পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৬: উদ্ভিদ, ফুল, ফল ও পরাগায়ণ, মাইক্রোবায়োলজি, plant Nutrition, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হটিকালচার ইত্যাদি। (Live Interactive Class – 36, 37 & 38)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
উদ্ভিদ মূলত কত উপায়ে প্রজনন সম্পন্ন করে থাকে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ প্রজননের প্রকারভেদ :
উদ্ভিদ বিভিন্ন উপায়ে প্রজনন সম্পন্ন করে থাকে। তবে উদ্ভিদে প্রজনন প্রধানত দু'প্রকার
যথা-
(ক) যৌন প্রজনন 
(খ) অযৌন প্রজনন

যৌন প্রজনন:
দুটি ভিন্ন প্রকৃতির যথা পুং ও স্ত্রী জনন কোষ বা গ্যামিট পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে যে প্ৰজনন সম্পন্ন করে তাকে যৌন প্রজনন বলা হয়।
এদের একটিকে পুং জনন কোষ (শুক্রাণু) ও অন্যটিকে স্ত্রী জনন কোষ (ডিম্বাণু বলা হয়। এ দু'ধরনের জনন কোষ একই ফুলে বা একই দেহে সৃষ্টি হয়। 

অযৌন জনন (Asexual reproduction) :
দুটি গ্যামিটের মিলন ছাড়া অন্য উপায়েও জনন হতে পারে। পুংগ্যামিট ও স্ত্রী গ্যামিটের মিলন ছাড়া উদ্ভিদে যে প্রজনন ঘটে তাকে অযৌন জনন বলে। অযৌন জনন বিভিন্নভাবে হতে পারে। যথা-
১. দ্বিভাজন প্রক্রিয়া 
২. কুঁড়ি বা বাড (Bud) উৎপাদনের মাধ্যমে 
৩. খন্ডায়নের মাধ্যমে 
৪. অযৌন রেণু বা স্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পরাগরেণুর নিউক্লিয়াস কোন প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়?
  1. ক) মাইটোসিস
  2. খ) মিয়োসিস
  3. গ) অ্যামাইটোসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) মাইটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাইটোসিস
ব্যাখ্যা
• পরাগরেণু হচ্ছে পুংগ্যামিটোফাইটের প্রথম কোষ।
• পরাগরেণুর হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস গঠন করে।
• এদের বড়টিকে বলা হয় নালিকা পরাগধানীর প্রাচীর ফেঁটে গেলে সাধারণত এ দ্বি-নিউক্লিয়াসযুক্ত পরাগরেণু বাইরে বেরিয়ে আসে।
• এ পরাগরেণু বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে স্ত্রীকেশরের গর্ভমুন্ডে পতিত হয় এবং পরাগায়ন ঘটায়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
ভাইরাসে কোনটি থাকে না?
  1. ক) সাইটোপ্লাজম
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) রাইবোসোম
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য:
 •ভাইরাস অকোষীয়।
এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
 • এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত ।
•এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না।
•ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়।
•জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
E.coli এক ধরণের-
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) শৈবাল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। ব্যাকটেরিয়া (এক বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। গাঠনিক , উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়।

ব্যাকটেরিয়া মাটিতে, পানিতে, বাতাসে, জীবদেহের বাইরে এবং ভেতরে বাস করে। এমনকি মানুষের অন্ত্রেও ব্যাকটেরিয়া বাস করে। যেমন- Escherichia coli। এরা আমাদেরকে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স সরবরাহ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
কোনটি ডিম্বকের অংশ নয়?
  1. ক) পরাগ নালিকা
  2. খ) নিউসেলাস
  3. গ) ভ্রূণথলি
  4. ঘ) ডিম্বকমূল
সঠিক উত্তর:
ক) পরাগ নালিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরাগ নালিকা
ব্যাখ্যা
ডিম্বকের গঠন : একটি ডিম্বক (Megasporangium = ovule) নিম্নলিখিত অংশগুলো নিয়ে গঠিত-
১। ডিম্বকনাড়ী (Funiculus) 
২। ডিম্বকনাভী (Hilum)  
৩। নিউসেলাস (Nucellus)
৪। ডিম্বকমূল (Chalaza) : 
৫। ডিম্বকত্বক (Integument) 
৬। ডিম্বকরন্ধ্র (Micropyle) 
৭। ভ্রূণথলি (Embryosac)

পরাগ নালিকা পুং গ্যামেটোফাইটের অংশ

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
শ্রম বিভাজন অনুসারে মৌমাছি কে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
মধু ও মোমের জন্য মৌমাছি সকলের নিকট খুবই প্রিয়। এছাড়াও এরা ফসলের পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ফলন অনেক বাড়িয়ে দেয়। মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়। সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়। মৌমাছি একটি সামাজিক পোকা। এরা কলোনী তৈরি করে একসাথে বসবাস করে। এই পোকার মধ্যে শ্রমবিভাজন দেখা যায়।

শ্রমবিভাজন অনুসারে এই পোকাদের ৩টি শ্রেণি বা কাস্টে বিভক্ত করা হয়। যথা –
(১) রাণী মৌমাছি
(২) কৰ্মী বা শ্রমিক মৌমাছি
(৩) পুরুষ মৌমাছি।

উৎস: কৃষিবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ?
  1. ক) এইডস
  2. খ) জলাতঙ্ক
  3. গ) ডেঙ্গু
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
এইডস রোগটি হয় HIV ভাইরাস দ্বারা।
জলাতঙ্ক রোগটি হয় র‍্যাবিস ভাইরাস দ্বারা।
ডেঙ্গু রোগটি হয় ফ্ল্যাভি ভাইরাস দ্বারা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
মধুতে কোন ভিটামিন বিদ্যমান?
  1. ক) ভিটামিন এ
  2. খ) ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স
  3. গ) ভিটামিন সি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
১. মধু মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আমাশয়, কানপাকা, জিহবার ঘা, জন্ডিস, অর্শরোগ, সর্দি, কাশি, শ্বাসরোগসহ বিভিন্ন রোগের উপশম ছাড়াও জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায় ।
২. মধু বলবৃদ্ধিকারক, পুষ্টিকর ও মিষ্টিদ্রব্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
৩. মধুতে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন-সি রয়েছে।
৪. মধুতে বিদ্যমান ডেক্সট্রোজ শরীরের দীর্ঘস্থায়ী শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।
৫. মধু দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করে ।
৬. দেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় K, Ca, Mg, S, Fe, Cu, P ইত্যাদি উপাদানের উৎস হিসেবে কাজ করে।

কৃষিবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
একটি মৌচাকে রাণী মৌমাছি কয়টি থাকে?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১
ব্যাখ্যা
রাণী মৌমাছি (Queen Honeybee) মৌমাছির যে কোনো কলোনীতে বা মৌচাকে প্রজনন কার্য সম্পন্ন করার জন্য একটি মাত্র স্ত্রী মৌমাছি দেখা যায়, একে রাণী মৌমাছি বলা হয়।
এই রাণী মৌমাছি দু'ধরনের ডিম পেড়ে থাকে ক) নিষেককৃত ডিম ও খ) অনিষেককৃত ডিম। নিষেককৃত ডিম থেকে কর্মী মৌমাছি এবং অনিষেককৃত ডিম থেকে পুরুষ মৌমাছি তৈরি হয়ে থাকে। মৌচাকের মধ্যে রয়েল জেলী থাকে। এই রয়েল জেলী মৌমাছির লার্ভাকে ৬-৭ দিন খাওয়ালে তা রাণী মৌমাছি এবং ৩ দিন খাওয়ালে তা কর্মী মৌমাছিতে পরিণত হয়।
একই মৌচাকে একাধিক রাণী মৌমাছি থাকলে তাদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় এবং যুদ্ধে জয়ী রাণীই একমাত্র বেঁচে থাকে, বাকীরা মারা যায়।
যে রাণী বেঁচে থাকে, কর্মী ও পুরুষ মৌমাছিরা তার নির্দেশ মেনে এবং তাকে অনুসরণ করে অন্যত্র কলোনী তৈরি করে। তবে স্বাভাবিকভাবে একটি রাণী মৌমাছি নিৰ্দিষ্ট সংখ্যক ডিম দেওয়ার পর সে মারা যায় এবং নতুন রাণীর উদ্ভব ঘটে।

উৎস: কৃষিবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০.
উৎস অনুযায়ী আমিষ কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
আমিষের উৎস: আমরা আগেই জেনেছি মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিমের বীচি, শুঁটকি মাছ, চিনাবাদাম ইত্যাদি থেকে আমরা আমিষ পাই।

উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের:
১. প্রাণিজ আমিষ;
২. উদ্ভিজ্জ আমিষ।

• প্রাণিজ আমিষ:
মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায় ।

• উদ্ভিজ্জ আমিষ:
ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি