পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
Exam - 17 Subject: General Knowledge (Bangladesh Affairs) Topic: National Issues of Bangladesh, Resources of Bangladesh, Economic Issues of Bangladesh, Bank related terms and issues, Geography (related to Bangladesh) . ------------------- i) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ ii) শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ iii) শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। iv) উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। v) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। vi) জাতীয় তথ্যবলি vii) সাম্প্রতিক বিষয়াবলি (বাংলাদেশ) viii) ভূগোল (বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কিত বিষয়)"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
Which country was the first export destination of Bangladesh’s garment industry? 
  1. United States
  2. Germany
  3. Canada
  4. France
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়। 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান। 
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

.
Bangladesh produces the most rice during which cropping season?
  1. Eri
  2. Aman
  3. Boro
  4. Aus
ব্যাখ্যা

• ধান:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়। যথা: আউশ, আমন ও বোরো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান।
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো ধান শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের ১২০.৫৩ লক্ষ একর জমিতে মোট ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।

অন্যদিকে -
- আউশ ধান ২৫.৫৭ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪২.১০ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: 
i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
In the fiscal year 2024–25, which country was the leading source of foreign direct investment (FDI) in Bangladesh?
  1. United Kingdom
  2. Netherlands
  3. China
  4. Japan
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI): 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে। 
- নেদারল্যান্ডস এই অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা আগের বছরের ২৩.২ মিলিয়ন ডলার (FY24) এবং তার আগের বছরের ৭২.১১ মিলিয়ন ডলার (FY23) থেকে অনেক বেশি।

- অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩০০ মিলিয়ন ডলার), চীন (২৭৪ মিলিয়ন ডলার) এবং সিঙ্গাপুর (১৬১ মিলিয়ন ডলার)।
- যুক্তরাজ্য এবং চীনের বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় কমেছে, কিন্তু সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ ৭১.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।



তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

.
Under which law does Bangladesh Bank implement the bank merger process? 
  1. Bank Resolution Ordinance, 2025
  2. Banking Companies Act, 1991
  3. Financial Institutions Act, 1993
  4. Bangladesh Bank Order, 1972
ব্যাখ্যা

• ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিন্যান্স ২০২৫:
- দুর্বল ব্যাংকের সমস্যা সমাধানে সরকার ২০২৫ সালে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ’ অনুমোদন দিয়েছে। 
- এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করে।
- ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিন্যান্স ২০২৫ অনুসারে যেকোনো ব্যাংক টেকওভার করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
 - ব্যাংক অবসায়ন, মার্জারসহ যেকোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে প্রয়োজন অনুযায়ী এই অর্ডিন্যান্স অনুসারে, যা আর্থিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

• ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিন্যান্স ২০২৫ যা যা উল্লেখ রয়েছে: 
- দুর্বল বা সমস্যায় পড়া ব্যাংককে বাঁচাতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পারবে।
- দরকার হলে ব্যাংকটিকে সাময়িকভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণেও নেওয়া যাবে।
- মালিকরা যদি নিজের স্বার্থে ব্যাংকের টাকা বা সম্পদ অপব্যবহার করে, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি পদক্ষেপ নিতে পারবে।
- দুর্বল ব্যাংকে অস্থায়ী প্রশাসক বসানো, মূলধন বাড়ানো বা শেয়ার অন্য কারও কাছে বিক্রি/হস্তান্তর করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
- ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল হলে, আদালতের মাধ্যমে সেই ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক অবসায়ন (বন্ধ করার) প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।

.
When was Bangladesh’s National Drug Policy enacted for the first time? 
  1. 1982
  2. 1983
  3. 1984
  4. 1985
ব্যাখ্যা

• জাতীয় ঔষধনীতি:
- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণীত হয় ১৯৮২ সালে।

⇒ ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ কর্তৃক বিপুলভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়।
- এ ঔষধনীতির ফলে বাংলাদেশের ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় ও মান উন্নত হয়, ওষুধের দামের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আমদানি নির্ভরতা কমে দেশ ওষুধের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হতে শুরু করে, ঔষধ সেক্টরে বিদেশি আধিপত্য কমে আসে, দেশীয় ঔষধ কোম্পানিসমূহ আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বৃহদাকার কারখানা স্থাপন করতে থাকে।
- আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ঔষধ সেক্টরের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয় এবং এক সময়কার ঔষধ আমদানিকারী দেশটি ঔষধ রপ্তানিকারী দেশে পরিণত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

⇒ জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।

.
Which country was the largest importer of Bangladeshi tea in 2024-25?
  1. United Arab Emirates
  2. United Kingdom
  3. Pakistan
  4. Germany
ব্যাখ্যা

• চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

.
Which country is the second largest export market for Bangladeshi products? 
  1. Germany
  2. United States
  3. United Kingdom
  4. Canada
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ - যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

​এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ – যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য – তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র: বানিজ্য মন্ত্রণালয়। 

.
What is the name of Bangladesh’s quadrilateral land port? 
  1. Tetulia
  2. Akhaura
  3. Benapol
  4. Banglabandha
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা বন্দর: 
- দেশে যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর রয়েছে তার মধ্যে আকারে ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা।
- মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর।
- দুই যুগের বেশি সময় ধরে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলে আসছে দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় এ স্থলবন্দরে।
- ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন এবং নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাবক হয়ে উঠছে বাংলাবান্ধা।

- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার। 
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার। 
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। 
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার। 
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস। (Link) (Link1) 

.
What is the first private sector financial institution in Bangladesh?  
  1. IPDC Finance PLC 
  2. IDLC Finance PLC
  3. LankaBangla Finance PLC 
  4. Phoenix Finance and Investments Ltd
ব্যাখ্যা

•  IPDC Finance PLC
- পূর্ব নাম: “Industrial Promotion and Development Company of Bangladesh Limited” 
- এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি খাতের আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালে এর শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ছিলেন উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকার:

১) International Finance Corporation (IFC), USA
২) German Investment and Development Company (DEG), Germany
৩) The Aga Khan Fund for Economic Development (AKFED), Switzerland
৪) Commonwealth Development Corporation (CDC), UK
৫) Government of Bangladesh


• ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (Finance Companies (FCs)):

- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআই হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা সম্পূর্ণ ব্যাংকিং লাইসেন্স পায় না, বা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স দিয়ে থাকে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৪-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।
- অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মতো ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর রেগুলেটরি বডি হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। (Link)
ii) প্রথম আলো ও IPDC ওয়েবসাইট। 

১০.
In the 2024-25 fiscal year, which country remitted the most money to Bangladesh?
  1. Saudi Arabia
  2. United States
  3. Kuwait
  4. United Arab Emirates
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।

» ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র, 
২. সৌদি আরব, 
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৪. যুক্তরাজ্য, 
৫. মালয়েশিয়া। 

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১১.
What is the name of the association representing traders in Bangladesh’s leather sector?
  1. BTMA
  2. BTA
  3. BLMA
  4. BLTA
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (BTA):
- চামড়া শিল্প মালিকদের জোটের নাম BTA।
- বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) হলো বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্পের একটি অলাভজনক সংস্থা।
- এই সংগঠনটি দেশের ট্যানারি শিল্পের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেয়,
- সদস্যদের স্বার্থে নীতিগত সংস্কারের পক্ষে কাজ করে এবং গোটা চামড়া খাত তথা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

অন্যদিকে.
- ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
- সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব)।
- বিকেএমইএ বাংলাদেশে নিটওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি জাতীয় বাণিজ্য সংস্থা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ওয়েবসাইট।

১২.
Which organization represents the private bank entrepreneurs of Bangladesh? 
  1. Bangladesh Association of Banks
  2. Institute of Bankers Bangladesh
  3. Association of Financial Institutions
  4. Bankers’ Forum of Bangladesh
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (BAB): 
- বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (BAB) হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর একটি সংগঠন, যা তাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ার জন্য গঠিত।
- এটি বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন। 
- এই সংগঠনটি ব্যাংকিং খাতে যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ তৈরি করে এবং সেগুলোর সমাধানে সবার জন্য একসঙ্গে নীতিমালা তৈরিতে সাহায্য করে।। 

- কোম্পানিজ অ্যাক্ট–১৯১৩ অনুযায়ী, BAB ১৯৯৩ সালে ৯টি বেসরকারি ব্যাংক নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পরে ধীরে ধীরে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ২০২৪ সালের শেষে ৪০টি বেসরকারি ব্যাংকে পৌঁছেছে।

তথ্যসূত্র: বিএবি ওয়েবসাইট, সমকাল ও প্রথম আলো। 

১৩.
Which bank in Bangladesh launched the first biometric metal credit card?
  1. Dutch-Bangla Bank PLC 
  2. Eastern Bank PLC 
  3. Standard Chartered Bank PLC 
  4. Premier Bank PLC 
ব্যাখ্যা

• বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড:
- মাস্টারকার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের প্রথম বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড বাংলাদেশে চালু করল ইস্টার্ন ব্যাংক। 
- ৫ জুলাই, ২০২৫ নতুন এই কার্ড চালু করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। 
- নতুন এই কার্ডের প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করছে আইডেক্স বায়োমেট্রিক্স (IDEX Biometrics), কনা আই (Kona I) এবং ইনফিনিয়ন টেকনোলজিস (Infineon Technologies)। 
- এই কার্ডে পিন বা স্বাক্ষরের কোনও প্রয়োজন হবে না। 
- গ্রাহকদের তথ্য কার্ডে সংরক্ষিত থাকবে এবং ঘরে বসেই একটি হোমকিটের সাহায্যে ফিঙ্গার প্রিন্ট নিবন্ধন করা যাবে।
- মাস্টারকার্ড আইডেন্টিটি থেফট প্রোটেকশন থাকার ফলে এই কার্ড অনলাইনে গ্রাহকের ব্যাক্তিগত তথ্য চুরি এবং অপব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো । (Link) 

১৪.
Which of the following is not a constraint on crop diversification? 
  1. Technical limitations
  2. Quality of land
  3. Availability of labor and machinery
  4. Price fluctuations in the market
ব্যাখ্যা

- ফসল বহুমুখীকরণের সীমাবদ্ধতা নয় - বাজার মূল্যের অস্থিরতা।
• ফসল বহুমুখীকরণের সীমাবদ্ধতা:
১. প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা: আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত বীজ, সার ও সেচ সুবিধার অভাব।
২. জমির গুণাগুণ: সব জমি সব ধরনের ফসলের উপযোগী নয়, ফলে বৈচিত্র্য আনা কঠিন।
৩. শ্রম ও যন্ত্রপাতির প্রাপ্যতা: সময়মতো দক্ষ শ্রমিক ও কৃষি যন্ত্রপাতি না পাওয়া।
৪. নৈপুণ্য হ্রাস: একাধিক ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
On which date did the Deputy Chief of Staff of the Mukti Bahini, 'A K Khandakar', pass away?
  1. December 15, 2025
  2. December 18, 2025
  3. December 19, 2025
  4. December 20, 2025
ব্যাখ্যা

• এ কে খন্দকার: 
- এ কে খন্দকারের জন্ম ১৯৩০ সালে বাবার কর্মস্থল রংপুরে। 
- তাঁর আদি নিবাস পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার পুরান ভারেঙ্গা গ্রামে। 
- ১৯৪৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন ও ১৯৪৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন তিনি। 
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। 
- গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।

- মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত আগে এ কে খন্দকার ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর দ্বিতীয় প্রধান।
 - সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ১৯৭১ সালের মে মাসের মাঝামাঝি মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।
 - তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ বৈমানিক। তাঁরা মুক্তিবাহিনীর বিমান শাখা গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। 

- নাগাল্যান্ডের ডিমারপুরে একটি বিমানঘাঁটি করা হয় এবং ২৮ সেপ্টেম্বর বিমানবাহিনী গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
 - স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমানবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন।
- তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিমানবাহিনী পুনর্গঠিত হয়। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন তিনি।

- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য এ কে খন্দকার ১৯৭৩ সালে ‘বীর উত্তম’ খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। 
- মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে এ কে খন্দকারের লেখা ১৯৭১: ভেতরে বাইরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোচিত একটি গ্রন্থ। 

- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ (শনিবার) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। 
- তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।


তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

১৬.
Bangladesh lies on which tectonic plate?
  1. Indian Plate
  2. Eurasian Plate
  3. African Plate
  4. Pacific Plate
ব্যাখ্যা

• টেকটোনিক প্লেট:
- ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। 
- প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।
- বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও পূর্বে ওই দুটি প্লেটের প্রান্তসীমা।
-এই প্লেটগুলোর প্রান্তবর্তী অধিকাংশ ফাটলরেখাই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে কিংবা সংলগ্ন এলাকায়।
- ফলে এসব ফাটলরেখায় বড় কোনো ভূমিকম্পের সৃষ্টি হলে দেশের মধ্যে তার প্রভাব বিধ্বংসী হবে। 

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) প্রথম আলো।

১৭.
Which craft was recently added to UNESCO’s list of Intangible Cultural Heritage? [January, 2026]
  1. Rajshahi Silk Weaving
  2. Benarasi Saree
  3. Tangail Saree Weaving
  4. Puthichitra
ব্যাখ্যা

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' (ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ) তালিকায় স্থান পেয়েছে। 
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ (মঙ্গলবার ) ভারতের নয়াদিল্লিতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেস্কো তাদের ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়, যা এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ স্বীকৃতি।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা
 - টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 

উল্লেখ্য,
 - বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)


তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link) 

১৮.
'Parki' Sea Beach is situated in which district of Bangladesh?
  1. Chattogram
  2. Cox’s Bazar
  3. Barguna
  4. Patuakhali
ব্যাখ্যা

• পারকী সমুদ্র সৈকত: 
- স্থানীয় ভাষায় “পারকীর চর” আর পর্যটনীয় ভাষায় “পারকী বীচ" বা সৈকত”। 
- চট্টগ্রাম শহর থেকে “পারকী বীচের” দূরত্ব প্রায় ২৫ কিঃমিঃ।
-  এটা মূলত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীর মোহনার পশ্চিম তীরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং পূর্বদক্ষিণ তীরে পারকী সমুদ্র সৈকত।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানার অর্ন্তগত একটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত।
- চট্টগ্রাম সার কারখানা ও কাফকো যাওয়ার পথ ধরে এই সৈকতে যেতে হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯.
Bangladesh’s first fully automated fuel marketing depot began functioning in which district? 
  1. Chattogram
  2. Bagerhat
  3. Chandpur
  4. Cumilla
ব্যাখ্যা

• দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় জ্বালানি বিপণন ডিপো:
- দেশে প্রথমবারের মতো স্বয়ংক্রিয় (অটোমেটেড) জ্বালানি বিপণন ডিপোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে কুমিল্লায়। 
- ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ বরুড়া উপজেলার কুমিল্লা–চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক–সংলগ্ন মগবাড়ি এলাকায় ডিপোটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উদ্যোগে চালু হওয়া এই ডিপো থেকে কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও নোয়াখালীতে পেট্রোলিয়াম জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।
- ১৬ একরের বেশি জায়গাজুড়ে স্থাপিত কুমিল্লা ডিপোয় একসঙ্গে প্রায় ২০ হাজার টন ডিজেল, দেড় হাজার টন পেট্রল ও দেড় হাজার টন অকটেন মজুতের সক্ষমতা রয়েছে।
- চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত পাইপলাইনে জ্বালানি তেল পরিবহন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ডিপো নির্মাণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

২০.
On which date did Dhaka experience its shortest day in 2025? 
  1. June 21
  2. December 22
  3. November 22
  4. December 21
ব্যাখ্যা

ঢাকার সবচেয়ে ছোট দিন:
- ২০২৫ সালে ঢাকার সবচেয়ে ছোট দিন ২১ ডিসেম্বর। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশসহ উত্তর গোলার্ধের সব দেশের মানুষদের জন্য ২১ ডিসেম্বর বছরের সবচেয়ে দীর্ঘতম রাত।
- ডিসেম্বর মাস থেকে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। আর উত্তর গোলার্ধ চলে যায় অনেকটা দূরে। এই সময় উত্তরে সূর্যের আলো ক্ষীণভাবে পড়ে। ফলে সেখানে তখন সৃষ্টি হয় শীতকাল, আর দক্ষিণে গরমকাল। ২১ ডিসেম্বর দিনটিতে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের থেকে অনেকটাই দূরে থাকে। ফলে সেখানে সূর্যের আলো এতটাই কম পড়ে যে, দিন খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়। আর রাত হয় দীর্ঘ। একে বলে উইন্টার সলসটিস বা সূর্যের দক্ষিণ অয়নান্ত। এই সময় দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয় আর উত্তর গোলার্ধে রাত দীর্ঘতম হয়। 
- অর্থাৎ একই সময়ে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে থাকবে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত।

তথ্যসূত্র:  i) Times & Date. (Link) 
ii) যুগান্তর। 

২১.
Which team set a world record in Bangladesh by parachuting with national flags on the 54th Victory Day? 
  1. Team Durjoy
  2. Team Nirbhik
  3. Team Bangladesh
  4. Team Agnibeena
ব্যাখ্যা

• সর্বাধিক পতাকা উড়িয়ে প্যারাস্যুটিং করার বিশ্ব রেকর্ড: 
-১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার সর্বাধিক পতাকা উড়িয়ে প্যারাস্যুটিং করে বিশ্ব রেকর্ড করলো বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদ্‌যাপনে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে স্কাই ডাইভিং করেন।
- বিজয় দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘টিম বাংলাদেশের’ ৫৪ জন প্যারাট্রুপার একসঙ্গে জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করেছে।
- মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার পর জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে আকাশ থেকে ঝাঁপ দিয়ে এই ইতিহাস গড়েন তারা।
- এটি বিশ্বের বুকে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করার রেকর্ড।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

২২.
‘Swadhinata Toron’, a monument dedicated to the anti-fascist July Movement, is situated in –
  1. Pragati Sarani
  2. Bijoy Sarani
  3. Agargaon
  4. Gulshan
ব্যাখ্যা

• ‘মুক্তি তোরণ’ ও ‘স্বাধীনতা তোরণ’: 
- রাজধানীর আগারগাঁও ও প্রগতি সরণিতে নবনির্মিত দুটি তোরণ উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। 
- ফ্যাসিবাদবিরোধী ‘জুলাই আন্দোলন’ এর স্মৃতিকে ধারণ করে ‘মুক্তি তোরণ’ ও ‘স্বাধীনতা তোরণ’ দুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

- আগারগাঁওয়ের বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোরশেদ সড়কে নির্মিত তোরণটির নাম ‘মুক্তি তোরণ’ ও প্রগতি সরণির বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে নির্মিত তোরণটির নাম রাখা হয়েছে ‘স্বাধীনতা তোরণ’।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।

২৩.
In which district is 'Beel Dakatia' situated?
  1. Sirajganj
  2. Pabna
  3. Netrokona
  4. Khulna
ব্যাখ্যা

• ডাকাতিয়া বিল:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃষিক্ষেত্র ‘বিল ডাকাতিয়া’। 
- বিলটি খুলনা জেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি নিম্নাঞ্চল, গাঙ্গেয় জোয়ারভাটা বিধৌত বদ্বীপীয় সমভূমি।
- খুলনা ও যশোরের ছয়টি উপজেলার অভ্যন্তরে প্রায় ৩০ হাজার একর জমি নিয়ে গঠিত বিল ডাকাতিয়া।

⇒ এই অঞ্চলের ভূরূপতাত্ত্বিক, জলতাত্ত্বিক ও ভূ-গাঠনিক শর্তসমূহ উপেক্ষা করে সমুদ্র থেকে ভূমি উদ্ধার করার (polder) ফলে বিগত বছরের অধিককাল যাবৎ জলাবদ্ধতা ও জলনিষ্কাশন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। 
- ফলে এখানে ফসল উৎপাদনে যেমন বিঘ্ন ঘটছে, তেমনি পরিবেশ দূষণ ঘটছে। স্থায়ী পোল্ডারিংয়ের আগে অবক্ষেপণ ও ঐ এলাকার অবনমনের মধ্যে একটি সমতা ছিল। 
- এই সমতা বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়ে যাওয়ায় জোয়ারভাটা খাতে অতি দ্রুত অবক্ষেপণ, আর জোয়ারভাটা সমভূমিতে অতিসীমিত অবক্ষেপণ ও দ্রুত অবনমন পরিলক্ষিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র:  বাংলাপিডিয়া।

২৪.
On the bank of which river will the Laldiya Container Terminal be constructed?
  1. Pashur
  2. Karnaphuli
  3. Meghna
  4. Padma
ব্যাখ্যা

⇒ কর্ণফুলী নদীর তীরে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মিত হবে।

• লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল:
- চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং ৩০ বছরের জন্য এটি পরিচালনার দায়িত্ব পাচ্ছে ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস। 
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি। 
- তিন বছরের মধ্যে নির্মাণ শেষ করে ২০২৯ সালে টার্মিনালটি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২৫.
What is the name of Bangladesh’s first vaccine manufacturing plant? 
  1. Essential Biotech and Research Center
  2. Globe Biotech and Research Center
  3. Bangladesh Vaccine Research Center
  4. Bangladesh Vaccine and Research Center
ব্যাখ্যা

• প্রথম ভ্যাকসিন প্লান্ট:
- মুন্সীগঞ্জে দেশের প্রথম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কারখানা 'এসেনশিয়াল বায়োটেক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার' স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।।
- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এই কারখানা স্থাপন করা হবে।
- পরিকল্পনা কমিশন থেকে জানা গেছে, প্রায় ৪০ একর জমিতে ৩ হাজার ১২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ভ্যাকসিন প্লান্টটি নির্মাণ করা হবে।
- চলতি বছরের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হবে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে টিকা উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
- প্লান্টটিতে ২০২৮ সালের মধ্যে ৬ ধরনের ও ২০২৯ সালে আরও ৯ ধরনের টিকা উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০৩০ সালে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।