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান আছে?
  1. ধারা ১১৫ (১)
  2. ধারা ১১৫ (২)
  3. ধারা ১১৫ (৩)
  4. ধারা ১১৫ (৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১৫ (৪)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ (৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান- রিভিশন:
(১) যদি কোনো মামলা বা কার্যধারায় জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ, অথবা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ কিংবা সহকারী জজ এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেন – যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, এবং যদি কোনো পক্ষ এই আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন ঐ মামলার নথিপত্র তলব করে দেখতে পারে – যদি মনে হয় যে সংশ্লিষ্ট আদালত আইনগত কোনো ভুল করেছে, যার ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন সেই আদেশ সংশোধন করতে বা নতুন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।

(২) একইভাবে, কোনো যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, সেই ক্ষেত্রে জেলা জজ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে নথিপত্র তলব করে দেখতে পারেন – যদি দেখা যায় আদালত আইনে ভুল করেছে এবং ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে জেলা জজ আদেশ সংশোধন করতে বা যথোপযুক্ত নতুন আদেশ দিতে পারবেন।

(৩) জেলা জজ যদি কোনো রিভিশন মামলা অতিরিক্ত জেলা জজকে হস্তান্তর করেন, তাহলে অতিরিক্ত জেলা জজও জেলা জজের মতোই সমান ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

(৪) উপধারা (২) বা (৩) অনুসারে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ দেন, তা হাইকোর্টে রিভিশনের আবেদন করা যাবে, যদি হাইকোর্ট মনে করে যে এতে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে ভুল হয়েছে এবং তা ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা সৃষ্টি করেছে।

(৫) এই নতুন ধারা কার্যকর হওয়ার আগেই যদি রিভিশন আবেদন শুরু বা চলমান থাকে, তাহলে সেগুলো আগের ধারা ১১৫ অনুযায়ীই নিষ্পত্তি হবে, এমনভাবে যেন নতুন ধারা কার্যকর হয়নি।
২৯.
বন্ধকদাতার দ্বারা বন্ধক সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিলের ১৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদ:
বন্ধকদাতার দ্বারা বন্ধকগ্রাহকের বিরুদ্ধে বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার বা দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের;
তামাদি মেয়াদ: ৬০ (ষাট) বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার বা দখল পুনরুদ্ধারের অধিকার সৃষ্টি হয়, সেদিন থেকে।
৩০.
রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে কে?
  1. আদালত
  2. মামলার বাদী
  3. সম্পত্তির মালিক
  4. বাদী ও বিবাদীর সম্মতিতে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-২ পারিশ্রমিক:
রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।

Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
৩১.
Which party’s absence may result in the appeal being dismissed outright?
  1. Witness
  2. Advocate
  3. Appellant
  4. Respondent
সঠিক উত্তর:
Appellant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Appellant
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৭ অনুযায়ী আদালত নিম্নের কোনটি করার ক্ষমতা রাখেন না?
  1. জমিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া
  2. নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া
  3. অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া
  4. পরিদর্শনের আদেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া।

আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি:
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুযায়ী কে অঙ্গীকারনামায় শপথ করাতে পারেন না?
  1. আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োজিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, ধারা ১৩৯- 
যে কোনো অঙ্গীকারনামা এই বিধিমালার অধীন করা হলে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন-
(ক) যে কোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা
(খ) এমন কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি, যাকে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে নিয়োগ দিতে পারে, অথবা
(গ) এমন কোনো কর্মকর্তা, যাকে অন্য কোনো আদালত নিয়োগ দিয়েছে এবং যার ক্ষমতা সরকার সাধারণভাবে বা বিশেষভাবে এই উদ্দেশ্যে প্রদান করেছে—

→ তারা প্রত্যয়কারীকে (deponent) শপথ করাতে পারবেন।
৩৪.
মৃত্যুদণ্ড এবং খালাস আদেশ ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৫:
অনুচ্ছেদ ১৫০ (মৃত্যুদণ্ড) এবং অনুচ্ছেদ ১৫৭ (খালাস) আদেশ ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিলের তামাদির মেয়াদ- ৬০ দিন।
তামাদি শুরু হবে- যে দিন দণ্ডাদেশ বা আদেশ প্রদান করা হয়, সেই দিন থেকে।।
৩৫.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ অনুমোদন করতে পারেন?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ১৫,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
 • দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
৩৬.
আপিল শুনানির জন্য কোন পক্ষের অনুরোধে (খরচ ছাড়া) সর্বোচ্চ কতবার মুলতবি আদেশ দেওয়া যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৪১, বিধি ১২ক: আপিলে মুলতবি (Adjournment in Appeal):
(১) আপিল শুনানির জন্য কোনো পক্ষের অনুরোধে তিনবারের বেশি মুলতবি (adjournment) আদালত দিতে পারবে না। তিনবারের বেশি মুলতবি চাইলে, যে পক্ষ তা চাইবে, তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে — আদালত যা উপযুক্ত মনে করবে।
- যদি আপিলকারী (Appellant) টাকা না দেয়, তাহলে আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- যদি প্রতিবাদী (Respondent) টাকা না দেয়, তাহলে একতরফা শুনানিতে আপিল নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী যেকোনো আপিল যদি খারিজ হয় বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে যার কারণে তা হয়েছে, সে পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে শুনানির জন্য আপিল পুনরুজ্জীবিত (revive) করা যাবে।
- এই আবেদনের সাথে আদালত কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ ধার্য করবে।
- খরচ আদালতে জমা দিলে, কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই আপিল পুনরায় শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে।
- আদালত জমাকৃত অর্থ অপর পক্ষকে পরিশোধ করবে।
- একই পক্ষ একবারের বেশি এই নিয়মে আপিল পুনরুজ্জীবন করাতে পারবে না।

(৩) আপিল শুনানির সময় আদালত নিজে থেকে মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না, যদি না আদালত উপযুক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে।
৩৭.
মৃত বিবাদীর উত্তরাধিকারীকে পক্ষভুক্ত করার তামাদি সময় গণনা শুরু হয় কখন?
  1. ডিক্রি ঘোষণার দিন থেকে
  2. মৃত বিবাদীর মৃত্যুদিন থেকে
  3. নতুন পক্ষের আবেদনের দিন থেকে
  4. আদালতের নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
মৃত বিবাদীর মৃত্যুদিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বিবাদীর মৃত্যুদিন থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৭৭:
দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) অধীনে মৃত বিবাদী (defendant) বা উত্তরদায়ক (respondent)-এর আইনগত প্রতিনিধিকে (legal representative) পক্ষভুক্ত (made a party) করার আবেদন:
তামাদি মেয়াদ: ৯০ দিন;
সময় গণনার শুরু: যেদিন বিবাদী বা আপিলকারী মারা যান, সেদিন থেকে।
৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৪৮ অনুসারে, আদালত সর্বোচ্চ কতবার সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারে?
  1. একবার
  2. দুইবার
  3. তিনবার
  4. নির্ধারিত নয়
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৪৮ - সময়সীমা বর্ধিতকরণ (Enlargement of Time):
যেখানে এই বিধিতে নির্ধারিত বা অনুমোদিত কোনো কাজ করার জন্য আদালত কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে বা দেয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত তার বিবেচনায়, সময় শেষ হয়ে গেলেও, সেই সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪৮ অনুযায়ী,
আদালত তার বিবেচনায় যেকোনো সময়, এমনকি নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেও, সময়সীমা একাধিকবার বৃদ্ধি করতে পারে। ধারায় এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে এটি সম্পূর্ণরূপে আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল।
৩৯.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বা আপিল বিভাগের রায় কার্যকর করার মামলার সময়সীমা নির্ধারণ করে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৮২
  3. অনুচ্ছেদ ১৮১
  4. অনুচ্ছেদ ১৮০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:
তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।
৪০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুযায়ী, আদালত যদি পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্য করে, তাহলে-
  1. আপত্তি তোলা যাবে
  2. আপিল করা যায়
  3. আপিল করা যায় না
  4. হাইকোর্টে আবেদন করা বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায় না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:
১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।
৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩৫(১) অনুযায়ী, কে দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী
  2. আইনজীবী
  3. বিচারক
  4. ডিক্রিদায়ক
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- ধারা ১৩৫: দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি:
(১) কোনো বিচারক, মেজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচারিক কর্মকর্তা তার আদালতে যাওয়া, আদালত পরিচালনা করা অথবা আদালত থেকে ফিরে আসার সময় দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারযোগ্য হবেন না।

(২) যেখানে কোনো বিষয় যে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, বা ভাল বিশ্বাসে বিশ্বাস করা হয় যে ঐ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার আছে, সেই বিষয় সংক্রান্ত পক্ষসমূহ, তাদের আইনজীবী, মুক্তার, রাজস্ব এজেন্ট, স্বীকৃত প্রতিনিধি এবং তারা যারা সমন অনুযায়ী সাক্ষ্য দিতে যান, তারা ঐ ট্রাইব্যুনালে যাওয়া বা হাজিরা দেওয়া এবং ফিরে আসার সময় দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি পাবেন; তবে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আদালত অবমাননার প্রসঙ্গে জারি করা প্রক্রিয়া ব্যতীত।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি দাবি করার অধিকার বিচারপতি-ঋণগ্রহীতার (judgment-debtor) থাকবে না যদি তা তৎক্ষণাৎ কার্যকরী আদেশ বা ডিক্রি কার্যকর করার জন্য গ্রেপ্তারের আদেশ হয়, অথবা যখন তিনি কারাগারে পাঠানোর বিষয়ে কারণ দর্শানোর জন্য হাজির হন।
৪২.
গৃহকর্মী, কারিগর বা শ্রমিকের বকেয়া মজুরি আদায়ের জন্য তামাদি সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭:
- গৃহকর্মী, কারিগর অথবা শ্রমিকের মজুরির জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা:
- এক (১) বছর।
- সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন মজুরি পাওয়ার অধিকার সৃষ্টি হয়, সেদিন থেকে।