পরীক্ষা আর্কাইভ

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাIBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩২ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি)- ৫ টপিক: সাধারণ বিজ্ঞান (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
Which of the following is the longest bone in the human body?
  1. Humerus
  2. Stapes
  3. Femur
  4. Ulna
  5. Fibula
সঠিক উত্তর:
Femur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Femur
ব্যাখ্যা

• মানবদেহের দীর্ঘতম হাড় হলো ফিমার। একে Thigh Bone বলা হয়।

• ফিমার (Femur):
-নিম্নবাহুর প্রথম অস্থিকে ফিমার বলা হয়।

• এটি মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং শক্তিশালী হাড়।।
- এর ঊর্ধ্বপ্রান্তে একটি গোল হেড (মস্তক), নেক (গ্রীবা) এবং ছোট ও বড় ট্রোক্যান্টার অবস্থিত।
- দেহটি শক্ত ও নলাকার। এর পশ্চাত্তল একটি অমসৃণ আলযুক্ত।
-নিম্নপ্রান্ত দুটি কন্ডাইলবিশিষ্ট। দুই কন্ডাইলের মাঝখানে থাকে আন্তঃকন্ডাইলার ছিদ্র, প্যাটেলার সংযোগী তল এবং দুপাশে একটি করে এপিকন্ডাইল নামে সামান্য উঁচু জায়গা।

উল্লেখ্য:
- Stapes: এটি কানের ভেতরে অবস্থিত মানবদেহের ক্ষুদ্রতম অস্থি (হাড়)।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

.
What type of signal is transmitted through fiber optic cables?
  1. Radio signal
  2. Electrical signal
  3. Microwaves
  4. Optical signal
  5. Ultrasonic waves
সঠিক উত্তর:
Optical signal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optical signal
ব্যাখ্যা

• ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে আলোক সংকেত (Optical signal) প্রেরণ করা হয়। 

• ফাইবার অপটিক্স:
- ফাইবার অপটিক্স একটি অত্যাধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি যার ফলে আলোক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো যায়।
- এতে প্লাস্টিক বা কাঁচের তৈরি পাতলা তন্তুর (fiber) মাধ্যমে আলো পাঠানো হয়।
- এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্ম ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য বহন করে। 

• ফাইবার অপটিক প্রযুক্তির কার্যপ্রণালী:
- তথ্য প্রথমে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই সংকেতকে আলোক সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- আলোক সংকেতকে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- গন্তব্যে পৌঁছে আলোক সংকেত আবার ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Radio signal: ওয়্যারলেস যোগাযোগে (রেডিও, Wi-Fi, মোবাইল) ব্যবহৃত হয়, ফাইবারে নয়।
- Electrical signal: কপার তার (twisted pair, coaxial) দিয়ে প্রেরণ করা হয়।
- Microwaves: মাইক্রোওয়েভ লিঙ্ক, স্যাটেলাইট যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, ফাইবারে নয়।
- Ultrasonic waves: শব্দ তরঙ্গ (ultrasound), যা মেডিকেল ইমেজিং বা sonar-এ ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ০ ১০ম শ্রেণি।

.
Which atom does not contain any neutrons?
  1. Chlorine
  2. Hydrogen
  3. Oxygen
  4. Carbon
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Hydrogen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hydrogen
ব্যাখ্যা

• সাধারণ হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না।
- হাইড্রোজেনের সবচেয়ে সাধারণ আইসোটোপ হলো প্রোটিয়াম। এর পারমাণবিক সংখ্যা ১ এবং ভর সংখ্যাও ১। আমরা জানি যে - কোনো পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা বের করার সূত্র হলো:
নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা - পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা)
- প্রোটিয়ামের ক্ষেত্রে: ১ - ১ = ০। অর্থাৎ, এর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না।
অন্যদিকে, 
- ক্লোরিন, অক্সিজেন এবং কার্বন প্রত্যেকটি মৌলের নিউক্লিয়াসকে স্থিতিশীল রাখার জন্য এবং পারমাণবিক ভর গঠনের জন্য অবশ্যই নিউট্রন প্রয়োজন।

• মৌলিক কণিকা:
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে।
যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।

নিউট্রন:
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675 × 10-24 g।
- আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which mosquito is the carrier of the Chikungunya virus?
  1. Anopheles
  2. Aedes
  3. Culex
  4. Sand fly
  5. Haemagogus
সঠিক উত্তর:
Aedes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes
ব্যাখ্যা

• চিকুনগুনিয়া ভাইরাস মূলত সংক্রমিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে, এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস (Aedes albopictus) এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য দায়ী প্রধান দুটি প্রজাতি। এই মশাগুলো ডেঙ্গু এবং জিকা ভাইরাসের সুপরিচিত বাহক হিসেবেও পরিচিত।

• চিকনগুনিয়া:
- চিকুনগুনিয়া এক ধরণের ভাইরাল সংক্রমণ যেটা এডিস নামের একটি মশার কামড়ানোর ফলে হয়।
- এটি চিকনগুনিয়া ভাইরাস (CHIKV) নামক একটি আরএনএ (RNA) ভাইরাসের কারণে হয়।
-এই মশাটি সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়।
- চিকুনগুনিয়া সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- ২০২৩ সালের শেষের দিকে এফডিএ (FDA) চিকনগুনিয়ার জন্য প্রথম টিকা হিসেবে IXCHIQ অনুমোদন করে।

• চিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ:
১. প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
২. বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র‍্যাশ হতে পারে।
৩. গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।

সূত্র- ব্রিটানিকা। [link]

.
What type of process occurs during the rust formation in iron?
  1. Physical Change
  2. Combustion Reaction
  3. Reduction Reaction
  4. Oxidation Reaction
  5. Decomposition Reaction
সঠিক উত্তর:
Oxidation Reaction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxidation Reaction
ব্যাখ্যা

• লোহায় মরিচা পড়ার সময় লোহাতে জারণ বিক্রিয়া (Oxidation Reaction) ঘটে। 

• মরিচা:
- বিশুদ্ধ লোহা, জলীয় বাষ্প ও বায়ুর অক্সিজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে লোহার যে অক্সাইড গঠন করে তাকে মরিচা বলে।

• লোহাকে বাতাসে দীর্ঘসময় রেখে দিলে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে লোহা বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে।
- লোহার উপর মরিচা পড়া অনেক ধীর গতিতে সংঘটিত হয়।
- লোহায় মরিচা পড়ার এই প্রক্রিয়া টি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। 
- এখানে এক ধাপে জারণ এবং অন্যধাপে বিজারণ ঘটে থাকে। 

• মরিচা পড়ার প্রক্রিয়া:
- লোহা (Fe) অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
- এই বিক্রিয়ায় লোহা অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয় এবং ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
- এর ফলে লোহাতে জারণ ঘটে।
- ত্যাগকৃত ইলেকট্রনটি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আয়ন গ্রহণ করে পানি তৈরি করে, যা বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে।
- ফলে, লোহার অক্সাইড (Fe2O3) গঠিত হয়, যা মরিচা নামে পরিচিত।
- এই পুরো প্রক্রিয়াটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। 

.
Who is the proponent of the theory of Natural Selection?
  1. Jean-Baptiste Lamarck
  2. Gregor Johann Mendel
  3. Louis Pasteur
  4. Charles Darwin
  5. Isaac Newton
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক নির্বাচন বা 'Natural Selection' মতবাদের প্রবক্তা হলেন ব্রিটিশ প্রকৃতিবিদ চার্লস ডারউইন। তার মতে, প্রকৃতিতে টিকে থাকার লড়াইয়ে সেইসব প্রাণীই জয়ী হয় যাদের মধ্যে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো অনুকূল বৈশিষ্ট্য থাকে। ফলে জীবের বিবর্তন ঘটে এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়। এই ধারণাটিকে পরবর্তীতে “Survival of the Fittest” বলা হয় (যদিও এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন Herbert Spencer)।

• প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত:

- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তার মতামত ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ২৮ নভেম্বর ‘The Origin of Species by means of Natural Selection' নামক বইটিতে প্রকাশ করেন। 
- তাঁর মতামত প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত নামে পরিচিত। 
- তিনি ১৮৩১ সালে H.M.B.S. Beagle নামক জাহাজে প্রকৃতিবিদ হিসেবে চাকরি পেয়ে বিশ্বভ্রমণে বের হন।
এছাড়া,
- 'Evolution' পরিপদটি ১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ ফন হলার।
- চার্লস লায়েল ‘The Principles of Geology’ বইটি রচনা করেন।
- ডারউইনের মতবাদের মূলতত্ত্বগুলো সম্পূর্ণ পৃথকভাবে সংক্ষেপে ও তুলনামূলকভাবে কম নমুনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে রাসেল ওয়ালেস আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

অন্যান্য অপশন:
- Jean-Baptiste Lamarck: অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার তত্ত্বের (Inheritance of Acquired Characters) প্রবক্তা।
- Gregor Johann Mendel: বংশগতিবিদ্যার জনক এবং মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে বংশগতির সূত্র প্রদান করেন।
- Louis Pasteur: জীবাণুতত্ত্ব এবং পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতির জন্য বিখ্যাত।
- Isaac Newton: পদার্থবিজ্ঞানের গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ নিয়ে কাজ করেছেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which chemical compound is responsible for the sweet aroma of fruits?
  1. Alcohol
  2. Ester
  3. Amine
  4. Carboxylic Acid
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Ester
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ester
ব্যাখ্যা

• ফলের সুগন্ধের পেছনে মূলত উদ্বায়ী এস্টার যৌগগুলো কাজ করে। বিভিন্ন ফলের নির্দিষ্ট গন্ধ নির্দিষ্ট ধরণের এস্টারের উপস্থিতির কারণে হয়, যেমন- পাকা কলার গন্ধে থাকে অ্যামাইল অ্যাসিটেট এবং কমলার গন্ধে থাকে অক্টাইল অ্যাসিটেট।

• এস্টার: 

- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -COOR.
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 
যেমন - 
এস্টার ⇒ সুগন্ধির প্রকৃতি: 
• আইসোবিউটাইল ফরমেট ⇒ রাসবেরী, 
• আইসোঅ্যামাইল অ্যাসিটেট ⇒ কলা, 
• অকটাইল অ্যাসিটেট ⇒ কমলা, 
• মিথাইল বিউটাইরেট ⇒ আনারস, 
• অ্যামাইল বিউটাইরেট ⇒ অ্যাপ্রিকট, 
• আইসোঅ্যামাইল ভ্যালেরেট ⇒ আপেল। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following acts as a moderator in a nuclear reactor?
  1. Graphite
  2. Ordinary water
  3. Cadmium rod
  4. Liquid sodium
  5. Uranium-235
সঠিক উত্তর:
Graphite
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Graphite
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরে ফিশন বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন উচ্চ গতিসম্পন্ন নিউট্রনের গতি কমানোর জন্য যে পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাকে মডারেটর বলে। ভারী জল (D2O) বা গ্রাফাইট মডারেটর হিসেবে সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
- নিউট্রনের গতি কমলে তা পরবর্তী ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে একটি নিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়া (Chain Reaction) বজায় রাখতে সাহায্য করে।

নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর:
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়।
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়।

• মডারেটর:
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- ১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং ২। গ্রাফাইট।

অন্যান্য অপশন:
- ক্যাডমিয়াম দণ্ড: এটি অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণের জন্য 'কন্ট্রোল রড' হিসেবে কাজ করে।
- তরল সোডিয়াম: এটি রিঅ্যাকটরে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ সরিয়ে নেওয়ার জন্য 'শীতলকারক' বা কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে।
- ইউরেনিয়াম-২৩৫: এটি রিঅ্যাকটরের মূল জ্বালানি (Fuel) যা ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following vitamins plays a key role in blood clotting?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin E
  5. Vitamin K
সঠিক উত্তর:
Vitamin K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vitamin K
ব্যাখ্যা

• রক্ত জমাট বাঁধার জন্য ভিটামিন K অপরিহার্য। এটি যকৃতে প্রথম্বিন (Prothrombin) নামক প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে যা রক্ত জমাট বাঁধতে মূল ভূমিকা পালন করে।

ভিটামিন কে (Vitamin K): 

- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনন বা ন্যাপথোকুইনন। 
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। 

ভিটামিন কে -এর উৎস: 
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়। 

ভিটামিন কে-এর কাজ: 
১. কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে। 
২. পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
৩. যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। 

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা: 
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়। 
- ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
Which two components are primarily present in the chemical structure of a virus?
  1. Carbohydrate and Protein
  2. Lipid and Carbohydrate
  3. Starch and Glycogen
  4. Nucleic Acid and Protein
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Nucleic Acid and Protein
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nucleic Acid and Protein
ব্যাখ্যা

• ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান থাকে। 
যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
A device which converts chemical energy into electrical energy is called?
  1. Generator
  2. Motor
  3. Transformer
  4. Battery
  5. Capacitor
সঠিক উত্তর:
Battery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Battery
ব্যাখ্যা

• রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াটি মূলত ব্যাটারি বা তড়িৎকোষের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট এবং ইলেকট্রোডগুলোর মধ্যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।
- ব্যাটারি ছাড়াও ফুয়েল সেল একই নীতিতে কাজ করে যেখানে রাসায়নিক উপাদানের বিক্রিয়ায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• ব্যাটারি:
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। 
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। 
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। যেমন- একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়। 
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋনাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V।
- সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V। 
- আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।

১২.
What is the value of absolute zero temperature on the Celsius scale?
  1. 0°C
  2. - 100°C
  3. - 273.15°C
  4. - 459.67°C
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
- 273.15°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 273.15°C
ব্যাখ্যা

• পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো সেই তাপমাত্রা যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সর্বনিম্ন বা শূন্য হয়ে যায়। এটি মহাবিশ্বের সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা। সেলসিয়াস স্কেলে এর মান - 273.15°C এবং কেলভিন স্কেলে এটি 0 K।
- যদি ফারেনহাইট স্কেলে জানতে চাওয়া হতো, তবে এর মান হতো - 459.67°F।

• পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- চার্লসের সূত্রানুসারে, স্থির চাপে গাণিতিকভাবে যে তাপমাত্রায় যে কোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।

• পরমশূন্য তাপমাত্রার মান হলো -273.15° সেলসিয়াস বা 0 কেলভিন (K)। 
- এই তাপমাত্রায় যে কোন গ্যাসের আয়তন তত্ত্বীয়ভাবে শূন্য হয়। 

• এই তাপমাত্রাকে শুরু বা শূন্য ধরে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার ব্যবধানকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান ধরে যে তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করা হয়েছে তাকে তাপমাত্রার পরম স্কেল বলে।
- লর্ড কেলভিন এই স্কেলের ধারণা দেন বলে একে কেলভিন স্কেলও বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
By which other name is the Higgs boson particle popularly known?
  1. Neutrino particle
  2. Photon particle
  3. Dark matter particle
  4. God particle
  5. Exotic boson
সঠিক উত্তর:
God particle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
God particle
ব্যাখ্যা

• হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- হিগস বোসন ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসন কণাকে ঈশ্বর কণা (God Particle) বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
Which hormone is responsible for increasing the level of glucose in the bloodstream?
  1. Insulin 
  2. Melatonin
  3. Testosterone
  4. Glucagon
  5. Vasopressin
সঠিক উত্তর:
Glucagon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Glucagon
ব্যাখ্যা

• গ্লুকাগন অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। যখন রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, তখন এটি যকৃতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে ভেঙে ফেলে রক্তে সরবরাহ করে, যা শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখে।

- খাবার গ্রহণের দীর্ঘ বিরতিতে, যখন রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যায়, তখন গ্লুকাগন যকৃতে গ্লাইকোজেনোলাইসিস (Glycogenolysis) প্রক্রিয়া সক্রিয় করে এবং রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ নিশ্চিত করে।
- মস্তিষ্ক তার শক্তির জন্য সরাসরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়, গ্লুকাগন মূলত হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা নিম্ন রক্তশর্করা জনিত জটিলতা থেকে আমাদের রক্ষা করে।
- কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার (যেমন: ভাত, রুটি, ফল) পরিপাক হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে সরাসরি রক্তে গ্লুকোজ হিসেবে শোষিত হয়।
- রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকলে ইনসুলিন তা যকৃৎ এবং পেশিতে 'গ্লাইকোজেন' হিসেবে জমা রাখে, যা বিপদের সময় বা না খেয়ে থাকলে শক্তির জোগান দেয়।

অন্যান্য অপশন:
- Insulin: ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় এবং এটি অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
- Melatonin: মেলাটোনিন ঘুম ও জাগরণ চক্র নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
- Testosterone: টেস্টোস্টেরন মূলত পুরুষের প্রজননতন্ত্রের বিকাশ ও গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
- Vasopressin: ভ্যাসোপ্রেসিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং বৃক্কের মাধ্যমে পানি পুনঃশোষণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

১৫.
Which of the following occurs as a direct result of raising the temperature of a metallic conductor?
  1. Increase in resistance
  2. Decrease in resistance
  3. It turns into an insulator
  4. The flow of electric current increases
  5. No change in resistance
সঠিক উত্তর:
Increase in resistance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Increase in resistance
ব্যাখ্যা

• তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়। 

• পরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের মধ্যদিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
• উদাহরণ- তামা, রুপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি

• পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। পরিবাহীতে যোজনব্যান্ড এবং পরিবহণব্যান্ডের মাঝে শক্তি ব্যবধান থাকে না।
- এজন্য পরিবাহীর দু প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য ঘটলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ কম হয়। প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের।

• তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে পরিবাহী পদার্থের বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা সাধারণত হ্রাস পায়।  
- সাধারণ পরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে, তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর মধ্যস্থ পরমাণু এবং আয়নগুলির কম্পন বাড়ে।
- উক্ত কম্পনের ফলে পরিবাহীর মুক্ত ইলেকট্রনের সঙ্গে কম্পনরত পরমাণু সমূহের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়, যা মুক্ত ইলেকট্রনের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। 
- এর ফলে রোধ বাড়ে এবং পরিবাহিতা কমে যায়।

অন্যদিকে,
অর্ধপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে, তাপমাত্রা বাড়লে কিছু ইলেক্ট্রন শক্তি অর্জন করে এবং মুক্ত হয়ে পরিবহনে অংশ নেয়, ফলে পরিবাহিতা বাড়ে এবং রোধ কমে যায়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
Which plant organelle is responsible for carrying out photosynthesis?
  1. Ribosome
  2. Golgi body
  3. Nucleus
  4. Lysosome
  5. Chloroplast
সঠিক উত্তর:
Chloroplast
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chloroplast
ব্যাখ্যা

• উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণুটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য দায়ী। এতে ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে যা সূর্যের আলোকে শোষণ করতে পারে। এই শোষিত শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভিদ কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানি থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য ও অক্সিজেন তৈরি করে।

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই - অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরী করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis)।

• সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান:
- ক্লোরোপ্লাস্ট,
- সূর্যালোক,
- পানি,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড।
 
• সালোকসংশ্লেষণের গুরুত্ব:
- খাদ্য তৈরি: উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে, যা অন্যান্য প্রাণী ও মানুষের জন্য খাদ্য সরবরাহ করে।  
- অক্সিজেন সরবরাহ: সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন নির্গত হয়, যা জীবনের জন্য অপরিহার্য।  
- পরিবেশের ভারসাম্য: কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য বজায় রাখে। 

• ক্লোরোপ্লাস্ট:
- ক্লোরোপ্লাস্ট হল উদ্ভিদ কোষের মধ্যে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু, যেখানে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানি ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে।
- ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে থাকা ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ সূর্যালোক শোষণ করে এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটিকে সম্পন্ন করে। 

অন্যান্য অপশন:
- Ribosome: রাইবোজোম কোষের প্রোটিন তৈরির প্রধান স্থান হিসেবে কাজ করে এবং এতে সালোকসংশ্লেষণের জন্য কোনো রঞ্জক থাকে না।
- Golgi body: গলগি বডি কোষের বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
- Nucleus: নিউক্লিয়াস কোষের বংশগতির তথ্য ধারণ করে এবং সমস্ত বিপাকীয় কাজ পরিচালনা করে তবে সালোকসংশ্লেষণ সরাসরি সম্পন্ন করে না।
Lysosome: লাইসোজোম কোষের ভেতরে আসা জীবাণু ধ্বংস এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজ করে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

১৭.
Which specific branch of agriculture is associated with honey production?
  1. Sericulture
  2. Apiculture
  3. Pisciculture
  4. Horticulture
  5. Aquaculture
সঠিক উত্তর:
Apiculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apiculture
ব্যাখ্যা

• এপিকালচার বা মৌচাষ হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে মধু এবং মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন করা হয়। মৌমাছিরা ফুল থেকে নেক্টার সংগ্রহ করে তা মধুতে রূপান্তর করে, যা এপিকালচারিস্টরা সংগ্রহ করেন।

• এপিকালচার:
- যে পদ্ধতিতে কৃত্রিম ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন করে মৌচাক থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করা হয়, তাকে এপিকালচার বলা হয়।

• এটি কৃষির একটি বিশেষায়িত শাখা যেখানে মৌমাছির প্রজনন, পরিচর্যা এবং মধু, মোম, পরাগরেণু, রয়‍্যাল জেলি ও প্রোপোলিসের মতো মূল্যবান পণ্য উৎপাদন সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
- মধু উৎপাদন বা মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা হলো এপিকালচার।
- এটি কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মৌমাছি পালন একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিকশিত হচ্ছে।

• এপিকালচারের গুরুত্ব:
→ অর্থনৈতিক উপকারিতা:
- মধু ও মৌমাছির অন্যান্য উপজাত দ্রব্য (যেমন মোম, প্রোপোলিস) বিক্রি করে আয় করা যায়।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের কৃষকদের জন্য এটি একটি লাভজনক পেশা।
→ পরাগায়নে ভূমিকা:
- মৌমাছি ফসলের পরাগায়নে সাহায্য করে, যা কৃষি উৎপাদন ২০-৩০% পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
→ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা:
- মৌমাছি বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে,
• পিসিকালচার- এটি হলো আধুনিক কৃষির একটি বিশেষ শাখা যেখানে মাছ চাষ, ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ইত্যাদি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• সেরিকালচার- এ শাখায় রেশমকীট পালন ও রেশম উৎপাদন অর্থাৎ রেশম চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• হর্টিকালচার- আধুনিক কৃষির এ শাখায় ফলমূল, শাকসবজি ও ফুলের চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• অ্যাকুয়াকালচার- এ শাখায় মাছ, শেলফিশ, জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- FAO (Food and Agriculture Organization).
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)।

১৮.
What does Newton’s second law of motion state?
  1. Gravitational force effect
  2. Action-reaction principle
  3. Inertia of matter
  4. The principle of conservation of energy
  5. Relationship between force, mass, and acceleration
সঠিক উত্তর:
Relationship between force, mass, and acceleration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relationship between force, mass, and acceleration
ব্যাখ্যা

• নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্রটি মূলত বল, ভর এবং ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- "বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু চিরকাল সমবেগে চলতে থাকবে।"
- এই সূত্রটি স্যার আইজ্যাক নিউটন তার "ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" (1687) গ্রন্থে প্রস্তাব করেছিলেন।
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি "জড়তার সূত্র" (Law of Inertia) নামে পরিচিত।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে প্রযুক্ত হয়, বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।" 
- এটি থেকে আমরা বিখ্যাত গাণিতিক সমীকরণ F = ma পাই, যেখানে F হলো বল, m হলো ভর এবং a হলো ত্বরণ।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- এই সূত্র অনুযায়ী, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন দ্বিতীয় বস্তুটিও প্রথম বস্তুর ওপর সমান ও বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে।
- একে সংক্ষেপে 'ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া' সূত্র বলা হয়। গাণিতিকভাবে একে F1 = - F2 দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে একটি বল ক্রিয়া এবং অন্যটি প্রতিক্রিয়া।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

১৯.
In which season is sound heard louder and travels farther than in other seasons?
  1. Rainy season
  2. Winter season
  3. Summer season
  4. Spring season
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Rainy season
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rainy season
ব্যাখ্যা

• বর্ষাকালে শব্দ কেন বেশি দূরে যায় এবং জোরে শোনা যায় তার প্রধান কারণ হলো বাতাসের আর্দ্রতা।
- আমরা জানি, শব্দের বেগ ঘনত্বের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক (v × 1/√ρ)। অর্থাৎ ঘনত্ব কমলে শব্দের বেগ বাড়ে।
- বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়। শব্দের বেগ বাতাসের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে; ঘনত্ব যত কম হয়, শব্দের বেগ তত বৃদ্ধি পায়। বর্ষাকালে এই বেগ বেশি থাকার কারণে শব্দ অনেক স্পষ্ট ও উচ্চৈঃস্বরে শোনা যায়।

• শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য:
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়।
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক।
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে।
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়।
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
What is the minimum velocity required for an object to permanently escape Earth's gravitational pull?
  1. 11.2 kms- 1
  2. 11.2 kmh- 1
  3. 9.8 ms- 2
  4. 2.4 Kms- 1
  5. 11.2 ms- 1 
সঠিক উত্তর:
11.2 kms- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11.2 kms- 1
ব্যাখ্যা

• কোনো বস্তুকে যদি প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিলোমিটার অর্থাৎ, 11.2 Kms- 1 বেগে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সেটি পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে। এই বিশেষ বেগকে মুক্তিবেগ বলা হয়। এটি বস্তুর ভরের ওপর নির্ভর করে না, তাই একটি ছোট পাথর বা একটি বিশাল রকেটের জন্য এই বেগের মান একই থাকে।

• মুক্তি বেগ:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলা হয়।

• মুক্তি বেগ বা তার বেশি বেগে কোন বস্তুকে নিক্ষেপ করা হলে সেটি আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিন করতে থাকে।
- মুক্তি বেগের মান হলো ১১.২ কি.মি./সেকেন্ড বা 11.2 Kms- 1
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) কে মুক্তি বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে সেটি পৃথিবীর অভিকর্ষকে অতিক্রম করে চলে যাবে , ফলে সেটি আর ফেরত আসবে না। 

• সাধারণত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) এর গতিবেগ হয় প্রতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার। 
- মুক্তিবেগ থেকে এই বেগ কম হওয়ায় তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- কিন্তু তা ১১.২ কিলোমিটার/সেকেন্ড বা তার বেশি বেগ প্রাপ্ত হলে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না। 

উল্লেখ্য:
২.৪ কিমি/সেকেন্ড হলো চাঁদের মুক্তিবেগের মান যা পৃথিবীর মহাকর্ষ বল কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।