পরীক্ষা আর্কাইভ

২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১৪ আগস্ট, ২০০৯সময়45 minutes৯৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১৪ আগস্ট, ২০০৯ · ১০০ প্রশ্ন

.
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কয়টি?
  1. ১৩ টি
  2. ১০ টি
  3. ১২ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
• বর্ণ প্রকরণ:
ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।

- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
- মাত্রাহীন বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
- পূর্ণমাত্রা বর্ণ: ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
- অর্ধমাত্রা বর্ণ: ৮টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলা সাহিত্যের আদি কবি কে?
  1. কাহ্নপা
  2. চেণ্ডনপা
  3. লুইপা
  4. ভূসুকুপা
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপার। সে হিসেবে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি লুইপা।

-------------- 
• লুইপা: 
- লুইপা প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের একজন কবি।
- মুহাম্মদ শহীদুল্লার অনুমান: ৭৩০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লুইপা জীবিত ছিলেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, লুইপা রাঢ় অঞ্চলের লোক।
- লুইপা চর্যাপদের ১ ও ২৯ নং পদ রচনা করেন। 

• তাঁর রচিত চর্যার প্রথম পদটি হলো-

কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।।

-------------- 
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
- চর্যাপদ গ্রন্থের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা।
- চর্যাপদের সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা কাহ্নপা তিনি মোট ১৩ টি পদ রচনা করেন। তাঁর মধ্যে ১২টি পদ পাওয়া গেছে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা হচ্ছেন ভুসুকুপা। তিনি মোট ৮টি পদ রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
'তৎসম' শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশি হয়?
  1. চলিত রীতি
  2. সাধু রীতি
  3. মিশ্র রীতি
  4. আঞ্চলিক রীতি
ব্যাখ্যা
• সাধু রীতিতে 'তৎসম' শব্দের ব্যবহার বেশি হয়। 

• সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য: 
- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির ব্যাকরণ বই এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন কে?
  1. অক্ষয় দত্ত
  2. মার্শম্যান
  3. ব্রাশি হ্যালহেড
  4. রাজা রামমোহন
ব্যাখ্যা
• ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত রাজা রামমোহন রায়ের 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' ব্যাকরণ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।

• গৌড়ীয় ব্যাকরণ:

- ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।
- এটি রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ।
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ গ্রন্থ।
- এর আগে তিনি ইংরেজিতে Bengali Grammar in the English Language নামের একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।
- সর্বমোট বারোটি অধ্যায়ে এটি বিন্যস্ত।
- প্রথম অধ্যায়ে ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, শব্দ, অক্ষর প্রভৃতি সম্পর্কে দৃষ্টান্তসহ আলোচনা করা হয়েছে।
- গ্রন্থে বাংলা ভাষার স্বকীয় উচ্চারণ-পদ্ধতি সম্পর্কে রামমোহন কিছু মৌলিক বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।
- পরবর্তী অধ্যায়গুলিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বাংলা ভাষার লিঙ্গ, প্রত্যয়, পদান্বয়, বাক্যরীতি, ছন্দ ইত্যাদি।
- মোটামুটিভাবে গৌড়ীয় ব্যাকরণে রয়েছে বাংলা ভাষার ধ্বনি ও রূপগত বৈশিষ্ট্যের বৈয়াকরণিক বিশ্লেষণ।

---------------------------
• রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় এর জন্ম ১৭৭২ সালের ২২শে মে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ব্রাহ্মণ পরিবারে।
- ১৮৩০ সালে খেতাবসর্বস্ব মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তাঁর পক্ষে ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টে ওকালতি করার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠান।
- রামমোহন রায় কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় 'ব্রাহ্মসমাজ' স্থাপন করেন।
- রাজা রামমোহন রায় “শিব প্রসাদ রায়” ছদ্মনামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। 
- তিনি প্রায় ৩০ টি গ্রন্থ রচনা করেন।

তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- বেদান্তগ্রন্থ,
- বেদান্তসার,
- ভট্টাচার্যের সহিত বিচার,
- গোস্বামীর সহিত বিচার,
- সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
  1. সাত সাগরের মাঝি
  2. পাখির বাসা
  3. হাতেমতাই
  4. নৌফেল ও হাতেম
ব্যাখ্যা
• ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থ:
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখআহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’। গ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা: সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

-----------------------
• ফররুখ আহমদ:
- তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনি কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

• ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
প্রাচীনতম বাঙ্গালী মুসলমান কবি কে?
  1. আলাওল
  2. সৈয়দ সুলতান
  3. মুহম্মদ খান
  4. শাহ মুহম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা
• শাহ মুহম্মদ সগীর:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এ কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্যে বা রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ মুহম্মদ সগীর।
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম ইউসুফ-জুলেখা।
- তিনি পারস্যের জামী রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'চাচা কাহিনী'র লেখক কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. শওকত ওসমান
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা
• 'চাচা-কাহিনী' গ্রন্থটির লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী।
- গ্রন্থটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

-------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী: 
- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি  কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।  
- 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি। 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনিটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য।
- শবনম।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী।
- টুনি মেম।

• তাঁর রচিত রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র।
- ময়ূরকণ্ঠী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মুসলমান নারী জাগরণের কবি-
  1. ফজিলাতুন্নেছা
  2. ফয়জুন্নেছা
  3. বেগম রোকেয়া
  4. শামসুন্নাহার
ব্যাখ্যা
• বিতর্কিত প্রশ্ন।
- বেগম রোকেয়াকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়৷
- আর নারী জাগরণের কবি শামসুন্নাহার মাহমুদ।
[কেননা, বেগম রোকেয়ার কোনো কবিতার বই নেই; তাই তাকে ঠিক কবি বলা যাচ্ছে না।]

------------------------
• শামসুন্নাহার মাহমুদ:
• শামসুন্নাহার মাহমুদ ছিলেন একজন (১৯০৮-১৯৬৪) শিক্ষাবিদ ও লেখক।
• তিনি ডায়েসিমন কলেজ থেকে আই এ (১৯২৮), প্রাইভেটে ডিস্টিংকশনসহ বিএ (১৯৩২) এবং এম এ (১৯৪২) পাস করেন। বি এ পাস করার পর বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল হাইস্কুল থেকে তাঁকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। পরে তিনি বেগম রোকেয়ার নারীশিক্ষা ও নারীমুক্তি আন্দোলনের অংশীদার হন।

• শামসুন্নাহারের প্রথম লেখা কবিতা প্রকাশিত হয় কিশোরদের ‘আঙ্গুর’ নামক মাসিক পত্রিকায়।
• আই.এ পড়ার সময় তিনি নওরোজ ও আত্মশক্তি পত্রিকার মহিলা বিভাগ সম্পাদনা করতেন। কলকাতা থেকে প্রকাশিত বুলবুল (১৯৩৩) পত্রিকা হবীবুল্লাহ্ বাহার ও শামসুন্নাহার যুগ্মভাবে সম্পাদনা করেন। তাঁর লেখায় সমাজ ও সংস্কৃতি-প্রীতির প্রকাশ ঘটেছে।
• কাজী নজরুল তাঁর সিন্ধু-হিন্দোল (১৯২৭) কাব্যখানি ‘বাহার-নাহার’কে উৎসর্গ করেন।
• নারী শিক্ষা ও নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ শামসুন্নাহার মাহমুদকে ১৯৮১ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সমাজসেবার জন্য মরণোত্তর স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করেন।
• ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার বেগম শামসুন নাহার মাহমুদকে মরণোত্তর, ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হলো:
- পুণ্যময়ী,
- ফুলবাগিচা,
- বেগম মহল,
- রোকেয়া জীবনী,
- শিশুর শিক্ষা,
- আমার দেখা তুরষ্ক,
- নজরুলকে যেমন দেখেছি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' -এর রচয়িতা কে?
  1. জ্ঞানদাস
  2. দীন চণ্ডীদাস
  3. বড়ু চণ্ডীদাস
  4. দীনহীন চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' স্বীকৃত।
- এ গ্রন্থের লেখক বড়ু চণ্ডীদাস।
- এটি বাংলা ভাষায় কোন লেখকের প্রথম এককগ্রন্থ।
- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশজাত শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। এগুলো হলো -
- জন্ম খণ্ড,
- তাম্বুল খণ্ড,
- দান খণ্ড,
- নৌকা খণ্ড,
- ভার খণ্ড,
- ছত্র খণ্ড,
- বৃন্দাবন খণ্ড,
- কালিয়দমন খণ্ড,
- যমুনা খণ্ড,
- হার খণ্ড,
- বাণ খণ্ড,
- বংশী খণ্ড ও
- বিরহ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি?
  1. প্রভু যিশুর বাণী
  2. কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
  3. ফুলমণি ও করুণার বিবরণ
  4. মিশনারি জীবন
ব্যাখ্যা
• বাংলা কথ্য ভাষার আদি নিদর্শন ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'।

• ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থ:

- রোমান ক্যাথলিক পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দা আসসুম্পসাঁও কর্তৃক ১৭৩৪ সালে রচিত এবং ১৭৪৩ সালে লিসবনে রোমান হরফে মুদ্রিত ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক প্রচেষ্টার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
- গ্রন্থটি ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলের নাগরী নামক স্থানে লিখিত।
- এই গ্রন্থের বাঁ দিকের পৃষ্ঠায় বাংলা ভাষায় এবং ডান দিকের পৃষ্ঠায় পর্তুগিজভাষায় গুরু ও শিষ্যের কথোপকথনের মাধ্যমে খ্রিষ্টধর্মের মহিমা এবং খ্রিষ্টানদের আচার-অনুষ্ঠানের কথা আলোচিত হয়েছে।

-----------------------
• মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ:
- তিনি একজন পর্তুগিজ ছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন খ্রিস্টান ধর্মযাজক।
- মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ এর আগে কেউ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেননি।
- ১৭৪৩ সালে মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ দুটি বাংলা গ্রন্থ রচনা ও মুদ্রণ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ দুটি হলো:
- কৃপা শাস্ত্রের অর্থভেদ,
- ভোকাবুলিরও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১১.
কবি আলাওলের জন্মস্থান কোনটি?
  1. ফরিদপুরের সুরেশ্বর
  2. চট্টগ্রামের জোব্‌রা
  3. বার্মার আরাকান
  4. চট্টগ্রামের পটিয়া
ব্যাখ্যা
• আলাওল:
- তিনি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন।
- আলাওলের জন্ম আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে (জোবরা গ্রাম, হাটহাজারি, চট্টগ্রাম) মতান্বরে (ফতেহাবাদ পরগনা, ফরিদপুর)।
- আরাকান রাজসভা তথা সপ্তদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল।
- পদ্মাবতী তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।

• সৈয়দ আলাওল রচিত বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম:
- পদ্মাবতী,
- হপ্তপয়কর,
- সিকান্দারনামা,
- তোহফা,
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
'অনল-প্রবাহ' রচনা করেন-
  1. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  2. মোজাম্মেল হক
  3. এয়াকুব আলী চৌধুরী
  4. মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
ব্যাখ্যা
'অনল প্রবাহ' কাব্য:
• সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
• 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।

• 'অনল প্রবাহে' কবি হেমচন্দ্ৰ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভারত ভিক্ষা’, ‘ভারত বিলাপ' ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
• ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়। প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
• প্রথম সংস্করণে কবিতাগুলো হচ্ছে: অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ-ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।

• বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
• সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন। পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কি নারী জীবন,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

• ভ্রমণ কাহিনী:
- তুরস্ক ভ্রমণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা কোনটি?
  1. ধূমকেতু
  2. বিদ্রোহী
  3. প্রলয়োল্লাস
  4. অগ্রপথিক
ব্যাখ্যা
• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ:
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'।
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।

• অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস,
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
- আগমণী,
- ধূমকেতু,
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী,
- মহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ।
১৪.
বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলনে কোন পত্রিকার অবদান বেশি?
  1. কল্লোল
  2. সবুজপত্র
  3. বঙ্গদর্শন
  4. কালিকলম
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির/গদ্যরীতির প্রচলনে কোন ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার অবদান অপরিসীম।

• ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা:

- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতির ব্যবহার এই পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করে। 
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. জন + ইক
  2. জন + এক
  3. জনৈ + এক
  4. জন + ঈক
ব্যাখ্যা
• সন্ধি:
- পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গ, প্রত্যয় ও সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে ।

• সন্ধি তিন প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি ৷
- 'সূর্যোদয়' শব্দটির সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হচ্ছে সূর্য + উদয়। 'সূর্যোদয়' শব্দটি স্বরসন্ধি এর উদাহরণ।

• স্বরসন্ধি:
স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
যেমন-
শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা।
সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়।
মহা + ঋষি = মহর্ষি।
শীত + ঋত = শীতার্ত।
জন + এক = জনৈক।
বন + ওষধি = বনৌষধি।
প্রতি + এক = প্ৰত্যেক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
বাক্যের তিনটি গুণ কী কী?
  1. আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
  2. আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
  3. যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• একটি আদর্শ বাক্যের জন্যে ৩টি গুণ থাকা থাকা জরুরি।

• আকাঙ্ক্ষা: 
- বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণে এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা প্রয়াস তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।
উদাহরণ: কাজল নিয়মিত লেখাপড়া।
- উপরের বাক্যটি অসম্পূর্ণ। অর্থাৎ বাক্যে আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়নি।
- বাক্যটিকে এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়- কাজল নিয়মিত লেখাপড়া করে। 

• আসত্তি: 
- বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষায় সুনির্দিষ্ট পদবিন্যাসই হলো আসত্তি। 
উদাহরণ: নিয়মিত করে হাসান লেখাপড়া।
- বাক্যটির পদগুলো সন্নিবেশ না হওয়ায় অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ হয়নি। তাই এটি আদর্শ বাক্য নয়।
- পরিপূর্ণ বাক্য গঠনে বাক্যের পদ্গুলো সাজাতে হবে- হাসান নিয়মিত লেখাপড়া করে। 

• যোগ্যতা: 
- বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম হল যোগ্যতা।
উদাহরণ: বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে।
- বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারিয়েছে। কেননা রোদ কখনো প্লাবন সৃষ্টি করতে পারে না।
- তাই যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্যটি হবে- ‘বর্ষার বৃষ্টি প্লাবনের সৃষ্টি করে’। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াত মাহমুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
১৭.
'একাত্তরের চিঠি' -কোন জাতীয় রচনা?
  1. মুক্তিযুদ্ধের বিবরণ
  2. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
  3. মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
  4. ভিন্নধর্মী ডায়েরি
ব্যাখ্যা
• ‘একাত্তরের চিঠি’ পত্র সংকলন:
- একাত্তরের চিঠি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লেখা ৮২ টি চিঠির একটি সংকলন।
- দৈনিক প্রথম আলো ও গ্রামীনফোনের উদ্যোগে চিঠিগুলো সংগ্রহ করা হয়। সংকলনটি প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় (চৈত্র, ১৪১৫ বঙ্গাব্দ) মার্চ ২০০৯ এ। 
- এই সংকলনের সম্পাদনা পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন আমীন আহম্মেদ চৌধুরী, রশীদ হায়দার, সেলিনা হোসেন, নাসির উদ্দীন ইউসুফ।

উৎস: ‘একাত্তরের চিঠি’ বইয়ের ভুমিকা।
১৮.
বাংলা একাডেমি কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫ খ্রি.
  2. ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ
  3. ১৯৫২ খ্রি.
  4. ১৩৫২ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৯.
সনেট কবিতার প্রবর্তক কে?
  1. দ্বিজেন্দ্র লাল রায়
  2. রজনীকান্ত সেন
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
• বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 
- তাঁর রচিত “চতুর্দশপদী কবিতাবলী” বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন।

উল্লেখ্য,
- সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম উদ্ভব হয় ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইতালিতে।
- ইংল্যান্ডে সনেটের প্রবর্তন হয় স্যার থমাস ওয়াইয়াট এবং হেনরি হাওয়ার্ডের মাধ্যমে।

----------------------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
- তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন তাঁর রচিত ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'দ্য ক্যাপটিভ লেডি'। এটি ইংরেজিতে রচিত।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো হলো:
- Timothy Penpoem,
- দত্তকুলোদ্ভব কবি,
- এ নেটিভ।

• তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

• তাঁর রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী,
- কৃষ্ণকুমারী,
- মায়াকানন।

• মাইকেল মুধুসূধন দত্ত রচিত প্রহসনগুলোর নাম
- একেই কি বলে সভ্যতা
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
২০.
সমাস ভাষাকে কী করে?
  1. সংক্ষেপ করে
  2. বিস্তৃত করে
  3. অর্থপূর্ণ করে
  4. অর্থের রূপান্তর ঘটায়
ব্যাখ্যা
• সমাস:
- অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দ একসঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
- সমাস অর্থ হল সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ।
- সমাসের কাজ হলো ভাষাকে সংক্ষপে করা, নতুন অর্থবোধক শব্দ সৃষ্টি করা, শব্দ গঠন প্রভৃতি।
- সমাস শব্দ বা রূপতত্ত্বে আলেচিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২১.
'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. মোহাম্মদ নজীবর রহমান
  2. কাজী ইমদাদুল হক
  3. শেখ ফজলুল করিম
  4. মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদ
ব্যাখ্যা
• 'আবদুল্লাহ' উপন্যাস:
- 'আবদুল্লাহ' কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো। ১৯৩৩ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি রচনাকালীন সময়ে কাজী ইমদাদুল হকের মৃত্যু হলে, কাজী আনোয়ারুল কাদির ইমদাদুল হকের খসড়া অবলম্বন করে অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করেন।

- উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ৷

- শিল্পের বিচারে 'আবদুল্লাহ্‌' উৎকৃষ্ট উপন্যাস নয়, তবে বাংলার সামাজিক বিবর্তনের, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানের অগ্রযাত্রার সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা সুচারুভাবে ফুটে উঠায় গ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে। 

----------------------------
• কাজী ইমদাদুল হক: 
 - কাজী ইমদাদুল হক ১৮৮২ সালে খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের লেখক হিসেবেই তাঁর সমধিক পরিচিতি।
- আবদুল্লাহ উপন্যাস রচনা করেই তিনি ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। 
- বাঙালি মুসলমান সমাজের কল্যাণসাধন ছিল ইমদাদুল হকের সাহিত্য সাধনার মূল লক্ষ্য।
- তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা (১৯১৮) প্রকাশনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। 

 তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
- আঁখিজল, 
- মোসলেম জগতে বিজ্ঞান চর্চা,  
- ভূগোল শিক্ষা প্রণালী (দু ভাগ),
- নবীকাহিনী ( প্রবন্ধমালা), 
- কামারের কান্ড,  
- আবদুল্লাহ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২২.
বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাসের নাম-
  1. দুর্গেশনন্দিনী
  2. কপালকুণ্ডলা
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল
  4. রজনী
ব্যাখ্যা
• দুর্গেশনন্দিনী:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
- দুর্গেশনন্দিনীর শব্দের অর্থ প্রধানের কন্যা।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৫ খ্রিষ্টাব্দে।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র: তিলোত্তমা।

উপন্যাসের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- বীরেন্দ্র সিংহ,
- ওসমান,
- জগৎসিংহ,
- তিলোত্তমা,
- আয়েশা,
- বিমলা প্রমুখ।

-------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫। এটি তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
I have not heard from him _______.
  1. long since
  2. for a long time
  3. since long
  4. for long
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নে 'for a long time' ও 'for long' দুটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

- "for long" শুধু negative statements এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- "for a long time" positive ও negative statements দুটির ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।

• Complete sentence: 
1. I have not heard from him for a long time.
2. I have not heard from him for long.
- Bangla meaning: আমি তার কাছ থেকে অনেক দিন যাবত শুনিনি।
২৪.
Honey is _______sweet.
  1. very
  2. too much
  3. much too
  4. excessive
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - very. 
- Complete sentence: Honey is very sweet. 

• Sweet হচ্ছে একটি adjective এবং এটিকে modify করার জন্য এর পূর্বে একটি adverb প্রয়োজন।
- এখানে very হচ্ছে একটি adverb.
- যেসব word noun বা pronoun ব্যতীত অন্য যেকোনো parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে Adverb বলে।
- প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে  very, adjective sweet কে modify করছে।
২৫.
Your conduct admits ________ no excuse.
  1. to
  2. for
  3. of
  4. at
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - of.
- Complete sentence: Your conduct admits of no excuse. 

• Admit of (phrasal verb)

English Meaning: to allow something or make it possible.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) অবকাশ থাকা।

Example:
1. Your conduct admits of no excuse.
2. A question that admits of two possible answers.

• Admit to (phrasal verb)
English Meaning: admitted to; admitting to; admits to.
Bangla Meaning: স্বীকার করা; স্বীকারোক্তি করা।

Example:
1. He reluctantly admitted to knowing her. 
2. He admitted to his guilt.

Source: 
1. Merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৬.
He had a _____ headache.
  1. strong
  2. acute
  3. serious
  4. bad
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - bad.
- Complete sentence: He had a bad headache.
• সাধারনত মাথা ব্যথার তীব্রতা বোঝাতে severe, chronic, bad, splitting, acute ইত্যাদি এই শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।

• অপশন গুলোর অর্থ - 
ক) strong - শক্ত; দৃঢ়; সুদৃঢ়।
খ) acute - তীক্ষ্ণ; ক্ষিপ্র; সূক্ষ্ম। 
গ) serious - গুরুতর;
ঘ) bad - খারাপ, মারাত্মক; সাংঘাতিক।

- উল্লেখ্য - এখানে article 'a' থাকার কারণে acute হবে না।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৭.
I shall not ____ the examination this year.
  1. give
  2. appear at
  3. sit
  4. go for
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - appear at.
- Complete sentence: I shall not appear at the examination this year. 
- পরীক্ষা দেওয়ার অর্থে take/appear at/sit for বসে।

• Appear at: 
English Meaning - To start to be seen or to be present. 
Bangla Meaning - পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা। 

Other options, 
ক) Give: পরীক্ষা দেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।
গ) Sit: যদিও এটি কখনও কখনও পরীক্ষার প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়, তবে "appear at" অধিক প্রচলিত ও আনুষ্ঠানিক।
ঘ) Go for: এটি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হওয়া বা চেষ্টা করা বোঝাতে পারে, কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সঠিক অভিব্যক্তি নয়।

- সুতরাং, "I shall not appear at the examination this year"
- বাক্যটি সঠিকভাবে বোঝায় যে ব্যক্তিটি এই বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে না।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৮.
They travelled to Savar __________.
  1. on foot
  2. by walking
  3. on their feet
  4. by foot
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - on foot.
- Complete sentence: They travelled to Savar on foot.

• On foot - walking
- if you go somewhere on foot, you walk there.
- অর্থাৎ, পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে on foot ব্যবহৃত হয়।

• Example:
- It takes about 30 minutes on foot, or 10 minutes by car.
- My friend always goes home on foot.
২৯.
He said that he ____ be unable to come.
  1. will
  2. shall
  3. should
  4. would
ব্যাখ্যা
• বাক্যটাকে Direct Narration এ চিন্তা করলে এ রকম হয় - "He said, 'I shall/will be unable to come.'"
- Direct Speech এর Reporting verb টি past tense এ হওয়ায়, Reported speech - ও past tense এ হবে।
- reported speech এর will এর পরিবর্তিত হয়ে would হবে, can হবে could.

• তাই শূন্যস্থানে would বসবে।
- Complete sentence: He said that he would be unable to come.
৩০.
Neither Rini nor Simi ____ qualified for the job.
  1. are
  2. is
  3. were
  4. had
ব্যাখ্যা
• Complete sentence:
- Neither Rini nor Simi is qualified for the job.

• Neither .... nor দ্বারা দুইটা Noun/Pronoun যুক্ত হলে শেষের subject অনুযায়ী verb বসে।
- যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নের শেষের subject Simi – third person singular number এ আছে, তাই এখানে ‍is হবে।
- আর বাক্যটি Passive ধারণা দিচ্ছে, তাই এখানে had বসালে sentence টি structure-গত দিক থেকে ভুল হবে।
------------------

• [Either/neither] + noun + [or/nor] + singular noun + singular verb.
- Neither the salesmen nor the marketing manager is in favor of the system.

• [Either/neither] + noun + [or/nor] + plural noun + plural verb.
- Neither Rahi nor his friends are qualified for the job.

• Either and neither are singular if they are not used with or and nor.
- If either of you takes a vacation now, we will not be able to finish the work.
৩১.
He said that he ____ the previous day.
  1. has come
  2. had come
  3. came
  4. arrived
ব্যাখ্যা

• বাক্যটাকে Direct Narration এ চিন্তা করলে এ রকম হয় He said, “I came yesterday”.
- Direct Speech এর Simple Past Tense, Indirect Speech এ Past Perfect Tense এ পরিবর্তিত হয়।
- Direct Narration - এ yesterday থাকলে Indirect Narration - এ the previous day হয়।
- প্রদত্ত বাক্যটি Direct Narration-এ Past Indefinite Tense-এ ছিলো, তাই Indirect Narration-এ Past Perfect Tense হবে।

• তাই শূন্যস্থানে had come বসবে।
- Complete sentence: He said that he had come the previous day.

• Direct Speech/ Reporting speech Vs Indirect speech / Reported  speech

- Present indefinite ↔ Past indefinite 
- Present continuous ↔ Past continuous 
- Present Perfect ↔ Past perfect 
- Past indefinite ↔ Past Perfect 
- Past continuous ↔ Past perfect continuous
- Past perfect ↔ Past Perfect 
- Future Indefinite ↔ Use of modal 

৩২.
He watched the boat ____ down the river.
  1. to float
  2. floating
  3. was floating
  4. had floated
ব্যাখ্যা
• Collins Dictionary এবং Longman Dictionary অনুসারে Watch এর পর verb এর base form অথবা verb+ing দুটিই হতে পারে।
- এছাড়া, কোন simple sentence এ দুটি main verb ব্যবহার করা যায় না।
- তাই একটি verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।

• তাই, এখানে, floating সঠিক উত্তর।
- Complete sentence: He watched the boat floating down the river. 

• From Collins Dictionary -
• If you watch someone or something, you look at them, usually for a period of time, and pay attention to what is happening.
- The man was standing in his doorway watching him. 
- He watched the waiter prepare the coffee he had ordered. 
- Chris watched him sipping his brandy. 
- I watched as Amy ate a few nuts. 

• From Longman Dictionary -
• watch somebody/something do/doing something
- I watched him go, then went home.
- Ruth could not bear to watch her parents arguing.
৩৩.
'Sky' is to 'bird' as 'water' is to-
  1. feather
  2. fish
  3. boat
  4. lotus
ব্যাখ্যা
• 'Sky' is to 'Bird' as 'Water' is to - Fish.

• সম্পর্ক:
- পাখি (bird) আকাশে (sky) বিচরণ করে।
- মাছের (fish) বিচরণস্থল হলো পানি (water).

• As "sky" is the natural habitat or environment for birds to fly and live in, following the same logic 'water' is the natural habitat or environment for 'fish' to swim and live in.
- "পানি" এর সাথে মাছের একটি সমতুল্য সম্পর্ক বোঝানো হচ্ছে।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
- boat: নৌকা; তরি; তরণী।
- ship: জাহাজ; পোত; অর্ণবপোত; বহিত্র।
- lotus: পদ্ম; জলপদ্ম।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৪.
'Good' is to 'bad' as 'white' is to-
  1. dark
  2. black
  3. grey
  4. ebony
ব্যাখ্যা
• 'Good' is to 'bad' as 'white' is to -black 
- ভালোর(Good) বিপরীত মন্দ(Bad);
- সাদার(White) বিপরীত কালো(Black)।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
ক) dark (noun) [uncountable noun]
- অন্ধকার; আঁধার; তিমির; তমসা।

গ) grey (adjective)
- ধূসর; ছাইরঙ।

ঘ) Ebony (adjective)
- আবলুস কাঠের তৈরি; আবলুস কাঠের মতো কালো।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৫.
'Botany' is to 'plants' as 'Zoology' is to-
  1. flowers
  2. trees
  3. dear
  4. animals
ব্যাখ্যা
• গাছপালা (Plants) উদ্ভিদবিদ্যার (Botany) বিষয়।
- তেমনি প্রাণীদের (Animals) নিয়ে আলোচনা করে প্রাণীবিদ্যা (Zoology)।
- সুতরাং, 'Botany' is to 'Plants' as 'Zoology' is to- 'Animals'

• অন্য অপশনগুলর মধ্যে -
ক) Flowers - ফুল।
খ) Trees - গাছপালা।
ঘ) Dear - প্রিয়।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৬.
The bad news struck him like a bolt from the________.
  1. sky
  2. heavens
  3. firmament
  4. blue
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - blue.
- Complete Sentence: The bad news struck him like a bolt from the blue.
- Bangla Meaning: খারাপ খবরটি তাকে বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো আঘাত করেছিল।

• A bolt from the blue: 
English Meaning: 1. a sudden and unexpected event or piece of news.
Bangla Meaning: ১. অপ্রত্যাশিত ঘটনা বা খবর।  বিনামেঘে বজ্রপাত।

Ex. Sentence: 1. The news of his accident was like a bolt from the blue.

English Meaning: 2. a complete surprise.
Bangla Meaning: ২. সম্পূর্ণরূপে বিস্মিত হওয়া।

Ex. Sentence: 2. The job came like a bolt from the blue.
Bangla Meaning: ২. চাকুরিটা হঠাৎ করে (অপ্রত্যাশিতভাবে) হয়ে গেলো।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৭.
When one is 'pragmatic' he is being-
  1. wasteful
  2. productive
  3. practical
  4. fussy
ব্যাখ্যা
• Pragmatist (noun)
Meaning: A person who is guided more by practical considerations than by ideals.
Bangla meaning: প্রয়োগবাদী।

• অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ  -
ক) wasteful -  অপচয়ী; অপব্যয়ী
খ) productive -  উৎপাদনশীল; ফলপ্রসূ; উর্বর।
গ) practical -  প্রায়োগিক; ব্যবহারিক; ফলিত।
ঘ) powerful - শক্তিশালী; পরাক্রান্ত; প্রবল; বলিষ্ঠ; জোরালো।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, সঠিক উত্তর হবে -  practical.
- When he is pragmatic. he is being -practical.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৮.
'Into the ____ of death rode the six hundred'.
  1. city
  2. tunnel
  3. road
  4. valley
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - valley.
Complete sentence: Into the valley of death rode the six hundred. 

• "Into the valley of Death
Rode the six hundred" -
- উল্লিখিত লাইন গুলো Alfred Tennyson লিখিত কবিতা 'The Charge of the Light Brigade' হতে উদ্ধৃত।
- লাইনটি কবিতাটির প্রথম স্তবকের শেষ দুই লাইন।

• The Charge of the Light Brigade: 
- Tennyson রচিত একটি কবিতা যা ১৮৫৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- ১৮৫৪ সালে ক্রিমিয়ান যুদ্ধ চলাকালে বালাক্লাভা নামক এক রণক্ষেত্রে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং তুরস্কের এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই 'Battle of Balaklava' এর প্রেক্ষিতেই কবি কবিতাটি রচনা করেন।

• Alfred, Lord Tennyson:
- Alfred, Lord Tennyson, in full Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- He was a represented/ Lyric poet of the Victorian Age.

• Best Works:
- Oenone,
- Ulysses,
- Lotus Eaters,
- Locksley Hall,
- Tears Idle Tears,
- Tithonus,
- The Two Voices,
- The Lady of Shalott,
- Vision of Sin,
- Morte D'Arthur,
- The Falcon,
- In Memoriam (Elegy),
- Queen Mary (Comedy),
- Harold, etc.

Source: Britannica.com
৩৯.
"To be or not to be, that is the ____."
  1. meaning
  2. question
  3. answer
  4. issue
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - question. 
- Complete sentence: 'To be, or not to be, that is the question.'
-This line is written by William Shakespeare, in his famous tragedy 'Hamlet'.
 
• Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  এটিও 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই ট্র্যাজিডিটি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে তার চাচা Claudius, তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
 
• The important characters of Hamlet:
- Ophelia (Heroine),
- Hamlet,
- Claudius, (Uncle of Hamlet)
- Gertrude (Mother of Hamlet)
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet)
- Polonius (Ophelia's Father)
- Laertes (Ophelia's Uncle) etc.
 
• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- There is divinity that shapes our end.
 
Source: Britannica.
৪০.
"I have a ____ that one day this nation will live out the true meaning of its creed that all men are created equal."
  1. desire
  2. hope
  3. dream
  4. wish
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - dream.
- Complete sentence: "I have a dream that one day this nation will live out the true meaning of its creed that all men are created equal."
- Speech by the Rev. Martin Luther King At the ''March on Washington''.
- উপরিউক্ত উক্তিটি মার্কিন বর্ণবাদবিরোধী নেতা মার্টিন লুথার কিং এর বক্তৃতা থেকে উদ্ধৃত।

• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র:
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।
- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

Source: Britannica.
৪১.
Who wrote the two famous novels, 'David Copperfield' and 'The Tale of two Cities'?
  1. Thomas Hardy
  2. Jane Austen
  3. George Eliot
  4. Charles Dickens
ব্যাখ্যা
'Charles Dickens' wrote the two famous novels, 'David Copperfield' and 'The Tale of two Cities'

• David Copperfield:
- উপন্যাসটির পুরো নাম: The Personal History of David Copperfield.
- পূর্নাঙ্গ বই আকারে এটি প্রকাশিত হয় ১৮৫০ সালে।
- লেখকের মতে এটা তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তিনি এটাকে আখ্যায়িত করতেন তার “favorite child.” হিসেবে।
- The work is semi-autobiographical বা আত্মজীবনী মূলক উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখার প্রেরণা লেখক তার নিজের জীবন থেকেই সংগ্রহ করেছিলেন।
কাহিনীর সময়কাল হিসেবে দেখানো হয়েছে রাণী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলের প্রথমদিকের সময়।

• Short Summary:
- উপন্যাসে দেখা যায় মাঝ বয়সী David Copperfield তার ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিচারণ করছে। David এর বাবা মারা যায় তার জন্মের আগেই। তার মা Mrs. Clara Copperfield আবার বিয়ে করে। আট বছর বয়সে তার ঠিকানা হয় বোর্ডিং স্কুলে। বোর্ডিং হাউজটির নাম ছিল Salem House.
- David Copperfield এর সাথে খুব ভাল সম্পর্ক ছিল তাদের বাড়ীর গৃহ পরিচারিকা Peggotty এর। Peggotty এর বাড়ীতেও যায় সে বোর্ডিং স্কুলে যাবার আগে। তার জীবনের অন্যতম সেরা একটি সময় ছিল সেখানে কাটানো সময়গুলো।
- বোর্ডিং স্কুলে তার দুইজন খুব ভালো বন্ধু হয়। তারা হল, Tommy Traddles এবং Steerforth.

• Characters:
- Uriah Heep,
- Peggotty,
- James Steerforth,
- David Copperfield,
- Wilkins Micawber,
- Edward Murdstone,
- Aunt Betsey Trotwood,
- Dora Spenlow, etc.
----------------------------
• A Tale of Two Cities:
- এই Novel টিতে London and Paris city দুইটিকে ঘিরে কাহিনি গড়ে উঠেছে।
- ফরাসী বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্ট এই উপন্যাসটি।
- কাহিনির সূত্রপাতে দেখা যায় Lucie Manette একজন তরুণী যে বিস্ময়ে ফেটে পড়ে তার বাবা Doctor Alexandre Manette এর জীবিত থাকার কথা শুনে ।
- অত্যাচারি জমিদারের ষড়যন্ত্রে পড়ে নির্দোষ Doctor Manette জেল খাটতে বাধ্য হন।
- জেলে থাকা অবস্থায়ই তিনি মুচির কাজ শিখেন।
- তার মেয়ে Lucie বড় হবার পর বাবার কথা জানতে পেরে বাবাকে প্যারিস থেকে লন্ডনে নিয়ে আসেন।
- পথিমধ্যে তাদের সাথে পরিচয় হয় Charles Darnay এর সাথে। যে ফরাসী রাজপরিবারের সদস্য হলেও তার পরিবারের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল এবং প্রায়শ্চিত্ব করতে চেয়েছিল।
- এছাড়া পরবর্তীতে Sydney Carton নামক একজন পারিবারিক বন্ধু প্রেমে পড়ে Lucie Manette এর ।

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Sydne Carton,
- Lucie Manette,
- Charles Darnay,
- Dr. Alexandre Manette,
- Madame Defarge.

• উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি সমূহ -
- “It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of light, it was the season of darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair.” (First Line)

- "It is a far, far better thing that I do, than I have ever done; it is a far, far better rest I go to than I have ever known." (last Line)

• Charles Dickens:
- তিনি একজন British novelist
- He is generally considered the greatest of the Victorian era.

• Best Works: (Novels)
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House.
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations, and
- Our Mutual Friend,
- Hard Times,
- The Pickwick Papers, etc.

Source: Live MCQ lecture and Britannica.com
৪২.
Who wrote the plays, 'The Tempest' and 'The Mid Summer Night's Dream'?
  1. Ben Johnson
  2. Christopher Marlowe
  3. John Dryden
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা

• William Shakespeare wrote the plays, 'The Tempest' and 'The Mid Summer Night's Dream'.

• 'The Tempest' by William Shakespeare is a Comedy play/ drama.
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Foilo এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- The Tempest হচ্ছে William Shakespeare এর last work বা Swan Song.
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.

• এই কমেডিতে Duke Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda এর কথা বলা হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Propero কে supernatural powers এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
- নাটকের শুরুতেই দেখা যায় Prospero তার জাদু শক্তির ব্যবহার করে সমুদ্রে এক ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে নাটকের অন্য চরিত্র গুলো তার নির্বাসিত স্বীপে এসে পৌঁছেছে।
- Prospero, using his knowledge of magic and sorcery, conjures a storm (the tempest) to shipwreck his brother Antonio, who had usurped his position and cast him out.

• Main Characters: 
- Prospero (Duke),
- Miranda(Heroine),
- Ariel (Supernatural creature - good character),
- Caliban (Supernatural creature - bad in character),
- Antony (Villain/ brother of Duke),
- Ferdinand (Hero),
- Gonzalo ইত্যাদি।

• Some quotations from The Tempest: 
- “Hell is empty and all the devils are here.”
- “We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep.”
- “This thing of darkness, I Acknowledge mine.”
- “Thought is free.”
- “O, brave new world, that has such people in't!”
- “Awake, dear heart, awake. Thou hast slept well. Awake.”
- “Misery acquaints a man with strange bedfellows.”
--------------------
• A Midsummer Night’s Dream:
- এটি William Shakespeare রচিত একটি comedy.
- 5 acts বিশিষ্ট এই comedy টি ১৫৯৫-৯৬ সালের দিকে লেখা এবং ১৬০০ সালে প্রকাশিত হয়।
- A Midsummer Night’s Dream, with its multilayered examination of love and its vagaries, has long been one of the most popular of Shakespeare’s plays.
- The play is set in Athens, and consists of several subplots that revolve around the marriage of Theseus and Hippolyta. One subplot involves a conflict between four Athenian lovers.
- Another follows a group of six amateur actors rehearsing the play which they are to perform before the wedding.

• Characters:
- Hermia,
- Oberon,
- Puck,
- Titania,
- Lysander,
- Hippolyta,
- Helena,
- Nick Bottom,
- Egeus,
- Demetrius,
- Philostrate,
- Francis Flute,
- Falstaff,
- Theseus, etc.


• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

Source: Britannica.

৪৩.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯২১ সালে
  3. ১৯৩১ সালে
  4. ১৯৪১ সালে
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই পূর্ববঙ্গের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নাথান কমিশন গঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারত সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে বঙ্গভঙ্গ রদের রাজকীয় ক্ষতিপূরণ হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন স্যার পি জে হার্টজ।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্ণ হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪৪.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন।] বাংলাদেশে কয়টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে?
  1. ১৪ টি
  2. ২৪ টি
  3. ৩৪ টি
  4. ৫০ টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবসাইট অনুসারে,
বর্তমানে বাংলাদেশে — ৫৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

এর মধ্যে, 
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস:
- ইউজিসি ওয়েবসাইট।
৪৫.
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন — লর্ড কার্জন।
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

অন্যদিকে,
• লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
• ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বশেষ ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তাঁর সময় ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল।
• লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ সালে স্বত্ব বিলোপ নীতির (ডকট্রিন অব ল্যাপ্স) প্রবর্তন করেন। তবে ডালহৌসির পূর্বেও ব্রিটিশ ভারতে এই নীতির প্রয়োগ ছিলো। ডালহৌসি এই নীতির সর্বাধিক প্রয়োগ করেন।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় ১৮৫৬ সালে লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ কোনটি?
  1. সেন্টমার্টিন
  2. সাতগ্রাম
  3. মুজিবনগর
  4. চৌদ্দগ্রাম
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন।

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ৮ বর্গ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
• 'সাতগ্রাম':
- নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইাহাজার উপজেলাধীন  সাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ।
- আয়তন: ১২.৬৭ বর্গ মাইল (৩২.৮২ বর্গ কিমি )।

• মুজিবনগর ইউনিয়ন:
- আয়তন: ৩০ বর্গ মাইল।

• চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা:
- এর আয়তন - ১৮.১০ বর্গকি.মি।
 
সে হিসেবে বলা যায়, 
• বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন - সেন্টমার্টিন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৪৭.
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. মায়ানমার
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই সবার আগে ৬ ডিসেম্বর ভুটান এবং ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
– পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ভুটানের স্বীকৃতি প্রদানের আনুষ্ঠানিক খবর তারবার্তার মাধ্যমে মুজিবনগর সরকারের কাছে পৌঁছার কয়েক ঘণ্টা পর আর একটি তারবার্তার মাধ্যমে ভারত, বাংলাদেশকে দ্বিতীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। 

যেহেতু অপশনে ভুটান নেই তাই ভারত উত্তর দেয়া যায়।

--------------------- 
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার — সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে — ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- বাংলাদেশকে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ২৫ মে ১৯৭২।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৪৮.
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ক্যাপটেন মনসুর আলী
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪৯.
সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানীর নাম কী?
  1. সোনারগাঁ
  2. জাহাঙ্গীরনগর
  3. ঢাকা
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা
• সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল — সোনারগাঁও ও গৌড়।

• বাংলার প্রাচীন রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁও ও গৌড়:
- নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে সোনারগাঁও অবস্থিত।
- সবুজ বন-বনানী আর অনুপম স্থাপত্যশৈলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য়ের নান্দনিক ও নৈসর্গিক পরিবেশে ঘেরা বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁও।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
- পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
- সুলতানি আমলে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে এবং সর্বশেষ  রাজধানী গৌড় ছিল। সে আলোকে গৌড়  উত্তর নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও,
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- পানাম নগরের নির্মিত ভবনগুলো ছোট লাল ইট দ্বারা তৈরী।
- ইমারতগুলো কোথাও একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন, আবার কোথাও সন্নিহিত।
- অধিকাংশ ভবনই আয়তাকার এবং উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত।দীর্ঘ একটি সড়কের উভয় পাশে দৃষ্টিনন্দন ভবন স্থাপত্যের মাধ্যমে পানামনগর গড়ে উঠেছিল।
- উভয় পাশে মোট ৫২টি পুরোনো বাড়ী এই ক্ষুদ্র নগরীর মূল আকর্ষণ।

উল্লেখ্য,
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওকে স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজধানী করেন।
- জালালউদ্দিন মাহমুদ শাহ তার রাজধানী গৌড়ে স্থানান্তরিত করেন। 
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ সিংহাসনে আরোহণ করে রাজধানী গৌড় থেকে একডালাতে স্থানান্তরিত করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া (লিংক)।
৫০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ক্যাপটেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
• জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:
- জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন।
- তাঁর পদোন্নতি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন কর্নেল এম এ রব।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫১.
পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি জেলা আছে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ৯ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা — ৩ টি।

• পার্বত্য চট্টগ্রাম:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি এলাকা, যা তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত।
- চট্টগ্রাম বিভাগের এই এলাকা পাহাড় ও উপত্যকায় পূর্ণ বলে এর নামকরণ হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম।
- আশির দশকের প্রথম দিকে দেশব্যাপী প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি স্বতন্ত্র  জেলায় বিভক্ত করা হয়।
যথা- 
- রাঙ্গামাটি,
- বান্দরবান, 
- খাগড়াছড়ি নিয়ে গঠিত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৫২.
ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  3. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড ওয়াভেল
ব্যাখ্যা
• ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন — লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।

উল্লেখ্য,
- তিনি গভর্নর জেনারেল হিসেবে ১৯৪৭ সালের আগস্ট থেকে ১৯৪৮ সালের জুন পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- মাউন্টব্যাটেন কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরও ভারত বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী ছিলেন।
- মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালে ‘আর্ল’ উপাধি প্রাপ্ত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ৪ টি
  2. ৭ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৪ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট — ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

- সেক্টর নং ১ -  ৫টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- সেক্টর নং ২ -  এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
- সেক্টর নং ৩ - এই সেক্টরে ছিল ১০টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৪ - এই সেক্টরে ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৫ - ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।
- সেক্টর নং ৬ - এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৭ -  এই সেক্টরে ছিল ৮টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৮ -  এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৯ - এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ১০ - এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।
- সেক্টর নং ১১ -  এই সেক্টরকে ৮টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
টেকনাফ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. নাফ
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
• টেকনাফ ও নাফ নদী:
- টেকনাফ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা।
- এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। 
- টেকনাফ মায়ানমারের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর তীরে অবস্থিত। 
- কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত প্রলম্বিত খাঁড়ি সদৃশ নাফ নদী মায়ানমারের আরাকান থেকে কক্সবাজার জেলাকে বিভক্ত করেছে।
- আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অন্যান্য পাহাড় থেকে উৎসারিত নাফ নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণতম উপজেলা টেকনাফ নাফ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- মায়ানমারের আকিয়াব বন্দর নাফ নদীর বাম তীরে অবস্থিত।

উৎস: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৫.
দক্ষিণ তালপট্টি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
  1. নাফ
  2. তেতুলিয়া
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. হাড়িয়াভাঙ্গা
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- পূর্ববাশা বা নিউ মুর আইল্যান্ড বঙ্গোপসাগরের অবস্থিত ভারতের ছোটো জনবসতিহীন সাগরমুখী দ্বীপ। 
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ অঞ্চলের উপকূলে অবস্থিত এবং১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে। 
- নদীর মোহনা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
গৌড়ের সোনা মসজিদ কার আমলে নির্মিত হয়?
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. হোসেন শাহ্‌
  3. শায়েস্তা খাঁ
  4. ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা
• সোনা মসজিদ:
- সোনা মসজিদ বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ।
- প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড় নগরীর উপকণ্ঠে পিরোজপুর গ্রামে এ স্থাপনাটি নির্মিত হয়েছিল।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ এর শাসনামলে (১৪৯৪-১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দে) ওয়ালি মোহাম্মদ আলি নামে এক ব্যক্তি এই মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন।
- এটি বাংলায় মুসলিম স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষের নিদর্শন।
- ঊনিশ শতকের প্রথম দিকে মেজর ফ্রাঙ্কলিন মসজিদের নিকটে একটি শিলালিপি আবিষ্কার করেন।
- এটিকে এ মসজিদেরই শিলালিপি বলে মনে করা হত। 

এছাড়াও,
- সুলতানী আমলের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শনের অন্যতম হলো- গৌড়ের দাখিল দরওয়াজা, কোতওয়ালী দরওয়াজা, আদিনা মসজিদ, কদম রসুল, ষাটগম্বুজ মসজিদ ইত্যাদি।
- চমৎকার মাটির পাত্র, আসবাবপত্র, ছুরি, কাঁচি ইত্যাদি তৈরিতেও সুলতানী আমলের বাংলার কারিগররা দক্ষ ছিল।
- গাছের ছাল থেকে কাগজ তৈরি এবং সমুদ্রগামী জাহাজ তৈরিতেও এ সময় বাংলায় খ্যাতি অর্জন করেছিল।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
আইএলও-র সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. জেনেভা
  3. নিউইয়র্ক
  4. দিল্লী
ব্যাখ্যা
ILO:
- ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের জুনে ১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

এছাড়াও,
- তিন বছরের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
৫৮.
এসকাপের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্যাংকক
  2. সিঙ্গাপুর
  3. দিল্লী
  4. কলম্বো
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC):
⇒ জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।
- এগুলো হলো:
১) United Nations Economic Commission for Europe (ECE);
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
২) United Nations Economic Commission for Africa (ECA);
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
৩) United Nations Economic Commission for Latin America and the Caribbean (ECLAC);
- সদর দপ্তর: সান্টিয়াগো, চিলি।
8) Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP);
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
৫) Economic and Social Commission for Western Asia (ESCWA);
- সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন।

• ESCAP:
- ESCAP-এর পূর্ণরূপ: UN Economic and Social Commission for Asia and the Pacific বা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন।
- গঠিত হয়: ২৮ মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: সাংহাই, চিন।
- সদরদপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ৫৩টি।

উৎস: ESCAP ওয়েবসাইট।
৫৯.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. ব্রাসেলস
  3. বন
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
European Union:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

এছাড়াও,
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা: ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক: রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরো মুদ্রা প্রচলন প্রচলন শুরু হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশসমূহের সীমান্ত বাহিনীর নাম: FRONTEX।

উৎস: EU-এর ওয়েবসাইট।
৬০.
East London কোথায় অবস্থিত?
  1. ইংল্যান্ডে
  2. জার্মানিতে
  3. আমেরিকায়
  4. দক্ষিণ আফ্রিকায়
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
⇒ East London:
- 'East London' দক্ষিণ আফ্রিকার একটি শহর।
- এটি পূর্ব কেপ প্রদেশের বাফেলো নদীর মুখে অবস্থিত।
- এটির প্রকৃত নাম পোর্ট রেক্স।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
৬১.
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম কী?
  1. জর্জ বুশ
  2. হিলারী ক্লিনটন
  3. রবার্ট গেইট
  4. কন্দালিসা রাইস
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান এবং প্রথম নারী/প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন কমলা দেবী হ্যারিস। তিনি দেশটির ৪৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। (অক্টোবর, ২০২৪)

উৎস: The White House (.gov) ওয়েবসাইট।
৬২.
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]
ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
  1. সোনিয়া গান্ধী
  2. ড. মনমোহন সিং
  3. মমতা ব্যানার্জী
  4. রাহুল গান্ধী
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

ভারত:

- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
- ভারত স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
- সংবিধান কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় প্রতীক: অশোকচক্র।
- অঙ্গরাজ্য: ২৮টি।
- আইনসভা: দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট। যথা: রাজ্যসভা (উচ্চকক্ষ) ও লোকসভা (নিম্নকক্ষ)।
- ভারতের লোকসভার আসন সংখ্যা: ৫৪৩টি।
- ভারতের রাজ্যসভার আসন সংখ্যা: ২৪৫টি।

⇒ ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদী। (অক্টোবর, ২০২৪)
- ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু (প্রথম সাওতাল উপজাতি রাষ্ট্রপতি)।

উৎস: Ministry of External Affairs.
৬৩.
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. প্যারিস
  4. মস্কো
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উল্লেখ্য
- ফ্ল্যাশিং মিডোস হলো নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সভাস্থল।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬৪.
সার্কের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. দিল্লী
  2. ইসলামাবাদ
  3. কাঠমান্ডু
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।

⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

⇒ সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- তিনি ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৯ সালের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সার্কের প্রথম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
৬৫.
খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্কে
  2. রোমে
  3. জেনেভায়
  4. অটোয়ায়
ব্যাখ্যা
FAO:
- FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫।
- FAO প্রতিষ্ঠার স্থান: কুইবেক, কানাডা।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (চীনের নাগরিক)।

⇒ জাতিসংঘের অন্যতম মূলসংস্থা ECOSOC-এর তত্ত্বাবধানে ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এই সংস্থা গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে - বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা নির্মুল করা এবং সবাইকে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।

⇒ FAO প্রতিষ্ঠার তারিখ হিসেবে ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৬৬.
ডেভিস কাপ কোন খেলায় দেয়া হয়?
  1. ব্যাডমিন্টন
  2. লন টেনিস
  3. টেবিল টেনিস
  4. ক্রিকেট
ব্যাখ্যা
লন টেনিস:
- টেনিস বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা।
- অনেক জায়গায় এটি লন টেনিস নামে পরিচিত।
- টেনিস খেলার জন্য প্রয়োজন হয় তারযুক্ত একটি দন্ড যা 'রেকেট' নামে পরিচিত, একটি বল এবং জাল।

⇒ বিশ্বের প্রধান চারটি লন টেনিস প্রতিযোগিতা গ্র্যান্ড স্ল্যাম নামে পরিচিত। এগুলো হলো:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন,
• ফ্রেঞ্চ ওপেন/ রোল্যান্ড গ্যারোস,
• উইম্বলডন (ব্রিটিশ ওপেন),
• ইউএস ওপেন।

⇒ ডেভিস কাপ (Davis Cup):
- ডেভিস কাপ পুরুষদের টেনিসের প্রধান আন্তর্জাতিক দলীয় প্রতিযোগিতাবিশেষ।
- আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন কর্তৃক এ প্রতিযোগিতা পরিচালিত হয়।  
- ডেভিস কাপের প্রতিষ্ঠাতা Dwight Davis।

উৎস: ESPN ওয়েবসাইট।
৬৭.
অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন-
  1. ব্রেইল
  2. কপার্নিকাস
  3. ডেভিটবোর
  4. টমাস আলভা এডিসন
ব্যাখ্যা
লুইস ব্রেইল:
- অন্ধ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য পড়ালেখার বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেইল।
- এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইল।
- লুইস ব্রেইল ১৮০৯ সালের ৪ জানুয়ারি প্যারিসের নিকটবর্তী কুপভেরি নামের একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিন বছর বয়সে বাবার কারখানায় খেলতে গিয়ে সুঁই জাতীয় ধারালো জিনিস দিয়ে এক মারাত্মক দুর্ঘটনায় তাঁর দুটো চোখই নষ্ট হয়ে যায়।
- তিনি অন্ধ হয়ে যান।
- ১৫ বছর বয়সে তিনি অন্ধদের লেখা ও পড়ার জন্য কাগজের ওপর মাত্র ছয়টি ডট দিয়ে একটি অতি সহজ ভাষা ও পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- ১৮২৭ সালে তিনি প্রথম ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্ধ লোকেরা সেই ছয়টি ডটের জাদু দিয়ে তাঁদের জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারেন।
- আগে টাইপ মেশিনে ব্রেইল অক্ষর লেখা হতো, বর্তমানে লেখা হয় কম্পিউটারে।

উৎস: Britannica.
৬৮.
১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত যে সকল মৌলিক সংখ্যার একক স্থানীয় অংক ৯ তাদের সমষ্টি কত?
  1. ১৪৬
  2. ৯৯
  3. ১০৫
  4. ১০৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত যে সকল মৌলিক সংখ্যার একক স্থানীয় অংক ৯ তাদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার একক স্থানীয় অংক ৯ আছে এমন সংখ্যা তিনটি।
সংখ্যাগুলো হলো = ১৯, ২৯ এবং ৫৯।
তাদের যোগফল = ১৯ + ২৯ + ৫৯
= ১০৭
৬৯.
৪০ সংখ্যাটি a হতে ১১ কম। গাণিতিক আকারে প্রকাশ করলে কী হবে?
  1. a + ১১ = ৪০
  2. a + ৪০ = ১১
  3. a = ৪০ + ১১
  4. a = ৪০ + ১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০ সংখ্যাটি a হতে ১১ কম। গাণিতিক আকারে প্রকাশ করলে কী হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
৪০ সংখ্যাটি a হতে ১১ কম।

প্রশ্নমতে,
৪০ = a - ১১
∴a = ৪০ + ১১
৭০.
পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ও চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার অন্তর কত?
  1. ১০
  2. - ১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ও চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার অন্তর কত?

সমাধান:
পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০
চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯

∴ অন্তর = ১০০০০ - ৯৯৯৯ = ১
৭১.
১.১, .০১, ও .০০১১-এর সমষ্টি কত?
  1. ০.০১১১১
  2. ১.১১১১
  3. ১১.১১০১
  4. ১.১০১১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১.১, .০১, ও .০০১১-এর সমষ্টি কত?

সমাধান:
১.১ + ০.০১ + ০.০০১১
= ১.১১১১
৭২.
১.১৬ এর সাধারণ ভগ্নাংশ কোনটি?
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: ১.১৬ এর সাধারণ ভগ্নাংশ কোনটি? 

    সমাধান:
    ৭৩.
    ৪ টি ১ টাকার নোট ও ৮ টি ২ টাকার নোট একত্রে ৮টি ৫ টাকার নোটের কত অংশ?
    1. ১/৪
    2. ১/২
    3. ১/৮
    4. ১/১৬
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: ৪ টি ১ টাকার নোট ও ৮ টি ২ টাকার নোট একত্রে ৮টি ৫ টাকার নোটের কত অংশ?

    সমাধান:
    ৪ টি ১ টাকার নোট ও ৮ টি ২ টাকার নোট = (১ × ৪) + (৮ × ২) = ২০ টাকা
    ৮ টি ৫ টাকার নোট = (৮ × ৫) = ৪০ টাকা
    অতএব, ২০/৪০ = ১/২ অংশ
    ৭৪.
    পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল ১২০ হলে তাদের যোগফল হবে-
    1. ১২
    2. ১৪
    3. ১৫
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল ১২০ হলে তাদের যোগফল হবে-

    সমাধান:
    ধরি,
    সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে (ক - ১), ক এবং (ক + ১)

    প্রশ্নমতে,
    (ক - ১) · ক · (ক + ১) = ১২০
    ⇒ (ক - ১)(ক + ক) = ১২০
    ⇒ ক + ক - ক - ক = ১২০
    ⇒ ক - ক - ১২০ = ০
    ⇒ ক - ৫ক + ৫ক + ২৪ক - ১২০ = ০
    ⇒ ক(ক - ৫) + ৫ক(ক - ৫) + ২৪(ক - ৫) = ০
    ⇒ (ক - ৫)(ক + ৫ক + ২৪) = ০
    ∴ ক = ৫ [(ক - ৫ = ০) থেকে]

    তাহলে, ক্রমিক সংখ্যা তিনটি ৫ - ১ = ৪, ৫ এবং ৫ + ১ = ৬
    ∴ ক্রমিক সংখ্যা তিনটির যোগফল = ৪ + ৫ + ৬ = ১৫

    বিকল্প সমাধান:
    এখানে, ১২০ = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫
    তাহলে সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ৪, ৫, ৬
    সংখ্যা তিনটির যোগফল, ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
    ৭৫.
    Which of the following integers has the most divisors?
    1. 88
    2. 91
    3. 95
    4. 99
    ব্যাখ্যা
    Question: Which of the following integers has the most divisors?

    Solution:
    • For 88:
    Prime factorization: 88 = 23 × 11
    Number of divisors = (3 + 1) × (1 + 1) = 4 × 2 = 8 divisors
    Divisors are: 1, 2, 4, 8, 11, 22, 44, 88

    • For 91:
    Prime factorization: 91 = 7 × 13
    Number of divisors = (1 + 1) × (1 + 1) = 2 × 2 = 4 divisors
    Divisors are: 1, 7, 13, 91

    • For 95:
    Prime factorization: 95 = 5 × 19
    Number of divisors = (1 + 1) × (1 + 1) = 2 × 2 = 4 divisors
    Divisors are: 1, 5, 19, 95

    • For 99:
    Prime factorization: 99 = 32 × 11
    Number of divisors = (2 + 1) × (1 + 1) = 3 × 2 = 6 divisors
    Divisors are: 1, 3, 9, 11, 33, 99

    Therefore, 88 has the most divisors.
    ৭৬.
    Successive discount of 20% and 15% are equal to a single discount of-
    1. 30%
    2. 32%
    3. 34%
    4. 35%
    ব্যাখ্যা
    Question: Successive discount of 20% and 15% are equal to a single discount of-

    Solution:
    Let, The original price be 100 tk

    After a 20% discount, the price is = 100 - 20 = 80 tk
    Again, after a 15% discount, the new price is = 80 - {80 × (15/100)}
    = 80 - 12
    = 68

    ∴ Total discount= (100 - 68) = 32%
    ৭৭.
    City B is 5 miles east of city A. City C is 10 miles southeast of city B. Which of the following is the closest to the distance from city A to City C?
    1. 11 miles
    2. 12 miles
    3. 13 miles
    4. 14 miles
    ব্যাখ্যা

    Question: City B is 5 miles east of city A. City C is 10 miles southeast of city B. Which of the following is the closest to the distance from city A to City C?

    Solution:

    BD এবং DC দুটো সমান যেহেতু বিপরীত কোন দুইটাই 45°
    অর্থাৎ, BDC ত্রিভুজ থেকে আমরা পাই,
    BC2 = BD2 + DC2
    ⇒ 102 = x2 + x2
    ⇒ 2x2 = 100
    ⇒ x2 = 50
    ∴ x = 5√2

    অনুরূপে, ADC থেকে পাই,
    AC2 = AD2 + DC2
    ⇒ AC2 = (5 + x)2 + x2
    = 52 + 2 · 5 · x + x2 + x2
    = 25 + 10 · 5√2 + (5√2)2 + (5√2)2
    = 25 + 50√2 + 50 + 50
    = 125 + 50√2
    = 125 + 70.71
    = 195.71
    ∴ AC = √195.71 = 13.99
    ≈ 14 miles

    অর্থাৎ, A থেকে C এর নিকটবর্তী দূরত্ব 14 মাইল।

    ৭৮.
    কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কী বলে?
    1. RAM
    2. ROM
    3. হার্ডওয়্যার
    4. সফ্‌টওয়্যার
    ব্যাখ্যা
    ROM: 
    - ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
    - এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory), অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
    - কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
    কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
    - সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
    - রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
    - সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭৯.
    [প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক ছিলো] সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি তৈরি করা হয়েছে কোন দেশে?
    1. যুক্তরাষ্ট্র
    2. ভারত
    3. জাপান
    4. নেপাল
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    [প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক ছিলো, এবং প্রশ্নে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

    - ফ্রান্সে নির্মাণাধীন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সৌর রিঅ্যাক্টর হল ইন্টারন্যাশনাল থার্মোনিউক্লিয়ার এক্সপেরিমেন্টাল রিঅ্যাক্টর (আইটিইআর)।
    - ইইউ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতের মতো দেশগুলির অংশগ্রহণে এই বহুজাতিক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
    - এর মূল উদ্দেশ্য হল বৃহৎ আকারের শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিউশনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা। 
    ৮০.
    ফটোইলেকট্রিক কোষের উপর আলো পড়লে কী উৎপন্ন হয়?
    1. বিদ্যুৎ
    2. তাপ
    3. চুম্বক
    4. কিছুই হয় না
    ব্যাখ্যা
    - ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, রুবিডিয়াম প্রভৃতি ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হতে দেখা যায়। 
    - ফটোইলেকট্রিক কোষ এই নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।
    - ফটোইলেকট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলো পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ৮১.
    যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয়, তাদের কী বলা হয়?
    1. আইসোটোপ
    2. আইসোটোন
    3. আইসোমার
    4. আইসোবার
    ব্যাখ্যা
     আইসোটোন: 
    যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়

    • আইসোটোপ: 
    - যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই , কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 

     আইসোবার: 
    - যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে। 

    • আইসোমার: 
    - যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই তাদেরকে আইসোমার বলা হয়। 

    উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৮২.
    চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
    1. বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
    2. আলোর বিচ্ছুরণে
    3. অপাবর্তনে
    4. দৃষ্টিভ্রমে
    ব্যাখ্যা
    - চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। 
    - চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়।
    - বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়। 

    উৎস: scientificamerican.com
    ৮৩.
    লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
    1. বেগুনী
    2. সবুজ
    3. হলুদ
    4. কালো
    ব্যাখ্যা
    - লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়। 
    - আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়। 
    - এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে। 
    - ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না। 
    সুতরাং, লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি।
    ৮৪.
    বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কী ধাতু দিয়ে তৈরি?
    1. সংকর ধাতু
    2. সীসা
    3. টাংস্টেন
    4. তামা
    ব্যাখ্যা
    বৈদ্যুতিক বাল্ব: 
    - বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন ধাতু দিয়ে তৈরি। 
    - বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে দুই প্রান্তর সাথে সরু টাংস্টেনের তারের তৈরি কুণ্ডলী সংযুক্ত থাকে, একে ফিলামেন্ট বলে। 
    - এ বাল্বকে বিদ্যুৎ উৎসের সাথে সংযোগ করলে প্রচুর তাপ উৎপাদন করে এবং বাল্বের এই ফিলামেন্ট প্রজ্বলিত হয়ে আলো বিকিরণ করে। 

    উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
    ৮৫.
    জারণ বিক্রিয়ায় কী ঘটে?
    1. ইলেক্ট্রন গ্রহণ
    2. ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
    3. ইলেক্ট্রন বর্জন
    4. শুধু তাপ উৎপন্ন হয়
    ব্যাখ্যা
    রেডক্স বিক্রিয়া: 
    - জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে। 
    - জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত। 
    - রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ। 
    - বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান বা বর্জন ঘটে
    - জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে। 
    - সকল জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। 

    উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৮৬.
    নিচের কোনটি ক্ষারকীয় অক্সাইড?
    1. P4O10
    2. MgO
    3. CO
    4. ZnO
    ব্যাখ্যা
    - ক্ষারকীয় অক্সাইড হলো এমন অক্সাইড যা পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষার তৈরি করে। 
    - এদের মধ্যে (MgO) ধাতব অক্সাইড সাধারণত ক্ষারকীয় হয়। 
    - MgO পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Mg(OH)2 গঠন করে, যা একটি ক্ষার। 

    Magnesium oxide (MgO) is again a simple basic oxide, because it also contains oxide ions.

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ৮৭.
    কোন ধাতু পানি অপেক্ষা হালকা?
    1. ম্যাগনেসিয়াম
    2. ক্যালসিয়াম
    3. সোডিয়াম
    4. পটাসিয়াম
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    - 'পটাসিয়াম এবং সোডিয়াম' উভয়েই পানির চেয়ে হালকা, অপশনে দৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নের উত্তর নেয়া সম্ভব হয়নি।

    - পটাসিয়াম এবং সোডিয়াম উভয়ই ক্ষার ধাতু, যা তাদের পর্যায় সারণীর গ্রুপ 1-এ অবস্থান নির্দেশ করে। 
    - এই ধাতুগুলি অপেক্ষাকৃত হালকা এবং তাদের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম। 
    - এর ফলে যখন এগুলো পানির সাথে প্রতিক্রিয়া করে, তখন তা পানির উপরে ভাসে। 
    - তবে পটাসিয়াম সোডিয়ামের তুলনায় আরও হালকা ধাতু। 

    বিভিন্ন ধাতুর ঘনত্ব (g/cm³):
    • সোডিয়াম (Na): 0.97 g/cm³
    • পটাসিয়াম (K): 0.86 g/cm³
    • ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 1.74 g/cm³
    • ক্যালসিয়াম (Ca): 1.54 g/cm³
    • পানি (H₂O): 1.0 g/cm³
    - এখানে পটাসিয়াম এবং সোডিয়াম উভয়েই পানির চেয়ে হালকা, কিন্তু পটাসিয়ামের ঘনত্ব সোডিয়ামের চেয়ে কম। তাই পটাসিয়াম সবচেয়ে হালকা ধাতু।
    ৮৮.
    পারমাণবিক চুল্লীতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?
    1. সোডিয়াম
    2. পটাসিয়াম
    3. ম্যাগনেসিয়াম
    4. জিংক
    ব্যাখ্যা
    পারমাণবিক চুল্লি: 
    - নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর (Nuclear Reactor) বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র। 
    - পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। 
    - পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়। 
    - মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
    - পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
    উল্লেখ্য,
    পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়

    অন্যদিকে,
    - জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়। 
    - হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়। 

    উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং IAEA ওয়েবসাইট।
    ৮৯.
    কোন বিজ্ঞানী রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন?
    1. ডারউইন
    2. লুই পাস্তুর
    3. প্রিস্টলী
    4. ল্যাভয়সিয়ে
    ব্যাখ্যা
    - বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন। 
    - তিনি ছিলেন ফ্রেঞ্চ রসায়নবিদ এবং অণুজীববিজ্ঞানী। 
    - ১৮৮৫ সালে লুই পাস্তুর জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করেন এবং টিকাজগতে বিপ্লব ঘটান। 
    - এছাড়াও তিনি মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন। 

    উৎস: ব্রিটনিকা।
    ৯০.
    সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
    1. ৪ টি
    2. ৫ টি
    3. ৬ টি
    4. ৮ টি
    ব্যাখ্যা
    সুষম খাদ্য: 
    - মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। 
    - সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি। 
    - সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১। 

    সুষম খাদ্যের উপাদান: 

    ১. শর্করা, 
    ২. আমিষ, 
    ৩. ভিটামিন, 
    ৪. খনিজ লবণ, 
    ৫. চর্বি এবং 
    ৬. পানি। 

    উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৯১.
    গ্রিন হাউজে গাছ লাগানো হয় কেন?
    1. উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য
    2. অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
    3. আলো থেকে রক্ষার জন্য
    4. ঝড়-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য
    ব্যাখ্যা
    গ্রিন হাউজ: 
    - শীতপ্রধান অঞ্চলের অত্যধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় তাপ ধরে রাখার জন্য কাঁচ নির্মিত ঘরের মধ্যে গাছ লাগানো হয়। 
    - এই কাঁচ নির্মিত ঘরকে গ্রীন হাউজ বলা হয়। 
    - গাছকে উষ্ণতা প্রদান করার জন্য গ্রিন হাউজে গাছ লাগানো হয়। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৯২.
    পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
    1. আর্লিবার্ড হল
    2. এস্ট্রোলার হল
    3. ওবেরী হল
    4. কসমস
    ব্যাখ্যা
    - পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ হলো ইনটেলসেট-1 যার আরেক নাম আর্লি বার্ড ( Early Bird)। 
    - এই কৃত্রিম উপগ্রহটি ৬ এপ্রিল ১৯৬৫ সালে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। 

    - On April 6, 1965, NASA launched the world’s first commercial communications satellite Intelsat I (a.k.a. Early Bird) into a geosynchronous orbit above earth. 

    উৎস: নাসার ওয়েবসাইট।
    ৯৩.
    সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ কত?
    1. ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    2. ৮০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    3. ১০০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    4. ১২০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    ব্যাখ্যা
    সূর্য (Sun): 
    - সূর্য একটি নক্ষত্র। 
    - সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
    - এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
    - হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
    - এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
    - এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
    - পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
    - সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
    - আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
    - সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
    - সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৯৪.
    জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটার সৃষ্টি হয়?
    1. ৬ ঘণ্টা ১৩ মি.
    2. ৮ ঘণ্টা
    3. ১২ ঘণ্টা
    4. ১৩ ঘণ্টা ১৫ মি.
    ব্যাখ্যা
    জোয়ার-ভাঁটা: 
    - সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়। 
    - সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
    উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাঁটা হয়। 
    - উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
    - চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
    অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাঁটা হয়। 
    - সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়। 
    - সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
    - তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না। 

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৯৫.
    কোনটি বায়ুর উপাদান নহে?
    1. নাইট্রোজেন
    2. হাইড্রোজেন
    3. কার্বন
    4. ফসফরাস
    ব্যাখ্যা
    - 'ফসফরাস' বায়ুর উপাদান নয়। 

    বায়ুমণ্ডলের উপাদান (Elements of Atmosphere): 

    -বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রনে গঠিত।
    - বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%।
    - অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 


    উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৯৬.
    অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কী বলে?
    1. চুন
    2. সেভিং সোপ
    3. ফিটকিরি
    4. কস্টিক সোডা
    ব্যাখ্যা
    - অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের চলতি বাংলা 'ফিটকিরি' বলে যার রাসায়নিক সংকেত: [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 

    পটাশ অ্যালাম: 
    - পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ। 
    - পটাশ অ্যালাম সাধারণ মানুষের কাছে ফিটকিরি নামে পরিচিত। 
    - এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
    - এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
    - অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
    - পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

    উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৯৭.
    কোন কোন স্থানে সলিড ফিনাইল ব্যবহার করা হয়?
    1. পায়খানা, প্রস্রাবখানায়
    2. গোসলখানায়
    3. পুকুরে
    4. নালায়
    ব্যাখ্যা
    - সলিড ফিনাইল একটি শক্ত ধরনের জীবাণুনাশক এবং দুর্গন্ধনাশক, যা বিশেষ করে পায়খানা-প্রস্রাবখানা, এবং বিভিন্ন স্যানিটারি স্থানে ব্যবহৃত হয়। 
    - এটি সাধারণত টয়লেট বা প্রস্রাবখানার দুর্গন্ধ দূর করতে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। 

    দৈনন্দিন জীবনে কিছু রাসায়নিক জিনিসের ব্যবহার: 
    - সাবান এবং ডিটারজেন্ট শরীর এবং কাপড় পরিষ্কার করতে ব্যবহার করা হয়। 
    - টুথপেস্ট দাঁত পরিষ্কার করতে এবং মুখের জীবাণু ধ্বংস করতে ব্যবহার করা হয়। 
    - ব্লিচিং পাউডার কাপড়ের দাগ তুলতে, পানি জীবাণুমুক্ত করতে এবং পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
    - বেকিং সোডা (সোডিয়াম বাইকার্বোনেট) রান্নায়, কেক-রুটি ফোলাতে, এবং ঘরোয়া পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
    - ক্লোরোফর্ম সার্জারি বা চিকিৎসায় অজ্ঞান করার জন্য অতীতে ব্যবহৃত হতো ইত্যাদি। 
    ৯৮.
    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ধাতু কোনটি?
    1. লোহা
    2. সিলিকন
    3. পারদ
    4. তামা
    ব্যাখ্যা
    - পৃথিবীতে যে ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো অ্যালুমিনিয়াম।
    - ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%), লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬% ইত্যাদি। 
    - অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে যা অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
    যেমন- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি। 

    যেহেতু অ্যালুমিয়াম অপশনে নেই, তাই সঠিক উত্তর লোহা

    উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৯৯.
    পারমাণবিক চুল্লিতে কোন মৌল জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
    1. পেট্রোলিয়াম
    2. অক্সিজেন
    3. ইউরেনিয়াম-২৩৫
    4. হাইড্রোজেন
    ব্যাখ্যা
    - পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়। 
    Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties. 
    It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials. 
    - অন্যদিকে, জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ১০০.
    বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রিতে কোন ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়?
    1. তামা
    2. নাইক্রোম
    3. স্টেনিয়াম
    4. প্লাটিনাম
    ব্যাখ্যা
    নাইক্রোম তার: 
    বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রিসহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে নাইক্রোমের তার ব্যবহার করা হয়। 
    - বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গোল চাকতি থাকে। 
    - চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুণ্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। 
    - বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে। 
    - বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে। 
    - এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। 
    - প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়। 

    উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।