পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৬
সিলেবাস
Exam - 44 Full Model Test-1 Topic ➝ Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৬ প্রশ্ন

.
একটি দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন করে। আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্নোল্লিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না তবে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর মাঝে ২৫ টি আদেশের তালিকা দেওয়া আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
-খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যানও একটি আদেশ। দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী ৯ আদেশের ৯ বিধি অনুসারে মোকদ্দমা খারিজের আদেশ রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী; আদেশ ৯ এর ৯ বিধির অধীন যদি আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করা হলে এবং আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করলে, উক্ত প্রত্যাখ্যান আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৮ এর বিধান: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদি হাজির হয়, কিন্তু বাদি হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদি বাদির দাবি বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদি যদি বাদির দাবি কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদির বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদির অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৯ এর বিধান: বাদির ত্রুটির দরুন তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হলে নূতন মোকদ্দমা চলবে না:
-১) যেক্ষেত্রে ৮নং বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার সমগ্র বা আংশিক খারিজ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত কারণে বাদি নূতন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে। কিন্তু বাদি মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে, এবং তিনি যদি মোকদ্দমার শ্রবণের জন্য সন্তুষ্টি সহকারে কারণ দর্শাতে পারেন, তবে আদালত খরচাদি সম্পর্কে যথাবিহীত শর্তসাপেক্ষে মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করবে এবং কার্যপদ্ধতির জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করবে।
-২) বাদির দরখাস্ত সম্পর্কে অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে উক্ত বিধি অনুযায়ী কোন আদেশ প্রদেয় হবে না।
.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে এই বিধানটি রয়েছে দেওয়ানী কার্যবিধি -
  1. ৮৮ ধারায়
  2. আদেশ-৩৫ বিধি-১
  3. আদেশ-৩৫ বিধি-২
  4. আদেশ-৩৫ বিধি-৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।
⇒আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান- যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে। 

অর্থাৎ আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুসারে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CPC Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader suits:
-In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
(a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs; 
(b) the claims made by the defendants severally; and
(c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants. 

⇒ CPC Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
-Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit. 
.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ডিক্রি বলতে বুঝায়-
  1. চূড়ান্ত ডিক্রি
  2. প্রাথমিক ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।
ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে।
১। প্রাথমিক ডিক্রি
২। চূড়ান্ত ডিক্রি
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে। মামলা যখন চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয় তখন তাকে চূড়ান্ত ডিক্রি বলে।
.
সহকারী জজ আদালতের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ৫ লক্ষ টাকা
  2. ১০ লক্ষ টাকা
  3. ১৫ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: আর্থিক এখতিয়ার: অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজ আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে (The Court of Joint District Judge)- ২৫ লক্ষ এর উপরে
-------------------------
⇒CPC Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
⇒ The Civil Court Act, 1887 Section-19:
(1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.
(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.
(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.
.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রিভিশন আদালতের বিবেচ্য বিষয় কোনটি?
  1. দ্বিপক্ষীয় ভুল
  2. তথ্যগত ভুল
  3. পদ্ধতিগত ভুল
  4. আইনগত ভুল
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।
⇒ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।
⇒ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবি করা যায় না।  আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- ২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-
⇒ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
-১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
-৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারা প্রতিস্থাপিত হয়নি।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে মূল ডিক্রি হতে আপিল এর বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৪১
  2. ৪৩
  3. ৪৫
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে।
- আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপিল সংক্রান্ত বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রি হতে আপিল বিষয় বিধান আছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-
ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;
ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;
iii) আপিলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;
iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং
v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
.
হলফনামার শপথ কার দ্বারা পরিচালিত হবে এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১৩৯
  2. ১৪০
  3. ১৪২
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যে কোন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered: In the case of any affidavit under this Code-
(a) any Court or Magistrate, or
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.
.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে?
  1. অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
  2. বন্টনের ক্ষেত্রে
  3. বন্ধকের ক্ষেত্রে
  4. অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application: (1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
১০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে।

- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
-------------------------------
-CPC Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, 61[or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমির ক্ষেত্রে আদালত কাকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন?
  1. ভূমি কর্মকর্তা
  2. থানা নির্বাহী অফিসারকে
  3. কালেক্টরকে
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫ অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয় সেই সব ভূমির জন্য কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে। 
⇒ রিসিভার নিয়োগ, অধিকার ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রন হয় দেওয়ানী কার্যবিধি আনুসারে।
⇒ আদালত রিসিভারের পারিশ্রমিক কি পরিমাণ নির্ধারন করবে এটা আদালতের ইচ্ছাধীন।
-----------------
CPC Order-40 Rule-5.When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
১২.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় একটি ডিক্রি বা আদেশ নিচের কোন ক্ষেত্রে সংশোধনের আদেশ দেয়া যায়?
  1. করণিক ভুল থাকলে
  2. গাণিতিক ভুল থাকলে
  3. আকস্মিক কোন বিচ্যুতি থাকলে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে- "Judge" means the_______ of a civil court.
  1. Officer
  2. Judge
  3. Executive Officer
  4. Presiding Officer
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

-সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]

অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লিখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে আদালত কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ২ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি 1908 সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
-----------
CPC-Section-75. Power of Court to issue commissions.
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ১০৭
  2. ১১৪
  3. ১১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৭ ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে। ১০৭ ধারা  অনুযায়ী আপিল আদালতের ৪টি ক্ষমতা। 
১। মোকদ্দমা চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে
২। মোকদ্দমা পুনঃ বিচারের জন্য পাঠাতে পরে
৩। বিচার্য বিষয় গঠন এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ
৪। অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান-
(১) যে-রূপ শর্তাদি ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়, সাপেক্ষে কোন আপিল আদালতের নিম্নোক্ত ক্ষমতাগুলি থাকবে:
ক) কোন মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মামলা পুনর্বিচারের জন্য পাঠানো;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলি বিচারের জন্য প্রেরণ এবং
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্যগ্রহণ বা এরূপ সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যে-রূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লিখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
১৬.
দেওয়ানি আদালতকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩ অনুযায়ী ৫ প্রকারের দেওয়ানি আদালত আছে।
১. জেলা জজের আদালত (The Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত (The Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত (The Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজের আদালত (The Court of Assistant Judge)

⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)-২৫ লক্ষ এর উপরে
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রে নিচের কোন আইনে প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য হবে?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. The Registration Act, 1908
  3. The Contract Act, 1872
  4. The Evidence Act, 1872
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে, চুক্তি আইনে যে-সব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যে-সব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।
-----------------
⇒ Section-3: Words defined in Contract Act:
- All words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.
১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারানুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বারিত হবে-
  1. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
SR Act- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
১৯.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  2. মালামাল পুনরুদ্ধারের
  3. ক্ষতিপূরণের
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation-1: A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation-2: A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
Illustration:
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
২০.
'A' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'B' দাবি করে যে 'B' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'A' উক্ত সম্পত্তি 'B'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'A' এর প্রতিকার-
  1. দখল উদ্ধারের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের। 
২১.
'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে 'খ' নিম্নলিখিত কোন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  2. তথ্য উদ্ধারের মোকদ্দমা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  4. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
-যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।
(জ) উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ সাধারণ্যে প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার অধীনে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়?
  1. ৯ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
 
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: 
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
SR Act: Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
২৩.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law under The Specific Relief Act, 1877.
  1. Civil
  2. Penal
  3. Personal
  4. Tort law
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
২৪.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৩ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
- ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
------------------
⇒ Section 32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ কী বলে গণ্য হবে?
  1. FIR
  2. GD
  3. Complaint
  4. Statement
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।
অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।
FIR=First Information Report:
- অপরাধী ও সংঘটিত আমলযোগ্য অপরাধের বিস্তারিত বিবরণসহ শাস্তি দাবি করে বা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে থানায় অপরাধের সংবাদ লিপিবদ্ধ করাকে এজাহার বলে, যা FIR বা First Information Report বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামেও পরিচিত। অপরাধ সম্বন্ধে এ বিবরণ প্রথম দেওয়া হয় বলে একে প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বলে।
GD=General Diary:
-জিডি বা জেনারেল ডায়েরি অর্থ কোনো বিষয়ে সাধারণ বিবরণ যা কিনা থানার একটি বিশেষ বইয়ে সংরক্ষণ করা হয় এবং সেমতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
---------------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে?
  1. ৩৭
  2. ৪০
  3. ৪১
  4. ৪২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
-(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
-(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারা অনুসারে সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।
--------------------
CrPC-Section 41: Withdrawal of powers.
-(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
-(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
২৭.
দাঙ্গার অপরাধে বিচার চলাকালে ছয় মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর এক বছর কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. এক বছর ভোগ করতে হবে
  2. ছয় মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X' ছয় মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি এক বছর থেকে ছয় মাস বাদ দিয়ে বাকি ছয় মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
-------------------------------------
⇒ CrPC Section-35A.: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৭
  3. ৬১
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CrPC Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬(২) ধারার বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য, কে লাশ উত্তোলনের আদেশ দিতে পারে?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিচারকারী আদালত
  4. পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
-যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লেখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা 
-সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা সম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করবেন এবং ১৭৪ ধারার (১) উপধারার (ক), (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ করেন তাহলে কোন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তার যেরূপ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার সেরূপ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ তদন্ত পরিচালনার সময় ম্যাজিষ্ট্রেট অবস্থা অনুসারে অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিসমূহের যে কোন একটি পদ্ধতিতে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করবেন।
-কবর হতে লাশ তুলিবার ক্ষমতা:
(২) যে লাশ ইতোমধ্যে কবরস্থ করা হয়েছে, উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ আবিস্কারের জন্য তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাহলে তিনি লাশটি কবর হতে তুলিবার এবং উহা পরীক্ষা করে দেখিবার ব্যবস্থা করতে পারেন।
---------------
CrPC-Section-176: Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
-Power to disinter corpses
(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি-
  1. সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
  2. রিসিভার নিয়োগ করবে
  3. বাদীর মালিকানাধীন হবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রি- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে।
- তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা মতে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
---------
CrPC Section-88(7) If the proclaimed person does not appear within the time specified in the proclamation, the property under attachment shall be at the disposal of the Government, but it shall not be sold until the expiration of six months from the date of the attachment and until any claim preferred or objection made under sub-section (6A) has been disposed of under that sub-section, unless it is subject to speedy and natural decay, or the Court considers that the sale would be for the benefit of the owner, in either of which cases the Court may cause it to be sold whenever it thinks fit.
৩১.
ফৌজদারি মামলার দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা কার বরাবর ফেরত দেয়া হয়?
  1. সম্পাদনকারী অফিসার বরাবর
  2. দায়রা আদালত বরাবর
  3. ইস্যুকারী আদালত বরাবর
  4. জেলা জজ আদালত বরাবর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।
----------------------
⇒ CrPC-Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সব আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
----------------------------
⇒ CrPC Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯ অনুযায়ী সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. মুক্তি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. অব্যাহতি পাবে
  4. দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
-------------------
⇒ CrPC- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police-station or to the police-officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate, such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report and to try the accused or send him for trial.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুদণ্ড সাজা প্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৩৬৮
  2. ৩৬৯
  3. ৩৭১
  4. ৩৭২
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত হলে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে তা কার্যকর করা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: (১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
⇒ CrPC-Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
Sentence of transportation (2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট দণ্ড হ্রাস করে-
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে
  3. ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়-মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন। 
------------------------------
CrPC-Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
 If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন নাবালকের বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দেয়া হলে সেক্ষেত্রে উক্ত মুচলেকা কে সম্পাদন করবে?
  1. আইনগত অভিভাবক
  2. আসন্ন বন্ধু
  3. পিতা-মাতা
  4. জামিনদার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান মুচলেকা প্রদানের আদেশ: এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;
তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
------------------
⇒ CrPC-Section-118: Order to give security:
If, upon such inquiry, it is proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made should execute a bond, with or without sureties the Magistrate shall make an order accordingly: 
Provided- 
firstly , that no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, or for a period longer than, that specified in the order made under section 112:  
secondly, that the amount of every bond shall be fixed with due regard to the circumstances of the case and shall not be excessive: 
thirdly, that when the person in respect of whom the inquiry is made is a minor, the bond shall be executed only by his sureties.
৩৭.
মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন কে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪(৭) ধারার বিধান মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয় অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন না কিন্তু মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে ১৪৪ ধারা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

- আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
-১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
- ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ফরিয়াদী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে?
  1. ৪০৭
  2. ৪১৭
  3. ৪১৭ক
  4. ৪০৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
------------------------------------
⇒ CrPC-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৩৯.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না
  2. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  3. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
  4. উক্ত মামলার বিচার করার বিষয়টি 'ক' এর বিবেচনামূলক ক্ষমতার উপর
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করতে পারবে।
-----------------------
⇒CrPC-Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৪০.
ফৌজদারি মামলায় যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিলে, উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী যেকোন আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
---------------------
⇒ CrPC-Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৪১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান কী?
  1. Warrant directed to police-officer
  2. Where warrant may be executed
  3. Notification of substance of warrant
  4. Person arrested to be brought before Court without delay
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
⇒ CrPC Section 82: Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.

-CrPC Section 79: Warrant directed to police-officer:
 A warrant directed to any police-officer may also be executed by any other police-officer whose name is endorsed upon the warrant by the officer to whom it is directed or endorsed.
-CrPC Section 80: Notification of substance of warrant:
 The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
-CrPC Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay:
The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৪২.
নিচের কোন আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা জজ আদালত
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান আগাম জামিন:-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত
তাছাড়া এই ধারার অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
CrPC Section-498:Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৪৩.
নিচের কে ১৮৩৭ সালের দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন না?
  1. F. Millet
  2. J.F. Stephen
  3. J.M. Macleod
  4. G.W. Anderson
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮০৭ সাল হতে দণ্ডবিধি বলবৎ (১৮৬১) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ এ তিনটি প্রেসিডেন্সী শহরে ইংল্যান্ডের দণ্ডবিধি অনুসৃত হতো। অবশিষ্ট মফস্বল এলাকায় ইসলামী ফৌজদারী আইন মোতাবেক নিজামত/সার্কিট জজ/ম্যাজিষ্ট্রেট বিচার ও দণ্ডবিধান করতেন।

⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। যা নিম্নরুপ :-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে। (Lord Macaulay)
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড। (J.M. Macleod)
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন। (G.W. Anderson)
iv) সদস্য-মিঃ মিলার। (F. Millet)

⇒ এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতে দণ্ডবিধি নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ড (আইপিসি) পাকিস্তান নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় পেনাল কোড (পিপিসি) ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ অভূদ্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৮ তারিখ ৩০/০৬/১৯৭৩ মূলে পাকিস্তান দণ্ডবিধি নামের পাকিস্তান শব্দটি তুলে নিয়ে এই আইনের পুনঃ নামকরণ হঃয় দণ্ডবিধি। এতে আছে মোট ২৩টি অধ্যায় ৫১১টি ধারা আছে।

⇒  ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে (James Fitzjames Stephen) সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়। অর্থাৎ স্যার জেমস স্টিফেন ছাড়া বাকি সবায় দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন।
৪৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণের বিধান আছে?
  1. ৩৫৯
  2. ৩৬২
  3. ৩৬০
  4. ৩৬১
ব্যাখ্যা
 দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হইতে মনুষ্যহরণ:
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-------------------------
Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.
-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
৪৫.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোনটি গুরুতর আঘাত নয়?
  1. কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ
  2. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্টসাধন
  3. মাথা বা মুখমণ্ডল ক্ষণস্থায়ী ভাবে ক্ষত করণ
  4. দুই কর্ণের যে কোন কোনটির শ্রবণশক্তি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।

উল্লিখিত প্রশ্নে 'মাথা বা মুখমণ্ডল ক্ষণস্থায়ী ভাবে ক্ষত করণ' গুরুতর আঘাত নয়। কারণ মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ হচ্ছে গুরুতর আঘাত।
----------------------------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৪৬.
The term “Judge" is explained in The Penal Code under Section-
  1. Section-21
  2. Section-17
  3. Section-19
  4. Section-20
ব্যাখ্যা
The penal Code,1860: Section-19. “Judge”:
The word “Judge” denotes not only every person who is officially designed as a Judge, but also every person,- 
-who is empowered by law to give, in any legal proceeding, civil or criminal, a definitive judgment, or a judgment which, if not appealed against, would be definitive, or a judgment -which, if confirmed by some other authority, would be definitive, or 
-who is one of a body of persons, which body of persons is empowered by law to give such a judgment. 
Illustration:
(a) A Collector exercising jurisdiction in a suit under Act X of 1859, is a Judge. 
(b) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power to sentence to fine or imprisonment with or without appeal, is a Judge. 
(d) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power only to commit for trial to another Court, is not a Judge.
----------------------------
দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান- জজ:
বিচারক অর্থ শুধু সরকারীভাবে বিচারক বলে আখ্যাত বা নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বোঝায় না, বরং যেকোন আইনগত কার্যব্যবস্থা, কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী যা হোক, চুড়ান্ত রায়দান বা আপীল না করা না হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এইরূপ বায়দান বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সমর্থিত হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এমন কোন রায়দান করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, অথবা অনুরূপ রায়দান করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি সংস্থাভুক্ত ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
উদাহরণ:
(ক) ১৮৫৯ সালের ১০নং আইন মোতাবেক কোন মোকদ্দমায় বিচার-ক্ষমতা প্রয়োগে একজন কালেক্টরই বিচারক।
(খ) যে অভিযোগের বিচারে ম্যাজিস্ট্রেটের অর্থ বা কারাদণ্ডদানের ক্ষমতা রয়েছে-তার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাক বা না যাক- সে অভিযোগে বিচার ক্ষমতা প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক।
(ঘ) যে অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট কেবলমাত্র কোন আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত, সে অভিযোগের ব্যাপারে এখতিয়ার প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক নয়।
৪৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৩ক ধারায়
  2. ৫৫ক ধারায়
  3. ৫৫ ধারায়
  4. ৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
- সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । 
- সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ও ৫৫ ধারামতে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারে এবং রাষ্ট্রপতির ৫৫ক ধারামতে ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফ করতে পারে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে।

⇒ সংবিধানের আওতায় ক্ষমা প্রদর্শন- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদ মতে রাষ্ট্রপতি কোন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন।
প্রাণ-ভিক্ষা: মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত অপরাধীরা সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ মতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ-ভিক্ষা করে থাকেন।
--------------------------------
The penal Code,1860: Section-55A. Saving for President’s prerogative:
-Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.
৪৮.
দস্যুতার সদস্য যদি পাঁচ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা __________ বলে পরিণত হয়।
  1. দাঙ্গা
  2. ডাকাতি
  3. দলীয় দস্যুতা
  4. বেআইনী সমাবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
৪৯.
রাকিব তার বন্ধু মাহিন কে লাঠি দিয়ে তাড়া করে এবং মুখে বলে তরে আজ মেরেই ফেলব কিন্তু কোন আঘাত করে নাই। এই ক্ষেত্রে রাকিব দণ্ডবিধির কোন অপরাধটি করেছে?
  1. আক্রমণ
  2. বলপ্রয়োগ
  3. মারামারি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ : হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । ক আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
------------------------
⇒ The Penal Code,1860: Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৫০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোন ব্যক্তির মুক্তির জন্য রিট জারি করার পরেও উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৪০
  2. ৩৪২
  3. ৩৪৫
  4. ৩৪৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৫ ধারার বিধান যে ব্যক্তির মুক্তিকল্পে রিট জারি করা হইয়াছে তাহার অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে অবৈধভাবে বন্দি রাখে, তাতে এইরূপ একটি উদ্দেশ্য সূচিত হয় যে, বন্দি ব্যক্তিকে আটক করে রাখার ব্যাপারটি বন্দি ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বা কোন সরকারি কর্মচারীর গোচরীভূত হবে না, অথবা যে স্থানে অনুরূপ বন্দি করে রাখা হয়েছে সে স্থানটি উপযুক্তরূপ কোন ব্যক্তি বা সরকারি কর্মচারী দ্বারা জ্ঞাত বা আবিষ্কৃত হবে না, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ অবৈধভাবে বন্দি করে রাখার জন্য অপর যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তদতিরিক্ত আরও দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒ The Penal Code,1860. Section-345: Wrongful confinement of person for whose liberation writ has been issued:
-Whoever keeps any person in wrongful confinement, knowing that a writ for the liberation of that person has been duly issued, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years in addition to any term of imprisonment to which he may be liable under any other section of this Chapter.
৫১.
দণ্ডবিধির ৫১ ধারার বিধান কী?
  1. “Oath”
  2. “Death”
  3. “Injury”
  4. “Good faith”
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১ ধারার বিধান শপথ/ হলফ:
- আইনের বিধানমতে শপথের পরিবর্তে গ্রহণীয় দৃঢ়, প্রতিজ্ঞান্তিক অনুমোদন, এবং কোন আদালতেই হোক অথবা আদালতের বাইরে অন্যত্রই হোক, যে ঘোষণা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে অথবা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রদান করার জন্য আইনবলে নির্দেশ করা হয় বা ক্ষমতা দেওয়া হয়, তার ‘শপথ’ কথাটির অন্তর্ভুক্ত।
----------
⇒ The Penal Code,1860. Section-51. “Oath”
The word "oath" includes a solemn affirmation substituted by law for an oath, and any declaration required or authorized by law to be made before a public servant or to be used for the purpose of proof, whether in a Court of Justice or not.
৫২.
Chapter XXI of The Penal Code deals with-
  1. ABETMENT
  2. DEFAMATION
  3. OFFENCES AGAINST PROPERTY
  4. CRIMINAL CONSPIRACY
ব্যাখ্যা
⇒ Chapter XXI of The Penal Code deals with-DEFAMATION.
 ⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

  ⇒ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
৫৩.
সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর করাদণ্ড
  2. ২ বছর করাদণ্ড
  3. ৩ বছর করাদণ্ড
  4. ৫ বছর করাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান: ভুয়া সরকারী কর্মচারী বলিয়া পরিচয় দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম করাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860: Section-170: Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশের জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা শাস্তির বিধান আছে?
  1. ২৩৯
  2. ২৩৬
  3. ২৩৭
  4. ২৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারার বিধান জাল বলিয়া জানা সত্ত্বেও জাল বাংলাদেশের মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা:
-কোন জাল মুদ্রা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহ্য রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অধবা দশ বৎসর পস্থত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------
⇒The Penal Code,1860: Section-238. Import or export of counterfeits of Bangladesh coin:
-Whoever imports into Bangladesh, or exports therefrom, any counterfeit coin which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৫৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জাল দলিলের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪৬৩
  2. ৪৬৫
  3. ৪৭০
  4. ৪৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৭০ ধারার বিধান জাল দলিল:
- সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক জালিয়াতির কর্তৃক কৃত যে কোন মিথ্যা দলিলকে জাল দলিল বলে পরিগণিত করা হয়।
--------------------
⇒The Penal Code,1860: Section- 470: Forged document:
-A false document made wholly or in part by forgery is designated “a forged document".
৫৬.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধী ব্যক্তিকে কেউ আশ্রয় দেয় তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. দুই বছর কারাদণ্ড
  2. তিন বছর কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:-
দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

উদাহরণ:
খ ডাকাতি করেছে জেনে ক জ্ঞাতসারে ক-কে লুকিয়ে রাখে। আইনের সাজা হতে খকে বাঁচাবার মানসেই ক এই কাজ করে। এক্ষেত্রে, যেহেতু খ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় সেহেতু ক অনধিক তিন বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৫৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গণ-উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২৬৮
  2. ২৬৯
  3. ২৫৮
  4. ২৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ-উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।
---------------------------------------
⇒The Penal Code,1860: Section 268: Public nuisance:
-A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
৫৮.
দণ্ডবিধিতে 'Affray' এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
- যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
__________________________________
⇒ The Penal Code,1860: Section-159: Affray:
- When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section-160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৫৯.
কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে ________ বলে।
  1. বাংলাদেশী আইন
  2. বিশেষ আইন
  3. স্থানীয় আইন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২ ধারার বিধান স্থানীয় আইন:
কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে স্থানীয় আইন বলে।
-----------------------
⇒ The penal Code,1860: Section-42: “Local law”:
-A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৬০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪৯
  3. ১৫১
  4. ১১৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------------------------------
Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৬১.
বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন তা ____________সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
  1. ইশারা
  2. লিখিত
  3. মৌখিক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারার বিধান বোবা সাক্ষী: যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
- অর্থাৎ বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।


⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
---------------------------
Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৬২.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতির প্রাসঙ্গিকতা বিষয়ে বলা আছে?
  1. Section 3
  2. Section 22A
  3. Section 45A
  4. Section 67A
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
-----------------------------
⇒ Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.
৬৩.
'A' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। 'A' কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. দলিলটি রেজিস্ট্রাট
  2. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  3. দলিলটি তার দখলে ছিল
  4. দলিলটি তার দখলে নাই
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) 'ক' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
Illustration:
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৬৪.
বিগত _______ বৎসরের মধ্যে যে লোক জীবিত ছিল সে লোককে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
  1. ১২
  2. ৩০
  3. ১৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107: Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৬৫.
"No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact" সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২৪
  2. ৩৪
  3. ১৩৪
  4. ১৩৩
ব্যাখ্যা
⇒Section 134: Number of witnesses:- No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৬৬.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান কী হবে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
-----------------------------
⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
৬৭.
কোন বিষয়ে নিজের সাক্ষীকে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading Question) করা যায়?
  1. তর্কিত বিষয়ে
  2. স্বীকৃত বিষয়ে
  3. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
  4. যে কোন বিষয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

⇒ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
--------------------------
Section-142: When they must not be asked:
 -Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 

The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
৬৮.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় কোনটি প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion)
  2. বিচার্য বিষয়ের কারণ (cause)
  3. বিচার্য বিষয়ের পরিণাম (effect)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।
-----------------
⇒Section 7: Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
- Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৬৯.
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  3. চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারামতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না (Confession by accused while in custody of police not to be proved against him): পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে কোন ব্যক্তি দোষ স্বীকার করলে, তা যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে না হয়, তাহলেতা ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় 'ম্যাজিস্ট্রেট' বলতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্য সম্পাদনকারী গ্রামপ্রধানকে বুঝাবে না। তবে গ্রামপ্রধান যদি ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন, তবে তাকে বুঝাবে।
------------------------------
⇒ Section 26: Confession by accused while in custody of police not to be proved against him:
-No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person. 
⇒ Explanation:– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure,1898.
৭০.
নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৭১.
নিচের কোনটি পাবলিক দলিল (Public document)?
  1. কবিতা
  2. দানপত্র
  3. কবলা দলিল
  4. আদালতের রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
--------------
Section-74. Public documents:

The following documents are public documents:–
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

Section-75.Private documents: All other documents are private.
৭২.
আদালতে কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত তৈরির ক্ষেত্রে কার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. বিশেষজ্ঞের
  2. সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
  3. যার ডিজিটাল স্বাক্ষর সেই ব্যক্তির
  4. বাদী ও বিবাদির আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারামতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
“Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact."
৭৩.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ এজাহারে অনেক সময় আসামির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগকারী আসামিকে দেখলে চিনবেন এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এই আসামি সনাক্তকরণ মহড়ার জন্য আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন।

⇒ P.R.B-282 অনুযায়ী TI Parade বলতে বুঝায় যে, “কোন সন্দেহভাজন আটককৃত অপরাধের সাথে জড়িত অভিযুক্ত আসামিকে জেলখানার  ভিতরে বাদী এবং সাক্ষী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে  নির্ধারিত দিন ও তারিখে সনাক্তকরণের জন্য যে মহড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয় তাহাকেই টি আই প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড বা সনাক্তকরণ মহড়া বলে।”

⇒ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারীকে হাজির করার এবং সেই সাথে যারা সন্দেহজনক ভাবে অভিযুক্ত (একাধিক ব্যক্তি) তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জেলহাজতে রাখার আদেশ প্রদান পূর্বক সনাক্তকরণ মহড়ার তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করে আদেশ দেন। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এখানে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারী যেন টিআই প্যারেড এরপূর্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে কোনক্রমে দেখার সুযোগ না পায়। শুধুমাত্র এই টি আই প্যারেড চলাকালীন সময়ে তাদেরকে দেখবেন। তারপর সাক্ষী বা ভিকটিম বা অভিযোগকারী শনাক্ত করবেন আসল অপরাধী কে? এই মহড়াকে টি আই প্যারেড বলে।
৭৪.
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to ___________.
  1. the Islamic calendar
  2. the Bangla calendar
  3. the Jewish calendar
  4. the Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
৭৫.
নিচের কোন মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. অগ্রক্রয়
  2. স্বত্ব ঘোষণা
  3. বাটোয়ারা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
--------------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৭৬.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. নির্বুদ্ধিতা
  2. নাবালকত্ব
  3. অপ্রকৃতিস্থতা
  4. বাক্‌শক্তিহীনতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু বাক্‌শক্তিহীনতা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৭৭.
তামাদি আইন অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০ এর বিধান নি:স্ব হিসাবে আপীল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper], যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল হবে, তার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৭৮.
সরকারের পক্ষে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাদী সরকার হলে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা করার তামাদি মেয়াদ ৬০ বছর।

- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৯ এর বিধান সুপ্রীম কোর্টের মূল এখতিয়ারাধীন মামলা ব্যতীত সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত কোন মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৬০ বৎসর।
৭৯.
তামাদি আইন অনুসারে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৮০.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
৮১.
তামাদি আইন অনুযায়ী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ কর্তৃক আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
৮২.
বার কাউন্সিল আদেশের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৮৩.
কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একজনের অধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
  1. অ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
  2. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
  3. যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত অ্যাডভোকেট
  4. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette]  ১ম অধ্যায় আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ[Conduct with regard to other Advocates] বিধি ১১ এর বিধান যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করবে এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করবে।
অর্থাৎ কোন মামলায় একপক্ষে একাধিক আইনজীবী নিয়োজিত হলে, সেই ক্ষেত্রে জৈাষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।
---------------------
Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
৮৪.
শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ কত বছরের জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ৩ বছরের
  2. ৫ বছরের
  3. ৭ বছরের
  4. ১০ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
-শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
৮৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারে
  1. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
৮৬.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব নিয়োগ করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান
  3. সরকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতে:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
-বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
-৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
-বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.