পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২০: Full Model Test - 10
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৩ প্রশ্ন

.
Choose the correct sentence
  1. Either of the two options are acceptable.
  2. Either of the two options been acceptable.
  3. Either of the two options be acceptable.
  4. Either of the two options is acceptable.
সঠিক উত্তর:
Either of the two options is acceptable.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either of the two options is acceptable.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ঘ) Either of the two options is acceptable.

Either নির্দেশ করে দুটি বস্তু/ব্যক্তির মধ্যে যে কোন একটি।
তাই এর পর সর্বদা singular verb ব্যবহার করতে হবে।

• Either:
- এই pronounটি মাত্র দু'টি ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে যে কোন একটি কে নির্দেশ করে।
- এর পর সব সময় singular verb ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ
- Inc. Either of the two options are acceptable.
- Cor Either of the two options is acceptable.

- Inc. Either of the two boys are talent.
- Cor. Either of the two boys is talent.

- Inc. The two brothers went to the town; either of them have been to town before.
- Cor. The two brothers went to the town; either of them has been to town before.

• Distributive Pronoun:
- যে pronoun অনেকগুলো ব্যক্তি বা বস্তু থেকে একটি বস্তু বা ব্যক্তিকে আলাদা করে বুঝায় তাকে distributive pronoun বলে।
- Example: each, every, either, neither. 

Source: A Passage To The English Language. S. M. Zakir Hussain.

.
Which sentence does not have a linking verb?
  1. My coffee remains hot.
  2. The boy kicked the ball.
  3. He became a doctor.
  4. The car looks fast.
সঠিক উত্তর:
The boy kicked the ball.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The boy kicked the ball.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - খ) The boy kicked the ball.

• Linking verb/ Copulative verb:
- যে সকল verb সাধারণত subject ও Subjective complement এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাদেরকে Linking verb/ Copulative verb বলে।
- Linking verb-এর complement হিসেবে সাধারণত adjective বসে।
- Subject এবং subjective complement এর মধ্যবর্তী verb কে linking/Copulative verb বলে।
- অবশ্যই মনে রাখতে হবে Linking/copulative verb হচ্ছে actionless.
- Adverbs can be used before linking verbs if they describe the linking verb and not the subject.

• Examples:
- He became a doctor.
- My coffee remains hot.
- The car looks fast.

- Subject এবং Subjective Complement এর মধ্যবর্তী verb কে Linking Verb বলে।
যেমন - be, become, look, seem, remain, appear, get, grow etc. 
- Subjective Complement বলতে বুঝায়, যা কোনো Linking Verb এর পরে বসে Subject এর দোষ, গুণ, অবস্থা, পেশা, পদ, পদবী ইত্যাদি প্রকাশ করে।

• More examples:
- My coffee remains hot.
- The car looks fast.

Source: A passage to the English Language by Zakir Hussain.

.
He died ______ a snake bite.
  1. from
  2. of
  3. by
  4. for
সঠিক উত্তর:
from
উত্তর
সঠিক উত্তর:
from
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ক) from
The complete sentence - He died from a snake bite.

• Die from
- সাধারণত, Die from (Effect) - কোনো ফলাফল; পরিণতি; প্রভাব এ মারা গেলে Die from ব্যবহার হয়।
- মৃত্যুর কারণ বা প্রভাব বোঝাতে die from ব্যবহৃত হয়:
- More Examples:
- He died from a snake bite.
- He died from overeating.

• Other options:
- Die of (রোগে মরা)- She died of cancer.
- Die by (কোনো কিছুর দ্বারা মারা যাওয়া) - He died by poison.
- Die for (জীবন উৎসর্গ করা)- He died for his country.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. DAS. 

.
Who said "Justice delayed is justice denied"?
  1. John Locke
  2. William E. Gladstone
  3. Thomas Jefferson
  4. Benjamin Franklin
সঠিক উত্তর:
William E. Gladstone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William E. Gladstone
ব্যাখ্যা

The quote "Justice delayed is justice denied" is credited to William E. Gladstone.
- এই উক্তিটি আইনি ও বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতার ফলে সৃষ্ট সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে, যেখানে বিচার প্রক্রিয়ায় অযথা বিলম্ব হলে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি প্রকৃতপক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে।
- এটি বোঝায় যে, যদি ন্যায়বিচার প্রদানের প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়, তবে তা প্রকৃতপক্ষে অন্যায়েরই শামিল হয়ে যায়।
- এই উক্তিটি এক ধরনের প্রতিক্রিয়া বা অভিযোগ, যা মানুষের মধ্যে বিচার ব্যবস্থার দেরি বা বিলম্বের কারণে ঘটতে পারে এমন অস্বস্তি বা অসন্তুষ্টি তুলে ধরে।
- এছাড়া, ন্যায়বিচারের বিলম্ব একটি রাষ্ট্রের সুশাসনের দুর্বলতাকে নির্দেশ করে।

William E. Gladstone:
- William E. Gladstone এর পুরো নাম হলো William Ewart Gladstone.
- তিনি ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি চারবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

His other famous quotes are -
- National injustice is the surest road to national downfall.
- You cannot fight against the future.
- Time is on its side.

Source: Britannica.

.
The plural form of oasis is -
  1. oasises
  2. oasii
  3. oases
  4. oasum
সঠিক উত্তর:
oases
উত্তর
সঠিক উত্তর:
oases
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) oases

• Number:
- কোন ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সংখ্যাকে Number বলে।

• Number দুই প্রকার:
1. Singular Number.
2. Plural Number.

• কিছু কিছু noun এর plural অনিয়মিতভাবে হয়ে থাকে। যেমন:
Singular                                       Plural
agendum                                      agenda
analysis (বিশ্লেষণ)                         analyses
alumnus (প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রী)          alumni
medium (মাধ্যম)                          media
formula (সূত্র)                              formulae, formulas
oasis                                               oases 
radius (ব্যাসার্ধ)                             radii

• More Example
Singular                                      Plural
basis (ভিত্তি)                                 bases
crisis (সংকট)                                crises
memorandum (স্মারকলিপি)          memoranda
syllabus (পাঠ্যসূচী)                        syllabi, syllabuses

Source: A passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
Who wrote the quote "It was the best of times, it was the worst of times"?
  1. William Shakespeare
  2. Charles Dickens
  3. Jane Austen
  4. George Eliot
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
ব্যাখ্যা

The correct answer: খ) Charles Dickens
The quote is taken from the book 'A Tale of Two Cities'.

A Tale of Two Cities:
- 'A Tale of Two Cities' Charles Dickens-এর লেখা একটি উপন্যাস।
- এই কাহিনী ১৮শ শতকের শেষভাগে ফরাসি বিপ্লবের পটভূমিতে লেখা হয়েছে।
- Dickens লন্ডন ও বিপ্লবকালীন প্যারিস নিয়ে তাঁর বিস্তৃত কাহিনীর জন্য থমাস কার্লাইলের ইতিহাসগ্রন্থ The French Revolution থেকে কিছু ধারণা নিয়েছিলেন।
- উপন্যাসটিতে নাটকীয়তা ইতিহাসের সত্যতার চেয়ে বেশি।

Charles Dickens (1812-1870)
- Charles Dickens ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
- তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তার কাজের অনেক কিছু সাধারণ মানুষ এবং জ্ঞানী, দরিদ্র এবং রাণী সব ধরনের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় ছিল।
- প্রযুক্তিগত উন্নতি সহ তাঁর কাজের গুণাবলী তাঁর খ্যাতি বিস্তার করতে সহায়ক হয়েছিল।

Notable Works:

Novels:
- Oliver Twist,
- A Christmas Carol,
- A Tale of Two Cities,
- David Copperfield,
- Great Expectations,
- Dombey and Son,
- Hard Times.

Non-fiction Book:
- American Notes.

Source: Britannica.

.
The synonym of 'Gregarious' is -
  1. Jeopardy
  2. Reserved
  3. Sociable
  4. Grace 
সঠিক উত্তর:
Sociable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sociable
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) Sociable
- Sociable (সঙ্গপ্রিয়; মিশুক)

Gregarious (adjective)
- English Meaning: Liking to be with other people.
- Bangla Meaning: দলবদ্ধভাবে বাস করে এমন।

Synonyms:
- Sociable (সঙ্গপ্রিয়; মিশুক),
- Companionable (সঙ্গী হওয়ার যোগ্য; মিশুক),
- Hospitable (অতিথিপরায়ণ, অতিথিবৎসল, অতিথিপ্রিয়),
- Friendly (বন্ধুবৎসল),
- Amicable (সৌহার্দ্যপূর্ণ)। 

Antonyms:
- Unsociable (অসামাজিক),
- Reserved (গুরুগম্ভীর; চাপা স্বভাবের),
- Unfriendly (বন্ধুত্বহীন),
- Introverted (অন্তর্মুখী),
- Introspective (চাপা স্বভাবের)। 

Example Sentences:
- He is naturally gregarious, and the work obviously suits him.
- He is a gregarious person who avoids solitude.

• Other options:
- Jeopardy (noun) বিপদ,
- Grace (noun) অনুগ্রহ; ক্ষমা,

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Accessible Dictionary.

.
‘Adam Bede’ is a/an -
  1. Poem
  2. Play
  3. Novel
  4. Essay
সঠিক উত্তর:
Novel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Novel
ব্যাখ্যা

The correct answer is - গ) Novel

Adam Bede:
- Adam Bede একটি উপন্যাস যা ১৮৫৯ সালে তিনটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র Adam Bede একজন কাঠুরে, যিনি একটি অবিবাহিত মহিলাকে ভালোবাসেন, কিন্তু সেই নারী অন্য একজন পুরুষের সন্তানের জননী হয়।
- যদিও অ্যাডাম তাকে সাহায্য করতে চায়, শেষ পর্যন্ত সে তাকে হারায়।
- এটি Eliot-এর প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। তিনি এটি বর্ণনা করেছিলেন "একটি গ্রাম্য কাহিনী—যেখানে গরুর নিঃশ্বাস ও খড়ের গন্ধ মিশে আছে।"
- এই উপন্যাসে প্রকৃত জীবনের নিখুঁত চিত্রণ এবং গ্রামীণ উপভাষার (Derbyshire dialect) ব্যবহারের মাধ্যমে বাস্তবতাকে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে।
- এই রচনায় মানবিক সহানুভূতি এবং নৈতিক বিচার-এর এক অনন্য সংমিশ্রণ দেখা যায়, যা ইংরেজি সাহিত্যে নতুন এক মাত্রা যোগ করে।

George Eliot (1819-1880)
- George Eliot একজন ইংরেজ ভিক্টোরিয়ান উপন্যাসিক ছিলেন।
- তিনি আধুনিক কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ পদ্ধতির বিকাশ ঘটান।
- তিনি তার লেখায় চরিত্রগুলোর মানসিক জগৎ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতেন, যা তাকে আধুনিক উপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত করেছে।

Notable Works:
Novels:
- Adam Bede,
- The Mill on the Floss,
- Silas Marner,
- Middlemarch,
- Daniel Deronda,

Source: Britannica.

.
ESCAP এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Economic and Social Center for Asia and the Pacific
  2. Economic and Social Comisions for Asia and the Pacific
  3. Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
  4. Economic and Social Conference for Asia and the Pacific
সঠিক উত্তর:
Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
ব্যাখ্যা

ESCAP:
- জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয়।
- কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- ESCAP এর পূর্ণরূপ- Economic and Social Commission for Asia and the Pacific.
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ESCAP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০.
বিচার বিভাগের কার্যাবলি কোনটি?
  1. বিচার সংক্রান্ত কাজ
  2. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা
  3. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ এর আয়োজক দেশ কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- আয়োজক দেশ: ৩টি।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
• কানাডা এবং
• মেক্সিকো।

- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।

১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'বিচারকদের পদের মেয়াদ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩.
BIDA-এর বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. আমিনুল ইসলাম
  2. আশিক চৌধুরী
  3. ফজলে কবির
  4. নূরুল মজিদ
সঠিক উত্তর:
আশিক চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশিক চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। (অক্টোবর, ২০২৫)

বিনিয়োগ বোর্ড:
- BIDA এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- BIDA এর পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল বিনিয়োগ বোর্ড।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৯ সালে।
- ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, যা ২০০০ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন নামে রুপান্তরিত হয় সেটিকে একত্রিত করে সরকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) প্রতিষ্ঠা করে।
- বিনিয়োগ বোর্ডের লক্ষ্য ছিল দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, অর্থনীতিতে বিশেষ করে বেসরকারি খাত এবং বিদেশি বেসরকারি পুঁজির অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপযোগী সরকারি নীতির বাস্তবায়ন ঘটানো।
- এর পরিচালনায় ছিল নির্বাহী সদস্যবৃন্দ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাহী পরিষদ।

তথ্যসূত্র - বিনিয়োগ বোর্ড ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৪.
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫ এ শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. এস্তোনিয়া
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. সুইডেন
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫:
- সূচকের শিরোনাম: RSF World Press Freedom Index 2025.
- সূচকটি প্রকাশিত হয় ২ মে, ২০২৫।
- ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF) সূচকটি প্রকাশ করে।

⇒ শীর্ষ দেশ:
• নরওয়ে।
• এস্তোনিয়া।
• নেদারল্যান্ডস।
• সুইডেন।
• ফিনল্যান্ড।

⇒ এই তালিকায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ইরিত্রিয়া।

⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

তথ্যসূত্র - Reporters Without Borders (RSF) ওয়েবসাইট।

১৫.
'আস্তাকুঁড়ের পাতা' বাগধারার অর্থ কী?
  1. বেখাপ্পা
  2. নিচ ব্যক্তি
  3. অত্যন্ত অলস
  4. রুগ্‌ণ 
সঠিক উত্তর:
নিচ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিচ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

• 'আস্তাকুঁড়ের পাতা' বাগ্‌ধারার অর্থ - নিচ ব্যক্তি। 

অন্যদিকে, 
• 'অকর্মার ধাড়ি' অর্থ - অত্যন্ত অলস। 
• 'আখাম্বা' অর্থ - বেখাপ্পা। 
• 'তালপাতার সেপাই' অর্থ- রুগ্‌ণ/ছিপছিপে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াত মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং অভিগম্য অভিধান। 

১৬.
অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• ঠোঁটের আকৃতি অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনি ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
সংবৃত: ২টি (ই, উ)।
অর্ধসংবৃত: ২টি (এ, ও)।
বিবৃত: ১টি (আ)।
অর্ধবিবৃত: ২টি (অ্যা, অ)।

---------------------
• জিভের উচ্চতা অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনি ৪ প্রকার। যথা:
উচ্চ-স্বরধ্বনি: ২টি (ই, উ);
উচ্চমধ্য-স্বরধ্বনি: ২টি (এ, ও);
নিম্নমধ্য-স্বরধ্বনি: ২টি (অ্যা, অ);
নিম্ন-স্বরধ্বনি: ১টি (আ)।

• জিভের অগ্রপশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী বাংলা স্বরধ্বনি ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
সম্মুখ স্বরধ্বনি: ৩টি (ই, এ, অ্যা)।
কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি: ১টি (আ)।
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: ৩টি (অ, ও, উ)।

• কোমল তালুর অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
মৌখিক স্বরধ্বনি: ৭টি স্বরধ্বনির স্বাভাবিক উচ্চারণ
অনুনাসিক স্বরধ্বনি: ৭টি স্বরধ্বনির অনুনাসিক উচ্চারণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াত মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

১৭.
কোনটি অন্ত্যস্বরলোপের উদাহরণ?
  1. আশা > আশ
  2. ফলাহার > ফলার
  3. ফাল্গুন > ফাগুন
  4. চাহিল > চাইল।
সঠিক উত্তর:
আশা > আশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশা > আশ
ব্যাখ্যা

• অন্ত্যস্বরলোপ:
উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের শেষে স্বরধ্বনির লোপ হলে তাকে অন্ত্যস্বর লোপ
বলে।
যেমন:
- আশা > আশ।

অন্যদিকে, 
-------------------
• অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তন:
শব্দের মধ্যস্থ কোনো স্বরহীন বা স্বরযুক্ত ব্যঞ্জনের লোপ ঘটলে তাকে অন্তর্হতি বলা হয়।
যেমন:
- ফাল্গুন > ফাগুন,
- পূর্ব > পুব,
- আলাহিদা > আলাদা,
- ফলাহার > ফলার,
- গাহিল > গাইল, 
- চাহিল > চাইল।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

১৮.
'সিতাংশু' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. মেঘ 
  2. ঝরনা 
  3. চাঁদ
  4. জ্যোৎস্না 
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
ব্যাখ্যা



'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ:
চন্দ্র, শশী, শশাঙ্ক, সুধাকর, ইন্দু, সোম, শশধর, বিধু, নিশাকর, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
'তদবধি' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. তদ্‌ + অবধি 
  2. তৎ + অবধি 
  3. তধ্ + অবধি 
  4. তদ্‌ + বধি 
সঠিক উত্তর:
তৎ + অবধি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎ + অবধি 
ব্যাখ্যা

• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম (ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি):
ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্‌, জ্, ড্ (ড়), দ্‌, ব্‌ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত।
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
- ষট্ + আনন = ষড়ানন।
- তৎ + অবধি = তদবধি।
- সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২০.
'হরিণের মত চোখ যে নারীর' এক কথায় কী বলে? 
  1. মীনাক্ষী
  2. মোহিনী
  3. হিরম্ময়ী
  4. এণাক্ষী
সঠিক উত্তর:
এণাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এণাক্ষী
ব্যাখ্যা

• 'হরিণের মত চোখ যে নারীর বা যার' এক কথায় বলে - এণাক্ষী।

অন্যদিকে, 
• 'মৎস্যের ন্যায় অক্ষি যার' এক কথায় বলে - মীনাক্ষী।
• মুগ্ধ করে যে নারী- মোহিনী।
• সোনার তৈরি- হিরণ্ময়; স্ত্রীবাচক- হিরম্ময়ী। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২১.
'চাষাভুষার কাব্য' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. বেগম রোকেয়া
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. জসীম উদ্‌দীন  
সঠিক উত্তর:
নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা

• 'চাষাভুষার কাব্য' কাব্যগ্রন্থ:
- 'চাষাভুষার কাব্য' বাংলা সাহিত্যের ষাট দশকের কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইয়ের কবিতাগুলোয় রাষ্ট্র, সমাজ, ধর্ম ও অর্থনীতির নানা বিভক্তি, সংঘাত এবং মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব ও বিপন্নতার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে
- এই কাব্যগ্রন্থে কবি গ্রামীণ, শ্রমজীবী মানুষের জীবন ও মাটির সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ককে ফুটিয়ে তুলেছেন।

অন্যদিকে,
• 'চাষার দুক্ষু' নামক প্রবন্ধটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত।

----------------------
• নির্মলেন্দু গুণ:

- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নির্মলেন্দু গুণ এর সম্পূর্ণ নাম 'নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী'।
- বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয় নির্মলেন্দু গুণ কে।
- তাঁকে ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এছাড়া ১৯৮২ সালেই আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০১ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবী,
- বাংলার মাটি বাংলার জল,
- কবিতা অমীমাংসিত রমণী,
- দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
- চৈত্রের ভালোবাসা,
- তার আগে চাই সমাজতন্ত্র,
- চাষাভুষার কাব্য,
- দূর হ দুঃশাসন,
- প্রথম দিনের সূর্য,
- নিরঞ্জনের পৃথিবী,
- নেই কেন সে পাখি,
- মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা,
- চিরকালের বাঁশি,
- শিয়রে বাংলাদেশ,
- দুঃখ করো না, বাঁচো ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া; 'চাষাভুষার কাব্য'।

২২.
ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যনাট্য কোনটি?
  1. পাখির বাসা
  2. হাতেমতায়ী
  3. নৌফেল ও হাতেম
  4. সাত সাগরের মাঝি
সঠিক উত্তর:
নৌফেল ও হাতেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌফেল ও হাতেম
ব্যাখ্যা

• ‘নৌফেল ও হাতেম’ কাব্যনাট্য:
- আরব্য উপন্যাসের বিখ্যাত কাহিনি থেকে কবি ফররুখ আহমদ ‘নৌফেল ও হাতেম’ নামে একটি কাব্যনাট্য রচনা করেছেন। ১৯৬১ সালে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউটে ঢাকা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীবৃন্দ ‘নৌফেল ও হাতেম’ নাটকটি মঞ্চস্থ করেন এবং নাট্যমোদীদের দ্বারা তা উচ্চ প্রশংসিত হয়।

- ইতিপূর্বে ‘মাহে নও’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ পায় এবং ১৯৬১ সালের জুন মাসে পাকিস্তান লেখক সংঘের পক্ষে ড. কাজী মোতাহার হোসেন তা প্রকাশ করেন।

- ইসলামি রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ ‘নৌফেল ও হাতেম’ নাটকটিতে ইয়েমেনের শাহজাদা হাতেমকে মানবতাবাদী চরিত্র ও প্রতীকরূপে গ্রহণ করেছেন। হাতেমকে আদর্শবাদী ‘ন্যায়পরায়ণ’, পরোপকারী, সেবাব্রতী, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী ও মহৎ মানবতাবাদীরূপে চিত্রিত করেছেন। অন্যদিকে নৌফেল ঈর্ষাপরায়ণ, অত্যাচারী, অহংকারী বাদশাহর প্রতীকে চিত্রিত করেছেন। বিজয় দেখিয়েছেন মানবতার। মুক্তি দেখিয়েছেন ইনসাফের।

নাটকের চরিত্রগুলো হলো:
নৌফেল, হাতেম, উজীর, আমীর, শায়ের, মুর্শিদ, কোতোয়াল, গুপ্তচর, ভাঁড়, মোসাহেব, বেগম, কাঠুরিয়া, কাঠুরিয়ার স্ত্রী, কাঠুরিয়ার সন্তান ও অন্যান্য।

-----------------
ফররুখ আহমদ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি (শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ),
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী (কাহিনিকাব্য),
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

পাখির বাসা (১৯৬৫), হরফের ছড়া (১৯৭০), ছড়ার আসর (১৯৭০) ইত্যাদি তাঁর শিশুতোষ রচনা।

উৎস: 'নৌফেল ও হাতেম' কাব্যনাট্য এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৩.
‘উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রাবেয়া খাতুন 
  2. আনোয়ার পাশা 
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. সেলিনা হোসেনে
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেনে
ব্যাখ্যা

• ‘উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থ:  
- 'উৎস থেকে নিরন্তর' সেলিনা হোসেনের প্রথম গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- ভাষা আন্দোলন, নারী-পুরুষের সমতা প্রত্যাশা, গ্রামীণ পারিবারিক পরিমণ্ডলের ভাঙ্গন ইত্যাদি বিষয়বস্তুর পেক্ষাপটে গল্পগুলো রচিত। 
- গৈরিক বাসনা, বৈশাখী গান, রতি বিলাস, মাস্টার, কান্নার তৃতীয় দিন, গোলাপ ফোঁটা সকাল -ইত্যাদি গল্প সংকলিত হয়েছে এই গল্পগ্রন্থে।

----------------------
সেলিনা হোসেন রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পরজন্ম,
- মানুষটি,
- মতিজানের মেয়েরা,
- অনূঢ়া পূর্ণিমা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং ‘উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থ।

২৪.
রবীন্দ্রনাথের শেষ মানভূমিক নাটক বলা হয় কোনটি কে?
  1. ডাকঘর
  2. প্রায়শ্চিত্ত
  3. বিসর্জন
  4. রক্তকরবী
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
ব্যাখ্যা

• 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটক:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বউ ঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক 'প্রায়শ্চিত্ত'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে।
- এই নাটকেই ধনঞ্জয় বৈরাগী চরিত্রের আবির্ভাব। 
- 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটককে বলা হয় রবীন্দ্রনাথের শেষ মানভূমিক নাটক। নাটকটি পঞ্চাঙ্কের।
- টলস্টয়ের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ নীতির প্রভাব ও গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পূর্বাভাস পাওয়া যায় এ নাটকে।
- 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটকের নতুন ও পরিবর্তিত সংস্করণ 'পরিত্রাণ' নাটক। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।

'প্রায়শ্চিত্ত' নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- ধনঞ্জয় বৈরাগী,
- সুরমা,
- উদয়াদিত্য,
- বিভা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
-------------------
• 'ডাকঘর' (১৯১২ খ্রিস্টাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো- মাধব দত্ত, 
অমল, সুধা। 

• 'বিসর্জন' (১৮৯১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি নাটক। 'রাজর্ষি' উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে 'বিসর্জন' নাটকটি রচিত হয়। এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জয়সিংহ, রঘুপতি, অর্পনা।

• 'রক্তকরবী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত। উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: নন্দিনী, রঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৫.
নিউট্রন কে আবিষ্কার করেন? 
  1. রাদারফোর্ড 
  2. ডারউইন 
  3. চ্যাডউইক 
  4. আইনস্টাইন 
সঠিক উত্তর:
চ্যাডউইক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যাডউইক 
ব্যাখ্যা

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- বিজ্ঞানী চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n. 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g. 
- আপেক্ষিক আধান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
৫% হার মুনাফায় ৫২০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত? 
  1. ৫৫৬৩ টাকা
  2. ৫৭৩৩ টাকা
  3. ৫৮৪০ টাকা
  4. ৫৯২০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫৭৩৩ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭৩৩ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫% হার মুনাফায় ৫২০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত? 

সমাধান: 
এখানে,
মূলধন, P = ৫২০০ টাকা
মুনাফায় হার, r = ৫% = ৫/১০০ = ১/২০ 
সময়, n = ২ বছর

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ৫২০০(১ + ১/২০)
= ৫২০০ × (২১/২০)
= ৫২০০ × (২১/২০) × (২১/২০) 
= ৫৭৩৩ টাকা 

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৫৭৩৩ টাকা।

২৭.
9x2 - (2x - 3y)2 = কত? 
  1. (5x + 3y) (x - 3y) 
  2. (5x - 3y) (x - 3y)
  3. (5x - 3y) (x + 3y) 
  4. (5x + 3y) (x + 3y) 
সঠিক উত্তর:
(5x - 3y) (x + 3y) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(5x - 3y) (x + 3y) 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 9x2 - (2x - 3y)2 = কত? 

সমাধান: 
9x2 - (2x - 3y)2 
= (3x)2 - (2x - 3y)2 
= {3x + (2x - 3y)} {3x - (2x - 3y)} 
= (3x + 2x - 3y) (3x - 2x + 3y) 
= (5x - 3y) (x + 3y)

২৮.
একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৭ সেন্টিমিটার ও ১০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার? 
  1. ৭০ বর্গ সেন্টিমিটার
  2. ২০ বর্গ সেন্টিমিটার
  3. ২৮ বর্গ সেন্টিমিটার
  4. ৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৭ সেন্টিমিটার ও ১০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
রম্বসের একটি কর্ণ = ৭ সেন্টিমিটার 
এবং অপর কর্ণটি = ১০ সেন্টিমিটার 

∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল 
= (১/২) × ৭ × ১০
= ৩৫ বর্গ সেন্টিমিটার।

২৯.
কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৭, ৪০ ও ৬৫ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ ভাগশেষ থাকবে? 
  1. ১২ 
  2. ১৮ 
  3. ১৫ 
  4. ২১ 
সঠিক উত্তর:
১২ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৭, ৪০ ও ৬৫ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ ভাগশেষ থাকবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
একটি বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৭, ৪০ ও ৬৫ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৩, ৪, ৫ ভাগশেষ থাকবে। 
এখানে, 
২৭ - ৩ = ২৪ 
৪০ - ৪ = ৩৬ 
৬৫ - ৫ = ৬০ 

∴ বৃহত্তম সংখ্যাটি হবে ২৪, ৩৬ ও ৬০ এর গ.সা.গু ।
২৪, ৩৬ ও ৬০ এর গ.সা.গু = ১২
∴ নির্ণেয় বৃহত্তম সংখ্যা = ১২ ।

৩০.
5 + 8 + 11 + 14 +.......... ধারাটির 100 তম পদ কত? 
  1. 301
  2. 302
  3. 305
  4. 308
সঠিক উত্তর:
302
উত্তর
সঠিক উত্তর:
302
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5 + 8 + 11 + 14 +.......... ধারাটির 100 তম পদ কত? 

সমাধান: 
এখানে,
ধারার প্রথম পদ, a = 5
সাধারণ অন্তর, d = (8 - 5) = 3 
পদ সংখ্যা, n = 100

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - 1)d
∴ 100 তম পদ = 5 + {(100 - 1) × (3)}
= 5 + (99 × 3)
= 5 + 297
= 302

৩১.
'Special law prevails over general law' এই নীতি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৪ ধারা
  4. ৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৫: এই আইনে কিছু বিশেষ আইন প্রভাবিত হবে না:
এই আইনের কোনো কিছুই এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যে, তা প্রজাতন্ত্রের (রাষ্ট্রের) সেনা, নৌ বা বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বিমানকর্মীদের বিদ্রোহ (mutiny) বা পলায়ন (desertion) সম্পর্কিত শাস্তির জন্য প্রণীত কোনো আইনকে রদ, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করবে।

এছাড়াও, কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইন এই আইনের দ্বারা প্রভাবিত হবে না

৩২.
যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয় এবং অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের বেশি হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় জামিন দিতে পারে:
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী পুলিশ
  4. ক এবং খ উভয়ে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭- যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা যায় না:
(৫) যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয়—
ক) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

খ) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হয়, তবে দায়রা আদালত জামিন দিতে পারে।

জামিন না দিলে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতকে এর লিখিত কারণ উল্লেখ করতে হবে। যদি মামলায় সরকারের অনুমোদন (Sanction) প্রয়োজন হয়, তবে অনুমোদন পেতে যে সময় লাগবে তা ১২০ দিনের মধ্যে গণনা করা হবে না।

৮) এই জামিন সংক্রান্ত বিধান (উপ-ধারা ৫) দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৪০০ ও ৪০১ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

৩৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ এর ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ (conviction)-
  1. কখনো প্রাসঙ্গিক নয়
  2. সৎ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  3. খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলায় প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:
ফৌজদারি মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।


⇒ The Evidence Act, 1872, Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1– This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2– A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

৩৪.
মামুন তার বন্ধুর গুরুতর এবং আকস্মিক প্ররোচনার কারণে ঘুষি মেরে বন্ধুকে আঘাত করে। তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড 
  2. ২ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : সর্বোচ্চ ১ মাসের কারাদণ্ড।

দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ৩৩৪- প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান:

যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে অন্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান না থাকে, কেবল সেই ব্যক্তিকে আঘাত করে যে প্ররোচনা দিয়েছে, তবে তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

৩৫.
পুলিশ হেফাজতে কেউ মারা গেলে কে ইনকোয়ারি করবেন?
  1. থানার অফিসার ইনচার্জ
  2. দায়রা আদালত
  3. নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র অপরাধ আমল গ্রহণে যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

৩৬.
সাক্ষীর পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কে করতে পারে?
  1. প্রতিপক্ষ
  2. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  3. বিচারক
  4. মামলার উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।

⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

৩৭.
'ক' কোনো মহিলাকে ভীতিগ্রস্থ বা আহত করার উদ্দেশ্যে যদি তার ঘোমটা খুলে ফেলে, তবে তা দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচে বর্ণিত কোন অপরাধটি হবে?
  1. আক্রমণ
  2. শ্লীলতাহানী
  3. ব্যভিচার
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section-350. Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

৩৮.
কোনো একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনোরকম প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি ছাড়াই যখন স্বেচ্ছায় কোনো দোষ স্বীকারোক্তি করে তখন তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করা হয়?
  1. ২৪ ধারা 
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৮ ধারা 
  4. ৩০ ধারা 
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারার বিধান: প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির কারণে সৃষ্ট প্রভাব দূর হওয়ার পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক:
-যদি ধারা ২৪-এ উল্লেখিত প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির কারণে সৃষ্ট কোনো প্রভাব আদালতের মতে সম্পূর্ণরূপে দূর হয়ে যাওয়ার পর স্বীকারোক্তি প্রদান করা হয়, তবে সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ এই ধারার মূল লক্ষ্য হলো নিশ্চিত করা, যে স্বীকারোক্তিটি পূর্ণ স্বাধীন ইচ্ছায় এবং কোনো প্রভাব বা চাপ ছাড়াই করা হয়েছে। যখন প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি করেছেন, তখনই সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

⇒ বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে এক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে হবে যে প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা সম্পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত কোনো প্রভাব বা চাপ ছাড়াই তার স্বীকারোক্তি করেছেন।

৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ৩ এর অধীনে জারিকৃত নোটিশ জারির কত দিনের মধ্যে আদালতে ফেরত দিতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৩ক (Rule 3A):
বিধি ৩ এর অধীনে জারি করা নোটিশ, তা প্রদান করা হোক বা না হোক, জারির ৭ দিনের মধ্যে আদালতে ফেরত দিতে হবে।
যদি নোটিশ প্রদান না করে ফেরত আসে (অর্থাৎ, বিপক্ষ পক্ষের কাছে পৌঁছানো না যায়), তবে আদালত নোটিশটি পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করবে, এবং এই পুনঃপ্রেরণের জন্য ৭ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত আছে।
পুনরায় প্রেরণের ক্ষেত্রে, আদেশ-৫, বিধি-২০ এর বিধান অনুসরণ করা হয়, যতদূর প্রযোজ্য। এই পুনঃপ্রেরিত নোটিশের প্রদানকে যথাযথ প্রদান হিসেবে গণ্য করা হয়।

৪০.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. জেলা বা যুগ্ম জেলা জজের আদি এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  3. জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  4. দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা কর্মকর্তাদের উপর হস্তান্তর করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
(১) কোনো জেলা জজ তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো যুগ্ম জেলা জজকে (Joint District Judge) হস্তান্তর করতে পারবেন, যেসব আপিল তাঁর কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে চলমান আছে।

(২) জেলা জজ যেকোনো হস্তান্তরিত আপিল প্রত্যাহার (withdraw) করতে পারবেন, এবং নিজে শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো সক্ষম আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন যা সেই আপিল নিষ্পত্তি করার যোগ্য।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী হস্তান্তরিত আপিলগুলি সেই নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে যা জেলা জজ কর্তৃক সাধারণ আপিল নিষ্পত্তিতে প্রযোজ্য।

৪১.
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:

তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।

৪২.
According to which Order, no decree to be set aside without notice to opposite party under which of the in the CPC?
  1. Order 9, Rule 10
  2. Order 9, Rule 11
  3. Order 9, Rule 13
  4. Order 9, Rule 14
সঠিক উত্তর:
Order 9, Rule 14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 9, Rule 14
ব্যাখ্যা

Order 9, Rule 14:
No decree shall be set aside on any such application as aforesaid unless notice thereof has been served on the opposite party.

বাংলা অর্থ:
যে কোনো আবেদন অনুযায়ী (যেমন উপরোক্ত প্রসঙ্গে) ফলাফল বাতিল করা হবে না, যতক্ষণ না সেই বিষয়ে নোটিশ/বিজ্ঞপ্তি বিপরীত পক্ষকে দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ, আদালত কোনো ডিক্রি (decree) বাতিল করতে পারবেন না যদি বিপরীত পক্ষকে আগে জানানো না হয়।

৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক অনুযায়ী, প্রতিবাদী (Respondent) যদি নির্ধারিত টাকা না দেয়, তাহলে কী হবে?
  1. আপিল মুলতবি হবে
  2. আপিল খারিজ হয়ে যাবে
  3. আদালত নতুন তারিখ দেবে
  4. আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
সঠিক উত্তর:
আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৪১, বিধি ১২ক: আপিলে মুলতবি (Adjournment in Appeal):
(১) আপিল শুনানির জন্য কোনো পক্ষের অনুরোধে তিনবারের বেশি মুলতবি (adjournment) আদালত দিতে পারবে না। তিনবারের বেশি মুলতবি চাইলে, যে পক্ষ তা চাইবে, তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে — আদালত যা উপযুক্ত মনে করবে।
- যদি আপিলকারী (Appellant) টাকা না দেয়, তাহলে আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- যদি প্রতিবাদী (Respondent) টাকা না দেয়, তাহলে একতরফা শুনানিতে আপিল নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী যেকোনো আপিল যদি খারিজ হয় বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে যার কারণে তা হয়েছে, সে পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে শুনানির জন্য আপিল পুনরুজ্জীবিত (revive) করা যাবে।
- এই আবেদনের সাথে আদালত কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ ধার্য করবে।
- খরচ আদালতে জমা দিলে, কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই আপিল পুনরায় শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে।
- আদালত জমাকৃত অর্থ অপর পক্ষকে পরিশোধ করবে।
- একই পক্ষ একবারের বেশি এই নিয়মে আপিল পুনরুজ্জীবন করাতে পারবে না।

(৩) আপিল শুনানির সময় আদালত নিজে থেকে মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না, যদি না আদালত উপযুক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে।

৪৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
 সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

The Specific Relief Act, 1877-Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
 A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
 A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

৪৫.
আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির কত বিধি অনুযায়ী হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় (examine or adjust accounts) করার জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. আদেশ ২৬ বিধি-৯
  2. আদেশ ২৬ বিধি-১০
  3. আদেশ ২৬ বিধি-১১
  4. আদেশ ২৬ বিধি-১৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৬ বিধি-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৬ বিধি-১১
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন:
কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts:
In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.

৪৬.
B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। এক্ষেত্রে, The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৭ অনুসারে, A আদালতের মাধ্যমে-
  1. B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে
  2. B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না
  3. B-কে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে
  4. B-কে চুক্তি বাতিলের আদেশ দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement):
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক (affirmative) চুক্তির পাশাপাশি একটি নেতিবাচক (negative) চুক্তিও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে, অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে;

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

উদাহরণসমূহ-
(ঘ) B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। A আদালতের মাধ্যমে B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A, B-কে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

৪৭.
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন যদি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্বের জন্য করা হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. আবেদনকারীর মামলা বাতিল করবে
  2. আবেদনকারীকে মামলা থেকে বাদ দিতে পারে
  3. আবেদনকারীকে কারাদণ্ডাদেশ দিবে
  4. ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

Order 6, Rule 17 – Amendment of Pleadings:
মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে আদালত পক্ষগুলিকে তাদের প্লিডিং (pleadings) পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারে এমনভাবে এবং শর্তে যা ন্যায়সঙ্গত মনে হয়। এই সংশোধনগুলো করা হবে যাতে পক্ষগুলোর মধ্যে মূল বিতর্কিত বিষয়গুলি সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়।

শর্ত ১:
ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর কোনো সংশোধনের আবেদন গৃহীত হবে না, যদি না আদালত মনে করে যে, দায়িত্বপূর্ণ যত্ন (due diligence) সত্ত্বেও, পক্ষটি ট্রায়ালের আগে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেনি।

শর্ত ২:
যদি ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর সংশোধনের আবেদন করা হয়, এবং আদালত মনে করে যে, আবেদনটি মামলার প্রক্রিয়া বিলম্ব করার জন্য করা হয়েছে, তাহলে আদালত আবেদনকারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে নির্ধারিত খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।

৪৮.
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যদি কোনো বিতর্ক দেখা দেয়, তবে তা নিষ্পত্তির জন্য কার নিকট প্রেরিত হবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।

৪৯.
What is stated as the basis of Bangalee nationalism in the constitution of Bangladesh?
  1. Economic prosperity
  2. Language and culture
  3. Unity and solidarity
  4. Historical struggle
সঠিক উত্তর:
Unity and solidarity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unity and solidarity
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) Unity and solidarity

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯ অনুযায়ী, বাঙালী জাতির একতা ও সংহতি (Unity and solidarity) হলো বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।

• অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism:
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

৫০.
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) মামলার মামলার প্রধান রায় লেখক (Author Judge) কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি এম.এইচ রহমান
  2. বিচারপতি এটিএম আফজাল
  3. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ
  4. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী মামলা:
মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.

রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে।  ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক:
এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।

Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।

Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

৫১.
রহিতকরণ আইনের [Repealing Act] অধীনে কোন অধিকার বা দায় ক্ষুণ্ণ হবে?
  1. পূর্বের আইন অনুযায়ী প্রাপ্ত অধিকার
  2. পূর্বের আইনের অধীনে চলমান আইনগত কার্যক্রম
  3. ক এবং খ উভয়
  4. উপরোক্ত কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

৫২.
'কোন আদালতে রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশ বা চুক্তিপত্রের বৈধতা প্রশ্ন করা যাবে না'- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮(৫)
  2. অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
  3. অনুচ্ছেদ ৫৬(২)
  4. অনুচ্ছেদ ৫৮(১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫(৫)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 

(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 

(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 

(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 

(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 

(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

৫৩.
“Judicis Est Jus Dicere Non Dare” নীতি অনুযায়ী বিচারকের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. বিচারকার্য দ্রুত করা
  2. আইন সংশোধন করা
  3. আইনের ব্যাখ্যা করা
  4. বিচার কার্যের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
ব্যাখ্যা

ম্যাক্সিম: "Judicis Est Jus Dicere Non Dare"
ইংরেজি অনুবাদ: “It is the duty of a judge to declare the law, not to make it.”
অর্থাৎ — বিচারকের কাজ হলো আইনের ব্যাখ্যা করা, নতুন আইন তৈরি করা নয়।

অর্থাৎ, বিচারকের কাজ হলো যে আইন ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রের আইনসভা (সংসদ) দ্বারা প্রণীত হয়েছে, সেটির যথাযথ ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করা — নতুন আইন তৈরি করা বা পরিবর্তন করা তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।

এই ম্যাক্সিমটি বিচার বিভাগের সীমা ও দায়িত্ব নির্দেশ করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তিনটি মূল অঙ্গ রয়েছে -
আইনসভা (Legislature) — আইন প্রণয়ন করে।
নির্বাহী বিভাগ (Executive) — আইন কার্যকর করে।
বিচার বিভাগ (Judiciary) — আইন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করে।

এই নীতির আলোকে বলা হয় -
- বিচারকগণ আইন তৈরি করতে পারেন না, তারা কেবল আইনকে বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারেন।
- যদি কোনো বিষয়ে আইন অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থক হয়, তখন বিচারক ব্যাখ্যা দেবেন; কিন্তু তিনি নতুন আইন সংযোজন বা পরিবর্তন করতে পারবেন না।

৫৪.
রাষ্ট্রপতির কাছে আপীল বিভাগের মতামত প্রদানের এখতিয়ারকে কী বলা হয়?
  1. বিশেষ এখতিয়ার
  2. বিচারিক এখতিয়ার
  3. উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার
  4. পুনর্বিবেচনা এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী-
যদি রাষ্ট্রপতির মনে হয় যে, কোনো আইনি প্রশ্ন (question of law) জনগুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মতামত প্রয়োজন,
তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

আপীল বিভাগ তখন শুনানি করে রাষ্ট্রপতিকে তার মতামত (opinion) প্রদান করতে পারে। এই এখতিয়ারকে বলা হয় - “উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার” (Advisory Jurisdiction)।

৫৫.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী, “আইন” শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. প্রবিধান
  2. বিজ্ঞপ্তি
  3. আইনগত দলিল
  4. প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।

• সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;

⇒ “প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত” কেবল সরকারি নীতি বা প্রশাসনিক নির্দেশনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার আইনি বল বা আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না, যতক্ষণ না তা কোনো আইন বা বিধির অধীনে প্রণীত হয়। তাই, এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী “আইন” শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।

Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;

৫৬.
‘ইজমা’ বলতে বোঝায়-
  1. একক মতামত
  2. মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
  3. সকল মুসলিমদের মতামত
  4. কোরআনের অনুবাদ
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

ইজমা:
ইজমা শব্দটি আরবি। এর আভিধানিক অর্থ- ঐকমত্য হওয়া, শক্তিশালী করা, দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া, একমত হওয়া ইত্যাদি। সুতরাং কোন বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করার নামই হলো ইজমা। ইসলামি শরীআতের ভাষায়-"কোন কাজ অথবা কথার ওপর এক যুগের উম্মাতে মুহাম্মদীর ন্যায়বান মুজতাহিদগণের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তকে বলে।" ইজমা শরীআতের তৃতীয় উৎস। গুরুত্বের বিচারে কুরআন ও হাদিসের পরেই ইজমার স্থান। কোন বিশেষ যুগে আইন সংক্রান্ত কোন বিশেষ প্রশ্নের সমস্যার সমাধান কুরআন ও হাদিসকে কেন্দ্র করে মুসলিম পণ্ডিতগণ যে সম্মিলিত অভিমত পোষণ করেছেন ইসলামি শরীআতে তাই হলো ইজমা। ইজমা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাণী দ্বারা বৈধ প্রমাণিত হয়েছে।

৫৭.
মুসলিম উইলকারী জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি বিক্রি করলে কী ঘটে?
  1. উইল অপরিবর্তিত থাকে
  2. বিক্রয় বাতিল হয়
  3. উইল বাতিল হয়
  4. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে উইল কার্যকর হয়
সঠিক উত্তর:
উইল বাতিল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল বাতিল হয়
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে,
একজন ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় যে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন, সেটি তার সম্পূর্ণ অধিকার। তবে, যদি তিনি ওই সম্পত্তির কিছু অংশ উইল করেন, তবে ওই উইলটি মৃত্যুর পর কার্যকর হবে। কিন্তু, যদি ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ওই সম্পত্তি বিক্রি করেন, তাহলে উইলটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে, কারণ বিক্রি একটি কার্যকর আইনগত কাজ, যা সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করে।

কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত। আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-
ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।
খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।
গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।

৫৮.
হানাফী মুসলিম A এর ২ পুত্র B ও C ছিল। ২ পুত্র রেখে B, ১৯৫৫ সালে মারা যায়। A, ১৯৬২ সালে মারা যায়। A এর সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন হবে?
  1. C পুরো সম্পত্তি পাবে
  2. B-এর সন্তানরা কোনো অংশ পাবে না
  3. B-এর অংশ তার দুই পুত্র সমানভাবে এবং C বাকি অংশ পাবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
B-এর অংশ তার দুই পুত্র সমানভাবে এবং C বাকি অংশ পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-এর অংশ তার দুই পুত্র সমানভাবে এবং C বাকি অংশ পাবে
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (MFLO, 1961) এর ধারা ৪ অনুসারে:
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে যাহার সম্পত্তি বণ্টিত হবে তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তার পুত্র বা কন্যার মৃত্যু ঘটে এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সময় ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান যদি কেউ থাকে, তবে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, তার সমান অংশ ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা অংশ অনুপাতে [per-stripes] পাবে। এ নিয়মকেই 'Doctrine of Representation' বলা হয়।

এখানে, ধারা ৪ অনুযায়ী 'B মারা গেলে তার সন্তানরা B এর অধিকার প্রাপ্ত হবেন। C বাকি অংশ পাবে।

যেহেতু, MFLO, 1961 আইনটি ১৯৬১ সালের ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, সেহেতু, 'A', ১৯৬২ সালে মৃত্যুবরণ করার পরই উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে। 'B'-এর ১৯৫৫ সালে মৃত্যুবরণ করা এখানে বিবেচ্য নয়।

৫৯.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারার অধীন পারিবারিক আপিল আদালত অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২১: পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান:
যদি মোকদ্দমা বা আপিলের যেকোনো পর্যায়ে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত হলফনামা বা অন্য কিছু দ্বারা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মোকদ্দমা বা আপিলের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করা হইতে কোনো পক্ষকে বিরত রাখিবার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেইক্ষেত্রে আদালত উহার নিকট যেরূপ উপযুক্ত প্রতীয়মান হইবে সেইরূপ অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৬০.
Talak-e-Tafwid বা তালাক-ই-তাওফিজ বলতে কী বোঝায়?
  1. স্বামীর স্বেচ্ছায় তালাক
  2. স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দেওয়া তালাকের ক্ষমতা
  3. আদালতের মাধ্যমে তালাক
  4. স্বামী-স্ত্রী উভয়ের সম্মতিমূলক তালাক
সঠিক উত্তর:
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দেওয়া তালাকের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দেওয়া তালাকের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• 'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':
সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে।

ইসলামিক বিবাহ নিবন্ধনের সময়, নিকাহনামার ১৮ নম্বর কলামে তালাকের ক্ষমতা অর্পণের বিষয়টি উল্লেখ করার সুযোগ থাকে। যদি স্বামী এই কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করেন, তবে স্ত্রী নির্দিষ্ট শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে নিজেই তালাক নিতে পারেন। অতএব, তালাক-ই-তাফফিজের ক্ষমতা কার্যকর করার জন্য এই ধারাটিতে শর্তগুলি স্পষ্টভাবে লেখা থাকা জরুরি। 

৬১.
বিবাহিতা অবস্থায় হিন্দু নারীর কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অর্জিত হলে, ঐ সকল সম্পত্তি স্বামীর জীবিতকাল পর্যন্ত কী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে?
  1. পূর্ণ স্ত্রীধন
  2. স্বামীর সম্পত্তি
  3. সীমিত অর্থে স্ত্রীধন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সীমিত অর্থে স্ত্রীধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমিত অর্থে স্ত্রীধন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) সীমিত অর্থে স্ত্রীধন।

- বিবাহিতা অবস্থায় হিন্দু নারী যদি কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে সম্পত্তি অর্জন করেন, তবে সেই সম্পত্তি স্বামীর জীবদ্দশায় সীমিত অধিকার সহ স্ত্রীধন হিসেবে গণ্য হয়। অর্থাৎ স্বামী জীবিত থাকাকালে স্ত্রী সম্পূর্ণভাবে বিক্রি, দান বা হস্তান্তর করতে পারেন না। স্বামী মারা গেলে সেই সম্পত্তি পূর্ণ স্ত্রীধন হিসেবে পরিণত হয়।

স্ত্রীধন:
যে সমস্ত সম্পত্তিতে মহিলাদের চূড়ান্ত মালিকানা রহিয়াছে অর্থাৎ যে সকল সম্পত্তিতে মহিলাগণ সম্পূর্ণ স্বত্বের অধিকারিণী তাহাকে বলা যায় স্ত্রীধন। ঐ সকল সম্পত্তি মহিলারা তাহাদের ইচ্ছানুযায়ী ভোগ-দখল, দান, বিক্রয়, উইল ইত্যাদি করিতে পারেন, তাহাতে কাহারও আইনত বাধা দেওয়ার কিছুই থাকে না।

- সকল মতেই একজন মহিলা কুমারী অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন বলিয়া গণ্য হইবে।

- অনুরূপভাবে সকল মতেই বিধবা উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

- একজন মহিলা বিবাহিতা অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবে কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহাও তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে। যেমন- বিবাহ উপলক্ষ্যে স্ত্রী যে সমস্ত যৌতুকাদি পাইয়া থাকেন অথবা বিবাহিতা অবস্থায় আত্মীয়দের নিকট হইতে কোন সম্পত্তি দানসূত্রে পাইলে তাহাও স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

তবে ব্যতিক্রম এই যে, বাংলাদেশে বিবাহিতা অবস্থায় অনাত্মীয় ব্যক্তির নিকট হইতে দানসূত্রে কোন কিছু পাইলে, স্বামীর নিকট হইতে দানসূত্রে স্থাবর সম্পত্তি পাইলে অথবা বিবাহিতা অবস্থায় কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অর্জিত হইলে ঐ সকল সম্পত্তি স্বামীর জীবিতকাল পর্যন্ত সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে। স্বামীর জীবদ্দশায় উক্ত তিন প্রকারের সম্পত্তিতে বিবাহিতা মহিলার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকে না এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নিজের ইচ্ছামত দান বিক্রয় ইত্যাদি করা যায় না। স্বামী মারা গেলে অবশ্য ঐ সকল সম্পত্তি সম্পূর্ণ স্ত্রীধনরূপে গণ্য হইবে। অর্থাৎ উক্ত তিন রকমে প্রাপ্ত সম্পত্তিকে স্বামীর জীবদ্দশায় পুরাপুরি স্ত্রীধনরূপে গণ্য না করিয়া বরং সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে।

উল্লেখ্য,
- যদি কোন মহিলার ভরণপোষণের জন্য মাসহারা বাবদ কোন অর্থ অথবা সম্পত্তি দেওয়া হয়, তবে তাহা সমস্ত মতপন্থী অনুযায়ীই স্ত্রীধনরূপে গণ্য।

- স্ত্রীধন দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিও স্ত্রীধন হইবে। স্ত্রীধনের বিনিময়ে আপোষ মীমাংসায় অন্য কোন সম্পত্তি পাওয়া গেলে তাহাও স্ত্রীধন হইবে।

৬২.
Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum (1995) মামলার মূল বিষয় কী ছিল?
  1. বিবাহ রেজিস্ট্রেশন
  2. তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার
  3. সন্তানদের হেফাজতের অধিকার
  4. বিবাহিতা স্ত্রীর দেনমোহরের অধিকার
সঠিক উত্তর:
তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার
ব্যাখ্যা

'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34':
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম মামলাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় যা ১৫ বিডিএল(৩৪) রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অধীনে রয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় ছিল তালাকপ্রাপ্ত মহিলার Post-divorce Maintenance এর অধিকার সম্পর্কিত।

মামলার পটভূমি:
শামসুন নাহার বেগম তার স্বামী মুহাম্মদ হেফজুর রহমানের বিরুদ্ধে Maintenance-এর দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তালাক দেওয়ার পরও তাকে Maintenance প্রদান করা হচ্ছে না।

আইনি প্রশ্ন:
মামলার মূল আইনি প্রশ্ন ছিল, তালাকের পর একজন মহিলার Maintenance দেওয়ার অধিকার কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিশেষভাবে, ইদ্দতকাল (তালাকের পর নির্দিষ্ট সময়কাল) ছাড়াও কি Maintenance প্রদান করা হবে?

আদালতের সিদ্ধান্ত:
হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে যে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর Maintenance ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তিনি পুনরায় বিয়ে করেন এবং তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।
আদালত বলেছে, “একজন পুরুষ তার স্ত্রীর তালাক দেওয়ার পর তাকে ইদ্দতকাল পেরিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে Maintenance প্রদান করতে বাধ্য। এই Maintenance প্রদান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করে তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।”

৬৩.
সপ্রতিবন্ধ দায়ে উত্তরাধিকার লাভ হয়-
  1. জন্মসূত্রে
  2. মৃত্যুর পর
  3. উইল থাকলে
  4. আদালতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর পর
ব্যাখ্যা

সপ্রতিবন্ধ দায় (Obstructed heritage):
যখন একজনের মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অপরের উত্তরাধিকার অথবা উত্তরজীবীসূত্রে অধিকার জন্মায় তখন ইহাকে সপ্রতিবন্ধ দায় বলা যাইতে পারে। এইক্ষেত্রে অপ্রতিবন্ধ দায়ের ন্যায় জন্মসূত্রে সম্পত্তিতে অধিকার জন্মায় না। অর্থাৎ যেখানে একজনের সম্পত্তি পাওয়া অপরের মৃত্যুর উপর নির্ভরশীল তাহাকেই বলা যায় সপ্রতিবন্ধ দায়। 
এইক্ষেত্রে একজনের অস্তিত্ব অপরের সম্পত্তি পাওয়ার বাধা সৃষ্টি করে। বাধা অপসারিত হইলে পরে অন্যের উপর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বর্তায়। এইভাবে প্রতিবন্ধকতা অপসারিত হওয়ার পর সম্পত্তি পাওয়াকে বলা হয় সপ্রতিবন্ধ দায়।

অপ্রতিবন্ধ দায় (Unobstructed heritage):
সংস্কৃত এবং বাংলায় দায় কথার অর্থ উত্তরাধিকার (inheritance)। যখন একজন কোন প্রতিবন্ধকতা অর্থাৎ বাধা ব্যতিরেকেই কোন সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে তখন তাহাকে অপ্রতিবন্ধ দায় বলা হয়। যেমন- মিতাক্ষরা মতে জন্মসূত্রে পুত্র পূর্বপুরুষাগত সম্পত্তিতে পিতার সহ-উত্তরাধিকারী হয়, এখানে পিতার অস্তিত্ব পুত্রের পূর্বপুরুষাগত সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইতে কোন বাধা সৃষ্টি করে না। এইভাবে সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হওয়াকে বলে "অপ্রতিবন্ধ দায়।"

৬৪.
Transfer of Property Act, 1882-এর ১০ ধারা কোন ধরনের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. বিক্রয়
  2. দান
  3. লিজ
  4. বিনিময়
সঠিক উত্তর:
লিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিজ
ব্যাখ্যা

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ১০ – হস্তান্তরে বাধা আরোপ সম্পর্কিত শর্ত (Condition restraining alienation):
যদি কোনো সম্পত্তি এমন শর্তে হস্তান্তর করা হয় যে- গ্রহীতা (transferee) বা তার অধিকারভুক্ত কোনো ব্যক্তি সেই সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বা বিক্রি করতে পারবে না, তাহলে সেই শর্ত বা সীমাবদ্ধতা অবৈধ (void) বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, সম্পত্তির মালিকানা দেওয়া হলে, তাকে পুরো অধিকার দেওয়া হবে- তার সম্পত্তি বিক্রি, দান, বিনিময় ইত্যাদি করার অধিকার কেউ সম্পূর্ণভাবে আটকাতে পারে না।

তবে ব্যতিক্রম (Exception):
এই নিয়ম lease (ভাড়া বা ইজারা)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেই শর্তটি lessor (মালিক)-এর স্বার্থ রক্ষার জন্য করা হয়। অর্থাৎ, ভাড়ার চুক্তিতে বলা থাকলে যে “ভাড়াটিয়া মালিকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তি অন্যকে দিতে পারবে না,” তাহলে সেই শর্ত বৈধ।

বিশেষ শর্ত (Proviso):
যদি কোনো সম্পত্তি এমনভাবে হস্তান্তর করা হয় যাতে কোনো নারী (যিনি হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ নন) তার বিবাহকালীন সময়ে সেই সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক রাখতে না পারেন, তাহলে এই ধরণের শর্ত বৈধ (valid)।

৬৫.
A, B-এর কাছে ১,০০০ টাকা ঋণী, কিন্তু তামাদি আইনে পরিশোধের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। A লিখিতভাবে ৫০০ টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়। এই চুক্তি-
  1. বৈধ
  2. অবৈধ
  3. বাতিল
  4. বাতিলযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫(৩) অনুসারে, 
যদি কেউ লিখিতভাবে এবং স্বাক্ষর করে প্রতিশ্রুতি দেয় যে, সে ঋণের পুরো বা আংশিক অর্থ পরিশোধ করবে, যা সাধারণভাবে ঋণদাতা আদালতের মাধ্যমে আদায় করতে পারত যদি Limitation Act-এ বাধা না থাকত, সেই চুক্তিটি বৈধ চুক্তি (valid contract) হিসাবে গণ্য হবে।

Illustration (e) অনুযায়ী:
A B-এর কাছে ১,০০০ টাকা ঋণী, কিন্তু Limitation Act-এর কারণে আদায় করা সম্ভব নয়। A লিখিতভাবে ৫০০ টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়। → এটি চুক্তি (contract) হিসেবে বৈধ।

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫- প্রতিদান ছাড়া চুক্তি (Agreement without consideration):
যে কোনো চুক্তি প্রতিদান ছাড়া করা হয়, তা সাধারণভাবে অবৈধ (void)। কিন্তু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, এমন চুক্তি বৈধ হতে পারে।

যে ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়া চুক্তি বৈধ:
১/ লিখিত ও নিবন্ধিত চুক্তি এবং প্রাকৃতিক ভালোবাসা/সম্পর্কের কারণে: 
যদি চুক্তি লিখিতভাবে প্রকাশিত হয় এবং নিবন্ধিত হয়, এবং তা প্রকৃত প্রাকৃতিক ভালোবাসা বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে করা হয় (যেমন বাবা–ছেলের মধ্যে), তবে চুক্তিটি বৈধ।

২/ ইতিমধ্যেই করা কাজের জন্য প্রতিদান:
যদি কেউ ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কোনো কাজ করেছে এবং অন্য পক্ষ তার প্রতিদান দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, অথবা যদি সেই কাজ আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক ছিল, তবে চুক্তিটি বৈধ।

৩/ প্রতিদান ছাড়া ঋণ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি:
যদি কেউ লিখিতভাবে এবং স্বাক্ষরিতভাবে বলে যে, সে বাকি থাকা ঋণ (যা আদালতের মাধ্যমে পরিশোধের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে) পরিশোধ করবে, তবে চুক্তিটি বৈধ।

ব্যাখ্যা:
উপহার (Gift) সম্পর্কিত ব্যাখ্যা: এই ধারা কোনো উপহারের বৈধতা প্রভাবিত করে না। অর্থাৎ দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে বাস্তব উপহার বৈধ থাকে।

প্রতিদানের পর্যাপ্ততা না থাকা:
যদি প্রতিদান কম হয়, তবুও চুক্তি বৈধ হতে পারে যদি প্রত্যেক পক্ষের সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়। আদালত পর্যবেক্ষণ করতে পারে যে, কম প্রতিদান থাকার কারণে সম্মতি সত্যিই স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়েছে কি না।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) A B-কে ১,০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় কোনো প্রতিদান ছাড়াই- অবৈধ চুক্তি।
(b) A তার ছেলে B-এর জন্য ভালোবাসা ও স্নেহের কারণে লিখিত ও নিবন্ধিতভাবে ১,০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়- বৈধ চুক্তি।
(c) A B-এর হারানো পয়সার ব্যাগ খুঁজে B-কে দেয়। B A-কে ৫০ টাকা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়- বৈধ চুক্তি।
(d) A B-এর শৈশবকালীন সন্তানকে দেখাশোনা করে। B A-কে খরচ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়- বৈধ চুক্তি।
(e) A B-এর কাছে ১,০০০ টাকা ঋণী, কিন্তু সময়সীমা শেষ। A লিখিতভাবে ৫০০ টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়- বৈধ চুক্তি।
(f) A ১,০০০ টাকার ঘোড়া ১০ টাকায় বিক্রি করতে রাজি হয়। A-এর সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া। 
- বৈধ চুক্তি, প্রতিদানের কমতা থাকা সত্ত্বেও।
(g) A ১,০০০ টাকার ঘোড়া ১০ টাকায় বিক্রি করতে রাজি হয়। কিন্তু A দাবি করে সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়নি। আদালত বিবেচনা করবে, কম প্রতিদান থাকার কারণে সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়েছে কি না।

৬৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৫০ ধারার অধীনে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট পর্যালোচনার আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

৬৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী, অ-কৃষি জমি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে প্রজার প্রধান শর্ত কী?
  1. জমি বিক্রি করা যাবে না
  2. জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
  3. আবাসিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে
  4. মালিকের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬: অ- কৃষি জমির ব্যবহার পদ্ধতি:
(১) অ-কৃষি জমি অধিকারে আছে এমন কোনো প্রজা উক্ত জমি যেকোনোভাবে ব্যবহার করিতে পারিবেন, তবে এই আইনের অধীন যে সকল উদ্দেশ্যে অ- কৃষি জমি অধিকারে রাখা যায় উহাদের কোনোটির সহিত যেন উক্ত ব্যবহার অসংগতিপূর্ণ না হয় এবং বাস্তবে উক্ত জমির মূল্যের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

(২) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৭ বা ধারা ৮ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজ করিবার অধিকার থাকিবে, যথাঃ-
(ক) পাকা কাঠামোসহ যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) মসজিদ, মন্দির বা অন্য কোনো উপাসনালয় নির্মাণ করা;
(গ) পুকুর খনন করা; এবং
(ঘ) বৃক্ষ রোপণ করা এবং উক্ত জমির উপরস্থ গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা এবং কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

(৩) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৯ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজসমূহ করিবার অধিকার থাকিবে, যথা:-
(ক) পাকা কাঠামো ব্যতীত অন্য যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) বৃক্ষ রোপণ করা, এবং গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা; এবং
(গ) উক্ত জমিতে তাহার রোপিত গাছের কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

৬৮.
'Marshalling Securities' সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর কত ধারার বিধান?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮১ ধারা
  3. ৮২ ধারা
  4. ৮৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারা
ব্যাখ্যা

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৮১-“Marshalling Securities”:
যদি কোনো ব্যক্তি (মালিক) দুই বা তার বেশি সম্পত্তি (properties) কোনো একজন ব্যক্তির কাছে বন্ধক (mortgage) রাখেন,
এবং তারপর সেই সম্পত্তিগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক সম্পত্তি আবার অন্য ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখেন, তাহলে- দ্বিতীয় (পরবর্তী) বন্ধকগ্রহীতা (subsequent mortgagee) যতক্ষণ পর্যন্ত বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে- এই অধিকারের অধিকারী হবেন যে, আগের বন্ধকের টাকা (prior mortgage-debt) সেই সম্পত্তি বা সম্পত্তিগুলো থেকে পরিশোধ করা হবে যেগুলো দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতার কাছে বন্ধক রাখা হয়নি, যতদূর পর্যন্ত তা সম্ভব হয়।

তবে এই অধিকার এভাবে প্রয়োগ করা যাবে না যাতে-
আগের বন্ধকগ্রহীতার (prior mortgagee) অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা এমন কোনো ব্যক্তির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় যিনি বিনিময়ে (for consideration) ঐ সম্পত্তির কোনো স্বার্থ অর্জন করেছেন।

ধরা যাক-
মালিক A-এর দুটি জমি আছে X ও Y। তিনি দুটোই B-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (প্রথম বন্ধক)। পরে A, জমি Y-কে আবার C-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (দ্বিতীয় বন্ধক)। এখন, C (দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতা) কোর্টে বলতে পারেন— “প্রথম বন্ধকের টাকা আগে জমি X থেকে পরিশোধ করা হোক, যাতে আমার বন্ধককৃত জমি Y-এর উপর চাপ না পড়ে।” এটিই হলো Marshalling- অর্থাৎ, একাধিক সম্পত্তি বন্ধক রাখা হলে, পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত ন্যায়সঙ্গতভাবে নির্ধারণ করতে পারে কোন সম্পত্তি থেকে আগে ঋণ পরিশোধ হবে।

৬৯.
Contract Act, 1872-এর ১২৮ ধারার ভিত্তিতে জামিনদারের দায়কে কী বলা হয়?
  1. সীমিত দায়
  2. ঐচ্ছিক দায়
  3. অপরিমিত দায়
  4. সমপরিমাণ দায়
সঠিক উত্তর:
সমপরিমাণ দায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমপরিমাণ দায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - সমপরিমাণ দায়।

Contract Act, 1872-এর ধারা ১২৮ – জামিনদারের দায় (জামিনদারের দায়িত্ব):
জামিনদারের দায় মূল ঋণগ্রহীতার দায়ের সমান, যদি চুক্তিতে অন্যভাবে উল্লেখ না করা থাকে।

অর্থাৎ,
জামিনদারের দায় = মূল ঋণগ্রহীতার দায়।
→ এটিকে co-extensive liability (সমপরিমাণ দায়) বলা হয়।

উদাহরণ:
A, B-এর কাছে C-এর বিল অব এক্সচেঞ্জের (bill of exchange) পরিশোধের জন্য জামিনদার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে। C বিলটি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়।

ফলাফল:
A মূল বিলের পাশাপাশি মুল্য, সুদ এবং যেকোনো প্রযোজ্য চার্জের জন্যও দায়ী হয়।

৭০.
'যেক্ষেত্রে কোনো চুক্তিতে বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হয়, সেক্ষেত্রে যে পক্ষের সম্মতি অনুরূপভাবে আদায় করা হয়েছে, সেই পক্ষের ইচ্ছা অনুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে।' - চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৭
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯- স্বাধীন সম্মতি (free consent) ব্যতীত সম্মতির (agreement) বাতিলযোগ্যতা:
যেক্ষেত্রে কোনো চুক্তিতে বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে যে পক্ষের সম্মতি অনুরূপভাবে আদায় করা হইয়াছে, সেই পক্ষের ইচ্ছা অনুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হইবে।
প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা চুক্তির কোনো পক্ষের সম্মতি আদায় করা হইলে, সেই পক্ষ যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহা হইলে তিনি চুক্তিটি প্রতিপালনের জন্য পীড়াপীড়ি করিতে পারেন এবং বর্ণনা যদি সত্য হইত, তাহা হইলে তিনি যে অবস্থায় উপনীত হইতে পারিতেন সেই অবস্থায় উপনীত হইতে পারিবেন।

ব্যতিক্রম- উক্তরূপ সম্মতি মিথ্যা বর্ণনা বা মৌনতা, ধারা ১৭ এর সংজ্ঞাধীনে প্রতারণা দ্বারা আদায় করা হইলেও চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হইবে না, যদি যে পক্ষের উক্তরূপে সম্মতি আদায় করা হইয়াছে সেই পক্ষ সাধারণ প্রজ্ঞা দ্বারা সত্য উৎঘাটন করিতে সমর্থ হয়।
ব্যাখ্যা- চুক্তির কোনো পক্ষের প্রতি প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা করা সত্ত্বেও, উহা উক্ত পক্ষের সম্মতি প্রদানের কারণ না হইলে উহা কোনো চুক্তিকে বাতিল করিবে না।

৭১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী, রায়ত কোন ধরনের বন্ধক দিতে পারবেন
  1. স্বত্বের দলিল জমার মাধ্যমে সৃষ্ট বন্ধক
  2.  শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধক
  3. আংশিক খাই খালাসী বন্ধক
  4. সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
ব্যাখ্যা

রায়তের সম্পত্তি বন্ধকী (Mortgage) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ- ধারা ৯৫, The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
(১) যেকোনো অন্য প্রযোজ্য আইন সত্ত্বেও, কোনো রায়ত তার অধিকারী সম্পত্তিতে সম্পূর্ণ খাই খালাসী (complete usufructuary) বন্ধক ছাড়া অন্য কোনো ধরনের usufructuary mortgage করতে পারবে না।

এই পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধকও সেই সীমাবদ্ধতার অধীনে হবে যা ধারা ৯০ অনুযায়ী রায়তের সম্পত্তি বা তার অংশ/শেয়ারের হস্তান্তরে প্রযোজ্য।

কোনো রায়ত এই ধরণের বন্ধক করতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের জন্য (চুক্তি স্পষ্ট বা নীরব হোক)।

প্রদত্ত শর্ত:
- বন্ধকয়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোনো সময়, রায়ত বন্ধক বাতিল (redeem) করতে পারবে।
- এর জন্য যে অর্থ প্রদান করতে হবে, তা হবে মোট প্রাপ্ত অর্থের সেই অংশ যা বাকি সময়ের অনুপাতে (unexpired period / total period) হিসাব করা হবে।

(২) প্রতিটি পূর্ণ ব্যবহারাধিকারী বন্ধক Registration Act, 1908 অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য হতে হবে।

(৩) যদি কোনো রায়তের বন্ধকী উপ-ধারা (১)-এর শর্ত পূরণ না করে বা নিবন্ধিত না হয়, তবে তা বাতিল (void) হবে।

(৪) যেকোনো ক্ষেত্রে, যদি বন্ধক গ্রহণকারী (mortgagee) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বন্ধকী বাতিল বা জমির পুনরুদ্ধার (redemption/restoration) করতে বাধা দেয়, তখন রায়াত Subdivisional Magistrate বা সরকারের অনুমোদিত কোনো কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে পারবে। আবেদন ও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করলে, ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে mortgagee জমি রায়াতকে ফেরত দেবে এবং সমস্ত সম্পর্কিত দলিল হস্তান্তর করবে।

(৫) যদি mortgagee নির্দেশিত তারিখে জমি ফেরত না দেয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা রায়াতের আবেদন অনুযায়ী মর্টগেজি (mortgagee) কে উচ্ছেদ করে জমিতে দখল ফিরিয়ে দিতে পারবেন। এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ (force) করা বা করানো যাবে।

৭২.
The Registration Act, 1908 এর অধীন নিয়োজিত নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কোন আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি, ১৮৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি, ১৮৬০
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮৪- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা সরকারি কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন:
(১) এই আইনের অধীন নিয়োজিত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দণ্ডবিধির সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুসারে তাহাকে সংবাদ সরবরাহ করিতে আইনত বাধ্য থাকিবেন।
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ২২৮ এ উল্লিখিত, "বিচারিক কার্যক্রম (Judicial proceedings)" অর্থে এই আইনের অধীন যে কোন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হইবে।

৭৩.
Which one of the following is not an essential condition for application of "Lis Pendens" under section 52 of the Transfer of Property Act, 1882?
  1. Pendency of a suit or Proceeding
  2. Suit must be collusive
  3. Pendency in a competent court
  4. Alienation must affect the rights of the other party
সঠিক উত্তর:
Suit must be collusive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Suit must be collusive
ব্যাখ্যা

উত্তর: Suit must be collusive (মামলাটি অবশ্যই যোগসাজশপূর্ণ হতে হবে)।

"Lis Pendens" (অর্থাৎ বিচারাধীন সম্পত্তির স্থানান্তর) বিষয়টি Transfer of Property Act, 1882-এর Section 52-এ বলা হয়েছে।
এই নিয়মের মূল উদ্দেশ্য হলো- কোনো সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা বিচারাধীন অবস্থায় সেই সম্পত্তি হস্তান্তর বা বিক্রয় করা হলে, তাতে মামলার ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়বে না।

Rule of Lis Pendens প্রযোজ্য হওয়ার জন্য যেসব শর্ত (Essential Conditions):
- কোনো মামলা বা কার্যধারা (suit or proceeding) বিচারাধীন থাকতে হবে।
- মামলাটি কোনো যোগ্য (competent) আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে।
- বিবাদের বিষয়বস্তু (property) মামলার মূল বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হতে হবে।
- সম্পত্তি হস্তান্তর (alienation) করলে তা অপর পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে।
- মামলাটি যোগসাজশপূর্ণ (collusive) হওয়া চলবে না।

তাই, "Suit must be collusive" কোনো অপরিহার্য শর্ত নয়— বরং উল্টোভাবে বলতে হয়: মামলাটি collusive হলে Section 52 প্রযোজ্য হবে না।

৭৪.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভিশন
  3. আপিল ও রিভিশন উভয়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১ অনুযায়ী:
শিশু-আদালতের প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করা যেতে পারে। এছাড়াও, একই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যেতে পারে। অতএব, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উভয় প্রতিকারই প্রযোজ্য।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

৭৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন নাশকতার (Sabotage) সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪, ধারা ১৫(৩) অনুযায়ী:
নাশকতা বা অন্তর্ঘাত (Sabotage) করলে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ১৫ ধারার বিধান- অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

৭৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, কমিশন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কী করতে পারবে?
  1. পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া
  2. আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
  3. সাক্ষীর লিখিত বিবৃতি নেওয়া
  4. আদালতকে অনুরোধ করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷

৭৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক অনুসারে, স্পেশাল মেডিয়েটরদের তালিকা প্রস্তুত করবে-
  1. সরকার
  2. জেলা আদালত
  3. জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
  4. চীফ লিগ্যাল এড অফিসার
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

⇒ “সংস্থা” অর্থ এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা;

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।

৭৮.
দ্রুত বিচার আদালতের মামলার আপীল নিষ্পত্তি কোন আদালতের মাধ্যমে হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
  4. দ্রুত বিচার আপিল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।

৭৯.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;

(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

৮০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সঙ্গে যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তা-
  1. মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না
  2. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  3. ফেরত দেওয়া হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া বাজেয়াপ্ত করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:
(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

৮১.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তার বিধান লঙ্ঘন করলে, তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।

৮২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪ কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. তদন্তের সময়সীমা
  2. রায় ঘোষণার সময়সীমা
  3. বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
  4. অভিযোগ গঠনের সময়সীমা
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

৮৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯(খ) অনুসারে, অপরাধ সংঘটনের সময় নারীর বয়স হতে হবে-
  1. ১৮ বছরের অধিক
  2. ১৬ বছরের অধিক
  3. ১৫ বছরের অধিক
  4. ১৪ বছরের অধিক
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের অধিক
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]