১.
একটি দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন করে। আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্নোল্লিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না তবে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর মাঝে ২৫ টি আদেশের তালিকা দেওয়া আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
-খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যানও একটি আদেশ। দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী ৯ আদেশের ৯ বিধি অনুসারে মোকদ্দমা খারিজের আদেশ রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী; আদেশ ৯ এর ৯ বিধির অধীন যদি আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করা হলে এবং আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করলে, উক্ত প্রত্যাখ্যান আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৮ এর বিধান: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদি হাজির হয়, কিন্তু বাদি হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদি বাদির দাবি বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদি যদি বাদির দাবি কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদির বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদির অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৯ এর বিধান: বাদির ত্রুটির দরুন তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হলে নূতন মোকদ্দমা চলবে না:
-১) যেক্ষেত্রে ৮নং বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার সমগ্র বা আংশিক খারিজ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত কারণে বাদি নূতন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে। কিন্তু বাদি মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে, এবং তিনি যদি মোকদ্দমার শ্রবণের জন্য সন্তুষ্টি সহকারে কারণ দর্শাতে পারেন, তবে আদালত খরচাদি সম্পর্কে যথাবিহীত শর্তসাপেক্ষে মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করবে এবং কার্যপদ্ধতির জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করবে।
-২) বাদির দরখাস্ত সম্পর্কে অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে উক্ত বিধি অনুযায়ী কোন আদেশ প্রদেয় হবে না।
অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
-খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যানও একটি আদেশ। দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী ৯ আদেশের ৯ বিধি অনুসারে মোকদ্দমা খারিজের আদেশ রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী; আদেশ ৯ এর ৯ বিধির অধীন যদি আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করা হলে এবং আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করলে, উক্ত প্রত্যাখ্যান আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৮ এর বিধান: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদি হাজির হয়, কিন্তু বাদি হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদি বাদির দাবি বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদি যদি বাদির দাবি কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদির বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদির অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৯ এর বিধান: বাদির ত্রুটির দরুন তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হলে নূতন মোকদ্দমা চলবে না:
-১) যেক্ষেত্রে ৮নং বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার সমগ্র বা আংশিক খারিজ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত কারণে বাদি নূতন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে। কিন্তু বাদি মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে, এবং তিনি যদি মোকদ্দমার শ্রবণের জন্য সন্তুষ্টি সহকারে কারণ দর্শাতে পারেন, তবে আদালত খরচাদি সম্পর্কে যথাবিহীত শর্তসাপেক্ষে মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করবে এবং কার্যপদ্ধতির জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করবে।
-২) বাদির দরখাস্ত সম্পর্কে অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে উক্ত বিধি অনুযায়ী কোন আদেশ প্রদেয় হবে না।